ঢাকা ২২ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩, শুক্রবার, ০৫ জুন ২০২৬

সর্বশেষ
বিদ্যুৎ-জ্বালানির মূল্যবৃদ্ধি: জীবনযাত্রা হবে আরও ব্যয়বহুল বিদ্যুতের অস্বাভাবিক মূল্যবৃদ্ধি নেইমারকে ছাড়াই খেলবে ব্রাজিল সুন্দর পুরুষ টিভিতে আজকের খেলা কেমন হবে মুমিনের হজ-পরবর্তী জীবন জীবন একদিন শেষ হয়ে যায়! ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় পিকআপের ধাক্কায় মা-ছেলেসহ নিহত ৩ বিষাদ-বেদনার আঙুলে চুমো খাও নির্বাচনের খরা কাটল মাসুদুজ্জামানের শান্তি নিদ্রা আব্বার সেই ম্লান হাসিটা আমাকে তাড়া করে বেড়িয়েছে বিশ্বকাপে নিষিদ্ধ পানির বোতল যে বই কেউ ছাপতে চায়নি সেই বইয়ের বুকার জয় কেরানীগঞ্জে শ্রমিকের অর্ধগলিত মরদেহ উদ্ধার ময়মনসিংহ মেডিকেলে হাম উপসর্গে ভর্তি আরও ১৯ শিশু বেড়েছে মুরগি, কাঁচা মরিচ-কাঁচা পেঁপের দাম বাতাসে যেন আগুনের হলকা, কষ্টে প্রাণিকুল তিন ক্যাটাগরিতে রিটেইল এশিয়া অ্যাওয়ার্ডস পেল এপেক্স ফুটওয়্যার গোপালগঞ্জে ইজিবাইকচাপায় স্কুলছাত্র নিহত দৌলতদিয়া ফেরিঘাটে আবারও যাত্রীবাহী বাস পড়ল পদ্মা নদীতে চুয়াডাঙ্গায় পুত্রবধূকে ধর্ষণের অভিযোগে শ্বশুর গ্রেপ্তার খুলনায় হাসপাতালে বাড়ছে রোগীর ভিড় শাহরাস্তিতে ১৮ মামলার আসামি ‘সাদা আনোয়ার’ গ্রেপ্তার গোপালগঞ্জে দুই বাসের সংঘর্ষ, নিহত ২ ৬ ঘণ্টা পরে ঢাকার সঙ্গে চট্টগ্রাম-সিলেটের ট্রেন চলাচল স্বাভাবিক কর্মস্থলে গরমে হাঁসফাঁস শাহরাস্তিতে শিশু ধর্ষণের অভিযোগ বৃদ্ধের বিরুদ্ধে ভ্যাট রিটার্ন দাখিলে আসছে ত্রৈমাসিক ব্যবস্থা গোপালপুরে ২ নবজাতকের মরদেহ উদ্ধার, তদন্তে নেমেছে পুলিশ
Nagad desktop

পুঠিয়ায় ট্রাকচাপায় ৪ কলা ব্যবসায়ী নিহত

প্রকাশ: ০১ জানুয়ারি ২০২৬, ০৯:১০ এএম
আপডেট: ০১ জানুয়ারি ২০২৬, ১০:২৭ এএম
পুঠিয়ায় ট্রাকচাপায় ৪ কলা ব্যবসায়ী নিহত
ছবি: সংগৃহীত

রাজশাহীর পুঠিয়ায় ঘন কুয়াশার কারণে বাজারের মধ্যে বালুবাহী ট্রাকচাপায়  চারজন কলা ব্যবসায়ী নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় আরও একজন গুরুতর আহত হয়েছেন।

বৃহস্পতিবার (১ জানুয়ারি) সকাল ৭টা ৪৫ মিনেটের দিকে পুঠিয়া উপজেলার ঝলমলিয়া বাজারের কলার হাটে এ দুর্ঘটনা ঘটে।

প্রত্যক্ষদর্শী, ফায়ার সার্ভিস ও পুলিশ সূত্র জানায়, সকালবেলা ঘন কুয়াশায় দৃষ্টিসীমা কমে গেলে একটি দ্রুতগতির বালুবাহী ট্রাক নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে বাজারের ভেতরে ঢুকে পড়ে। এ সময় রাস্তার পাশে দাঁড়িয়ে থাকা কয়েকজন কলা ব্যবসায়ীকে চাপা দেয় ট্রাকটি। এতে ঘটনাস্থলেই চারজনের মৃত্যু হয় এবং আরও একজন গুরুতর আহত হন।

নিহত ও আহতরা সবাই ঝলমলিয়া কলার হাটে কলা কেনাবেচার সঙ্গে জড়িত ছিলেন। প্রতিদিনের মতো ভোরে তারা হাটে অবস্থান করছিলেন বলে জানান স্থানীয়রা। দুর্ঘটনার পরপরই স্থানীয় লোকজন ও ফায়ার সার্ভিস সদস্যরা হতাহতদের উদ্ধার করে পুঠিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান।

ফায়ার সার্ভিস এক বিজ্ঞপ্তিতে জানায়, সকাল ৭টা ৫০ মিনিটে দুর্ঘটনার খবর পেয়ে ৭টা ৫৫ মিনিটে ঘটনাস্থলে পৌঁছায় ফায়ার সার্ভিসের ইউনিট। পুঠিয়া ফায়ার স্টেশনের একটি ইউনিট ও নাটোর ফায়ার স্টেশনের একটি ইউনিট উদ্ধারকাজে অংশ নেয়। স্টেশন থেকে ঘটনাস্থলের দূরত্ব প্রায় ২ কিলোমিটার। এ ঘটনায় চারজন নিহত ও একজন আহত হওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করেছে ফায়ার সার্ভিস।

এ বিষয়ে পবা হাইওয়ে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোজাম্মেল হক জানান, ঝলমলিয়া বাজারে কলা বেচাকেনার স্থানে একটি বালুঝোঝাই ট্রাক নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে উল্টে যায়। পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে তিনজনের মরদেহ উদ্ধার করে পুঠিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে পাঠিয়েছে। অপর একজনের মরদেহ স্বজনরা বাড়িতে নিয়ে গেছেন বলে জানা গেছে। দুর্ঘটনার পর এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে।

এনায়েত করিম/সুমন/

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় পিকআপের ধাক্কায় মা-ছেলেসহ নিহত ৩

প্রকাশ: ০৫ জুন ২০২৬, ১১:২০ এএম
আপডেট: ০৫ জুন ২০২৬, ১১:৩৭ এএম
ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় পিকআপের ধাক্কায় মা-ছেলেসহ নিহত ৩
প্রতীকী ছবি

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় পিকআপভ্যানের ধাক্কায় মা-ছেলেসহ সিএনজিচালিত অটোরিকশার তিনজন নিহত হয়েছেন।

শুক্রবার (৫ জুন) সকাল সাড়ে ৮টার দিকে সদর উপজেলার রামরাইল ইউনিয়নের বিয়াল্লিশহর এলাকায় কুমিল্লা-সিলেট মহাসড়কে এ দুর্ঘটনা ঘটে। 

নিহতরা হলেন- অটোরিকশাচালক মাহবুব (৪৫), অটোরিকশার যাত্রী জোসনা বেগম (৪০) ও তার শিশুপুত্র আশরাফুল (৫)। 

এ ঘটনায় আহত হয়েছেন জোসনার স্বামী কাউসার (৫০) ও তার মেয়ে আদিবা (৪)। আহতরা ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেনারেল হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। তাদের বাড়ি জেলার কসবা উপজেলার মূলগ্রাম ইউনিয়নের বাহাদুরপুর গ্রামে।

পুলিশ জানায়, সকালে কসবা থেকে অটোরিকশায় করে স্ত্রী-সন্তানদের নিয়ে সরাইল-বিশ্বরোড যাচ্ছিলেন কাউসার। পথিমধ্যে বিয়াল্লিশহর এলাকায় পৌঁছালে পেছন দিক থেকে একটি মাছভর্তি পিকআপভ্যান অটোরিকশাটিকে ধাক্কা দেয়। এ ঘটনায় অটোরিকশার যাত্রীরা গুরুতর আহত হন। পরে তাদের উদ্ধার করে জেলা সদর হাসপাতালে নিয়ে গেলে সেখানে ওই তিনজনের মৃত্যু হয়।

খাঁটিহাতা হাইওয়ে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আবু তাহের জানান, খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়েছে। তবে দুর্ঘটনার পরপরই পিকআপের চালক ও সহযোগী পালিয়ে যাওয়ায় তাদের আটক করা যায়নি।

আজিজুল সঞ্চয়/তামান্না রুপা/

কেরানীগঞ্জে শ্রমিকের অর্ধগলিত মরদেহ উদ্ধার

প্রকাশ: ০৫ জুন ২০২৬, ১০:৩০ এএম
আপডেট: ০৫ জুন ২০২৬, ১২:১৩ পিএম
কেরানীগঞ্জে শ্রমিকের অর্ধগলিত মরদেহ উদ্ধার
ছবি: সংগৃহীত

ঢাকার কেরানীগঞ্জে একটি ফার্নিচার কারখানার শ্রমিকদের জন্য নির্মিত আবাসিক সেড থেকে মো. বাবু (৫৫) নামে এক ব্যক্তির অর্ধগলিত মরদের উদ্ধার করেছে পুলিশ।

বৃহস্পতিবার (৪ জুন) বিকেলে দক্ষিণ কেরানীগঞ্জের কদমতলী গোলচত্বর এলাকার দ্বীন ফার্নিচার কারখানার তৃতীয় তলার একটি কক্ষ থেকে মরদেহটি উদ্ধার করা হয়।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, মো. বাবু দীর্ঘ ১০ থেকে ১৫ বছর ধরে কদমতলী গোলচত্বর এলাকায় পান-সিগারেটের ব্যবসা করতেন। প্রতিদিন ব্যবসা শেষে তিনি দ্বীন ফার্নিচারের শ্রমিকদের আবাসিক সেডের তৃতীয় তলায় থাকতেন। ঈদুল আজহার ছুটিতে কারখানার অধিকাংশ শ্রমিক নিজ নিজ গ্রামের বাড়িতে চলে যাওয়ায় তিনি সেখানে একাই অবস্থান করছিলেন।

বৃহস্পতিবার দুপুরে কারখানার দারোয়ান আবাসিক সেড থেকে দুর্গন্ধ পেয়ে ঘটনাস্থলে যান। পরে তিনি কক্ষের ভেতরে মো. বাবুকে মৃত অবস্থায় পড়ে থাকতে দেখেন। খবর পেয়ে দক্ষিণ কেরানীগঞ্জ থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে অর্ধগলিত মরদেহটি উদ্ধার করে।

নিহতের চাচা আসলাম ভান্ডারী জানান, ছোটবেলা থেকেই বাবু তার কাছে মানুষ হয়েছেন। গত তিনদিন ধরে তার কোনো খোঁজ পাওয়া যাচ্ছিল না। পরে দ্বীন ফার্নিচারে এসে জানতে পারেন, শ্রমিকদের থাকার স্থানে কম্বল মোড়ানো অবস্থায় তার ভাতিজার মরদেহ পাওয়া গেছে। তিনি দাবি করেন, বাবুকে হত্যা করে তার কাছে থাকা টাকা-পয়সা লুট করা হতে পারে।

দক্ষিণ কেরানীগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সাইফুল আলম জানান, খবর পেয়ে পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে মরদেহ উদ্ধার করে। প্রাথমিক সুরতহাল শেষে ময়নাতদন্তের জন্য মরদেহটি স্যার সলিমুল্লাহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।

তিনি আরও বলেন, প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, মৃত্যুর ঘটনা তিন থেকে চার দিন আগে ঘটেছে। এ কারণে মরদেহ ফুলে গিয়ে দুর্গন্ধ ছড়িয়েছে। ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পাওয়ার পর মৃত্যুর প্রকৃত কারণ জানা যাবে। এ ঘটনায় প্রয়োজনীয় আইনি কার্যক্রম চলমান রয়েছে।

নয়ন/তামান্না রুপা

ময়মনসিংহ মেডিকেলে হাম উপসর্গে ভর্তি আরও ১৯ শিশু

প্রকাশ: ০৫ জুন ২০২৬, ১০:১৭ এএম
আপডেট: ০৫ জুন ২০২৬, ১০:১৯ এএম
ময়মনসিংহ মেডিকেলে হাম উপসর্গে ভর্তি  আরও ১৯ শিশু
ছবি: খবরের কাগজ

হাম উপসর্গ নিয়ে গত ২৪ ঘণ্টায় ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ (মমেক) হাসপাতালের আইসোলেশন ওয়ার্ডে আরও ১৯টি শিশু ভর্তি হয়েছে। এ নিয়ে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন মোট ৮৯টি শিশু।

শুক্রবার (৫ জুন) সকালে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের সহকারী পরিচালক (প্রশাসন) ডা. মোহাম্মদ মাইন উদ্দিন খান এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

তিনি বলেন, গত ১৭ মার্চ থেকে ৫ জুন সকাল পর্যন্ত হামের উপসর্গ নিয়ে মোট ১ হাজার ৮৭১টি শিশু ভর্তি হয়েছে। গত ২৪ ঘণ্টায় সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছে ২৩টি শিশু। এখন পর্যন্ত হাসপাতাল থেকে মোট ছাড়া পেয়েছে ১ হাজার ৭৩৬টি শিশু। সেখানে এ পর্যন্ত মোট ৪৬টি শিশুর মৃত্যু হয়েছে।

কামরুজ্জামান/আমান

বাতাসে যেন আগুনের হলকা, কষ্টে প্রাণিকুল

প্রকাশ: ০৫ জুন ২০২৬, ১০:১১ এএম
আপডেট: ০৫ জুন ২০২৬, ১০:৫৮ এএম
বাতাসে যেন আগুনের হলকা, কষ্টে প্রাণিকুল
হিটস্ট্রোক থেকে বাঁচাতে ব্রয়লার মুরগির শরীরে ঠাণ্ডা পানি স্প্রে করা হচ্ছে। ছবি: খবরের কাগজ

জ্যৈষ্ঠের খরতাপে পুড়ছে পাবনা। প্রখর রোদ, তীব্র গরম ও ভ্যাপসা আবহাওয়ার কারণে সাধারণ মানুষের জনজীবন দুর্বিষহ হয়ে উঠেছে। কয়েক দিন ধরে চলা এই তীব্র তাপদাহে অতিষ্ঠ খেটে খাওয়া মানুষ। গত সোমবার পাবনায় সর্বোচ্চ তাপমাত্রার ছিল ৩৮.২ ডিগ্রি সেলসিয়াস। বাতাসের আর্দ্রতা ৫০ শতাংশে পৌঁছালে গরমের তীব্রতা ভয়াবহ রূপ নেয়।

এমন অবস্থা গত এক সপ্তাহ ধরে। বাতাসে যেন আগুনের হলকা বইছে। তপ্ত রোদে মাঠে এক বেলার বেশি কাজ করতে পারছেন না কৃষি শ্রমিকরা। ঈশ্বরদী আবহাওয়া অফিস সূত্রে জানা গেছে, গত এক সপ্তাহ ধরে পাবনায় অসহনীয় ভ্যাপসা গরমের মূল কারণ বাতাসে আর্দ্রতার উচ্চ পরিমাণ। তাদের তথ্য অনুযায়ী, গত ১ জুন জেলায় সর্বোচ্চ তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয় ৩৭ দশমিক ৭ ডিগ্রি সেলসিয়াস। তখন বাতাসের আর্দ্রতা ছিল ৫০ শতাংশ। পরদিন মঙ্গলবার সর্বোচ্চ তাপমাত্রা কিছুটা কমে ৩৬ দশমিক ৮ ডিগ্রি সেলসিয়াসে নামলেও বাতাসের আর্দ্রতা বেড়ে দাঁড়ায় ৫৪ শতাংশে, যার ফলে গরমের অস্বস্তি আরও প্রকট হয়। সর্বশেষ বুধবার তাপমাত্রা এক লাফে বেড়ে দাঁড়ায় ৩৮ দশমিক ২ ডিগ্রি সেলসিয়াসে।

এদিকে বাতাসে জলীয় বাষ্পের পরিমাণ বেশি থাকায় দিনভর দাবদাহের পর রাতেও মিলছে না কাঙ্ক্ষিত স্বস্তি। তীব্র গরমে ঘাম ঝরছে অবিরাম। বিদ্যুৎচালিত পাখার বাতাসেও স্বস্তি মিলছে না। দুপুরের দিকে উপজেলার বিভিন্ন হাট-বাজার ও সড়কে মানুষের উপস্থিতি কমে যাচ্ছে। প্রয়োজন ছাড়া অনেকেই ঘরের বাইরে বের হচ্ছেন না। বিশেষ করে খেটে খাওয়া মানুষ, কৃষি শ্রমিক ও দিনমজুররা পড়েছেন চরম বিপাকে। বিল গ্যারকা পাড়ের চাষি আবুল হোসেন কষ্টের কথা জানিয়ে বলেন, ‘সকাল ১০টার পর আর মাঠে কাজ করতে পারছি না। অতিরিক্ত গরমে অনেক কৃষক ও শ্রমিক ফসলের মাঠে কাজ করতে গিয়ে অসুস্থ হয়ে পড়ছেন। ফসল বিক্রির সময় নানা কথা ওঠে, কিন্তু এই কষ্টের দাম কেউ দেয় না।’

সাঁথিয়া উপজেলার কৃষি শ্রমিক বাবু আলী বলেন, ‘যে তাপমাত্রা, তাতে এক বেলা কাজ করাই কঠিন। আমরা দিনমজুর মানুষ, কাজ করতে না পারলে সংসার চলে না।’

তীব্র গরমের প্রভাব পড়েছে জেলার ব্যবসা-বাণিজ্যেও। শহরের কাপড় ব্যবসায়ী সবুজ হোসেন বলেন, ‘ক্রেতারা দোকানে এসে বেশিক্ষণ থাকতে চান না। গরমে অনেক সময় তারা না কিনেই ফিরে যান।’ একই সুর শোনা গেল মুদি দোকানি রফিকুল ইসলামের কণ্ঠে। তিনি বলেন, ‘বেচাকেনা আগের চেয়ে অর্ধেক কমে গেছে।’

তবে এই গরমে চাহিদা বেড়েছে ডাব, শরবত ও হাতপাখার। পাবনার পাঁচমাথা মোড়ের ডাব বিক্রেতা সাইদুল ইসলাম জানান, ভ্যাপসা গরমে ডাব ও ঠাণ্ডা শরবত বিক্রির পরিমাণ অনেক বেড়েছে। জেলার অন্যতম বাণিজ্য কেন্দ্র কাশীনাথপুরের হাতপাখা বিক্রেতা আফজাল হোসেন বলেন, ‘গত কয়েক দিনে গরমে অতিষ্ঠ মানুষের কাছে তার হাতপাখা বিক্রি কয়েক গুণ বেড়েছে।’ অন্যদিকে বনগ্রাম বাজারের ওষুধ বিক্রেতা আবু জাফর খান জানান, বাজারে এখন খাবার স্যালাইন, জ্বর ও ডায়রিয়ার ওষুধের বিক্রি অনেক বেশি। তীব্র গরমে শিক্ষার্থীদের লেখাপড়া চরম বিঘ্নিত হচ্ছে। কাশীনাথপুর উচ্চবিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী সুমন হাসান আক্ষেপ করে বলে, সকাল-বিকেল বা রাতে যখনই পড়তে বসি, তখনই ভ্যাপসা গরমে অতিষ্ঠ হতে হয়। ঘামতে ঘামতে পড়ার টেবিলে বসে থাকা অসম্ভব হয়ে পড়ে।

আতাইকুলার মুরগি ব্যবসায়ী নাজমুল হোসেন জানান, মুরগিগুলো রাতে ছটফট করে। ফলে আমাদেরও জেগে থাকতে হয়। দিনের গরমও মারাত্মক। তাই সব সময় বৈদ্যতিক পাখা চালাতে ও পানি স্প্রে করতে হচ্ছে। বামনডাঙ্গা গ্রামের গো-খামারি আরজু প্রধান বলেন, ‘খামারের গরুকে হিট স্ট্রোক থেকে বাঁচাতে বারবার পানি দিয়ে গোসল করাচ্ছি। পর্যাপ্ত ঠাণ্ডা পানি ও স্যালাইন খাওয়াচ্ছি।’

গোপালগঞ্জে ইজিবাইকচাপায় স্কুলছাত্র নিহত

প্রকাশ: ০৫ জুন ২০২৬, ১০:০৯ এএম
আপডেট: ০৫ জুন ২০২৬, ১১:৫৬ এএম
গোপালগঞ্জে ইজিবাইকচাপায় স্কুলছাত্র নিহত
ছবি: খবরের কাগজ

গোপালগঞ্জে ব্যাটারিচালিত ইজিবাইকেরচাপায় সুলাইমান শিকদার (১১) নামে এক স্কুলছাত্র নিহত হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (৪ জুন) বিকেল সাড়ে ৫টার দিকে ঢাকা-খুলনা মহাসড়কের গোপালগঞ্জ সদর উপজেলার চন্দ্রদিঘলীয়া ভূঁইয়াপাড়া এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে।

বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন, গোপালগঞ্জ সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আনিসুর রহমান।

নিহত সুলাইমান শিকদার গোপালগঞ্জ সদর উপজেলার তেবাড়িয়া উত্তরপাড়া গ্রামের সেলিম শিকদারের ছেলে।

ওসি জানান, গোপালগঞ্জ সদর উপজেলার চন্দ্রদিঘলীয়া ভূঁইয়াপাড়া এলাকায় ঢাকা-খুলনা মহাসড়ক পার হচ্ছিল শিশু সুলাইমান। এ সময় দ্রুতগামী একটি ব্যাটারিচালিত ইজিবাইকচাপা দিলে মারাত্মক আহত হয়। পরে স্থানীয়রা তাকে গোপালগঞ্জ ২৫০-শয্যাবিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে আসলে জরুরি বিভাগের কর্তব্যরত চিকিৎসক সুলাইমানকে মৃত ঘোষণা করেন। মরদেহটি গোপালগঞ্জ জেনারেল হাসপাতালের মর্গে রাখা হয়েছে।

গোপালগঞ্জ ২৫০-শয্যাবিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালের জরুরি বিভাগের চিকিৎসক আফতাব জিলানী বলেন, 'সড়ক দুর্ঘটনায় আহত সুলাইমান নামের এক শিশুকে হাসপাতালে নিয়ে আসা হয়। কিন্তু হাসপাতালে আনার আগেই তার মৃত্যু হয়'।

বাদল সাহা/আজহার