ঢাকা ১ আষাঢ় ১৪৩৩, সোমবার, ১৫ জুন ২০২৬

সর্বশেষ
দেশের ১৩ অঞ্চলে ঝোড়ো হাওয়ার শঙ্কা, নদীবন্দরে সতর্কসংকেত সোমবার রাজধানীর যেসব এলাকায় মার্কেট বন্ধ ‘শহরাঞ্চলে অসংক্রামক রোগ দ্রুত বাড়ছে’ ঢাকার বাতাস আজ ‘মাঝারি’, বায়ুদূষণে শীর্ষে লাহোর শাহবাগে যত্রতত্র ময়লা ফেলা বন্ধে প্রতিমন্ত্রীর ঝটিকা অভিযান যুক্তরাষ্ট্র-ইরানের ঐতিহাসিক ‘শান্তিচুক্তি’ চূড়ান্ত, স্বাক্ষর ১৯ জুন আব্দুল্লাহ হিল রাকিব স্মরণে বিইউএফটি’তে স্মরণসভা বড় বিল্ডিং নয়, এবার জোর ‘হেলথ কার্ডে’: স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী রাসুলুল্লাহ (সা.) যেভাবে চুলের সিঁথি কাটতেন চবিতে সংসদে বক্তব্য নিয়ে মুখোমুখি ছাত্রদল-ছাত্রশিবির বন্ধুদের সাথে গোসল করতে নেমে নিখোঁজ, পরে মিলল মাদরাসাছাত্রের মরদেহ মাধবদীতে অবৈধ বেকারিকে ৫০ হাজার টাকা জরিমানা দিনাজপুরে চুরির প্রস্তুতির অভিযোগে যুবককে পিটিয়ে হত্যা বাজেট বাস্তবায়নের ত্রিমুখী পথনকশা: অর্থ পাচার রোধ, দুর্নীতি দমন ও জনসচেতনতা বন্দরে পড়ে থাকা পণ্যনিলামে বিক্রির উদ্যোগ স্বপ্নের রাজপুত্র ইয়ামাল শান্তি সূচকে দক্ষিণ এশিয়ায় চতুর্থ বাংলাদেশ অন্তর্ভুক্তিমূলক অর্থায়নে অবদানের জন্য বাংলাদেশ ব্যাংকের স্বীকৃতি পেল আইপিডিসি সজীবতার গান গেয়ে এল বর্ষা বন্ধ চিনিকল চালুর উদ্যােগ ১৫ জুন: তুলা, বৃশ্চিক, ধনু, মকর, কুম্ভ ও মীনের আজকের রাশিফল সোনারগাঁওয়ে মামলার পর আতঙ্কে ঘরছাড়া ধর্ষণের শিকার গৃহবধূ ১৫ জুন: মেষ, বৃষ, মিথুন, কর্কট, সিংহ ও কন্যার আজকের রাশিফল বগুড়ায় মলম ট্যাবলেটে সীমাবদ্ধ সেবা বুড়িগঙ্গা নদী থেকে জাবি শিক্ষার্থীর মরদেহ উদ্ধার চীনের গোয়েন্দা তথ্য সংগ্রহে ওয়েবসাইট চালু তাইওয়ানের দিল্লি বিমানবন্দর থেকে ফিরে আসছেন প্রধানমন্ত্রীর তথ্য উপদেষ্টা আতঙ্কে ‘মোস্ট ওয়ান্টেড’ আসামিরা বাজেট প্রস্তাবের পর শেয়ারবাজারে উত্থান চমৎকার জয়ফুল মথ
Nagad desktop

এখতিয়ার বহিঃর্ভূত আইনজীবীর পরামর্শ নিয়েছেন উপাচার্য: পদত্যাগপত্রে জাকসু কমিশনার

প্রকাশ: ১৩ সেপ্টেম্বর ২০২৫, ০৩:৩৬ পিএম
আপডেট: ১৩ সেপ্টেম্বর ২০২৫, ০৪:৩৭ পিএম
এখতিয়ার বহিঃর্ভূত আইনজীবীর পরামর্শ নিয়েছেন উপাচার্য: পদত্যাগপত্রে জাকসু কমিশনার
সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে গণমাধ্যমের সামনে পদত্যাগের ঘোষণা দিচ্ছেন নির্বাচন কমিশনার অধ্যাপক মাফরুহী সাত্তার। ছবি: সংগৃহীত

জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (জাকসু) ও হল সংসদ নির্বাচনের কমিশনার অধ্যাপক মাফরুহী সাত্তার আনুষ্ঠানিকভাবে পদত্যাগপত্র জমা দিয়েছেন। উপাচার্য বরাবর লিখিত পদত্যাগপত্রে সাত্তার তার উত্থাপিত প্রস্তাবের বিষয়ে নির্বাচন কমিশনের বাইরের ব্যক্তিদের ব্যবহার করে এখতিয়ার বহিঃর্ভূত ভাবে আইনজীবীর পরামর্শ নিয়েছেন বলে অভিযোগ করেছেন।

শনিবার (১৩ সেপ্টেম্বর) দুপুরের দিকে উপচার্য বরাবর এই পদত্যাগপত্র পাঠান তিনি।

তিনি বলেন, ‘কারসাজি ও ভোট জালিয়াতির এই নির্বাচন আমার কাছে সুস্পষ্ট হয়ে পড়ায় এবং দেশে প্রচলিত আইনে তা শাস্তিযোগ্য অপরাধ বিবেচিত হওয়ায়, ন্যায় বিচার ও নিরপেক্ষতার স্বার্থে ও বারংবার সুনির্দিষ্ট মতামত দিয়ে আইন মোতাবেক ব্যবস্থা গ্রহণে কমিশনকে অনুরোধের পরও কমিশন যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণ না করায়, আমি এর কোনো দায়-দায়িত্ব গ্রহণে অসমর্থক হওয়ায়, দেশের সংবিধানে সংশ্লিষ্ট ধারাসমূহে বর্ণিত আমার সব আইনি অধিকার সংরক্ষণ করে নির্বাচন কমিশন থেকে পদত্যাগ করছি। একইসঙ্গে গত কয়েকদিন যাবত প্রকাশ্যে যে সব হয়রানি ও হুমকি দেওয়া হচ্ছে তা নিরসনে ব্যবস্থা নেওয়ার অনুরোধ করছি।’

শুক্রবার (১২ সেপ্টেম্বর) রাত পৌনে ৯টার দিকে তিনি এক সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে গণমাধ্যমের সামনে পদত্যাগের ঘোষণা দিয়েছিলেন।

উপাচার্য বরাবর তার পদত্যাগপত্রটি হুবহু তুলে ধরা হলো-
‘জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় শিক্ষার্থী সংসদ (জাকসু) নির্বাচনের উদ্দেশ্যে আপনি জাকসু গঠনতন্ত্রের ৮(খ) ধারা মোতাবেক নির্বাচন কমিশন গঠন করেন এবং এই কমিশনের একজন সদস্য হিসাবে আমাকে নিয়োগ প্রদান করেন, এ জন্য আমি আপনার নিকট কৃজ্ঞতা প্রকাশ করছি। নিয়োগ প্রদানকালে আপনি আমাকে বলেছিলেন যে 'আপনার মত দক্ষ, পক্ষপাত বিহীন, সিদ্ধান্ত গ্রহণে পারদর্শী এবং আইন বিষয়ে দক্ষতার কারণে এই কমিশনে আপনার উপস্থিতি আবশ্যক।

বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষার্থীবৃন্দের বৃহত্তর স্বার্থ বিবেচনা করে আমি নির্বাচন কমিশনার হিসাবে দায়িত্ব পালনে সম্মতি প্রকাশ করেছিলাম। যদিও কমিশন গঠনের পূর্ব থেকেই জাকসু নির্বাচনে বিভিন্ন প্রতিবন্ধকতা উল্লেখ করে আমি আপনার সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত বিভিন্ন সভায় মত প্রকাশ করে আসছিলাম, যা আজ সত্য প্রমানিত হয়েছে। জাকসু কেন্দ্র করে সুপ্রিয় শিক্ষার্থীবৃন্দের উচ্ছাস ও আগ্রহের বিষয়টি বিবেচনায় নিয়ে শুরুতেই আইনগত ত্রুটি (গঠনতন্ত্র সংশোধনে আইনের লঙ্ঘন) থাকা সত্ত্বেও নির্বাচন কমিশনার হিসেবে এই মর্মে দায়িত্ব পালনে সম্মত হই যে, আমার যৌক্তিক ও আইনসম্মত মতামত গ্রহণ করা হবে। আমি ক্রমান্বয়ে দুঃখের সাথে লক্ষ্য করি যে কোন একটি বিশেষ উদ্দেশ্য সাধনের লক্ষ্যে আমার সকল যৌক্তিক ও আইনসম্মত মতামত ক্রমাগতভাবে অগ্রাহ্য করা হচ্ছে। নির্বাচনের দিন বিকালের মধ্যে আমি নিশ্চিত হই যে এই সকল অযৌক্তিক এবং বেআইনি কর্মকান্ডের পিছনে একটি বিশেষ গোষ্ঠীকে এই নির্বাচনে বিজয়ী করার লক্ষ্যেই সকল সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়েছে অথবা গৃহীত সিদ্ধান্তসমূহে কেবলমাত্র একটি বিশেষ গোষ্ঠী লাভবান হয়েছে। এমতাবস্থায়, আমি নির্বাচনী গণনা স্থগিত রেখে নির্বাচনের আগে ও নির্বাচন চলাকালীন সময় পর্যন্ত উত্থাপিত অভিযোগ সমূহ তদন্ত করে নির্বাচনের গণনা শুরুর প্রস্তাব করি।

অত্যন্ত দুঃখের সাথে লক্ষ্য করি যে, আমাকে অগ্রাহ্য করে আমার স্বল্প সময়ের অনুপস্থিতে, আইন মোতাবেক নির্বাচন কমিশনের সভায় সিদ্ধান্ত গ্রহণ না করে ও জাকসু গঠণতন্ত্র লঙ্ঘন করে, গণনা ও ফলাফল প্রকাশের সুনির্দিষ্ট পদ্ধতি নিয়ম মাফিক তৈরি না করেই তড়িঘড়ি করে স্বল্প সময় আমার অনুপস্থিতির সুযোগে, একক সিদ্ধান্তে গণনা শুরু করা হয়েছে। আপনি অবগত আছেন যে, জাকসু গঠনতন্ত্রের যে ধারা মতে আপনি নির্বাচন কমিশন গঠন করেছেন সেখানে সুস্পষ্টভাবে নির্বাচন কমিশনের দায়িত্ব এবং আপনার দায়িত্ব উল্লেখ করা রয়েছে। আপনি আরো অবগত আছেন যে, এই ধারা লঙ্ঘন করে নির্বাচন কমিশনে কমিশনের সিদ্ধান্ত গ্রহণের সময় প্রশাসনের বিভিন্ন কর্মকর্তাসহ উচ্চপদস্থ কর্মকর্তাবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন এবং সিদ্ধান্ত গ্রহণে মতামত প্রদান করেছেন। নির্বাচন কমিশনের সভার সিদ্ধান্ত ছাড়াই আমার স্বল্পকালীন অনুপস্থিতির সময় (আপনি আমাকে বিশ্রাম নিতে পরামর্শ দিয়ে কক্ষ থেকে বের হবার অনুমতি দিয়েছিলেন) আপনি আমার উত্থাপিত প্রস্তাবের বিষয়ে নির্বাচন কমিশনের বাইরের ব্যক্তিবর্গ ব্যবহার করে আইনজীবীর পরামর্শ গ্রহণ করেছেন যা আপনার এখতিয়ার বহিঃর্ভূত। আইনজীবীর লিখিত পরামর্শ ছাড়াই আমাকে পরবর্তীতে অবহিত করা হয়েছে যে, আইনজীবি উত্থাপিত অভিযোগসমূহ 'তেমন গুরুতর নয়' মন্তব্য করে গণনা শুরু করতে পরামর্শ দিয়েছেন। একই সাথে ফলাফল ঘোষণার পূর্বে অভিযোগ সমূহের উত্তর আইনজীবীর নিকট প্রেরণের জন্য পরামর্শ দিয়েছেন। উত্তর সমূহ পর্যবেক্ষণ করে তিনি (আইনজীবী) মতামত দিলেই ফলাফল ঘোষণার পরামর্শ আইনজীবী দিয়েছেন। উল্লেখ্য যে, আইনজীবিকে কোন অভিযোগসমূহ পাঠানো হয়েছে তা আমাকে জানানো হয় নি। এ পর্যায়ে আমি অসুস্থ হয়ে পড়লে বাসায় ফেরত আসি (এর পূর্বের অন্তত তিন রাত ছিলো বিরতিহীন নির্ঘুম, আমি হৃদযন্ত্রে স্টেন্টিং সম্পন্ন করা)। আমার সাথে সকাল পর্যন্ত কমিশনের পক্ষ থেকে যোগাযোগ করা হয়নি। উল্লেখ্য যে, আমাকে কোনরূপ অবহিত না করেই কমিশনের কোন সিদ্ধান্ত না নিয়েই এরই মধ্যে গণনা শুরু করা হয়। সকালে ঘুম থেকে উঠে আমি জানতে পারি যে, আপনার স্থিরকৃত আইনজীবীর পরামর্শ লংঘন করে বিভিন্ন গণমাধ্যম ও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ফলাফল ঘোষণা করা হচ্ছে। এতে প্রতিয়মান হয় যে, নির্বাচন কমিশন আপনার স্থিরকৃত আইনজীবীর পরামর্শ পালনে সম্পূর্ণভাবে ব্যর্থ হয়েছে। এর চেয়েও বড় পরিতাপের বিষয় হচ্ছে যে, আপনি নিজেই জাকসু গঠনতন্ত্রের ৮ (জ) ধারায় সুস্পষ্ট উল্লেখ থাকার পরও সরাসরি আইন লঙ্ঘন করে এই পরামর্শ গ্রহণ করেছেন এবং তা নির্বাচন কমিশনের উপর চাপিয়ে দিয়েছেন।

কমিশনে আপনার, মাননীয় প্রো-উপাচার্য দ্বয় ও কোষাধক্ষ্যসহ প্রশাসনের বিভিন্ন কর্মকর্তাদের উপস্থিতি এবং সার্বক্ষণিক নির্বাচন কমিশনকে চাপ প্রদান করে সিদ্ধান্ত গ্রহণে প্রভাবিত করা সম্পূর্ণভাবে বেআইনি।

এ ছাড়াও এই নির্বাচন ঘিরে আরো অনেকগুলি অতি গুরুতর আইন লঙ্ঘনের ঘটনা ঘটেছে যার কারনে নির্বাচনে ব্যাপক কারচুপি এবং ভোটারদের প্রকৃত মতামত প্রতিফলিত হওয়ার প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি হয়েছে। আপাতদৃষ্টিতে এ সকল বিষয় কেবল আইনি জটিলতা এবং ভোট প্রদান ও গণনায় কোন প্রকাশ্য বাধা বা হস্তক্ষেপ মনে না হলেও বিগত ১৮ বছরের অভিজ্ঞতায় আমরা জানি এ ধরনের জালিয়াতি প্রমাণ করতে কিছুটা সময়ের প্রয়োজন পড়ে, যা আপনি নিজেই বহুবার গণমাধ্যমে গত অন্তত দশ বছর ধরে বলে এসেছেন। এ প্রসঙ্গে আমি আরো উল্লেখ করছি যে, আইন মোতাবেক যেহেতু এ ধরনের বিষয় নিষ্পত্তির ক্ষমতা সুনির্দিষ্টভাবে উল্লেখ করা রয়েছে সে কারণে আপনি এ বিষয়ে যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণ করলে (যদিও এ ধরনের ব্যবস্থা স্বচ্ছ এবং নিরপেক্ষতার স্বার্থে নির্বাচন অনুষ্ঠানের পূর্বেই গ্রহণ করা আবশ্যক ছিলো) আমি যথাযথ প্রমাণসহ কারসাজি ও কারচুপির অভিযোগসমূহ সংশ্লিষ্ট আপিল কমিটির নিকট উপস্থাপন করব। কারসাজি ও ভোট জালিয়াতির এই নির্বাচন আমার কাছে সুস্পষ্ট হয়ে পড়ায় এবং দেশে প্রচলিত আইনে তা শাস্তিযোগ্য অপরাধ বিবেচিত হওয়ায়, ন্যায় বিচার ও নিরপেক্ষতার স্বার্থে ও বারংবার সুনির্দিষ্ট মতামত দিয়ে আইন মোতাবেক ব্যবস্থা গ্রহণে কমিশনকে অনুরোধের পরও কমিশন যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণ না করায়, আমি এর কোন দায় দায়িত্ব গ্রহণে অসমর্থক হওয়ায়, দেশের সংবিধানে সংশ্লিষ্ট ধারাসমূহে বর্ণিত আমার সকল আইনি অধিকার সংরক্ষন করে নির্বাচন কমিশন থেকে পদত্যাগ করছি। একই সাথে গত কয়েকদিন যাবৎ প্রকাশ্যে যে সকল হয়রানি ও হুমকি প্রদাণ করা হচ্ছে তা নিরসনে ব্যবস্থা গ্রহণের অনুরোধ করছি। অতএব, এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের বিশেষ অনুরোধ করছি।’

সুমন/অমিয়/

আব্দুল্লাহ হিল রাকিব স্মরণে বিইউএফটি’তে স্মরণসভা

প্রকাশ: ১৫ জুন ২০২৬, ০৯:৪১ এএম
আব্দুল্লাহ হিল রাকিব স্মরণে বিইউএফটি’তে স্মরণসভা
ছবি: বিজ্ঞপ্তি

বিজিএমইএ ইউনিভার্সিটি অব ফ্যাশন অ্যান্ড টেকনোলজি (বিইউএফটি) এর বোর্ড অব ট্রাস্টিজের সদস্য ও টিম গ্রুপের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মরহুম আব্দুল্লাহ হিল রাকিব এর ১ম মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে স্মরণসভা রবিবার (১৪ জুন) বিশ্ববিদ্যালয়ের মাল্টিপারপাস হলে অনুষ্ঠিত হয়।

এতে শ্রদ্ধা নিবেদন, স্মৃতিচারণ ও তার রুহের মাগফিরাত কামনায় বিশেষ দোয়া করা হয়। স্মৃতিচারণ করেন বিশ্ববিদ্যালয়ের বোর্ড অব ট্রাস্টিজের চেয়ারম্যান জনাব ফারুক হাসান। তিনি আব্দুল্লাহ হিল রাকিবের কর্মনিষ্ঠা, নেতৃত্বগুণ এবং শিল্প উন্নয়নে তার গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকার কথা তুলে ধরেন। 

এছাড়াও কথা বলেন বিইউএফটি বোর্ড অব ট্রাস্টিজের সদস্য মোহাম্মদ নাছির, মশিউল আজম সজল, এপ্লাস গ্রুপের ব্যবস্থাপনা পরিচালক তমিজ উদ্দিন ভুঁইয়া সেলিম, টিম গ্রুপের নির্বাহী পরিচালক ইমতিয়াজ আহমেদ, গ্রুপের সিনিয়র কর্মকর্তা, উপাচার্য, বিজ্ঞান অনুষদের ডিন। 

উপস্থিত ছিলেন জায়ান্ট গ্রুপের পরিচালক শারমিন হাসান, উপ-উপাচার্য, রেজিস্ট্রার, ডিনবৃন্দ, বিভাগীয় প্রধান, শিক্ষক, কর্মকর্তা, কর্মচারী এবং শিক্ষার্থীরা। বক্তারা মরহুম আব্দুল্লাহ হিল রাকিবের আদর্শ, মানবিক গুণাবলি ও কর্মময় জীবন থেকে শিক্ষা গ্রহণের আহ্বান জানান। স্মরণসভা শেষে দোয়া ও মুনাজাত করা হয়।

অন্তরা/

চবিতে সংসদে বক্তব্য নিয়ে মুখোমুখি ছাত্রদল-ছাত্রশিবির

প্রকাশ: ১৫ জুন ২০২৬, ০৯:২০ এএম
আপডেট: ১৫ জুন ২০২৬, ০৯:৫০ এএম
চবিতে সংসদে বক্তব্য নিয়ে মুখোমুখি ছাত্রদল-ছাত্রশিবির
ছবি: খবরের কাগজ

চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে (চবি) হিজাব ইস্যুতে জাতীয় সংসদে দেওয়া এক বক্তব্যের প্রতিবাদ এবং ছাত্রশিবিরের বিরুদ্ধে উত্থাপিত ধর্ষণ ও ‘গুমের নাটক’ সংক্রান্ত অভিযোগকে কেন্দ্র করে পৃথক কর্মসূচি পালন করেছে শাখা ছাত্রদল ও ছাত্রশিবির। এ সময় বিশ্ববিদ্যালয়ের স্মরণ চত্বর (জিরো পয়েন্ট) এলাকায় মুখোমুখি অবস্থান নিয়ে পাল্টাপাল্টি স্লোগান দেন উভয় সংগঠনের নেতাকর্মীরা।

রবিবার (১৪ জুন) রাত ১০টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রধান ফটক সংলগ্ন স্মরণ চত্বর (জিরো পয়েন্টে) এ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়।

কেন্দ্রীয় কর্মসূচির অংশ হিসেবে ছাত্রশিবিরের বিরুদ্ধে ‘গুম ও অপহরণের নাটক সাজানোর’ অভিযোগ তুলে বিক্ষোভ মিছিল করে শাখা ছাত্রদল। মিছিলটি জিরো পয়েন্ট থেকে শুরু হয়ে সোহরাওয়ার্দী মোড় প্রদক্ষিণ করে পুনরায় জিরো পয়েন্টে এসে শেষ হয়।

এ সময় নেতাকর্মীরা ‘জামাত-শিবির ধর্ষক, ধর্ষক’, ‘ধর্ষকদের কালো হাত ভেঙে দাও, গুঁড়িয়ে দাও’, ‘ধর্ষকদের আস্তানা, জ্বালিয়ে দাও, গুঁড়িয়ে দাও’সহ বিভিন্ন স্লোগান দেন।

মিছিল শেষে সংক্ষিপ্ত সমাবেশে শাখা ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক আব্দুল্লাহ আল নোমান বলেন, ‘আমরা সহাবস্থান চাই, তবে কোনো ধর্ষককে মেনে নেব না। সাধারণ শিক্ষার্থীদের সঙ্গে নিয়ে আমরা এসব অপকর্মের বিরুদ্ধে প্রতিরোধ গড়ে তুলব। দেশের কোথাও ধর্ষকদের অবস্থান মেনে নেওয়া হবে না।’

এদিকে বিএনপির সংসদ সদস্য মনিরুল হক চৌধুরীর হিজাব ও পর্দা নিয়ে দেওয়া বক্তব্যের প্রতিবাদে বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ করে শাখা ছাত্রশিবির। কর্মসূচিতে নেতাকর্মীরা ‘হিজাব নারীর অধিকার’, ‘গদি হবে খানখান, হিজাব নিয়ে দিলে টান’, ‘মনিরের দুই গালে, জুতা মারো তালে তালে’সহ প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে নিয়ে অশোভনীয় স্লোগান দেন।

সমাবেশে চবি শাখা ছাত্রশিবিরের সভাপতি ইব্রাহীম হোসেন রনি বলেন, ‘জাতীয় সংসদের মতো গুরুত্বপূর্ণ স্থানে দাঁড়িয়ে একজন সংসদ সদস্যের হিজাব নিয়ে মন্তব্য অত্যন্ত দুঃখজনক। এ বক্তব্য শুধু বাংলাদেশের মুসলিম নারীদের নয়, বিশ্বের মুসলিম নারীদেরও অনুভূতিতে আঘাত করেছে। আমরা এই বক্তব্য প্রত্যাহারের দাবি জানাই।’

তিনি আরও বলেন, 'আমরা বিশ্ববিদ্যালয়ে সহাবস্থানের রাজনীতি চাই। মতপ্রকাশের স্বাধীনতা থাকতে পারে, তবে কারও ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাত করে বক্তব্য দেওয়া গ্রহণযোগ্য নয়।’

এ সময় শাখা ছাত্রশিবিরের আন্তর্জাতিক ও মানবাধিকার সম্পাদক সাঈদ বিন হাবিবও বক্তব্য দেন। তিনি ছাত্রদলের বিভিন্ন কর্মকাণ্ডের সমালোচনা করে তাদের ‘সংযত আচরণ’ করার আহ্বান জানান।

অন্যদিকে ছাত্রদলের পক্ষ থেকে বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন আবাসিক হলে অতীতে অবৈধভাবে সিট বণ্টনের অভিযোগ তুলে তা বাতিলের দাবি জানানো হয়। দাবি বাস্তবায়ন না হলে কঠোর কর্মসূচিরও হুঁশিয়ারি দেন সংগঠনটির নেতারা।

পাল্টাপাল্টি কর্মসূচিকে কেন্দ্র করে কিছু সময়ের জন্য জিরো পয়েন্ট এলাকায় উত্তেজনা তৈরি হলেও শেষ পর্যন্ত কোনো অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটেনি।

আল আরাফ/থিও/

বুড়িগঙ্গা নদী থেকে জাবি শিক্ষার্থীর মরদেহ উদ্ধার

প্রকাশ: ১৫ জুন ২০২৬, ০৮:৪৫ এএম
আপডেট: ১৫ জুন ২০২৬, ০৮:৪৬ এএম
বুড়িগঙ্গা নদী থেকে জাবি শিক্ষার্থীর মরদেহ উদ্ধার
ছবি: সংগৃহীত

রাজধানীর মোহাম্মদপুর বছিলায় বুড়িগঙ্গা নদী থেকে দ্বীপ মজুমদার নামে এক যুবকের মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। তার কাছে পাওয়া আইডি কার্ড থেকে জানা যায়, নিহত যুবক জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের বায়োকেমিস্ট্রি ও মলিকুলার বায়োলজি বিভাগের শিক্ষার্থী।

গতকাল রবিবার বিকেল ৪টার দিকে মরদেহটি উদ্ধার করা হয়।

নৌ-পুলিশের উপপরিদর্শক রবিউল ইসলাম বলেন, গতকাল বিকেলে মরদেহটি পানিতে ভেসে যেতে দেখে পুলিশে খবর দেন স্থানীয়রা। পরে বছিলা ফাঁড়ি থেকে পুলিশের একটি টিম মরদেহটি উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য স্যার সলিমুল্লাহ মেডিকেল কলেজ মিটফোর্ড হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পেলে মৃত্যুর সঠিক কারণ জানা যাবে।

ইনোভেশন আইডিয়া শোকেসিং প্রোগ্রামে চাঁদপুরের তিন প্রতিষ্ঠানের কৃতিত্ব

প্রকাশ: ১৪ জুন ২০২৬, ১১:০২ পিএম
ইনোভেশন আইডিয়া শোকেসিং প্রোগ্রামে চাঁদপুরের তিন প্রতিষ্ঠানের কৃতিত্ব
ছবি: সংগৃহীত

তরুণ প্রজন্মের মধ্যে বিজ্ঞানমনস্কতা, সৃজনশীলতা ও উদ্ভাবনী চিন্তার বিকাশ ঘটাতে চাঁদপুরে অনুষ্ঠিত হয়েছে স্টার্টআপ, বিজ্ঞান প্রকল্প ও ইনোভেশন আইডিয়া শোকেসিং প্রোগ্রাম। এতে জেলার তিনটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে শ্রেষ্ঠ হওয়ার গৌরব অর্জন করে।

রবিবার (১৪ জুন) দুপুরে চাঁদপুর সদর উপজেলা পরিষদ অডিটোরিয়ামে এসব প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীদের হাতে পুরস্কার ও সনদপত্র তুলেদেন প্রধান অতিথি জেলা প্রশাসক (ডিসি) আহমেদ জিয়াউর রহমান।

প্রতিযোগিতায় প্রথম স্থান অর্জন করে হাইমচর উপজেলার নীলকমল ওসমানিয়া উচ্চ বিদ্যালয়, দ্বিতীয় স্থান লাভ করে ফরিদগঞ্জ উপজেলার খাজুরিয়া বহুমুখী উচ্চ বিদ্যালয় এবং তৃতীয় স্থান অর্জন করে মতলব দক্ষিণ উপজেলার কেএফটি কলেজিয়েট উচ্চ বিদ্যালয়।

জেলা প্রশাসক আহমেদ জিউর রহমান বক্তব্যে বলেন, বিজ্ঞান, প্রযুক্তি ও উদ্ভাবনভিত্তিক চিন্তাই আগামী দিনের উন্নত ও সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়ার প্রধান চালিকাশক্তি। বর্তমান প্রজন্মের শিক্ষার্থীদের মধ্যে যে সৃজনশীলতা ও উদ্ভাবনী সক্ষমতা রয়েছে, তা যথাযথভাবে বিকশিত করতে পারলে বাংলাদেশ বৈশ্বিক প্রতিযোগিতায় আরও শক্তিশালী অবস্থান তৈরি করতে সক্ষম হবে।

জেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মো. রুহুল্লার সভাপতিত্বে  অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথির বক্তব্য দেন অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (শিক্ষা ও আইসিটি) নাজমুন নাহার, সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) এসএমএন জামিউল হিকমা।

জেলার বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষক, শিক্ষার্থী, অভিভাবক, শিক্ষা প্রশাসনের কর্মকর্তা ও সুধীজন এ সময় উপস্থিত ছিলেন।

বাংলাদেশ মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক অধিদপ্তরের আওতাধীন এডুকেশনাল এক্সিলেন্স সাপোর্ট স্কিম (ইইএসএস) এবং সেকেন্ডারি এডুকেশন ডেভেলপমেন্ট প্রোগ্রাম (এসইডিপি)-এর উদ্যোগে চাঁদপুর জেলা প্রশাসন ও জেলা শিক্ষা অফিস যৌথভাবে প্রতিযোগিতার কর্মসূচির বাস্তবায়ন করে।

এসএন/

বেরোবির রাজস্ব বাজেট ৮২ কোটি ৮১ লাখ টাকা

প্রকাশ: ১৪ জুন ২০২৬, ১০:৫২ পিএম
বেরোবির রাজস্ব বাজেট ৮২ কোটি ৮১ লাখ টাকা
ছবি: খবরের কাগজ

২০২৬-২৭ অর্থবছরের জন্য বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের (বেরোবি) রাজস্ব বাজেট নির্ধারণ করা হয়েছে ৮২ কোটি ৮১ লাখ টাকা। দেশের ৫৮টি পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয় এবং বাংলাদেশ বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরী কমিশনের (ইউজিসি) জন্য অনুমোদিত মোট ১২ হাজার ৩০০ কোটি ৪০ লাখ টাকার বাজেটের অংশ হিসেবে এ বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (১১ জুন) ইউজিসিতে অনুষ্ঠিত ১৮৭তম পূর্ণ কমিশন সভায় ২০২৬-২৭ অর্থবছরের বাজেট অনুমোদন করা হয়। অনুমোদিত বাজেট অনুযায়ী, দেশের ৫৮টি পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের জন্য বরাদ্দ রাখা হয়েছে ১২ হাজার ১ কোটি ৮২ লাখ টাকা এবং ইউজিসির জন্য ২৯৮ কোটি ৫৮ লাখ টাকা।

ইউজিসি সূত্রে জানা গেছে, পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর মোট বাজেটের মধ্যে ৭ হাজার ৪২৮ কোটি ৪৩ লাখ টাকা রাজস্ব ব্যয় এবং ৪ হাজার ৫৭৩ কোটি ৩৯ লাখ টাকা উন্নয়ন প্রকল্প বাস্তবায়নের জন্য বরাদ্দ রাখা হয়েছে।

রাজস্ব বাজেটের তালিকায় বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয় পেয়েছে ৮২ কোটি ৮১ লাখ টাকা। একই তালিকায় ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের জন্য ১৮৮ কোটি ৪০ লাখ টাকা, জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের জন্য ১৮৬ কোটি ৬০ লাখ টাকা, শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের জন্য ১৮৬ কোটি ৬৬ লাখ টাকা এবং খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের জন্য ১৮২ কোটি ৯২ লাখ টাকা বরাদ্দ রাখা হয়েছে। এসব বিশ্ববিদ্যালয়ের তুলনায় বেরোবির রাজস্ব বরাদ্দ তুলনামূলকভাবে কম।

অন্যদিকে, রাজস্ব বাজেটে সর্বোচ্চ বরাদ্দ পেয়েছে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়, যার পরিমাণ ৯৪৯ কোটি ৩৬ লাখ টাকা। এরপর রয়েছে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় (৫৪৩ কোটি ৫৮ লাখ টাকা), চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় (৫০৩ কোটি ৪৭ লাখ টাকা) এবং জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় (৩৪৮ কোটি ৭০ লাখ টাকা)।

নতুন অর্থবছরে গবেষণা খাতেও গুরুত্বপূর্ণ পরিবর্তন এনেছে ইউজিসি। গবেষণা কার্যক্রমে সমন্বয় বৃদ্ধি এবং দ্বৈততা কমানোর লক্ষ্যে বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর গবেষণা বাজেট ও ইউজিসির গবেষণা বাজেট একীভূত করা হয়েছে। এর ফলে বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর গবেষণা খাতের ২০০ কোটি টাকা ইউজিসির বাজেটে স্থানান্তর করা হয়েছে। এতে ইউজিসির গবেষণা খাতে মোট বরাদ্দ দাঁড়িয়েছে ২২৬ কোটি টাকা। পাশাপাশি বৈদেশিক স্কলারশিপ খাতে ১২ কোটি টাকা যুক্ত হওয়ায় এ খাতে মোট বরাদ্দ বেড়ে হয়েছে ২৩৮ কোটি টাকা।

বিশ্ববিদ্যালয়-সংশ্লিষ্টদের মতে, শিক্ষার্থী সংখ্যা বৃদ্ধি, আবাসন সংকট, অবকাঠামোগত সীমাবদ্ধতা এবং চলমান উন্নয়ন প্রকল্পের প্রয়োজনীয়তা বিবেচনায় বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের জন্য ভবিষ্যতে আরও বড় বাজেট বরাদ্দ প্রয়োজন। তবে নতুন অর্থবছরে অনুমোদিত ৮২ কোটি ৮১ লাখ টাকার রাজস্ব বাজেট বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষা, প্রশাসনিক কার্যক্রম এবং সামগ্রিক পরিচালনায় ইতিবাচক ভূমিকা রাখবে বলে তারা মনে করছেন।

আজম/রিফাত/