ঈদুল ফিতরের আর মাত্র এক দিন বাকি। এরই মধ্যে বাড়ি ফিরছেন বিভিন্ন শ্রেণির মানুষেরা। ঢাকা-ময়মনসিংহ, ঢাকা-টাঙ্গাইল ও ঢাকা-সিলেট মহাসড়কে সেই চিরচেনা ঈদে ঘরমুখো মানুষের চাপে যানজটের দৃশ্য এবার চোখে পরে না। রাজধানীর উত্তরার আব্দুল্লাহপুর থেকে শুরু করে গাজীপুর চৌরাস্তা পর্যন্ত মহাসড়কের কোথাও কোথাও অটোরিকশার চাপ দেখা গেছে।
ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়কের রাজধানীর উত্তরার আব্দুল্লাহপুর থেকে টঙ্গী পর্যন্ত গণপরিবহণ খুব কম দেখা গেছে। মহাসড়কে ব্যক্তিগত গাড়ি, অটোরিকশা ও ইজিবাইকের পরিমাণ ছিল চোখে পড়ার মতো। মাঝে মাঝে পণ্যবাহী গাড়ি চলাচল করলেও মহাসড়ক অটোরিকশার নিয়ন্ত্রণে। একই অবস্থা টঙ্গী-কালিগঞ্জ আঞ্চলিক সড়কেরও। যাত্রীদের অভিযোগ, গণপরিবহন কম থাকায় অটোরিকশার চালকেরা ভাড়া বেশি নিচ্ছেন।
ময়মনসিংহগামী আব্দুল লতিফ মোল্লা বলেন, পরিবার নিয়ে গ্রামের বাড়িতে যাচ্ছি। একঘণ্টা যাবৎ গাড়ির অপেক্ষা করে ৮ হাজার টাকা দিয়ে একটি ট্রাক ভাড়া করে ২৫ জনের সদস্য একত্রে গ্রামের বাড়িতে যেতে হচ্ছে।
গাজীপুর মেট্রোপলিটন পুলিশের ট্রাফিক বিভাগের পরিদর্শক মো. জাফর উল্লাহ বলেন, রাস্তাঘাট প্রায় ফাঁকা। এবারই ঢাকা-ময়মনসিংহ, ঢাকা-টাঙ্গাইল ও ঢাকা-সিলেট মহাসড়ক নেই গাড়ির চাপ। গাড়ির সংকট কিছুটা থাকলেও চাপাচাপি করে গ্রামে যেতে হচ্ছে না।
গাজীপুর মহানগর পুলিশের অতিরিক্ত উপ-পুলিশ কমিশনার (ট্রাফিক) অশোক কুমার পাল জানান, ঈদযাত্রা স্বস্তিদায়ক হচ্ছে। মহাসড়কে যানজট নিরসনে তিন শিফটে পাঁচ শতাধিক পুলিশ সদস্য কাজ করছে। পুলিশের পাশাপাশি সেচ্ছাসেবীরাও কাজ করছেন। বিশেষ করে ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়কে টঙ্গী থেকে চান্দনা চৌরাস্তা ১৩ কিলোমিটার সড়কের মধ্যে সবকয়টি ফ্লাইওভার খুলে দেওয়া হয়েছে। তাই এবারের ঈদযাত্রা স্বস্তিদায়ক হচ্ছে।
পলাশ প্রধান/মাহফুজ