রাজধানীর মহাখালীতে একটি বাসে আগুন দিয়েছে দুর্বৃত্তরা তবে এ ঘটনায় এখনও হতাহতের কোনো খবর পাওয়া যায়নি।
শনিবার (২২ নভেম্বর) রাত ১০টার দিকে এ ঘটনা ঘটে।
বিস্তারিত আসছে...
রাজধানীর মহাখালীতে একটি বাসে আগুন দিয়েছে দুর্বৃত্তরা তবে এ ঘটনায় এখনও হতাহতের কোনো খবর পাওয়া যায়নি।
শনিবার (২২ নভেম্বর) রাত ১০টার দিকে এ ঘটনা ঘটে।
বিস্তারিত আসছে...
চট্টগ্রামের সাতকানিয়া পৌরসভায় জায়গা সংক্রান্ত বিরোধে জমিরিয়া সুলতানুল উলুম মাদরাসায় হামলার ঘটনা ঘটেছে। এতে মাদরাসাটির রাস্তার বাউন্ডারি ওয়াল ভাঙচুরের পাশাপাশি দেওয়ালে জয় বাংলা লেখারও অভিযোগ উঠেছে। এ হামলায় ওই মাদরাসার চার শিক্ষার্থী আহত হয়েছে।
এ হামলার প্রতিবাদে শুক্রবার (১৯ জুন) সন্ধ্যা ৬টার দিকে পৌরসভার ৪ নম্বর ওয়ার্ডের ছমদর পাড়ায় অবস্থিত মাদরাসার হলরুমে পরিচালনা কমিটির ব্যানারে সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করা হয়।
সংবাদ সম্মেলনে মাদরাসাটির প্রতিষ্ঠাতা পরিচালক মুফতি মুহাম্মদ আব্দুল্লাহ ও মাওলানা মাহমুদুল করিম কাসেমী লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন।
মুফতি মুহাম্মদ আব্দুল্লাহ অভিযোগ করে বলেন, জায়গা সংক্রান্ত বিরোধের জেরে রাতের আঁধারের এ হামলায় মাদরাসার চারজন শিক্ষার্থী আহত হয়েছে। হামলাকারীরা ঘটনাটিকে ভিন্ন দিকে মোড় দেওয়ার লক্ষ্যে মাদরাসার সিসিটিভি ক্যামেরায় কালো রঙের স্প্রে দিয়ে ঢেকে দেয়। এরপর দেয়ালে স্প্রে দিয়ে রাজনৈতিক স্লোগান 'জয় বাংলা' এঁকে দেয়।
তিনি আরও বলেন, জায়গাটি অনেক বছর আগে মাদরাসার জন্য কেনা হয়েছে। এরপর দীর্ঘ বছর ধরে সুনামের সঙ্গে মাদরাসাটি এখানে পরিচালিত হয়ে আসছে। কিন্তু সম্প্রতি স্থানীয় আব্দুল্লাহ নামের এক ব্যক্তি জোরপূর্বক মাদরাসার রাস্তা দখলের অপচেষ্টায় লিপ্ত হওয়ায় আমরা উপজেলা প্রশাসন ও আদালতের শরণাপন্ন হই। এরপর আদালত ওই জায়গায় উভয় পক্ষকে স্থিতাবস্থা বজায় রাখার নির্দেশ দেন। তবে আদালতের আইনি নিষেধাজ্ঞা ও লিগ্যাল এইডের নোটিশ তোয়াক্কা না করেই প্রতিপক্ষের লোকজন এমন তাণ্ডব চালিয়েছে। আমরা এ ঘটনার তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাচ্ছি।
মাওলানা মাহমুদুল করিম কাসেমী অভিযোগ করে বলেন, হামলাকারীরা সিসিটিভি ক্যামেরার লেন্স কালো রঙের স্প্রে ব্যবহার করে ঢেকে দিয়ে সুপরিকল্পিতভাবে এ হামলা চালিয়েছে। এ সময় মাদরাসার শিক্ষার্থীদের লক্ষ্য করে পাথর নিক্ষেপ করা হয়। এতে বেশ কয়েকজন শিক্ষার্থী রক্তাক্ত আহত হয়েছে। এ ছাড়াও সিসিটিভি ক্যামেরায় স্প্রে করার পূর্ব মুহূর্ত পর্যন্ত হামলাকারীদের প্রবেশ ও গতিবিধির স্পষ্ট ফুটেজ আমাদের কাছে রয়েছে। সেখানে হামলাকারীদের স্পষ্ট চেনা যাচ্ছে। তারা পালিয়ে যাওয়ার সময় ভাঙচুরের কাজে ব্যবহৃত একটি হাতুড়ি ঘটনাস্থলে ফেলে যায়। ঘটনার পরপরই আমরা থানায় লিখিত অভিযোগ করেছি। এ হামলার ঘটনায় জড়িতদের দ্রুত সময়ের মধ্যে আইনের আওতায় এনে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানাচ্ছি।
হামলার ঘটনায় অভিযুক্ত মো. আব্দুল্লাহর ফোনে যোগাযোগ করা হলে তিনি সব অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, তারা নিজেরা এ ঘটনার সঙ্গে সম্পৃক্ত। এরপর আমাদের উপর দায় চাপিয়ে দিচ্ছে।
চট্টগ্রাম জেলা পুলিশের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সাতকানিয়া সার্কেল) মো. আরিফুল ইসলাম সিদ্দিকী বলেন, খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পুলিশের একটি টিম পাঠানো হয়েছে। পরবর্তীতে এ বিষয়ে একটি লিখিত অভিযোগ পেয়েছি। পুরো বিষয়টি তদন্ত করে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
সংবাদ সম্মেলনে অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন, জামিয়াতুল আরবিয়াতুল হাফেজিয়া ছমদর পাড়া বড় মাদরাসার মুহতামিম মাওলানা আবুল হোসাইন, ঠাকুরদিঘী হেমায়েতুল ইসলাম মাদরাসার পরিচালক মাওলানা মাহমুদুল হক, বোর্ড অফিস মাদরাসার পরিচালক মাওলানা ফয়সাল হাকিম, সাতকানিয়া জামে মসজিদের খতিম মাওলানা হাবিবুল্লাহ, ঘাটিয়াডেঙ্গা আইনুল উলুম মাদরাসা পরিচালক মাওলানা আব্দুল মুবিন, রাহে নাজাত মাদরাসার পরিচালক মাওলানা জুনায়েদ, খরাইয়ানগর মাদরাসার পরিচালক মাওলানা তৌহিদুর রহমান, উলামা কল্যাণ ফাউন্ডেশনের সভাপতি মাওলানা হাফেজ হারুন বিন রশিদ, ছিটুয়া পাড়া দারুল আরকাম মাদরাসার পরিচালক মাওলানা জোনায়েদ ফয়েজী, ছমদরপাড়া বড় মাদরাসার শিক্ষক মাওলানা হাফেজ শোয়াইব ও সাতকানিয়া উলামা পরিষদের সেক্রেটারি মাওলানা দেলোয়ারসহ প্রমুখ।
আরিফুল ইসলাম/নাঈম
টাঙ্গাইলের মধুপুর উপজেলায় একটি পরিত্যক্ত সেফটিক ট্যাংকে পড়ে যাওয়া ছাগল উদ্ধার করতে গিয়ে চারজনের মৃত্যু হয়েছে।
শনিবার (২০ জুন) সকালে উপজেলার টেলকি জলই গ্রামে এ দুর্ঘটনা ঘটে।
নিহতরা হলেন গ্রাব্রিয়েল নকরেক (৪৫), রতন নকরেক (২৫), বাবলু হাদিমা (৩৫) এবং নেইমার ম্রং (১০)। তারা সবাই উপজেলার জলই গ্রামের বাসিন্দা এবং স্থানীয় ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠী সম্প্রদায়ের সদস্য।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, শনিবার সকালে একটি ছাগল বাড়ির পাশের একটি পরিত্যক্ত সেফটিক ট্যাংকের মধ্যে পড়ে যায়। ছাগলটিকে উদ্ধার করার জন্য প্রথমে গ্রাব্রিয়েল নকরেক ট্যাংকের ভেতরে নামেন। কিছুক্ষণ অতিবাহিত হলেও তিনি আর উপরে উঠতে না পারায় পরিবারের সদস্য ও স্থানীয়রা উদ্বিগ্ন হয়ে পড়েন। পরে তাকে উদ্ধারের জন্য একে একে রতন নকরেক, বাবলু হাদিমা এবং শিশুপুত্র নেইমার ম্রং ট্যাংকের ভেতরে নামেন। কিন্তু তারাও আর ফিরে আসতে পারেননি।
একপর্যায়ে স্থানীয়রা বিষয়টি বুঝতে পেরে মধুপুর ফায়ার সার্ভিসকে খবর দেওয়া হলে তাদের একটি দল দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে উদ্ধার অভিযান শুরু করে। দীর্ঘ চেষ্টার পর ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা ট্যাংকের ভেতর থেকে চারজনকে উদ্ধার করে।
মধুপুর ফায়ার সার্ভিসের কর্মকর্তারা জানান, সেফটিক ট্যাংক, কূপ কিংবা গভীর গর্তে দীর্ঘদিন ধরে জমে থাকা মিথেন, হাইড্রোজেন সালফাইড ও অন্যান্য বিষাক্ত গ্যাস মানুষের জন্য অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ। প্রয়োজনীয় নিরাপত্তা ব্যবস্থা ছাড়া এসব স্থানে নামা মারাত্মক দুর্ঘটনার কারণ হতে পারে। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, বিষাক্ত গ্যাসের কারণেই এ হতাহতের ঘটনা ঘটেছে।
মধুপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এ কে এম ফজলুর হক জানান, খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে যায়, ফায়ার সার্ভিসের সহযোগিতায় চারজনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। প্রাথমিকভাবে বিষাক্ত গ্যাসে শ্বাসরোধ হয়ে মৃত্যুর বিষয়টি ধারণা করা হচ্ছে। তবে তদন্ত শেষে মৃত্যুর প্রকৃত কারণ জানা যাবে।
জুয়েল/আমান
চাঁদপুর থেকে ছেড়ে আসা চট্টগ্রামগামী মেঘনা এক্সপ্রেস ট্রেনের ইঞ্জিনে যান্ত্রিক ত্রুটি দেখা দেওয়ায় ফেনী রেলস্টেশনে প্রায় দুই ঘণ্টা আটকা পড়েছেন অন্তত ৮০০ যাত্রী। এতে নারী, শিশু ও বয়স্ক যাত্রীরা চরম ভোগান্তিতে পড়েন।
শনিবার (২০ জুন) সকাল সাড়ে ৮টায় ট্রেনটি ফেনী জংশনে প্রবেশের সময় ইঞ্জিন থেকে ধোঁয়া বের হতে দেখা যায়।
রেলওয়ে সূত্র জানায়, স্টেশনে পৌঁছানোর পর ইঞ্জিনের মোটরে যান্ত্রিক ত্রুটি ধরা পড়ে। পরে মোটরে আগুন লাগার আশঙ্কা দেখা দিলে নিরাপত্তার স্বার্থে ট্রেনটি স্টেশনের ডাউন লাইনে থামিয়ে রাখা হয়।
দীর্ঘ সময় ট্রেন আটকে থাকায় অনেক যাত্রী স্টেশনে নেমে বিকল্প পরিবহনের খোঁজ করেন।
লাকসাম থেকে চট্টগ্রামগামী যাত্রী একরামুল হক বলেন, ’সকাল ৭টা ১৫ মিনিটে ট্রেনে উঠেছি। ফেনীতে এসে দুই ঘণ্টার বেশি সময় ধরে বসে আছি। অনেক যাত্রী ট্রেন ছেড়ে সড়কপথে চলে যাচ্ছেন।’
আরেক যাত্রী সাহেদা বেগম বলেন, ’এতক্ষণে চট্টগ্রামে পৌঁছে যাওয়ার কথা ছিল। দুই সন্তান নিয়ে দীর্ঘ সময় অপেক্ষা করতে হচ্ছে। এখানে আটকে পড়ে খুব ভোগান্তিতে পড়েছি।’
ফেনী রেলওয়ে স্টেশনের স্টেশন মাস্টার মোহাম্মদ হারুন জানান, চট্টগ্রাম থেকে বিকল্প ইঞ্জিন আনা হচ্ছে, যা ইতোমধ্যে ফৌজদারহাট অতিক্রম করেছে। ক্ষতিগ্রস্ত ইঞ্জিন অপসারণের পর ট্রেনটি চট্টগ্রামের উদ্দেশে ছেড়ে যাবে।
তিনি আরও জানান, ফেনী থেকে যেসব যাত্রীর এই ট্রেনে ওঠার কথা ছিল, তাদের কেউ কেউ টিকিট ফেরত দিয়ে বিকল্প পরিবহনে গন্তব্যের উদ্দেশ্যে রওনা হয়েছেন। তবে মেঘনা এক্সপ্রেস একটি লাইনে আটকে থাকলেও পাশের দুটি লাইন সচল থাকায় অন্যান্য ট্রেন চলাচল স্বাভাবিক রয়েছে।
তোফায়েল নিলয়/খাদিজা রুমি/
নওগাঁর বেশ কয়েকটি আম বাগান পরিদর্শন করেছে জাপানের আমদানিকারক ও ব্যবসায়ীদের যৌথ প্রতিনিধিদল। পরিদর্শন শেষে দলটি নিরাপদ আম উৎপাদন নিয়ে সন্তুষ্টি প্রকাশ করেছেন। সুযোগ পেলে বাংলাদেশ থেকে বিপুল পরিমাণ আম জাপানে আমদানি করতে চান তারা।
শনিবার (২০ জুন) নওগাঁর পোরশা উপজেলার ছাওড় ও তেঁতুলিয়া এলাকার দুটি রপ্তানিযোগ্য আমবাগান পরিদর্শন শেষে এমন প্রত্যাশার কথা জানায় জাপানের ব্যবসায়ীরা।
জাপানি ওই প্রতিনিধিদলের অন্য সদস্যরা হলেন জাপানি ব্যবসায়ী কাওয়ামতু, সাকাকিবারা, ইশিমটু ও শিগিমরি। এ ছাড়া পরিদর্শনের সময় জাপানি প্রতিনিধিদলটির সাথে আবু সাঈদ নামে এক বাংলাদেশী আম রপ্তানীকারকও ছিলেন।
ছাওড় এলাকার ম্যাংগো ফার্ম নামে একটি বড় বাগান পরিদর্শন শেষে জাপানি ব্যবসায়ী প্রতিনিধিদলের সদস্য কাওয়ামতু বলেন, মূলত বাংলাদেশে জাপানের দূতাবাসের আমন্ত্রণে তারা রাজশাহী ও নওগাঁ অঞ্চলে রপ্তানিযোগ্য বেশ কিছু আমবাগান পরিদর্শন করছেন। এরই ধারাবাহিকতায় নওগাঁর আমবাগানেও এসেছেন। জাপানে সুমিষ্ঠ আমের ব্যপক চাহিদা রয়েছে। সেই দিক মাথায় রেখে বাংলাদেশ থেকে আম রপ্তানির বিভিন্ন পর্যায় যাচাই-বাছাই করা হচ্ছে। সব পক্ষ রাজি থাকলে বাংলাদেশ থেকে বিপুল পরিমাণ আম নেওয়া হবে। মূলত বাংলাদেশের রাজশাহী, নওগাঁ ও চাঁপাইনবাবগঞ্জের আমের প্রশংসা করেন তারা।
কাওয়ামতু বলেন, তারা জেনেছেন মাটির গুনগত মানের কারনে নওগাঁর আম খুবই সুমিষ্ট। এই এলাকায় বেশ কিছু রপ্তানীযোগ্য আম বাগান রয়েছে। চাষিরাও রপ্তানীতে আগ্রহ দেখাচ্ছেন। আর তাই এখানে উৎপাদিত সুস্বাদু ফ্রেশ আম তারা জাপানে বাজারে নিতে চান।
এর ঠিক আগের দিন প্রতিনিধি দলটি নওগাঁর পোরশা উপজেলার বন্ধুপাড়া এলাকার ফ্রুটস মিউজিয়াম এগ্রো ফার্ম নামে একটি রপ্তানিযোগ্য আমবাগান পরিদর্শন করেন। এরইমধ্যে নওগাঁ ছাড়াও রাজশাহী ও চাঁপাইনবাবগঞ্জের বিভিন্ন এলাকায় রপ্তানিযোগ্য আমবাগান পরিদর্শন করেছেন তারা।
জাপানি ব্যবাসায়ী প্রতিনিধিদলের সদস্যদের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, রপ্তানিযোগ্য আমবাগান পরিদর্শন ছাড়াও তারা কয়েকটি জেলায় আম গ্রেডিং, শর্টিং ও শোধনকেন্দ্র পরিদর্শন করে দেখছেন। পরিদর্শন শেষে তাঁরা বাংলাদেশ থেকে আম আমদানির আগ্রহ প্রকাশ করেন। আর এতে খুশি বাগানমালিক ও উদ্যোক্তারা।
বাগান পরিদর্শনের সময় ম্যাংগো ফার্ম এর মালিক আনিছুর রহমান, স্থানীয় সোহেল, সালাউদ্দিন ও পোরশা উপজেলার উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তা সেলিম রেজা উপস্থিত ছিলেন।
আম চাষি সালাউদ্দিন জানান, নওগাঁয় উৎপাদিত বিভিন্ন জাতের আম সম্পর্কে জাপানি প্রতিনিধিদলকে ধারণা দেওয়া হয়েছে। গত বছর থেকে চিনে আম রপ্তানী হচ্ছে। এছাড়া কয়েক বছর ধরেই নওগাঁ থেকে ইউরোপ ও মধ্যপ্রাচ্যের বিভিন্ন দেশে বাংলাদেশের আম যাচ্ছে। তবে এ বছর প্রথম জাপানের বাজারে দেশের আম রপ্তানির সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে। জাপানে আম রপ্তানি করা গেলে স্থানীয় আমচাষিরা অনেক লাভবান হবেন।
পোরশা উপজেলা উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তা সেলিম রেজা বলেন, নওগাঁ কৃষি বিভাগ সব সময় আম চাষিদের পাশে আছে। নিরাপদ আম উৎপাদনে স্থানীয় চাষিদের পরামর্শ ও সহযোগীত দেয়া হচ্ছে। পাশাপাশি রপ্তানীচ্ছু চাষিদের আলাদা করে প্রশিক্ষনের ব্যবস্থা করা হয়েছে।
তিনি বলেন, জাপানি ব্যবসায়ী প্রতিনিধিদল আমবাগানগুলো পরিদর্শন করে সন্তুষ্টি প্রকাশ করেছেন। আশা করা হচ্ছে খুব শিঘ্রই তারা নওগাঁর আম জাপানের বাজারে নেবেন।
হারুন/এএফ
টাঙ্গাইলে সদর উপজেলার পৌরসভার ৪টি এবং ১২টি ইউনিয়নের মোট ১৬টি ধর্মীয় ও সামাজিক প্রতিষ্ঠানের উন্নয়ন ও সংস্কার কাজে ৫০ লাখ টাকার সরকারি বিশেষ অনুদান বিতরণ করা হয়েছে।
শনিবার (২০ জুন) সকালে টাঙ্গাইল সার্কিট হাউজে আয়োজিত অনুষ্ঠানে মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী ও স্থানীয় সংসদ সদস্য সুলতান সালাউদ্দিন টুকু সংশ্লিষ্ট ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধিদের হাতে অনুদানের চিঠি হস্তান্তর করেন।
স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তর (এলজিইডি) বাস্তবায়িত ‘সার্বজনীন সামাজিক অবকাঠামো উন্নয়ন-২ (GSID-2)’ শীর্ষক প্রকল্পের আওতায় এ অর্থ বরাদ্দ দেওয়া হয়। এর মধ্যে মসজিদ ও মন্দিরের সংস্কার ও উন্নয়ন কাজ অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।
প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানগুলোর উন্নয়ন ও সংস্কারের মাধ্যমে স্থানীয় জনগণের সামাজিক সম্প্রীতি, ধর্মীয় মূল্যবোধ এবং পারস্পরিক কল্যাণ নিশ্চিত করতে সরকার দেশব্যাপী বিভিন্ন উন্নয়নমূলক কর্মসূচি বাস্তবায়ন করছে। এই প্রকল্পের আওতায় বরাদ্দকৃত অর্থ সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানগুলোর টেকসই অবকাঠামোগত উন্নয়ন এবং আধুনিকায়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।’
অনুষ্ঠানে জেলা বিএনপির সাবেক সদস্য সচিব মাহমুদুল হক সানু, সদর থানা বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম সম্পাদক আজিম উদ্দিন বিপ্লব, জেলা ছাত্রদলের আহ্বায়ক দুর্জয় হোড় শুভসহ বিভিন্ন ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।
জুয়েল/রুমি/