ঢাকা ২৮ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩, বৃহস্পতিবার, ১১ জুন ২০২৬

সর্বশেষ
অস্ট্রেলিয়ার বিরুদ্ধে টাইগারদের ওয়ানডে সিরিজ জয় যশোরে স্ত্রীকে বেঁধে রেখে স্বামীকে কুপিয়ে হত্যা জলবায়ু ঝুঁকি মোকাবিলা ও নদী রক্ষায় ১০ হাজার কোটির বেশি টাকার মহাপরিকল্পনা আইসিটিতে লক্ষ্য জিডিপির ১০ শতাংশ, স্টার্টআপে বিশেষ গুরুত্ব ব্রাজিল বনাম আর্জেন্টিনা সমর্থক বিশ্বকাপ উন্মাদনা যেন দুর্ঘটনার কারণ না হয় মূল্যস্ফীতি ও সাধারণ মানুষের বাস্তবতা প্রেসিডেন্সি ইউনিভার্সিটিতে দুইদিন ব্যাপী ফল উৎসব দোকানপাট-শপিংমল খোলা থাকবে রাত ৯টা পর্যন্ত যাদের পাশে বসলে দুঃখ কমে, শান্তি বাড়ে বাজেটের প্রস্তাবিত অর্থবিলে স্বাক্ষর করলেন রাষ্ট্রপতি খরচ বাড়লে বিপাকে পড়বে সাধারণ জনগণ পরিবহন খাতের বরাদ্দে বড় কাটছাঁট, কমল ৪ বিভাগেরই বিশ্বকাপের উদ্বোধনী ম্যাচে বাঁশি হাতে থাকছেন ব্রাজিলের উইল্টন সাম্পাইও টেকনাফ সীমান্তে র‌্যাবের অভিযানে ১৫ কোটি টাকার ইয়াবাসহ দুই রোহিঙ্গা আটক নিউ ইয়র্কে বিশেষ সম্মাননা পেলে ও অঁরিকে নোয়াখালীতে মাদকসেবীদের হামলায় যুবক নিহত, গ্রেপ্তার ১ জ্বালানি ও বিদ্যুৎ খাতে ১৭ হাজার ৩৪৫ কোটি টাকা বরাদ্দের প্রস্তাব রাজশাহীতে ভ্রাম্যমাণ গ্রন্থাগারে শেখ হাসিনা ও বঙ্গবন্ধুর বই নিয়ে ছাত্রদলের আপত্তি, অপসারণের নির্দেশ ডিসির ক্যানসার ও কিডনি রোগীদের চিকিৎসার ব্যয় কমছে মুক্তিযোদ্ধাসহ যাদের ভাতা বাড়বে বলাৎকারে ব্যর্থ হয়ে মাদরাসাশিক্ষার্থীকে ছুরিকাঘাত আনচেলত্তির জন্মদিন আর ব্রাজিলের জন্মদিন, কিছুতেই নেই নেইমার আব্দুল মোনেম লিমিটেডের প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যানের মৃত্যুবার্ষিকী পালন স্বাস্থ্য খাতের উন্নয়নে ৬৯ হাজার ৪০৯ কোটি টাকা বরাদ্দের প্রস্তাব পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয় ও ইউজিসির জন্য ১২ হাজার ৩০০ কোটি টাকার বাজেট অনুমোদন বাজেটে সরকারি চাকরিজীবীদের বেতন বাড়ানোর ঘোষণা অর্থমন্ত্রীর শেরপুরে ব্রাজিল সমর্থকদের মিলনমেলা ও আনন্দ র‍্যালি আদ্-দ্বীন হাসপাতালের লাইসেন্স বাতিল জীবনযাত্রার মান উন্নয়নের ৬০ নিত্যপণ্যে করছাড়
Nagad desktop

জাকসু রান ২০২৬: শ্রমের ঘামে ভেজা পথে শিক্ষার্থীদের সংহতি

প্রকাশ: ০২ মে ২০২৬, ০৩:০৯ পিএম
আপডেট: ০২ মে ২০২৬, ০৩:৩৫ পিএম
জাকসু রান ২০২৬: শ্রমের ঘামে ভেজা পথে শিক্ষার্থীদের সংহতি
ছবি: খবরের কাগজ

মহান মে দিবসের সকালে, নরম আলো এবং হালকা বৃষ্টির ছোঁয়ায় সেজে উঠেছিল সবুজে ভরা জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্যাম্পাস। এই রোমাঞ্চকর পরিবেশেই শত শত শিক্ষার্থীর পায়ের ছন্দে সজাগ হয়ে ওঠে পুরো ক্যাম্পাস। প্রত্যেকের টি-শার্টে যৌথভাবে যা লেখা ছিল তা হলো ‘Every Step to Honour Every Worker’। 

এই অঙ্গীকারের মাধ্যমে ‘জাকসু রান ২০২৬’ শুরু হয়, যা শ্রমিকদের প্রতি সম্মান জানানোর প্রতিশ্রুতির চিহ্ন।

জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় শিক্ষার্থী সংসদের (জাকসু) এই বিশেষ আয়োজনটি মে দিবসকে একটি নতুন অর্থে পূর্ণ করে। নতুন করে গড়েছে মে দিবসে সংহতির ইতিহাস। 

জাকসু রান কোনো সাধারণ দৌড় প্রতিযোগিতা ছিল না। এটি ছিল শ্রমজীবী মানুষের প্রতি শিক্ষার্থীদের গভীর সংহতির প্রকাশ। ৫ কিলোমিটার ও ১০ কিলোমিটারের দুটি ক্যাটাগরিতে অংশ নিয়েছিলেন শিক্ষার্থী, শিক্ষক, প্রাক্তন শিক্ষার্থী, বিশ্ববিদ্যালয়ের কর্মচারী থেকে শুরু করে বিভিন্ন বয়স ও পেশার মানুষ। 

ছায়াঘেরা পথ ধরে দৌড়াতে দৌড়াতে অনেকে যেন অনুভব করেছেন- এই পথ কেবল ক্যাম্পাসের রাস্তা নয়, এটি শ্রমের ঘামে ভেজা বাস্তবতার প্রতিচ্ছবি।

ঢাকা থেকে আসা অংশগ্রহণকারী সোলাইমান সাকিল বলছিলেন, ‘ভোরের বৃষ্টিতে আবহাওয়া চ্যালেঞ্জিং ছিল। তবু শ্রমিকদের কথা মনে করে দৌড় শেষ করেছি। মনে হচ্ছিল, আমি শুধু নিজের জন্য নয়- তাদের জন্য দৌড়াচ্ছি।’

বৈচিত্র্যের মিলনমেলা
জাকসু রানে অংশ নিয়েছিলেন সহস্রাধিক মানুষ। এখানে একই সারিতে দৌড়েছেন শ্রমিক, শিক্ষক, শিক্ষার্থী, নারী-পুরুষ, তরুণ-প্রবীণ। সবুজে ঘেরা ক্যাম্পাস সেদিন হয়ে উঠেছিল বৈচিত্র্য ও সংহতির জীবন্ত প্রতিচ্ছবি।

আয়োজকরা শ্রমিকদের জন্য কোনো নিবন্ধন ফি রাখেননি। শিক্ষার্থী ও শিক্ষকদের জন্য নির্ধারিত ফি ছিল। এই সিদ্ধান্তকে অনেকে শ্রমিকদের প্রতি প্রতীকী সম্মান হিসেবে দেখেছেন। 

অংশগ্রহণকারীদের জন্য ছিল ম্যারাথন কিট, মানসম্মত মেডেল, সার্টিফিকেট এবং প্রয়োজনীয় খাবার-পানীয়। বিজয়ীদের জন্য ছিল বিশেষ পুরস্কার।

আয়োজনের অন্তর্নিহিত বার্তা
জাকসু ক্রীড়া সম্পাদক মাহমুদুল হাসান কিরণের মতে, দীর্ঘ ৩৩ বছর পর পুনরায় অনুষ্ঠিত হওয়া এবারের জাকসু রান ছিল ব্যতিক্রম। জাকসুর ক্রীড়া সম্পাদক স্পষ্টভাবে বললেন, এই আয়োজনের লক্ষ্যই হলো শ্রমিকদের প্রতি সম্মান প্রদর্শন।

তিনি বলেন, ‘শ্রমিকরা আমাদের চারপাশে অবদান রাখেন, কিন্তু তাদের অধিকার প্রায়ই অবহেলিত থাকে। চারপাশে অবস্থানরত কর্মচারীরা শিক্ষকদের মতো প্রত্যক্ষভাবে না হলেও পরোক্ষভাবে শিক্ষার্থীদের জন্য অবদান রাখেন। ক্যাম্পাসের কর্মচারীর মৃত্যুর ঘটনাও আমাদের প্রচণ্ড ভাবে নাড়া দিয়েছে। এই রান তাদের সম্মান জানানোর একটি ছোট প্রয়াস।’

জাকসুর ভিপি আবদুর রশিদ জিতু আরও স্পষ্ট করে বলেন, ‘মে দিবস শুধু একটি দিন নয়, এটি একটি ঐতিহাসিক সংগ্রামের স্মারক। শ্রমিকরা দীর্ঘদিন ধরে অধিকার থেকে বঞ্চিত। আমরা চাই, নির্বাচিত সরকার তাদের ন্যায্য অধিকার নিশ্চিত করবে, যাতে তাদের রাস্তায় নামতে না হয়।’

বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রো-ভিসি (প্রশাসন) অধ্যাপক ড. সোহেল আহমেদ এই উদ্যোগকে সময়োপযোগী বলে অভিহিত করেন। 

তিনি বলেন, ‘জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় সবসময় প্রগতিশীল চিন্তার জায়গা। শিক্ষার্থীদের এমন উদ্যোগ ক্যাম্পাসে সামাজিক সচেতনতা বাড়ায় এবং ইতিবাচক বার্তা ছড়িয়ে দেয়।’

অংশগ্রহণকারীদের অনুভূতি
তৃতীয় বর্ষের শিক্ষার্থী মোসাব্বির হোসাইন বলেন, ‘জাহাঙ্গীরনগর বরাবরই প্রগতিশীল চিন্তার কেন্দ্র। জাকসুর এমন উদ্যোগ আমাদের মধ্যে সামাজিক দায়বদ্ধতা বাড়ায়।’

দ্বিতীয় বর্ষের শিক্ষার্থী স্নিগ্ধা পারভীন বলেন, ‘শ্রমিকদের অবদান সবসময়ই অদৃশ্য থাকে। এই রান সেই অদৃশ্য অবদানকে দৃশ্যমান করার একটি প্রচেষ্টা হতে পারে। শ্রমিকরা আমাদের চারপাশে প্রতিনিয়ত কাজ করে যাচ্ছেন। তাদের সম্মান জানানো আমাদের দায়িত্ব।’

মওলানা ভাসানী হলের এক কর্মচারী আবেগঘন কণ্ঠে বলেন, ‘আমাদের জন্য এমন আয়োজন কেউ করে না। আজ মনে হচ্ছে, আমাদের কথা কেউ ভাবছে।’

এস্টেট শাখার আরেক কর্মচারী মোহাম্মদ সেলিম জানান, ‘এ ধরনের আয়োজন শিক্ষার্থীদের সঙ্গে কর্মচারীদের সম্পর্ক আরও দৃঢ় করে। পারস্পরিক দায়বদ্ধতা বাড়ে।’

সংহতির সেতুবন্ধন
এবারের আয়োজনে বিশেষ মাত্রা যোগ করেছে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহণ। তারা সাইকেলে করে এসে সংহতি জানিয়েছেন, যা দুই বিশ্ববিদ্যালয়ের মধ্যে ভ্রাতৃত্বের বন্ধনকে আরও গভীর করেছে।

ঢাকা থেকে আসা অংশগ্রহণকারী মোহাম্মদ বিল্লাল হোসেনের কথায় উঠে এসেছে পুরো আয়োজনের সারকথা- ‘শ্রমিক না থাকলে আমরাও নেই। আজকের প্রতিটি পদক্ষেপ তাদের জন্য।’

একটি দিনের চেয়ে বেশি কিছু
‘জাকসু রান ২০২৬’ শেষ হয়েছে, কিন্তু এর প্রভাব রয়ে গেছে অংশগ্রহণকারীদের মনে। এটি মনে করিয়ে দেয়- শ্রমের মর্যাদা, ন্যায্য অধিকার ও সামাজিক সংহতি কোনো সাময়িক বিষয় নয়, বরং একটি চলমান প্রক্রিয়া।

মে দিবসের এই আয়োজন নতুন করে প্রশ্ন তুলেছে- আমরা কি সত্যিই শ্রমিকদের প্রাপ্য সম্মান দিতে পারছি? সেই প্রশ্নের উত্তর খুঁজতে হয়তো ভবিষ্যতে আরও অনেক এমন উদ্যোগ দেখতে পাব আমরা। জাকসু রান ২০২৬ শুধু একটি দিনের ঘটনা নয়- এটি একটি ঐতিহাসিক সূচনা।

অমিয়/

প্রেসিডেন্সি ইউনিভার্সিটিতে দুইদিন ব্যাপী ফল উৎসব

প্রকাশ: ১১ জুন ২০২৬, ০৭:৩৪ পিএম
প্রেসিডেন্সি ইউনিভার্সিটিতে দুইদিন ব্যাপী ফল উৎসব
গুলশানে প্রেসিডেন্সি ইউনিভার্সিটির নিজস্ব ক্যাম্পাসে মৌসুমি ফল উৎসব। ছবি: খবরের কাগজ

দেশীয় ফলের ঐতিহ্য ও পুষ্টিগুণ সম্পর্কে শিক্ষার্থীদের সচেতনতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে প্রতি বছরের ধারাবাহিকতায় প্রেসিডেন্সি ইউনিভার্সিটিতে শুরু হয়েছে দুইদিনব্যাপী ‘মৌসুমি ফল উৎসব’।

বৃহস্পতিবার (১১ জুন) বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে সকাল ১১টায় উৎসবের শুভ উদ্বোধন করেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য প্রফেসর ড. মো. আব্দুল মান্নান চৌধুরী। উদ্ধোধনী অনুষ্ঠানে তিনি দেশীয় ফলের পুষ্টিগুণ, স্বাস্থ্যগত উপকারিতা এবং সাংস্কৃতিক গুরুত্ব তুলে ধরেন।

তিনি বলেন, শিক্ষার্থীদের আগ্রহে এ ফল উৎসবের আয়োজন হয়ে থাকে। এছাড়া প্রতিবারই আমাদের নবান্ন উৎসব, বৈশাখের আয়োজন করে থাকি। সব সময়ের মতো এবারও শিক্ষার্থীরা অনেক আগ্রহের সঙ্গে উপভোগ করছে।

অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রিন্সিপাল অ্যাডভাইজার অধ্যাপক ড. আনোয়ারুল কবির। এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন রেজিস্ট্রার মো. সাকির হোসাইন, ইঞ্জিনিয়ারিং স্কুলের ডিন অধ্যাপক ড. শহিদুল ইসলাম খান নাঈম, স্কুল অব বিজনেসের ডিন প্রফেসর আবুল কালাম, স্কুল অব ল’র ডিন অধ্যাপক মোহাম্মদ আজহারুল ইসলাম, স্টুডেন্ট অ্যাফেয়ার্স অ্যান্ড অ্যাডমিনের পরিচালক আফরোজা হেলেন, পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক মো. জাহেদুর রহমান, প্রক্টর মো. আনিছুর রহমান, স্ট্র্যাটেজিক অপারেশন্স অ্যান্ড স্টুডেন্ট অ্যাফেয়ার্স বিভাগের ডেপুটি ডিরেক্টর ও হেড মুশফিকুর রহমান ধ্রুব, এবং পাবলিক রিলেশন্স বিভাগের ডেপুটি ডিরেক্টর ও হেড জাহিদ হাসানসহ বিভিন্ন বিভাগের চেয়ারম্যান ও বিভাগীয় প্রধানরা উপস্থিত ছিলেন।

অধ্যাপক ড. আনোয়ারুল কবির বলেন, শিক্ষার্থী ও বিশ্ববিদ্যালয়ের সকল উপস্থিতিদের মধ্যে দেশীয় ফলের প্রতি আগ্রহ ও সচেতনতা বৃদ্ধিতে এ ধরনের উদ্যোগকে আমি স্বাগত জানাই। একই সঙ্গে ভবিষ্যতেও এ ধরনের আয়োজনের ধারাবাহিকতা বজায় রেখে নতুন প্রজন্মকে দেশের ঐতিহ্য ও সংস্কৃতির সঙ্গে যুক্ত থাকুক এই প্রত্যাশা রাখছি।  

শিক্ষার্থীদের প্রাণবন্ত অংশগ্রহণে উৎসবমুখর হয়ে ওঠে পুরো ক্যাম্পাস। আম, জাম, লিচু, কাউ, কাঁঠাল, লটকনসহ বিভিন্ন দেশীয় রসালো ফলের সমারোহ ও সুবাসে মুখরিত ছিল পুরো ক্যাম্পাস। ক্যাম্পাসের ছাদে শিক্ষার্থীদের নিয়ে কুইজ প্রতিযোগিতার আয়োজন করা হয়।  

সাগুফতা/এসএন

পদত্যাগ করলেন রাবি ছাত্র উপদেষ্টা অধ্যাপক আমীরুল ইসলাম

প্রকাশ: ১১ জুন ২০২৬, ০৩:৩৪ পিএম
পদত্যাগ করলেন রাবি ছাত্র উপদেষ্টা অধ্যাপক আমীরুল ইসলাম
রাবি অধ্যাপক আমীরুল ইসলাম কনক। ছবি: সংগৃহীত

একাডেমিক কাজের ব্যস্ততার কারণ দেখিয়ে পদত্যাগ করেছেন রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের (রাবি) ছাত্র উপদেষ্টা অধ্যাপক আমীরুল ইসলাম কনক।

বৃহস্পতিবার (১১ জুন) দুপুরে রেজিস্ট্রার দপ্তর বরাবর পদত্যাগপত্র পাঠান তিনি।

বিষয়টি নিশ্চিত করে তিনি বলেন, সম্প্রতি আমার একাডেমিক কাজ এবং গবেষণার কাজের ব্যস্ততা বেড়ে গিয়েছে। ছাত্র উপদেষ্টার মতো পদে থেকে যদি শিক্ষার্থীদেকেই সময় দিতে না পারি তাহলে এই পদে থাকার মানে হয় না।

তিনি আরও বলেন, গতকাল (বুধবার) এক শিক্ষার্থী আত্মহত্যা করেছে কিন্তু আমি কিছুই করতে পারিনি। সেই শিক্ষার্থী আমার সঙ্গে একবার কথাও বলেনি। সব মিলিয়ে আমার মনে হয় না এই পদে আমি আর থাকতে পারি।

পদত্যাগপত্রে তিনি বলেছেন, একাডেমিক এবং গবেষণামূল কাজের ব্যস্ততার কারণে বর্তমানে আমার পক্ষে ছাত্র উপদেষ্টার দায়িত্ব পালন করা সম্ভবপর নয়।

বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার অধ্যাপক ইফতিখারুল ইসলাম মাসউদ বলেন, পদত্যাগপত্র আমি পেয়েছি। বিষয়টা উপাচার্য স্যারকে  মৌখিকভাবে জানিয়েছি। তিনি এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেবেন।

উল্লেখ্য, তিনি ২০২৪ সালের ৬ সেপ্টেম্বর অভ্যুত্থান পরবর্তী রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের ছাত্র উপদেষ্টা হিসেবে নিয়োগ পান।

শাকিবুল হাসান/নাঈম

মাভাবিপ্রবিতে বিশ্বকাপ ম্যাচ দেখা হবে এলইডি স্কিনে

প্রকাশ: ১১ জুন ২০২৬, ০২:১৩ পিএম
আপডেট: ১১ জুন ২০২৬, ০৩:০৯ পিএম
মাভাবিপ্রবিতে বিশ্বকাপ ম্যাচ দেখা হবে এলইডি স্কিনে
ছবি: খবরের কাগজ

‎আসন্ন ফুটবল বিশ্বকাপ খেলা বড় পর্দায় দেখানোর ব্যবস্থা করেছে মাওলানা ভাসানী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (মাভাবিপ্রবি) প্রশাসন। এ উপলক্ষে বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে ৮ ফুট উচ্চতা ও ১০ ফুট দৈর্ঘ্যের একটি এলইডি স্ক্রিন স্থাপন করা হচ্ছে।

‎বিশ্ববিদ্যালয় সূত্রে জানা গেছে, তৃতীয় একাডেমিক ভবনের সামনে স্থাপিত এই স্ক্রিনে বিশ্বকাপের প্রতিটি ম্যাচ সরাসরি প্রদর্শন করা হবে। শিক্ষার্থীরা যাতে একসঙ্গে খেলা উপভোগ করতে পারেন এবং ক্যাম্পাসে উৎসবমুখর পরিবেশ সৃষ্টি হয়, সে লক্ষ্যেই এ উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

‎বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. এবিএম শহীদুল ইসলামের উদ্যোগে এ ব্যবস্থা নেওয়া হয়।

সংশ্লিষ্টরা জানান, খেলাধুলাবান্ধব পরিবেশ গড়ে তুলতে তিনি কাজ করে যাচ্ছেন। ফুটবলের পাশাপাশি অন্যান্য খেলাধুলা, বিশেষ করে নারী শিক্ষার্থীদের ক্রীড়া কার্যক্রমে অংশগ্রহণ বাড়াতেও তিনি গুরুত্ব দিচ্ছেন।

‎এর আগে,  শিক্ষার্থীদের সম্মিলিতভাবে খেলা দেখার ব্যবস্থা করার দাবিতে মাভাবিপ্রবি ছাত্রদল উপাচার্যের কাছে একটি স্মারকলিপি দেয়। গত ৯ জুন এ স্মারকলিপিতে বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে বড় পর্দার মাধ্যমে বিশ্বকাপের খেলা উপভোগের দাবি জানানো হয়। পরে বিষয়টি বিবেচনায় নিয়ে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন প্রয়োজনীয় উদ্যোগ নেয়।

‎বিশ্ববিদ্যালয়ের কয়েকজন শিক্ষার্থী বলেন, ক্যাম্পাসে বড় পর্দায় বিশ্বকাপের খেলা দেখার সুযোগ তাদের দীর্ঘদিনের প্রত্যাশা ছিল। প্রশাসনের এ উদ্যোগে তারা আনন্দিত। তাদের মতে, একসঙ্গে খেলা দেখার আয়োজন শিক্ষার্থীদের মধ্যে সম্প্রীতি, সৌহার্দ্য ও পারস্পরিক বন্ধন আরও দৃঢ় করবে। 

‎এ উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়ে অনেক শিক্ষার্থী উপাচার্যকে ধন্যবাদ জানিয়েছেন। তারা বলেন, শিক্ষার্থীদের চাহিদাকে গুরুত্ব দিয়ে দ্রুত সিদ্ধান্ত নেওয়ায় বিশ্বকাপ ঘিরে ক্যাম্পাসে নতুন উদ্দীপনা তৈরি হয়েছে। ইতোমধ্যে এ আয়োজনকে কেন্দ্র করে শিক্ষার্থীদের মধ্যে ব্যাপক উৎসাহ-উদ্দীপনা লক্ষ্য করা যাচ্ছে।

‎বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন জানিয়েছে, বিশ্বকাপ উপলক্ষে অংশগ্রহণকারী বিভিন্ন দেশের দল ও তারকা খেলোয়াড়দের ছবি নিয়ে থিমভিত্তিক ডিসপ্লেরও ব্যবস্থা করা হবে। সেখানে শিক্ষার্থী ও দর্শনার্থীরা স্মৃতিচারণমূলক ছবি তোলার সুযোগ পাবেন।

জুয়েল রানা/খাদিজা রুমি/

জাকসু ভিপি ও জিএসের ছাত্রত্ব শেষ: পদে বহাল থাকা নিয়ে নতুন সংকট

প্রকাশ: ১০ জুন ২০২৬, ০৭:৩০ পিএম
আপডেট: ১০ জুন ২০২৬, ০৭:৪৯ পিএম
জাকসু ভিপি ও জিএসের ছাত্রত্ব শেষ: পদে বহাল থাকা নিয়ে নতুন সংকট
খবরের কাগজ গ্রাফিকস

জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় শিক্ষার্থী সংসদ (জাকসু)-এর সহসভাপতি (ভিপি) আব্দুর রশিদ জিতু ও সাধারণ সম্পাদক (জিএস) মাজহারুল ইসলামের নিয়মিত শিক্ষাজীবন শেষ হওয়ার পর তাদের পদের বৈধতা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। বিশ্ববিদ্যালয়ের পরীক্ষা অধ্যাদেশ অনুসারে তাদের নিয়মিত একাডেমিক কার্যক্রম সম্পন্ন হয়েছে এবং নিয়মিত শিক্ষার্থী হিসেবে অবস্থান আর বহাল নেই। তবে তারা এখনও জাকসুর দায়িত্ব পালন করে যাচ্ছেন। এ নিয়ে বিশ্ববিদ্যালয়জুড়ে আলোচনা চলছে।

বিশ্ববিদ্যালয়ের মাস্টার্স ডিগ্রি অর্ডিন্যান্সের ৬.১ ধারায় স্পষ্ট বলা হয়েছে, মাস্টার্স পরীক্ষায় অংশগ্রহণে ব্যর্থ হলে বা উত্তীর্ণ না হলে কোনো শিক্ষার্থী নিয়মিত শিক্ষার্থী হিসেবে গণ্য হবেন না। বিভাগীয় সভাপতির অনুমোদন সাপেক্ষে সর্বোচ্চ দুই বছরের মধ্যে একবার অনিয়মিত পরীক্ষার্থী হিসেবে পরীক্ষা দেওয়ার সুযোগ থাকলেও নিয়মিত ছাত্রত্ব থাকে না।

বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষা শাখার ডেপুটি রেজিস্ট্রার সৈয়দ মোহাম্মদ আলী রেজা জানান, নিয়মিত মাস্টার্স পরীক্ষা শেষ হওয়ার সাত দিনের মধ্যে শিক্ষার্থীদের আবাসিক হল ছাড়তে হয়। এরপর তারা আর নিয়মিত শিক্ষার্থী হিসেবে বিবেচিত হন না। প্রাধ্যক্ষ কমিটির সভাপতি ও বীরপ্রতীক তারামন বিবি হলের প্রাধ্যক্ষ অধ্যাপক আবেদা সুলতানাও একই কথা বলেন।

সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, ভিপি আব্দুর রশিদ জিতু তুলনামূলক সাহিত্য ও সংস্কৃতি ইনস্টিটিউটের ৪৭তম ব্যাচের শিক্ষার্থী। তিনি নিয়মিত মাস্টার্স ২০২২-এ একটি বিষয়ে অকৃতকার্য হন। জাকসুর গঠনতন্ত্র অনুসারে নিয়মিত মাস্টার্সে অকৃতকার্য শিক্ষার্থী পরবর্তী শিক্ষাবর্ষের পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হওয়ার আগ পর্যন্ত বৈধ ভোটার হিসেবে বিবেচিত হন। কিন্তু নিয়মিত মাস্টার্স ২০২৩ (৪৮তম ব্যাচে) এর মাস্টার্স পরীক্ষা ইতোমধ্যে শেষ হয়েছে। সে হিসাবে চলতি বছরের ফেব্রুয়ারিতে ছাত্রত্বের বৈধতা হারিয়েছে জাকসু ভিপি জিতুর।

ইনস্টিটিউটের পরিচালক অধ্যাপক শামীমা সুলতানা বলেন, “ইনস্টিটিউটের নিয়মিত মাস্টার্স ২০২৩ (৪৮তম ব্যাচ) পরীক্ষা শেষ হয়েছে। জিতু নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে একটি কোর্সের পরীক্ষায় অংশ নেননি। তাকে বিধি অনুসারে বিশেষ পরীক্ষা দিতে হবে।”

অন্যদিকে জিএস মাজহারুল ইসলাম ইংরেজি বিভাগের ৪৮তম ব্যাচের থিসিস গ্রুপের শিক্ষার্থী। তবে তিনি একবছর ড্রপ দেওয়ায় গত মাসে অর্থাৎ মে মাসে বিশ্ববিদ্যালয়ের নিজ বিভাগের ৪৯তম ব্যাচের সঙ্গে থিসিস জমা দিয়ে ছাত্রত্ব শেষ করেন জাকসু জিএস মাজহার। বিভাগীয় সভাপতি অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ রায়হান শরীফ বলেন, জাকসুর জিএস মাজহার তার একাডেমিক কার্যক্রম শেষ করেছে। এখন ফলাফল প্রকাশ করা বাকি রয়েছে।

জিএস মাজহারুল ইসলাম বলেন, “জাকসুর সদস্য হওয়ার নীতিমালা সুস্পষ্ট থাকলেও নিয়মিত শিক্ষাজীবন শেষে পদ ছাড়ার বিষয়ে সুস্পষ্ট কোনো নীতিমালা নেই। তবে আমি নিয়মের প্রতি শ্রদ্ধাশীল। আগামী কার্যনির্বাহী সভায় নিয়মিত শিক্ষাজীবন শেষ হওয়ার পর পদত্যাগের বিষয়ে সুস্পষ্ট নীতিমালা তৈরির প্রস্তাব আনা হবে।”

ভিপি আব্দুর রশিদ জিতু বলেন, “জাকসুর কারা প্রার্থী হতে পারবে তা উল্লেখ থাকলেও কারো ছাত্রত্ব শেষ হয়ে গেলে তখন কী হবে সে বিষয়ে সুস্পষ্ট নীতিমালা নেই। যেহেতু গঠনতন্ত্রে সুনির্দিষ্ট উল্লেখ নেই, তাই পদে থাকা না থাকা নিয়ে কোনো সমস্যা নেই।”

নিয়মিত মাস্টার্স ২০২৩ এ জিতু পরীক্ষায় অংশ নেননি জানিয়ে বলেন, তিনি নিয়মিত শিক্ষার্থী না হলেও অনিয়মিত হিসেবে এখনো শিক্ষাজীবন আছে।

এ বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য ও জাকসুর সভাপতি অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ কামরুল আহসান বলেন, “আমি সংশ্লিষ্ট দপ্তরগুলোর সঙ্গে আলোচনা করে এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত গ্রহণ করব।”

উল্লেখ্য যে, জাকসুর গঠনতন্ত্র অনুযায়ী কোনো কারণে জাকসুর ভিপি ও জিএস এর পদ শূন্য হলে জ্যেষ্ঠ কার্যনির্বাহী সদস্য ও জ্যৈষ্ঠ সহসাধারণ সম্পাদক যথাক্রমে ভারপ্রাপ্ত ভিপি ও ভারপ্রাপ্ত জিএস হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন  

আমানউল্লাহ খান/এসএন

 

প্রেমিকার সঙ্গে কথা বলতে বলতেই রাবি শিক্ষার্থীর গলায় ফাঁস

প্রকাশ: ১০ জুন ২০২৬, ০৬:১৫ পিএম
প্রেমিকার সঙ্গে কথা বলতে বলতেই রাবি শিক্ষার্থীর গলায় ফাঁস
নিহত শিক্ষার্থী মাহফুজুর রহমান। ছবি: সংগৃহীত

রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের (রাবি) এক শিক্ষার্থীর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে।

বুধবার (১০ জুন) দুপুর আড়াইটার দিকে নগরীর আমজাদের মোড় এলাকার ‘আয়েশা টাওয়ার’ নামের একটি ছাত্রাবাস থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়।

​নিহত শিক্ষার্থীর নাম মাহফুজুর রহমান। তিনি বিশ্ববিদ্যালয়ের ম্যাটেরিয়াল সায়েন্স অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের ২০২২-২৩ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী। তার বাড়ি ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলায়। মেসের অন্যান্য শিক্ষার্থীদের ভাষ্যমতে প্রেমিকার সঙ্গে কথা বলা অবস্থায়ই গলায় ফাঁস নেয় সে।

​মাহফুজের সহপাঠী সূত্রে জানা গেছে, মাহফুজুরের সঙ্গে কিছুদিন ধরে তার এক বান্ধবীর সম্পর্কের টানাপোড়েন চলছিল। আজ দুপুরে আনুমানিক দুইটার দিকে তাদের মধ্যে ভিডিও কলে কথা হচ্ছিল। কথা বলার একপর্যায়ে ওই বান্ধবী মেস ম্যানেজারের মুঠোফোনে কল দিয়ে মাহফুজের কক্ষে দ্রুত যেতে বলেন। মেস ম্যানেজার ও সেখানে থাকা অন্য শিক্ষার্থীরা গিয়ে কক্ষটি ভেতর থেকে বন্ধ দেখতে পান। এরপর একাধিকবার ধাক্কা দেওয়ার পর কক্ষের দরজা খুলে গেলে মাহফুজকে সিলিং ফ্যানের সঙ্গে ঝুলন্ত অবস্থায় পাওয়া যায়।

মাহফুজুরের সহপাঠী মোবাল্লেক জানান,  মাহফুজুরের প্রায় ৪-৫ বছর ওই মেয়ের সাথে সম্পর্ক ছিল। মাঝে কিছুদিন সম্পর্কের অবনতি ঘটে কিন্তু সেটার সমাধান হয়েছিল। ঈদের বন্ধে সবাই বাড়িতে চলে যাওয়ায় আর মাঝে যোগাযোগ হয়নি।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর অধ্যাপক মাহবুবুর রহমান বলেন, ঘটনাটি জানার পরপরই আমি ঘটনাস্থলে উপস্থিত হই। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে সে আত্মহত্যা করেছে। তবে তার দেহে কোনো আঘাতের চিহ্ন বা কোনো সুইসাইড নোট পাওয়া যায়নি। বিস্তারিত জানার চেষ্টা চলছে।

এ বিষয়ে ম্যাটেরিয়াল সায়েন্স অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের সভাপতি বলেন, মাহফুজুরের পরিবারকে বিষয়টি জানানো হয়েছে। তার পরিবারের সদস্যরা রাজশাহীর উদ্দেশ্যে রওনা দিয়েছেন। মরদেহটি বিশ্ববিদ্যালয়ের চিকিৎসাকেন্দ্রের ফ্রিজিং ভ্যানে রাখার ব্যবস্থা করা হয়েছে। আমরা চাচ্ছি ময়নাতদন্ত ছাড়াই যেন মরদেহটি পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়।

মতিহার থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মাদ গোলাম কবীর বলেন, আমরা মরদেহের সুরতহাল পরীক্ষা করেছি। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে তিনি আত্মহত্যা করেছেন। তবে তদন্তের পর মৃত্যুর প্রকৃত কারণ নিশ্চিত হওয়া যাবে।

​তিনি আরও বলেন, সার্বিক পরিস্থিতি বিবেচনা করে এবং নিহতের পরিবার, সংশ্লিষ্ট বিভাগ ও শিক্ষার্থীরা না চাইলে ময়নাতদন্ত ছাড়াই মরদেহ হস্তান্তরের বিষয়টি বিবেচনা করা হবে।

শাকিবুল হাসান/এসএন