ঢাকা ২ আষাঢ় ১৪৩৩, মঙ্গলবার, ১৬ জুন ২০২৬

সর্বশেষ
উপদেষ্টাকে ঘিরে আবার উত্তেজনায় ঢাকা-দিল্লি ১৬ জুন  ২০২৬ তারিখের নামাজের সময়সূচি আত্মঘাতী গোলে বেলজিয়ামের বিপক্ষে জয়বঞ্চিত মিশর ২৬ বছরে অভিষেক, বিশ্বকাপে স্পেনকে স্তব্ধ করে দেওয়া কে এই গোলরক্ষক? প্রথমার্ধে বেলজিয়ামের বিপক্ষে এগিয়ে মিশর বিশ্বকাপ ইতিহাসে নাম লেখালেন ভোজিনিয়া-ইয়ামাল শক্তিশালী স্পেনকে রুখে দিল নবাগত কেপ ভার্দে বিশ্বকাপ অভিষেকে রেকর্ড গড়ল কেপ ভার্দে দুই ছেলের নামে ২ ইউনিয়নের নামকরণ নিয়ে যা জানালেন স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রী মানবিক রাষ্ট্র গঠনে গণমাধ্যমের সহযোগিতা চান প্রধানমন্ত্রী প্রথমার্ধে স্পেনকে আটকে দিল কেপ ভার্দে চট্টগ্রামে মেরিন সার্ভেয়ারদের প্রশিক্ষণ কর্মশালা অনুষ্ঠিত মতলবে বৃদ্ধকে পিটিয়ে হত্যার প্রধান আসামি গ্রেপ্তার ইরান-যুক্তরাষ্ট্র চুক্তিকে স্বাগত জানাল বাংলাদেশ যুক্তরাজ্যে ১৬ বছরের নিচে সামাজিক মাধ্যম ব্যবহার নিষিদ্ধ বিশ্বকাপে শুরুতেই বড় হার, ম্যাচ শেষ হতেই কোচ বরখাস্ত নবজাতকের মরদেহ টানাটানি করছিল কুকুর, উদ্ধার করল পুলিশ গোপালগঞ্জে যৌতুকের জন্য স্বামীর হাতে স্ত্রী খুন হুইলচেয়ারে মাঠ ছাড়লেন কুবো, জাপান শিবিরে উদ্বেগ মৌলভীবাজারে তিন মাসের ভোগান্তির পর চিকিৎসাসেবা পেল চা-বাগানবাসী শার্শায় প্রবাসীর স্ত্রীকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণ, গ্রেপ্তার ৩ যানবাহন নিয়ন্ত্রণে চট্টগ্রামেও বসবে এআই ক্যামেরা: চসিক মেয়র স্পেনের একাদশে নেই ইয়ামাল ‘অন্তর্বর্তী সরকারের অদক্ষতা ও অব্যবস্থাপনায় কাঙ্ক্ষিত জন প্রত্যাশা পূরণ হয়নি’ রাজশাহীকে বাসযোগ্য ও দুর্নীতিমুক্ত শহর গড়ার প্রত্যয় আরডিএ’র নতুন চেয়ারম্যানের কর্মমুখী দক্ষতা অর্জনই হোক অর্থনৈতিক রূপান্তরের শক্তি শ্রমিকদের ‘চাকরি’ স্থায়ী করুন রাজনীতিকে সরল সমীকরণে দেখা যায় না ইস্তিগফারের এমন ক্ষমতা জানলে আপনি অবাক হবেন ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় সালিশ বৈঠকে প্রতিপক্ষের হামলায় শ্রমিক দল নেতা নিহত
Nagad desktop

মেধাবী মুখ কুরআনের হাফেজ ফয়সাল বিশ্ববিদ্যালয়েও করেছেন ঈর্ষণীয় ফলাফল

প্রকাশ: ১৮ নভেম্বর ২০২৪, ০৩:০৮ পিএম
আপডেট: ১৮ নভেম্বর ২০২৪, ০৫:৩৮ পিএম
কুরআনের হাফেজ ফয়সাল বিশ্ববিদ্যালয়েও করেছেন ঈর্ষণীয় ফলাফল
মাহমুদুল হাসান ফয়সাল। ছবি: সংগৃহীত

মাহমুদুল হাসান ফয়সাল। ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের আরবি ভাষা ও সাহিত্য বিভাগ থেকে স্নাতকে ৩.৮৭ এবং স্নাতকোত্তর ৩.৯৮ পেয়েছিলেন। মেধাবী এই শিক্ষার্থী জীবনের কয়েকটি ধাপে মুখোমুখি হয়েছিলেন ব্যতিক্রমী সব অভিজ্ঞতার। বিজ্ঞান বিভাগ থেকে মাধ্যমিকে ৪.৭৮ এবং উচ্চমাধ্যমিকে পেয়েছিলেন জিপিএ ফাইভ। তবে পরবর্তীতে পরিবারের সিদ্ধান্তকে উপেক্ষা করে বিজ্ঞান বিভাগ ত্যাগ করে ভর্তি হয়েছিলেন ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের আরবি ভাষা ও সাহিত্য বিভাগে। কথা বলেছেন খবরের কাগজের সঙ্গে। ফয়সালের জীবনের গল্প লিখেছেন আহমেদ ইউসুফ

ফয়সাল একজন কুরআনে হাফেজ। ছোটবেলায় পড়েছিলেন কওমি মাদ্রাসায় জামাতে নাহবেমির পর্যন্ত। পরে সেখান থেকে এসে কিশোরগঞ্জের একটি আলিয়া মাদ্রাসায় অষ্টম শ্রেণিতে ভর্তি হন। কৃতিত্বের সঙ্গে অষ্টম শ্রেণি উত্তীর্ণ হওয়ার পর পরিবারের সিদ্ধান্তে নবম শ্রেণিতে বিজ্ঞান বিভাগ গ্রহণ করেন। ফয়সাল বলেন, ‘সবার চিন্তাচেতনা একরকম নয়। আমি ছোটোবেলা থেকে মুখস্থ বিদ্যায় পারদর্শী ছিলাম। তবে মুখস্থ বিদ্যার ওপর ভর করে পরীক্ষায় ভালো ফলাফল করাটা পছন্দের ছিল না। কিন্তু পরিবারের বাইরে গিয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়া কঠিন ছিল তখন।’

গবেষণায় আগ্রহী ফয়সাল বিশ্ববিদ্যালয়ের ভর্তি পরীক্ষায় নিজের জন্য নিয়েছিলেন দূরদর্শী সিদ্ধান্ত। পরিবারের চাওয়া ছিল ডাক্তার হওয়ার। সে অনুযায়ী আলিমে বিজ্ঞান বিভাগ থেকেই জিপিএ ফাইভ পেয়েছিলেন। তবে একসময় উপলব্ধি করেন, মুখস্থ করে ভালো ফলাফল করতে পরলেও বিজ্ঞান বিভাগে পড়তে তিনি স্বাচ্ছন্দ্য বোধ করতেন না। ফয়সাল বলেন, আলিমে ভালো ফলাফল করার পর পরিবার আমাকে ডাক্তার হওয়ার জন্য এবং মেডিকেল ভর্তি পরীক্ষায় অংশ নিতে চাপ দেয়। আমাকে বলা হয়, প্রয়োজনে প্রাইভেট মেডিকেলে ভর্তি হতে। পরিবার খরচ বহন করবে। কিন্তু তখন নিজের সিদ্ধান্তে সাধারণ বিশ্ববিদ্যালয় ভর্তি পরীক্ষায় অংশ নেই। ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের আরবি ভাষা ও সাহিত্য বিভাগে ভর্তি হওয়ার পর সবসময় সতর্ক ছিলাম ভালো ফলাফলের জন্য। 

ভালো ফলাফল করা প্রসঙ্গে ফয়সাল জানান, নিয়মিত হলেই বিশ্ববিদ্যালয়ে ভালো ফলাফল করা সম্ভব। তিনি বলেন, ‘নিয়মিত ক্লাসে উপস্থিত থাকতাম এবং স্যারদের লেকচারগুলোর নোট করে হলে গিয়ে এগুলোর সঙ্গে আরও তথ্য সংযোজন করে পড়তাম। যা পরীক্ষার সময় আমার দারুণ কাজে আসত। আরবি ভাষার জ্ঞান ও দক্ষতা বাড়ানোর জন্য সিলেবাসের বাইরের আরব লেখকদের বই পড়তাম।’

পরিবার থেকে ডাক্তার হওয়ার জন্য চাপ দিলেও নিজের সিদ্ধান্তে ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হওয়ার পর পারিবারিক সাপোর্ট ছিল অসামান্য। ভালো ফলাফল অর্জনের জন্য ফয়সালের সিদ্ধান্তকে সবাই সমর্থন জানান। তিনি বলেন, ‘পরিবারের সাপোর্ট ছিল বিধায় আমি এতদূর আসতে পেরেছি। ২০০৮ সালে আমার বাবার মৃত্যুর পর আমার মা, ভাই-বোন সবাই আমার পাশে ছিল। বাবার রেখে যাওয়া সম্পদ দিয়েই আমার পড়াশোনার খরচ হয়ে যেত। অর্থনৈতিক কষ্ট একেবারেই করতে হয়নি আলহামদুলিল্লাহ। সর্বোপরি আমার পড়াশোনার গাইডলাইন থেকে শুরু সব বিষয়ে পরিবারের সদস্যদের সহযোগিতা ছিল। অনার্সের জার্নিতে পরিবারের মধ্যে সবচেয়ে বেশি সাপোর্ট করেছেন আমার বড় ভগ্নিপতি।’

বিশ্ববিদ্যালয়ে ভালো ফলাফলের জন্য প্রথম বর্ষ থেকেই ধারাবাহিকতা থাকা উচিত বলে মনে করেন ফয়সাল। তিনি বলেন, ‘প্রথম বর্ষ থেকেই রেজাল্টের দিকে ফোকাস করা উচিত। কারণ রেজাল্ট কর্মক্ষেত্রেও মূল্যায়ন করা হয়। প্রথমবর্ষে অনেকেই সময় নষ্ট করে পরবর্তীতে হতাশায় ভোগে। আরও কিছু বিষয়ে নিজের স্কিল বাড়ানো প্রয়োজন। এর মধ্যে রয়েছে ভাষাগত দক্ষতা, প্রযুক্তিগত দক্ষতা এবং প্রচুর বই পড়ার অভ্যাস গড়ে তোলা।’

নিজের ভবিষ্যৎ পরিকল্পনায় বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকতাকে প্রাধান্য দেন ফয়সাল। বর্তমানে কয়েকটি গবেষণা কর্মের সঙ্গে যুক্ত রয়েছেন কুরআনে হাফেজ এই মেধাবী মুখ। তিনি বলেন, ‘শিক্ষকতার মতো মহান পেশায় নিজেকে নিযুক্ত করা আমার সবসময়ের লালিত স্বপ্ন। কিছু চাকরির পড়াশোনার পাশাপাশি বিভিন্ন গবেষণার কাজে নিজেকে সম্পৃক্ত করার চেষ্টা করছি। জীবনের প্রতিযোগিতামূলক এসব অধ্যায়ে সাফল্যের দেখা পেতে পরিশ্রম করার বিকল্প নেই। সবার দোয়া কামনা করছি।’

হাসান

হল ছাড়লেন জাকসুর জিএস, সময় চাইলেন ভিপি

প্রকাশ: ১৫ জুন ২০২৬, ০৫:১৩ পিএম
হল ছাড়লেন জাকসুর জিএস, সময় চাইলেন ভিপি
ছবি: সংগৃহীত

জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় শিক্ষার্থী সংসদ (জাকসু)-এর সহসভাপতি (ভিপি) আব্দুর রশিদ জিতু ও সাধারণ সম্পাদক (জিএস) মাজহারুল ইসলামের ছাত্রত্ব শেষ হয়েছে। নিয়ম অনুযায়ী জিএস মাজহারুল ইসলাম আবাসিক হল ছেড়ে দিয়েছেন। তবে ভিপি জিতু প্রশাসনের কাছে অতিরিক্ত সময় চেয়েছেন।

সোমবার (১৫ জুন) বেলা ১১টার দিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের সিনেট হলে আয়োজিত আলোচনা সভায় এ তথ্য জানান তারা।

সভায় উপস্থিত ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের দুই উপ-উপাচার্য, ট্রেজারার অধ্যাপক আব্দুর রব, আবাসিক হলের প্রভোস্টবৃন্দ, রেজিস্ট্রার, জাকসু ও হল সংসদের নেতারা এবং বিভিন্ন ছাত্র সংগঠনের প্রতিনিধিরা।

জাকসুর জিএস মাজহারুল ইসলাম বলেন, “বিশ্ববিদ্যালয়ের নিয়ম অনুযায়ী আমি পরীক্ষার সাত দিনের মধ্যে হল ছেড়েছি। আমার রুমে ইতোমধ্যে অন্য শিক্ষার্থীদের অ্যালট করা হয়েছে।”

তবে ভিপি আব্দুর রশিদ জিতু বলেন, “আমি দেশের বাইরে ছিলাম। একটু প্রস্তুতির বিষয় আছে। গোছগাছ করে বাসা নিয়ে দ্রুত সময়ের মধ্যে হল ছেড়ে দেব।”

শাখা ছাত্রদলের আহ্বায়ক জহির উদ্দিন মোহাম্মদ বাবর বলেন, “জাকসুর জিএস হল ছাড়ার মাধ্যমে দারুণ এক দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন। আমরা আশা করব, আগামী সাত দিনের মধ্যে ভিপিও একই নজির স্থাপন করবেন।”

শাখা ছাত্র শিবিরের সভাপতি মোস্তাফিজুর রহমান বলেন, “জাকসুর ভিপি আব্দুর রশিদ জিতুর ছাত্রত্ব শেষ। তাই তিনি হলে অবস্থান করতে পারেন না। অতি দ্রুত তাকে হল ছেড়ে দেওয়া উচিত।”

বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ-উপাচার্য (প্রশাসন) অধ্যাপক নজরুল ইসলাম বলেন, “মেয়াদোত্তীর্ণ শিক্ষার্থীদের বিশ্ববিদ্যালয়ের নিয়ম অনুযায়ী আবাসিক হল ছাড়তেই হবে। রাজনৈতিক পরিচয়ের কারণে থাকার কোনো সুযোগ নেই। জাকসু ভিপির বিষয়ে আলোচনা সাপেক্ষে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।”

উল্লেখ্য, জাকসু ভিপি আব্দুর রশিদ জিতু তুলনামূলক সাহিত্য ও সংস্কৃতি বিভাগের ৪৭তম ব্যাচের শিক্ষার্থী। জিএস মাজহারুল ইসলাম ইংরেজি বিভাগের ৪৮তম ব্যাচের। জাকসু নির্বাচনকে সামনে রেখে তারা দুজনেই এক বছর ড্রপ দিয়েছিলেন। নির্বাচিত হওয়ার পর জিএস মাজহারুল পরবর্তী ব্যাচের সঙ্গে থিসিস জমা দিয়ে স্নাতকোত্তর সম্পন্ন করেন। তবে জিতু স্নাতকোত্তরের ৫০৪ নম্বর কোর্স নির্দিষ্ট সময়ে শেষ করতে ব্যর্থ হন, যা ‘ড্রপ আউট’ হিসেবে পরিচিত।

আমানউল্লাহ/নাঈম

এইচএসসি ও আলিম পরীক্ষার চূড়ান্ত কেন্দ্র তালিকা প্রকাশ

প্রকাশ: ১৫ জুন ২০২৬, ১১:০৯ এএম
এইচএসসি ও আলিম পরীক্ষার চূড়ান্ত কেন্দ্র তালিকা প্রকাশ
ছবি: সংগৃহীত

আসন্ন ২০২৬ সালের উচ্চ মাধ্যমিক সার্টিফিকেট (এইচএসসি) এবং আলিম পরীক্ষার চূড়ান্ত কেন্দ্র তালিকা ও আসনবিন্যাস প্রকাশ করা হয়েছে। মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ড, ঢাকা এবং বাংলাদেশ মাদরাসা শিক্ষা বোর্ড পৃথক দুটি বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে নিজ নিজ পরীক্ষাকেন্দ্রের কোড, কেন্দ্রের নাম, ভেন্যু এবং আওতাধীন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোর বিস্তারিত বিবরণ প্রকাশ করেছে। শিক্ষার্থী ও পরীক্ষা সংশ্লিষ্টদের সুবিধার্থে এই তালিকা উন্মুক্ত করা হয়েছে।

মাদরাসা শিক্ষা বোর্ডের বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, ২০২৬ সালের আলিম পরীক্ষা সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন করতে দেশের বিভিন্ন জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে ব্যাপক প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে। 

ঢাকা জেলা ও মহানগরের অন্তর্গত পরীক্ষাকেন্দ্রগুলোর মধ্যে রয়েছে ঢাকা (মূল কেন্দ্র), মোহাম্মদপুর, যাত্রাবাড়ী, ডেমরা-১ (আমুলিয়া) ও ডেমরা-২ (দারুন্নাজাত), উত্তরা, সাভার ও ধামরাই।

এ ছাড়া ঢাকার বাইরে মানিকগঞ্জ, নারায়ণগঞ্জ, গাজীপুর, নরসিংদী, ফরিদপুর, ময়মনসিংহ, কিশোরগঞ্জ ও রাজশাহীসহ বিভিন্ন জেলার আলিম পরীক্ষাকেন্দ্রের নাম ও কোড তালিকাভুক্ত করা হয়েছে।

অন্যদিকে, ঢাকা শিক্ষা বোর্ডের অধীনে এইচএসসি পরীক্ষা ২০২৬ পরিচালনার জন্য বিস্তারিত আসনবিন্যাস ও বিশেষ দিকনির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। 
বোর্ডের সংশোধিত ও প্রতিস্থাপিত চিঠিতে বলা হয়েছে, পরীক্ষাকেন্দ্রের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা সংশ্লিষ্ট কলেজের অধ্যক্ষের কাছ থেকে কেন্দ্র ফির টাকা গ্রহণ করবেন। এরপর জেলা প্রশাসকের মাধ্যমে অলিখিত উত্তরপত্রসহ অন্যান্য গোপনীয় কাগজপত্র ঢাকা শিক্ষা বোর্ড থেকে সংগ্রহ করে পরীক্ষা পরিচালনা করবেন। পরীক্ষা সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন করতে জেলা সদরে জেলা প্রশাসক (ডিসি) এবং উপজেলা পর্যায়ে উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) পরীক্ষাকেন্দ্রের তত্ত্বাবধায়ক কর্মকর্তা হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন।

এইচএসসি পরীক্ষার কেন্দ্র ব্যবস্থাপনায় নিয়োজিত কর্মকর্তাদের জন্য কঠোর নীতিমালার কথা উল্লেখ করেছে ঢাকা শিক্ষা বোর্ড।

নির্দেশনা অনুযায়ী, প্রতিদিনের পরীক্ষা শেষে সন্ধ্যা ৭টার মধ্যে ডাকযোগে ওএমআরের প্রথম অংশ ঢাকা শিক্ষা বোর্ড কম্পিউটার কেন্দ্রে পাঠাতে হবে। একই সঙ্গে উত্তরপত্রসমূহ পরীক্ষা পরিচালনা নীতিমালা মোতাবেক সরাসরি পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক বরাবর পাঠানোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। ভেন্যুকেন্দ্রসমূহ মূল কেন্দ্র থেকে প্রয়োজনীয় টাকা ও কাগজপত্র গ্রহণ করে পরীক্ষা পরিচালনা করবে এবং পরীক্ষা শেষে যাবতীয় নথিপত্র মূল কেন্দ্রের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তার কাছে জমা দেবে। নির্বাচিত কলেজের অধ্যক্ষ বা সিনিয়র কোনো অধ্যাপক এই পরীক্ষার কেন্দ্র প্রধান বা ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা হিসেবে দায়িত্ব পালন করতে পারবেন।

ঢাকা শিক্ষা বোর্ডের কেন্দ্র তালিকায় এবার বেশ কিছু নতুন কেন্দ্র যুক্ত করা হয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে ঢাকা মহানগরীর উত্তরা অঞ্চলের ‘ঢাকা উইমেন্স কলেজ’ এবং খিলক্ষেতের ‘মাইলস্টোন স্কুল অ্যান্ড কলেজ’।

পাশাপাশি রাজউক উত্তরা মডেল কলেজ, মাইলস্টোন কলেজ, ক্যামব্রিয়ান কলেজ, নটর ডেম কলেজ, ভিকারুননিসা নূন স্কুল অ্যান্ড কলেজ এবং মতিঝিল আইডিয়াল স্কুল অ্যান্ড কলেজের মতো বড় বড় শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোর বিজ্ঞান, মানবিক ও ব্যবসায় শিক্ষা শাখার শিক্ষার্থীদের জন্য নির্দিষ্ট কেন্দ্র ও আসনবিন্যাস নির্ধারণ করে দেওয়া হয়েছে।

অন্তরা/

আব্দুল্লাহ হিল রাকিব স্মরণে বিইউএফটি’তে স্মরণসভা

প্রকাশ: ১৫ জুন ২০২৬, ০৯:৪১ এএম
আব্দুল্লাহ হিল রাকিব স্মরণে বিইউএফটি’তে স্মরণসভা
ছবি: বিজ্ঞপ্তি

বিজিএমইএ ইউনিভার্সিটি অব ফ্যাশন অ্যান্ড টেকনোলজি (বিইউএফটি) এর বোর্ড অব ট্রাস্টিজের সদস্য ও টিম গ্রুপের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মরহুম আব্দুল্লাহ হিল রাকিব এর ১ম মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে স্মরণসভা রবিবার (১৪ জুন) বিশ্ববিদ্যালয়ের মাল্টিপারপাস হলে অনুষ্ঠিত হয়।

এতে শ্রদ্ধা নিবেদন, স্মৃতিচারণ ও তার রুহের মাগফিরাত কামনায় বিশেষ দোয়া করা হয়। স্মৃতিচারণ করেন বিশ্ববিদ্যালয়ের বোর্ড অব ট্রাস্টিজের চেয়ারম্যান জনাব ফারুক হাসান। তিনি আব্দুল্লাহ হিল রাকিবের কর্মনিষ্ঠা, নেতৃত্বগুণ এবং শিল্প উন্নয়নে তার গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকার কথা তুলে ধরেন। 

এছাড়াও কথা বলেন বিইউএফটি বোর্ড অব ট্রাস্টিজের সদস্য মোহাম্মদ নাছির, মশিউল আজম সজল, এপ্লাস গ্রুপের ব্যবস্থাপনা পরিচালক তমিজ উদ্দিন ভুঁইয়া সেলিম, টিম গ্রুপের নির্বাহী পরিচালক ইমতিয়াজ আহমেদ, গ্রুপের সিনিয়র কর্মকর্তা, উপাচার্য, বিজ্ঞান অনুষদের ডিন। 

উপস্থিত ছিলেন জায়ান্ট গ্রুপের পরিচালক শারমিন হাসান, উপ-উপাচার্য, রেজিস্ট্রার, ডিনবৃন্দ, বিভাগীয় প্রধান, শিক্ষক, কর্মকর্তা, কর্মচারী এবং শিক্ষার্থীরা। বক্তারা মরহুম আব্দুল্লাহ হিল রাকিবের আদর্শ, মানবিক গুণাবলি ও কর্মময় জীবন থেকে শিক্ষা গ্রহণের আহ্বান জানান। স্মরণসভা শেষে দোয়া ও মুনাজাত করা হয়।

অন্তরা/

চবিতে সংসদে বক্তব্য নিয়ে মুখোমুখি ছাত্রদল-ছাত্রশিবির

প্রকাশ: ১৫ জুন ২০২৬, ০৯:২০ এএম
আপডেট: ১৫ জুন ২০২৬, ০৯:৫০ এএম
চবিতে সংসদে বক্তব্য নিয়ে মুখোমুখি ছাত্রদল-ছাত্রশিবির
ছবি: খবরের কাগজ

চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে (চবি) হিজাব ইস্যুতে জাতীয় সংসদে দেওয়া এক বক্তব্যের প্রতিবাদ এবং ছাত্রশিবিরের বিরুদ্ধে উত্থাপিত ধর্ষণ ও ‘গুমের নাটক’ সংক্রান্ত অভিযোগকে কেন্দ্র করে পৃথক কর্মসূচি পালন করেছে শাখা ছাত্রদল ও ছাত্রশিবির। এ সময় বিশ্ববিদ্যালয়ের স্মরণ চত্বর (জিরো পয়েন্ট) এলাকায় মুখোমুখি অবস্থান নিয়ে পাল্টাপাল্টি স্লোগান দেন উভয় সংগঠনের নেতাকর্মীরা।

রবিবার (১৪ জুন) রাত ১০টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রধান ফটক সংলগ্ন স্মরণ চত্বর (জিরো পয়েন্টে) এ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়।

কেন্দ্রীয় কর্মসূচির অংশ হিসেবে ছাত্রশিবিরের বিরুদ্ধে ‘গুম ও অপহরণের নাটক সাজানোর’ অভিযোগ তুলে বিক্ষোভ মিছিল করে শাখা ছাত্রদল। মিছিলটি জিরো পয়েন্ট থেকে শুরু হয়ে সোহরাওয়ার্দী মোড় প্রদক্ষিণ করে পুনরায় জিরো পয়েন্টে এসে শেষ হয়।

এ সময় নেতাকর্মীরা ‘জামাত-শিবির ধর্ষক, ধর্ষক’, ‘ধর্ষকদের কালো হাত ভেঙে দাও, গুঁড়িয়ে দাও’, ‘ধর্ষকদের আস্তানা, জ্বালিয়ে দাও, গুঁড়িয়ে দাও’সহ বিভিন্ন স্লোগান দেন।

মিছিল শেষে সংক্ষিপ্ত সমাবেশে শাখা ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক আব্দুল্লাহ আল নোমান বলেন, ‘আমরা সহাবস্থান চাই, তবে কোনো ধর্ষককে মেনে নেব না। সাধারণ শিক্ষার্থীদের সঙ্গে নিয়ে আমরা এসব অপকর্মের বিরুদ্ধে প্রতিরোধ গড়ে তুলব। দেশের কোথাও ধর্ষকদের অবস্থান মেনে নেওয়া হবে না।’

এদিকে বিএনপির সংসদ সদস্য মনিরুল হক চৌধুরীর হিজাব ও পর্দা নিয়ে দেওয়া বক্তব্যের প্রতিবাদে বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ করে শাখা ছাত্রশিবির। কর্মসূচিতে নেতাকর্মীরা ‘হিজাব নারীর অধিকার’, ‘গদি হবে খানখান, হিজাব নিয়ে দিলে টান’, ‘মনিরের দুই গালে, জুতা মারো তালে তালে’সহ প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে নিয়ে অশোভনীয় স্লোগান দেন।

সমাবেশে চবি শাখা ছাত্রশিবিরের সভাপতি ইব্রাহীম হোসেন রনি বলেন, ‘জাতীয় সংসদের মতো গুরুত্বপূর্ণ স্থানে দাঁড়িয়ে একজন সংসদ সদস্যের হিজাব নিয়ে মন্তব্য অত্যন্ত দুঃখজনক। এ বক্তব্য শুধু বাংলাদেশের মুসলিম নারীদের নয়, বিশ্বের মুসলিম নারীদেরও অনুভূতিতে আঘাত করেছে। আমরা এই বক্তব্য প্রত্যাহারের দাবি জানাই।’

তিনি আরও বলেন, 'আমরা বিশ্ববিদ্যালয়ে সহাবস্থানের রাজনীতি চাই। মতপ্রকাশের স্বাধীনতা থাকতে পারে, তবে কারও ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাত করে বক্তব্য দেওয়া গ্রহণযোগ্য নয়।’

এ সময় শাখা ছাত্রশিবিরের আন্তর্জাতিক ও মানবাধিকার সম্পাদক সাঈদ বিন হাবিবও বক্তব্য দেন। তিনি ছাত্রদলের বিভিন্ন কর্মকাণ্ডের সমালোচনা করে তাদের ‘সংযত আচরণ’ করার আহ্বান জানান।

অন্যদিকে ছাত্রদলের পক্ষ থেকে বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন আবাসিক হলে অতীতে অবৈধভাবে সিট বণ্টনের অভিযোগ তুলে তা বাতিলের দাবি জানানো হয়। দাবি বাস্তবায়ন না হলে কঠোর কর্মসূচিরও হুঁশিয়ারি দেন সংগঠনটির নেতারা।

পাল্টাপাল্টি কর্মসূচিকে কেন্দ্র করে কিছু সময়ের জন্য জিরো পয়েন্ট এলাকায় উত্তেজনা তৈরি হলেও শেষ পর্যন্ত কোনো অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটেনি।

আল আরাফ/থিও/

বুড়িগঙ্গা নদী থেকে জাবি শিক্ষার্থীর মরদেহ উদ্ধার

প্রকাশ: ১৫ জুন ২০২৬, ০৮:৪৫ এএম
আপডেট: ১৫ জুন ২০২৬, ০৮:৪৬ এএম
বুড়িগঙ্গা নদী থেকে জাবি শিক্ষার্থীর মরদেহ উদ্ধার
ছবি: সংগৃহীত

রাজধানীর মোহাম্মদপুর বছিলায় বুড়িগঙ্গা নদী থেকে দ্বীপ মজুমদার নামে এক যুবকের মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। তার কাছে পাওয়া আইডি কার্ড থেকে জানা যায়, নিহত যুবক জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের বায়োকেমিস্ট্রি ও মলিকুলার বায়োলজি বিভাগের শিক্ষার্থী।

গতকাল রবিবার বিকেল ৪টার দিকে মরদেহটি উদ্ধার করা হয়।

নৌ-পুলিশের উপপরিদর্শক রবিউল ইসলাম বলেন, গতকাল বিকেলে মরদেহটি পানিতে ভেসে যেতে দেখে পুলিশে খবর দেন স্থানীয়রা। পরে বছিলা ফাঁড়ি থেকে পুলিশের একটি টিম মরদেহটি উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য স্যার সলিমুল্লাহ মেডিকেল কলেজ মিটফোর্ড হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পেলে মৃত্যুর সঠিক কারণ জানা যাবে।