ঢাকা ৩ আষাঢ় ১৪৩৩, বুধবার, ১৭ জুন ২০২৬

সর্বশেষ
গফরগাঁওয়ে স্বামীকে ঘরে বেঁধে গৃহবধূকে তুলে নিয়ে দলবদ্ধ ধর্ষণ চীনের ডেইরি কারখানায় উৎপাদন বাড়াচ্ছে স্বয়ংক্রিয় প্রযুক্তি আমাদের ঘরগুলো কি রহমত শূন্য হচ্ছে? বাংলাদেশের বাজারে দীর্ঘমেয়াদে কাজ করবে দারাজ টুকটুক ও চিকু পাঠ থেকে ৪টি সংক্ষিপ্ত উত্তর প্রশ্ন, ২য় পর্ব, পঞ্চম শ্রেণির বাংলা গোল করার পর কান্নার কারণ জানালেন মেসি রংপুরে হিমাগারের ভাড়া বাড়ানোয় মহাসড়ক অবরোধ সোনামসজিদ পরিদর্শন করলেন মার্কিন রাষ্ট্রদূত সময়মতো পূর্বাভাসেই বেঁচে যাচ্ছে চীনের জুঁই বাজেটকে একটি গোষ্ঠী গণবিরোধী বলছে: প্রধানমন্ত্রী মৌলভীবাজারে নারী-তরুণদের স্বতঃস্ফূর্ত উপস্থিতিতে মুখর জনসভা শরীয়তপুরে নিষিদ্ধ সংগঠন ছাত্রলীগের বিক্ষোভ মিছিল মাঠে মদ্রিচ আমার ডান হাত: জ্লাতকো ডালিচ প্রস্তাবিত বাজেটে নবায়নযোগ্য জ্বালানি খাত পর্যাপ্ত গুরুত্ব পায়নি: সিপিডি ওয়াহিদুল হত্যার আসামিদের ফাঁসির দাবিতে উত্তাল আদালত চত্বর ভারতে ৩ বছর কারাভোগ শেষে দেশে ফিরলেন ৬ নারী শরীয়তপুরে ছোট ভাইয়ের লাঠির আঘাতে প্রাণ গেল বড় ভাইয়ের ‘আমরাই মেসির কাজটা সহজ করে দিয়েছি’, বললেন আলজেরিয়ার কোচ জয়পুরহাটে পুত্রবধুকে ধর্ষণচেষ্টার অভিযোগে শ্বশুর গ্রেপ্তার আর্জেন্টিনার জার্সির পেছনে ‘১৮৯৩’ লেখা থাকার কারণ কী? বিশ্বকাপ জয়ের এটাই সেরা সুযোগ: হ্যারি কেইন মেসি বন্দনায় ভাষা হারিয়েছেন স্কালোনি ঘুরে দাঁড়াতে মরিয়া তুরস্ক, লক্ষ্য প্যারাগুয়ে বধ নাটকীয় ম্যাচে জর্ডানকে হারাল অস্ট্রিয়া কুষ্টিয়া জেনারেল হাসপাতালে আকস্মিক পরির্দশনে স্বাস্থ্যমন্ত্রী প্রথমবার ইউএনএইচসিআর ব্যুরোর সভাপতিত্বে বাংলাদেশ ঝিনাইদহে ১১ কোটি ব্যয়ে কসাইখানা উদ্বোধন মৌলভীবাজারে বৃষ্টি উপেক্ষা করে জনসভাস্থলে নেতাকর্মীদের ঢল ব্যাপন, অভিস্রবণ ও প্রস্বেদন অধ্যায়ের ৭টি বহুনির্বাচনি প্রশ্ন ও উত্তর, ৪র্থ পর্ব, অষ্টম শ্রেণির বিজ্ঞান ইসলামী ব্যাংকের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা রাজনীতিতে অংশ নিতে পারবেন না
Nagad desktop

আইএফএ ২০২৫-এ তিনটি গ্লোবাল ইনোভেশন অ্যাওয়ার্ড জিতল টেকনো

প্রকাশ: ০৯ সেপ্টেম্বর ২০২৫, ০৭:৪৮ পিএম
আইএফএ ২০২৫-এ তিনটি গ্লোবাল ইনোভেশন অ্যাওয়ার্ড জিতল টেকনো
ছবি: বিজ্ঞপ্তি

এআই-নির্ভর গ্লোবাল প্রযুক্তি ব্র্যান্ড টেকনো বার্লিনে অনুষ্ঠিত বিশ্বের অন্যতম বৃহৎ কনজিউমার টেকনোলজি এক্সপো আইএফএ ২০২৫-এ রীতিমতো ঝড় তুলেছে। একসঙ্গে তিনটি সম্মানজনক গ্লোবাল প্রোডাক্ট টেকনোলজি ইনোভেশন অ্যাওয়ার্ড জিতে এই ব্র্যান্ডটি। এতে একটি নতুন মাইলফলক স্থাপন করেছে প্রতিষ্ঠানটি।

টেকনো পোভা স্লিম ৫জি, মেগাবুক এস১৪ এবং এআই গ্লাসেস সিরিজের মতো উদ্ভাবনী পণ্যগুলোকে স্বীকৃতি দিয়েছে এই সম্মাননা, যা এআই-নির্ভর ডিজাইন, গ্রাহক-কেন্দ্রিক অভিজ্ঞতা এবং ভবিষ্যৎ প্রজন্মের কনজিউমার প্রযুক্তিতে টেকনোর শীর্ষস্থানীয় অবস্থান তুলে ধরেছে।

আইএফএ গ্লোবাল প্রোডাক্ট টেকনোলজি ইনোভেশন অ্যাওয়ার্ডসকে ইলেকট্রনিক্স শিল্পের সবচেয়ে বিশ্বস্ত স্বীকৃতি হিসেবে বিবেচনা করা হয়। এই অ্যাওয়ার্ড শুধুমাত্র সেই ব্র্যান্ডগুলোকেই দেওয়া হয়, যারা উদ্ভাবন এবং বুদ্ধিমত্তায় নতুন মান তৈরি করে।

পুরস্কারপ্রাপ্ত ডিভাইসগুলোর মধ্যে, টেকনো পোভা স্লিম ৫জি বিশ্বের সবচেয়ে স্লিম ৫জি কার্ভড- স্ক্রিন স্মার্টফোন হিসেবে আলাদা স্থান তৈরি করেছে যার মধ্যে রয়েছে আকর্ষণীয় ডিজাইন, শক্তিশালী পারফরম্যান্স এবং দীর্ঘস্থায়ী ব্যাটারি লাইফ। বাংলাদেশে ৫জি ধীরে ধীরে চালু হচ্ছে এবং এই ফোনটি সেই কানেক্টিভিটিকে করে তুলতে পারে আরও ফাস্ট, স্মুথ ও স্মার্ট।

ইন্ডাস্ট্রির বিভিন্ন লিকস এবং অফিসিয়াল সোশ্যাল মিডিয়ার হিন্টস অনুযায়ী, গ্লোবাই অ্যাওয়ার্ডপ্রাপ্ত এই প্রডাক্টগুলো শীঘ্রই লঞ্চ হতে পারে বাংলাদেশে যাতে দেশের মানুষ সরাসরি ব্যবহার করতে পারবে এআই-নির্ভর স্মার্টফোন, ল্যাপটপ এবং বিভিন্ন স্মার্ট ডিভাইস।

টেকনোর এই ইনোভেশনগুলো প্রমাণ করে যে স্টাইল, স্মার্টনেস ও অ্যাফোর্ডেবিলিটির সঙ্গে কীভাবে উদীয়মান বাজারে প্রযুক্তিকে সবার নাগালে আনা যায়।

বিশ্বমানের এই স্বীকৃতির ফলে টেকনোর ব্র্যান্ড এসেন্স 'স্টপ অ্যাট নাথিং' আরও জোরালো হয়েছে যা বিশ্বজুড়ে ক্রিয়েটিভিটি, কানেক্টিভিটি এবং ইনোভেশনকে অনুপ্রাণিত করে।

বিজ্ঞপ্তি/মেহেদী/

বাংলাদেশের বাজারে দীর্ঘমেয়াদে কাজ করবে দারাজ

প্রকাশ: ১৭ জুন ২০২৬, ০৩:৩৪ পিএম
আপডেট: ১৭ জুন ২০২৬, ০৩:৩৫ পিএম
বাংলাদেশের বাজারে দীর্ঘমেয়াদে কাজ করবে দারাজ
ছবি: দারাজ

দারাজ বাংলাদেশ তাদের কার্যক্রম স্বাভাবিক রেখে প্রযুক্তিনির্ভর বিনিয়োগ, বিক্রেতা নেটওয়ার্ক সম্প্রসারণ এবং দীর্ঘমেয়াদি প্রবৃদ্ধির ওপর গুরুত্বারোপ করছে। এতে ই-কমার্স প্ল্যাটফর্ম হিসেবে দীর্ঘমেয়াদে তাদের ব্যবসায়িক প্রতিশ্রুতি পুনর্ব্যক্ত হয়েছে। 

সম্প্রতি গণমাধ্যমে দারাজের বিনিয়োগ ও পরিচালনা সংক্রান্ত খবরের প্রেক্ষিতে প্রতিষ্ঠানটি স্পষ্ট করেছে যে, তাদের নিয়মিত ব্যবসায়িক কার্যক্রম সম্পূর্ণ স্বাভাবিক। তারা দেশের ডিজিটাল অর্থনীতি বিকাশে অবদান এবং টেকসই প্রবৃদ্ধি অর্জনে কাজ করে যাচ্ছে।

দারাজ কর্তৃপক্ষ জানান, পরিচালন দক্ষতা ও গ্রাহক অভিজ্ঞতা উন্নয়নে প্রযুক্তি-নির্ভর সমাধানে বিনিয়োগ অব্যাহত রেখেছে দারাজ। বাংলাদেশ জুড়ে একটি টেকসই ও দীর্ঘমেয়াদি ডিজিটাল বাণিজ্য কার্যক্রম গড়ে তোলাই প্রতিষ্ঠানটির কেন্দ্রীয় পরিকল্পনার অংশ।

দারাজ আরও জানায়, গত এক বছরে তাদের প্ল্যাটফর্মে নতুন করে ৭ হাজারেরও বেশি বিক্রেতা যুক্ত হয়েছেন। যা প্রতিষ্ঠানটির বিক্রেতা ইকোসিস্টেমের ধারাবাহিক সম্প্রসারণের ইঙ্গিত দেয়। স্থানীয় উদ্যোক্তা ও ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীদের জন্য সুযোগ তৈরিতে দারাজের এই অঙ্গীকার কার্যকর ভূমিকা রাখছে। এতে বৃহত্তর ইকোসিস্টেমে কর্মসংস্থান ও আয়ের সুযোগও বৃদ্ধি পাচ্ছে।

এ ছাড়াও সামাজিক দায়বদ্ধতা পালনেও দারাজ সবসময় সক্রিয়। ২০২৪ সালের ভয়াবহ বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত জেলাগুলোতে মানবিক সহায়তার হাত বাড়িয়েছিল দারাজ। প্রতিষ্ঠান ও কর্মীদের যৌথ অনুদানে সে সময় ক্ষতিগ্রস্ত জনগোষ্ঠীর পুনর্বাসনে ১ কোটি ২০ লাখ টাকারও বেশি সহায়তা প্রদান করা হয়।

দারাজ বাংলাদেশের এক মুখপাত্র বলেন, ‘বাংলাদেশে ইন্টারনেট ব্যবহার ও স্মার্টফোনের বিস্তার বৃদ্ধির সঙ্গে সঙ্গে ই-কমার্স খাতের সম্ভাবনা প্রসারিত হচ্ছে। তাই ই-কমার্স খাতে বিক্রেতা, ব্র্যান্ড ও গ্রাহকদের জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ প্ল্যাটফর্ম হিসেবে কাজ করছে দারাজ। এ প্রেক্ষাপটে প্রযুক্তিগত সক্ষমতা, দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা এবং একটি শক্তিশালী ডিজিটাল ইকোসিস্টেম গড়ে তোলার উদ্যোগ ভবিষ্যৎ প্রবৃদ্ধির জন্য গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।’

থিওটোনিয়াস

প্রথমবার ইউএনএইচসিআর ব্যুরোর সভাপতিত্বে বাংলাদেশ

প্রকাশ: ১৭ জুন ২০২৬, ০১:৩৯ পিএম
প্রথমবার ইউএনএইচসিআর ব্যুরোর সভাপতিত্বে বাংলাদেশ
ছবি: সংগৃহীত

জেনেভায় জাতিসংঘ কার্যালয় এবং অন্যান্য আন্তর্জাতিক সংস্থায় বাংলাদেশের স্থায়ী প্রতিনিধি রাষ্ট্রদূত নাহিদা সোবহান প্রথমবারের মতো জাতিসংঘের শরণার্থী বিষয়ক হাইকমিশনারের (UNHCR) নির্বাহী কমিটির (ExCom) ব্যুরোর সভাপতির দায়িত্ব গ্রহণ করেছেন। 

১৯৫৯ সালে UNHCR-এর নির্বাহী কমিটি কার্যক্রম শুরু করার পর থেকে বাংলাদেশ এর আগে কখনো নির্বাহী কমিটির ব্যুরোতে দায়িত্ব পালন করেনি। নির্বাহী কমিটির ব্যুরো হলো চার সদস্যবিশিষ্ট নেতৃত্ব কাঠামো, যা কমিটির কার্যক্রমে দিকনির্দেশনা প্রদান করে এবং বৈশ্বিক শরণার্থী ও জোরপূর্বক বাস্তুচ্যুতি সংক্রান্ত বিভিন্ন বিষয়ে সদস্য রাষ্ট্রগুলোর মধ্যে ঐকমত্য গড়ে তুলতে সহায়তা করে। নির্বাহী কমিটির ব্যুরোতে প্রথমবারের মতো বাংলাদেশের অন্তর্ভুক্তি ও নেতৃত্বের এই দায়িত্ব গ্রহণ আন্তর্জাতিক অঙ্গনে দেশের জন্য একটি তাৎপর্যপূর্ণ মাইলফলক।

মঙ্গলবার (১৬ জুন) জেনেভায় জাতিসংঘ কার্যালয়ে এ দায়িত্ব দেওয়া হয়। 

এশিয়া-প্রশান্ত মহাসাগরীয় গ্রুপের অভ্যন্তরীণ পরামর্শক্রমে বাংলাদেশ সর্বসম্মত আঞ্চলিক প্রার্থী হিসেবে মনোনীত হয় এবং ভিন্ন দুটি আঞ্চলিক গোষ্ঠীর প্রতিনিধিত্বকারী আলজেরিয়া ও অস্ট্রিয়া আনুষ্ঠানিকভাবে সেই মনোনয়ন সমর্থন করে, যা বাংলাদেশের নেতৃত্বের প্রতি বিভিন্ন আঞ্চলিক গ্রুপজুড়ে বিদ্যমান ব্যাপক সমর্থনের প্রতিফলন। পরবর্তীতে তাঁর মনোনয়ন নির্বাহী কমিটির সকল ১১০ সদস্য রাষ্ট্রের সমর্থন লাভ করে। সভাপতি হিসেবে বাংলাদেশের নির্বাচিত হওয়া নবনির্বাচিত বাংলাদেশের নেতৃত্বের প্রতি আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের আস্থা এবং বহুপাক্ষিক ব্যবস্থায় দেশের ক্রমবর্ধমান প্রভাবের স্বীকৃতি বহন করে।

পেশাদার কূটনীতিক রাষ্ট্রদূত নাহিদা সোবহান রোম, জেনেভা ও কলকাতায় বাংলাদেশের বিভিন্ন মিশনে দায়িত্ব পালন করেছেন। এছাড়া তিনি জর্ডানে বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত এবং কানাডায় বাংলাদেশের হাইকমিশনার হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। পূর্বে তিনি পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের জাতিসংঘ অনুবিভাগের মহাপরিচালক হিসেবে কর্মরত ছিলেন। সে সময় তিনি ইউএনএইচসিআরসহ বিভিন্ন জাতিসংঘ সংস্থার সঙ্গে রোহিঙ্গা সংকট মোকাবিলায় ঘনিষ্ঠভাবে কাজ করেছেন। তিনি জোরপূর্বক বাস্তুচ্যুত মিয়ানমার নাগরিক (এফডিএমএন) বিষয়ক জাতীয় টাস্কফোর্সের সদস্য-সচিব হিসেবেও দায়িত্ব পালন করেছেন, যা বাংলাদেশে অবস্থানরত রোহিঙ্গাদের সম্পর্কিত জাতীয় নীতি, মানবিক সহায়তা কার্যক্রম এবং সংশ্লিষ্ট কর্মকাণ্ডের সমন্বয় তদারকি করে।

এই দায়িত্ব গ্রহণ মানবিক ও জোরপূর্বক বাস্তুচ্যুতি সংক্রান্ত বিষয়ে বাংলাদেশের গঠনমূলক নেতৃত্বের প্রতি আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের স্বীকৃতির প্রতিফলন। বিশেষত, বাংলাদেশ বর্তমানে মিয়ানমার থেকে বাস্তুচ্যুত প্রায় ১৩ লাখ রোহিঙ্গাকে আশ্রয় দিয়ে যাচ্ছে এবং তাদের নিরাপদ, স্বেচ্ছামূলক, মর্যাদাপূর্ণ ও টেকসই প্রত্যাবর্তনের পক্ষে ধারাবাহিকভাবে সোচ্চার ভূমিকা পালন করছে- এই প্রেক্ষাপটে এ নির্বাচন বিশেষ তাৎপর্য বহন করে।

বিশ্বব্যাপী বাস্তুচ্যুত মানুষের সংখ্যা রেকর্ড পর্যায়ে পৌঁছানো, ক্রমবর্ধমান মানবিক চাহিদা এবং তহবিল সংকটের কারণে আতিথ্যদানকারী দেশসমূহ ও আন্তর্জাতিক মানবিক সহায়তা কার্যক্রম যখন ব্যাপক চাপের মুখে, ঠিক সেই সময় বাংলাদেশ এই দায়িত্ব গ্রহণ করছে। বাংলাদেশ এমন একটি দেশের অভিজ্ঞতা ও দৃষ্টিভঙ্গি সামনে নিয়ে আসবে, যা দীর্ঘদিন ধরে উল্লেখযোগ্য মানবিক দায়িত্ব বহন করে আসছে এবং আন্তর্জাতিক সংহতি ও দায়িত্ব ভাগাভাগির পক্ষে ধারাবাহিকভাবে কাজ করে যাচ্ছে।

ইউএনএইচসিআর-এর নির্বাহী কমিটির ব্যুরোর সভাপতি হিসেবে বাংলাদেশের দায়িত্ব গ্রহণ মানবিক মূল্যবোধের প্রতি দেশের অঙ্গীকার, বাস্তুচ্যুত জনগোষ্ঠীর প্রতি দায়িত্বশীল ভূমিকা এবং আন্তর্জাতিক সহযোগিতায় গঠনমূলক অবদানের একটি গুরুত্বপূর্ণ আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি।

রিফাত/

ডাচ্-বাংলা ব্যাংকে ৩০ শতাংশ ডিভিডেন্ড অনুমোদন

প্রকাশ: ১৭ জুন ২০২৬, ১২:৪৯ পিএম
আপডেট: ১৭ জুন ২০২৬, ১২:৫৮ পিএম
ডাচ্-বাংলা ব্যাংকে ৩০ শতাংশ ডিভিডেন্ড অনুমোদন
ছবি: সংগৃহীত

ডাচ্-বাংলা ব্যাংকের শেয়ারহোল্ডাররা ২০২৫ সালের আর্থিক বিবরণী, ৩০ শতাংশ ডিভিডেন্ড (শেয়ার প্রতি ২৫% ক্যাশ ডিভিডেন্ড এবং ৫% স্টক ডিভিডেন্ড) অনুমোদন করেছেন।

মঙ্গলবার (১৬ জুন) বেলা ১১টায় ডাচ্-বাংলা ব্যাংক পিএলসির ৩০তম বার্ষিক সাধারণ সভা ব্যাংকের চেয়ারম্যান সাদিয়া রাইয়ান আহমেদের সভাপতিত্বে ভার্চুয়াল প্লাটফর্মে অনুষ্ঠিত হয়।

২০২৫ সালের ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত ব্যাংকের মোট সম্পদের পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ৮১৭,৭৯৭.৬ মিলিয়ন টাকা যা ২০২৪ সালে ছিল ৬৭৯,৮৭৫.৫ মিলিয়ন টাকা, যার প্রবৃদ্ধির পরিমাণ ২০.৩ শতাংশ।

২০২৫ সালে ব্যাংক কর্তৃক প্রদানকৃত ঋণের পরিমান ৪৫০,৫০৩.৮ মিলিয়ন টাকা যা ২০২৪ সালে ছিল ৪২৮,৬৮৯.৪ মিলিয়ন টাকা যার প্রবৃদ্ধির হার দাঁড়ায় ৫.১%। ২০২৫ সালে ব্যাংকের ডিপোজিট ১০০,১৮৫.৫ মিলিয়ন টাকা বৃদ্ধি পেয়ে ৬২২,০৫৭.৮ মিলিয়ন টাকা হয়েছে যা ২০২৪ সালে ছিল ৫২১,৮৭২.৫ মিলিয়ন টাকা যার প্রবৃদ্ধির হার দাঁড়ায় ১৯.২%।

ব্যাংক ২০২৫ সালে ট্যাক্স পূর্ববর্তী নিট মুনাফা অর্জন করে ১৫,৯১১.৬ মিলিয়ন টাকা এবং ট্যাক্স পরবর্তী নিট মুনাফা অর্জন করে ৯,৬৪৭.৭ মিলিয়ন টাকা। চলতি বছরে শেয়ারহোল্ডারদের শেয়ার প্রতি আয় হয়েছে ৯.৯৮ টাকা। ২০২৫ সালের শেষে ব্যাংকের ঝুঁকিভিত্তিক সম্পদের বিপরীতে মূলধনের হার দাঁড়িয়েছে ১৭.১% যা বাংলাদেশ ব্যাংকের নিয়ম অনুযায়ী সর্বনিম্ন ১২.৫০% থাকা বাঞ্ছনীয়।

সভা ব্যাংকের পরিচালক হিসেবে সাদিয়া রাইয়ান আহমেদ এবং মো. ফখরুল ইসলামের পুনঃনিয়োগ অনুমোদন করেন এবং স্বতন্ত্র পরিচালক হিসেবে মনজুর আহমেদ ও মোহাম্মদ জাহাঙ্গীর আলমের নিয়োগ অনুমোদন করেন।

সভা ২০২৬ সালের জন্য কোম্পানির বহিঃনিরীক্ষক হিসেবে আজিজ হালিম খায়ের চৌধুরী, চাটার্ড একাউন্ট্যান্টস এবং কর্পোরেট গভর্নেন্স নিরীক্ষক হিসেবে হোদা ভাসি চৌধুরী এন্ড কোং, চাটার্ড একাউন্ট্যান্টস-এর নিয়োগ অনুমোদন করেন।

কোকা-কোলা, ইচেজেক বাংলাদেশের পরিবেশকদের আর্থিক সুবিধা দেবে ব্র্যাক ব্যাংক

প্রকাশ: ১৬ জুন ২০২৬, ০৬:৩৯ পিএম
কোকা-কোলা, ইচেজেক বাংলাদেশের পরিবেশকদের আর্থিক সুবিধা দেবে ব্র্যাক ব্যাংক
ছবি: বিজ্ঞপ্তি

দেশব্যাপী ডিস্ট্রিবিউশন ইকোসিস্টেমকে আরও শক্তিশালী, সহজ ওয়ার্কিং ক্যাপিটাল নিশ্চিত এবং টেকসই ব্যবসায়িক প্রবৃদ্ধি ত্বরান্বিত করার লক্ষ্যে কোকা-কোলা ইচেজেক (সিসিআই) বাংলাদেশ-এর সঙ্গে ডিস্ট্রিবিউটর ফাইন্যান্স চুক্তি করেছে ব্র্যাক ব্যাংক।

এই চুক্তির আওতায় সিসিআই বাংলাদেশের ডিস্ট্রিবিউটরদের বিশেষায়িত ডিস্ট্রিবিউটর ফাইন্যান্স সল্যুশন দেবে ব্র্যাক ব্যাংক। এর ফলে ডিস্ট্রিবিউটররা পণ্য সংগ্রহের জন্য প্রয়োজনীয় অর্থায়ন সুবিধা পাবেন এবং ব্যবসা সম্প্রসারণে প্রয়োজনীয় নগদ প্রবাহ (ক্যাশ ফ্লো) বজায় রাখতে সক্ষম হবেন।

এ সহযোগিতার মাধ্যমে সাপ্লাই চেইন অর্থায়ন প্রক্রিয়া আরও সহজ ও কার্যকর হবে, পরিচালন দক্ষতা বৃদ্ধি পাবে এবং পরিবেশকরা অধিক আর্থিক ফাইন্যানশিয়াল ফ্লেক্সিবিলিটি উপভোগ করবেন। তারল্যে সহযোগিতা নিশ্চিত হওয়ার ফলে তাদের ব্যবসা আরও শক্তিশালী হবে, যা তাদের বাজার চাহিদা পূরণের সক্ষমতা বৃদ্ধি করবে।

১০ জুন ২০২৬ ঢাকায় ব্র্যাক ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে এ চুক্তিটি স্বাক্ষরিত হয়। ব্র্যাক ব্যাংকের অ্যাডিশনাল ম্যানেজিং ডিরেক্টর অ্যান্ড হেড অব এসএমই ব্যাংকিং সৈয়দ আব্দুল মোমেন এবং কোকা-কোলা ইচেজেক (সিসিআই) বাংলাদেশের ম্যানেজিং ডিরেক্টর শাদাব আহমেদ খান নিজ নিজ প্রতিষ্ঠানের পক্ষে চুক্তিতে স্বাক্ষর করেন।

এই চুক্তির বিষয়ে সৈয়দ আব্দুল মোমেন বলেন, “শক্তিশালী ব্যবসার ভিত্তি হলো শক্তিশালী বিজনেস ইকোসিস্টেম। এই অংশীদারিত্ব ডিস্ট্রিবিউটরদের প্রয়োজনীয় আর্থিক সক্ষমতা অর্জনে সহায়তা করবে, যাতে তারা আত্মবিশ্বাসের সঙ্গে ব্যবসা সম্প্রসারণ করতে পারেন, ভ্যালু ক্রিয়েট করতে পারেন এবং বাংলাদেশের ক্রমবর্ধমান অর্থনীতিতে আরও কার্যকর অবদান রাখতে পারেন।”

শাদাব আহমেদ খান বলেন, “দেশের কোটি কোটি ভোক্তার কাছে আমাদের পণ্য পৌঁছে দিতে ডিস্ট্রিবিউটররা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন। ব্র্যাক ব্যাংকের সঙ্গে এ সহযোগিতার মাধ্যমে আমরা তাদের আর্থিক সক্ষমতা বৃদ্ধি করছি। আমরা বিশ্বাস করি, এটি পরিবেশকদের ব্যবসায় টেকসই প্রবৃদ্ধি অর্জনে সহায়তা করবে।”

অনুষ্ঠানে উভয় প্রতিষ্ঠানের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। ব্র্যাক ব্যাংকের পক্ষে উপস্থিত ছিলেন ব্যাংকটির অ্যাডিশনাল ম্যানেজিং ডিরেক্টর অ্যান্ড হেড অব হোলসেল ব্যাংকিং মো. শাহীন ইকবাল, হেড অব ট্রানজ্যাকশন ব্যাংকিং এ.কে.এম. ফয়সাল হালিম, হেড অব কটেজ, মাইক্রো অ্যান্ড স্মল বিজনেস (ইউনিট-১) আলমগীর হোসেন, হেড অব কটেজ, মাইক্রো অ্যান্ড স্মল বিজনেস (ইউনিট-২) মাহবুবুর রহমান এবং হেড অব ক্যাশ ম্যানেজমেন্ট মুসাব্বির আহমেদ।

সিসিআই বাংলাদেশের পক্ষে উপস্থিত ছিলেন প্রতিষ্ঠানটির ফাইন্যান্স ইন্টিগ্রেশন লিডার আহমেত জাহিদ এরদেম, হেড অব সেলস গোকহান বায়রুক, হেড অব লিগ্যাল এম. আব্দুল হান্নান, সেলস ম্যানেজার জাহিদ হক, বিজনেস প্ল্যানিং অ্যান্ড ট্রেজারি লিড এ. এইচ. বায়েজিদ হাসান, ফাইন্যান্স স্পেশালিস্ট কিশোর কুমার দাসসহ উভয় প্রতিষ্ঠানের অন্যান্য কর্মকর্তারা।

বিজ্ঞপ্তি/নাঈম

পূবালী ব্যাংক পরিচালনা পর্ষদের চেয়ারম্যান পুনর্নির্বাচিত হলেন মনজুরুর

প্রকাশ: ১৬ জুন ২০২৬, ০৫:৩৫ পিএম
পূবালী ব্যাংক পরিচালনা পর্ষদের চেয়ারম্যান পুনর্নির্বাচিত হলেন মনজুরুর
মনজুরুর রহমান

পূবালী ব্যাংক পিএলসি পরিচালনা পর্ষদের চেয়ারম্যান হিসেবে আরও দুই বছরের জন্য পুনর্নির্বাচিত হয়েছেন ব্যবসায়ী ও সমাজসেবক মনজুরুর রহমান। 

পরিচালনা পর্ষদের ১৫২০তম সভায় সর্বসম্মতিক্রমে তাকে পুনর্নির্বাচিত করা হয়। 

১৯৬৭ সালে পূবালী ব্যাংকের পূর্বসুরী ইস্টার্ন মার্কেন্টাইল ব্যাংকে সর্বকনিষ্ঠ পরিচালক হিসেবে প্রবেশের মাধ্যমে ব্যাংকিং জগতে মনজুরুর রহমানের যাত্রা শুরু।

১৯৮৩ সালে পূবালী ব্যাংকের বেসরকারিকরণের পর তিনি ২৫ জানুয়ারি ১৯৮৫ থেকে ১৮ জানুয়ারি ১৯৮৬ পর্যন্ত পরিচালনা পর্ষদের চেয়ারম্যানের দায়িত্ব পালন করেন। পরবর্তীতে তিনি ৩১ জুলাই ২০২০ থেকে পরিচালনা পর্ষদের চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। তার দক্ষ নেতৃত্ব ও সুদূরপ্রসারী দৃষ্টিভঙ্গি পূবালী ব্যাংকের প্রবৃদ্ধি ও আধুনিকায়নে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখেছে ।

বাংলাদেশের ব্যাংকিং ও আর্থিক খাতে অবদান রাখা সমৃদ্ধ ও স্বনামধন্য পরিবারের সদস্য মনজুরুর রহমান কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ের স্নাতক। ব্যাংকিংয়ের পাশাপাশি তার দক্ষতা চা শিল্পেও প্রসারিত, তিনি রেমা টি কোম্পানি লিমিটেডের চেয়ারম্যান। এ ছাড়াও তিনি লাফার্জহোলসিম বাংলাদেশ লিমিটেডের স্বতন্ত্র পরিচালক ছিলেন।

মনজুরুর রহমান কুমিল্লা জেলার চৌদ্দগ্রাম উপজেলার চিওড়া গ্রামের কাজী বাড়ির সম্ভ্রান্ত মুসলিম পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন। তার বাবা মরহুম খান বাহাদুর মুখলেসুর রহমান ১৯১৬ সালে কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে আইন বিষয়ে স্নাতক ডিগ্রি অর্জন করেন এবং একজন সফল টি প্ল্যান্টার ছিলেন।