ঢাকা ১০ আষাঢ় ১৪৩৩, বুধবার, ২৪ জুন ২০২৬

সর্বশেষ
ইংল্যান্ডকে জিততে দিল না ঘানা মায়ের মৃত্যুতে দেশে ফিরে গেলেন ফ্রান্সের কোচ অতঃপর দেম্বেলে… প্রথমার্ধে ইংল্যান্ডকে রুখে দিল ঘানা বিশ্বকাপে ইরানের সফর নীতি নিয়ে নতুন সিদ্ধান্ত যুক্তরাষ্ট্রের ফুটবলের ক্যানভাসে চিরযৌবন নেইমারে ভয় নেই স্কটল্যান্ডের মাঠে হেঁটেই সফল মেসি রোনালদোর রেকর্ডের রাতে পর্তুগালের গোল উৎসব ৪১ বছরেও থামেননি রোনালদো, ভাঙলেন মেসির রেকর্ড পর্তুগিজ কিংবদন্তিতে ছাড়িয়ে শীর্ষে রোনালদো রোনালদোর বিশ্বরেকর্ড, প্রথমার্ধে উজবেকিস্তানের জালে ৩ গোল পর্তুগালের গোল করেই ইতিহাস গড়লেন রোনালদো ফ্রান্স ম্যাচ নিয়ে ভাবছেন না হালান্ড তৃণমূল থেকে ফিরহাদ-অরূপসহ ৮ নেতা বহিষ্কার উপদেষ্টা জাহেদের ফেরা ছিল তার নিজের সিদ্ধান্ত: জয়সওয়াল কুমিল্লা ক্যান্টনমেন্ট এলাকায় সিএফমোটো বাংলাদেশের নতুন শোরুম উদ্বোধন পর্তুগালের একাদশে ২ পরিবর্তন ব্লিং লেদার প্রোডাক্টস লিমিটেড ঘুরে দেখলেন রংপুর রেঞ্জের ডিআইজি বিস্ফোরক সংকটে বন্ধ মধ্যপাড়া পাথরখনির উত্তোলন কার্যক্রম জলবায়ু অঙ্গীকার বাস্তবায়নে বিশ্বনেতাদের প্রতি আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর হরমুজ প্রণালিতে রেকর্ড তেল রপ্তানির তথ্য দিলেন ট্রাম্প কাজী নজরুল বিশ্ববিদ্যালয়ে শিশু নির্যাতন ও ধর্ষণবিরোধী মানববন্ধন আলোচিত কৃষক কবির হোসেন আর নেই ‘জুয়া প্রতিরোধ বিল, ২০২৬’ সংসদে উত্থাপন আদব মানুষকে সম্মানিত করে, আদবহীনতা মর্যাদা নষ্ট করে: ছারছীনার পীর ছাহেব কারা পাবেন হেদায়েতের এই পরম নিয়ামত? রেকর্ড তাপপ্রবাহে ফ্রান্সে ট্র্যাজেডি, পানিতে ডুবে ৪০ জনের মৃত্যু জাইমা রহমানের ছবি ব্যবহার করে প্রতারণা, রিমান্ডে আইনজীবী বাংলাদেশের সঙ্গে ৫৮ দেশের বাণিজ্য ঘাটতি, শীর্ষে চীন ও ভারত: বাণিজ্যমন্ত্রী

সিলেটে ঈদের কেনাকাটা: রাত বাড়লে ক্রেতা বাড়ে

প্রকাশ: ২৩ মার্চ ২০২৫, ১১:৪৯ এএম
আপডেট: ২৩ মার্চ ২০২৫, ১২:২৭ পিএম
সিলেটে ঈদের কেনাকাটা: রাত বাড়লে ক্রেতা বাড়ে
সিলেটের বন্দরবাজার ফুটপাতে গভীর রাতেও ঈদের কেনাকাটা করছেন মানুষজন। ছবি: মামুন হোসেন

আর কয়দিন পরই পবিত্র ঈদুল ফিতর। সিলেটের মার্কেট, ফ্যাশন হাউস ও  শপিংমলগুলোতে এখন তাই কেনাকাটার উপচে পড়া ভিড়। রাতে কেনাকাটা করাই হলো সিলেটের ঈদবাজারের বিশেষত্ব। রাত যত বাড়ে, ক্রেতা তত বৃদ্ধি পায়। গভীর রাত পর্যন্ত কেনাকাটা করেন মানুষজন।

শুক্রবার (২১ মার্চ) সরেজমিন গিয়ে দেখা যায়, নগরীর অভিজাত শপিংমল হিসেবে পরিচিত জিন্দাবাজার এলাকার ব্লু ওয়াটার শপিং সিটি, কাকলী শপিং সেন্টার, সিটি সেন্টার, আল-হামরা শপিং সেন্টার, সিলেট প্লাজা, জেলরোড, বারুতখানা ও কুমারপাড়ার ফ্যাশন হাউসগুলোর শোরুমে উচ্চবিত্ত ও মধ্যবিত্তরা কেনাকাটা করছেন। পাশাপাশি বন্দরবাজার ও হকার্স মার্কেটে নিম্ন-মধ্যবিত্ত ও নিম্ন-বিত্তদের ভিড় ছিল লক্ষণীয়। বিশেষ করে নগরীর প্রাণকেন্দ্র জিন্দাবাজারে ছিল না পা ফেলার জায়গা।

এই সড়কে যেমন যানবাহনে, তেমনি হেঁটেও মানুষজন গেছেন কেনাকাটা করতে।  ফুটপাতে ছিল না পা ফেলার জায়গা। হাতে ব্যাগ নিয়ে একদম গা ঘেঁষে চলাফেরা করতে দেখা গেছে ঈদবাজার করতে আসা মানুষজনকে। দশম রোজা থেকে ইফতারের পর পরই এই চিত্র জিন্দাবাজার এলাকার। 

ঈদের আনন্দকে উৎসবে পরিণত করতে সিলেটের বিভিন্ন বিপণিবিতান, ফ্যাশন হাউসগুলোতে রয়েছে বাহারি পোশাকের সমাহার। অন্য বছরের মতো এ বছরও বাহারি ডিজাইনের নানা ধরনের পোশাকে সাজানো হয়েছে ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানগুলো। বিভিন্ন বিপণিবিতানের বিক্রেতাদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেল, দেশীয় পোশাকের পাশাপাশি ভারতীয় ও পাকিস্তানি শাড়ি, সালোয়ার-কামিজ বেশ ভালো বিক্রি হচ্ছে। পাশাপাশি ছেলেদের পাঞ্জাবি, শার্ট, গেঞ্জি, ফতুয়া, প্যান্টও বিক্রি হচ্ছে। বিক্রেতারা বলছেন, এবার চাহিদার ভিত্তিতে নারীদের জন্য পাকিস্তানি ইন্সপায়ার সালোয়ার-কামিজ বেশি আনা হয়েছে। পাশাপাশি গরমের কারণে সুতি পোশাকের চাহিদাও বেশি। জুতা, প্রসাধনী ও জুয়েলারি দোকানেও ভিড় করছেন ক্রেতারা।

জিন্দাবাজারের রিয়েল টাচের পরিচালক উৎপল রায় খবরের কাগজকে বলেন, এখন পর্যন্ত ক্রেতা সমাগম মোটামুটি ভালো। তবে গত বছরের তুলনায় এবার কম ব্যবসা হচ্ছে। আশা করছি আগামী কয়েক দিন ক্রেতা আরও বাড়বে।

ঈদের পোশাক কিনতে আসা নগরীর জালালাবাদ এলাকার বাসিন্দা শামছুন্নাহার মুক্তা খবরের কাগজকে বলেন, ‘গত ঈদে সারারা ড্রেস কিনেছিলাম, এবার একটি পাকিস্তানি ইন্সপায়ার ড্রেস কিনেছি। কারণ এই ডিজাইনের ড্রেস এখন ট্রেন্ডে আছে।’

নগরীর কুমারপাড়া এলাকায় ঈদের কেনাকাটা করতে আসা সালওয়া খবরের কাগজকে বলেন, ‘নতুন বিয়ে হয়েছে, এবারের ঈদে তাই একটি কাতান শাড়ি কিনেছি। পাশাপাশি কিছু দেশি সালোয়ার-কামিজও কিনেছি। এখনো জুয়েলারি ও প্রসাধনী কেনা বাকি আছে।’

এদিকে ঈদকে কেন্দ্র করে কয়েক স্তরের নিরাপত্তাব্যবস্থা গ্রহণ করেছে সিলেট মহানগর পুলিশ। সিলেটে ঈদের বাজার রাতে জমজমাট হয়। এই সুযোগে সক্রিয় থাকে অপরাধীরা। পাশাপাশি মার্কেট-শপিংমলগুলোতে বখাটেপনা বা ইভ টিজিং করার চেষ্টা করে একশ্রেণির তরুণ ও যুবক। তবে এখন পর্যন্ত সিলেটের ঈদবাজারে তেমন কোনো অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটেনি। তার পরও ঈদের বাজারকেন্দ্রিক অপরাধীদের ধরতে ১৫ রমজান থেকে বিশেষ পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করে চলেছে পুলিশ।

ঈদবাজারের নিরাপত্তাব্যবস্থা নিয়ে সিলেট নগরীর বেশ কয়েকটি শপিংমলের দায়িত্বশীলরা বলেন, ক্রেতা-বিক্রেতাদের নিরাপত্তায় মাঝে মাঝে দু-একজন পোশাকধারী পুলিশ সদস্যকে দেখা যায়। তবে এর পরও ঈদবাজারের বাড়তি নিরাপত্তার কথা চিন্তা করে মার্কেট ও শপিংমলের দায়িত্বশীলরা নিজস্ব নিরাপত্তাকর্মী রেখেছেন। এরা মার্কেট ও শপিংমলগুলোর ভেতরে নিরাপত্তা রক্ষার কাজ করেন।

ঈদবাজারের নিরাপত্তাব্যবস্থা নিয়ে সিলেট মহানগর পুলিশের এডিসি মিডিয়া মোহাম্মদ সাইফুল ইসলাম খবরের কাগজকে বলেন, ‘মানুষ যাতে নিরাপদে ঈদের কেনাকাটা করতে পারেন, সে জন্য সিলেট মহানগর পুলিশের পক্ষ থেকে সর্বোচ্চ নিরাপত্তাব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে।

রমজানের প্রথম দিন থেকেই নগরীর গুরুত্বপূর্ণ এলাকাগুলোতে বিশেষ পুলিশি নিরাপত্তাব্যবস্থা আমরা রেখেছি। ১৫ রমজান থেকে নগরীর যে এলাকাগুলোতে কেনাকাটা বেশি হয়, সেই এলাকাগুলোতে পুলিশ মোতায়েন আছে। কয়েক স্তরের নিরাপত্তাব্যবস্থা আমরা গ্রহণ করেছি। ক্রেতাদের সর্বোচ্চ নিরাপত্তা দিতে পুলিশের টহল পার্টি, চেকপোস্ট, সাদাপোশাকে পুলিশ, ট্রাফিক পুলিশ সদস্যরাও সার্বক্ষণিক নিরাপত্তা দিচ্ছেন।

ব্লিং লেদার প্রোডাক্টস লিমিটেড ঘুরে দেখলেন রংপুর রেঞ্জের ডিআইজি

প্রকাশ: ২৩ জুন ২০২৬, ১০:২৬ পিএম
ব্লিং লেদার প্রোডাক্টস লিমিটেড ঘুরে দেখলেন রংপুর রেঞ্জের ডিআইজি
ছবি: সংগৃহীত

রংপুরের তারাগঞ্জে অবস্থিত ব্লিং লেদার প্রোডাক্টস লিমিটেড পরিদর্শন করলেন বাংলাদেশ পুলিশের রংপুর জেলার ডিআইজি (উপ-মহাপুলিশ পরিদর্শক) আমিনুল ইসলাম। 

ব্লিং লেদার প্রোডাক্টস্ লিমিটেড এর ব্যবস্থাপনা পরিচালক ইউএসএ প্রবাসী মোঃ হাসানুজ্জামান হাসান এর নেতৃত্বে, সিইও ব্লিং লেদার প্রোডাক্টস্ লিমিটেড এমএম খালিদ আহসান এর সার্বিক তত্ত্বাবধানে 

মঙ্গলবার (২৩ জুন) বিকালে তারাগঞ্জ উপজেলার কুর্শা ঘনিরামপুর গ্রামে অবস্থিত ব্লিং লেদার প্রোডাক্টস লিমিটেড পরিদর্শন করেন রংপুর জেলার বর্তমান ডিআইজি (উপ-মহাপুলিশ পরিদর্শক) আমিনুল ইসলাম। 

এসময় উপস্থিত ছিলেন রংপুর জেলার বর্তমান পুলিশ সুপার মোহাম্মদ মোজাম্মেল হক,নীলফামারী জেলার বর্তমান পুলিশ সুপার মোঃ ফরহাদ হোসেন খান,তারাগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা রুহুল আমিন প্রমুখ।

পরিচালিত ব্লিং লেদার প্রোডাক্টস লিমিটেড মূলত একটি ১০০% রপ্তানিমুখী অত্যাধুনিক আন্তর্জাতিক মানের জুতা তৈরি ও প্রস্তুতকারী প্রতিষ্ঠান। এটি উত্তরবঙ্গের এবং বিশেষ করে তারাগঞ্জ এলাকার অর্থনৈতিক চিত্র ও বেকারত্ব দূরীকরণে বড় ভূমিকা রাখছে।

এসএন/

বিস্ফোরক সংকটে বন্ধ মধ্যপাড়া পাথরখনির উত্তোলন কার্যক্রম

প্রকাশ: ২৩ জুন ২০২৬, ১০:২৬ পিএম
বিস্ফোরক সংকটে বন্ধ মধ্যপাড়া পাথরখনির উত্তোলন কার্যক্রম
দিনাজপুরের পাথরখনি। ছবি: খবরের কাগজ

বিস্ফোরক সংকটের কারণে প্রায় এক মাস ধরে বন্ধ রয়েছে দেশের একমাত্র ভূগর্ভস্থ পাথরখনি দিনাজপুরের মধ্যপাড়া গ্রানাইট মাইনিং কোম্পানি লিমিটেডের (এমজিএমসিএল) পাথর উত্তোলন কার্যক্রম। 

গত ১৯ মে থেকে খনিতে পাথর উত্তোলন বন্ধ থাকলেও এখনও স্বাভাবিক হয়নি উৎপাদন কার্যক্রম।

খনি সূত্রে জানা গেছে, ভূগর্ভস্থ খনিতে পাথর উত্তোলনের জন্য ব্যবহৃত প্রধান বিস্ফোরক অ্যামোনিয়াম নাইট্রেটের সরবরাহ না থাকায় এই পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে। 

খনি কর্তৃপক্ষ প্রথমে ১৫ দিনের মধ্যে কার্যক্রম পুনরায় চালুর আশ্বাস দিলেও বৈশ্বিক সরবরাহ সংকটের কারণে তা সম্ভব হয়নি। সংশ্লিষ্টরা বলছেন, বিদেশ থেকে বিস্ফোরকবাহী জাহাজ আসতে বিলম্ব হওয়ায় আমদানি ও পরিবহন প্রক্রিয়াও দীর্ঘায়িত হয়েছে।

এর আগে ২০২২ ও ২০২৫ সালেও বিস্ফোরক সংকটের কারণে মধ্যপাড়া পাথরখনিতে উত্তোলন বন্ধ ছিল। এ ছাড়া ২০১৪ সালে ২২ দিন, ২০১৫ সালে দুই মাস এবং ২০১৮ সালে সাত দিন পাথর উত্তোলন কার্যক্রম বন্ধ থাকার নজির রয়েছে।

মধ্যপাড়া গ্রানাইট মাইনিং কোম্পানি লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) মো. আমজাদ হোসেন বলেন, “অ্যামোনিয়াম নাইট্রেট একটি বিশেষায়িত পণ্য হওয়ায় বিদেশ থেকে আমদানি করতে হয়। বৈশ্বিক সরবরাহ সংকটের কারণে জাহাজ পেতে বিলম্ব হয়েছে। তবে বিস্ফোরকবাহী চালান ইতোমধ্যে সিঙ্গাপুর হয়ে চট্টগ্রাম বন্দরের পথে রয়েছে। আশা করছি, জুলাই মাসের প্রথম সপ্তাহেই পাথর উত্তোলন কার্যক্রম পুনরায় শুরু করা সম্ভব হবে।”

তিনি আরও জানান, মোট ৩০০ মেট্রিক টন বিস্ফোরকের চাহিদা দেওয়া হয়েছে। প্রথম ধাপে ৮৮ মেট্রিক টন সরবরাহ পাওয়া যাবে, যা দিয়ে দুই থেকে আড়াই মাস উৎপাদন কার্যক্রম পরিচালনা করা সম্ভব হবে। পর্যায়ক্রমে বাকি চালানও দেশে পৌঁছাবে।

এদিকে উৎপাদন বন্ধ থাকায় পাথরের সরবরাহেও কিছুটা প্রভাব পড়েছে। তবে খনিতে মজুত থাকা পাথর বিক্রি কার্যক্রম সীমিত আকারে অব্যাহত রয়েছে বলে জানিয়েছে খনি কর্তৃপক্ষ।

উল্লেখ্য, ২০০৭ সালের ২৫ মে বাণিজ্যিকভাবে উৎপাদন শুরু করে দেশের একমাত্র ভূগর্ভস্থ পাথরখনি মধ্যপাড়া। বর্তমানে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান জিটিসির সঙ্গে চুক্তির আওতায় প্রতিদিন গড়ে সাড়ে পাঁচ হাজার মেট্রিক টন পাথর উত্তোলন করা হয়। খনিতে তিন শিফটে প্রায় ৮০০ শ্রমিক কাজ করেন। তবে পাথর উত্তোলন বন্ধ থাকলেও খনির রক্ষণাবেক্ষণ কার্যক্রম চালু রয়েছে বলে জানিয়েছে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ।

সুলতান মাহমুদ/নাঈম

আলোচিত কৃষক কবির হোসেন আর নেই

প্রকাশ: ২৩ জুন ২০২৬, ০৯:৪২ পিএম
আলোচিত কৃষক কবির হোসেন আর নেই
কৃষক কবির হোসেন। ছবি: সংগৃহীত

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের হাত থেকে কৃষক কার্ড নিয়ে আলোচনায় আসা টাঙ্গাইলের সেই ভাইরাল কৃষক কবির হোসেন মারা গেছেন। (ইন্নালিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)।

মঙ্গলবার (২৩ জুন) রাত সাড়ে ৮টার দিকে টাঙ্গাইল সদর উপজেলার ঘারিন্দা ইউনিয়নের তারটিয়া গ্রামে নিজ বাড়িতে হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে তিনি মৃত্যুবরণ করেন।

কবির হোসেনের মৃত্যুতে গভীর শোক ও দুঃখ প্রকাশ করেছেন মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী ও টাঙ্গাইল-৫ আসনের সংসদ সদস্য সুলতান সালাউদ্দিন টুকু।

এক শোকবার্তায় প্রতিমন্ত্রী মরহুমের রুহের মাগফেরাত কামনা করেন এবং শোকসন্তপ্ত পরিবারের সদস্যদের প্রতি গভীর সমবেদনা জানান। একই সঙ্গে তিনি শোকাহত পরিবারকে এই শোক সহ্য করার শক্তি ও ধৈর্য দানের জন্য মহান আল্লাহর কাছে প্রার্থনা করেন।

কবির হোসেন চলতি বছরের ১৪ এপ্রিল বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান ও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের হাত থেকে কৃষক কার্ড গ্রহণের পর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তাকে নিয়ে ব্যাপক আলোচনা শুরু হয়। বিভিন্ন মহলে তাকে ‘ভুয়া কৃষক’ হিসেবে আখ্যায়িত করে নানা ধরনের প্রচারণা চালায়, যা দ্রুত ভাইরাল হয়ে পড়ে।

পরবর্তীতে বিষয়টি নিয়ে কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর তদন্ত করে। তদন্তে কবির হোসেনকে একজন প্রকৃত কৃষক হিসেবে শনাক্ত করা হয়। সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানান, তিনি দীর্ঘদিন ধরে কৃষিকাজের সঙ্গে সম্পৃক্ত ছিলেন এবং নিজ জমিসহ বিভিন্ন কৃষি কার্যক্রমে সক্রিয়ভাবে অংশগ্রহণ করতেন। তদন্ত প্রতিবেদনের মাধ্যমে তার কৃষক পরিচয়ের সত্যতা নিশ্চিত হওয়ার পর তাকে ঘিরে বিতর্কের অবসান ঘটে।

স্থানীয়রা জানান, কবির হোসেন ছিলেন অত্যন্ত পরিশ্রমী ও সাদাসিধে একজন মানুষ। কৃষিকাজের পাশাপাশি তিনি এলাকার মানুষের কাছে একজন পরিচিত মুখ ছিলেন। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে আলোচিত হওয়ার পরও তিনি স্বাভাবিক জীবনযাপন অব্যাহত রেখেছিলেন।
তার আকস্মিক মৃত্যুতে পরিবার-পরিজন, আত্মীয়-স্বজন ও এলাকাবাসীর মধ্যে শোকের ছায়া নেমে এসেছে।

বিভিন্ন সামাজিক, রাজনৈতিক ও পেশাজীবী সংগঠনের নেতারা তার মৃত্যুতে গভীর শোক প্রকাশ করেছেন এবং তার আত্মার মাগফিরাত কামনা করেছেন। কবির হোসেনের জানাজা ও দাফনের বিষয়ে পরিবারের পক্ষ থেকে পরে বিস্তারিত জানানো হবে বলে জানিয়েছেন স্বজনরা।

জুয়েল/নাঈম

ডিবি পরিচয়ে ব্যবসায়ীর বাড়িতে তাণ্ডব, আসবাবপত্র ভাঙচুরের পর লুটপাট

প্রকাশ: ২৩ জুন ২০২৬, ০৫:৩৯ পিএম
আপডেট: ২৩ জুন ২০২৬, ০৭:৪১ পিএম
ডিবি পরিচয়ে ব্যবসায়ীর বাড়িতে তাণ্ডব, আসবাবপত্র ভাঙচুরের পর লুটপাট
সোনারগাঁওয়ে ডিবি পুলিশ পরিচয়ে ব্যবসায়ীর বাড়িতে হামলা, আসবাবপত্র তছনছ। ইনসেটে উদ্ধার আইডি কার্ড। ছবি : খবরের কাগজ

নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁওয়ে ডিবি পুলিশ পরিচয়ে এক কাপড় ব্যবসায়ীর বাড়িতে হামলা, আসবাবপত্র তছনছ, নগদ টাকা ও স্বর্ণালংকার লুটের অভিযোগ উঠেছে। 

সোমবার (২২ জুন) সন্ধ্যায় উপজেলার জামপুর ইউনিয়নের বুরুমদী গ্রামের রিয়াদ কবিরের বাড়িতে এ ঘটনা ঘটে।

এ ঘটনায় ব্যবসায়ী বাদি হয়ে মঙ্গলবার সকালে সোনারগাঁও থানায় অভিযোগ দায়ের করেন। 

জানা যায়, উপজেলার জামপুর ইউনিয়নের বুরুমদী গ্রামের ইকবাল কবিরের ছেলে রিয়াদ কবিরের বাড়িতে একই এলাকার পিয়ার হোসেন,  মাসুম, শফিকুল ইসলাম, আল-আমিন (৪৮), লিটন হোসেন, ফর্মা হোসেনসহ অজ্ঞাতনামা ৪/৫ জন নিয়ে হামলা করে। 

এসময় নিজেদের ডিবি পুলিশ পরিচয়ে ব্যবসায়ী রিয়াদ কবিরকে মারধর করে। এক পর্যায়ে বাড়ীতে মাদক রয়েছে বলে আমার ঘরবাড়ির আসবাবপত্র তল্লাশি করে। আসবাবপত্র তছনছ করে নগদ ৪ লাখ টাকা নিয়ে যায়। পরে মামলা ও গ্রেপ্তারের হুমকি দিয়ে তারা চলে যায়।

হামলাকারীরা চলে যাওয়ার সময়  তাদের একটি আইডি কার্ড ফেলে যায়। আইডি কার্ডে অজয় কুমার জয়, পদবী-সেপয়, ডিপার্টমেন্ট অফ নারকোটিক্স কন্ট্রোল বাংলাদেশ, আইডি নং- ৪৯১৩২৫, জাতীয় পরিচয় পত্র নং- ৪২১৮৯৫৩৪৮৯ পাওয়া যায়।

ফেলে যাওয়া আইডি কার্ড ফেরত দেওয়ার জন্য শরীফ হোসেন নামের মাদক দ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের এক সিপাহি পরিচয়ে আইডি কার্ড ফেরত দেওয়ার জন্য হুমকি প্রদান করে।

এ বিষয়ে মাদক দ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের সিপাহি শরীফ হোসেনের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি আইডি কার্ড ফেরতের জন্য কাউকে ফোন দেননি বলে দাবি করেন। তবে অভিযানের বিষয়ে তিনি কিছু জানেন না। 

ব্যবসায়ী রিয়াদ কবির জানান, পূর্ব শত্রুতার জেরে এলাকার একটি চক্র পুলিশের সোর্সের মাধ্যমে তার পরিবারকে হয়রানি করার জন্য বাড়িতে হামলা করে। মাদক উদ্ধারের নামে আসবাবপত্র তছনছ করে। হামলাকারীরা নগদ ৪ লাখ টাকা নিয়ে যায়। ভবিষ্যতের নিরাপত্তা ও হয়রানি থেকে রক্ষা পেতে থানায় অভিযোগ দায়ের করেন। 

অভিযুক্ত পিয়ার হোসেনের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি এ ঘটনার সঙ্গে জড়িত নয় বলে দাবি করেন। তিনি জানান, তিনদিন ধরে ওই এলাকায় তিনি যান না। কেউ তাকে দেখছেন প্রমাণ দিতে পারবে না। তবে শুনেছি প্রশাসনের লোকজনকে রিয়াদ ও তার পরিবারের লোকজন মারধর করেছে। 

সোনারগাঁও থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. গোলাম সারোয়ার বলেন, অভিযোগ গ্রহন করা হয়েছে। ডিবি পুলিশের নাম ব্যবহার করে হয়রানি মারাক্তক অপরাধ। আসল ঘটনা উদঘাটনে তদন্ত করে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। 

এসএন/

মো: ইমরান হোসেন/এসএন

দাউদকান্দি পৌরসভার ৪৩ কোটি টাকার উন্মুক্ত বাজেট ঘোষণা

প্রকাশ: ২৩ জুন ২০২৬, ০৫:২৩ পিএম
দাউদকান্দি পৌরসভার ৪৩ কোটি টাকার উন্মুক্ত বাজেট ঘোষণা
ছবি: খবরের কাগজ

কুমিল্লার দাউদকান্দি পৌরসভা ২০২৬-২৭ অর্থবছরের জন্য ৪৩ কোটি ৯ লক্ষ ৯৮ হাজার ৪৬৮ টাকা ২৩ পয়সা প্রস্তাবিত বাজেট ঘোষণা করেছেন। 

একই সাথে অর্থবছরের রাজস্ব আয় ১৬ কোটি ৫৮ লক্ষ ২১ হাজার ২০২ টাকা ৫১ পয়সা, রাজস্ব ব্যয়: ১৩ কোটি ২০ লক্ষ ৩০ হাজার টাকা, উদ্বৃত্ত ৩ কোটি ৩৭ লক্ষ ৯১ হাজার ২০২ টাকা ৫১ পয়সা। আর উন্নয়ন খাতে মোট উন্নয়ন আয় ২৬ কোটি ৫১ লক্ষ ৭৭ হাজার ২৬৫ টাকা ৭২ পয়সা। মোট উন্নয়ন ব্যয় ২৩ কোটি ৫৫ লক্ষ টাকা। উদ্বৃত্ত ২ কোটি ৯৬ লক্ষ ৭৭ হাজার ২৬৫ টাকা ৭২ পয়সা।

মঙ্গলবার (২৩ জুন) দুপুরে পৌরসভা কার্যালয়ের সভাকক্ষে এই উন্মুক্ত বাজেট উপস্থাপন করেন পৌর প্রশাসক ও উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) রেদওয়ান ইসলাম।

উন্মুক্ত বাজেটে উন্নয়ন ও অবকাঠামো খাতে সর্বোচ্চ ব্যয়ের প্রস্তাব করা হয়েছে। তবে এবারের বাজেটে নতুন কোনো কর আরোপ করা হয়নি।

বাজেট ঘোষণাকালে পৌর প্রশাসক রেদওয়ান ইসলাম  বলেন, নাগরিক সুবিধা বৃদ্ধির লক্ষ্যে রাস্তাঘাট, ড্রেন, সড়কবাতি, বর্জ্য ব্যবস্থাপনা ও অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ অবকাঠামোর উন্নয়নে এ বাজেট প্রণয়ন করা হয়েছে। কোনো ধরনের নতুন কর চাপানো হয়নি।

অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন পৌর নির্বাহী কর্মকর্তা মো. তাজুল ইসলাম। এসময় উপস্থিত ছিলেন পৌর সহকারী প্রকৌশলী এইচ. এম. কামরুজ্জামান, উপ-সহকারী প্রকৌশলী জেবিন সুলতানা, হিসাব রক্ষক মো. শাহাদাত হোসেন, কার্য সহকারী মোহাম্মদ আব্দুল আহাদসহ পৌরসভার কর্মকর্তা-কর্মচারী ও স্থানীয় সাংবাদিকরা।

লিটন সরকার বাদল/এসএন