চাঁপাইনবাবগঞ্জে সালিশ বৈঠকে দু’পক্ষের উত্তেজনাকে কেন্দ্র করে ককটেল বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটেছে। এতে ককটেলের আঘাতে মোজাফ্ফর আলী নামে একজন আহত হয়েছেন। এছাড়াও কয়েকটি বসতবাড়িতে হামলা ও ভাঙচুরের ঘটনা ঘটেছে।
মঙ্গলবার (২৪ মার্চ) বেলা ১১টার দিকে চাঁপাইনবাবগঞ্জ সদর ও শিবগঞ্জ উপজেলার কুথনিপাড়া এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।
স্থানীয়দের দাবি, আধাঘণ্টার ব্যবধানে প্রায় অর্ধশতাধিক ককটেল বিস্ফোরণের শব্দ শোনা গেছে। তবে পুলিশ বলছে, ৪ থেকে ৫টি ককটেল বিস্ফোরণ হয়েছে।
স্থানীয়রা জানান, বেলা ১১টার দিকে কুথনিপাড়া গ্রামের বিবাদমান দুটি পক্ষ সালিশি বৈঠকে বসে। ওই বৈঠকে রানীহাটি ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান রহমত আলীর সমর্থক এবং একই ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক সদস্য (মেম্বার) মো. চান্দুর সমর্থকদের মধ্যে কথা কাটাকাটি হয়। পরে উভয়পক্ষই এলোপাতাড়ি ককটেল ফাটাতে থাকে। এতে এলাকায় ব্যাপক আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। ককটেলের আঘাতে মোজাফ্ফর আলী নামে একজন আহত হন।
স্থানীয়রা আরও জানান, এলাকায় আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে এক দশকেরও বেশি সময় ধরে দুটি পক্ষের মধ্যে বিরোধ চলে আসছে।
রানীহাটি ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান রহমত আলী বলেন, ‘রানীহাটি গুচ্ছগ্রামের দুই নারী ফোন করে জানান, ৮ থেকে ১০ জন মিলে একজনকে মারধর করছে। পরে জানতে পারি, পদ্মা ভাঙন এলাকার একজনকে মারধর করা হয়েছে। গতকাল রাত ১টার দিকে চান্দু মেম্বারকে ফোন দিয়ে সকালে বসার (সালিশ) কথা বলি।’
তিনি আরও বলেন, ‘সকালে সালিশ বসার জন্য সেখানে গেলে কে বা কারা ককটেল বিস্ফোরণ ঘটায়। পরে সেখান থেকে প্রাণ বাঁচিয়ে চলে আসি।’
চাঁপাইনবাবগঞ্জের পুলিশ সুপার গৌতম কুমার বিশ্বাস বলেন, ‘খবর পেয়ে পুলিশ পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। এলাকায় বাড়তি পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। জড়িতদের শনাক্ত করে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’
আসাদুল্লাহ/রিফাত/