ঢাকা ৫ আষাঢ় ১৪৩৩, শুক্রবার, ১৯ জুন ২০২৬

সর্বশেষ
বৃষ্টি মনোমুগ্ধকর খুনি প্রথম কবি দেখা ও কয়েক টুকরো স্মৃতি হজ শেষে দেশে ফিরেছেন ৬০ হাজার ৫৮৮ হাজি, মৃত্যু ৫৪ ‘দোষ সব আমার, খেলোয়াড়দের ওপর থেকে নজর সরান’: প্যারাগুয়ে কোচ মিথ্যার চোরাস্রোত বয়ে যায় আর্থিক সংকটে ভর্তি অনিশ্চিত, শিক্ষার্থীর পাশে প্রতিমন্ত্রী অনুবাদ হয় না মানুষের স্মৃতির ভেতর অন্ধকারের গান প্রেমের এলিজি মার্কিন ভাইস প্রেসিডেন্ট ভ্যান্সের সুইজারল্যান্ড সফর স্থগিত দুবাইগামী যাত্রীর লাগেজ থেকে বৈদেশিক মুদ্রা জব্দ রেকর্ড থেকে ৫ কদম দূরে দিবু মার্তিনেস সমাজবোধ ও জীবনবীক্ষা জুহান্নুস: ফিনল্যান্ডের সেই অনন্য উৎসব, যখন পুরো দেশ চলে যায় প্রকৃতির কোলে জামিন পেয়েও নতুন মামলায় আটক সাবেক শিক্ষাপ্রতিমন্ত্রী হাইতি ম্যাচে পরিবর্তনের আভাস আনচেলত্তির বাংলাকে দ্বিখণ্ডিত করাই ছিল তাদের উদ্দেশ্য ফুটবল ও লাতিন আমেরিকার কথাসাহিত্য ‘আফ্রিকান ব্রাজিলিয়ান’ মরক্কো ফুটবল শেখাল আসল ব্রাজিলকে: বোমেল প্রাকৃতিক ভূগোল অধ্যায়ের ১৩টি বহুনির্বাচনি প্রশ্ন ও উত্তর, ৪র্থ পর্ব, এইচএসসির ভূগোল ১ম পত্র বিশ্বকাপ থেকে ছিটকে গেলেন কানাডার মিডফিল্ডার ইসমায়েল কোনে সাজিনাস হাসপাতালের পরিচালকসহ ৮ চিকিৎসকের বিরুদ্ধে মামলা দেশে স্বর্ণের দামে বড় পতন আদালতে আত্মসমর্পণ করতে গিয়ে কারাগারে আ. লীগ নেতা সবার আগে নকআউটে মেক্সিকো চট্টগ্রামে হাসপাতালে স্ত্রীর মরদেহ রেখে পালাল স্বামী টিভিতে আজকের খেলা বঙ্গোপসাগরে সাবমেরিন মোতায়েন করতে চায় পাকিস্তান দেখা পেলাম দুষ্প্রাপ্য চামেলির

আনোয়ারায় স্কুল ফিডিং কার্যক্রমে বিপর্যয়, সকালের খাবার মেলেনি বিকেলেও

প্রকাশ: ৩০ মার্চ ২০২৬, ১০:২১ এএম
আনোয়ারায় স্কুল ফিডিং কার্যক্রমে বিপর্যয়, সকালের খাবার মেলেনি বিকেলেও
খাবার না পেয়ে বিদ্যালয়ের বারান্দায় দাঁড়িয়ে স্কুলশিক্ষার্থীরা। আনোয়ারার সরস্বতী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় থেকে তোলা। ছবি: খবরের কাগজ

চট্টগ্রামের আনোয়ারা উপজেলায় ১১০টি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে চালু হওয়া স্কুল ফিডিং কর্মসূচি প্রথম দিনেই বিপর্যয়ের মুখে পড়েছে। খাবার থেকে ১০ হাজার শিক্ষার্থী বঞ্চিত হয়েছে। এতে শিক্ষক, অভিভাবক ও শিক্ষার্থীদের মধ্যে ক্ষোভ ও অসন্তোষ দেখা দিয়েছে।

গতকাল রবিবার ছিল এ কর্মসূচির প্রথম দিন। এ দিন সকাল থেকেই উপজেলার বিভিন্ন বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা খাবারের জন্য অপেক্ষা করে। শিক্ষা অফিসের নির্দেশনা অনুযায়ী শিক্ষকরা আগেই শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের বিষয়টি জানিয়েছিলেন। কিন্তু অধিকাংশ বিদ্যালয়ে খাবার সময়মতো পৌঁছায়নি, আবার অনেক জায়গায় একেবারেই সরবরাহ করা হয়নি।

আনোয়ারা মডেল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ৩৭০ জন শিক্ষার্থী রয়েছে। তাদের সবার জন্য খাবার আনার কথা থাকলেও ৩০২ জনের জন্য দুটি করে বনরুটি ও একটি ডিম পৌঁছাতে সক্ষম হয় এনজিও সংস্থা স্বদেশ পল্লীর নিয়োজিত ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান। বাকি শিক্ষার্থীরা কোনো খাবার পায়নি।

সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, উপজেলা পরিষদ এলাকায় অবস্থিত অগ্রযাত্রা, সরস্বতী, দুধকুমড়া, দক্ষিণ গহিরা ও পূর্ব গহিরা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়সহ অন্তত ৪০টির বেশি বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা প্রথম দিন খাবার পায়নি। কোথাও আবার নির্ধারিত সময় পেরিয়ে গেলেও খাবার পৌঁছায়নি, ফলে অনেক শিক্ষার্থী না খেয়েই বাড়ি ফিরে যায়।

শিক্ষকদের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের আগেই জানিয়ে দেওয়া হয় স্কুল ফিডিংয়ের মাধ্যমে তাদের খাবার দেওয়া হবে। কিন্তু উপজেলার ১১০টি বিদ্যালয়ের প্রায় ২১ হাজার শিক্ষার্থীর মধ্যে অন্তত ১০ হাজার শিক্ষার্থী খাবার পায়নি। অল্প কিছু বিদ্যালয়ে পেলেও সঠিক সময়ে পৌঁছায়নি। কিছু বিদ্যালয়ে আবার দুটি খাবারের মধ্যে পেয়েছে একটি খাবার। খাবারের মেনুতে ছিল বনরুটি আর ডিম। এর মধ্যে বনরুটির উৎপাদন ও মেয়াদোত্তীর্ণের তারিখ স্পষ্টভাবে উল্লেখ ছিল না বলেও অভিযোগ উঠেছে।

আনোয়ারা মডেল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষিকা রোমানা আক্তার খানম বলেন, ‘নির্ধারিত শিক্ষার্থীর তুলনায় খাবার কম পাঠানো হয়েছে। বাকি শিক্ষার্থীদের বিষয়ে জানতে চাইলে তারা (ঠিকাদার) জানান, ২৫ সালের তালিকা অনুযায়ী খাবার দেওয়া হয়েছে।’

আনোয়ারা সরস্বতী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক অরুন কুমার গুপ্ত বলেন, ‘আমাদের বিদ্যালয়ে ঠিকাদার স্বদেশ পল্লীর নিয়োজিত কর্মীরা খাবার দিতে পারেনি। প্রথম ও দ্বিতীয় শ্রেণির শিক্ষার্থীরা ক্লাস শেষে বাড়িতে চলে গেছে। ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করেও কোনো সাড়া পাওয়া যায়নি।’

সরস্বতী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের চতুর্থ শ্রেণির শিক্ষার্থী তাহমিন ইসলাম বলে, ‘আমরা সকাল থেকে অপেক্ষায় ছিলাম, আজ খাবার পাব। স্কুল ছুটির সময়েও খাবার আসেনি।’

এনজিও সংস্থা স্বদেশ পল্লীর কো-অর্ডিনেটর নাহিদ ইসলাম বিষয়টি স্বীকার করে বলেন, ‘পরিকল্পনা ছিল আগের দিনই প্রতিটি স্কুলে খাবার পৌঁছে দেওয়া। কিন্তু শিক্ষা অফিস বা স্কুলের শিক্ষকরা সহযোগিতা করেননি। মন্ত্রণালয়ের নির্দেশনা ছিল স্কুলে দুই ঘণ্টার মধ্যে খাবার পৌঁছানোর। কিন্তু প্রথম দিন যানজটের কারণে একটু সমস্যা হয়েছে। আগামীকাল (সোমবার) থেকে এমনটা হবে না বলে আশা করছি।’

উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তা হিন্দোল বারী বলেন, সরকারি ও বিশ্ব খাদ্য কর্মসূচির সহযোগিতায় এ কর্মসূচি শুরু হয়েছে। কর্মসূচির আওতায় প্রতিটি শিক্ষার্থীকে কলা, বনরুটি, সেদ্ধ ডিম, ইউএইচটি মিল্ক, বিস্কুট দেওয়া হবে। তবে প্রথম দিনেই অন্তত ৪০টি বিদ্যালয়ে খাবার সরবরাহে ঠিকাদার ব্যর্থ হয়েছে। স্বদেশ পল্লী ও নিয়োজিত ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করেও কোনো সুফল মেলেনি। এ বিষয়ে মন্ত্রণালয়ে লিখিতভাবে জানানো হয়েছে।

আর্থিক সংকটে ভর্তি অনিশ্চিত, শিক্ষার্থীর পাশে প্রতিমন্ত্রী

প্রকাশ: ১৯ জুন ২০২৬, ১২:১১ পিএম
আর্থিক সংকটে ভর্তি অনিশ্চিত, শিক্ষার্থীর পাশে প্রতিমন্ত্রী
ছবি: খবরের কাগজ

আর্থিক সংকটের কারণে বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি অনিশ্চয়তার মুখে বান্দরবানের এক মেধাবী পাহাড়ি শিক্ষার্থী। যার পাশে দাঁড়িয়েছেন ভূমি ও পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী ব্যারিস্টার মীর মোহাম্মদ হেলাল উদ্দিন এমপি। 

জানা গেছে, মেধার ভিত্তিতে একটি পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তির সুযোগ পেলেও প্রয়োজনীয় অর্থের অভাবে নির্ধারিত সময়ের মধ্যে ভর্তি নিয়ে চরম অনিশ্চয়তায় পড়েন ওই শিক্ষার্থী। ভর্তির সময়সীমা শেষ হওয়ার পথে থাকায় তার উচ্চশিক্ষার স্বপ্ন ভেঙে যাওয়ার আশঙ্কা দেখা দেয়।

বিষয়টি বিভিন্ন মাধ্যমে প্রতিমন্ত্রীর নজরে আনা হলে তিনি তাৎক্ষণিকভাবে সাড়া দেন। পরে শিক্ষার্থীর সার্বিক পরিস্থিতির খোঁজখবর নিয়ে ভর্তির জন্য প্রয়োজনীয় সহায়তার ব্যবস্থা করেন।

সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়, প্রতিমন্ত্রীর দ্রুত হস্তক্ষেপে শিক্ষার্থীর বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি কার্যক্রম সম্পন্ন হওয়ার পথ সহজ হয়েছে। এতে শিক্ষার্থী ও তার পরিবার স্বস্তি প্রকাশ করেছেন।

স্থানীয়রা জানান, পার্বত্য চট্টগ্রামসহ পিছিয়ে পড়া জনগোষ্ঠীর শিক্ষা ও উন্নয়নে প্রতিমন্ত্রী ব্যারিস্টার মীর মোহাম্মদ হেলাল উদ্দিন দীর্ঘদিন ধরে কাজ করে আসছেন। অসহায় ও সুবিধাবঞ্চিত মানুষের পাশে দাঁড়ানোর এ উদ্যোগকে তারা প্রশংসনীয় বলে উল্লেখ করেন।

এদিকে, সহায়তা পেয়ে শিক্ষার্থী ও তার পরিবার প্রতিমন্ত্রীর প্রতি গভীর কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছেন এবং তার সুস্বাস্থ্য ও দীর্ঘায়ু কামনা করেছেন।

রিজভী রাহাত/অন্তরা

দুবাইগামী যাত্রীর লাগেজ থেকে বৈদেশিক মুদ্রা জব্দ

প্রকাশ: ১৯ জুন ২০২৬, ১১:৫৩ এএম
আপডেট: ১৯ জুন ২০২৬, ১২:১৪ পিএম
দুবাইগামী যাত্রীর লাগেজ থেকে বৈদেশিক মুদ্রা জব্দ
ছবি: খবরের কাগজ

চট্টগ্রাম শাহ আমানত বিমানবন্দরে দুবাইগামী এক যাত্রীর হ্যান্ড লাগেজ তল্লাশী করে বিপুল পরিমাণে বৈদেশিক মুদ্রা জব্দ করেছে কাস্টমস গোয়েন্দা, বিমানবন্দর কাস্টমস শাখা, এনএসআই, ডিজিএফআই।

শুক্রবার (১৯ জুন) সকালে বিমানবন্দরের জনসংযোগ কর্মকর্তা প্রকৌশলী মোহাম্মদ ইব্রাহীম খলিল বলেন, ২ লাখ ৫৩ হাজার ৬৬৫ দুবাই দিরহাম ও ৪৭৯০ ওমানি রিয়াল জব্দ করা হয়। ওই যাত্রীকে আটক করে থানায় নেওয়া হয়েছে।

জানা গেছে, বৃহস্পতিবার (১৮ জুন) রাত ৮টা ১৫ মিনিটে বিমানবন্দরের প্যাসেঞ্জার ডিপার্চার লাউঞ্জে দুবাইগামী যাত্রী মোহাম্মদ আবু বক্করের (চট্টগ্রামের লোহাগাড়া উপজেলার বাসিন্দা) হ্যান্ড লাগেজ তল্লাশী করে বৈদেশিক মুদ্রা জব্দ করে বাংলাদেশি মুদ্রায় যার পরিমাণ ৯৪ লাখ ৫১ হাজার ৩৯৭ টাকা।

বিমানবন্দরের কর্মকর্তা প্রকৌশলী মোহাম্মদ ইব্রাহীম খলিল খবরের কাগজকে বলেন, আটক যাত্রীর বিরুদ্ধে বৈদেশিক মুদ্রা পাচার আইনে মামলা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে। বর্তমানে তিনি পতেঙ্গা থানার হেফাজতে রয়েছেন।

ইফতেখারুল/থিওটোনিয়াস

জামিন পেয়েও নতুন মামলায় আটক সাবেক শিক্ষাপ্রতিমন্ত্রী

প্রকাশ: ১৯ জুন ২০২৬, ১১:২৬ এএম
আপডেট: ১৯ জুন ২০২৬, ১১:৩৮ এএম
জামিন পেয়েও নতুন মামলায় আটক সাবেক শিক্ষাপ্রতিমন্ত্রী
ছবি: খবরের কাগজ

প্রায় এক বছর তিন মাস পর হাইকোর্ট থেকে জামিন পেয়েও কারামুক্ত হতে পারেননি সাবেক শিক্ষাপ্রতিমন্ত্রী ও রাজবাড়ী-১ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য কাজী কেরামত আলী। 

বৃহস্পতিবার (১৮ জুন) দুপুরে আদালত একটি পৃথক মামলায় তাকে পুনরায় কারাগারে পাঠায়।

কাজী কেরামত আলীর আইনজীবীরা জানান, ২০২৪ সালের ৩০ আগস্ট জিআর নং-৩৩২/২৪ মামলার ২ নম্বর আসামি হিসেবে তাকে ২০২৫ সালের ৭ এপ্রিল ঢাকা থেকে গ্রেপ্তার করা হয়। পরে ২০২৪ সালের ২ সেপ্টেম্বর জিআর নং-৩৩৪/২৪ মামলাতেও তাকে আসামি দেখানো হয়।

জিআর ৩৩৪/২৪ মামলায় ২০২৫ সালের ১৭ নভেম্বর এবং জিআর ৩৩২/২৪ মামলায় গত ৪ জুন হাইকোর্ট থেকে জামিন লাভ করেন কাজী কেরামত আলী। এসব মামলায় জামিন পাওয়ার পর গত ৯ জুন তার কারামুক্ত হওয়ার কথা ছিল। তবে ওই দিনই পুলিশ তাকে জিআর ৩৬৫/২৪ অপর একটি মামলায় গ্রেপ্তার দেখানোর আবেদন করে।

বৃহস্পতিবার (১৮ জুন) রাজবাড়ীর ১ নং আমলি আদালতে এ শুনানি হয়। শুনানি শেষে পুনরায় কাজী কেরামত আলীকে কারাগারে পাঠানো হয়।

কাজী কেরামত আলীর আইনজীবী এ‌্যাড. আশরাফুল ইসলাম আশা খবরের কাগজকে বলেন, কাজী কেরামত আলী একজন বিনয়ী ও সাদামাটা রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব। তিনি ছয়বার জাতীয় সংসদ সদস্য ছিলেন। যেসব মামলায় তাকে আসামি করা হয়েছে, তা জামিনযোগ্য। এ ছাড়া এসব ঘটনার সঙ্গে তার কোনো সম্পৃক্ততা নেই। ৭৫ বছর বয়সী কাজী কেরামত আলী শারীরিকভাবে অসুস্থ। হাসপাতালে ভর্তি রেখে তাকে চিকিৎসা সেবা প্রদান অত্যন্ত জরুরি। 

সুমন বিশ্বাস/থিওটোনিয়াস

সাজিনাস হাসপাতালের পরিচালকসহ ৮ চিকিৎসকের বিরুদ্ধে মামলা

প্রকাশ: ১৯ জুন ২০২৬, ১০:৫০ এএম
আপডেট: ১৯ জুন ২০২৬, ১১:০০ এএম
সাজিনাস হাসপাতালের পরিচালকসহ ৮ চিকিৎসকের বিরুদ্ধে মামলা
ছবি: খবরের কাগজ

চট্টগ্রামের বায়েজিদ বোস্তামী এলাকার সাজিনাস হাসপাতাল-এ চিকিৎসা অবহেলা ও ভুল চিকিৎসার কারণে নবজাতকের মৃত্যুর অভিযোগে সাজিনাস হাসপাতালের পরিচালকসহ মোট আটজন চিকিৎসককে আসামি  করে মামলা করা হয়েছে।

ভুক্তভোগী শিশুর মা আমাতুল মাকনুন বৃহস্পতিবার (১৮জুন) চট্টগ্রামের ৩য় মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মো. আলমগীর হোসেনের আদালতে এ অভিযোগ দায়ের করেন।

আদালত অভিযোগটি তদন্তের জন্য সিআইডিকে নির্দেশ দিয়েছেন এবং চট্টগ্রাম মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতাল থেকে বিশেষজ্ঞ মতামত গ্রহণেরও নির্দেশ দিয়েছেন।

অভিযোগপত্রে বলা হয়, গত ২৫ মে সার্জিস্কোপ হাসপাতালে সিজারিয়ান অপারেশনের মাধ্যমে একটি পুত্র সন্তানের জন্ম হয়। জন্মের পর শ্বাসকষ্ট দেখা দিলে নবজাতককে উন্নত চিকিৎসার জন্য বায়েজিদ লিঙ্ক রোডে অবস্থিত সাজিনাস হাসপাতাল-এর এনআইসিইউতে ভর্তি করান। তখন শিশুটির শ্বাসকষ্ট ছাড়া অন্য কোনো জটিলতা ছিল না বলে দাবি করা হয়।

পরিবারের অভিযোগ অনুযায়ী, ৩০ মে শিশুটির বাম হাতে ব্যান্ডেজ দেখতে পান মা। পরে দেখা যায়, হাতের তালু কালো হয়ে গেছে এবং আঙুলে গ্যাংগ্রিন শুরু হয়েছে। হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ বিষয়টি গুরুত্ব না দেওয়ায় পরবর্তীতে সংক্রমণ ছড়িয়ে পড়ে পুরো শরীরে।

পরবর্তীতে শিশুটিকে ঢাকার ইবনে সিনা হাসপাতাল এবং পরে এভারকেয়ার হাসপাতাল ঢাকায় নেওয়া হয়। সেখানে চিকিৎসকরা জানিয়েছেন, ভুলভাবে আইভি ক্যানুলা স্থাপন এবং সম্ভাব্য অস্ত্রোপচারের জটিলতার কারণে রক্তনালী ক্ষতিগ্রস্ত হয়ে এ অবস্থার সৃষ্টি হয়েছে। দীর্ঘ চিকিৎসার পর ৪ জুন শিশুটি মারা যায়।

অভিযুক্তরা হলেন—হাসান মাহমুদ চৌধুরী, ডা. আনোয়ার হোসেন, ডা. ফয়সাল আহমেদ, ডা. আদনান ওয়ালিদ, ডা. মিনহাজুল হাসান, ডা. হাবিবুর রহমান, ডা. ফজলে মারুফ এবং ডা. তামিম সাফায়েত চৌধুরী। এছাড়া অজ্ঞাতনামা আরও কয়েকজন চিকিৎসক ও নার্সকেও আসামি করা হয়েছে।

বাদীপক্ষের আইনজীবী শুভাশীষ শর্মা বলেন, "আদালত বিষয়টি গুরুত্বসহকারে নিয়ে তদন্তের নির্দেশ দিয়েছেন।"

আদালত অভিযোগটি তদন্তের জন্য সিআইডিকে নির্দেশ দিয়েছেন এবং চট্টগ্রাম মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতাল থেকে বিশেষজ্ঞ মতামত গ্রহণেরও নির্দেশ দিয়েছেন।

এর আগে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ঘটনার বিষয়ে পোস্ট করেন ভুক্তভোগী মা আমাতুল মাকনুন। পরে বিষয়টি গণমাধ্যমে প্রকাশিত হলে ঘটনাটি আলোচনায় আসে।

আবদুস সাত্তার/তামান্না রুপা/

আদালতে আত্মসমর্পণ করতে গিয়ে কারাগারে আ. লীগ নেতা

প্রকাশ: ১৯ জুন ২০২৬, ১০:৪০ এএম
আপডেট: ১৯ জুন ২০২৬, ১০:৫৬ এএম
আদালতে আত্মসমর্পণ করতে গিয়ে কারাগারে আ. লীগ নেতা
ছবি: সংগৃহীত

ময়মনসিংহের মুক্তাগাছা উপজেলার দাওগাঁও ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক ও চেয়ারম্যান খন্দকার জামাল উদ্দিন বাদশাকে কারাগারে পাঠিয়েছেন আদালত।

বৃহস্পতিবার (১৮ জুন) দুপুরে ময়মনসিংহ দায়রা ও জজ আদালতে আত্মসমর্পণ করলে, বিচারক তাকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।

আদালত সূত্রে জানা গেছে, খন্দকার জামাল উদ্দিন বাদশা রাজনৈতিক মামলার আসামি। মে মাসে তিনি উচ্চ আদালত থেকে জামিন পান। বৃহস্পতিবার দুপুরে নিম্ন আদালতে (ময়মনসিংহ দায়রা ও জজ আদালত) আত্মসমর্পণ করেন। এ সময় বিচারকের নির্দেশে তাকে কারাগারে পাঠানো হয়।

আসামিকে কারাগারে পাঠানোর বিষয়টি খবরের কাগজকে নিশ্চিত করেন, ময়মনসিংহ আদালত পরিদর্শক মোস্তাছিনুর রহমান।

কামরুজ্জামান মিন্টু/থিওটোনিয়াস