ঢাকা ৪ আষাঢ় ১৪৩৩, বৃহস্পতিবার, ১৮ জুন ২০২৬

সর্বশেষ
সততার মাপকাঠি কেমন হওয়া উচিত? আরেক ধাক্কা খেলেন মমতা ব্যাপন, অভিস্রবণ ও প্রস্বেদন অধ্যায়ের ৪টি বহুনির্বাচনি প্রশ্ন ও উত্তর, ৫ম পর্ব, অষ্টম শ্রেণির বিজ্ঞান সুন্দরবনে কুমিরের হামলায় নারী জেলের মৃত্যু সাগর-রুনি হত্যা মামলার প্রতিবেদন পেছাল ১২৭ বার ব্রাজিলের প্রেসিডেন্টের জোক্সস, ‘ভাবছি মেসিকে ব্রাজিল দলে নিব’ প্রাথমিকে 'ম্যাথ ল্যাব' প্রতিষ্ঠার উদ্যোগ নিচ্ছে সরকার: ববি হাজ্জাজ উন্নয়নের মাধ্যমে আগামীর বাংলাদেশ গড়ব: প্রতিমন্ত্রী হাবিবুর রশিদ আইসিইউতে চিত্রশিল্পী মুস্তাফা মনোয়ার পঞ্চগড়ে বালি-পাথরে পাওয়া গেলো মর্টার শেল অনুশীলনে ড্রোন আতঙ্ক, বিরক্ত কোরিয়ান কোচ হামে সিলেটে গত ২৪ ঘণ্টায় ২ শিশুর মৃত্যু, হাসপাতালে ভর্তি ৭১ রাবির জিএস আম্মারের বিরুদ্ধে হেনস্তার অভিযোগ মুন্সীগঞ্জে আরিফ হত্যার বিচার দাবিতে মানববন্ধন ও থানায় বিক্ষোভ অগ্ন্যুৎপাতে বইছে আগুনের স্রোত, ভাইরাল ভিডিও স্নায়ুচাপ কাটিয়ে জয়ে চোখ মেক্সিকো কোচের গাজীপুরে পোশাক কারখানায় পানি পান করে অসুস্থ ২ শতাধিক শ্রমিক ঢাকার গুরুত্বপূর্ণ ১২০ মোড়ে বসছে এআই ক্যামেরা বিধিনিষেধ আরোপ সময়ের দাবি রাঙামাটির বরকল সীমান্তে বিজিবির অভিযানে রসুন ও সার জব্দ নড়াইলে শিশুকে যৌন হয়রানির অভিযোগে গণপিটুনি মেসিকে ছাড়িয়ে গেলেন হ্যারি কেইন রিজার্ভ চুরিতে জড়িত ৬৪ ব্যক্তি-প্রতিষ্ঠান, বাংলাদেশের ১০ জন কানাডায় সড়ক দুর্ঘটনায় বাংলাদেশি শিক্ষার্থীর মৃত্যু সীমানা পুনর্নির্ধারণের জন্য এনডিএর আর ৬ ভোট লাগবে টুকটুক ও চিকু পাঠ থেকে ৩টি অনুশীলনীর প্রশ্ন ও  উত্তর , ৩য় পর্ব, পঞ্চম শ্রেণির বাংলা চাঁপাইনবাবগঞ্জে মোটরসাইকেলের ধাক্কায় এক শিশু নিহত চট্টগ্রামের নিখোঁজের ২ দিন পর শিশুর মরদেহ উদ্ধার টিভিতে আজকের খেলা দ্বিতীয় ম্যাচের আগে ‘মুখ বন্ধ রাখতে’ বললেন দক্ষিণ আফ্রিকার কোচ
Nagad desktop

শেরপুরে খামারিরা পান না সরকারি সেবা

প্রকাশ: ২৩ জানুয়ারি ২০২৫, ০৮:৪৫ এএম
আপডেট: ২৩ জানুয়ারি ২০২৫, ০৮:৪৬ এএম
শেরপুরে খামারিরা পান না সরকারি সেবা
শেরপুরের ঝিনাইগাতীর মালিঝিকান্দা ইউনিয়নের আসামপাড়ার খামারি ওমর ফারুক তার গরুর পরিচর্যা করছেন। ছবি: খবরের কাগজ

শেরপুরের প্রত্যন্ত অঞ্চলের খামারিরা প্রাণিসম্পদ বিভাগের বিনামূল্যের চিকিৎসাসেবা পাচ্ছেন না। সরকারি সেবা পেতে হলে তাদের বাড়তি টাকা গুনতে হয়। বাধ্য হয়ে তারা স্থানীয় পল্লী চিকিৎসকের কাছ থেকে সেবা নিচ্ছেন। দীর্ঘদিন ধরে সরকারি সেবা না পাওয়ায় তাদের মধ্যে ক্ষোভ তৈরি হয়েছে।

শুধু তা-ই নয়, সঠিক পরামর্শ ও সহযোগিতার অভাবে অনেক নতুন খামারি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন। কেউ কেউ আবার খামার বন্ধ করে দিয়েছেন। রয়েছে ভ্যাকসিনেরও সংকট। তবে সংশ্লিষ্টরা বলছেন, ভবিষ্যতে এমন ঘটনা যেন না ঘটে, সে জন্য নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

ঝিনাইগাতী উপজেলার আকলিমা খাতুন। স্বামীর মৃত্যুর পর সাত ছেলে-মেয়ের সংসারের হাল ধরতে কী করবেন ভেবে পাচ্ছিলেন না। সিদ্ধান্ত নেন গবাদিপশু পালন করবেন। পরে গরু-ছাগল ও হাঁস-মুরগি লালন-পালন শুরু করেন। ছোট পরিসরে শুরু করলেও আজ তার শতাধিক হাঁস ও কিছু গরু-ছাগল আছে। কিন্তু এই দীর্ঘসময়ে অনেক পশু ও হাঁস-মুরগি অসুস্থ হলে চিকিৎসা করাতে তাকে রীতিমতো হিমশিম খেতে হয়েছে। কিন্তু কেন হিমশিম খেয়েছেন আকলিমা, এ বিষয়ে কথা হয় তার সঙ্গে। 

তিনি বলেন, ‘বর্তমানে আমার একশর বেশি হাঁস আছে। এগুলোর পাশাপাশি ১০টি ছাগল আর পাঁচটি গরু পালন করি। কিন্তু এগুলো অসুস্থ হলে কখনো সরকারি চিকিৎসা পাইনি। সরকারি ডাক্তার কোনোদিন চোখেও দেখিনি। কোনো পশুর অসুখ হলে অন্তত দুই মাইল রাস্তা হেঁটে বাচ্চারা ওষুধ নিয়ে আসে। বিপদ যেহেতু আমাদের, আমাদেরকেই কিছু করতে হবে।’

শুধু আকলিমা খাতুন তা নয়, জেলার সীমান্তবর্তী অঞ্চলের প্রান্তিক খামারিদের প্রায় সবারই একই অভিযোগ। খামারিরা জানান, সরকারি সেবা নিতে গেলে তাদের নানা ধরনের হয়রানি পোহাতে হয়। পশু হাসপাতালে ভ্যাকসিনের জন্য গিয়ে ভোগান্তিতে পড়তে হয়। কোনো সময় ডাক্তারকে হাসপাতাল থেকে বাড়ি কিংবা খামারে আনতে গেলে বাড়তি টাকা গুনতে হয়। 

ঝিনাইগাতী উপজেলার খামারি জাকির মিয়া বলেন, ‘প্রয়োজনীয় ভ্যাকসিনগুলো সঠিক সময়ে পাওয়া যায় না। কিছুদিন আগে পশু চিকিৎসকদের বলছিলাম, আমাদের এলাকায় গরুর বাতনা রোগ বাড়ছে। ভ্যাকসিন দেওয়া প্রয়োজন। পরে ডাক্তাররা বললেন, ১৫ দিন পর ভ্যাকসিন আসবে। এর পর দুই মাসের বেশি সময় হয়েছে, ভ্যাকসিন আর আসেনি। আমাদের গরুগুলো ভ্যাকসিন ছাড়াই থাকল।’

তিনি বলেন, ‘কিছুদিন আগে এই রোগে আমাদের এলাকায় তিনটি গরু মারা গেছে। যদি ভ্যাকসিনগুলো দিত, তা হলে হয়তো গরুগুলো মারা যেত না।’

রুবেল মিয়া নামে ওই এলাকার আরেক খামারি বলেন, ‘আমাদের গৃহপালিত পশু নিয়ে সরকারিভাবে কোনো তদারকি করা হয় না। পল্লী চিকিৎসক ছাড়া যদি প্রাণিসম্পদ বা ওই অফিসের কোনো লোকজনকে আমরা আনতে যাই, তাদের বাড়তি টাকা দিতে হয়। কমপক্ষে ১৫০০, কখনো তিন হাজার টাকাও দিতে হয়। তারা এসে বলেন, আমরা সরকারি ডাক্তার। তাই এভাবেই দিতে হবে।’

শ্রীবরদী উপজেলার খামারি আবু মিয়া বলেন, ‘আমরা গ্রাম্য মানুষ। সাধারণত হাঁস-মুরগি, গরু-ছাগল লালন-পালন করি। কিন্তু এগুলো অসুস্থ হলে আমরা সরকারি কোনো ডাক্তার পাই না। সরকারিভাবে কোনো সহায়তাও পাই না। অসুস্থ হলে স্থানীয় বাজারের পল্লী চিকিৎসকের কাছেই যেতে হয়।’

শ্রীবরদী উপজেলার হারিয়াকোনা এলাকার খামারি রহমান মিয়া বলেন, ‘আমার একটি মুরগির খামার ছিল। সেখানে কয়েক প্রজাতির মুরগি পালন করেছি। কিন্তু ভ্যাকসিন নিতে না পারায় অনেক মুরগি মারা যায়। এর কিছুদিন পর খামারটি বন্ধ করে দিয়েছি।’ 

খামারি আব্দুল আওয়াল বলেন, ‘আমার খামার থেকে প্রাণিসম্পদ অফিস ১৪ কিলোমিটার দূরে। ভেবে দেখুন, অসুস্থ গরু নিয়ে ওই অফিসে যেতে আমার কত টাকা ভাড়া লাগবে? আমার মতো ছোট খামারির পক্ষে এত টাকা খরচ করা সম্ভব নয়।’ 

শেরপুর জেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডা. এবিএম আব্দুর রউফ বলেন, ‘কোনো ইউনিয়নের ওয়ার্ড পর্যায়েও যদি পশু অসুস্থ হয়, তা হলে আমাদের ভেটেরিনারি টিম যেতে বাধ্য। আমার এমনই নির্দেশনা দেওয়া আছে। বিশেষ করে উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ফিল্ডে যদি নাও যান, ভেটেরিনারি সার্জন অবশ্যই ফিল্ডে যাবেন। জনগণের জন্য ভেটেরিনারি সার্জন সার্বক্ষণিক প্রস্তুত থাকবেন। সেটা হোক অফিস কিংবা বাইরে। ভবিষ্যতে এ ধরনের সমস্যা যেন না হয়, সে জন্য আমি প্রতিটি উপজেলায় দিকনির্দেশনা দিয়েছি।’

সুন্দরবনে কুমিরের হামলায় নারী জেলের মৃত্যু

প্রকাশ: ১৮ জুন ২০২৬, ০২:৪৪ পিএম
আপডেট: ১৮ জুন ২০২৬, ০৩:০৩ পিএম
সুন্দরবনে কুমিরের হামলায় নারী জেলের মৃত্যু
ছবি: খবরের কাগজ

সুন্দরবনের শেলা নদীতে মাছের পোনা ধরার সময় কুমিরের হামলায় এক নারী জেলে নিহত হয়েছেন। 

বুধবার (১৭ জুন) বিকেল পৌনে ছয়টার দিকে বাগেরহাটের মোংলা উপজেলার জয়মনি এলাকায় এই ঘটনা ঘটে।

​নিহত সেলিনা বেগম (৫০) মোংলার চিলা ইউনিয়নের ৯ নম্বর ওয়ার্ডের জয়মনি গ্রামের বাসিন্দা এবং আব্দুল শেখের স্ত্রী।

​সুন্দরবন পূর্ব বনবিভাগের চাঁদপাই রেঞ্জের স্টেশন কর্মকর্তা মো. হামিদুর রহমান ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন।

​বনবিভাগ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, বুধবার( ১৭ জুন) বিকেলে সুন্দরবনের শেলা নদীর লঞ্চঘাট এলাকায় আরও দুই নারী জেলের সঙ্গে জাল টেনে মাছের পোনা ধরছিলেন সেলিনা বেগম। বিকেল আনুমানিক ৫টা ৪০ মিনিটের দিকে হঠাৎ একটি কুমির জাল থেকে উঠে এসে সেলিনাকে টেনে গভীর নদীর দিকে নিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করে।

​এ সময় তার সঙ্গে থাকা অপর দুই নারী জেলে সাহসিকতার পরিচয় দেন। তারা পোনা ধরার জালে ব্যবহৃত কাঠের লাঠি দিয়ে কুমিরটিকে এলোপাতাড়ি আঘাত করতে থাকেন। এক পর্যায়ে কুমিরটি সেলিনা বেগমকে ছেড়ে দিয়ে পানিতে তলিয়ে যায়। পরে সন্ধ্যা ৬টার দিকে সহযাত্রী জেলেরা নদী থেকে সেলিনা বেগমের মরদেহ উদ্ধার করেন।

সুন্দরবন পূর্ব বনবিভাগের চাঁদপাই রেঞ্জের স্টেশন কর্মকর্তা মো. হামিদুর রহমান জানান, বুধবার( ১৭ জুন) বিকেলে সুন্দরবনের শেলা নদীর লঞ্চ ঘাট এলাকায় নেট জাল টেনে পোনা ধরছিল পঞ্চাশোর্ধ নারী জেলে সেলিনা বেগম। এ সময় তার সঙ্গে আর দুই নারী জেলে সহযাত্রী ছিল। তখন হঠাৎ করে একটি কুমির সেলিনাকে টেনে নিয়ে যায়। পরে সহযাত্রী অপর দুই নারী জেলে কুমিরটিকে আঘাত করলে এক পর্যায়ে সেলিনাকে ছাড়তে সক্ষম হন। তবে নারী জেলেটি উদ্ধার হয় জীবিত নয়, মৃত। 

রিফাত আল মাহামুদ/খাদিজা রুমি/

পঞ্চগড়ে বালি-পাথরে পাওয়া গেলো মর্টার শেল

প্রকাশ: ১৮ জুন ২০২৬, ০২:০৯ পিএম
আপডেট: ১৮ জুন ২০২৬, ০২:৩৯ পিএম
পঞ্চগড়ে বালি-পাথরে পাওয়া গেলো মর্টার শেল
ছবি: খবরের কাগজ

পঞ্চগড় সদর উপজেলার সাতমেরা ইউনিয়নের বড় ঝিটকীখুড়া এলাকায় বালি পাথর উত্তোলনের সময় পাওয়া গেছে একটি পরিত্যক্ত মর্টার শেল।

বুধবার (১৭ জুন) সন্ধ্যায় ওই এলাকার মাঝিপাড়া ব্রিজ-সংলগ্ন চিলকা নদী থেকে বালু ও পাথর উত্তোলনের সময়ে মর্টার শেলটি খুঁজে পান শ্রমিকরা। মূল্যবান সম্পদ ভেবে তারা সেটি বাড়িতে নিয়ে যান। 

পুলিশ জানায়, ওই এলাকার শ্রমিক আনোয়ার হোসেন, ফেরদৌস ও মোমিনুল ইসলাম মর্টার শেলটি বাড়িতে নিয়ে আসার পর বিষয়টি এলাকায় জানাজানি হলে  তারা বড় ঝিটকীখুড়া এলাকায় আব্দুস সালামের বাড়ির কাছে সড়কের পাশে মর্টার শেলটি ফেলে রেখে যায়।

খবর পেয়ে পঞ্চগড় সদর থানা পুলিশে টহল দল মর্টার শেলটি থানায় নিয়ে যায়।

পঞ্চগড় সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আশরাফুল ইসলাম বলেন, 'বালি, পাথর উত্তোলনের সময় পরিত্যক্ত অবস্থায় মর্টার শেলটি খুঁজে পায়। সেনাবাহিনীর বোম ডিসপোজাল ইউনিটকে খবর দেওয়া হয়েছে। তারা এসে এটি নিষ্ক্রিয় করবেন।'

রনি মিয়াজী/তামান্না রুপা/  

হামে সিলেটে গত ২৪ ঘণ্টায় ২ শিশুর মৃত্যু, হাসপাতালে ভর্তি ৭১

প্রকাশ: ১৮ জুন ২০২৬, ০১:৫৯ পিএম
আপডেট: ১৮ জুন ২০২৬, ০২:০২ পিএম
হামে সিলেটে গত ২৪ ঘণ্টায় ২ শিশুর মৃত্যু, হাসপাতালে ভর্তি ৭১
ছবি: শহীদ শামসুদ্দিন আহমদ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন হাম আক্রান্ত শিশুরা

সিলেটে গত ২৪ ঘণ্টায় হামের উপসর্গ নিয়ে আরও দুই শিশুর মৃত্যু হয়েছে। এ নিয়ে সিলেটে হামে আক্রান্ত হয়ে ও হাম উপসর্গ নিয়ে ৭৪ শিশুর মৃত্যু হলো। নিশ্চিত হাম রোগে মৃত্যুর সংখ্যা ৪ জন। 

এছাড়া গত ২৪ ঘণ্টায় সিলেটে নতুন করে আরও ২ জনের শরীরে হামের সংক্রমণ শনাক্ত হয়েছে। সেই সঙ্গে সন্দেহজনক রোগী হিসেবে নতুন ভর্তি হয়েছেন ৭১ জন।

বৃহস্পতিবার (১৮ জুন) বিভাগীয় স্বাস্থ্য পরিচালকের প্রতিবেদনে এসব তথ্য জানানো হয়।

বিভাগীয় স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের প্রতিবেদনে বলা হয়, গত ২৪ ঘণ্টায় সিলেট ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে  চিকিৎসাধীন অবস্থায় সিলেটের ওসমানীনগর উপজেলার ইলশাপুর গ্রামের দিপন পালের ৯ মাস বয়সী মেয়ে দিবানি পাল মারা যায়। একই হাসপাতালে সুনামগঞ্জের দোয়ারাবাজার উপজেলার চাতুরবাগ, বিলাইউরি গ্রামের মনোয়ারের ২ মাস ২৪ দিন বয়সী ছেলে রাইয়ান মারা যায়।

চলতি বছরের ১ জানুয়ারি থেকে ৬ জুন পর্যন্ত মোট ৩২৫ জনের পরীক্ষাগারে হামের সংক্রমণ পাওয়া গেছে। এর মধ্যে হবিগঞ্জে ২৪ জন (২ জন রুবেলা), মৌলভীবাজারে ১৬ জন, সুনামগঞ্জে ১৭৮ জন এবং সিলেট জেলায় ১০৭ জন।

বর্তমানে সিলেট বিভাগের বিভিন্ন হাসপাতাল ও স্বাস্থ্যকেন্দ্রে মোট ২৬৮ জন সন্দেহজনক রোগী চিকিৎসাধীন রয়েছেন। এর মধ্যে সর্বোচ্চ ১০০ জন ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে, ৭৫ জন ভর্তি আছেন শহীদ শামসুদ্দিন আহমদ হাসপাতালে, ও ৩২ জন সুনামগঞ্জ জেলা সদর হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। বিভিন্ন সরকারি-বেসরকারি হাসপাতালে রোগীরা চিকিৎসা নিচ্ছেন।

শাকিলা ববি/খাদিজা রুমি/

মুন্সীগঞ্জে আরিফ হত্যার বিচার দাবিতে মানববন্ধন ও থানায় বিক্ষোভ

প্রকাশ: ১৮ জুন ২০২৬, ০১:২৪ পিএম
আপডেট: ১৮ জুন ২০২৬, ০১:৫৩ পিএম
মুন্সীগঞ্জে আরিফ হত্যার বিচার দাবিতে মানববন্ধন ও থানায় বিক্ষোভ
ছবি: খবরের কাগজ

মুন্সীগঞ্জে আরিফ হোসেন হত্যার বিচার ও জড়িতদের গ্রেপ্তারের দাবিতে মানববন্ধন ও বিক্ষোভ করেছেন নিহতের স্বজন ও স্থানীয়রা।

বৃহস্পতিবার (১৮ জুন) সকাল সাড়ে ১০টার দিকে মুন্সীগঞ্জ প্রেসক্লাবের সামনে এ মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়।

গত ১৪ জুন লেনদেন সংক্রান্ত বিরোধের জেরে শহরের মুন্সিরহাট জসিমনগর এলাকা থেকে আরিফ হোসেনকে বাড়ি থেকে ডেকে নিয়ে হত্যা করা হয়। ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের দ্রুত গ্রেপ্তার করে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানান তারা।

মানববন্ধন শেষে অংশগ্রহণকারীরা মিছিল নিয়ে মুন্সীগঞ্জ সদর থানায় যান। সেখানে তারা পুলিশের কাছে বিচার নিশ্চিত করার দাবি জানান।

সুমন/তামান্না রুপা/

গাজীপুরে পোশাক কারখানায় পানি পান করে অসুস্থ ২ শতাধিক শ্রমিক

প্রকাশ: ১৮ জুন ২০২৬, ০১:০০ পিএম
আপডেট: ১৮ জুন ২০২৬, ০১:০৫ পিএম
গাজীপুরে পোশাক কারখানায় পানি পান করে অসুস্থ ২ শতাধিক শ্রমিক
ছবি: খবরের কাগজ

গাজীপুরের কালিয়াকৈরে একটি তৈরি পোশাক কারখানায় পানি পান করে দুই শতাধিক শ্রমিক অসুস্থ হয়ে পড়েছেন। তাদের উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সসহ বিভিন্ন হাসপাতালে নেওয়া হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (১৮ জুন) সকাল সাড়ে ৯টায় জেলার কালিয়াকৈর উপজেলার চন্দ্রা এলাকায় অবস্থিত ড্রেসম্যান গার্মেন্টস লিমিটেডে এ ঘটনা ঘটে।

শ্রমিকরা জানান, বৃহস্পতিবার সকালে কারখানায় আসেন শ্রমিকরা। কাজ শুরুর কিছুক্ষণ পর তারা কারখানার পানি পান করেন। এর কিছুক্ষণ পর কারখানার চতুর্থ তলায় কয়েকজন শ্রমিক অসুস্থ হয়ে পড়েন। অনেকেই মাথা ঘুরে পড়ে যাওয়া, বমিসহ নানা রকম অস্বাভাবিকতা দেখা দেয়। ধীরে ধীরে কারখানার অন্যান্য ফ্লোরের শ্রমিকরাও অসুস্থ হয়ে পড়েন। অসুস্থদের মধ্যে বেশিরভাগই নারী শ্রমিক।

কালিয়াকৈর উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. সাদিয়া তাসনিম মুনমুন জানান, সকাল সাড়ে ১০টার দিকে অসুস্থ অবস্থায় বহু শ্রমিককে হাসপাতালে আনা হয়েছে। একের পর এক রোগী আসছেন। আমরা যথাক্রমে তাদের চিকিৎসা দিচ্ছি।

ওই কারখানার অ্যাসিস্ট্যান্ট জেনারেল ম্যানেজার আতিকুল ইসলাম বলেন, ‘সকাল সাড়ে ৮টার দিকে আমাদের কারখার একজন মেয়ে শ্রমিক বমি করে। পরে সঙ্গে আমাদের হাসপাতালে ভর্তি করি। সাড়ে ৯টার দিকে আরও ৫-৬ জন অসুস্থ হয়ে যায়। পরে আমরা কালিয়াকৈর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স এ পাঠিয়ে দেওয়া হয়। পরে আমরা কারখানা ছুটি দিয়েছি। তবে আমাদের কারখানার যে পানি সেটিতে কোনো সমস্যা নেই।’

পলাশ প্রধান/খাদিজা রুমি/