ঢাকা ৩১ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩, রোববার, ১৪ জুন ২০২৬

সর্বশেষ
বাংলাদেশের বেসরকারি সমাজ উন্নয়ন কার্যক্রম অধ্যায়ের ১টি প্রশ্ন ও উত্তর, ২য় পর্ব, এইচএসসির সমাজকর্ম দ্বিতীয় পত্র ধামরাইয়ে সরকারি টাকায় ব্যক্তিগত যাত্রী ছাউনি, উপকার হচ্ছে না যাত্রীদের উদ্ভাবনের উৎসবের পর্দা নামল মাগুরায়, জাতীয় পর্যায়ে লড়বে বিজয়ী দল বেনজীরকে দ্রুত ফেরাতে সরকার কাজ করছে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বিশ্বকাপ উন্মাদনায়ও রুটিন থাকুন নিয়ন্ত্রণে চট্টগ্রামে ২০০ দোকান উচ্ছেদ চিংড়ির ভিন্ন স্বাদে চীনে ক্রায়োজেনিক প্রযুক্তিতে রকেট ট্যাংক ডোমের উৎপাদনে সাফল্য বেঙ্গল কমার্শিয়াল ব্যাংকে চাকরির সুযোগ পাকুন্দিয়ায় সড়ক দুর্ঘটনায় প্রবাসীর মৃত্যু দেশে এখনও প্রযুক্তিনির্ভর কমোডিটি মার্কেট গড়ে ওঠেনি: সিইসি এমডি লালপুরে টপ সয়েল কাটায় গ্রেপ্তার ২ হোয়াইট হাউসে ট্রাম্পের ৮০তম জন্মদিন উদযাপন রয়্যাল বেঙ্গল টাইগার পাঠ থেকে ৪টি অনুশীলনীর প্রশ্ন ও উত্তর, ২য় পর্ব, পঞ্চম শ্রেণির বাংলা সিরাজগঞ্জ আদালতে আত্মসমর্পণ করলেন এমপি আমির হামজা জনগণের স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করতে বড় পরিবর্তন আসছে: স্বাস্থ্যমন্ত্রী খালেদা জিয়াকে ‘কালো মানিক’ উপহার দেওয়া সেই সোহাগ মৃধা গ্রেপ্তার বৃদ্ধাশ্রম নয়, পরিবারই হোক নিশ্চিত আশ্রয় ইসলামী ব্যাংককে ২৫০০ কোটি টাকা ধার দিল বাংলাদেশ ব্যাংক টেকনাফে রোহিঙ্গা ক্যাম্প সংলগ্ন লবণ মাঠে অভিযান: গ্রেনেড, গুলি ও গাঁজা উদ্ধার আল্লাহর ভালোবাসা পাওয়ার চার শর্ত সাবেক আইজিপি বেনজীর গ্রেপ্তার টেকনাফে আঘাতপ্রাপ্ত মা হাতি লোকালয়ে, উদ্ধারে বন বিভাগের তৎপরতা ঝিনাইদহে দুর্নীতি বিরোধী চিত্রাংকন ও রচনা প্রতিযোগিতা মিরপুরে মাদরাসার সাইনবোর্ড লাগানোর সময় বিদ্যুৎস্পৃষ্টে শিক্ষার্থীসহ দগ্ধ ৩ ইংল্যান্ড দলের চুরি যাওয়া সরঞ্জাম উদ্ধার প্রাথমিক শিক্ষক বদলিতে বড় সংস্কার জাপানিজ সমর্থকরা কেন স্টেডিয়াম পরিষ্কার করেন? জামালপুরে মানববন্ধনে শিশুশ্রমকে লাল কার্ড প্রদর্শন ইন্টারনেট সেবাদাতাদের কার্যালয়ে হামলা-দখলের নিন্দা, শাস্তির দাবি আইএসপিএবির
Nagad desktop

খুলনায় সুস্থ বিনোদন থেকে বঞ্চিত ৩ লাখ শিশু

প্রকাশ: ০৬ জুলাই ২০২৫, ০৯:৫০ এএম
খুলনায় সুস্থ বিনোদন থেকে বঞ্চিত ৩ লাখ শিশু
ছবি: সংগৃহীত

খুলনা নগরীর শিশুদের অধিকাংশ পার্ক ও বিনোদনকেন্দ্রে খেলার পরিবেশ নেই। অধিকাংশ পার্কে নেই পর্যাপ্ত দোলনা, রাইড কিংবা নিরাপত্তা ব্যবস্থা। কোথাও পার্ক আছে কেবল কাগজে-কলমে। ফলে শারীরিক ও মানসিক বিকাশে পিছিয়ে পড়ছে খুলনা নগরীর প্রায় তিন লাখ শিশু।

এদিকে খেলার মাঠ ও বিনোদনকেন্দ্র না থাকায় শিশুরা স্কুল ও বাড়ির চার দেয়ালের মাঝে আটকা পড়ছে। বাসায় থাকলে বেশির ভাগ শিশুর সময় কাটানোর জন্য সঙ্গী হয়ে উঠছে প্রযুক্তির ব্যবহার। বিশেষ করে মোবাইল ও টিভি। অনেক অভিভাবকই তাদের শিশুদের ভবিষ্যৎ নিয়ে উদ্বিগ্ন হয়ে পড়েছেন। 

সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, নিষ্কাশনের অভাবে খুলনা নগরীর পল্লীমঙ্গল স্কুলের খেলার মাঠে বৃষ্টির পানি জমে আছে। এখানে গোরবচাকা, বসুপাড়া, পল্লীমঙ্গল, শেখপাড়া, নবীনগর এলাকার শিশুরা খেলাধুলা করে। মাঠের চারপাশের রাস্তার ড্রেন অপরিকল্পিতভাবে উঁচু করায় বৃষ্টির সময় আশপাশে এলাকার ড্রেনের নোংরা পানিতে মাঠটি ভরে যায়।

একইভাবে নগরীর গোলকমনি পার্কে শিশুবান্ধব বিনোদনের কোনো ব্যবস্থা নেই। দোলনাগুলোর লোহা চুরি হয়ে গেছে। এ ছাড়া বসার বেঞ্চ ও চারপাশের দেওয়ালও ভেঙে পড়েছে। জাতিসংঘ পার্কে ছয়টি দোলনার দুটি নষ্ট। আরও দুটির লোহার শিকল ছিঁড়ে যাওয়ায় জোড়াতালি দেওয়া হয়েছে। ওপর থেকে নিচে নামার স্লিপারের প্রায় সবই নষ্ট। এ ছাড়া হাদিস পার্কে রাজনৈতিক ও সামাজিক কর্মসূচির কারণে শিশুদের খেলার সুযোগ নেই। 

অন্যদিকে সোনাডাঙ্গা আবাসিক এলাকায় সোলার পার্কে শিশুদের জন্য রাইড নেই। নিরালা পার্কের অবস্থাও বেহাল। পুরো পার্কজুড়ে মাত্র চারটি দোলনা। এর মধ্যে একটি ভাঙা। শান্তিধাম এলাকায় বসবাসরত শিক্ষার্থী জিহাদুল ইসলাম জানায়, গোলকমনি শিশু পার্কে কোনো রাইড নেই। ফলে কেউ সেখানে সে যায় না। আবার জাতিসংঘ পার্কে দুই-একটি রাইড থাকলেও সেখানে পরিবেশ ভালো না। ফলে বিকেলে বাড়িতে বসে মোবাইল ও টেলিভিশনে সময় কাটাতে হয়।

খুলনায় শিশু রোগবিশেষজ্ঞ ডা. মো. কামরুজ্জামান বলেন, ‘শিশুদের মানসিক ও শারীরিক বিকাশে উপযুক্ত পরিবেশের বিকল্প নেই। এ জন্য পার্কগুলোতে দোলনা, রাইড ও নিরাপত্তা ব্যবস্থার উন্নয়ন জরুরি।’

জানা যায়, নগরবাসীর দাবির মুখে গত ৪ জুলাই সিটি করপোরেশনের প্রশাসক মো. ফিরোজ সরকার নগরীর গোলকমনি পার্কের বর্তমান অবস্থা ঘুরে দেখেন। তিনি পার্কটিকে শিশুদের খেলাধুলার উপযোগী করে গড়ে তুলতে নির্দেশ দেন। এদিকে নাগরিক নেতাদের দাবি, আগামী প্রজন্মকে সুস্থ-সবল গড়ে তুলতে শিশু পার্কগুলো শিশুদের উপযোগী করে দ্রুত গড়ে তুলতে ব্যবস্থা নিতে হবে।

ধামরাইয়ে সরকারি টাকায় ব্যক্তিগত যাত্রী ছাউনি, উপকার হচ্ছে না যাত্রীদের

প্রকাশ: ১৪ জুন ২০২৬, ০৪:৪২ পিএম
আপডেট: ১৪ জুন ২০২৬, ০৪:৪৪ পিএম
ধামরাইয়ে সরকারি টাকায় ব্যক্তিগত যাত্রী ছাউনি, উপকার হচ্ছে না যাত্রীদের
নির্মিত যাত্রী ছাউনি এবং ইনসেটে অভিযুক্ত চেয়ারম্যান মো. আওলাদ হোসেন। ছবি: খবরের কাগজ

ঢাকার ধামরাইয়ে যাত্রী ছাউনি নির্মাণের নামে সরকারি অর্থ অপচয়ের অভিযোগ উঠেছে সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান আওলাদ হোসেনের বিরুদ্ধে। জনগণের প্রয়োজনীয়তা বিবেচনা না করে নিজ বাড়ির সামনের পুকুরপাড়ে তিনি যাত্রী ছাউনি নির্মাণ করেন। এতে সরকারের উন্নয়ন তহবিলের অর্থের অপচয় করা হয়েছে বলে অভিযোগ স্থানীয়দের।

ছাউনিটি ঢাকার ধামরাই উপজেলার সোমভাগ ইউনিয়নের ধামরাই কালামপুর আঞ্চলিক সড়কের গোয়ালদী গ্রামে চেয়ারম্যান আওলাদ হোসেনের বাড়ির সামনে নির্মিত হয়েছে।

প্রায় দুই লাখ টাকা ব্যয়ে নির্মিত স্থাপনাটি সাধারণ যাত্রীদের কোনো উপকারেই আসছে না। সেখানে যাত্রীদের কোনো যানবাহনের স্টপেজ নেই। একজন যাত্রীও সুবিধা পাচ্ছেন না তার নির্মিত সরকারি বরাদ্দের এই যাত্রী ছাউনিতে। এটি তার নিজের বাড়ির পুকুর পাড়ের সৌন্দর্য বাড়ানোর জন্য নির্মাণের অভিযোগ উঠেছে।

স্থানীয় সূত্র ও সোমভাগ ইউনিয়ন পরিষদ সূত্রে জানা গেছে, ২০২২-২৩ অর্থবছরে ইউনিয়ন পরিষদের উন্নয়ন সহায়তা তহবিল থেকে দুই লাখ টাকা বরাদ্দ নিয়ে যাত্রী ছাউনি নির্মাণের উদ্যোগ নেন তৎকালীন সোমভাগ ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আওলাদ হোসেন। দীর্ঘদিন প্রকল্পটি বাস্তবায়ন করা হয়নি। এ নিয়ে সাধারণ মানুষের মধ্যে আলোচনা-সমালোচনা চলে। এরই ধারাবাহিকতা তোপের মুখে গত প্রায় আট মাস আগে চেয়ারম্যানের নিজ বাড়ির সামনে পুকুরপাড়ে একটি যাত্রী ছাউনি নির্মাণ করা হয়।

সরেজমিনে দেখা গেছে, যাত্রী ছাউনিটি সোমভাগ ইউনিয়নের গোয়ালদী এলাকায় সাবেক চেয়ারম্যান আওলাদ হোসেনের বাড়ির সামনের পুকুরের পূর্বপাশে নির্মাণ করা হয়েছে। এতে যাত্রী ছাউনির কোনো সাইনবোর্ড নেই। নির্মাণশৈলী ও অবস্থান দেখে এটিকে যাত্রী ছাউনি না বলে ব্যক্তিগত বিশ্রামাগার বা আড্ডাস্থল বলেই মনে হয়। বিশেষ করে সড়কের দিকে মুখ করে যাত্রী ছাউনি নির্মাণ করা হলেও এখানে এর ব্যতিক্রম ঘটেছে। যা যাত্রীদের ব্যবহার উপযোগী নয়। একজন যাত্রীও এখানে আসেন না। অথচ তার একশত গজ পূর্ব পাশেই রয়েছে তিন রাস্তার মোড়। যেখানে যাত্রীরা এসে দাঁড়িয়ে থাকছে। 

স্থানীয়রা জানান, ধামরাই-কালামপুর সড়কে কোনো যাত্রীবাহী বাস চলাচল করে না। যাতায়াতের প্রধান মাধ্যম তিন চাকার অটোরিকশা। যাত্রীরা সুবিধাজনক স্থান থেকেই অটোরিকশায় ওঠানামা করেন। ফলে ওই স্থানে যাত্রী ছাউনির কোনো প্রয়োজন ছিল না। যাত্রী ছাউনিটি আর একটু পূর্ব পাশে তিন রাস্তার মোড়ে স্থাপন করা হলেও, যাত্রী বা স্থানীয়রা এই প্রচণ্ড গড়মে একটু বসার সুযোগ পেতেন। একদিকে এ রাস্তায় যেমন বড় কোনো যানবাহন চলাচল করে না, অন্যদিকে নিজের ব্যক্তিগত জায়গায় যাত্রী ছাউনি নির্মাণ, তাই এ নিয়ে এলাকায় চলছে আলোচনা-সমালোচনা। 

এলাকাবাসীর অভিযোগ, জনস্বার্থকে উপেক্ষা করে ব্যক্তিগত সুবিধা ও প্রভাব খাটিয়ে প্রকল্পটি বাস্তবায়ন করা হয়েছে। এটি মূলত চেয়ারম্যানের ব্যক্তিগত বৈঠকখানা হিসেবে ব্যবহারের উদ্দেশ্যে প্রকল্পটি বাস্তবায়ন করা হয়েছিল, জনস্বার্থে নয়।

যদিও রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর হত্যা মামলার আসামি হয়ে দীর্ঘদিন চেয়ারম্যান পলাতক ছিলেন, যার জন্য সে উদ্দেশ্য হয়ত বাস্তবায়িত হয়নি। বর্তমানে রাতের বেলায় সেখানে মাদকসেবীদের আড্ডা বসে বলেও অভিযোগ রয়েছে।

স্থানীয় বাসিন্দা জহিরুল ইসলাম, আব্দুল জলিলসহ একাধিক ব্যক্তি অভিযোগ করে বলেন, জনগণের করের টাকায় নির্মিত স্থাপনাটি কোনো জনকল্যাণ কাজে ব্যয় হয়নি। পরিকল্পনাহীন ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে প্রকল্প বাস্তবায়নের মাধ্যমে সরকারি অর্থের অপচয় করা হয়েছে। বিষয়টি তদন্ত করে দায়ীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া প্রয়োজন। কারণ যাত্রী ছাউনি কোথায় হলে ভালো হবে, এমন কোনো চিন্তা ভাবনা না করে নিজের বাড়ির সামনেই তিনি এটি নির্মাণ করেন। অথচ একটু পূর্ব পাশেই রয়েছে তিন রাস্তার মোড়। যেখানে সাধারণ যাত্রী ও স্থানীয় জনগণ রিকশায় ওঠানামা করেন বা বিশ্রাম নেন। 

নিয়ামত আলী নামে এই যাত্রী বলেন বলেন, প্রকল্প গ্রহণ থেকে বাস্তবায়ন পর্যন্ত সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কার্যকর তদারকি থাকলে এ ধরনের অনিয়ম ও সরকারি অর্থের অপচয় ঘটত না। কোনো সরকারি কর্মকর্তা এর তদারকি করেননি। তাদের গাফিলতির কারণেই এমন হয়েছে। এ বিষয়ে দ্রুত তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত তথ্য উদঘাটনের দাবি জানাচ্ছি।

রেজাউল করিম নামে আরেক যাত্রী বলেন, এ ঘটনায় ক্ষমতার অপব্যবহার করা হয়েছে। চেয়ারম্যান তার নিজের বাড়িতে যাত্রী ছাউনি তৈরি করেছেন।অন্যের কথা ভাবার মতো সময় তার নেই। এটি সরকারি বরাদ্দ অথচ নিজের বাড়ির সামনে নির্মাণ করা হয়েছে ছাউনি। 

অভিযোগের বিষয়ে সাবেক চেয়ারম্যান আওলাদ হোসেনের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তা সম্ভব হয়নি।

এ বিষয়ে ধামরাই উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. আল মামুন বলেন, বিষয়টি আমার জানা ছিল না। অভিযোগের বিষয়টি খতিয়ে দেখে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

রুহুল আমিন/নাঈম

পাকুন্দিয়ায় সড়ক দুর্ঘটনায় প্রবাসীর মৃত্যু

প্রকাশ: ১৪ জুন ২০২৬, ০৪:০৩ পিএম
আপডেট: ১৪ জুন ২০২৬, ০৪:৩২ পিএম
পাকুন্দিয়ায় সড়ক দুর্ঘটনায় প্রবাসীর মৃত্যু
ছবি: নিহত সৌদি প্রবাসী রাকিবুল হাসান রুবেল।

কিশোরগঞ্জের পাকুন্দিয়া উপজেলায় সিএনজিচালিত অটোরিকশার ধাক্কায় সৌদি প্রবাসীর মৃত্যু হয়েছে। দীর্ঘ চার বছর চার মাস পর সৌদি থেকে বাড়িতে ছুটিতে এসেছিলেন তিনি।

রবিবার (১৪ জুন) দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে টোক-মির্জাপুর সড়কের মির্জাপুর শ্মশ্মানঘাট সংলগ্ন স্থানে এই দুর্ঘটনা ঘটে।

নিহত রাকিবুল হাসান রুবেল (২৭) চরফরাদী ইউনিয়নের কাহেৎধান্দুল গ্রামের খুরশিদ মিয়ার ছেলে।

স্থানীয় ও পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, দুপুরের দিকে মোটরসাইকেলে রুবেল অপর এক প্রবাসী বন্ধুকে নিয়ে বাহাদিয়া এলাকা থেকে বাড়িতে যাচ্ছিলেন। পথে অন্য একটি মোটরসাইকেলকে সাইড দিতে গিয়ে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে সড়কে পড়ে যান রুবেল। সঙ্গে সঙ্গে একটি সিএনজিচালিত অটোরিকশা তাকে চাপা দিয়ে চলে যায়। স্থানীয়রা তাকে পাকুন্দিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যাওয়ার পথে মারা যান রুবেল।

পাকুন্দিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এস এম আরিফুর রহমান ঘটনার সত্যতা নিশ্চিক করেছেন।

তাসলিমা মিতু/খাদিজা রুমি/

লালপুরে টপ সয়েল কাটায় গ্রেপ্তার ২

প্রকাশ: ১৪ জুন ২০২৬, ০৩:৫৫ পিএম
আপডেট: ১৪ জুন ২০২৬, ০৪:২৪ পিএম
লালপুরে টপ সয়েল কাটায় গ্রেপ্তার ২
ছবি: খবরের কাগজ

নাটোরের লালপুর উপজেলার লালপুর ইউনিয়নের মঞ্জিলপুকুর গ্রামে টপ সয়েল কাটায় ভাটামালিকসহ দুইজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। এ সময় মাটি কাটা কাজে ব্যবহৃত ভেকু ছাড়াও একটি ট্রাক্টর জব্দ করা হয়।

রবিবার (১৪ জুন) দুপুরে আদালতের আদেশে তাদের কারাগারে পাঠানো হয়। 

গ্রেপ্তার ইটভাটা মালিকের নাম রফিকুল ইসলাম (৪০)। তিনি বিবিআর ভাটার মালিক। অপরজন হলেন ভেকুচালক মেহের আলী (৪০)।

লালপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শফিকুল ইসলাম বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে শনিবার মধ্যরাতে অভিযান চালানো হয়। রবিবার সকালে আদালতের মাধ্যমে তাদের কারাগারে পাঠানো হয়।

কামাল মৃধা/খাদিজা রুমি/

সিরাজগঞ্জ আদালতে আত্মসমর্পণ করলেন এমপি আমির হামজা

প্রকাশ: ১৪ জুন ২০২৬, ০৩:২৮ পিএম
আপডেট: ১৪ জুন ২০২৬, ০৩:৪৭ পিএম
সিরাজগঞ্জ আদালতে আত্মসমর্পণ করলেন এমপি আমির হামজা
ছবি: খবরের কাগজ

বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজসম্পদ মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী এবং বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকুকে নিয়ে কটূক্তির অভিযোগে মানহানির মামলায় কুষ্টিয়া-৩ আসনের সংসদ সদস্য (এমপি) মুফতি আমির হামজা আত্মসমর্পণ করেছেন।

রবিবার (১৪ জুন) দুপুর আড়াইটার দিকে সিরাজগঞ্জ চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে আত্মসমর্পণ করে জামিন আবেদন করেন।

আদালতে আসামির পক্ষের শুনানি করেন আইনজীবী আবু তালেব। বাদী পক্ষে ছিলেন সিরাজগঞ্জ আইনজীবী সমিতির সাধারণ সম্পাদক হুমায়ুন কবির কর্নেল।

শুনানি শেষে বিচারক সুমন কুমার সূত্রধর তার জামিন আবেদন মঞ্জুর করেন।

সিরাজগঞ্জ চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের আইনজীবী ও আসামির পক্ষের আইনজীবী আবু তালেব বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

তিনি বলেন, মুফতি আমির হামজা হাইকোর্ট থেকে আগাম জামিন নিয়েছিলেন এবং আজ তিনি আদালতে আত্মসমর্পণ করেছেন। তিনি দুপুর আড়াইটার দিকে আদালতে উপস্থিত হন। পরে আদালত তার জামিন মঞ্জুর করেন।

এর আগে বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজসম্পদ মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকুকে নাস্তিক ও ইসলামবিদ্বেষী বলে মন্তব্য করার অভিযোগে গত ২ এপ্রিল মুফতি আমির হামজার বিরুদ্ধে মানহানির মামলা করা হয়। একইদিন আদালত সমন জারি করে ২১ এপ্রিল তাকে হাজির হওয়ার নির্দেশ দেন।

নির্ধারিত তারিখে আদালতে উপস্থিত না হওয়ায় তার বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করা হয় এবং গত ১৭ মে সিরাজগঞ্জ অতিরিক্ত চিফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের বিচারক সুমন কর্মকার তার বিরুদ্ধে পত্রিকায় বিজ্ঞপ্তি প্রকাশের নির্দেশ দেন।

শিশির/থিও/

খালেদা জিয়াকে ‘কালো মানিক’ উপহার দেওয়া সেই সোহাগ মৃধা গ্রেপ্তার

প্রকাশ: ১৪ জুন ২০২৬, ০৩:১৫ পিএম
আপডেট: ১৪ জুন ২০২৬, ০৩:২৮ পিএম
খালেদা জিয়াকে ‘কালো মানিক’ উপহার দেওয়া সেই সোহাগ মৃধা গ্রেপ্তার
ছবি: খবরের কাগজ

সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়াকে ‘কালো মানিক’ নামে একটি গরু উপহার দিয়ে আলোচনায় আসা পটুয়াখালীর মির্জাগঞ্জের সোহাগ মৃধাকে মারামারি ও পর্নোগ্রাফি মামলায় গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

রবিবার (১৪ জুন) তাকে গ্রেপ্তারের পর আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়।

গ্রেপ্তার সোহাগ মৃধা উপজেলার উত্তর ঝাটিবুনিয়া গ্রামের বাসিন্দা।

পুলিশ সূত্রে জানা যায়, সোহাগ মৃধার বিরুদ্ধে একটি মারামারি এবং একটি পর্নোগ্রাফি আইনের মামলাসহ মোট দুটি মামলা রয়েছে। এর মধ্যে মারামারির মামলায় তিনি এক নম্বর আসামি এবং পর্নোগ্রাফি মামলায় সহযোগী আসামি। এসব মামলার ভিত্তিতেই তাকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

সোহাগ মৃধা গ্রেপ্তার থাকায় এ বিষয়ে তার কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

মির্জাগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. তৌহিদুজ্জামান বলেন, মারামারি ও পর্নোগ্রাফি আইনের মামলায় সোহাগ মৃধাকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। আজ তাকে আদালতে পাঠানো হয়েছে।

গত বছর বেগম খালেদা জিয়াকে ‘কালো মানিক’ নামের একটি গরু উপহার দিয়ে আলোচনায় আসেন সোহাগ মৃধা। পরে খালেদা জিয়া উপহারটি গ্রহণ করে সোহাগের পরিবারের আর্থিক স্বচ্ছলতার কথা বিবেচনা করে গরুটি তাকে ফিরিয়ে দেন। পরবর্তীতে চলতি ঈদুল আজহা উপলক্ষে গরুটি বিক্রি করেন সোহাগ মৃধা।

হাসিবুর রহমান/খাদিজা রুমি/