ঢাকা ৩১ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩, রোববার, ১৪ জুন ২০২৬

সর্বশেষ
বাংলাদেশের বেসরকারি সমাজ উন্নয়ন কার্যক্রম অধ্যায়ের ১টি প্রশ্ন ও উত্তর, ২য় পর্ব, এইচএসসির সমাজকর্ম দ্বিতীয় পত্র ধামরাইয়ে সরকারি টাকায় ব্যক্তিগত যাত্রী ছাউনি, উপকার হচ্ছে না যাত্রীদের উদ্ভাবনের উৎসবের পর্দা নামল মাগুরায়, জাতীয় পর্যায়ে লড়বে বিজয়ী দল বেনজীরকে দ্রুত ফেরাতে সরকার কাজ করছে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বিশ্বকাপ উন্মাদনায়ও রুটিন থাকুন নিয়ন্ত্রণে চট্টগ্রামে ২০০ দোকান উচ্ছেদ চিংড়ির ভিন্ন স্বাদে চীনে ক্রায়োজেনিক প্রযুক্তিতে রকেট ট্যাংক ডোমের উৎপাদনে সাফল্য বেঙ্গল কমার্শিয়াল ব্যাংকে চাকরির সুযোগ পাকুন্দিয়ায় সড়ক দুর্ঘটনায় প্রবাসীর মৃত্যু দেশে এখনও প্রযুক্তিনির্ভর কমোডিটি মার্কেট গড়ে ওঠেনি: সিইসি এমডি লালপুরে টপ সয়েল কাটায় গ্রেপ্তার ২ হোয়াইট হাউসে ট্রাম্পের ৮০তম জন্মদিন উদযাপন রয়্যাল বেঙ্গল টাইগার পাঠ থেকে ৪টি অনুশীলনীর প্রশ্ন ও উত্তর, ২য় পর্ব, পঞ্চম শ্রেণির বাংলা সিরাজগঞ্জ আদালতে আত্মসমর্পণ করলেন এমপি আমির হামজা জনগণের স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করতে বড় পরিবর্তন আসছে: স্বাস্থ্যমন্ত্রী খালেদা জিয়াকে ‘কালো মানিক’ উপহার দেওয়া সেই সোহাগ মৃধা গ্রেপ্তার বৃদ্ধাশ্রম নয়, পরিবারই হোক নিশ্চিত আশ্রয় ইসলামী ব্যাংককে ২৫০০ কোটি টাকা ধার দিল বাংলাদেশ ব্যাংক টেকনাফে রোহিঙ্গা ক্যাম্প সংলগ্ন লবণ মাঠে অভিযান: গ্রেনেড, গুলি ও গাঁজা উদ্ধার আল্লাহর ভালোবাসা পাওয়ার চার শর্ত সাবেক আইজিপি বেনজীর গ্রেপ্তার টেকনাফে আঘাতপ্রাপ্ত মা হাতি লোকালয়ে, উদ্ধারে বন বিভাগের তৎপরতা ঝিনাইদহে দুর্নীতি বিরোধী চিত্রাংকন ও রচনা প্রতিযোগিতা মিরপুরে মাদরাসার সাইনবোর্ড লাগানোর সময় বিদ্যুৎস্পৃষ্টে শিক্ষার্থীসহ দগ্ধ ৩ ইংল্যান্ড দলের চুরি যাওয়া সরঞ্জাম উদ্ধার প্রাথমিক শিক্ষক বদলিতে বড় সংস্কার জাপানিজ সমর্থকরা কেন স্টেডিয়াম পরিষ্কার করেন? জামালপুরে মানববন্ধনে শিশুশ্রমকে লাল কার্ড প্রদর্শন ইন্টারনেট সেবাদাতাদের কার্যালয়ে হামলা-দখলের নিন্দা, শাস্তির দাবি আইএসপিএবির
Nagad desktop

বিপ্লব উদ্যানের উন্নয়নকাজে বাধা দিলে কাউকে ছাড় নয়: মেয়র

প্রকাশ: ২৩ এপ্রিল ২০২৬, ০৪:৪৬ পিএম
আপডেট: ২৩ এপ্রিল ২০২৬, ০৪:৪৬ পিএম
বিপ্লব উদ্যানের উন্নয়নকাজে বাধা দিলে কাউকে ছাড় নয়: মেয়র
ছবি: সংগৃহীত

চট্টগ্রাম নগরীর ২ নম্বর গেইট এলাকায় অবস্থিত শহিদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের স্মৃতিবিজড়িত বিপ্লব উদ্যানের উন্নয়নকাজে বাধা দিলে কাউকে ছাড় দেওয়া হবে না বলে জানিয়েছেন চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন। 

বৃহস্পতিবার (২৩ এপ্রিল) দুপুরে বিপ্লব উদ্যানে চলমান সৌন্দর্যবর্ধন কাজের অগ্রগতি পরিদর্শনে গিয়ে তিনি একথা বলেন। 

পরিদর্শনকালে তিনি প্রকল্পের সার্বিক অগ্রগতি ঘুরে দেখেন এবং সংশ্লিষ্ট ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানকে নির্ধারিত সময়সীমার মধ্যে কাজ সম্পন্ন করার জন্য কঠোর নির্দেশনা দেন। একই সঙ্গে কাজের গুণগত মান বজায় রাখার ওপরও জোর দেন তিনি।

এ সময় ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের পক্ষ থেকে অভিযোগ করা হয়, আশপাশের কিছু দোকান মালিক উন্নয়ন কাজে বাধা সৃষ্টি করছেন, যার ফলে কাজের গতি ব্যাহত হচ্ছে এবং নির্ধারিত সময়ের মধ্যে প্রকল্প শেষ করা নিয়ে অনিশ্চয়তা তৈরি হচ্ছে।

অভিযোগের প্রেক্ষিতে মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, নগরীর উন্নয়ন কাজ কোনো ব্যক্তিগত স্বার্থের কাছে জিম্মি হতে পারে না। বিপ্লবী উদ্যান শুধু একটি পার্ক নয়, এটি আমাদের ইতিহাস ও স্মৃতির অংশ। এখানে চলমান উন্নয়নকাজে কেউ বাধা দিলে তা কোনোভাবেই বরদাস্ত করা হবে না।

তিনি আরও বলেন, যারা ইচ্ছাকৃতভাবে কাজে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করছে, তাদের বিরুদ্ধে আইনানুগ শাস্তিমূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। প্রয়োজনে উচ্ছেদসহ কঠোর প্রশাসনিক ব্যবস্থা নেওয়া হবে। উন্নয়ন কাজ থামিয়ে রাখার সুযোগ কারও নেই।

মেয়র সংশ্লিষ্ট ঠিকাদারদের উদ্দেশ্যে বলেন, আপনারা নির্ধারিত সময়ের মধ্যে কাজ শেষ করার জন্য সর্বোচ্চ আন্তরিকতা ও পেশাদারিত্ব দেখাবেন। কাজের মান ও সময়—দুটিই নিশ্চিত করতে হবে। নগরবাসী যেন দ্রুত একটি আধুনিক ও দৃষ্টিনন্দন উদ্যান উপহার পায়, সেটিই আমাদের লক্ষ্য।

তিনি সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা-কর্মচারীদেরও সমন্বয়ের মাধ্যমে দ্রুত কাজ এগিয়ে নেওয়ার নির্দেশ দেন এবং নিয়মিত তদারকি জোরদারের আহ্বান জানান।

উল্লেখ্য, বিপ্লবী উদ্যানে চলমান সৌন্দর্যবর্ধন প্রকল্পের আওতায় আধুনিক অবকাঠামো, সবুজায়ন, হাঁটার পথ, বসার ব্যবস্থা ও দর্শনার্থীদের জন্য বিভিন্ন সুবিধা উন্নয়নের কাজ চলছে। প্রকল্পটি বাস্তবায়িত হলে নগরবাসীর জন্য এটি একটি আকর্ষণীয় বিনোদনকেন্দ্র হিসেবে গড়ে উঠবে বলে আশা করা হচ্ছে।

এসএন/

ধামরাইয়ে সরকারি টাকায় ব্যক্তিগত যাত্রী ছাউনি, উপকার হচ্ছে না যাত্রীদের

প্রকাশ: ১৪ জুন ২০২৬, ০৪:৪২ পিএম
আপডেট: ১৪ জুন ২০২৬, ০৪:৪৪ পিএম
ধামরাইয়ে সরকারি টাকায় ব্যক্তিগত যাত্রী ছাউনি, উপকার হচ্ছে না যাত্রীদের
নির্মিত যাত্রী ছাউনি এবং ইনসেটে অভিযুক্ত চেয়ারম্যান মো. আওলাদ হোসেন। ছবি: খবরের কাগজ

ঢাকার ধামরাইয়ে যাত্রী ছাউনি নির্মাণের নামে সরকারি অর্থ অপচয়ের অভিযোগ উঠেছে সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান আওলাদ হোসেনের বিরুদ্ধে। জনগণের প্রয়োজনীয়তা বিবেচনা না করে নিজ বাড়ির সামনের পুকুরপাড়ে তিনি যাত্রী ছাউনি নির্মাণ করেন। এতে সরকারের উন্নয়ন তহবিলের অর্থের অপচয় করা হয়েছে বলে অভিযোগ স্থানীয়দের।

ছাউনিটি ঢাকার ধামরাই উপজেলার সোমভাগ ইউনিয়নের ধামরাই কালামপুর আঞ্চলিক সড়কের গোয়ালদী গ্রামে চেয়ারম্যান আওলাদ হোসেনের বাড়ির সামনে নির্মিত হয়েছে।

প্রায় দুই লাখ টাকা ব্যয়ে নির্মিত স্থাপনাটি সাধারণ যাত্রীদের কোনো উপকারেই আসছে না। সেখানে যাত্রীদের কোনো যানবাহনের স্টপেজ নেই। একজন যাত্রীও সুবিধা পাচ্ছেন না তার নির্মিত সরকারি বরাদ্দের এই যাত্রী ছাউনিতে। এটি তার নিজের বাড়ির পুকুর পাড়ের সৌন্দর্য বাড়ানোর জন্য নির্মাণের অভিযোগ উঠেছে।

স্থানীয় সূত্র ও সোমভাগ ইউনিয়ন পরিষদ সূত্রে জানা গেছে, ২০২২-২৩ অর্থবছরে ইউনিয়ন পরিষদের উন্নয়ন সহায়তা তহবিল থেকে দুই লাখ টাকা বরাদ্দ নিয়ে যাত্রী ছাউনি নির্মাণের উদ্যোগ নেন তৎকালীন সোমভাগ ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আওলাদ হোসেন। দীর্ঘদিন প্রকল্পটি বাস্তবায়ন করা হয়নি। এ নিয়ে সাধারণ মানুষের মধ্যে আলোচনা-সমালোচনা চলে। এরই ধারাবাহিকতা তোপের মুখে গত প্রায় আট মাস আগে চেয়ারম্যানের নিজ বাড়ির সামনে পুকুরপাড়ে একটি যাত্রী ছাউনি নির্মাণ করা হয়।

সরেজমিনে দেখা গেছে, যাত্রী ছাউনিটি সোমভাগ ইউনিয়নের গোয়ালদী এলাকায় সাবেক চেয়ারম্যান আওলাদ হোসেনের বাড়ির সামনের পুকুরের পূর্বপাশে নির্মাণ করা হয়েছে। এতে যাত্রী ছাউনির কোনো সাইনবোর্ড নেই। নির্মাণশৈলী ও অবস্থান দেখে এটিকে যাত্রী ছাউনি না বলে ব্যক্তিগত বিশ্রামাগার বা আড্ডাস্থল বলেই মনে হয়। বিশেষ করে সড়কের দিকে মুখ করে যাত্রী ছাউনি নির্মাণ করা হলেও এখানে এর ব্যতিক্রম ঘটেছে। যা যাত্রীদের ব্যবহার উপযোগী নয়। একজন যাত্রীও এখানে আসেন না। অথচ তার একশত গজ পূর্ব পাশেই রয়েছে তিন রাস্তার মোড়। যেখানে যাত্রীরা এসে দাঁড়িয়ে থাকছে। 

স্থানীয়রা জানান, ধামরাই-কালামপুর সড়কে কোনো যাত্রীবাহী বাস চলাচল করে না। যাতায়াতের প্রধান মাধ্যম তিন চাকার অটোরিকশা। যাত্রীরা সুবিধাজনক স্থান থেকেই অটোরিকশায় ওঠানামা করেন। ফলে ওই স্থানে যাত্রী ছাউনির কোনো প্রয়োজন ছিল না। যাত্রী ছাউনিটি আর একটু পূর্ব পাশে তিন রাস্তার মোড়ে স্থাপন করা হলেও, যাত্রী বা স্থানীয়রা এই প্রচণ্ড গড়মে একটু বসার সুযোগ পেতেন। একদিকে এ রাস্তায় যেমন বড় কোনো যানবাহন চলাচল করে না, অন্যদিকে নিজের ব্যক্তিগত জায়গায় যাত্রী ছাউনি নির্মাণ, তাই এ নিয়ে এলাকায় চলছে আলোচনা-সমালোচনা। 

এলাকাবাসীর অভিযোগ, জনস্বার্থকে উপেক্ষা করে ব্যক্তিগত সুবিধা ও প্রভাব খাটিয়ে প্রকল্পটি বাস্তবায়ন করা হয়েছে। এটি মূলত চেয়ারম্যানের ব্যক্তিগত বৈঠকখানা হিসেবে ব্যবহারের উদ্দেশ্যে প্রকল্পটি বাস্তবায়ন করা হয়েছিল, জনস্বার্থে নয়।

যদিও রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর হত্যা মামলার আসামি হয়ে দীর্ঘদিন চেয়ারম্যান পলাতক ছিলেন, যার জন্য সে উদ্দেশ্য হয়ত বাস্তবায়িত হয়নি। বর্তমানে রাতের বেলায় সেখানে মাদকসেবীদের আড্ডা বসে বলেও অভিযোগ রয়েছে।

স্থানীয় বাসিন্দা জহিরুল ইসলাম, আব্দুল জলিলসহ একাধিক ব্যক্তি অভিযোগ করে বলেন, জনগণের করের টাকায় নির্মিত স্থাপনাটি কোনো জনকল্যাণ কাজে ব্যয় হয়নি। পরিকল্পনাহীন ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে প্রকল্প বাস্তবায়নের মাধ্যমে সরকারি অর্থের অপচয় করা হয়েছে। বিষয়টি তদন্ত করে দায়ীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া প্রয়োজন। কারণ যাত্রী ছাউনি কোথায় হলে ভালো হবে, এমন কোনো চিন্তা ভাবনা না করে নিজের বাড়ির সামনেই তিনি এটি নির্মাণ করেন। অথচ একটু পূর্ব পাশেই রয়েছে তিন রাস্তার মোড়। যেখানে সাধারণ যাত্রী ও স্থানীয় জনগণ রিকশায় ওঠানামা করেন বা বিশ্রাম নেন। 

নিয়ামত আলী নামে এই যাত্রী বলেন বলেন, প্রকল্প গ্রহণ থেকে বাস্তবায়ন পর্যন্ত সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কার্যকর তদারকি থাকলে এ ধরনের অনিয়ম ও সরকারি অর্থের অপচয় ঘটত না। কোনো সরকারি কর্মকর্তা এর তদারকি করেননি। তাদের গাফিলতির কারণেই এমন হয়েছে। এ বিষয়ে দ্রুত তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত তথ্য উদঘাটনের দাবি জানাচ্ছি।

রেজাউল করিম নামে আরেক যাত্রী বলেন, এ ঘটনায় ক্ষমতার অপব্যবহার করা হয়েছে। চেয়ারম্যান তার নিজের বাড়িতে যাত্রী ছাউনি তৈরি করেছেন।অন্যের কথা ভাবার মতো সময় তার নেই। এটি সরকারি বরাদ্দ অথচ নিজের বাড়ির সামনে নির্মাণ করা হয়েছে ছাউনি। 

অভিযোগের বিষয়ে সাবেক চেয়ারম্যান আওলাদ হোসেনের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তা সম্ভব হয়নি।

এ বিষয়ে ধামরাই উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. আল মামুন বলেন, বিষয়টি আমার জানা ছিল না। অভিযোগের বিষয়টি খতিয়ে দেখে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

রুহুল আমিন/নাঈম

চট্টগ্রামে ২০০ দোকান উচ্ছেদ

প্রকাশ: ১৪ জুন ২০২৬, ০৪:২৭ পিএম
চট্টগ্রামে ২০০ দোকান উচ্ছেদ
ছবি: খবরের কাগজ

চট্টগ্রামে সড়ক ও ফুটপাত থেকে প্রায় ২০০টি অবৈধ দোকান উচ্ছেদ করেছে চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের (চসিক) ভ্রাম্যমাণ আদালত।

রবিবার (১৪ জুন) দুপুরে নগরের সাগরিকাস্থ বীরশ্রেষ্ঠ শহিদ ফ্লাইট লেফটেন্যান্ট মতিউর রহমান ক্রিকেট স্টেডিয়াম থেকে সাগরিকা রোডের বিটাক বাজার এলাকায় এ অভিযানটি চালানো হয়।

চসিকের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট চৈতী সর্ববিদ্যার নেতৃত্বে অভিযাটি চালানো হয়।

তিনি বলেন, আজকের অভিযানে সড়ক ও ফুটপাত থেকে প্রায় ২০০ টি দোকান উচ্ছেদ করে ফুটপাত ও সড়ক অবৈধ দখলমুক্ত করা হয়। জনস্বার্থে এই ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে।

অভিযানে চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন পুলিশ, পাহাড়তলী থানা ও সিটি কর্পোরেশনের সংশ্লিষ্ট শাখার কর্মকর্তা- কর্মচারীরা ম্যাজিস্ট্রেটকে সহায়তা করেন।

রিফাত/

লালপুরে টপ সয়েল কাটায় গ্রেপ্তার ২

প্রকাশ: ১৪ জুন ২০২৬, ০৩:৫৫ পিএম
আপডেট: ১৪ জুন ২০২৬, ০৪:২৪ পিএম
লালপুরে টপ সয়েল কাটায় গ্রেপ্তার ২
ছবি: খবরের কাগজ

নাটোরের লালপুর উপজেলার লালপুর ইউনিয়নের মঞ্জিলপুকুর গ্রামে টপ সয়েল কাটায় ভাটামালিকসহ দুইজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। এ সময় মাটি কাটা কাজে ব্যবহৃত ভেকু ছাড়াও একটি ট্রাক্টর জব্দ করা হয়।

রবিবার (১৪ জুন) দুপুরে আদালতের আদেশে তাদের কারাগারে পাঠানো হয়। 

গ্রেপ্তার ইটভাটা মালিকের নাম রফিকুল ইসলাম (৪০)। তিনি বিবিআর ভাটার মালিক। অপরজন হলেন ভেকুচালক মেহের আলী (৪০)।

লালপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শফিকুল ইসলাম বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে শনিবার মধ্যরাতে অভিযান চালানো হয়। রবিবার সকালে আদালতের মাধ্যমে তাদের কারাগারে পাঠানো হয়।

কামাল মৃধা/খাদিজা রুমি/

সিরাজগঞ্জ আদালতে আত্মসমর্পণ করলেন এমপি আমির হামজা

প্রকাশ: ১৪ জুন ২০২৬, ০৩:২৮ পিএম
আপডেট: ১৪ জুন ২০২৬, ০৩:৪৭ পিএম
সিরাজগঞ্জ আদালতে আত্মসমর্পণ করলেন এমপি আমির হামজা
ছবি: খবরের কাগজ

বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজসম্পদ মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী এবং বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকুকে নিয়ে কটূক্তির অভিযোগে মানহানির মামলায় কুষ্টিয়া-৩ আসনের সংসদ সদস্য (এমপি) মুফতি আমির হামজা আত্মসমর্পণ করেছেন।

রবিবার (১৪ জুন) দুপুর আড়াইটার দিকে সিরাজগঞ্জ চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে আত্মসমর্পণ করে জামিন আবেদন করেন।

আদালতে আসামির পক্ষের শুনানি করেন আইনজীবী আবু তালেব। বাদী পক্ষে ছিলেন সিরাজগঞ্জ আইনজীবী সমিতির সাধারণ সম্পাদক হুমায়ুন কবির কর্নেল।

শুনানি শেষে বিচারক সুমন কুমার সূত্রধর তার জামিন আবেদন মঞ্জুর করেন।

সিরাজগঞ্জ চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের আইনজীবী ও আসামির পক্ষের আইনজীবী আবু তালেব বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

তিনি বলেন, মুফতি আমির হামজা হাইকোর্ট থেকে আগাম জামিন নিয়েছিলেন এবং আজ তিনি আদালতে আত্মসমর্পণ করেছেন। তিনি দুপুর আড়াইটার দিকে আদালতে উপস্থিত হন। পরে আদালত তার জামিন মঞ্জুর করেন।

এর আগে বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজসম্পদ মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকুকে নাস্তিক ও ইসলামবিদ্বেষী বলে মন্তব্য করার অভিযোগে গত ২ এপ্রিল মুফতি আমির হামজার বিরুদ্ধে মানহানির মামলা করা হয়। একইদিন আদালত সমন জারি করে ২১ এপ্রিল তাকে হাজির হওয়ার নির্দেশ দেন।

নির্ধারিত তারিখে আদালতে উপস্থিত না হওয়ায় তার বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করা হয় এবং গত ১৭ মে সিরাজগঞ্জ অতিরিক্ত চিফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের বিচারক সুমন কর্মকার তার বিরুদ্ধে পত্রিকায় বিজ্ঞপ্তি প্রকাশের নির্দেশ দেন।

শিশির/থিও/

খালেদা জিয়াকে ‘কালো মানিক’ উপহার দেওয়া সেই সোহাগ মৃধা গ্রেপ্তার

প্রকাশ: ১৪ জুন ২০২৬, ০৩:১৫ পিএম
আপডেট: ১৪ জুন ২০২৬, ০৩:২৮ পিএম
খালেদা জিয়াকে ‘কালো মানিক’ উপহার দেওয়া সেই সোহাগ মৃধা গ্রেপ্তার
ছবি: খবরের কাগজ

সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়াকে ‘কালো মানিক’ নামে একটি গরু উপহার দিয়ে আলোচনায় আসা পটুয়াখালীর মির্জাগঞ্জের সোহাগ মৃধাকে মারামারি ও পর্নোগ্রাফি মামলায় গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

রবিবার (১৪ জুন) তাকে গ্রেপ্তারের পর আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়।

গ্রেপ্তার সোহাগ মৃধা উপজেলার উত্তর ঝাটিবুনিয়া গ্রামের বাসিন্দা।

পুলিশ সূত্রে জানা যায়, সোহাগ মৃধার বিরুদ্ধে একটি মারামারি এবং একটি পর্নোগ্রাফি আইনের মামলাসহ মোট দুটি মামলা রয়েছে। এর মধ্যে মারামারির মামলায় তিনি এক নম্বর আসামি এবং পর্নোগ্রাফি মামলায় সহযোগী আসামি। এসব মামলার ভিত্তিতেই তাকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

সোহাগ মৃধা গ্রেপ্তার থাকায় এ বিষয়ে তার কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

মির্জাগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. তৌহিদুজ্জামান বলেন, মারামারি ও পর্নোগ্রাফি আইনের মামলায় সোহাগ মৃধাকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। আজ তাকে আদালতে পাঠানো হয়েছে।

গত বছর বেগম খালেদা জিয়াকে ‘কালো মানিক’ নামের একটি গরু উপহার দিয়ে আলোচনায় আসেন সোহাগ মৃধা। পরে খালেদা জিয়া উপহারটি গ্রহণ করে সোহাগের পরিবারের আর্থিক স্বচ্ছলতার কথা বিবেচনা করে গরুটি তাকে ফিরিয়ে দেন। পরবর্তীতে চলতি ঈদুল আজহা উপলক্ষে গরুটি বিক্রি করেন সোহাগ মৃধা।

হাসিবুর রহমান/খাদিজা রুমি/