উত্তরা মোটর্স লিমিটেড রাজধানী ঢাকায় বাজাজ পালসার জিমখানা ‘Go For Gold’ রাইডিং ক্যাম্পের কার্যক্রম শুরু করেছে।
শনিবার (১৩ জুন) ঢাকাসহ পর্যায়ক্রমে সমগ্র দেশেই এই রাইডিং ক্যাম্প অনুষ্ঠিত হয়।
‘Go For Gold’ টেস্ট রাইডিংয়ের মূল উদ্দেশ্য হলো বাজাজ পালসার এন১৬০-এর ডুয়েল-চ্যানেল এবিএস, ডিজিটাল কনসোল, ফুয়েল ইনজেকশনসহ মোটরসাইকেলটির আধুনিক প্রযুক্তি সম্পর্কে বাস্তব ও স্পষ্ট ধারণা দেওয়া।
ইউএসডি (USD) ফর্ক, টার্ন-বাই-টার্ন নেভিগেশন, রাইড মোড, স্লিপার ক্লাচ এবং গিয়ার ইন্ডিকেটরসহ উন্নত প্রযুক্তির সঙ্গে পরিচয় করিয়ে দেওয়া এবং বাজাজ পালসার এন১৬০ মোটরসাইকেলটির রাইডিং কমফোর্ট অন্যান্য মোটরসাইকেলের তুলনায় কতটা উন্নত, সেই অভিজ্ঞতা শেয়ার করানোর জন্য এই ‘Go For Gold’ টেস্ট রাইডিংয়ের আয়োজন করা হয়েছে। আগ্রহী মোটরসাইকেলপ্রেমীরা বৈধ ড্রাইভিং লাইসেন্স প্রদর্শন করে এই টেস্ট রাইডে অংশগ্রহণের সুযোগ পাবেন।
বাজাজ অটো লিমিটেড, ভারতের ভাইস প্রেসিডেন্ট জনাব মানিশ থাপার এবং উত্তরা মোটর্স লিমিটেডের চেয়ারম্যান ও ব্যবস্থাপনা পরিচালক জনাব মতিউর রহমানসহ বিভিন্ন মোটরসাইকেল রাইডার গ্রুপ, ইনফ্লুয়েন্সার গ্রুপ এবং বাজাজ অটো ও উত্তরা মোটর্সের কর্মকর্তারা এ অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন।
দুই দশক আগে থেকেই বাজাজ পালসার সারা বিশ্বে স্পোর্টস মোটরসাইকেলের পথপ্রদর্শক হিসেবে পরিচিত। এই সেগমেন্টের বিকাশের সাক্ষী হিসেবে পালসার ব্র্যান্ডটি আজ স্পোর্টস বাইকিংয়ের সমার্থক হয়ে উঠেছে। বাংলাদেশে মোটরসাইকেল জগতে বাজাজ পালসার আস্থা ও ঐতিহ্যের একটি নাম, যা দেশের মোটরসাইকেল চালক ও ক্রেতাদের মন জয় করেছে। এর আধুনিক বৈশিষ্ট্যগুলোও সবার কাছে সমাদৃত।
পরবর্তী পালসার জিমখানা ‘Go For Gold’ রাইডিং ক্যাম্প আগামী ২০ জুন, শনিবার, যশোরে অনুষ্ঠিত হবে।
বাংলাদেশের অটোমোবাইল সেক্টরের স্বনামধন্য ও শীর্ষস্থানীয় মোটরসাইকেল আমদানিকারক, প্রস্তুতকারী এবং বাজারজাতকারী প্রতিষ্ঠান উত্তরা মোটর্স দীর্ঘ চার দশক ধরে দেশের সবচেয়ে জনপ্রিয় ও সর্বাধিক বিক্রিত বাজাজ মোটরসাইকেল সমগ্র দেশব্যাপী ১৫টি শাখা অফিস এবং ৩৫০টিরও অধিক ৩এস (সেলস, সার্ভিস ও স্পেয়ার) ডিলারের মাধ্যমে বাজারজাত করে আসছে। পাশাপাশি অনুমোদিত সার্ভিস সেন্টার এবং প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত মেকানিকদের মাধ্যমে শহর থেকে গ্রামগঞ্জ পর্যন্ত বিক্রয়োত্তর সেবা নিশ্চিত ও সহজলভ্য করে আসছে।
উত্তরা মোটর্স বাংলাদেশে বাজাজ অটো লিমিটেড, ভারতের একমাত্র পরিবেশক।
রিফাত/
বাংলাদেশকে দেখার অভ্যাস আমাদের সবার আছে কিন্তু বাংলাদেশকে খুঁজে বের করা—সেটা তো কঠিন কাজ।
সেই খোঁজ থেকেই জন্ম নেয় ‘রুচি বিউটিগ্রাম’ – যেখানে ভ্রমণ শুধু গন্তব্য নয়, বরং ছবি, ভিডিও আর গল্পের মধ্য দিয়ে নিজের দৃষ্টিভঙ্গি প্রকাশের একটি প্ল্যাটফর্ম। এই ধারাবাহিক আয়োজনের সপ্তম আসর ‘রুচি বিউটিগ্রাম সিজন সেভেন’-এ দেশের নানা প্রান্তের তরুণ ক্রিয়েটররা তুলে ধরেছেন বাংলাদেশকে নিজেদের লেন্সে, নিজেদের ভাষায়।
২০২৫ এর জানুয়ারিতে শুরু হওয়া এই সিজনে অনলাইনে ওপেন সাবমিশনের মাধ্যমে অংশগ্রহণ করেন দেশের বিভিন্ন প্রান্তের কনটেন্ট ক্রিয়েটররা। অল্প সময়েই জমা পড়ে ১২ হাজারেরও বেশি ছবি, ভিডিও ও গল্প। একাধিক ধাপে বাছাই প্রক্রিয়া, বিচারকদের সঙ্গে মাস্টারক্লাস এবং নতুন করে দেওয়া টাস্ক সম্পন্ন করার পর চূড়ান্তভাবে নির্বাচিত হয় ৪২টি ছবি, ১৮টি ভিডিও ও ২৫টি গল্প।
এই নির্বাচিত কাজগুলো নিয়েই ১১, ১২ ও ১৩ জুন, ২০২৬ তারিখে ধানমন্ডির গ্যালারি চিত্রকে আয়োজন করা হয় ‘রুচি বিউটিগ্রাম সিজন সেভেন’-এর তিন দিনব্যাপী প্রদর্শনী ও সমাপনী অনুষ্ঠান।
এবারের আসরে গল্প বিভাগে বিচারকের দায়িত্ব পালন করেন লেখক-কার্টুনিস্ট আহসান হাবীব ও ট্র্যাভেলার বাবর আলী। ছবি বিভাগে বিচারক হিসেবে ছিলেন সাইফুদ্দীন হাসান চন্দন ও শফিকুল আলম কিরণ। ভিডিওগ্রাফি বিভাগে বিচারকের দায়িত্বে ছিলেন সিনেমাটোগ্রাফার রাশেদ জামান।
এবারের আসরে বিচারকদের মূল্যায়নের পাশাপাশি দর্শকদের ভোটের মাধ্যমেও বিজয়ী নির্বাচন করা হয়। অনলাইন প্ল্যাটফর্মে প্রদর্শিত নির্বাচিত ছবি, ভিডিও ও গল্প থেকে দর্শকরা তাদের পছন্দের কনটেন্টে ভোট দেন। এই প্রক্রিয়ার মাধ্যমে প্রতিযোগিতায় যুক্ত হয় দর্শকদের সরাসরি অংশগ্রহণ, যা আয়োজনটিকে আরও ইন্টারেক্টিভ করে তোলে।
প্রদর্শনীর শেষ দিনে বিজয়ীদের মাঝে পুরস্কার বিতরণ করা হয়। অনুষ্ঠানে রুচির পক্ষ থেকে উপস্থিত ছিলেন স্কয়ার ফুড অ্যান্ড বেভারেজ লিমিটেড-এর সিইও জনাব মো: পারভেজ সাইফুল ইসলাম, হেড অব মার্কেটিং জনাব ইমতিয়াজ ফিরোজ এবং প্রতিষ্ঠানের অন্যান্য ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা। এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন সম্মানিত বিচারকবৃন্দ ও আমন্ত্রিত অতিথিরা।
সমাপনী অনুষ্ঠানে বক্তারা বলেন, রুচি বিউটিগ্রামের মতো একটি আয়োজন দেশের তরুণ প্রজন্মকে ভ্রমণ ও সৃজনশীল কনটেন্ট তৈরিতে উৎসাহিত করছে। ছবি, ভিডিও ও গল্পের মাধ্যমে বাংলাদেশকে নতুনভাবে তুলে ধরার এই উদ্যোগ দেশের সৃজনশীল চর্চাকে আরও সমৃদ্ধ করবে বলে তারা আশাবাদ ব্যক্ত করেন।
স্কয়ার ফুড অ্যান্ড বেভারেজ লিমিটেড-এর পক্ষ থেকে সিইও জনাব মো: পারভেজ সাইফুল ইসলাম এই সফল আয়োজনের সঙ্গে যুক্ত সকল অংশগ্রহণকারী, দর্শক ও শুভানুধ্যায়ীদের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন। তিনি ভবিষ্যতেও এ ধরনের সৃজনশীল আয়োজনের মাধ্যমে বাংলাদেশের গল্প বিশ্বমঞ্চে তুলে ধরার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।
অন্তরা/
খাবারপ্রেমী এবং ফুটবল ভক্তদের জন্য এক দারুণ সুখবর নিয়ে এসেছে র্যাডিসন ব্লু ঢাকা ওয়াটার গার্ডেন। আগামী ১৬ জুন থেকে ৩১ জুলাই ২০২৬ পর্যন্ত ওয়াটার গার্ডেন ব্র্যাসারিতে (WGB রেস্তোরাঁ) অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে ব্রাজিলিয়ান ও আর্জেন্টাইন খাবারের উৎসব ‘টেস্ট অফ ল্যাটিন’।
এই উৎসবের বুফে খাবারের মূল্য জনপ্রতি সর্বমোট ৮,৯৫০ টাকা (সব ট্যাক্সসহ), যেখানে ব্রাজিল ও আর্জেন্টিনার ঐতিহ্যবাহী সব জিভে জল আনা খাবার পরিবেশন করা হবে। এছাড়া নির্দিষ্ট কিছু ব্যাংকের কার্ডে থাকছে একটি কিনলে তিনটি ফ্রি আকর্ষণীয় অফার, যা আপনার খাবারের আনন্দকে বাড়িয়ে দেবে বহুগুণ।
এই উৎসবের জন্য বিশেষভাবে তৈরি মেন্যুতে থাকছে ল্যাটিন আমেরিকার বিখ্যাত সব মূল খাবার যার মধ্যে রয়েছে গালিনহাদা (জাফরান চাল দিয়ে তৈরি ব্রাজিলিয়ান চিকেন রাইস), ফিজোয়াডা (ব্রাজিলিয়ান বিফ স্টু), কার্বোনাডা ক্রিওলা (আর্জেন্টাইন বিফ স্টু), চুপিন দে পেসকাডো (আর্জেন্টাইন ফিশ স্টু), চিমীচুরী চিকেন, ব্রাজিলিয়ান বিফ পিকাডিলো, চিকেন আসাদো এবং ভাকা এতোলাদা।
এছাড়াও অতিথিরা উপভোগ করতে পারবেন প্রিমিয়াম কোয়ালিটির গ্রিল করা মাংসের সমাহার, যা আপনাকে ল্যাটিন আমেরিকার আসল স্বাদের আমেজ দেবে। খাওয়ার শেষে মিষ্টিমুখ করার জন্য থাকছে ল্যাটিন আমেরিকার ঐতিহ্যবাহী সব ডেজার্ট, যার মধ্যে রয়েছে ব্রিগাদেইরো, পুদিম দে লেইতে, বোলো দে রলো, ব্রাজিলিয়ান কোকোনাট পুডিং, বেইজিনহো দে কোকো, বালা বাইয়ানা, আলফাহোরেস, কার্লোটা লেমন কেক, তরতা দে ফ্রুট এবং ব্যানানা ক্যারামেল হট ডেজার্ট, এর পাশাপাশি বিভিন্ন রকমের আন্তর্জাতিক কেক ও মুস তো থাকছেই।
উত্তেজনা এখানেই শেষ নয়! ফুটবলপ্রেমীদের জন্য হোটেলের ‘চিট চ্যাট’ ক্যাফেতে থাকছে বড় পর্দায় সরাসরি ফিফা বিশ্বকাপ ম্যাচ দেখার সুযোগ, সাথে থাকবে সুস্বাদু সব খাবারের মেন্যু।
বিশ্বকাপ চলাকালীন যারা ‘চিট চ্যাট’-এ আসবেন, তারা নির্দিষ্ট কিছু ব্যাংকের কার্ডে পাবেন ১০% ছাড়, ফলে পরিবার ও বন্ধুদের নিয়ে ফুটবল বিশ্বকাপ উদযাপনের জন্য এটিই হবে সেরা জায়গা। খেলা দেখার আনন্দকে আরও বাড়িয়ে দিতে এবং এই ফুটবল উন্মাদনাকে একটি বিলাসবহুল ছুটিতে রূপান্তর করতে অতিথিরা বেছে নিতে পারেন বিশেষ ‘স্টে অ্যান্ড স্কোর’ প্যাকেজ।
আরামদায়ক এই প্রিমিয়াম রুম প্যাকেজগুলো শুরু হচ্ছে মাত্র ৮,৯০০++ টাকা থেকে, যা পরিবার ও বন্ধুদের সাথে সময় কাটানোর জন্য একদম উপযুক্ত। আপনি যদি একজন ভোজনরসিক হন, ফুটবল ভক্ত হন কিংবা চমৎকার পরিবেশে দারুণ কিছু সময় কাটাতে চান— ‘টেস্ট অফ ল্যাটিন’ আপনাকে দেবে খাঁটি ল্যাটিন খাবার, উৎসবের আমেজ এবং বিশ্বমানের আতিথেয়তার এক অনন্য অভিজ্ঞতা।
জাতীয় সাইবার সুরক্ষা অ্যাজেন্সির (এনসিএসএ) উদ্যোগে এবং তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিভাগের সহযোগিতায় আয়োজিত ‘বাংলাদেশ সাইবার সিকিউরিটি অলিম্পিয়াড ২০২৬’ পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠান সম্পন্ন হয়েছে।
শনিবার (১৩ জুন) রাজধানীর আগারগাঁওয়ে জাতীয় বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি কমপ্লেক্সে বাংলাদেশ সাইবার সিকিউরিটি অলিম্পিয়াড ২০২৬-এর সমাপনী ও পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠান সম্পন্ন হয়।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রী ফকির মাহবুব আনাম।
বিশেষ অতিথি ছিলেন প্রধানমন্ত্রীর ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি বিষয়ক উপদেষ্টা রেহান আসিফ আসাদ।
অনুষ্ঠানে তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিভাগ ও আওতাধীন দপ্তর সংস্থার ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষ ছাড়াও বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিভাগের ভারপ্রাপ্ত সচিব মো. মামুনুর রশীদ ভূঞা ও জাতীয় সাইবার সুরক্ষা অ্যাজেন্সির মহাপরিচালক ড. মো. তৈয়বুর রহমান।
এবার সাইবার ড্রিলের প্রতিযোগিতায় চ্যাম্পিয়ন হয়েছে মিউচুয়াল ট্রাস্ট ব্যাংক পিএলসি। দ্বিতীয় স্থান অর্জন করেছে ডাচ্-বাংলা ব্যাংক পিএলসি এবং তৃতীয় স্থান অর্জন করেছে কমিউনিটি ব্যাংক বাংলাদেশ পিএলসি।
বক্তারা দেশের তরুণ প্রজন্মের মধ্যে সাইবার নিরাপত্তা দক্ষতা বিকাশ এবং আন্তর্জাতিক মানের সাইবার নিরাপত্তা বিশেষজ্ঞ তৈরিতে এ ধরনের উদ্যোগের গুরুত্ব তুলে ধরেন।
তারা আশা প্রকাশ করেন, এই অলিম্পিয়াডের মাধ্যমে গড়ে ওঠা নতুন প্রজন্ম ভবিষ্যতে দেশের ডিজিটাল অবকাঠামো সুরক্ষায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে এবং আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলে বাংলাদেশের মর্যাদা আরও বৃদ্ধি করবে।
দেশের তরুণ প্রজন্মের মধ্যে সাইবার নিরাপত্তা বিষয়ে সচেতনতা বৃদ্ধি, দক্ষতা উন্নয়ন এবং আন্তর্জাতিক মানের সাইবার নিরাপত্তা প্রতিভা গড়ে তোলার লক্ষ্যে এ অলিম্পিয়াড আয়োজন করা হয়।
অলিম্পিয়াড উপলক্ষে সারা দেশের ৩০০টি সংসদীয় আসনের আওতাধীন ‘স্কুল অব ফিউচার’-এ তথ্য কর্মকর্তাদের মাধ্যমে অ্যাক্টিভেশন ক্যাম্পেইন চালানো হয়।
এই উদ্যোগের ফলে দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে মোট ৪ হাজার ৯১১ জন শিক্ষার্থী অলিম্পিয়াডে নিবন্ধন করেন। গত ১৬ মে দেশের ১৭টি বিশ্ববিদ্যালয়ের ভেন্যুতে আঞ্চলিক পর্যায়ের প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হয়। প্রতিটি ভেন্যু থেকে ১ম, ২য় ও ৩য় স্থান অর্জনকারী মোট ৫১ জন শিক্ষার্থীকে নির্বাচন করে তাদের পুরস্কার ও সনদ প্রদান করা হয়।
আঞ্চলিক পর্যায়ে নির্বাচিত ৫১ জন শিক্ষার্থীকে নিয়ে গত ৯ জুন থেকে ১২ জুন পর্যন্ত আবাসিক মেন্টরিং বুটক্যাম্পের আয়োজন করা হয়। চার দিনব্যাপী এই বুটক্যাম্পে অংশগ্রহণকারীদের উন্নত সাইবার নিরাপত্তা প্রশিক্ষণ, ব্যবহারিক অনুশীলন এবং আন্তর্জাতিক প্রতিযোগিতার উপযোগী পরামর্শ দেওয়া হয়।
বুটক্যাম্পে জাতীয় সাইবার সুরক্ষা অ্যাজেন্সির কর্মকর্তাদের পাশাপাশি বিডিজি ই-গভ সার্টের সাইবার সিকিউরিটি বিশেষজ্ঞরা মেন্টরের দায়িত্ব পালন করেন।
এ ছাড়াও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ইনস্টিটিউট অব ইনফরমেশন টেকনোলজির পরিচালক অধ্যাপক ড. বি এম মইনুল হোসেন এবং বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের কম্পিউটার সায়েন্স অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের অধ্যাপক ড. এ বি এম আলিম আল ইসলাম বিশেষ সেশন পরিচালনা করেন।
এর পর ১২ জুন তারিখে অনুষ্ঠিত হয় জাতীয় পর্যায়ের চূড়ান্ত প্রতিযোগিতা। এই প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণকারীদের মধ্য থেকে সেরা প্রতিযোগীদের নির্বাচন করা হয়। নির্বাচিত বিজয়ীরা আন্তর্জাতিক সাইবার নিরাপত্তা অলিম্পিয়াডে বাংলাদেশের প্রতিনিধিত্ব করবে।
বিশ্ব পরিবেশ দিবস উপলক্ষে রাজধানীর আগারগাঁওয়ে পরিবেশ সুরক্ষা ও জলবায়ু সচেতনতা বাড়াতে ব্যতিক্রমী আয়োজন করেছে তরুণদের সংগঠন ব্রাইটার্স (Brighters)।
শনিবার (১৩ জুন) আয়োজিত ‘রান ফর আর্থ’ (Run4Earth) শীর্ষক ৭ দশমিক ৫ কিলোমিটার দীর্ঘ ম্যারাথনে অংশ নেন প্রায় ৩০০ তরুণ, জলবায়ু কর্মী ও সাধারণ নাগরিক।
আয়োজকেরা জানান, জলবায়ু সুরক্ষা, দূষণ প্রতিরোধ এবং টেকসই নগর গঠনের দাবিকে সামনে রেখে এই আয়োজন করা হয়। বিশ্ব পরিবেশ দিবসকে কেন্দ্র করে তরুণদের মধ্যে পরিবেশ সচেতনতা বৃদ্ধি এবং সম্মিলিত উদ্যোগের বার্তা ছড়িয়ে দেওয়াই ছিল কর্মসূচির মূল লক্ষ্য।
অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন- ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের সাবেক প্রশাসক মোহাম্মদ এজাজ, অ্যাকশনএইড বাংলাদেশের ইয়ুথ অ্যান্ড ক্লাইমেট রেজিলিয়েন্স লিড নাজমুল আহসানসহ বিভিন্ন সংগঠনের প্রতিনিধিরা। কর্মসূচিটির কৌশলগত অংশীদার ছিল সি৩ইআর (C3ER- Centre for Climate Change and Environmental Research), ভলান্টিয়ার ফর এনভায়রনমেন্ট- ইয়ুথ ফর ক্লাইমেট জাস্টিস এবং স্বপ্নপুর কল্যাণ সংস্থা।
অনুষ্ঠানে মোহাম্মদ এজাজ বলেন, পরিবেশ রক্ষায় এ ধরনের উদ্যোগ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। শহর ও পরিবেশ সুরক্ষায় তরুণদের আরও সক্রিয় ভূমিকা নেওয়া প্রয়োজন। গণপরিসরে এমন উদ্যোগের মাধ্যমে ইতিবাচক সামাজিক অংশগ্রহণ বাড়ানো সম্ভব বলেও তিনি মন্তব্য করেন।
নাজমুল আহসান বলেন, সৃজনশীল উদ্যোগের মাধ্যমে তরুণদের মধ্যে পরিবেশ বিষয়ে সচেতনতা বৃদ্ধি পায় এবং জলবায়ু সংকট মোকাবিলায় নতুন প্রজন্ম আরও উদ্যোগী হয়ে ওঠে।
ব্রাইটার্সের প্রতিষ্ঠাতা বলেন, জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব তীব্র তাপপ্রবাহ, বন্যা, খরা, ঘূর্ণিঝড় ও জ্বালানি অনিশ্চয়তার মতো সংকট মোকাবিলায় এককভাবে নয়, সম্মিলিতভাবে কাজ করতে হবে। এই আয়োজনের মাধ্যমে সবাইকে একসঙ্গে উদ্যোগী হওয়ার বার্তা দেওয়া হয়েছে।
আয়োজকেরা জানান, প্রথাগত সচেতনতামূলক প্রচারণার বাইরে গিয়ে অংশগ্রহণমূলক অভিজ্ঞতার মাধ্যমে মানুষকে সম্পৃক্ত করাই ছিল এ উদ্যোগের উদ্দেশ্য। একই সঙ্গে ঢাকার দূষণ নিয়ন্ত্রণ, বর্জ্য ব্যবস্থাপনা এবং সবুজ স্থান সংরক্ষণে সচেতনতা বাড়িয়ে নগর ইকোসিস্টেম পুনরুদ্ধারের আহ্বান জানানো হয়।
রিফাত/