ঢাকা ৩ আষাঢ় ১৪৩৩, বুধবার, ১৭ জুন ২০২৬

সর্বশেষ
আর্জেন্টিনার জার্সির পেছনে ‘১৮৯৩’ লেখা থাকার কারণ কী? বিশ্বকাপ জয়ের এটাই সেরা সুযোগ: হ্যারি কেইন মেসি বন্দনায় ভাষা হারিয়েছেন স্কালোনি ঘুরে দাঁড়াতে মরিয়া তুরস্ক, লক্ষ্য প্যারাগুয়ে বধ নাটকীয় ম্যাচে জর্ডানকে হারাল অস্ট্রিয়া প্রথমবার ইউএনএইচসিআর ব্যুরোর সভাপতিত্বে বাংলাদেশ মৌলভীবাজারে বৃষ্টি উপেক্ষা করে জনসভাস্থলে নেতাকর্মীদের ঢল ব্যাপন, অভিস্রবণ ও প্রস্বেদন অধ্যায়ের ৭টি বহুনির্বাচনি প্রশ্ন ও উত্তর, ৪র্থ পর্ব, অষ্টম শ্রেণির বিজ্ঞান ইসলামী ব্যাংকের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা রাজনীতিতে অংশ নিতে পারবেন না বেরোবিতে রিডিং রুমের কাজ অসম্পূর্ণ রেখে হলে টিভি স্থাপন, শিক্ষার্থীদের ক্ষোভ সংবাদ উপস্থাপক থেকে জনপ্রতিনিধি: শামীমা তন্বীর অসাধারণ অভিযাত্রা ন্যাশনাল ব্যাংকে চাকরির সুযোগ স্বীকৃত কূটনৈতিক পথে সমাধান খুঁজতে হবে ডাচ্-বাংলা ব্যাংকে ৩০ শতাংশ ডিভিডেন্ড অনুমোদন নারী থাকুক নিরাপদে... মৌলভীবাজারে তারেক রহমানের জনসভায় চিরচেনা বিলবোর্ড-ব্যানারের অনুপস্থিতি স্বপ্নে জীবিত দেখার দাবি! ১৮ দিন পর তরুণীর কবর খনন নওগাঁয় রেল লাইনের পাশ থেকে কলেজশিক্ষকের মরদেহ উদ্ধার টুকটুক ও চিকু পাঠ থেকে ২টি অনুশীলনীর প্রশ্ন ও উত্তর, ১ম পর্ব, পঞ্চম শ্রেণির বাংলা মেসির হ্যাটট্রি গোলে আর্জেন্টিনার জয়, হিলিতে সমর্থকদের উচ্ছ্বাস ‘আমরা সবচেয়ে বিখ্যাত জুটি’, মোদিকে জর্জিয়া মেলোনি সিলেটে একদিনে হামের উপসর্গে আরও তিন শিশুর মৃত্যু নাটোরে বলাৎকার মামলায় ২ জন কারাগারে ডলার স্থিতিশীল, বেড়েছে ইউরো ও পাউন্ডের দাম চাঁদপুরে আর্জেন্টিনা সমর্থকদের বাঁধভাঙা উচ্ছ্বাস রাসুল (সা.)-এর চুল সাদা হলেও যেমন দেখাত ১৯৭৮ সালে এসেছিলেন প্রেসিডেন্ট বাবা, ৪৮ বছর পর একই মাঠে প্রধানমন্ত্রী ছেলে লক্ষ্মীপুরে স্কুলছাত্রের মৃত্যুকে কেন্দ্র করে বিদ্যালয় ভাঙচুর সিলেটে বৃষ্টিতে ভিজে প্রধানমন্ত্রীকে স্বাগত জানালেন চা শ্রমিকরা ‘সমর্থকরা আর্জেন্টিনার এই দলকে নিয়ে পাগল’, ইতিহাস গড়ার পর মেসি
Nagad desktop

চকরিয়ায় ৩ অবৈধ অটো ব্রিকস কারখানা, স্বাস্থ্য ও পরিবেশের ঝুঁকি

প্রকাশ: ৩১ ডিসেম্বর ২০২৪, ০৯:০২ পিএম
আপডেট: ৩১ ডিসেম্বর ২০২৪, ০৯:০৩ পিএম
চকরিয়ায় ৩ অবৈধ অটো ব্রিকস কারখানা, স্বাস্থ্য ও পরিবেশের ঝুঁকি
অবৈধ অটো ব্রিকস কারখানা। ছবি: খবরের কাগজ

কক্সবাজারের চকরিয়ায় সরকারি সংশ্লিষ্ট দপ্তরের কোনো ধরনের অনুমোদন ছাড়াই লোকালয়ে গড়ে তোলা হয়েছে তিনটি অটো ব্রিকস তৈরির কারখানা। অভিযোগ ওঠেছে, সরকারি কলকারখানা ও প্রতিষ্ঠান পরিদর্শন অধিদপ্তরের লাইন্সেস, পরিবেশ অধিদপ্তর কতৃক ছাড়পত্র ও পৌরসভার ট্রেড লাইন্সেস কোনোটাই নেই ইট তৈরির কারখানাগুলোতে। দুটি কারখানায় শুধু ফায়ার সার্ভিসের সনদ থাকলেও অপর একটিতে সেটিও নেই। তারপরও নিজস্ব দাপটে গেল ৬-৭ মাস ধরে এসব কারখানায় ইট তৈরি এবং বাণিজ্য শুরু করেছেন সংশ্লিষ্টরা। 

কারখানাগুলোতে ইট তৈরির সময় বিকট শব্দের কারণে আশপাশের বাসিন্দারা ইতোমধ্যে শব্দদূষণ যন্ত্রনায় পড়ে নানাধরনের রোগে আক্রান্ত হচ্ছে বলে অভিযোগ ওঠেছে। 

এ অবস্থায় ভুক্তভোগী বাসিন্দারা অতিষ্ঠ হয়ে বর্তমান অন্তবর্তী সরকারের ধর্ম উপদেষ্টার কাছে ইট তৈরির কারখানা বন্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণে লিখিত অভিযোগ করেছেন। বিষয়টি জনগুরুত্বপূর্ণ বিবেচনা করে ধর্ম উপদেষ্টা ড. আ ফ ম খালিদ হোসেন অভিযুক্ত বাটাখালী সেতু এলাকার এলএইচবি অটো ব্লক সেন্টার নামের ইট তৈরির কারখানাটি বন্ধ করে দিতে চকরিয়া উপজেলা প্রশাসনকে নির্দেশ দেন। এরই প্রেক্ষিতে চকরিয়া উপজেলা প্রশাসনের ভ্রাম্যমাণ আদালতের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট অভিযান চালিয়ে অবৈধ ইট তৈরির কারখানা সিলগালা করে দিলেও অভিযুক্ত কারখানা মালিক রাতের আঁধারে ফের ইট তৈরির কারবার শুরু করেছেন বলে জানিয়েছেন স্থানীয় লোকজন। 

সরকারি সংশ্লিষ্ট কতৃপক্ষের অনুমোদন ছাড়াই এভাবে চলছে চকরিয়া পৌরসভার ১ নং ওয়ার্ডের তরছপাড়া এলাকার মাস্টারমাইন্ড অটো ব্রিকস এন্ড সিরামিক্স ইন্ডাস্ট্রি, বাটাখালী সেতু এলাকার এলএইচবি অটো ব্লক সেন্টার ও চোঁয়ারফাঁড়ি এলাকার মা-বাবার দোয়া ব্লক ফ্যাক্টরি নামের তিনটি কারখানা। 

অভিযোগ পাওয়া গেছে, নিয়োজিত শ্রমিকদের স্বাস্থ্য ও নিরাপত্তা নিশ্চিত ছাড়া অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণভাবে কারখানাগুলো চলছে। এরই মধ্যে গত সপ্তাহে ভোররাতে উপজেলার চোঁয়ারফাঁড়ির মা-বাবার দোয়া ব্লক ফ্যাক্টরির অফিসকক্ষে আগুন লাগার ঘটনা ঘটে। এতে কারখানাটির অফিসকক্ষ পুড়ে গেছে। এরআগে গত ১৮ ডিসেম্বরের দিকে মাস্টারমাইন্ড অটো ব্রিকস কারখানায় ইট ব্লক তৈরির মিক্সচার মেশিন পরিষ্কার করার সময় বৈদ্যুতিক লাইন চালু হয়ে মেশিনের সঙ্গে পিষ্ট হয়ে দুই শ্রমিক প্রাণ হারিয়েছেন। 

নিহত দুজন শ্রমিকের নাম চকরিয়া উপজেলার ফাঁসিয়াখালী ইউনিয়নের দক্ষিণ ঘুনিয়া গ্রামের মো. শাহজাহানের ছেলে শাহাদাত হোসেন শহীন (১৭) ও চকরিয়া পৌরসভার করাইয়াঘোনা এলাকার রুহুল কাদেরের ছেলে কামরানুল ইসলাম জিহান (১৮)। 

সূত্রে জানা যায়, কোনো কারখানা স্থাপনের আগে কলকারখানা ও প্রতিষ্ঠান পরিদর্শন অধিদপ্তর থেকে রেজিস্ট্রেশন ও লাইন্সেস করতে হয়। কারখানাটি ইন্ডাস্ট্রিয়াল কোন সেক্টরে অন্তর্ভুক্ত ও কতজন শ্রমিক কাজ করছেন তা উল্লেখ করতে হয়। লাইন্সেস ছাড়া তিনটি কারখানায় উৎপাদন শুরু করেছে। এসব কারখানার সরকারি কোনো দপ্তরের ছাড়পত্রও নেই।

দুইমাস আগে গত ৩১ অক্টোবর পরিবেশের ছাড়পত্র ছাড়া এলএইচবি অটো ব্লক সেন্টার পরিদর্শন করে শব্দ দূষণের সত্যতা পেয়ে কারখানাটি বন্ধের জন্য কক্সবাজার পরিবেশ অধিদপ্তরের উপপরিচালক জমির উদ্দিন একটি প্রতিবেদন দেন।

চকরিয়া পৌরসভার সংশ্লিষ্ট বিভাগ সূত্রে জানা যায়, কারখানা স্থাপনের জন্য পৌরসভা থেকে অনাপত্তি সনদ পাওয়ার পর ট্রেড লাইন্সেস প্রদান করা হয়। অনাপত্তি সনদ পেতে কারখানা স্থাপন ও পরিচালনার জন্য পরিবেশ সংরক্ষণ আইন ও বিধি অনুসরণ, পরিবেশ অধিদপ্তরের নির্ধারিত পদ্ধতিতে ছাড়পত্র, কর্মরত শ্রমিকদের পেশাগত স্বাস্থ্য ও নিরাপত্তা নিশ্চিত, অগ্নি নির্বাপন ব্যবস্থা, অগ্নিকাণ্ড কিংবা দুর্ঘটনার জরুরি নির্বাপন, বায়ু ও শব্দ দূষণ করা যাবে না-এমন কিছু শর্তাবলি রয়েছে।

সরেজমিনে জানা গেছে, মাতামুহুরি নদীর পাশে চকরিয়া পৌরসভার তরছপাড়া মাস্টারমাইন্ড অটো ব্রিকস এন্ড সিরামিক্স ইন্ডাস্ট্রির অবস্থান। সেখানে চার ধরনের লোগো ব্রিকস, সলিড ব্রিকস ও ইউনি পেভার ইট ও ব্লক তৈরি হয়। কারখানার ভেতর ও বাহিরে লাখের অধিক ইট ও ব্লক তৈরি করে রাখা হয়েছে। দুজন শ্রমিক নিহত হওয়ার পর থেকে কারখানাটি বন্ধ রয়েছে। 

স্থানীয় তরছপাড়ার জয়নাল আবেদীন ও নাজেম উদ্দিন বলেন, ‘কারখানার শব্দ দূষণ ও ধূলাবালির কারণে এলাকায় বসবাস করা যাচ্ছে না। আমরা প্রশাসনের কাছে একাধিকবার অভিযোগ দিয়েছি। কোনো ব্যবস্থা গ্রহণ করেনি। শুনেছি, দুজন শ্রমিক নিহত হওয়ার পর তাদের পরিবারকে মোটা অঙ্কের টাকা দিয়ে ম্যানেজ করেছে কারখানার মালিকপক্ষ।’ 

জানতে চাইলে মাস্টারমাইন্ড অটো ব্রিকস এন্ড সিরামিক্স ইন্ডাস্ট্রির ম্যানেজার জামাল হোসেন বলেন, ‘কারখানায় প্রতিষ্ঠানে কোনো কাগজপত্র নেই। পৌরশহরে কারখানা মালিকের অফিসে রয়েছে, তার সঙ্গে দেখা করলে বিস্তারিত জানবেন।’

মাস্টারমাইন্ড অটো ব্রিকস এন্ড সিরামিক্স ইন্ডাস্ট্রির মালিক ইঞ্জিনিয়ার কফিল উদ্দিন সাংবাদিকদের কাছে বলেন, ‘কারখানা খুলতে আমরা কোম্পানি খুলেছি। যে দুজন শ্রমিক মারা গেছে, তারা আল্লাহের হুকুমে মারা গেছে। আমাদের কাছে কাছে সব ধরনের কাগজপত্র আছে।’ তবে তার কাছে কলকারখানা ও প্রতিষ্ঠান পরিদর্শন অধিদপ্তরের লাইন্সেস, ট্রেড লাইন্সেসের কাগজপত্র দেখতে চাইলে তিনি দেখাতে পারেননি। 

চকরিয়া পৌরসভার লাইন্সেস পরিদর্শক কামাল হোছাইন বলেন, ‘মাস্টারমাইন্ড অটো ব্রিকস এন্ড সিরামিক্স ইন্ডাস্ট্রির নামে ট্রেড লাইন্সেসের জন্য আবেদন করেন প্রতিষ্ঠানটির একজন ব্যক্তি। কিন্তু কারখানা স্থাপনের জন্য যেসব কাগজপত্র ও শর্তাবলি রয়েছে, তা না থাকায় আমরা তাকে ট্রেড লাইন্সেস দিইনি। যদি এসব শর্ত পূরণ করে লাইন্সেস প্রদান করা হবে।’ 

চকরিয়া ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সের স্টেশন কর্মকর্তা সেলিম উদ্দিন বলেন, ‘গত সোমবার ভোররাত সাড়ে তিনটার দিকে মা-বাবার দোয়া ব্লক ফ্যাক্টরির অফিসকক্ষে আগুন লাগে। ফায়ার সার্ভিসের একটি ইউনিট গিয়ে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে। তবে প্রতিষ্ঠানটির অগ্নি নির্বাপন ব্যবস্থা থাকায় তেমন ক্ষতি হয়নি। বৈদ্যুতিক শর্ট সার্কিট থেকে আগুনের সূত্রপাত্র হয়েছে।’ 

জানতে চাইলে কক্সবাজার পরিবেশ অধিদপ্তরের উপপরিচালক জমির উদ্দিন বলেন, ‘চকরিয়ার কোনো অটো ব্রিকসকে পরিবেশ ছাড়পত্র দেওয়া হয়নি। এলএইচবি অটো ব্লক সেন্টার পরিদর্শন করে শব্দ দূষণের সত্যতা পাওয়ায় প্রতিবেদন দেওয়া হয়েছে। এ ব্যাপারে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’

জানা গেছে, দুই মাস আগে গত ৩১ অক্টোবর অভিযুক্ত এলএইচবি ব্লক বিকস্ নামের ওই প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নিতে কক্সবাজার পরিবেশ অধিদপ্তরের উপপরিচালক জমির উদ্দিন পরিবেশ অধিদপ্তর চট্টগ্রাম অঞ্চলের পরিচালক বরাবরে সরেজমিন পরিদর্শনপূর্বক অবহিত পত্র পাঠিয়েছেন। 

কিন্তু অভিযোগ ওঠেছে, বিষয়টি নিয়ে দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা পরিবেশ অধিদপ্তর চট্টগ্রাম অঞ্চলের সহকারী উপপরিচালক শ্রীরূপ মজুমদার অদ্যবদি কোনোধরনের পদক্ষেপ নেয়নি। অবশ্য মুঠোফোনে জানতে চাইলে শ্রীরূপ মজুমদার বলেন, ইতোমধ্যে অভিযুক্ত এলএইচবি ব্লক বিকস্ সেন্টারের মালিককে প্রতিষ্ঠানের স্বপক্ষে বৈধ কী কী কাগজপত্র আছে তা নিয়ে হাজির হতে নোটিশ দেওয়া হয়েছে। 

চকরিয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মোহাম্মদ আতিকুর রহমান বলেন, ‘উপজেলায় তিনটি অটো ব্রিকস কারখানা রয়েছে। অনুমোদন ছাড়া এসব কারখানায় পরিবেশ অধিদপ্তর ও সংশ্লিষ্ট দপ্তরকে সঙ্গে নিয়ে অভিযান চালিয়ে একসঙ্গে উচ্ছেদ করা হবে।’

রাজু দাশ চকরিয়া/মাহফুজ

 

মৌলভীবাজারে বৃষ্টি উপেক্ষা করে জনসভাস্থলে নেতাকর্মীদের ঢল

প্রকাশ: ১৭ জুন ২০২৬, ০১:২৯ পিএম
মৌলভীবাজারে বৃষ্টি উপেক্ষা করে জনসভাস্থলে নেতাকর্মীদের ঢল
ছবি: খবরের কাগজ

মুষলধারে বৃষ্টি থামাতে পারেনি নেতা-কর্মীদের। প্রতিকূল আবহাওয়া উপেক্ষা করে দলে দলে মিছিল নিয়ে মৌলভীবাজারের জনসভাস্থলে জড়ো হচ্ছেন হাজারো মানুষ।

বুধবার (১৭ জুন) সকাল থেকেই বৃষ্টি শুরু হলেও তাতে ভাটা পড়েনি জনস্রোতে। ছাতা, পলিথিন কিংবা ভেজা কাপড়েই নেতা-কর্মীদের উপস্থিতি ছিল চোখে পড়ার মতো। বৃষ্টি যেন উল্টো তাদের উচ্ছ্বাসকে আরও বাড়িয়ে দিয়েছে।

মৌলভীবাজার সরকারি উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে আয়োজিত এই জনসভাকে ঘিরে সকাল থেকেই জেলার বিভিন্ন উপজেলা থেকে মিছিল নিয়ে আসতে দেখা যায় নেতা-কর্মীদের। বৃষ্টি উপেক্ষা করে কাদামাখা সড়ক পাড়ি দিয়ে তারা পৌঁছাচ্ছেন জনসভাস্থলে।

দলীয় সূত্রে জানা গেছে, দুপুরে মৌলভীবাজার সরকারি উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে উপস্থিত থেকে ফ্যামিলি কার্ড বিতরণ করবেন।

সরেজমিনে দেখা গেছে, শহরের প্রবেশমুখগুলো দিয়ে ভেজা কাপড়েই মিছিল নিয়ে ঢুকছেন মানুষ। অনেকের হাতে দলীয় পতাকা, কেউ আবার স্লোগান দিতে দিতে এগিয়ে যাচ্ছেন।

রাজনগর থেকে আসা বিএনপি কর্মী নুরুজ্জামান বলেন, ‘সকাল থেকে বৃষ্টি হচ্ছে, তবুও আসতে বাধা হয়নি। ভিজে গেলেও সমস্যা নেই, শুধু নেতার বক্তব্য শুনতে চাই।’

কর্মী রাশেদ মিয়া বলেন, ‘বৃষ্টির কারণে একটু কষ্ট হচ্ছে, কিন্তু এই কষ্টই আনন্দে পরিণত হবে যখন তাকে সামনে থেকে দেখতে পারব।’

নারী কর্মী সুহেলী বেগম বলেন, ‘আমরা নারীরাও পিছিয়ে নেই। বৃষ্টি হলেও আমরা এসেছি এটাই আমাদের দলের প্রতি ভালোবাসা ও সমর্থন।’

এই কর্মসূচির আওতায় শ্রীমঙ্গল উপজেলার মির্জাপুর ইউনিয়নের ১ নম্বর ওয়ার্ডের ১৫৫টি পরিবার এবং রাজনগর উপজেলার টেংরা ইউনিয়নের ৭ নম্বর ওয়ার্ডের ১৫২টি পরিবারকে তৃতীয় পর্যায়ের পাইলটিং কার্যক্রমে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। নির্বাচিত প্রতিটি পরিবার প্রতি মাসে ২ হাজার ৫০০ টাকা করে আর্থিক সহায়তা পাবে।

পুলক/রিফাত/

মৌলভীবাজারে তারেক রহমানের জনসভায় চিরচেনা বিলবোর্ড-ব্যানারের অনুপস্থিতি

প্রকাশ: ১৭ জুন ২০২৬, ১২:৩৬ পিএম
আপডেট: ১৭ জুন ২০২৬, ১২:৩৬ পিএম
মৌলভীবাজারে তারেক রহমানের জনসভায় চিরচেনা বিলবোর্ড-ব্যানারের অনুপস্থিতি
ছবি: মামুন হোসেন

মৌলভীবাজারে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের জনসভাকে ঘিরে শহরে দেখা যাচ্ছে এক ভিন্ন চিত্র -নেই বিলবোর্ড, ব্যানার, ফেস্টুন কিংবা বিশাল তোরণের প্রচলিত সাজসজ্জা।

বুধবার (১৭ জুন) সকাল থেকেই জেলার বিভিন্ন প্রান্ত থেকে মিছিল নিয়ে নেতা-কর্মীরা জনসভাস্থলের দিকে আসছেন। আগের জনসভাগুলোর মতো এবারও মাঠমুখী মানুষের ঢল থাকলেও শহরের চেহারায় নেই সেই চিরচেনা উৎসবের দৃশ্য।

স্থানীয়রা জানান, বিগত সময়ে বড় রাজনৈতিক জনসভা মানেই ছিল শহরের প্রধান সড়ক, মোড় ও গুরুত্বপূর্ণ স্থানে ব্যানার-ফেস্টুনের বন্যা। দলীয় নেতাদের ছবি সম্বলিত বিলবোর্ড আর রঙিন তোরণে সয়লাব হয়ে যেত পুরো শহর। কিন্তু এবার সেই চিত্র একেবারেই অনুপস্থিত।

রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা বলছেন, এ পরিবর্তনের পেছনে একাধিক কারণ থাকতে পারে। দলীয় ও প্রশাসনিক কড়াকড়ি, পরিবেশ সচেতনতা কিংবা খরচ কমানোর প্রবণতা। সবকিছু মিলিয়ে দলগুলো এখন প্রচারণার ধরনে পরিবর্তন আনছে।

স্থানীয়রা বলছেন, এর আগে মৌলভীবাজারে বিভিন্ন সভা সমাবেশগুলো ঘিরে প্রচার-প্রচারণার নেতা-কর্মীদের ব্যানার-পোস্টারের আধিক্য ছিল চোখে পড়ার মতো। তবে এবার ব্যতিক্রমী এই চিত্রে শহর যেন অনেকটাই নিরব। কেবল জনসমাগমেই সীমাবদ্ধ রয়েছে আয়োজনের দৃশ্যমানতা।

অটোরিকশাচালক মনির হোসেন, রাস্তা-ঘাট আগে বিলবোর্ড, বড় বড় গেইট ও ব্যানারে ভরে যেত, চলাচলে সমস্যা হতো। এবার সেই ঝামেলা নেই, এটা আমাদের জন্য ভালো।

আগে বড় নেতা আসলে শহরজুড়ে ব্যানার-ফেস্টুনে ভরে যেত। এখন তেমন কিছু চোখে পড়ছে না। বলছিলেন চা দোকানি শফিক মিয়া।

ব্যবসায়ী বাসিত মিয়া বলেন, ব্যানার-ফেস্টুন হলে শহরে একটা উৎসবের আমেজ থাকত। এবার সেই অনুভূতিটা একটু কম লাগছে।

স্কুলশিক্ষক সায়মা আক্তার বলেন, আমি মনে করি, এটা একটা ভালো দিক। শহর পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন থাকছে। অপ্রয়োজনীয় ব্যানার-ফেস্টুন না থাকলে পরিবেশও ভালো থাকে।

এদিকে সাধারণ মানুষ বলছেন, শহরের সৌন্দর্য রক্ষার দিক থেকেও এটি ইতিবাচক উদ্যোগ হতে পারে। তবে রাজনৈতিক উৎসবের ঐতিহ্যগত রঙিন আবহ না থাকায় অনেকের কাছেই বিষয়টি কিছুটা অচেনা লাগছে। সব মিলিয়ে, জনসভা ঘিরে মানুষের আগ্রহ ও অংশগ্রহণ থাকলেও প্রচারণার দৃশ্যমান রূপে এসেছে স্পষ্ট পরিবর্তন। যা মৌলভীবাজারের রাজনৈতিক সংস্কৃতিতে নতুন একটি ধারা তৈরি করতে পারে।

বুধবার দুপুরে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান মৌলভীবাজারের শ্রীমঙ্গল উপজেলার ভিক্টোরিয়া উচ্চবিদ্যালয় মাঠ এবং পরে মৌলভীবাজার জেলা সদরে মৌলভীবাজার সরকারি উচ্চবিদ্যালয় মাঠে উপস্থিত থেকে ফ্যামিলি কার্ড বিতরণ করবেন।

পুলক পুরকায়স্থ/রিফাত/

স্বপ্নে জীবিত দেখার দাবি! ১৮ দিন পর তরুণীর কবর খনন

প্রকাশ: ১৭ জুন ২০২৬, ১২:২৭ পিএম
আপডেট: ১৭ জুন ২০২৬, ০১:০০ পিএম
স্বপ্নে জীবিত দেখার দাবি! ১৮ দিন পর তরুণীর কবর খনন
ছবি: খবরের কাগজ

ভোলা সদর উপজেলায় দাফনের ১৮ দিন পর এক তরুণীর কবর খুঁড়ে দেখেছেন তার স্বজনরা। কবরের ভেতরে তিনি জীবিত আছেন এমন স্বপ্ন ও গুজবকে কেন্দ্র করে এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি  হয়।

মঙ্গলবার (১৬ জুন) বিকেলে ভোলা সদর উপজেলার ভেলুমিয়া ইউনিয়নের ১নং ওয়ার্ডের চর রমেশ গ্রামের হোসেন লাহারী বাড়িতে এ ঘটনা ঘটে। মরিয়ম (২০) ওই গ্রামের দিনমজুর খলিল লাহারী ও গৃহিণী তাসনুর বেগমের মেয়ে।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, পরিবারের আর্থিক সচ্ছলতার জন্য কয়েক বছর আগে চট্টগ্রামে গিয়ে একটি গার্মেন্টসে পোশাকশ্রমিকের কাজ শুরু করেন মরিয়ম। ঈদুল আজহার ছুটিতে গত ২৬ মে বাড়িতে আসার পর তিনি অসুস্থ হয়ে পড়েন। চিকিৎসাধীন অবস্থায় ২৮ মে ভোরে বাড়িতেই তার মৃত্যু হয়। পরে ঈদের নামাজ শেষে বাড়ির সামনের মসজিদ প্রাঙ্গণে জানাজা শেষে পারিবারিক কবরস্থানে তাকে দাফন করা হয়।

দাফনের কয়েকদিন পর এলাকায় গুজব ছড়িয়ে পড়ে যে, মরিয়মের কবর থেকে সুগন্ধি বের হচ্ছে। একই সঙ্গে পরিবারের কয়েক সদস্য দাবি করেন, তারা স্বপ্নে মরিয়মকে দেখেছেন এবং তিনি নাকি জীবিত অবস্থায় কবরের ভেতরে রয়েছেন। এসব বিষয় নিয়ে স্থানীয়দের মধ্যে ব্যাপক আলোচনা শুরু হয় এবং প্রতিদিন কবরটি দেখতে উৎসুক মানুষের ভিড় বাড়তে থাকে।

স্থানীয় পাঞ্জেখানা মসজিদের ইমাম আবুল কাশেম জানান, তিনি মরিয়মের জানাজার নামাজ পড়িয়েছেন। পরে পরিবারের সদস্যরা তাকে জানান, মরিয়মের একমাত্র ভাই ও ছোট বোন স্বপ্নে দেখেছেন যে তাকে জীবিত অবস্থায় দাফন করা হয়েছে। বিষয়টি নিয়ে স্থানীয় আলেমদের সঙ্গে আলোচনা করলে তারা এটিকে অবাস্তব বলে মত দেন। এছাড়া কবর থেকে সুগন্ধি বের হওয়ার গুজব ছড়িয়ে পড়লে আলেমদের পরামর্শে কবরের ওপর অতিরিক্ত মাটি দেওয়া হয়েছিল।

তবে সব আলোচনা-সমালোচনার অবসান ঘটাতে মঙ্গলবার বিকেলে প্রায় ৩০০ মানুষের উপস্থিতিতে স্বজনরা কবরটি খনন করেন। কবর খুঁড়ে দেখা যায়, মরিয়মের মরদেহ স্বাভাবিকভাবেই পচন ধরেছে। এরপর পুনরায় মরদেহটি যথাযথভাবে দাফন করে কবর আগের অবস্থায় ফিরিয়ে দেওয়া হয়।

পরিবারের সদস্যরা প্রকাশ্যে কথা বলতে না চাইলেও জানান, মরিয়মকে নিয়ে যে সন্দেহ ও প্রশ্ন তৈরি হয়েছিল, কবর খোঁড়ার মাধ্যমে তা দূর হয়েছে।

এ বিষয়ে ভোলা সদর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মুহাম্মদ মনিরুল ইসলাম বলেন, পরিবারের সদস্যরা আগে থানায় এসে জানিয়েছিলেন যে কবর থেকে সুগন্ধি বের হচ্ছে এবং তারা স্বপ্নে দেখেছেন মরিয়ম জীবিত আছেন। তখন তাদের বলা হয়েছিল, কবর খুঁড়ে দেখতে চাইলে আদালতের অনুমতি প্রয়োজন। তবে মঙ্গলবার কবর খোঁড়ার বিষয়টি আমার জানা ছিল না।

স্থানীয়দের ধারণা, পরিবারের উপার্জনক্ষম সদস্যদের একজন হওয়ায় মরিয়মের আকস্মিক মৃত্যুতে স্বজনরা মানসিকভাবে ভেঙে পড়েছেন। শোক ও অতিরিক্ত চিন্তার কারণেই এমন স্বপ্ন ও সন্দেহের সৃষ্টি হতে পারে।

ইমতিয়াজুর রহমান/আজহার/

নওগাঁয় রেল লাইনের পাশ থেকে কলেজশিক্ষকের মরদেহ উদ্ধার

প্রকাশ: ১৭ জুন ২০২৬, ১২:২৫ পিএম
আপডেট: ১৭ জুন ২০২৬, ১২:৫১ পিএম
নওগাঁয় রেল লাইনের পাশ থেকে কলেজশিক্ষকের মরদেহ উদ্ধার
ছবি: খবরের কাগজ

নওগাঁর আত্রাই উপজেলায় রেললাইনের পাশ থেকে নেয়ামুল বাশির (৫১) নামের এক ব্যক্তির মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। 

বুধবার (১৭ জুন) সকালে উপজেলার শাহাগোলা এলাকা থেকে মরদেহটি উদ্ধার করা হয়।

নেয়ামুল রাজশাহী জেলার বাগমারা উপজেলার নামকান দেওয়ানপাড়া গ্রামের মৃত নবিবর রহমানের ছেলে। তিনি বড়শিমলা মহিলা কলেজে শিক্ষকতা করতেন।

নেয়ামুলের স্ত্রী সাহিদ বেগম জানান, গতকাল (১৬ জুন) বিকেলে গ্রামের বাড়ি থেকে নওগাঁ আসছিল নেয়ামুল। সন্ধ্যার কিছু আগে আত্রাই রেলওয়ে স্টেশন থেকে মোবাইলে স্ত্রীকে জানান এশার নামাজ নওগাঁ এসে পড়বেন। কিন্তু এরপর থেকে তার মোবাইল ফোন বন্ধ পাওয়া যায়। আজ (১৭ জুন) সকালে পুলিশের মাধ্যমে তার মৃত্যুর বিষয়টি জানতে পারে পরিবার। 

নেয়ামুলের স্ত্রীর দাবি এটি পরিকল্পিত হত্যাকাণ্ড। তবে সুনির্দিষ্ট ভাবে কে বা কারা জড়িত তা বলতে পারেনি তিনি।

আত্রাই থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মাহাবুবুর জানান, সকালে স্থানীয়রা রেললাইনের পাশে মরদেহ দেখতে পেয়ে থানায় খবর দেয়। পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে রেলওয়ে পুলিশকে জানায় বিষয়টি। যেহেতু রেললাইনের পাশের ঘটনা তাই মরদেহটি রেলওয়ে পুলিশ উদ্ধার করেছে। এবং আত্রাই থানা পুলিশ সহযোগিতা করেছে।

সান্তাহার রেলওয়ে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) হাবিবুর রহমান বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, সাদা জোব্বা-পাজামা পরিহিত নেয়ামুল বাশিরের মরদেহের পাশেই পরেছিল তার ব্যবহৃত ব্যগ। হাত ঘড়ি, জোব্বার পকেটে তার ব্যবহৃত মোবাইল ফোন ও ব্যগে কিছু টাকা ছিল। মরদেহ উদ্ধারের সময় এগুলো পাওয়া গেছে। প্রাথমিক সুরতহালে নিহতের মাথায় আঘাতের চিহ্ন পাওয়া গেছে। মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে৷ তবে এখনো কেউ অভিযোগ করেননি।

হারুন/খাদিজা রুমি/

মেসির হ্যাটট্রি গোলে আর্জেন্টিনার জয়, হিলিতে সমর্থকদের উচ্ছ্বাস

প্রকাশ: ১৭ জুন ২০২৬, ১২:১৪ পিএম
মেসির হ্যাটট্রি গোলে আর্জেন্টিনার জয়, হিলিতে সমর্থকদের উচ্ছ্বাস
ছবি: খবরের কাগজ

বিশ্বকাপ ফুটবলের প্রথম ম্যাচে মেসির হ্যাটট্রিক গোলে আলজেরিয়াকে ৩-০ গোলে হারিয়ে আর্জেন্টিনা বিজয়ী হওয়ায় দিনাজপুরের হিলিতে আর্জেন্টিনা সমর্থকদের উচ্ছ্বাস, এবারের বিশ্বকাপ জয়ের আশাবাদ তাদের। 

এর আগে সকাল ৭টা বাজার আগেই প্রিয় দলের জার্সি পরে ও পতাকা হাতে নিয়ে শিশু থেকে বয়স্ক, বিভিন্ন বয়সি সমর্থকরা হিলির খাদ্যগুদাম মোড়ে বড় পর্দায় খেলা দেখতে হাজির হন।

খেলা শুরুর সঙ্গে সঙ্গে সমর্থকদের ভিড় বাড়তে থাকে গুদাম মোড় থেকে রাস্তা পর্যন্ত ছড়িয়ে যায় তাদের উপস্থিতি। 

প্রথমেই মেসি গোল করে আনন্দের জোয়ারে ভেসে যায় আর্জেন্টিনা সমর্থকরা যদিও অফসাইটের কারণে তা বাতিল হয়ে যায়। পরবর্তীতে একইভাবে আলজেরিয়া গোল করলে আর্জেন্টিনা সমর্থকরা কিছুটা হতাশ হয়ে পড়ে যদিও সেটি অফসাইটের কারণে বাতিল হয়। 

পরবর্তীতে মেসি গোল করে দলকে এগিয়ে নিলে নেচে গেয়ে বাঁশি বাজিয়ে আনন্দের জোয়ারে ভাসতে থাকে আর্জেন্টিনা সমর্থকরা। একে একে তিন গোল করলে সেই আনন্দের জোয়ার আরো বেড়ে যায়। মেসি ও আর্জেন্টিনা দলের খেলোয়াড়দের খেলা দেখে এবারের বিশ্বকাপ জয়ের আশাবাদ তাদের। সেই সঙ্গে অন্য দলের সমর্থকদের টিপ্পুনি কাটতেও ছাড়েননি তারা।

কুদ্দুস আলী/রিফাত/