ঢাকা ৫ আষাঢ় ১৪৩৩, শুক্রবার, ১৯ জুন ২০২৬

সর্বশেষ
রাজশাহীতে বিদ্যুতের খুঁটিতে যুবকের মৃত্যু ক্রিকেটার নাঈম হাসানকে হেনস্তা তদন্তের সময় বাড়ল চারদিন সুপার ফাইবার উৎপাদনে চীনের সাফল্য এনসিপির কেন্দ্রীয় নেতার বিরুদ্ধে যৌন হয়রানির অভিযোগ, সংবাদ সম্মেলনে কর্মী ফুটবল যখন ক্যারিয়ার ও স্বপ্ন পালকযুক্ত নতুন ডাইনোসরের ফসিল আবিষ্কার সিলেটে শাহজালাল (রহ.) মাজার নিরাপত্তায় ট্যুরিস্ট পুলিশ শিশুদের প্রাণবন্ত অংশগ্রহণে খেলাঘর আসর বরিশাল জেলা সম্মেলন তরুণদের সবচেয়ে বড় উৎসব ফুটবল বিশ্বকাপ তিস্তা রক্ষায় পরিকল্পিত ড্রেজিং, নির্মিত হবে টেকসই বাঁধ: পানিসম্পদমন্ত্রী পূবাইলে ট্রাক-মোটরসাইকেল সংঘর্ষে এক শিশুর মৃত্যু হাম উপসর্গে আরও ৪ শিশুর মৃত্যু এনড্রিককে নিয়ে তাড়াহুড়ো নয় : আনচেলত্তি না ফেরার দেশে কবি আল মুজাহিদী জনগণের জীবনমান উন্নয়নে কাজ করে যাচ্ছে সরকার : মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী দক্ষতা অর্জনের বিকল্প নেই বাংলাদেশকে ১৯৭ রানের লক্ষ্য দিল অস্ট্রেলিয়া ছুটির দিনে পর্যটকের ঢল, মুখর কক্সবাজার সমুদ্রসৈকত সমালোচনার জবাব দিতে হয় পারফরম্যান্সে: রদ্রিগো ফ্লোরা সিস্টেমসের সঙ্গে কমিউনিটি ব্যাংকের চুক্তি সম্পন্ন মাঠে নেইমারের প্রভাব ব্যাখ্যা করলেন দানিলো টাঙ্গাইলে পানিতে ডুবে চাচা-ভাতিজার মৃত্যু মৎস্য বিভাগের নজরদারির অভাবে বাড়ছে পাঙ্গাশের পোনা বিক্রি শেরপুরে ৩৩ টন সরকারি চাল জব্দ, ব্যবসায়ী আটক আওয়ামী লীগের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী ঘিরে সতর্ক অবস্থানে ডিএমপি সাগরিকায় দর্শকদের উপচে পড়া ভিড়, অস্ট্রেলিয়া ম্যাচে গ্যালারি কানায় কানায় পূর্ণ নিয়োগ দেবে ব্র্যাক বিশ্ববিদ্যালয়, যোগ্যতা এইচএসসি পাস লোডশেডিং বন্ধ হোক ‘বাংলাদেশ থেকেও বিশ্বমানের উমরা সেবা দেওয়া সম্ভব’ মন্ত্রীদের আচরণ যা হওয়া উচিত

সেন্টমার্টিনে কোস্টগার্ডের মাধ্যমে পৌঁছেছে ভোটের সরঞ্জাম

প্রকাশ: ১১ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ০৩:৩১ পিএম
সেন্টমার্টিনে কোস্টগার্ডের মাধ্যমে পৌঁছেছে ভোটের সরঞ্জাম
ছবি: খবরের কাগজ

কক্সবাজারের টেকনাফ উপজেলার সেন্টমার্টিনের জিনজিরা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় একমাত্র ভোটকেন্দ্র হিসেবে নির্ধারিত। প্রিজাইডিং কর্মকর্তার নেতৃত্বে ব্যালটবাক্স, ব্যালট পেপার এবং অন্যান্য সরঞ্জাম শাহপরীর দ্বীপের জেটি ঘাট থেকে কোস্টগার্ডের মেটাল শার্ক এবং ডিসিবি ব্যবহার করে সেন্টমার্টিনে পৌঁছে দেওয়া হয়েছে। 

এই ভোটকেন্দ্রে দায়িত্ব পালন করবেন প্রিজাইডিং কর্মকর্তার সঙ্গে সাতজন সহকারী প্রিজাইডিং কর্মকর্তা, দুইজন পুলিশ সদস্য এবং তিনজন আনসার।

বুধবার (১১ ফেব্রুয়ারি) বেলা ১১টায় ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট ২০২৬ উপলক্ষে টেকনাফ উপজেলা পরিষদ কার্যালয় থেকে ভোটকেন্দ্রগুলোতে ব্যালট বাক্স ও অন্যান্য নির্বাচনি সরঞ্জাম বিতরণ করা হয়।

টেকনাফ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তা ইমামুল হাফিজ নাদিম জানান, সকাল ১০টা থেকে নির্বাচনি সরঞ্জাম বিতরণ শুরু হয়েছে। ভোটকেন্দ্রের দূরত্ব অনুযায়ী সরঞ্জাম পর্যায়ক্রমে পৌঁছে দেওয়া হচ্ছে। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী মাঠে উপস্থিত থেকে নিরাপত্তা নিশ্চিত করছে।

টেকনাফ উপজেলায় সহকারী রিটার্নিং অফিসাররা প্রত্যেক ভোটকেন্দ্রে প্রয়োজনীয় ব্যালটবাক্স, ব্যালট পেপার, সিল, কালি, ভোটার তালিকা ও অন্যান্য সরঞ্জাম হস্তান্তর করেছেন। প্রিজাইডিং কর্মকর্তারা সরঞ্জাম গ্রহণের পর তা কঠোর নিরাপত্তার মধ্যে ভোটকেন্দ্রে পৌঁছে দিচ্ছেন। নির্বাচন সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণ করতে সকল আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সঙ্গে সমন্বয় করে কাজ করা হচ্ছে।

উখিয়া ও টেকনাফ উপজেলাকে নিয়ে গঠিত আসনে মোট ভোটার সংখ্যা ৩ লাখ ৭১ হাজার ৮২৫ জন। এর মধ্যে টেকনাফ উপজেলায় ভোটার রয়েছেন ২ লাখ ৬৫৫ জন এবং উখিয়া উপজেলায় ১ লাখ ৭১ হাজার ১৭০ জন। টেকনাফে মোট ৬১টি এবং উখিয়ায় ৫৪টি ভোটকেন্দ্র রয়েছে। সেন্টমার্টিন দ্বীপের ভোটার সংখ্যা ৪ হাজার ৪৫ জন, যা এক ভোটকেন্দ্র এবং ৮টি কক্ষে ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে।

এ আসনে প্রাথমিকভাবে ছয়জন প্রার্থী মনোনয়নপত্র জমা দেন। যাচাই-বাছাই শেষে পাঁচজনের মনোনয়ন বৈধ ঘোষণা করা হয়। পরে একজন প্রার্থী মনোনয়ন প্রত্যাহার করায় বর্তমানে চারজন প্রার্থী নির্বাচনি মাঠে রয়েছেন। তারা হলেন- বিএনপির শাহজাহান চৌধুরী (ধানের শীষ), জামায়াতে ইসলামীর নুর আহমদ আনোয়ারী (দাঁড়িপাল্লা), ইসলামী আন্দোলনের নুরুল হক (হাতপাখা), এনডিএমের সাইফুদ্দিন খালেদ (সিংহ)।

মো. শাহীন/অমিয়/

রাজশাহীতে বিদ্যুতের খুঁটিতে যুবকের মৃত্যু

প্রকাশ: ১৯ জুন ২০২৬, ০৬:১৪ পিএম
রাজশাহীতে বিদ্যুতের খুঁটিতে যুবকের মৃত্যু
ছবি: খবরের কাগজ

রাজশাহীর বাঘা উপজেলায় বিদ্যুতের খুঁটিতে উঠে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে মামুন আলী (৩০) নামে এক যুবকের মৃত্যু হয়েছে।

শুক্রবার (১৯ জুন) সকালে উপজেলার আড়ানী পৌরসভার হামিদকুড়া গোচর গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। নিহত মামুন আলী ওই গ্রামের বাসিন্দা।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ভোরে গ্রামবাসী বিদ্যুতের খুঁটিতে একজনের মরদেহ ঝুলতে দেখে পুলিশকে খবর দেয়। খবর পেয়ে বাঘা থানা পুলিশ ও ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা ঘটনাস্থলে পৌঁছে মরদেহ উদ্ধার করে।

বাঘা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সেরাজুল হক জানান, এলাকায় কয়েকদিন ধরে লোডশেডিং চলছিল। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, রাতের কোনো এক সময়ে মামুন আলী বিদ্যুতের খুঁটিতে উঠে তার চুরির চেষ্টা করেন। এ সময় খুঁটিতে বিদ্যুৎ সংযোগ থাকায় তিনি বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে ঘটনাস্থলেই মারা যান।

তিনি আরও জানান, মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য রাজশাহী মেডিকেল কলেজ (রামেক) হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। প্রয়োজনীয় আইনগত প্রক্রিয়া শেষে মরদেহ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হবে।

আমান/

ক্রিকেটার নাঈম হাসানকে হেনস্তা তদন্তের সময় বাড়ল চারদিন

প্রকাশ: ১৯ জুন ২০২৬, ০৬:১৩ পিএম
ক্রিকেটার নাঈম হাসানকে হেনস্তা তদন্তের সময় বাড়ল চারদিন
ছবি: খবরের কাগজ

চট্টগ্রামে জাতীয় দলের ক্রিকেটার নাঈম হাসানকে হেনস্তার ঘটনাটি তদন্তে চারদিন সময় বাড়ানো হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (১৮ জুন) নগর পুলিশ কমিশনার হাসান মো. শওকত আলী এই সময়সীমা বাড়িয়েছেন। 

তদন্ত কমিটির প্রধান ও নগর পুলিশের উপকমিশনার (পশ্চিম) মো. আলমগীর হোসেন জানান, ইতিমধ্যে ২৯ জনের সাক্ষ্য নেওয়া হয়েছে। তদন্ত প্রায় শেষ পর্যায়ে। তবে যে খুদে বার্তার ওপর ভিত্তি করে ক্রিকেটার নাঈমকে পুলিশ তল্লাশি করেছিল, সেটি যে বা যে সংস্থা থেকে এসেছে, তা তদন্ত করা হচ্ছে। মূলত এই কারণে তদন্তের স্বার্থে আরও চার কার্যদিবস বাড়তি সময় চাওয়া হয়। পুলিশ কমিশনার তা মঞ্জুর করেছেন।

এর আগে সিএমপি কমিশনার কমিটিকে ৫ কার্যদিবসের মধ্যে তদন্ত প্রতিবেদন দিতে বলেছিলেন। এই সময়সীমা গত ১৮ জুন শেষ হয়। তদন্ত কমিটি আরও চারদিন সময় চাওয়ায় তদন্তের সময় আরও চারদিন অর্থাৎ ২২ জুন পর্যন্ত বাড়ানো হয়েছে। এ সময়ের মধ্যে কমিটিকে পুরো ঘটনাটি তদন্ত করে প্রতিবেদন দাখিলের নির্দেশ দিয়েছেন পুলিশ কমিশনার। 

উল্লেখ্য ঢাকা থেকে প্রিমিয়ার লিগের খেলা শেষ করে শুক্রবার (১২ জুন) রাত ১০টা ২০ মিনিটে চট্টগ্রাম শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে পৌঁছান নাঈম। এরপর একটি সিএনজিচালিত অটোরিকশাযোগে বহদ্দারহাটের বাসার উদ্দেশ্যে রওনা হন। রাত ১১টার দিকে অটোরিকশাটি লালখান বাজার এলাকায় এলে ডিবি পরিচয়ে কয়েকজন পুলিশ সদস্য গাড়ি থামিয়ে চালকের কাগজপত্র কেড়ে নেয়। 

পরে গাড়ি থেকে নামিয়ে নাঈম হাসানকে লাঠি ও পাইপ দিয়ে মারধর করেন খুলশী থানার এসআই শফিকুল ইসলাম ও পুলিশের সোর্স সোহেল। একপর্যায়ে নাঈমকে থানায় নিয়ে যায় পুলিশ। সেখানেও তাকে হেনস্তা করা হয়। পরে বিসিবি কর্মকর্তাদের হস্তক্ষেপে থানা থেকে ছাড়া পান নাঈম। এ ঘটনায় এসআই শফিকুল ইসলাম ও কনস্টেবল মো. রাসেল চৌধুরীকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়। পরদিন ১৩ জুন রাতে খুলশী থানার ওসি আরিফুর রহমানকে প্রত্যাহার করা হয়। এছাড়া গ্রেপ্তার করা হয় পুলিশের সোর্স সোহেল হোসেন সরকারকে। তাকে ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট দামপাড়া পুলিশ লাইনসে হামলা এবং অস্ত্র ও গোলাবারুদ লুটের ঘটনায় পুলিশের করা একটি মামলায় গ্রেপ্তার দেখানো হয়। আদালতের নির্দেশে সোহেল বর্তমানে কারাগারে রয়েছে। পাশাপাশি নাঈমকে হেনস্তার ঘটনায় দুঃখ প্রকাশ করেছেন সিএমপি কমিশনার হাসান মো. শওকত আলী।

এসএন/

সিলেটে শাহজালাল (রহ.) মাজার নিরাপত্তায় ট্যুরিস্ট পুলিশ

প্রকাশ: ১৯ জুন ২০২৬, ০৫:৫৬ পিএম
সিলেটে শাহজালাল (রহ.) মাজার নিরাপত্তায় ট্যুরিস্ট পুলিশ
হযরত শাহজালাল (রহ.) মাজারে ডিউটিরত ট্যুরিস্ট পুলিশ। -ছবি : মামুন হোসেন

শাহজালালের মাজারে ‘দানের ডেগ’ সিলগালা করার পর পর্যটকদের সুবিধার্থে এবার মাজারে ট্যুরিস্ট পুলিশ নিযুক্ত করা হয়েছে।

শুক্রবার (১৯ জুন) সকাল থেকেই মাজারের ট্যুরিস্ট পুলিশের সদস্যদের দায়িত্ব পালন করতে দেখা যায়। তবে এই প্রথম এমন চিত্র দেখা গেছে। তার আগে (শাহজালাল রা.) মাজারে ট্যুরিস্ট পুলিশ মোতায়ন করা হয়নি।

প্রশাসন বলছেন, পর্যটকদের  নিরাপত্তার জন্যই ট্যুরিস্ট পুলিশ কাজ করছে।

এর আগে বৃহস্পতিবার (১৮ জুন) বিকেলে সিলেট জেলা প্রশাসনের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট আবদুল বাছিত মোল্লার নেতৃত্বে মাজারের তিনটি ‘দানের ডেগ’ সিলগালা করা হয়। এসময় জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে বড় একটি দানবাক্সসহ ছোট-ছোট আরও কয়েকটি দানবাক্স মাজারের বিভিন্ন স্থানে বসানো হয়। পাশাপাশি দানবাক্সের পাহারায় আনসার সদস্য নিযুক্ত করা হয়েছে।

এদিকে ‘দানের ডেগ’ সিলগালা করে জেলা প্রশাসনের দানবাক্স ও আনসার পাহারা বসানোর সময় দরগাহ কমিটি ও খাদেম পরিবারের কেউ উপস্থিত ছিলেন না। মাজারভক্তদের অবস্থান ছিল প্রতিক্রিয়াহীন।

এর আগে গত শুক্রবার (১২ জুন) হযরত শাহজালাল (রহ.) মাজার পরিদর্শনে যান সিলেটের জেলা প্রশাসক ও জেলা ম্যাজিস্ট্রেট মো. সারওয়ার আলম। জেলা প্রশাসনের উদ্যোগে হযরত শাহজালাল (রহ.) ও হযরত শাহপরান (রহ.) মাজারের আয়-ব্যয় ব্যবস্থাপনায় স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করার লক্ষ্যে জেলা প্রশাসনের উদ্যোগের বিষয়টি তখন গণমাধ্যমসহ সংশ্লিষ্টদের অবহিত করা হয়।

আমান/

পূবাইলে ট্রাক-মোটরসাইকেল সংঘর্ষে এক শিশুর মৃত্যু

প্রকাশ: ১৯ জুন ২০২৬, ০৫:৩৯ পিএম
পূবাইলে ট্রাক-মোটরসাইকেল সংঘর্ষে এক শিশুর মৃত্যু
ছবি: খবরের কাগজ

গাজীপুরের পূবাইল চামুড্ডা এলাকায় মোটরসাইকেল ও একটি ড্রাম্প ট্রাকের সংঘর্ষে এক শিশুর মৃত্যু হয়েছে। এ ঘটনায় আহত হয়েছেন শিশুটির বাবা ও মা।

শুক্রবার (১৯ জুন) সকাল সাড়ে ১১টার দিকে ঢাকা-বাইপাস মহাসড়কে এ দুর্ঘটনা ঘটে।

নিহত আড়াই বছর বয়সী সাফোয়ান হোসেন শেরপুর থানার বাংড়া এলাকার মো. জুয়েল রানার ছেলে।

আহতরা হলেন, শেরপুর থানার বাংড়া এলাকার বাসিন্দা মো. জুয়েল রানা (৩৬) ও তার স্ত্রী সুরাইয়া আক্তার রুপা (৩০)।

প্রত্যক্ষদর্শী ও পুলিশ সূত্রে জানা যায়, মোটরসাইকেলে করে চট্টগ্রামে কর্মস্থলের উদ্দেশ্যে রওনা হন পরিবারটি। সকালে ঢাকা-বাইপাস মহাসড়কের পূবাইল থানাধীন চামুড্ডা এলাকায় পৌঁছালে তাদের মোটরসাইকেলের সঙ্গে একটি ড্রাম্প ট্রাকের সংঘর্ষ হয়। 

এসময় মোটরসাইকেলটি সড়কে ছিটকে পড়ে। এতে আরোহী তিনজনই গুরুতর আহত হন। ঘটনাস্থলেই শিশু সাফোয়ান হোসেনের মৃত্যু হয়। দুর্ঘটনার পর স্থানীয় লোকজন দ্রুত আহত দম্পতিকে উদ্ধার করে শহীদ তাজউদ্দীন আহমদ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠান।

এ বিষয়ে পূবাইল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আতিকুর রহমান বলেন, ঢাকা-বাইপাস মহাসড়কের চামুড্ডা এলাকায় মোটরসাইকেল ও ড্রাম্প ট্রাকের সংঘর্ষে এক শিশু নিহত হয়েছে এবং তার বাবা-মা আহত হয়েছেন। আহতদের হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। এ ঘটনায় আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন।

পলাশ/আমান

ছুটির দিনে পর্যটকের ঢল, মুখর কক্সবাজার সমুদ্রসৈকত

প্রকাশ: ১৯ জুন ২০২৬, ০৪:০০ পিএম
আপডেট: ১৯ জুন ২০২৬, ০৫:১৪ পিএম
ছুটির দিনে পর্যটকের ঢল, মুখর কক্সবাজার সমুদ্রসৈকত
অবকাশের আনন্দে কক্সবাজার সৈকতজুড়ে ভ্রমণপিপাসুদের উচ্ছ্বাস। ছবি: খবরের কাগজ

সাপ্তাহিক ছুটির দিন। নেই কোনো টানা সরকারি ছুটি। তবুও নগরজীবনের ক্লান্তি আর ব্যস্ততা ঝেড়ে একটু প্রশান্তির খোঁজে দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে মানুষ ছুটে এসেছেন দীর্ঘতম সমুদ্রসৈকত কক্সবাজারে। মেঘ-রোদ্দুরের লুকোচুরি, সাগরের গর্জন আর মনোরম আবহাওয়ায় সৈকতজুড়ে ছিল উৎসবমুখর পরিবেশ। পরিবার, বন্ধু কিংবা প্রিয়জনকে সঙ্গে নিয়ে পর্যটকেরা সাগরের সঙ্গে মিতালী করে কাটাচ্ছেন আনন্দঘন সময়।

শুক্রবার (১৯ জুন) সকালে সৈকতের কলাতলী, সুগন্ধা ও লাবণী পয়েন্ট ঘুরে দেখা যায়, পর্যটকদের পদচারণায় মুখর পুরো সমুদ্রসৈকত। কেউ সাগরের ঢেউয়ের সঙ্গে খেলায় মেতেছেন, কেউ ছবি তুলছেন, আবার কেউবা বিচবাইক, ঘোড়ায় চড়া কিংবা ওয়াটার বাইকে (জেটস্কি) রোমাঞ্চ উপভোগ করছেন। দীর্ঘ তিন কিলোমিটার সৈকতজুড়ে ছিল প্রাণচাঞ্চল্য আর উচ্ছ্বাসের এক অনন্য দৃশ্য।

ঢাকা থেকে পরিবার নিয়ে বেড়াতে আসা পর্যটক শরীফুল শাহীন খবরের কাগজকে বলেন, 'ব্যস্ত জীবনে পরিবারের সঙ্গে সময় কাটানোর সুযোগ খুব কম হয়। তাই ছুটির দিনে কক্সবাজারে চলে এসেছি। আবহাওয়া চমৎকার, সমুদ্রও বেশ শান্ত। পরিবার নিয়ে দারুণ সময় কাটছে।'

রাজবাড়ী থেকে আসা বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষার্থী সাবিনা আলতাফ খবরের কাগজকে বলেন, 'কক্সবাজারে এর আগেও এসেছি, তবে এবার আবহাওয়া অনেক বেশি উপভোগ্য মনে হচ্ছে। সমুদ্রের বাতাস আর পরিবেশ মনকে ভীষণ প্রশান্ত করেছে।'

কক্সবাজারের হোটেল-মোটেল-গেস্টহাউস মালিক সমিতির সভাপতি আবুল কাশেম সিকদার খবরের কাগজকে বলেন, 'বর্তমানে কক্সবাজারে পর্যটকদের জন্য অত্যন্ত অনুকূল পরিবেশ বিরাজ করছে। পর্যটকদের উপস্থিতি মোটামুটি সন্তোষজনক। বেশ কিছু হোটেলে ভালো বুকিং রয়েছে। আমরা অতিথিদের মানসম্মত সেবা নিশ্চিত করতে কাজ করছি, যাতে কক্সবাজার থেকে তারা সুখকর অভিজ্ঞতা নিয়ে ফিরতে পারেন।'

পর্যটকদের নিরাপত্তা ও সেবায় সৈকতের বিভিন্ন পয়েন্টে ট্যুরিস্ট পুলিশ, জেলা পুলিশ, লাইফগার্ড ও বিচকর্মীরা সমন্বিতভাবে দায়িত্ব পালন করছেন। সম্ভাব্য ঝুঁকিপূর্ণ এলাকায় সতর্কতামূলক পতাকা টানানো হয়েছে এবং মাইকিংয়ের মাধ্যমে পর্যটকদের সচেতন করা হচ্ছে। ফলে পরিবার-পরিজন নিয়ে আগত দর্শনার্থীরা নিরাপদ পরিবেশে সমুদ্র উপভোগ করতে পারছেন।

সৈকতে পর্যটকদের নিরাপত্তায় দায়িত্বরত বিচকর্মীদের সুপারভাইজার মাহবুব আলম খবরের কাগজকে বলেন, 'আমাদের কর্মীরা সকাল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত সৈকতের বিভিন্ন পয়েন্টে সতর্ক অবস্থানে থাকে। পর্যটকদের নিরাপদ জোনে অবস্থান করতে পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে। কেউ ঝুঁকিপূর্ণ এলাকায় গেলে তাৎক্ষণিকভাবে সতর্ক করা হয়।'

ট্যুরিস্ট পুলিশ কক্সবাজার রিজিয়নের পুলিশ সুপার মো. মারুফাত হুসাইন খবরের কাগজকে বলেন, 'পর্যটকদের নির্বিঘ্ন ভ্রমণ নিশ্চিত করতে ট্যুরিস্ট পুলিশ সার্বক্ষণিক মাঠে কাজ করছে। সৈকত, হোটেল-মোটেল জোন এবং গুরুত্বপূর্ণ পর্যটন স্পটগুলোতে নজরদারি বাড়ানো হয়েছে। যেকোনো ধরনের হয়রানি, অপরাধ বা অনাকাঙ্ক্ষিত পরিস্থিতি মোকাবিলায় আমাদের টিম প্রস্তুত রয়েছে। আমরা চাই দেশের প্রতিটি পর্যটক কক্সবাজার থেকে নিরাপদ ও সুখকর অভিজ্ঞতা নিয়ে বাড়ি ফিরুন।'

সাগরের ঢেউ, মনোমুগ্ধকর আবহাওয়া আর নিরাপদ পরিবেশ মিলিয়ে সাপ্তাহিক ছুটির দিনে কক্সবাজার যেন হয়ে উঠেছে আনন্দ-উচ্ছ্বাসের এক বিশাল মিলনমেলা। স্বস্তি আর প্রশান্তি খুঁজে নিতে পর্যটকদের প্রথম পছন্দ হয়ে উঠেছে দেশের প্রধান পর্যটনকেন্দ্র কক্সবাজার।

তারেকুর রহমান/থিওটোনিয়াস