ঢাকা ১ আষাঢ় ১৪৩৩, সোমবার, ১৫ জুন ২০২৬

সর্বশেষ
কাজের আশায় রাশিয়ায়, প্রাণ গেল ড্রোন হামলায় কিয়েভের ঐতিহাসিক ক্যাথেড্রালে রাশিয়ার হামলায় নিহত ১১ বাংলাদেশের প্রাকৃতিক দুর্যোগ বিষয়ক প্রবন্ধ রচনা, ২য় পর্ব, এইচএসসির বাংলা ২য় পত্র বিমানের ঢাকা-নারিতা রুট পুনরায় চালু ২৭ জুলাই দেশের অর্থনীতির প্রাণকেন্দ্র গাজীপুর: সেমিনারে বক্তারা জুলাই হত্যা মামলায় আবুল বারকাতের জামিন নামঞ্জুর প্রোগ্রামিং ভাষা অধ্যায়ের ১৪টি বহুনির্বাচনি প্রশ্ন ও উত্তর, ৭ম পর্ব, এইচএসসির তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি ইথিওপিয়ায় বাস খাদে পড়ে ২৮ জন নিহত মাগুরায় আম পাড়তে গিয়ে বিদ্যুৎস্পৃষ্টে নারীর মৃত্যু আইফোনের ক্যামেরার নিয়ন্ত্রণ এয়ারপডসে হাংচৌতে চায়না এআই উদ্যোক্তা সম্মেলন শুরু রংপুরের বাজারে আসছে হাড়িভাঙ্গা আম ইসাক-গাইকোরেস রসায়নে মুগ্ধ কোচ পটার মাগুরার জেলা প্রশাসককে এয়ার অ্যাম্বুলেন্সে ঢাকায় স্থানান্তর দিল্লির ঘটনায় ভারতের ভারপ্রাপ্ত হাইকমিশনার পাওয়ান বঢ়েকে তলব চীনে বছরে ১ কোটি ৫০ লাখের বেশি মানুষের রক্তদান বাজেট কি শিশুবান্ধব ও শিশুর খাতে দৃশ্যমান? পেকুয়ায় বাস-সিএনজির মুখোমুখি সংঘর্ষে নিহত ২, আহত ৪ হল ছাড়লেন জাকসুর জিএস, সময় চাইলেন ভিপি হোটেল হলিডে ইনে ম্যাচডে ফিস্ট বাগেরহাটে জিয়াউর রহমানের শাহাদতবার্ষিকী উপলক্ষে দোয়া ও বৃক্ষরোপণ জন-আকাঙ্ক্ষার বাজেটে বিদ্যুৎ ও জ্বালানি বড় চ্যালেঞ্জ বাংলাদেশে এসে ২০ বছরের তরুণীকে বিয়ে করলেন পঞ্চাশোর্ধ্ব আমিরাতের নাগরিক তুমিও হারিয়ে যাও আমাজনের জঙ্গলে সিরাজউদ্দৌলা নাটকের ৫টি অনুধাবনমূলক প্রশ্ন ও উত্তর, ৫ম পর্ব, এইচএসসির বাংলা ১ম পত্র আমরা সব ইরানির জন্য খেলি: তারেমি কালীগঞ্জে আ.লীগ নেতাকে গ্রেপ্তার ঘিরে মুখোমুখি বিএনপির দুই গ্রুপ ক্যারিয়ার গড়ুন সীমান্ত ব্যাংকে ত্রিশালে সরকারি বইসহ পিকআপ জব্দ, পলাতক মাদরাসা সুপার অবশেষে মায়ামিতে উরুগুয়ে দল
Nagad desktop

সুপার স্টার গ্রুপের 'ক্যান্সার ট্রিটমেন্ট সাপোর্ট পলিসি'

প্রকাশ: ০১ জানুয়ারি ২০২৫, ০৬:৫০ পিএম
আপডেট: ০১ জানুয়ারি ২০২৫, ০৬:৫১ পিএম
সুপার স্টার গ্রুপের 'ক্যান্সার ট্রিটমেন্ট সাপোর্ট পলিসি'
ছবি: বিজ্ঞপ্তি

সুপার স্টার গ্রুপ (এসএসজি) এর কর্মীদের জন্য 'ক্যান্সার ট্রিটমেন্ট সাপোর্ট পলিসি' চালু করতে যাচ্ছে। যা করপোরেট পরিমন্ডলে একটি অসাধারন ও অনন্য উদ্যোগ। 

কোম্পানির সি এস আর কার্যক্রম আব্দুর রহিম মেমোরিয়াল ট্রাস্টের একটি প্রকল্প এই ভিন্নধর্মী পদক্ষেপটি পরিচালিত হবে মোহাম্মদ ইব্রাহিম ক্যান্সার কেয়ার ফাউন্ডেশনের অধীনে। এই উদ্যোগ কর্মীদের স্বাস্থ্য সুরক্ষা এবং সহমর্মী কর্মপরিবেশ সৃষ্টির প্রতি কোম্পানির দায়বদ্ধতার প্রতিফলন। এর মাধ্যমে সুপারস্টার গ্রূপ ক্যান্সার আক্রান্ত কর্মীদের পাশে সার্বিক সহায়তা নিয়ে দাঁড়াবে এবং নিশ্চিত করবে আক্রান্ত ব্যক্তির জন্য যথোপযুক্ত কর্ম পরিবেশ।

এক নজরে এর বৈশিষ্ট্য :

১. আর্থিক সহায়তা:

দেশে কিংবা বিদেশে চিকিৎসার জন্য কাভারেজ এবং বার্ষিক নির্ধারিত সীমার মধ্যে
আর্থিক সহায়তা।

২. অন্যান্য সুবিধা :

.চিকিৎসার সময়কালে বেতনসহ ছুটি, হোম অফিস এবং যথোপযুক্ত কর্ম পরিবেশ।

.চিকিৎসা সংক্রান্ত পরামর্শ এবং পরিবারকে প্রয়োজনীয় সহায়তা প্রদান।

উদ্যোগের প্রেরণা:

এই উদ্যোগ সুপার স্টার গ্রুপের প্রতিষ্ঠাতা জনাব মোহাম্মদ ইব্রাহিমের স্মৃতির প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদনের
লক্ষে নেয়া। আমৃত্যু যার সজাগ দৃষ্টি ছিল কর্মীদের কল্যাণ ও স্বাস্থ্য সুরক্ষা দিকে।

উল্লেখযোগ্য অতিথিবৃন্দ:

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে সুপার স্টার গ্রুপের নিম্নোক্ত গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিরা উপস্থিত ছিলেন:

 মো. জালাল উদ্দিন, চেয়ারম্যান

 মো. হারুন অর রশিদ, ম্যানেজিং ডিরেক্টর

 মো. তোফায়েল আহমেদ, এডিশনাল ম্যানেজিং ডিরেক্টর

 শেখ সাদী আবদুল মজিদ, ডেপুটি ম্যানেজিং ডিরেক্টর

 মোহাম্মদ আমিনুল ইসলাম , সি এফ ও

 খন্দোকার গোলাম আজম, ডিরেক্টর, হিউম্যান রিসোর্স

এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন অন্যান্য উর্দ্ধতন কর্মকর্তা বৃন্দ।

অনুষ্ঠানে ম্যানেজিং ডিরেক্টর মো. হারুন অর রশিদ এসএসজির সামগ্রিক সিএসআর কার্যক্রম সম্পর্কে বিস্তারিত আলোচনা করেন।

হিউম্যান রিসোর্স ডিরেক্টর খন্দোকার গোলাম আজম মোহাম্মদ ইব্রাহিম ক্যান্সার কেয়ার ফাউন্ডেশন এবং এর উদ্যোগসমূহের উপর বিশদ বিবরণ প্রদান করে বলেন, আমরা এই উদ্বোধনী অনুষ্ঠানের একটা প্রচারণা প্রত্যাশা করছি যা আমাদের অনূপ্রেরণা যোগাবে, পাশাপাশি অন্যান্য করপোরেট প্রতিষ্ঠানকে বিভিন্ন উদ্যোগ নিয়ে কর্মীদের পাশে দাঁড়াতে উৎসাহিত করবে।

অতিরিক্ত তথ্য বা সাক্ষাৎকারের জন্য যোগাযোগ করুন: 01755633936

বিজ্ঞপ্তি/মেহেদী

অ্যামচেমের নতুন সভাপতি সৈয়দ মোহাম্মদ কামাল, সহসভাপতি আলা উদ্দিন

প্রকাশ: ১৫ জুন ২০২৬, ০৩:৩৯ পিএম
অ্যামচেমের নতুন সভাপতি সৈয়দ মোহাম্মদ কামাল, সহসভাপতি আলা উদ্দিন
সৈয়দ মোহাম্মদ কামাল ও আলা উদ্দিন আহমদ

আমেরিকান চেম্বার অব কমার্স ইন বাংলাদেশ (অ্যামচ্যাম) রাজধানীর বনানীতে অবস্থিত শেরাটন ঢাকার গ্র্যান্ড বলরুমে ২০২৬–২০২৮ মেয়াদের নবনির্বাচিত নির্বাহী কমিটির অভিষেক ও দায়িত্ব গ্রহণ অনুষ্ঠানের আয়োজন করেছে। এর মাধ্যমে যুক্তরাষ্ট্র ও বাংলাদেশের ব্যবসায়িক সম্পর্ক এবং এই ক্ষেত্রের নেতৃত্বকে এগিয়ে নেওয়ার ক্ষেত্রে নতুন অধ্যায়ের সূচনা হয়েছে।

নবনির্বাচিত নির্বাহী কমিটির নেতৃত্বে রয়েছেন মাস্টারকার্ড বাংলাদেশের ভাইস প্রেসিডেন্ট সৈয়দ মোহাম্মদ কামাল, যিনি সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করেছেন। সহ-সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব নিয়েছেন মেটলাইফ বাংলাদেশের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা আলা উদ্দিন আহমদ এবং কোষাধ্যক্ষ হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করেছেন ফিলিপ মরিস ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশের ব্যবস্থাপনা পরিচালক রেজা উর রহমান মাহমুদ।

নবনির্বাচিত পদাধিকারীদের বিভিন্ন খাতে দীর্ঘ সময় ধরে নেতৃত্ব দেওয়ার অভিজ্ঞতা রয়েছে। সৈয়দ মোহাম্মদ কামাল আর্থিক সেবা, এফএমসিজি, রেমিট্যান্স ও ডিজিটাল পেমেন্ট খাতে ৩৫ বছরেরও বেশি নেতৃত্বের অভিজ্ঞতা অর্জন করেছেন। তিনি ওয়েস্টার্ন ইউনিয়ন, বার্জার পেইন্টস বাংলাদেশ এবং এসিআই লিমিটেডে গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালন করেছেন।

এছাড়া তিনি পূর্বে অ্যামচ্যাম বাংলাদেশের সহ-সভাপতি এবং ফরেন ইনভেস্টরস চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রি (ফিকি)-এর পরিচালক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। দেশের আর্থিক খাতের অন্যতম একজন শীর্ষস্থানীয় ব্যক্তিত্ব হিসেবে তিনি সুপরিচিত।

আলা উদ্দিন আহমদ এশিয়ার বিভিন্ন দেশে ২৫ বছরেরও বেশি নেতৃত্বের অভিজ্ঞতা অর্জন করেছেন। বৈশ্বিক বিনিয়োগকারীদের অগ্রাধিকারকে বাংলাদেশের অর্থনৈতিক বাস্তবতার সঙ্গে সমন্বয় করে বাণিজ্য ও বিনিয়োগ বৃদ্ধিতে কার্যকর নীতিগত ভূমিকার জন্য তিনি সুপরিচিত। তিনি একজন ফেলো চার্টার্ড অ্যাকাউন্ট্যান্ট এবং সিএএএনজেড-এর সদস্য। অ্যামচ্যাম, ফিকি এবং বাংলাদেশ এমপ্লয়ার্স ফেডারেশন (বিইএফ)-এর নেতৃত্বে তিনি গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালন করেছেন।

রেজা উর রহমান মাহমুদ অর্থনীতি, কৌশল এবং জনসংযোগ বিষয়ে ২২ বছরেরও বেশি অভিজ্ঞতা অর্জন করেছেন। তিনি ডিএইচএল এক্সপ্রেস এবং বাংলালিংকে নেতৃস্থানীয় পর্যায়ে গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালন করেছেন। নীতিগত বিভিন্ন উদ্যোগে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখার পাশাপাশি বাংলাদেশের প্রথম স্মোক-ফ্রি পণ্য উৎপাদন কারখানা প্রতিষ্ঠার পথিকৃৎ হিসেবেও তিনি পরিচিত। তিনি ফেলো চার্টার্ড অ্যাকাউন্ট্যান্ট, চার্টার্ড সেক্রেটারি এবং সিএমএ (অস্ট্রেলিয়া)।

নির্বাহী কমিটির অন্যান্য সদস্যদের মধ্যে রয়েছেন ন্যাটকো বাংলাদেশ লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক আল-মামুন এম. রাশেল, এক্সিলারেট এনার্জি বাংলাদেশের কান্ট্রি ম্যানেজার হাবিব ভূঁইয়া, অ্যাভেরি ডেনিসন বাংলাদেশ ও শ্রীলঙ্কার জেনারেল ম্যানেজার সাজ্জাদ হোসেন এবং শপআপ বাংলাদেশের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা ও সহ-প্রতিষ্ঠাতা আতাউর রহিম চৌধুরী। বিভিন্ন শিল্পখাতের এই নেতৃবৃন্দের সম্মিলিত অভিজ্ঞতা নির্বাহী কমিটির সক্ষমতা ও প্রতিনিধিত্বকে আরও শক্তিশালী করবে।

দায়িত্ব গ্রহণের পর নবনির্বাচিত নির্বাহী কমিটি বাণিজ্য, বিনিয়োগ এবং নীতি প্রবর্তনে সহায়তা জোরদারে অ্যামচ্যামের ভূমিকা আরও শক্তিশালী করার অঙ্গীকার ব্যক্ত করে। তাদের অগ্রাধিকারগুলোর মধ্যে রয়েছে যুক্তরাষ্ট্র–বাংলাদেশ অর্থনৈতিক সম্পর্ক আরও গভীর করা, বাংলাদেশকে একটি আকর্ষণীয় বিনিয়োগ গন্তব্য হিসেবে প্রতিষ্ঠা করা, ইউএস ট্রেড শো পুনরায় চালু করা, সদস্যপদ ও সম্পৃক্ততা বৃদ্ধি, খাতভিত্তিক সাব-কমিটিগুলোকে আরও কার্যকর করা, ভবিষ্যতমুখী নীতিগত সংস্কারকে এগিয়ে নেওয়া এবং সদস্যদের জন্য আরও সহজলভ্য, প্রভাবশালী ও কার্যকর চেম্বার গড়ে তোলা।

বিদায়ী বক্তব্যে অ্যামচ্যামের সাবেক সভাপতি সৈয়দ এরশাদ আহমেদ তার দায়িত্বকালে চেম্বারের প্রাতিষ্ঠানিক অগ্রগতির বিভিন্ন দিক তুলে ধরেন। নবনির্বাচিত নির্বাহী কমিটি তার নেতৃত্ব ও অবদানের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা ও কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করে। পাশাপাশি বিদায়ী নির্বাহী কমিটির সদস্যদেরও তাদের
কার্যক্রম ও অবদানের জন্য সম্মান জানানো হয়।

অনুষ্ঠানে বিদায়ী নির্বাহী কমিটি, নির্বাচন বোর্ড এবং আপিল বোর্ডের সদস্যদের অ্যামচ্যামের সুশাসন, স্বচ্ছতা ও বিশ্বাসযোগ্যতা রক্ষায় তাদের গুরুত্বপূর্ণ অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ স্মারক ক্রেস্ট প্রদান করা হয়।

অনুষ্ঠানে অ্যামচ্যামের সদস্যবৃন্দ, সরকারের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা, যুক্তরাষ্ট্র দূতাবাস ও অন্যান্য কূটনৈতিক মিশনের প্রতিনিধিরা, বিভিন্ন চেম্বার ও করপোরেট প্রতিষ্ঠানের নেতৃবৃন্দ, নীতিমালা-গবেষক, উন্নয়ন সহযোগী এবং গণমাধ্যমকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

বাংলাদেশে নিযুক্ত যুক্তরাষ্ট্রের রাষ্ট্রদূত ব্রেন্ট টি. ক্রিস্টেনসেন অ্যামচ্যামের নতুন নেতৃত্বের প্রতি তার আস্থা ও সমর্থন ব্যক্ত করেন এবং দ্বিপাক্ষিক অর্থনৈতিক সম্পর্ক আরও জোরদারে তাদের সাফল্য কামনা করেন। জনপ্রিয় মার্কিন ও বাংলা গানের পরিবেশনায় এক মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক আয়োজনের মধ্য দিয়ে বিশেষ এই সন্ধ্যার সমাপ্তি ঘটে। এতে দুই দেশের দীর্ঘদিনের বন্ধুত্ব, সাংস্কৃতিক সখ্যতা এবং জনগণের মধ্যে দৃঢ় সম্পর্ক প্রতিফলিত হয়েছে।

আমান/

বাজেট বাস্তবায়নের ত্রিমুখী পথনকশা: অর্থ পাচার রোধ, দুর্নীতি দমন ও জনসচেতনতা

প্রকাশ: ১৫ জুন ২০২৬, ০৯:০৬ এএম
বাজেট বাস্তবায়নের ত্রিমুখী পথনকশা: অর্থ পাচার রোধ, দুর্নীতি দমন ও জনসচেতনতা
ছবি: বিজ্ঞপ্তি

বিশেষ প্রতিবেদক: সংসদে উপস্থাপিত ২০২৬-২৭ অর্থবছরের বাজেটটি খুবই তাৎপর্যপূর্ন। দেশের বর্তমান অর্থনৈতিক ক্রান্তিকালে এটা জনগণের আকাঙ্ক্ষা ও বাস্তবতার এক অনন্য সমন্বয়।

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের দূরদর্শী নেতৃত্বে বিএনপি সরকারের প্রথম এই বাজেটে 'জনপ্রত্যাশার প্রতিফলন' ঘটেছে। বৈশ্বিক ভূরাজনৈতিক সংকট এবং অর্থনৈতিক টানাপোড়েনের এই সময়ে সাধ ও সাধ্যের মধ্যে ভারসাম্য বজায় রাখার এক সাহসী প্রয়াস চালিয়েছেন অর্থমন্ত্রী।

বাজেটে কর্মসংস্থান সৃষ্টি, দেশি-বিদেশি বিনিয়োগ আকর্ষণ, সর্বজনীন সামাজিক সুরক্ষা, সুষম উন্নয়ন এবং উৎপাদনমুখী অর্থনীতি গড়ার যে রূপরেখা দেওয়া হয়েছে, তা অত্যন্ত ইতিবাচক। বিশেষ করে সাধারণ মানুষের জীবনযাত্রার ব্যয় কমাতে এবং নিত্যপণ্যের বাজারে স্বস্তি ফেরাতে ধান, চাল, গম, আলু, পিঁয়াজ, তেল, চিনিসহ ৬০টি মৌলিক পণ্যের উৎসে কর কমিয়ে শূন্য দশমিক ৫ শতাংশ করার প্রস্তাবটি অত্যন্ত সময়োপযোগী।

এছাড়া দরিদ্র শিক্ষার্থীদের স্কুল ইউনিফর্ম, জুতা ও ব্যাগ সরবরাহ এবং প্রতিবন্ধী শিক্ষার্থীদের জন্য অন্তর্ভুক্তিমূলক শিক্ষার পরিকল্পনা বিশেষভাবে প্রশংসনীয়।

তবে সেন্টার ফর পলিসি ডায়ালগ (সিপিডি)-সহ বিভিন্ন অর্থনৈতিক বিশ্লেষক ও বিশেষজ্ঞরা এই বাজেট বাস্তবায়নের চ্যালেঞ্জ নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন। প্রায় ৫ লাখ ৮৮ হাজার কোটি টাকার বাড়তি রাজস্ব আদায়ের লক্ষ্যমাত্রা অর্জন করতে হলে অন্তত ২৫ থেকে ৩০ শতাংশ প্রবৃদ্ধি প্রয়োজন, যা বর্তমান প্রাতিষ্ঠানিক সক্ষমতায় বেশ কঠিন। রাজস্ব ঘাটতি হলে অভ্যন্তরীণ ও বৈদেশিক ঋণের ওপর চাপ বাড়বে, যা সামষ্টিক অর্থনীতিতে নেতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে।

কিন্তু প্রধানমন্ত্রী যেভাবে মাঠপর্যায়ে কঠোর তদারকি করছেন, তা বজায় থাকলে এই চ্যালেঞ্জ জয় করা অসম্ভব নয়। মূলত তিনটি বিশেষ ক্ষেত্রে সরকারকে জিরো টলারেন্স নীতি নিয়ে কাজ করতে হবে। যেমন:

১. কর আদায়ে জনসচেতনতা ও মানসিকতার পরিবর্তন:
আমাদের দেশে কর দেওয়ার ক্ষেত্রে সক্ষমতার চেয়ে মানসিকতার অভাব বড় বাধা। কর নেটওয়ার্ক বাড়াতে জনগণকে বোঝাতে হবে যে এই দেশ তাদের এবং তাদের করের টাকাই দেশের উন্নয়নে ব্যবহৃত হবে। এই সচেতনতা তৈরিতে সংসদ সদস্যরা নিজ নিজ এলাকায় ভূমিকা রাখতে পারেন। প্রধানমন্ত্রী নিজে যদি এই জনসচেতনতা অভিযানের নেতৃত্ব দেন, তবে জনগণের আস্থা আরও দৃঢ় হবে।

২. দুর্নীতি ও অপচয় রোধ:
গবেষণা বলে, বাজেটের প্রায় ৩০ শতাংশ অর্থ দুর্নীতি ও অপচয়ের কারণে নষ্ট হয়। বর্তমান সংকটকালে এই অপচয়ের ছিদ্রগুলো বন্ধ করা জরুরি। প্রধানমন্ত্রী ইতিপূর্বেই নিজের কার্যালয়ের ব্যয় সংকোচন এবং অপ্রয়োজনীয় বিদেশ ভ্রমণ বন্ধ করে দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন। দুর্নীতির বিরুদ্ধে এই যুদ্ধ মাঠপর্যায় পর্যন্ত ছড়িয়ে দিতে পারলে করদাতারাও আশ্বস্ত হবেন।

৩. অর্থ পাচার রোধ ও পাচারকৃত অর্থ উদ্ধার:
বিগত আওয়ামী লীগ সরকারের ১৫ বছরের শাসনামলে দেশ থেকে প্রায় ২৩৪ বিলিয়ন মার্কিন ডলার (প্রায় ২৮ লাখ কোটি টাকা) অবৈধভাবে পাচার হয়েছে। শ্বেতপত্র প্রণয়ন কমিটির প্রতিবেদনেও এই ভীতিপ্রদ তথ্য উঠে এসেছে। ড. ইউনূসের অন্তর্বর্তীকালীন সরকার তাদের দেড় বছরের মেয়াদে অর্থ উদ্ধারে কার্যকর কোনো ভূমিকা রাখতে পারেনি, উল্টো তাদের অনেকের বিরুদ্ধে এখন অনিয়মের অভিযোগ উঠছে। বিএনপি সরকারকে বিগত আমলের সব অর্থ পাচারের নিরপেক্ষ তদন্ত করে তা ফেরত আনার সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দিতে হবে। নতুন করে যেন অর্থ পাচার না হয়, সেদিকেও কঠোর নজরদারি প্রয়োজন।

পরিশেষে বলা যায়, আপাতদৃষ্টিতে এই বাজেট বাস্তবায়নকে যারা কঠিন মনে করছেন, তারা বর্তমান রাজনৈতিক নেতৃত্বের দৃঢ়তা ও বিচক্ষণতাকে হয়তো খাটো করে দেখছেন। তারেক রহমানের প্রতি জনগণের যে আস্থা তৈরি হয়েছে, তার ওপর ভর করে এই ত্রিমুখী কৌশল সঠিকভাবে বাস্তবায়ন করা গেলে বাংলাদেশের অর্থনীতি ঘুরে দাঁড়াতে বাধ্য।

অন্তরা/

অন্তর্ভুক্তিমূলক অর্থায়নে অবদানের জন্য বাংলাদেশ ব্যাংকের স্বীকৃতি পেল আইপিডিসি

প্রকাশ: ১৫ জুন ২০২৬, ০৮:৫৯ এএম
অন্তর্ভুক্তিমূলক অর্থায়নে অবদানের জন্য বাংলাদেশ ব্যাংকের স্বীকৃতি পেল আইপিডিসি
ছবি: বিজ্ঞপ্তি

সিএমএসএমই খাতে অর্থায়ন সম্প্রসারণ, নারী উদ্যোক্তাদের সহায়তা, ব্যবসা পুনরুদ্ধার এবং কর্মসংস্থান সৃষ্টিতে অবদানের স্বীকৃতি হিসেবে বাংলাদেশ ব্যাংকের কাছ থেকে সম্মাননা পেয়েছে আইপিডিসি ফাইন্যান্স পিএলসি।

বাংলাদেশ ব্যাংকের ‘সাপোর্টিং পোস্ট কোভিড-১৯ স্মল স্কেল এমপ্লয়মেন্ট ক্রিয়েশন প্রজেক্ট (SPCSSECP)’-এর আওতায় আয়োজিত ‘ইনক্লুসিভ ফাইন্যান্স অ্যান্ড এন্টারপ্রাইজ ডেভেলপমেন্ট’ শীর্ষক ডিসেমিনেশন সেমিনারে প্রতিষ্ঠানটিকে এই স্বীকৃতি প্রদান করা হয়। বাংলাদেশ ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ের জাহাঙ্গীর আলম কনফারেন্স হলে অনুষ্ঠিত এ অনুষ্ঠানে নীতিনির্ধারক, আর্থিক প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধি, উন্নয়ন সহযোগী সংস্থা এবং উদ্যোক্তারা অংশগ্রহণ করেন।

সেমিনারে অন্তর্ভুক্তিমূলক অর্থায়নের মাধ্যমে উদ্যোক্তা উন্নয়ন, কর্মসংস্থান সৃষ্টি এবং টেকসই অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি অর্জনের বিভিন্ন দিক নিয়ে আলোচনা করা হয়। একই সঙ্গে কোভিড-১৯ পরবর্তী অর্থনৈতিক পুনরুদ্ধারে ক্ষুদ্র উদ্যোক্তাদের জন্য অর্থায়ন সহজ করার লক্ষ্যে গৃহীত এসপিসিএসএসইসিপি প্রকল্পের অর্জন, অভিজ্ঞতা এবং ভবিষ্যৎ সম্ভাবনা তুলে ধরা হয়।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ ব্যাংকের ডেপুটি গভর্নর নুরুন নাহার। এছাড়াও অর্থনৈতিক সম্পর্ক বিভাগ (ইআরডি), অর্থ মন্ত্রণালয়, এশীয় উন্নয়ন ব্যাংক (এডিবি) এবং বাংলাদেশ ব্যাংকের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। অনুষ্ঠানে বিশেষভাবে উপস্থিত ছিলেন এসপিসিএসএসইসিপি প্রকল্পের পরিচালক কাজী তামান্না হক।

আইপিডিসি ফাইন্যান্স পিএলসি’র ব্যবস্থাপনা পরিচালক রিজওয়ান দাউদ সামস অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণ করেন এবং অন্তর্ভুক্তিমূলক অর্থায়নের গুরুত্ব তুলে ধরে বক্তব্য দেন। তিনি বলেন, “অন্তর্ভুক্তিমূলক অর্থায়ন উদ্যোক্তা উন্নয়ন ও অর্থনৈতিক ক্ষমতায়নের অন্যতম চালিকাশক্তি। বিশেষ করে সিএমএসএমই ও নারী উদ্যোক্তাদের জন্য অর্থায়নের সুযোগ সম্প্রসারণ ব্যবসার প্রবৃদ্ধি, কর্মসংস্থান সৃষ্টি এবং টেকসই অর্থনৈতিক উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। আইপিডিসি উদ্ভাবনী ও দায়িত্বশীল অর্থায়নের মাধ্যমে এই অগ্রযাত্রার অংশ হতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।”

তিনি আশা প্রকাশ করেন, সিএমএসএমই খাতের উন্নয়ন, কর্মসংস্থান সৃষ্টি এবং নারী উদ্যোক্তাদের আরও বৃহত্তর পরিসরে সহায়তা অব্যাহত রাখতে প্রকল্পটির আওতাধীন তহবিল ভবিষ্যতেও পুনরাবর্তন করা হবে, যাতে আরও বেশি উদ্যোক্তা সহজ শর্তে অর্থায়নের সুযোগ পেতে পারেন।

অনুষ্ঠানে সিএমএসএমই খাতে অর্থায়ন সম্প্রসারণ, নারী উদ্যোক্তাদের সহায়তা, ব্যবসা পুনরুদ্ধার এবং আয় ও কর্মসংস্থান সৃষ্টিতে উল্লেখযোগ্য অবদানের জন্য আইপিডিসি ফাইন্যান্স পিএলসি’কে একটি সম্মাননা সনদ প্রদান করা হয়।

আইপিডিসি ফাইন্যান্স জানায়, এই সম্মাননা দেশের প্রান্তিক ও উদীয়মান উদ্যোক্তাদের জন্য অর্থায়নের সুযোগ বৃদ্ধি এবং আর্থিক অন্তর্ভুক্তি নিশ্চিত করার ক্ষেত্রে প্রতিষ্ঠানটির ধারাবাহিক প্রচেষ্টার স্বীকৃতি। ভবিষ্যতেও সিএমএসএমই খাতের উন্নয়ন, নারী উদ্যোক্তাদের ক্ষমতায়ন এবং কর্মসংস্থান সৃষ্টিতে প্রতিষ্ঠানটি সক্রিয় ভূমিকা পালন করে যাবে।

দেশব্যাপী ‘Go For Gold’ রাইডিং ক্যাম্প শুরু করল উত্তরা মোটর্স

প্রকাশ: ১৪ জুন ২০২৬, ০৪:৫৮ পিএম
দেশব্যাপী ‘Go For Gold’ রাইডিং ক্যাম্প শুরু করল উত্তরা মোটর্স
ছবি: সংগৃহীত

উত্তরা মোটর্স লিমিটেড রাজধানী ঢাকায় বাজাজ পালসার জিমখানা ‘Go For Gold’ রাইডিং ক্যাম্পের কার্যক্রম শুরু করেছে। 

শনিবার (১৩ জুন) ঢাকাসহ পর্যায়ক্রমে সমগ্র দেশেই এই রাইডিং ক্যাম্প অনুষ্ঠিত হয়। 

‘Go For Gold’ টেস্ট রাইডিংয়ের মূল উদ্দেশ্য হলো বাজাজ পালসার এন১৬০-এর ডুয়েল-চ্যানেল এবিএস, ডিজিটাল কনসোল, ফুয়েল ইনজেকশনসহ মোটরসাইকেলটির আধুনিক প্রযুক্তি সম্পর্কে বাস্তব ও স্পষ্ট ধারণা দেওয়া।

ইউএসডি (USD) ফর্ক, টার্ন-বাই-টার্ন নেভিগেশন, রাইড মোড, স্লিপার ক্লাচ এবং গিয়ার ইন্ডিকেটরসহ উন্নত প্রযুক্তির সঙ্গে পরিচয় করিয়ে দেওয়া এবং বাজাজ পালসার এন১৬০ মোটরসাইকেলটির রাইডিং কমফোর্ট অন্যান্য মোটরসাইকেলের তুলনায় কতটা উন্নত, সেই অভিজ্ঞতা শেয়ার করানোর জন্য এই ‘Go For Gold’ টেস্ট রাইডিংয়ের আয়োজন করা হয়েছে। আগ্রহী মোটরসাইকেলপ্রেমীরা বৈধ ড্রাইভিং লাইসেন্স প্রদর্শন করে এই টেস্ট রাইডে অংশগ্রহণের সুযোগ পাবেন।

বাজাজ অটো লিমিটেড, ভারতের ভাইস প্রেসিডেন্ট জনাব মানিশ থাপার এবং উত্তরা মোটর্স লিমিটেডের চেয়ারম্যান ও ব্যবস্থাপনা পরিচালক জনাব মতিউর রহমানসহ বিভিন্ন মোটরসাইকেল রাইডার গ্রুপ, ইনফ্লুয়েন্সার গ্রুপ এবং বাজাজ অটো ও উত্তরা মোটর্সের কর্মকর্তারা এ অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন।

দুই দশক আগে থেকেই বাজাজ পালসার সারা বিশ্বে স্পোর্টস মোটরসাইকেলের পথপ্রদর্শক হিসেবে পরিচিত। এই সেগমেন্টের বিকাশের সাক্ষী হিসেবে পালসার ব্র্যান্ডটি আজ স্পোর্টস বাইকিংয়ের সমার্থক হয়ে উঠেছে। বাংলাদেশে মোটরসাইকেল জগতে বাজাজ পালসার আস্থা ও ঐতিহ্যের একটি নাম, যা দেশের মোটরসাইকেল চালক ও ক্রেতাদের মন জয় করেছে। এর আধুনিক বৈশিষ্ট্যগুলোও সবার কাছে সমাদৃত।

পরবর্তী পালসার জিমখানা ‘Go For Gold’ রাইডিং ক্যাম্প আগামী ২০ জুন, শনিবার, যশোরে অনুষ্ঠিত হবে।

বাংলাদেশের অটোমোবাইল সেক্টরের স্বনামধন্য ও শীর্ষস্থানীয় মোটরসাইকেল আমদানিকারক, প্রস্তুতকারী এবং বাজারজাতকারী প্রতিষ্ঠান উত্তরা মোটর্স দীর্ঘ চার দশক ধরে দেশের সবচেয়ে জনপ্রিয় ও সর্বাধিক বিক্রিত বাজাজ মোটরসাইকেল সমগ্র দেশব্যাপী ১৫টি শাখা অফিস এবং ৩৫০টিরও অধিক ৩এস (সেলস, সার্ভিস ও স্পেয়ার) ডিলারের মাধ্যমে বাজারজাত করে আসছে। পাশাপাশি অনুমোদিত সার্ভিস সেন্টার এবং প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত মেকানিকদের মাধ্যমে শহর থেকে গ্রামগঞ্জ পর্যন্ত বিক্রয়োত্তর সেবা নিশ্চিত ও সহজলভ্য করে আসছে।

উত্তরা মোটর্স বাংলাদেশে বাজাজ অটো লিমিটেড, ভারতের একমাত্র পরিবেশক।

রিফাত/

শেষ হলো ‘রুচি বিউটিগ্রাম সিজন সেভেন’

প্রকাশ: ১৪ জুন ২০২৬, ১০:৩৩ এএম
শেষ হলো ‘রুচি বিউটিগ্রাম সিজন সেভেন’
ছবি: বিজ্ঞপ্তি

বাংলাদেশকে দেখার অভ্যাস আমাদের সবার আছে কিন্তু বাংলাদেশকে খুঁজে বের করা—সেটা তো কঠিন কাজ।

সেই খোঁজ থেকেই জন্ম নেয় ‘রুচি বিউটিগ্রাম’ – যেখানে ভ্রমণ শুধু গন্তব্য নয়, বরং ছবি, ভিডিও আর গল্পের মধ্য দিয়ে নিজের দৃষ্টিভঙ্গি প্রকাশের একটি প্ল্যাটফর্ম। এই ধারাবাহিক আয়োজনের সপ্তম আসর ‘রুচি বিউটিগ্রাম সিজন সেভেন’-এ দেশের নানা প্রান্তের তরুণ ক্রিয়েটররা তুলে ধরেছেন বাংলাদেশকে নিজেদের লেন্সে, নিজেদের ভাষায়।

২০২৫ এর জানুয়ারিতে শুরু হওয়া এই সিজনে অনলাইনে ওপেন সাবমিশনের মাধ্যমে অংশগ্রহণ করেন দেশের বিভিন্ন প্রান্তের কনটেন্ট ক্রিয়েটররা। অল্প সময়েই জমা পড়ে ১২ হাজারেরও বেশি ছবি, ভিডিও ও গল্প। একাধিক ধাপে বাছাই প্রক্রিয়া, বিচারকদের সঙ্গে মাস্টারক্লাস এবং নতুন করে দেওয়া টাস্ক সম্পন্ন করার পর চূড়ান্তভাবে নির্বাচিত হয় ৪২টি ছবি, ১৮টি ভিডিও ও ২৫টি গল্প।

এই নির্বাচিত কাজগুলো নিয়েই ১১, ১২ ও ১৩ জুন, ২০২৬ তারিখে ধানমন্ডির গ্যালারি চিত্রকে আয়োজন করা হয় ‘রুচি বিউটিগ্রাম সিজন সেভেন’-এর তিন দিনব্যাপী প্রদর্শনী ও সমাপনী অনুষ্ঠান।

এবারের আসরে গল্প বিভাগে বিচারকের দায়িত্ব পালন করেন লেখক-কার্টুনিস্ট আহসান হাবীব ও ট্র্যাভেলার বাবর আলী। ছবি বিভাগে বিচারক হিসেবে ছিলেন সাইফুদ্দীন হাসান চন্দন ও শফিকুল আলম কিরণ। ভিডিওগ্রাফি বিভাগে বিচারকের দায়িত্বে ছিলেন সিনেমাটোগ্রাফার রাশেদ জামান।

এবারের আসরে বিচারকদের মূল্যায়নের পাশাপাশি দর্শকদের ভোটের মাধ্যমেও বিজয়ী নির্বাচন করা হয়। অনলাইন প্ল্যাটফর্মে প্রদর্শিত নির্বাচিত ছবি, ভিডিও ও গল্প থেকে দর্শকরা তাদের পছন্দের কনটেন্টে ভোট দেন। এই প্রক্রিয়ার মাধ্যমে প্রতিযোগিতায় যুক্ত হয় দর্শকদের সরাসরি অংশগ্রহণ, যা আয়োজনটিকে আরও ইন্টারেক্টিভ করে তোলে।

প্রদর্শনীর শেষ দিনে বিজয়ীদের মাঝে পুরস্কার বিতরণ করা হয়। অনুষ্ঠানে রুচির পক্ষ থেকে উপস্থিত ছিলেন স্কয়ার ফুড অ্যান্ড বেভারেজ লিমিটেড-এর সিইও জনাব মো: পারভেজ সাইফুল ইসলাম, হেড অব মার্কেটিং জনাব ইমতিয়াজ ফিরোজ এবং প্রতিষ্ঠানের অন্যান্য ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা। এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন সম্মানিত বিচারকবৃন্দ ও আমন্ত্রিত অতিথিরা।

সমাপনী অনুষ্ঠানে বক্তারা বলেন, রুচি বিউটিগ্রামের মতো একটি আয়োজন দেশের তরুণ প্রজন্মকে ভ্রমণ ও সৃজনশীল কনটেন্ট তৈরিতে উৎসাহিত করছে। ছবি, ভিডিও ও গল্পের মাধ্যমে বাংলাদেশকে নতুনভাবে তুলে ধরার এই উদ্যোগ দেশের সৃজনশীল চর্চাকে আরও সমৃদ্ধ করবে বলে তারা আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

স্কয়ার ফুড অ্যান্ড বেভারেজ লিমিটেড-এর পক্ষ থেকে সিইও জনাব মো: পারভেজ সাইফুল ইসলাম এই সফল আয়োজনের সঙ্গে যুক্ত সকল অংশগ্রহণকারী, দর্শক ও শুভানুধ্যায়ীদের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন। তিনি ভবিষ্যতেও এ ধরনের সৃজনশীল আয়োজনের মাধ্যমে বাংলাদেশের গল্প বিশ্বমঞ্চে তুলে ধরার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।

অন্তরা/