ঢাকা ১ আষাঢ় ১৪৩৩, সোমবার, ১৫ জুন ২০২৬

সর্বশেষ
মরুর সাহস, উরুগুয়ের ইতিহাস দুর্দান্ত বেলজিয়ামের সামনে সালাহর মিসর নেদারল্যান্ডসকে জিততে দিল না জাপান প্রথম ম্যাচে যে রেকর্ড ডাকছে মেসিকে কুরাসাওয়ের কোচের বিশ্বরেকর্ড প্রত্যাবর্তন জয়ে রাঙাতে চায় সুইডেন গোলশূন্য থেকে বিরতিতে জাপান-নেদারল্যান্ডস কুরাসাওকে ৭-১ গোলে হারিয়ে ব্রাজিল ম্যাচের স্মৃতি ফেরাল জার্মানি কুরাসাওয়ের জালে ৭ গোল জার্মানির খুদে বিজ্ঞানীদের হাতে পুরস্কার তুলে দিলেন ডা. জুবাইদা রহমান প্রথমার্ধে ইতিহাস গড়ল কুরাসাও, ৩ গোল দিল জার্মানি মমতার দলে সংকট আরও গভীর, বিদ্রোহী এমপি বেড়ে ২২ জোটার স্মরণে বিশ্বকাপে বিশেষ উদ্যোগ নিল পর্তুগাল হোম অব ক্রিকেটে লিটনের অন্য রকম প্রথম ইনোভেশন আইডিয়া শোকেসিং প্রোগ্রামে চাঁদপুরের তিন প্রতিষ্ঠানের কৃতিত্ব চট্টগ্রামে মা-মেয়েকে হত্যা, নেপথ্যে অটোরিকশার চুক্তিপত্র নিয়ে বিরোধ বেরোবির রাজস্ব বাজেট ৮২ কোটি ৮১ লাখ টাকা ট্রাম্পের ৮০তম জন্মদিন আজ ধর্ষণ ও ভ্রূণ নষ্টে গ্রেপ্তারের কথা শুনে চোখ খুলছেন না শিবির নেতা জিসান ইসলামী ব্যাংকের পরিচালনা পর্ষদ ভেঙে দিল বাংলাদেশ ব্যাংক ১২ ফেব্রুয়ারির নির্বাচন মেনে না নিলে দেশে গৃহযুদ্ধ শুরু হতো: শফিকুর রহমান গাংনীতে কুকুরের কামড়ে শিশুসহ আহত ১৭ পাবনায় স্কুলছাত্রীকে শ্লীলতাহানি, অভিযুক্তের ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে ভাঙচুর-অগ্নিসংযোগ ফটিকছড়িতে বায়তুল ক্বোবা তৈয়্যবিয়া জামে মসজিদ প্রতিষ্ঠার জন্য ভূমি হস্তান্তর শ্রমিক অবরোধে আড়াই ঘণ্টা স্থবির ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়ক বন্দরে বেতনের দাবিতে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়ক অবরোধ আইএইচএফ ট্রফিতে দুই বিভাগে রূপা জিতল বাংলাদেশ আলু সংরক্ষণাগারে কেজিপ্রতি ৫ টাকা ভাড়ার দাবি, ৭ দিনের আল্টিমেটাম বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ ৩৫.৬৩ বিলিয়ন ডলার ইরান-মার্কিন চুক্তি স্বাক্ষর হতে পারে রবিবার, খুলে দেওয়া হবে হরমুজ প্রণালী
Nagad desktop

গণমানুষের ভাবনায় আগামীর বাংলাদেশ

প্রকাশ: ০৭ এপ্রিল ২০২৬, ০৫:৪৫ পিএম
গণমানুষের ভাবনায় আগামীর বাংলাদেশ
ছবি এআই

জনগণের চোখে নতুন সরকার মানে তাদের স্বপ্ন ও একরাশ প্রত্যাশার বাস্তবায়নের সম্ভাবনা। আগামীর বাংলাদেশেকে এগিয়ে নিতে সর্বস্তরের মানুষের মেধা, শ্রম ও সঠিক ভাবনাকে সমন্বিতভাবে কাজে লাগিয়ে বাংলাদেশের আর্থসামাজিক অবস্থার উন্নয়ন ঘটানো সম্ভব। রাষ্ট্রের অগ্রযাত্রা শুধু অবকাঠামোগত উন্নয়নের ওপর নির্ভরশীল নয়, রাষ্ট্রের বিভিন্ন শ্রেণির মানুষের দূরদর্শী চিন্তা-ভাবনা ও কার্যক্রমের ওপরও নির্ভরশীল। তাই নতুন সরকারের কাছে গণমানুষের প্রত্যাশা ও ভাবনা তুলে ধরেছেন ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলা বিভাগের শিক্ষার্থী মোছা. ইসমা খাতুন

বাজার নিয়ন্ত্রণ ও অর্থনৈতিক স্বস্তি চাই
রনি আহমেদ 
বাংলা বিভাগ, শিক্ষার্থী
ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়, কুষ্টিয়া

নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের মূল্যবৃদ্ধি মধ্যবিত্ত ও খেটে খাওয়া মানুষের বড় উৎকণ্ঠার কারণ। চাল, ডাল, তেল ও শাকসবজির দাম বাড়ার পাশাপাশি পরিবহন ব্যয়ও বেড়েছে। ফলে মানুষের প্রকৃত আয় কমে জীবনমান নেমে গেছে। এই পরিস্থিতি শুধু চাহিদার কারণে নয়; মুনাফালোভী মজুতদারি, শক্তিশালী সিন্ডিকেট ও বাজার তদারকির অভাব এতে বড় ভূমিকা রাখছে। ঈদযাত্রায় অতিরিক্ত ভাড়া আদায় ও কৃত্রিম সংকট সৃষ্টির ঘটনাও নিয়মিত ঘটছে। কার্যকর উদ্যোগের অভাব, দায়িত্ব এড়িয়ে যাওয়ার প্রবণতা এবং ভোক্তা অধিকার আইনের দুর্বল প্রয়োগে সমস্যা আরও জটিল হয়েছে। তাই উৎপাদন বৃদ্ধি, সরবরাহব্যবস্থা শক্তিশালী করা ও বাজার তদারকি জোরদারের মাধ্যমে দ্রুত বাজার নিয়ন্ত্রণ জরুরি।

 

শিক্ষা হোক গবেষণাধর্মী ও জীবনমুখী
সিমা খাতুন, প্রভাষক 
একেএম রহমত উল্লাহ বিশ্ববিদ্যালয় কলেজ, ঢাকা

একটি দেশ ও জাতির প্রকৃত উন্নয়ন ঘটে গবেষণা ও সৃজনশীলতার মাধ্যমে। কিন্তু বাংলাদেশের শিক্ষাব্যবস্থায় ডিগ্রি অর্জনই যেন মূল লক্ষ্য। ফলে শিক্ষার হার বাড়লেও সুশিক্ষিত মানুষের সংখ্যা কমছে। সক্রেটিসের সতর্কবাণী আজও প্রাসঙ্গিক। প্রমথ চৌধুরী তার ‘বই পড়া’ প্রবন্ধে এসব ত্রুটি তুলে ধরেছিলেন, যা এখন আরও প্রকট। মুখস্থনির্ভর শিক্ষার বদলে বাস্তবমুখী ও গবেষণাভিত্তিক শিক্ষা জরুরি। কীভাবে প্রযুক্তি তৈরি হয়, তা শেখানো হলে শিক্ষার্থীদের সৃজনশীলতা বাড়বে। গবেষণামুখী শিক্ষা সুপ্ত প্রতিভা বিকাশে সহায়তা করে এবং দেশকে জনশক্তিতে রূপান্তরিত করতে পারে। তাই শিক্ষাব্যবস্থায় গবেষণা ও সৃজনশীলতার ওপর গুরুত্ব দেওয়া প্রয়োজন। ফলে মানুষের প্রকৃত আয় কমে জীবনমান নেমে গেছে।

 

শিশুদের ভার্চুয়াল জগতে নিয়ন্ত্রণ জরুরি
মো. লিংকন হোসেন 
সহকারী শিক্ষক, মিলিয়র আইডিয়াল স্কুল, ঢাকা

বর্তমানে অনেক শিশু মোবাইল ও ডিজিটাল ডিভাইসে আসক্ত হয়ে পড়ছে। অধিকাংশ অভিভাবকের অভিযোগ, পড়াশোনার চেয়ে তারা ফোনে বেশি সময় দেয়। তবে এর জন্য অনেকাংশে অভিভাবকরাই দায়ী। অনেকেই শিশুদের সামনে নিজে ফোন ব্যবহার করেন বা ব্যস্ততার কারণে তাদের হাতে ডিভাইস তুলে দেন। ফলে শিশুরা ভার্চুয়াল জগতে ডুবে গিয়ে চোখের সমস্যা, মানসিক চাপসহ নানা শারীরিক ও মানসিক সমস্যায় ভোগে। তাই শিশুদের সময় দেওয়া, খেলাধুলা, বই পড়া ও সৃজনশীল কাজে উৎসাহিত করা জরুরি। ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে সুরক্ষিত রাখতে অভিভাবকদের সচেতনতা ও দায়িত্বশীল ভূমিকা অত্যন্ত প্রয়োজন। শুধু তাই নয়, গ্রামপর্যায়ে কমিউনিটি ক্লিনিকের সংখ্যা খুবই কম।

 

গড়তে চাই আত্মবিশ্বাসী প্রজন্ম
মো. নাঈমুর রহমান (লাবন)
উদ্যোক্তা ও পরিচালক, বুকম্যান স্টুডেন্টস কেয়ার, ঝিনাইদহ

আমাদের দেশের উচ্চ শিক্ষিত তরুণ প্রজন্ম নানাবিধ পারিবারিক, সামাজিক ও অর্থনৈতিক চাপে নিজেরা উদ্যোক্তা হওয়ার সিদ্ধান্ত নিতে পারছে না। শুধু নিরাপদ চাকরির আশায় তাদের শিক্ষা, যা বাস্তব জীবনে চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় তাদেরকে কোনো সাহায্য করতে পারে না। অর্থনৈতিক ঝুঁকি ও সামাজিক মর্যাদার ত্রুটিপূর্ণ মূল্যায়ন তরুণদের আত্মবিশ্বাস আরও কমিয়ে দিচ্ছে। এ কারণে উচ্চশিক্ষিত অনেক তরুণ দেশের অর্থনীতির ক্ষেত্রে বোঝা হয়ে দাঁড়িয়েছে। 
অথচ বর্তমান তথ্যপ্রযুক্তি ও কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার যুগে সৃজনশীলতা বিকাশের মাধ্যমে উদ্যোক্তা হয়ে ওঠার সুযোগ অনেক বেশি। ঈদযাত্রায় অতিরিক্ত ভাড়া আদায় ও কৃত্রিম সংকট সৃষ্টির ঘটনাও নিয়মিত ঘটছে।

 

আস্থার ঠিকানায় সঠিক স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত হোক
মো. ইমদাদুল হক মিলন
পল্লী চিকিৎসক, সুজানগর-পাবনা 

সুস্থ ও কর্মক্ষম জাতি একটি দেশের সবচেয়ে বড় সম্পদ। অধিক জনসংখ্যাবহুল বাংলাদেশকে জনসম্পদে রূপান্তরিত করার ক্ষেত্রে গ্রামপর্যায়ে সঠিক স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করা জরুরি। কৃষিভিত্তিক বাংলাদেশের অধিকাংশ মানুষই গ্রামে বসবাস করেন। কঠোর শারীরিক পরিশ্রমের পরেও তারা পর্যাপ্ত স্বাস্থ্যসেবা থেকে বঞ্চিত। শুধু তাই নয়, গ্রামপর্যায়ে কমিউনিটি ক্লিনিকের সংখ্যা খুবই কম। যতটুকু দেখা যায়, সেখানে দক্ষ চিকিৎসক ও পর্যাপ্ত ওষুধের ব্যবস্থা থাকে না। এমতাবস্থায়, সংখ্যাগরিষ্ঠ গ্রামীণ সাধারণ মানুষের আস্থার ঠিকানা নিশ্চিত করতে ইউনিয়নভিত্তিক কমিউনিটি সেন্টার চালু করা এখন সময়ের দাবি। প্রমথ চৌধুরী তার ‘বই পড়া’ প্রবন্ধে এসব ত্রুটি তুলে ধরেছিলেন, যা এখন আরও প্রকট।

ইনোভেশন আইডিয়া শোকেসিং প্রোগ্রামে চাঁদপুরের তিন প্রতিষ্ঠানের কৃতিত্ব

প্রকাশ: ১৪ জুন ২০২৬, ১১:০২ পিএম
ইনোভেশন আইডিয়া শোকেসিং প্রোগ্রামে চাঁদপুরের তিন প্রতিষ্ঠানের কৃতিত্ব
ছবি: সংগৃহীত

তরুণ প্রজন্মের মধ্যে বিজ্ঞানমনস্কতা, সৃজনশীলতা ও উদ্ভাবনী চিন্তার বিকাশ ঘটাতে চাঁদপুরে অনুষ্ঠিত হয়েছে স্টার্টআপ, বিজ্ঞান প্রকল্প ও ইনোভেশন আইডিয়া শোকেসিং প্রোগ্রাম। এতে জেলার তিনটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে শ্রেষ্ঠ হওয়ার গৌরব অর্জন করে।

রবিবার (১৪ জুন) দুপুরে চাঁদপুর সদর উপজেলা পরিষদ অডিটোরিয়ামে এসব প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীদের হাতে পুরস্কার ও সনদপত্র তুলেদেন প্রধান অতিথি জেলা প্রশাসক (ডিসি) আহমেদ জিয়াউর রহমান।

প্রতিযোগিতায় প্রথম স্থান অর্জন করে হাইমচর উপজেলার নীলকমল ওসমানিয়া উচ্চ বিদ্যালয়, দ্বিতীয় স্থান লাভ করে ফরিদগঞ্জ উপজেলার খাজুরিয়া বহুমুখী উচ্চ বিদ্যালয় এবং তৃতীয় স্থান অর্জন করে মতলব দক্ষিণ উপজেলার কেএফটি কলেজিয়েট উচ্চ বিদ্যালয়।

জেলা প্রশাসক আহমেদ জিউর রহমান বক্তব্যে বলেন, বিজ্ঞান, প্রযুক্তি ও উদ্ভাবনভিত্তিক চিন্তাই আগামী দিনের উন্নত ও সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়ার প্রধান চালিকাশক্তি। বর্তমান প্রজন্মের শিক্ষার্থীদের মধ্যে যে সৃজনশীলতা ও উদ্ভাবনী সক্ষমতা রয়েছে, তা যথাযথভাবে বিকশিত করতে পারলে বাংলাদেশ বৈশ্বিক প্রতিযোগিতায় আরও শক্তিশালী অবস্থান তৈরি করতে সক্ষম হবে।

জেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মো. রুহুল্লার সভাপতিত্বে  অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথির বক্তব্য দেন অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (শিক্ষা ও আইসিটি) নাজমুন নাহার, সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) এসএমএন জামিউল হিকমা।

জেলার বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষক, শিক্ষার্থী, অভিভাবক, শিক্ষা প্রশাসনের কর্মকর্তা ও সুধীজন এ সময় উপস্থিত ছিলেন।

বাংলাদেশ মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক অধিদপ্তরের আওতাধীন এডুকেশনাল এক্সিলেন্স সাপোর্ট স্কিম (ইইএসএস) এবং সেকেন্ডারি এডুকেশন ডেভেলপমেন্ট প্রোগ্রাম (এসইডিপি)-এর উদ্যোগে চাঁদপুর জেলা প্রশাসন ও জেলা শিক্ষা অফিস যৌথভাবে প্রতিযোগিতার কর্মসূচির বাস্তবায়ন করে।

এসএন/

বেরোবির রাজস্ব বাজেট ৮২ কোটি ৮১ লাখ টাকা

প্রকাশ: ১৪ জুন ২০২৬, ১০:৫২ পিএম
বেরোবির রাজস্ব বাজেট ৮২ কোটি ৮১ লাখ টাকা
ছবি: খবরের কাগজ

২০২৬-২৭ অর্থবছরের জন্য বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের (বেরোবি) রাজস্ব বাজেট নির্ধারণ করা হয়েছে ৮২ কোটি ৮১ লাখ টাকা। দেশের ৫৮টি পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয় এবং বাংলাদেশ বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরী কমিশনের (ইউজিসি) জন্য অনুমোদিত মোট ১২ হাজার ৩০০ কোটি ৪০ লাখ টাকার বাজেটের অংশ হিসেবে এ বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (১১ জুন) ইউজিসিতে অনুষ্ঠিত ১৮৭তম পূর্ণ কমিশন সভায় ২০২৬-২৭ অর্থবছরের বাজেট অনুমোদন করা হয়। অনুমোদিত বাজেট অনুযায়ী, দেশের ৫৮টি পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের জন্য বরাদ্দ রাখা হয়েছে ১২ হাজার ১ কোটি ৮২ লাখ টাকা এবং ইউজিসির জন্য ২৯৮ কোটি ৫৮ লাখ টাকা।

ইউজিসি সূত্রে জানা গেছে, পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর মোট বাজেটের মধ্যে ৭ হাজার ৪২৮ কোটি ৪৩ লাখ টাকা রাজস্ব ব্যয় এবং ৪ হাজার ৫৭৩ কোটি ৩৯ লাখ টাকা উন্নয়ন প্রকল্প বাস্তবায়নের জন্য বরাদ্দ রাখা হয়েছে।

রাজস্ব বাজেটের তালিকায় বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয় পেয়েছে ৮২ কোটি ৮১ লাখ টাকা। একই তালিকায় ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের জন্য ১৮৮ কোটি ৪০ লাখ টাকা, জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের জন্য ১৮৬ কোটি ৬০ লাখ টাকা, শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের জন্য ১৮৬ কোটি ৬৬ লাখ টাকা এবং খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের জন্য ১৮২ কোটি ৯২ লাখ টাকা বরাদ্দ রাখা হয়েছে। এসব বিশ্ববিদ্যালয়ের তুলনায় বেরোবির রাজস্ব বরাদ্দ তুলনামূলকভাবে কম।

অন্যদিকে, রাজস্ব বাজেটে সর্বোচ্চ বরাদ্দ পেয়েছে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়, যার পরিমাণ ৯৪৯ কোটি ৩৬ লাখ টাকা। এরপর রয়েছে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় (৫৪৩ কোটি ৫৮ লাখ টাকা), চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় (৫০৩ কোটি ৪৭ লাখ টাকা) এবং জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় (৩৪৮ কোটি ৭০ লাখ টাকা)।

নতুন অর্থবছরে গবেষণা খাতেও গুরুত্বপূর্ণ পরিবর্তন এনেছে ইউজিসি। গবেষণা কার্যক্রমে সমন্বয় বৃদ্ধি এবং দ্বৈততা কমানোর লক্ষ্যে বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর গবেষণা বাজেট ও ইউজিসির গবেষণা বাজেট একীভূত করা হয়েছে। এর ফলে বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর গবেষণা খাতের ২০০ কোটি টাকা ইউজিসির বাজেটে স্থানান্তর করা হয়েছে। এতে ইউজিসির গবেষণা খাতে মোট বরাদ্দ দাঁড়িয়েছে ২২৬ কোটি টাকা। পাশাপাশি বৈদেশিক স্কলারশিপ খাতে ১২ কোটি টাকা যুক্ত হওয়ায় এ খাতে মোট বরাদ্দ বেড়ে হয়েছে ২৩৮ কোটি টাকা।

বিশ্ববিদ্যালয়-সংশ্লিষ্টদের মতে, শিক্ষার্থী সংখ্যা বৃদ্ধি, আবাসন সংকট, অবকাঠামোগত সীমাবদ্ধতা এবং চলমান উন্নয়ন প্রকল্পের প্রয়োজনীয়তা বিবেচনায় বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের জন্য ভবিষ্যতে আরও বড় বাজেট বরাদ্দ প্রয়োজন। তবে নতুন অর্থবছরে অনুমোদিত ৮২ কোটি ৮১ লাখ টাকার রাজস্ব বাজেট বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষা, প্রশাসনিক কার্যক্রম এবং সামগ্রিক পরিচালনায় ইতিবাচক ভূমিকা রাখবে বলে তারা মনে করছেন।

আজম/রিফাত/

উদ্ভাবনের উৎসবের পর্দা নামল মাগুরায়, জাতীয় পর্যায়ে লড়বে বিজয়ী দল

প্রকাশ: ১৪ জুন ২০২৬, ০৪:৪০ পিএম
উদ্ভাবনের উৎসবের পর্দা নামল মাগুরায়, জাতীয় পর্যায়ে লড়বে বিজয়ী দল
ছবি: সংগৃহীত

মাগুরায় জেলা পর্যায়ের “স্টার্টআপ, সায়েন্স প্রজেক্ট অ্যান্ড ইনোভেশন আইডিয়া শোকেসিং প্রোগ্রাম-২০২৬”-এর সমাপনী অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়েছে।

রবিবার (১৪ জুন) মাগুরা সরকারি বালক উচ্চ বিদ্যালয়ের অডিটোরিয়ামে দিনব্যাপী এ আয়োজনের সমাপনী অনুষ্ঠিত হয়।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) মোঃ আব্দুল কাদের।

বিশেষ অতিথি ছিলেন সরকারি হোসেন শহিদ সোহরাওয়ার্দী কলেজের অধ্যক্ষ প্রফেসর ড. মোঃ আলফাজ উদ্দিন, সরকারি মহিলা কলেজ, মাগুরার অধ্যক্ষ প্রফেসর মোহাম্মদ আবু সাঈদ মোল্যা এবং মাগুরা সরকারি বালক উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক জাহিদুল ইসলাম।

অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন জেলা শিক্ষা অফিসের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা প্রদ্যুত কুমার দাস।

'মেধা, বিজ্ঞান, উদ্যোগ ও উদ্ভাবনের দেশ, সবার আগে বাংলাদেশ' প্রতিপাদ্যে আয়োজিত এ কর্মসূচির আয়োজন করে এডুকেশনাল এক্সিলেন্স সাপোর্ট স্কিম (EESS), এসইডিপি এবং মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তর। জেলা প্রশাসন ও জেলা শিক্ষা অফিস, মাগুরার সহযোগিতায় অনুষ্ঠানটি বাস্তবায়িত হয়।

জানা যায়, গত ১২ জুন অনুষ্ঠিত উপজেলা পর্যায়ের প্রতিযোগিতায় বিজয়ী মাগুরা সদর, মহম্মদপুর, শ্রীপুর ও শালিখা উপজেলার দলগুলো জেলা পর্যায়ের প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণ করে। প্রতিযোগিতায় গোপীনাথপুর মো. আব্দুল খালেক স্কুল অ্যান্ড কলেজ বিজয়ী হওয়ার গৌরব অর্জন করে।

বিজয়ী দলের তিনজন শিক্ষার্থীকে জনপ্রতি ২০ হাজার টাকা, দুইজন শিক্ষককে জনপ্রতি ৩০ হাজার টাকা এবং জাতীয় পর্যায়ের প্রতিযোগিতায় ঢাকায় অংশগ্রহণের জন্য অতিরিক্ত ১৫ হাজার টাকা প্রদান করা হয়। জেলা পর্যায় থেকে নির্বাচিত একটি দল জাতীয় পর্যায়ের প্রতিযোগিতায় অংশ নিয়ে মাগুরা জেলার প্রতিনিধিত্ব করবে।

অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন জেলা শিক্ষা অফিসের সহকারী পরিদর্শক মোঃ সেলিম রেজা। বিচারকের দায়িত্ব পালন করেন জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের সহকারী কমিশনার (শিক্ষা ও কল্যাণ শাখা) সানজিদা হায়দার নূপুর, জেলা আইসিটি অফিসার মুন্না মিয়া এবং ইইডির সহকারী প্রকৌশলী মিঠুন পাল।

সমাপনী অনুষ্ঠানে শিক্ষার্থী, শিক্ষক, অভিভাবকসহ বিভিন্ন সরকারি দপ্তরের কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। প্রদর্শনীতে উপস্থাপিত উদ্ভাবনী ধারণা, বিজ্ঞানভিত্তিক প্রকল্প ও উদ্যোক্তা ভাবনা দর্শনার্থীদের মধ্যে ব্যাপক আগ্রহ ও উৎসাহের সৃষ্টি করে।

মোঃ কাসেমুর রহমান শ্রাবণ/এসএন

এনএসইউ ট্রাস্টি বেনজীর আহমেদ ফের সাউথ এশিয়া রিজিওনাল কাউন্সিলের কোষাধ্যক্ষ

প্রকাশ: ১৪ জুন ২০২৬, ০১:৩২ পিএম
এনএসইউ ট্রাস্টি বেনজীর আহমেদ ফের সাউথ এশিয়া রিজিওনাল কাউন্সিলের কোষাধ্যক্ষ
বেনজীর আহমেদ। ছবি: বিজ্ঞপ্তি

নর্থ সাউথ ইউনিভার্সিটির (এনএসইউ) বোর্ড অব ট্রাস্টিজের সদস্য বেনজীর আহমেদ অ্যাক্রেডিটেশন কাউন্সিল ফর বিজনেস স্কুলস অ্যান্ড প্রোগ্রামস (এসিবিএসপি)-এর সাউথ এশিয়া রিজিওনাল কাউন্সিলের কোষাধ্যক্ষ পদে পুনর্নির্বাচিত হয়েছেন। এনএসইউ’র সাবেক এই চেয়ারম্যান ২০২৬–২০২৭ মেয়াদের জন্য নির্বাচিত হন।

শনিবার (১৩ জুন) ইউনিভার্সিটির পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

গত সপ্তাহে যুক্তরাষ্ট্রের অ্যারিজোনার ফিনিক্সে অনুষ্ঠিত এসিবিএসপি সাউথ এশিয়া অঞ্চলের বার্ষিক সাধারণ সভায় এ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়।এসিবিএসপি সাউথ এশিয়া রিজিওনাল কাউন্সিলে সিঙ্গাপুর, মালয়েশিয়া, ইন্দোনেশিয়া, ভিয়েতনাম, কম্বোডিয়া, ভারত, পাকিস্তান, বাংলাদেশ, শ্রীলঙ্কা, আফগানিস্তানসহ ১৬টি দেশের সদস্য প্রতিষ্ঠান রয়েছে। এ কাউন্সিল ব্যবসায় শিক্ষায় মানোন্নয়ন, স্বীকৃতি প্রদান এবং একাডেমিক সহযোগিতা জোরদারে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।

যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক এসিবিএসপি বিশ্বব্যাপী স্বীকৃত একটি অ্যাক্রেডিটেশন সংস্থা, যা ব্যবসায় শিক্ষায় উৎকর্ষ ও ধারাবাহিক উন্নয়নকে উৎসাহিত করে। দক্ষিণ এশিয়া অঞ্চলে ব্যবসায় শিক্ষার মানোন্নয়নে রিজিওনাল কাউন্সিলটির ভূমিকা গুরুত্বপূর্ণ। বেনজীর আহমেদের এই পুনর্নির্বাচন আন্তর্জাতিক অঙ্গনে বাংলাদেশের একাডেমিক নেতৃত্বের ক্রমবর্ধমান প্রভাবকে তুলে ধরে।

পুনর্নির্বাচিত হওয়ায় কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করে বেনজীর আহমেদ বলেন, এসিবিএসপি সাউথ এশিয়া রিজিওনাল কাউন্সিলের কোষাধ্যক্ষ হিসেবে পুনর্নির্বাচিত হতে পেরে আমি সম্মানিত বোধ করছি। এটি সম্মিলিতভাবে এ অঞ্চলে মানসম্মত ব্যবসায় শিক্ষা এগিয়ে নেওয়ার প্রতিশ্রুতির প্রতিফলন। সহকর্মীদের সঙ্গে ঘনিষ্ঠভাবে কাজ করে একাডেমিক মানোন্নয়ন, পারস্পরিক সহযোগিতা বৃদ্ধি এবং প্রতিষ্ঠানগুলোকে বৈশ্বিক মানদণ্ড অর্জনে সহায়তা করতে চাই।

বেনজীর আহমেদ একজন স্বনামধন্য ব্যবসায়ী ও শিক্ষানুরাগী। তিনি এনএসইউ ট্রাস্টের প্রতিষ্ঠাতা আজীবন সদস্য এবং বর্তমানে অ্যাসোসিয়েশন অব প্রাইভেট ইউনিভার্সিটিজ অব বাংলাদেশের (এপিইউবি) সহ-সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। তিনি রেমন্ড গ্রুপের চেয়ারম্যানও।

তিনি এর আগে ঢাকা চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রি (ডিসিসিআই)-এর সভাপতি এবং ফেডারেশন অব বাংলাদেশ চেম্বারস অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রি (এফবিসিসিআই)-এর পরিচালক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন।

তার এই পুনর্নির্বাচন দক্ষিণ এশিয়ায় ব্যবসায় শিক্ষা ও প্রাতিষ্ঠানিক উন্নয়নে তার অব্যাহত নেতৃত্ব ও অবদানের স্বীকৃতি।

অন্তরা/

আরআইবিএর আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি পেল ব্র্যাকইউনিভার্সিটির পরিবেশবান্ধব ক্যাম্পাস

প্রকাশ: ১৪ জুন ২০২৬, ০৮:৪৭ এএম
আপডেট: ১৪ জুন ২০২৬, ০৮:৫৬ এএম
আরআইবিএর আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি পেল ব্র্যাকইউনিভার্সিটির পরিবেশবান্ধব ক্যাম্পাস
ছবি: বিজ্ঞপ্তি

ব্র্যাক ইউনিভার্সিটির পরিবেশবান্ধব ইনার সিটি ক্যাম্পাস ২০২৬ সালের আরআইবিএ ইন্টারন্যাশনাল অ্যাওয়ার্ডস ফর এক্সিলেন্স অর্জন করেছে। এর মাধ্যমে এটি বিশ্বের সেরা নতুন স্থাপত্য প্রকল্পগুলোর একটি হিসেবে স্বীকৃতি পেয়েছে।

সিঙ্গাপুরভিত্তিক স্থাপত্য প্রতিষ্ঠান ওহা এর নকশায় নির্মিত এই ক্যাম্পাস বিশ্বের বিভিন্ন দেশের ৫২টি প্রকল্পের বৈশ্বিক সংক্ষিপ্ত তালিকা থেকে নির্বাচিত ৩৪টি প্রকল্পের মধ্যে স্থান পেয়েছে। স¤প্রতি রয়্যাল ইনস্টিটিউট অব ব্রিটিশ আর্কিটেক্টস (আরআইবিএ) এ ঘোষণা দেয়।

দুই বছর পরপর দেওয়া এই পুরস্কারের মাধ্যমে বিশ্বের সেরা ও সবচেয়ে প্রভাবশালী স্থাপত্য প্রকল্পগুলোকে স্বীকৃতি দেওয়া হয়। এ বছরের নির্বাচিত প্রকল্পগুলো জলবায়ু পরিবর্তন, অভিবাসন, আবাসন, দ্রুত নগরায়ণ এবং অবকাঠামোগত চ্যালেঞ্জের মতো বৈশ্বিক বিষয়গুলোকে গুরুত্ব দিয়েছে।

এসব প্রকল্প দেখিয়েছে কীভাবে স্থাপত্য মানুষের জীবনকে আরও ভালো করতে পারে এবং ভবিষ্যৎকে আরও টেকসই করে তুলতে পারে।

আরআইবিএ অ্যাওয়ার্ডস গ্রুপের চেয়ারম্যান নিল গিলেসপি বলেন, এ বছরের নির্বাচিত প্রকল্পগুলোর মধ্যে মানুষ, স্থান এবং ভবিষ্যতের প্রতি দায়বদ্ধতার একটি শক্তিশালী প্রতিফলন রয়েছে। তিনি বলেন, পরিবেশগত, সামাজিক ও অর্থনৈতিক সীমাবদ্ধতার মধ্যেও এসব প্রকল্প দেখিয়েছে কীভাবে স্থাপত্য মানুষের জীবনে আনন্দ ও মর্যাদা যোগ করতে পারে।

বাহ্যিক চাকচিক্যের পরিবর্তে এসব প্রকল্প প্রেক্ষিতভিত্তিক, চিন্তাশীল এবং দীর্ঘস্থায়ী নকশার গুরুত্ব তুলে ধরেছে। একসময়কার পরিত্যক্ত ও অব্যবহৃত একটি বর্জ্যভ‚মিকে রূপান্তর করে গড়ে তোলা হয়েছে এই ক্যাম্পাস।

প্রায় ১ লাখ ৭০ হাজার বর্গমিটার আয়তনের এই ক্যাম্পাস পরিণত হয়েছে শিক্ষা ও নাগরিক কার্যক্রমের একটি প্রাণবন্ত কেন্দ্রে। ২ দশমিক ১৪ হেক্টর জায়গার ওপর নির্মিত ১৩ তলাবিশিষ্ট এই স্থাপনায় একটি বিশেষ স্তরভিত্তিক নকশা অনুসরণ করা হয়েছে। এর মাধ্যমে নয়টি তলায় একাডেমিক কার্যক্রম এবং নিচের অংশে উন্মুক্ত ক্যাম্পাস পার্ক রাখা হয়েছে।

ক্যাম্পাসটির নকশায় জায়গার সর্বোত্তম ব্যবহার নিশ্চিত করা হয়েছে। এটি এমনভাবে ডিজাইন করা হয়েছে যেন এটি সামাজিক যোগাযোগ ও সম্পৃক্ততার সুযোগ তৈরি করে। এই ক্যাম্পাসে শ্রেণিকক্ষ, গবেষণাগার, অডিটোরিয়াম, মাল্টিপারপাস হল, অ্যাম্ফিথিয়েটারসহ বিভিন্ন সুবিধা রয়েছে। ছাদে রয়েছে সুইমিং পুল, ক্রিকেট পিচ এবং দৌড়ানোর ট্র্যাক।

ব্র‍্যাক ইউনিভার্সিটির ক্যাম্পাসের নকশায় প্রাকৃতিক বাতাস চলাচলের ওপর বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। বাতাসের স্বাভাবিক প্রবাহকে কাজে লাগিয়ে এমনভাবে চলাচলপথ তৈরি করা হয়েছে, যাতে ভবনের ভেতরে স্বাভাবিকভাবে বাতাস চলাচল করতে পারে। এর ফলে শীতাতপ নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থার প্রয়োজন কম হয়। পাশাপাশি শিক্ষার্থীদের জন্য আরও আরামদায়ক পরিবেশ তৈরি হয়।