ব্র্যাক ইউনিভার্সিটির ব্র্যাক ইনস্টিটিউট অব ল্যাঙ্গুয়েজেস (বিআইএল) সাফল্যের দুই দশক পূর্ণ করেছে। এই উপলক্ষে বৃহস্পতিবার (৩০ এপ্রিল) বিশ্ববিদ্যালয়ের মেরুল বাড্ডা ক্যাম্পাসে দিনব্যাপী বর্ণাঢ্য অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।
অনুষ্ঠানজুড়ে নাচ, গান, কবিতা আবৃত্তি, মঞ্চনাটক এবং ঐতিহ্যবাহী যাত্রাপালাসহ বিভিন্ন সাংস্কৃতিক পরিবেশনায় উৎসবমুখর হয়ে ওঠে পুরো ক্যাম্পাস।
অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের ভাইস-চ্যান্সেলর প্রফেসর সৈয়দ ফারহাত আনোয়ার। তিনি বলেন, ব্র্যাক ইউনিভার্সিটির লক্ষ্য ‘গ্লোবাল সাউথ’-এর অন্যতম শীর্ষ বিদ্যাপীঠ হিসেবে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করা, আর এ ক্ষেত্রে ভাষা শিক্ষা ও সংস্কৃতি চর্চা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।
তিনি আরও বলেন, আমাদের লক্ষ্যটা বড়। তাই দীর্ঘমেয়াদি ও ফলপ্রসূ পার্টনারশিপ গড়ে তোলা জরুরি এবং সেই লক্ষ্যেই আমরা কাজ করছি।
প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ব্রিটিশ কাউন্সিল বাংলাদেশ-এর কান্ট্রি ডিরেক্টর স্টিফেন ফোর্বস। তিনি ভাষা শিক্ষার গুরুত্ব তুলে ধরে বলেন, ভাষা মানুষের মধ্যে সংযোগ তৈরি করে এবং সংস্কৃতির মধ্যে সেতুবন্ধন গড়ে তোলে।
বিআইএলের প্রতিষ্ঠাতা ও উপদেষ্টা লেডি সৈয়দা সারওয়াত আবেদ বলেন, ভাষা যেন মেধা, সামর্থ্য ও সুযোগের পথে কোনো বাধা হয়ে না দাঁড়ায়-এই লক্ষ্যেই কাজ করছে ব্র্যাক ইনস্টিটিউট অব ল্যাঙ্গুয়েজেস।
অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন বোর্ড অব ট্রাস্টিজের চেয়ারপারসন তামারা হাসান আবেদ। সমাপনী বক্তব্যে বিআইএলের অর্জন ও ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা তুলে ধরেন ডিরেক্টর প্রফেসর শায়লা সুলতানা। এ ছাড়া বক্তব্য দেন ব্র্যাক ইনস্টিটিউট অব এডুকেশনাল ডেভেলপমেন্টের এক্সিকিউটিভ ডিরেক্টর ড. ইরাম মরিয়ম।
ব্র্যাক ইউনিভার্সিটিতে অধ্যয়নরত বিদেশি শিক্ষার্থীরাও মনোমুগ্ধকর পরিবেশনার মাধ্যমে বৈশ্বিক ভাষা ও সংস্কৃতি তুলে ধরেন।
অনুষ্ঠানে আনুষ্ঠানিকভাবে চালু করা হয় ‘ব্যাচেলর অব আর্টস ইন অ্যাপ্লায়েড ইংলিশ ল্যাঙ্গুয়েজ স্টাডিজ’ প্রোগ্রাম। পাশাপাশি তিনটি বইয়ের মোড়ক উন্মোচন করা হয় এবং মঞ্চস্থ হয় ‘সক্রেটিসের জবানবন্দি’ নাটক। ব্র্যাকের সামাজিক ক্ষমতায়ন ও আইনি সুরক্ষা কর্মসূচির উদ্যোগে পরিবেশিত হয় যাত্রাপালা।
দিনের শেষপর্বে জনপ্রিয় ব্যান্ড ওয়ারফেজের প্রাণবন্ত পরিবেশনা শিক্ষার্থীদের উচ্ছ্বসিত করে তোলে।
বিজ্ঞপ্তি/আমান/