কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের শাটডাউন কর্মসূচির দ্বিতীয় দিনে পদ্মা সেতু দিয়ে যানবাহন চলাচল স্বাভাবিক রয়েছে। পদ্মা সেতুর টোল প্লাজার সামনে ও এক্সপ্রেসওয়েতে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর তৎপর রয়েছে। এক্সপ্রেসওয়ে দিয়ে যানবাহন চলাচল থাকলেও তা সংখ্যায় অনেক কম।
শরীয়তপুর জেলা পুলিশ সূত্র জানায়, কার্যক্রম নিষিদ্ধ সংগঠন আওয়ামী লীগের শাটডাউন কর্মসূচির দ্বিতীয় দিনে পদ্মা সেতুর জাজিরা প্রান্তের টোলপ্লাজার আশেপাশে ও ঢাকা-ভাঙ্গা এক্সপ্রেসওয়েতে আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর অতিরিক্ত সদস্য মোতায়েন করা হয়েছে।
সোমবার (১৭ নভেম্বর) সকাল থেকে পুলিশ, র্যাব ও সেনা সদস্যরা এক্সপ্রেসওয়েতে টহল শুরু করেছে।
সোমবার সকাল থেকে এক্সপ্রেসওয়েতে মোটরসাইকেল নিয়ে মহড়া দিয়েছে জামায়াতে ইসলামী ও বিএনপির নেতা-কর্মীরা।
সোমবার সকাল ৬টা থেকে ৯টা পর্যন্ত পদ্মা সেতুর জাজিরা প্রান্তের টোল প্লাজার সামনে দেখা যায়, যাত্রীবাহী, পণ্যবাহী ও ব্যক্তিগত যানবাহন সীমিত পরিসরে চলাচল করেছে।
শরীয়তপুর বাস মালিক সমিতির সভাপতি ফারুক আহমেদ তালুকদার বলেন, সোমবার সকাল থেকে ঢাকার সঙ্গে শরীয়তপুরের যানবাহন চলাচল করছে। পথে কোথাও যানবাহনগুলো বাধার মুখে পড়েনি। তবে যাত্রীর উপস্থিতি কম থাকায় যানবাহনও কম চলাচল করছে।
শরীয়তপুরের পুলিশ সুপার নজরুল ইসলাম বলেন, অন্যদিনের মতো স্বাভাবিকভাবে যানবাহন চলাচল করছে পদ্মা সেতু দিয়ে। যেহেতু একটি সংগঠনের ঘোষিত কর্মসূচি রয়েছে তাই আমরা পদ্মা সেতুর আশেপাশের গুরুত্বপূর্ণ অবকাঠামোতে টহল বাড়িয়েছি। শরীয়তপুরের কোথাও, পদ্মা সেতুর আশপাশে ও এক্সপ্রেসওয়েতে কোনো অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা ঘটেনি। আমরা চেষ্টা করছি জনসাধারণের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার জন্য।
ঢাকার রেঞ্জের ডিআইজি রেজাউল করিম মল্লিক জানান, আইনশৃঙ্খলা বজায় রাখার জন্য যা কিছু করার প্রয়োজন আমরা সেটাই করবো। শরীয়তপুর, মাদারীপুর, গোপালগঞ্জ, ফরিদপুর জেলা ঘুরে এসেছি, কোথায় কোনো অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটেনি। রায়কে ঘিরে কোনো নাশতা আমরা করতে দেব না। আমাদের আইনশৃঙ্খলা বাহিনী সব ধরনের অপ্রীতিকর ঘটনা মোকাবেলা করার জন্য প্রস্তুত রয়েছি। আইনশৃঙ্খলা স্বাভাবিক রয়েছে বলে দাবি করেন তিনি।
রাজিব হোসেন/অমিয়/