জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) চট্টগ্রাম মহানগর সমন্বয়কারী সদস্য, মিডিয়া সেলের প্রধান সমন্বয়কারী ও চট্টগ্রাম-১৩ আসনের মনোনয়নপ্রত্যাশী মোহাম্মদ রিদুয়ান হৃদয় বলেছেন, ‘৫ই আগস্টের পর চাঁদাবাজি-টেন্ডারবাজি যেসব হয়েছে, তার পেছনে ছাত্রদের সম্পৃক্ততা ছিল।’
মঙ্গলবার (১৮ নভেম্বর) সন্ধ্যা ৭টায় আনোয়ারার কালাবিবির দিঘির পাশে একটি রেস্টুরেন্টে বিভিন্ন পত্রিকার প্রতিনিধি ও সংবাদদাতাদের সঙ্গে আয়োজিত এক মতবিনিময় সভায় তিনি এ মন্তব্য করেন।
রিদুয়ান হৃদয় বলেন, ‘‘আমরা ৭১কেও ধারণ করি, ২৪কেও ধারণ করি; তবে একাত্তের এর চেতনাকে বেচে যারা নিজেদের পকেট ভারি করেছে, তাদের ঘৃণা করি। গত জুলাইয়ের অভ্যুত্থানে এসব ‘চেতনা ব্যবসায়ীদের’ রাজনীতি কবর রচিত হয়েছে।’’
সাংবাদিকের প্রশ্নের জবাবে রিদুয়ান বলেন, ‘‘১১-১২ বছরের সংগ্রামের পর আজকের রিদুয়ান হৃদয় হয়েছি। আপনার প্রশ্ন ছিলো, আয়ের উৎস কোথায়? আমার একটি প্রিন্টিং প্রেসের দোকান, সাইবার সিকিউরিটি হাব রয়েছে ও আমি ফ্রিল্যান্সিং এবং সাংবাদিকতা করতাম। ৫ আগস্টের আগেও আমার লাখ-দেড়লাখ আয় ছিল।’’
তিনি আরও বলেন, ‘‘আগামীর বাংলাদেশ তরুণ-যুবকের বাংলাদেশ। তরুণ প্রজন্ম ক্ষমতায় এলে প্রকৃত উন্নয়ন সম্ভব হবে। দলীয় মনোনয়ন পেয়ে নির্বাচিত হওয়ার সুযোগ পেলে আনোয়ারা-কর্ণফুলীকে শিল্পবান্ধব ও কৃষিবান্ধব উপজেলায় রূপান্তর করবো।’’
সভায় এনসিপি নেতাদের পাশাপাশি উপস্থিত ছিলেন বিভিন্ন উপজেলা ও জেলা পর্যায়ের নেতৃবৃন্দ। বক্তব্য রাখেন, এনসিপি চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলা যুগ্ম সমন্বয়কারী মোহাম্মদ সাজ্জাদ হোসেন, কর্ণফুলী উপজেলা সমন্বয় কমিটির যুগ্ম সমন্বয়কারী ইমরান হোসেন তারা, জাতীয় যুবশক্তির সংগঠক সৈয়দ মামুনুর রশিদ।এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন, কাজী জাবেদ, ইশতিয়াকুল ইসলাম জয়, মাহমুদুল হাসান, আরেফিন সুমনসহ দলীয় নেতাকর্মীরা।
সভায় বক্তারা স্থানীয় উন্নয়ন, যুবসমাজের ভূমিকা এবং আগামী নির্বাচনে এনসিপির অবস্থান নিয়ে খোলামেলা আলোচনা করেন।
হা-মীম/মাহফুজ