ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় সাংবাদিক সমিতির (ডুজা) উদ্যোগে অনুষ্ঠিত হয়েছে আলোচনা সভা ও ইফতার মাহফিল। এতে বিশ্ববিদ্যালয়ে ক্রিয়াশীল প্রায় সকল ছাত্রসংগঠনের কেন্দ্রীয় ও ঢাবি শাখার নেতৃবৃন্দ এক ছাদের নিচে সমবেত হন।
শুক্রবার (১৪ মার্চ) ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র-শিক্ষক কেন্দ্রে (টিএসসি) ‘গণঅভ্যুত্থান পরবর্তী ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়: প্রত্যাশা ও প্রাপ্তি’ শীর্ষক আলোচনা সভা ও ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়।
এতে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. নিয়াজ আহমেদ খান। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন উপ-উপাচার্য (শিক্ষা) অধ্যাপক ড. মামুন আহমেদ, কোষাধ্যক্ষ মোহাম্মদ জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী এবং সাদা দলের আহ্বায়ক অধ্যাপক ড. মোর্শেদ হাসান খান।
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় সাংবাদিক সমিতির সভাপতি মহিউদ্দিন মুজাহিদ মাহির সভাপতিত্বে এবং সাধারণ সম্পাদক মোতাহার হোসেনের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে সাংবাদিক সমিতির বর্তমান ও সাবেক নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।
এবারের ইফতার মাহফিলে প্রথমবারের মতো অংশ নেয় বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবির। সংগঠনটির পক্ষ থেকে কেন্দ্রীয় সভাপতি জাহিদুল ইসলাম ও ঢাবি শাখার সভাপতি এস এম ফরহাদসহ নেতাকর্মীরা অংশগ্রহণ করেন। নতুন ছাত্রসংগঠন হিসেবে প্রথমবারের মতো অংশ নেয় বাংলাদেশ গণতান্ত্রিক ছাত্রসংসদ। সংগঠনটির কেন্দ্রীয় আহ্বায়ক আবু বাকের মজুমদার, সদস্য সচিব জাহিদুল ইসলাম, ঢাবি শাখার আহ্বায়ক আব্দুলা কাদের ও সদস্য সচিব মাহির আলমসহ নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।
উক্ত ইফতার মাহফিলে অংশ নেয় বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী ছাত্রদল, বিপ্লবী ছাত্র মৈত্রী, সমাজতান্ত্রিক ছাত্র ফ্রন্টের দুই গ্রুপ, গণতান্ত্রিক ছাত্র কাউন্সিল, ইসলামী ছাত্র আন্দোলন বাংলাদেশ, বাংলাদেশ ছাত্র ইউনিয়ন, বাংলাদেশ ছাত্র ফেডারেশন, পাহাড়ি ছাত্র সংগ্রাম পরিষদ, পার্বত্য চট্টগ্রাম ছাত্র সংসদ, বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্র মজলিশ, বাংলাদেশ ছাত্র অধিকার পরিষদ, স্বাধীন বাংলাদেশ ছাত্র সংসদ ও বাংলাদেশ ছাত্রপক্ষ।
ঢাবি সাংবাদিক সমিতির এই আয়োজন ছাত্রসংগঠনগুলোর মধ্যে সম্প্রীতি ও সংহতির নতুন বার্তা নিয়ে এসেছে। ভিন্ন মতাদর্শের সংগঠনগুলো একত্রিত হয়ে একই টেবিলে বসে আলোচনা ও ইফতার করায় ক্যাম্পাসে ইতিবাচক পরিবেশের সৃষ্টি হয়েছে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।
আরিফ জাওয়াদ/জোবাইদা/