ঢাকা ২৬ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩, মঙ্গলবার, ০৯ জুন ২০২৬

সর্বশেষ
বিশ্বকাপের আগে জয়ের ধারায় ফিরল স্পেন বিশ্ব অ্যাক্রেডিটেশন দিবস আজ টিভিতে আজকের খেলা ফেনীর প্রবীণ সাংবাদিক ওছমান হারুন মাহমুদ দুলাল আর নেই টস হেরে ব্যাটিংয়ে বাংলাদেশ সিলেটে বালুচাপা দেওয়া ভারতীয় জিরাসহ চোরাইপণ্য জব্দ, গ্রেপ্তার ২ টাঙ্গাইলে কবরস্থানের জায়গা দখলের প্রতিবাদে মানববন্ধন পদ্মায় গৃহবধূ নিখোঁজ, উদ্ধার অভিযান অব্যাহত সবজির দাম অনেকটা সহনীয়, মাংসের দোকানে এখনো নেই ক্রেতা আদিতমারীতে মাদরাসাছাত্র লাদেনকে ছুরিকাঘাতে হত্যা জয়পুরহাট জেলা যুবদলের সদস্যসচিব বহিষ্কার লোকসভায় তৃণমূলে ভাঙন, মমতাকে ছাড়লেন ২০ সংসদ সদস্য ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় সীমান্ত থেকে কোটি টাকার ভারতীয় শাড়ি জব্দ বোয়ালখালীতে প্রবাসীকে হত্যায় গ্রেপ্তার ১ মানসিক রোগ নির্ণয়ের পদ্ধতি নিয়ে প্রশ্ন কেমন ছিল রাসুলুল্লাহ (সা.)-এর পবিত্র মুখ, নয়ন ও চরণ নওগাঁয় চড়ামূল্যে কিনতে হচ্ছে ফ্রুট ব্যাগ শঙ্কায় আমচাষিরা মাদারীপুর সদর থানা থেকে ২ আসামিকে ছিনিয়ে নেওয়ার চেষ্টা চকরিয়া থেকে অপহৃত ৫ জনকে অপহরণের ২৪ ঘণ্টার মধ্যেই উদ্ধার ঈশ্বরগঞ্জে অবৈধভাবে প্লাস্টিক পুড়িয়ে তৈরি হচ্ছে  ডিজেল জামায়াত কর্মীর কোমরে মিলল তিনটি বিদেশি পিস্তল ৫ হাজার অবৈধ অভিবাসীকে বাংলাদেশে ফেরত পাঠানো হয়েছে: শুভেন্দু অধিকারী যন্ত্রের ছোঁয়ায় মাঠে নতুন সম্ভাবনা নোংরা পানিতে সয়লাব খুলনার প্রবেশদ্বার সখীপুরে দাঁড়িয়ে থাকা ট্রাকে পিকআপের ধাক্কা, নিহত ৪ গুরুত্বপূর্ণ খনিজে চীনের আধিপত্য হাবিপ্রবির গবেষণায় ব্যাগিং পদ্ধতিতে লিচুর ক্ষতিরোধ সম্ভব দোকানপাট রাত ১০টা পর্যন্ত খোলা রাখতে প্রধানমন্ত্রীকে চিঠি বরিশালে জনবল ছাড়াই হাসপাতাল উদ্বোধনের প্রস্তুতি ক্ষুদ্র উদ্যোক্তাদের জন্য ৫ হাজার কোটি টাকার পুনঃঅর্থায়ন তহবিল গঠন
Nagad desktop

চবি ক্যাম্পাসে রয়েছে দেশের এক-তৃতীয়াংশ প্রজাতির বন্যপ্রাণী

প্রকাশ: ০৩ মার্চ ২০২৬, ০৩:১৯ পিএম
আপডেট: ০৩ মার্চ ২০২৬, ০৩:৫৪ পিএম
চবি ক্যাম্পাসে রয়েছে দেশের এক-তৃতীয়াংশ প্রজাতির বন্যপ্রাণী

দেশে নিবন্ধিত ১১২১ প্রজাতির বন্যপ্রাণীর মধ্যে ৩৩১ প্রজাতির উপস্থিতি রয়েছে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে। অর্থাৎ, দেশের মোট বন্যপ্রাণীর প্রায় এক-তৃতীয়াংশ প্রজাতি আশ্রয় নিয়েছে শুধুমাত্র এই ক্যাম্পাসে।

বিশ্ব বন্যপ্রাণী দিবস উপলক্ষে মঙ্গলবার (৩ মার্চ) আয়োজিত এক আলোচনা সভায় এ তথ্য তুলে ধরেন বিশ্ববিদ্যালয়ের সুপারনিউমারারি অধ্যাপক মো. ফরিদ আহসান।

প্রাকৃতিক পরিবেশের দিক থেকে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় দেশের অন্যান্য পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের তুলনায় ব্যতিক্রম। বিস্তীর্ণ পাহাড়, ঘন সবুজ বনভূমি ও ঝোপঝাড়ে ঘেরা এই ক্যাম্পাস কার্যত একটি প্রাকৃতিক অভয়ারণ্যের রূপ নিয়েছে। এই অরণ্যে বসবাস করে নানা প্রজাতির বন্যপ্রাণী, যার সঙ্গে দীর্ঘদিন ধরে সহাবস্থানে অভ্যস্ত হয়ে উঠেছেন শিক্ষার্থীরাও। বিভিন্ন আবাসিক হলে প্রায়ই দেখা মেলে বিষধর গ্রিন পিট ভাইপার সাপের, আবার কখনও বৃহৎ আকৃতির অজগর সাপও ধরা পড়ে ক্যাম্পাস এলাকায়। সন্ধ্যা নামলে খাবারের সন্ধানে নেমে আসা বন্য শুকরের দল কিংবা পাহাড়ের গহীন অরণ্য থেকে লোকালয়ে চলে আসা হরিণও নতুন নয় বিশ্ববিদ্যালয়বাসীর কাছে।

“ওষধি ও সুগন্ধি উদ্ভিদ: স্বাস্থ্য, ঐতিহ্য ও জীবিকার সংরক্ষণ” প্রতিপাদ্যে দিনব্যাপী কর্মসূচির সূচনা হয় সকাল সাতটায়, আন্তঃবিশ্ববিদ্যালয় বন্যপ্রাণী দেখা প্রতিযোগিতার মাধ্যমে। পরে বন্যপ্রাণী বিষয়ক উপস্থাপনা, প্রাণী চেনা প্রতিযোগিতা এবং একটি র‍্যালি অনুষ্ঠিত হয়। জীববিজ্ঞান অনুষদ থেকে শুরু হওয়া র‍্যালিটি মেরিন সায়েন্সেস অ্যান্ড ফিশারিজ অনুষদের মিলনায়তনে গিয়ে শেষ হয়। সেখানে অনুষ্ঠিত আলোচনা সভা শেষে বন্যপ্রাণী পাজল ও কুইজ প্রতিযোগিতার আয়োজন করা হয়।

প্রবন্ধ উপস্থাপনায় অধ্যাপক ফরিদ আহসান বলেন, চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় কেবল একটি উচ্চশিক্ষা প্রতিষ্ঠান নয়, এটি দেশের গুরুত্বপূর্ণ জীববৈচিত্র্যের আশ্রয়স্থল। তার দেওয়া তথ্যমতে, দেশে থাকা ৭০ প্রজাতির ব্যাঙের মধ্যে ২২ প্রজাতি, ১৭০ প্রজাতির সরীসৃপের মধ্যে ৫৯ প্রজাতি এবং ৭৩২ প্রজাতির পাখির মধ্যে ২৩০ প্রজাতি এই ক্যাম্পাসে পাওয়া যায়। এছাড়া ১৩৯ প্রজাতির স্তন্যপায়ী প্রাণীর মধ্যেও উল্লেখযোগ্য সংখ্যক প্রজাতির বসবাস রয়েছে এখানে। সব মিলিয়ে দেশের মোট বন্যপ্রাণীর একটি বড় অংশের উপস্থিতি এই ক্যাম্পাসেই।

আলোচনা সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন উপাচার্য অধ্যাপক মুহাম্মদ ইয়াহইয়া আখতার। তিনি বলেন, জীববিজ্ঞান বিভাগকে আরও সুপরিকল্পিতভাবে শিক্ষার্থীদের উদ্বুদ্ধ করতে হবে, বিশেষ করে যারা গাছ, মাছ, পাখি ও বন সংরক্ষণ নিয়ে কাজ করতে আগ্রহী। তার মতে, পরিবেশ ও প্রাণী সংরক্ষণ এখন কেবল আলোচনার বিষয় নয়, বরং মানব অস্তিত্বের প্রশ্ন। পৃথিবী রক্ষায় আমরা কতটা ব্যয় করছি এবং ধ্বংসের পেছনে কতটা ব্যয় করছি—এই আত্মসমালোচনামূলক প্রশ্ন সমাজের সব স্তরে তোলা প্রয়োজন। তিনি ক্যাম্পাস থেকেই গবেষণা ও সচেতনতা কার্যক্রম জোরদারের আহ্বান জানান।

চিটাগাং বার্ড ক্লাব-এর উপদেষ্টা ডা. মহিউদ্দিন সিকদার বলেন, বিশ্ববিদ্যালয় মূলত গবেষণাকেন্দ্রিক প্রতিষ্ঠান হওয়া উচিত, যেখানে উন্নত ল্যাব ও গবেষণাভিত্তিক শিক্ষা কার্যক্রম পরিচালিত হবে। তিনি ব্যক্তিগত অভিজ্ঞতার আলোকে University of Oxford ও University of Cambridge-এর গবেষণাভিত্তিক শিক্ষাব্যবস্থার উদাহরণ তুলে ধরে দেশের উন্নয়নে বাস্তবভিত্তিক গবেষণার ওপর গুরুত্বারোপ করেন।

চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় বার্ড ক্লাবের সভাপতি রিদওয়ান রায়হান মুহিব বলেন, এ ধরনের আয়োজনের মূল উদ্দেশ্য প্রতিযোগিতা নয়; বরং বন্যপ্রাণী ও পরিবেশ সম্পর্কে সচেতনতা বৃদ্ধি। তিনি বলেন, অংশগ্রহণমূলক কর্মসূচির মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের সম্পৃক্ত করা গেলে সংরক্ষণ চেতনা আরও বিস্তৃত হবে। একই সঙ্গে তিনি আয়োজনে নেপথ্যে কাজ করা স্বেচ্ছাসেবকদের অবদানও তুলে ধরেন।

আলোচনা সভায় সভাপতিত্ব করেন প্রাণিবিদ্যা বিভাগের সভাপতি অধ্যাপক মোসাম্মৎ রাশেদা চৌধুরী। এছাড়া বক্তব্য দেন বাংলাদেশ বার্ড ক্লাব-এর সহসভাপতি গোলাম শফিক। অনুষ্ঠান শেষে প্রতিযোগিতার বিজয়ীদের হাতে পুরস্কার তুলে দেন অতিথিরা।

বিশ্ব বন্যপ্রাণী দিবসের এই আয়োজন করেছে প্রাণিবিদ্যা বিভাগ ও চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় বার্ড ক্লাব (সিইউবিসি)। সহযোগিতায় ছিল প্রকৃতি ও জীবন ফাউন্ডেশন এবং বাংলাদেশ বার্ড ক্লাব।

আল আরাফ/নাঈম

জাতীয় মুট কোর্ট প্রতিযোগিতায় চ্যাম্পিয়ন ঢাবি

প্রকাশ: ০৮ জুন ২০২৬, ০৭:৫২ পিএম
জাতীয় মুট কোর্ট প্রতিযোগিতায় চ্যাম্পিয়ন ঢাবি
ছবি: খবরের কাগজ

চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় আইন অনুষদে দুই দিনব্যাপী অধ্যাপক ড. খবির উদ্দিন আহমেদ জাতীয় মুট কোর্ট প্রতিযোগিতায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় (ঢাবি) চ্যাম্পিয়ন হয়েছে। 

সোমবার (৮ জুন) বিশ্ববিদ্যালয়ের জনসংযোগ দপ্তর থেকে পাঠানো এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

জানা গেছে, বাংলাদেশের ৪২টি পাবলিক ও প্রাইভেট বিশ্ববিদ্যালয়ের ৬৩টি দল এ প্রতিযোগিতায় অংশ নেয়। প্রিলিমিনারি, কোয়ার্টার-ফাইনাল, সেমি-ফাইনাল এবং গ্র্যান্ড ফাইনাল রাউন্ডে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় দল অসাধারণ নৈপুণ্য প্রদর্শন করে চ্যাম্পিয়ন হওয়ার গৌরব অর্জন করে।

সোসাইটি ফর ক্রিটিক্যাল লিগ্যাল স্টাডিজ (এসসিএলএস)-এর উদ্যোগে গত ৫-৬ জুন অনুষ্ঠিত হওয়া প্রতিযোগিতার সমাপনী দিনে পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠিত হয়। এতে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য, হাইকোর্ট বিভাগের বিচারপতি, শিক্ষাবিদ ও বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন।

উল্লেখ্য, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় মুট কোর্ট দলের সদস্যরা হলেন- আইন বিভাগের ২০২২-২০২৩ সেশনের শিক্ষার্থী জান্নাতুল মাওয়া শুচি ও যাইদ ইকরাম এবং ২০২৩-২০২৪ সেশনের শিক্ষার্থী নাফিসা তাবাসসুম।

আরিফ/নাঈম

পবিপ্রবিতে নতুন উপাচার্য অধ্যাপক ড. এস এম হেমায়েত জাহান

প্রকাশ: ০৮ জুন ২০২৬, ০৭:৪১ পিএম
পবিপ্রবিতে নতুন উপাচার্য অধ্যাপক ড. এস এম হেমায়েত জাহান
ছবি: সংগৃহীত

পটুয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (পবিপ্রবি) নতুন উপাচার্য (ভিসি) হিসেবে নিয়োগ পেয়েছেন অধ্যাপক ড. এস এম হেমায়েত জাহান। 

সোমবার (৮ জুন) শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগের সহকারী সচিব মো. শাহআলম সিরাজ স্বাক্ষরিত এক প্রজ্ঞাপনে এ তথ্য জানানো হয়।

প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, রাষ্ট্রপতি ও বিশ্ববিদ্যালয়ের আচার্য তাকে পটুয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য পদে নিয়োগ প্রদান করেছেন। নিয়োগের শর্ত অনুযায়ী তিনি যোগদানের তারিখ থেকে চার বছর মেয়াদে দায়িত্ব পালন করবেন।

অধ্যাপক ড. এস এম হেমায়েত জাহান দীর্ঘদিন ধরে উচ্চশিক্ষা ও গবেষণার সঙ্গে সম্পৃক্ত রয়েছেন। তার নিয়োগে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক, শিক্ষার্থী ও সংশ্লিষ্টদের মধ্যে ইতিবাচক প্রত্যাশা তৈরি হয়েছে।

বিশ্ববিদ্যালয়ের একাধিক শিক্ষক জানান, নতুন উপাচার্যের নেতৃত্বে শিক্ষা, গবেষণা এবং প্রশাসনিক কার্যক্রমে নতুন গতি আসবে বলে তারা আশা করছেন।

উল্লেখ্য, পটুয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় দেশের দক্ষিণাঞ্চলের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ উচ্চশিক্ষা প্রতিষ্ঠান হিসেবে শিক্ষা ও গবেষণায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে আসছে।

হাসিবুর রহমান/নাঈম

লক্ষ্মীপুর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে ভিসি নিয়োগ

প্রকাশ: ০৮ জুন ২০২৬, ০২:৪৯ পিএম
লক্ষ্মীপুর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে ভিসি নিয়োগ
ড. মোহাম্মদ হানিফ মুরাদ। ছবি সংগৃহীত

লক্ষ্মীপুর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রথম উপাচার্য হিসেবে নিয়োগ পেয়েছেন নোয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের ট্রেজারার অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ হানিফ মুরাদ।

রবিবার (৭ জুন) শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগের সহকারী সচিব মো. শাহ আলম সিরাজ স্বাক্ষরিত এক প্রজ্ঞাপনের মাধ্যমে এ নিয়োগ প্রদান করা হয়।

নোয়াখালী জেলার স্থায়ী বাসিন্দা ডক্টর মোহাম্মদ হানিফ মুরাদ নোয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের ফলিত গণিত বিভাগের অধ্যাপক পদে কর্মরত রয়েছেন। একইসঙ্গে তাকে নোয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের ট্রেজারার পদ থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে।

প্রজ্ঞাপনে উল্লেখ করা হয়, তিনি বর্তমান পদের সমপরিমাণ বেতন-ভাতা এবং বিধি অনুযায়ী অন্যান্য সুবিধা ভোগ করবেন। প্রজ্ঞাপনে আরও উল্লেখ করা হয়, বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা হিসেবে তিনি সার্বক্ষণিকভাবে বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে অবস্থান করবেন। 

এদিকে লক্ষ্মীপুরে প্রতিষ্ঠিত নতুন বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রথম উপাচার্য হিসেবে ড. মোহাম্মদ হানিফ মুরাদ এর নিয়োগকে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসনিক ও একাডেমিক কার্যক্রম এগিয়ে নেওয়ার ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ হিসেবে দেখা হচ্ছে।

স্থানীয়দের দাবিতের প্রেক্ষিতে ২০২৩ সালে জাতীয় সংসদে লক্ষ্মীপুর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় আইন পাশ হয়। একই বছরের ২৬ অক্টোবর লক্ষ্মীপুর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় আইনের গেজেট আকারে প্রকাশিত হয়।

লক্ষ্মীপুর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য মুহাম্মদ হানিফ মুরাদ ১৯৭৪ সালের ১০ এপ্রিল নোয়াখালীর এক সম্ভ্রান্ত মুসলিম পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন। তিনি কুমিল্লার ব্রাদার আন্দ্রে’স হাই স্কুল থেকে এসএসসি এবং নোয়াখালী সরকারি কলেজ থেকে এইচএসসি সম্পন্ন করেন। চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় থেকে গণিতে বিএসসি অনার্স এবং এমএসসি (থিসিস গ্রুপ) ডিগ্রি অর্জন করেন। তিনি বিএসসি ও এমএসসি উভয় ডিগ্রিতেই প্রথম শ্রেণিতে প্রথম স্থান অধিকার করেন। বিএসসি ও এমএসসি ডিগ্রিতে অসামান্য ফলাফলের জন্য তিনি চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃক পুরস্কৃত হন। এছাড়াও তিনি চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ফলিত গণিতে এম ফিল ডিগ্রি লাভ করেন। 

চাকরি জীবনে আন্তর্জাতিক ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় চট্টগ্রাম, চট্টগ্রাম প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় শেষে ২০০৬ সালে নোয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে প্রভাষক পদে যোগদান করেন। 

জাতীয় ও আন্তর্জাতিক জার্নালে তার ২৭টি গবেষণাপত্র প্রকাশিত হয়েছে। ডক্টর মুরাদ বাংলাদেশ গণিত সমিতির আজীবন সদস্য।

মোহাম্মদ রফিকুল ইসলাম/অন্তরা

মেহেরপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য হলেন ড. তোজাম্মেল হোসেন

প্রকাশ: ০৮ জুন ২০২৬, ১১:৪৭ এএম
আপডেট: ০৮ জুন ২০২৬, ১১:৫৬ এএম
মেহেরপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য হলেন ড. তোজাম্মেল হোসেন
নিয়োগপ্রাপ্ত উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. তোজাম্মেল হোসেন। ছবি: খবরের কাগজ

মেহেরপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য হলেন ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের (ইবি) অধ্যাপক ড. তোজাম্মেল হোসেন। তিনি ইবির আরবি ভাষা ও সাহিত্য বিভাগের অধ্যাপক ছিলেন।

রবিবার (৭ জুন) শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগের সরকারি সাধারণ বিশ্ববিদ্যালয় শাখা থেকে জারি করা এক প্রজ্ঞাপনে এ তথ্য জানানো হয়।

প্রজ্ঞাপনে বলা হয়, রাষ্ট্রপতি ও চ্যান্সেলরের অনুমোদনক্রমে মেহেরপুর বিশ্ববিদ্যালয় আইন, ২০২৩ (সংশোধিত-২০২৫)-এর ১০(১) ধারা অনুযায়ী ড. মো. তোজাম্মেল হোসেনকে মেহেরপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য পদে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে।

নিয়োগের শর্ত অনুযায়ী, যোগদানের তারিখ থেকে চার বছর অথবা অবসর গ্রহণের তারিখের মধ্যে যেটি আগে ঘটবে, ততদিন তিনি উপাচার্যের দায়িত্ব পালন করবেন। এ পদে তিনি তার বর্তমান পদের সমপরিমাণ বেতন-ভাতা পাবেন এবং বিধি অনুযায়ী অন্যান্য সুযোগ-সুবিধা ভোগ করবেন।

এছাড়া বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা হিসেবে তাকে সার্বক্ষণিক ক্যাম্পাসে অবস্থান করতে হবে। একই সঙ্গে প্রয়োজনবোধে রাষ্ট্রপতি ও চ্যান্সেলর যেকোনো সময় এ নিয়োগ বাতিল করতে পারবেন বলেও প্রজ্ঞাপনে উল্লেখ করা হয়।

বিষয়ে অধ্যাপক ড. তোজাম্মেল হোসেন বলেন, 'আমাকে উপাচার্য হিসেবে নিয়োগ দেওয়ায় সংশ্লিষ্ট সবার প্রতি কৃতজ্ঞতা জ্ঞাপন করছি। আমি সুষ্ঠু ও সুন্দরভাবে এ দায়িত্ব পালন করার চেষ্টা করব। সংশ্লিষ্ট সবার কাছে দোয়া, পরামর্শ ও সহযোগিতা চাই।'

নিয়ামত উল্লাহ/আজহার/

নবাব সলিমুল্লাহর জন্মবার্ষিকী উদযাপন

প্রকাশ: ০৭ জুন ২০২৬, ০৪:৫১ পিএম
নবাব সলিমুল্লাহর জন্মবার্ষিকী উদযাপন
ছবি: খবরের কাগজ

প্রাচ্যের অক্সফোর্ড খ্যাত ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় (ঢাবি) প্রতিষ্ঠার স্বপ্নদ্রষ্টা নবাব স্যার সলিমুল্লাহর ১৫৫ তম জন্মবার্ষিকী পালিত হয়েছে।

রবিবার (৭ জুন) ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় সলিমুল্লাহ মুসলিম হলের প্রাধ্যক্ষ অধ্যাপক ড. মো. আবদুস সালামের নেতৃত্বে হলের আবাসিক শিক্ষক ও কর্মকর্তা-কর্মচারীগণ বেগম বাজারস্থ নবাব স্যার সলিমুল্লাহ’র সমাধিতে শ্রদ্ধা জ্ঞাপন করে। পরে তার কবর জিয়ারত করা হয়। এ উপলক্ষ্যে আজ আসরের পর সলিমুল্লাহ মুসলিম হলে দোয়া ও মিলাদ মাহফিলের আয়োজন করা হয়।

এদিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় ছাত্রসংসদের (ডাকসু) উদ্যোগে কবর জিয়ারত ও বিশেষ দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়েছে। জোহরের পর ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় মসজিদে বিশেষ দোয়া ও মোনাজাত অনুষ্ঠিত হয়। দোয়ায় নবাব সলিমুল্লাহ’র অবদান গভীর শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করা হয় ও তার কবর সংরক্ষণ এবং সংস্কারের দাবি তোলা হয়।

ডাকসু নেতৃবৃন্দ বলেন, শিক্ষা বিস্তার, মুসলিম সমাজের উন্নয়ন এবং ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার পেছনে নবাব সলিমুল্লাহ’র ঐতিহাসিক ভূমিকা জাতি চিরদিন কৃতজ্ঞতার সঙ্গে স্মরণ করবে। তাঁর দূরদর্শী নেতৃত্ব ও শিক্ষা-অনুরাগ এ দেশের ইতিহাসে এক অনন্য দৃষ্টান্ত হয়ে রয়েছে।

কবর জিয়ারত ও দোয়া মাহফিলে উপস্থিত ছিলেন ডাকসুর মুক্তিযুদ্ধ ও গণতান্ত্রিক আন্দোলন সম্পাদক ফাতিমা তাসনিম জুমা, ক্রীড়া সম্পাদক আরমান হোসেন, ছাত্র পরিবহন সম্পাদক আসিফ আব্দুল্লাহ, কমনরুম, রিডিংরুম ও ক্যাফেটেরিয়া সম্পাদক উম্মে সালমা ও কার্যনির্বাহী সদস্য আনাস ইবনে মুনির।

এছাড়াও বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী এবং বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ অংশগ্রহণ করেন।

উল্লেখ্য, ঢাকার নবাব ও মুসলিম লীগের প্রতিষ্ঠাতা নবাব স্যার সলিমুল্লাহ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠায় অনন্য অবদান রাখেন। স্যার সলিমুল্লাহর উল্লেখযোগ্য অবদানে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার জন্য জমি দান, বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার পক্ষে জনমত গঠন করেন। ১৯২০ সালে দ্য ঢাকা ইউনিভার্সিটি অ্যাক্ট পাশ হওয়ার ক্ষেত্রেও বিশেষ ভূমিকা পালন করেন তিনি। ১৯১৫ সালের ১৬ জানুয়ারি মৃত্যুবরণ করেন নবাব স্যার সলিমুল্লাহ।

আরিফ জাওয়াদ/এসএন