ঢাকা ১ আষাঢ় ১৪৩৩, সোমবার, ১৫ জুন ২০২৬

সর্বশেষ
স্বপ্নের রাজপুত্র ইয়ামাল শান্তি সূচকে দক্ষিণ এশিয়ায় চতুর্থ বাংলাদেশ অন্তর্ভুক্তিমূলক অর্থায়নে অবদানের জন্য বাংলাদেশ ব্যাংকের স্বীকৃতি পেল আইপিডিসি সজীবতার গান গেয়ে এল বর্ষা বন্ধ চিনিকল চালুর উদ্যােগ ১৫ জুন: তুলা, বৃশ্চিক, ধনু, মকর, কুম্ভ ও মীনের আজকের রাশিফল সোনারগাঁওয়ে মামলার পর আতঙ্কে ঘরছাড়া ধর্ষণের শিকার গৃহবধূ ১৫ জুন: মেষ, বৃষ, মিথুন, কর্কট, সিংহ ও কন্যার আজকের রাশিফল বগুড়ায় মলম ট্যাবলেটে সীমাবদ্ধ সেবা বুড়িগঙ্গা নদী থেকে জাবি শিক্ষার্থীর মরদেহ উদ্ধার চীনের গোয়েন্দা তথ্য সংগ্রহে ওয়েবসাইট চালু তাইওয়ানের দিল্লি বিমানবন্দর থেকে ফিরে আসছেন প্রধানমন্ত্রীর তথ্য উপদেষ্টা আতঙ্কে ‘মোস্ট ওয়ান্টেড’ আসামিরা বাজেট প্রস্তাবের পর শেয়ারবাজারে উত্থান চমৎকার জয়ফুল মথ টাকা সাদা করার সুবিধা আছে, না নেই! সেনাসংকটে ইউক্রেনে যুদ্ধ চালাতে চাপে পুতিন নেপালের অতিরিক্ত বিদ্যুৎ বাংলাদেশে রপ্তানির অনুমোদন দেয়নি ভারত প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের সচিব নিয়োগ হয়নি তিন মাসেও ট্রিলিয়নিয়ার হলেও ইলন মাস্ক থাকেন ৪০০ ফুটের ছোট্ট বাড়িতে সোনালি দিনের খোঁজে স্পেন একসময়ের দাতা এখন গ্রহীতা নীল হাঙরের নাবিক রায়ান মেন্দেস লা রোজার সামনে রূপকথার নায়ক! ১৫ জুন  ২০২৬ তারিখের নামাজের সময়সূচি পেছনে যুদ্ধ, সামনে বিশ্বকাপ মরুর সাহস, উরুগুয়ের ইতিহাস দুর্দান্ত বেলজিয়ামের সামনে সালাহর মিসর নেদারল্যান্ডসকে জিততে দিল না জাপান প্রথম ম্যাচে যে রেকর্ড ডাকছে মেসিকে
Nagad desktop

শিশুকে বাঁচাতে গিয়ে প্রাণ দিলো মা, পরে...

প্রকাশ: ১৫ মে ২০২৬, ১১:৫৩ পিএম
আপডেট: ১৬ মে ২০২৬, ০৯:১৩ এএম
শিশুকে বাঁচাতে গিয়ে প্রাণ দিলো মা, পরে...
ছবি: খবরের কাগজ

ছুটির দিনে দুই বছরের শিশু সন্তানসহ পরিবার নিয়ে ভাটিয়ারী ঘুরতে বের হয়েছিলো মোছাম্মৎ তারিন। তিনি চট্টগ্রাম বিভাগীয় কার্যালয়ের কম্পিউটার অপারেটর। 

শুক্রবার (১৫ মে) রাত সাড়ে আটটায় ভাটিয়ারী থেকে চট্টগ্রামে যাওয়ার সময় ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের বি এম এ গেট এলাকায় চলন্ত মোটরসাইকেল থেকে হঠাৎ করে দুই বছরের বাচ্চা শিশুটি পড়ে যায়।  দ্রুত মোটরসাইকেল থেকে নেমে বাচ্চাটি উদ্ধারে নামে মা মোছাম্মদ তারিন। এ সময় একটি কাভার্ডভ্যান তারিনকে চাপা দিলে ঘটনাস্থলে তার মৃত্যু হয়। 

শিশুটিও মুমূর্ষবস্থায় সড়কে কাতরাতে থাকে। পরবর্তী স্থানীয়রা উদ্ধার করে শিশু ও তার মা তারিনের মরদেহ চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল পাঠায়।  শিশুটিও হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যায়। 

কে জানতো, সেই ভ্রমণই হয়ে উঠবে জীবনের শেষ ভ্রমণ? মায়ের হৃদয় কি আর থেমে থাকতে পারে? নিজের জীবনের কথা না ভেবে ছুটে যান সন্তানকে বাঁচাতে। কিন্তু নিয়তির নির্মম আঘাত—

২৮ বছর বয়সী তারিনের মুত্যতে পরিবারে নেমে এলো অন্ধকার। একমাত্র শিশু সন্তানটির মুত্যর খবরে ভেঙ্গে পড়ছে পুরো পরিবার- আত্মীয় স্বজন।

মোটরসাইকেল চালাচ্ছিলেন তারিনের স্বামী।  তিনি স্থানীয় সাংবাদিকদের বলেন, দুর্ঘটনার পরে তারিনের ভ্যানেটিব্যাগ পাওয়া যায়নি। ওখানে অনেক গুরুত্বপূর্ণ ডকুমেন্ট ও স্বর্ণ  ছিল।

বার আউলিয়া হাইওয়ে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এম এ হক বলেন, মোটরসাইকেল করেই স্ত্রী ও বাচ্চাকে নিয়ে ভাটিয়ারী গাল্ফ ক্লাব ঘুরে চট্টগ্রামে নগরীর লালখান বাজারে যাওয়ার সময় দুর্ঘটনায় কবলিত হয়ে ঘটনাস্থলে মহিলাটি মারা যান।

মুসলেহ উদ্দীন/এসএন

সোনারগাঁওয়ে মামলার পর আতঙ্কে ঘরছাড়া ধর্ষণের শিকার গৃহবধূ

প্রকাশ: ১৫ জুন ২০২৬, ০৮:৫২ এএম
সোনারগাঁওয়ে মামলার পর আতঙ্কে ঘরছাড়া ধর্ষণের শিকার গৃহবধূ
ছবি: সংগৃহীত

নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁওয়ে সংঘবদ্ধ ধর্ষণের শিকার এক গৃহবধূ এখন চরম আতঙ্কে দিন কাটাচ্ছেন। ভয়ে তিনি নিজের বাড়িতে ফিরতে পারছেন না। বর্তমানে স্বামী ও সন্তানদের নিয়ে তিনি নারায়ণগঞ্জ জেনারেল (ভিক্টোরিয়া) হাসপাতালে আছেন। অবশ্য পুলিশ জানিয়েছে, ভুক্তভোগী পরিবার চাইলে তাদের সর্বোচ্চ নিরাপত্তা দেওয়া হবে।

এই ঘটনায় এরই মধ্যে স্থানীয় এক যুবদল নেতাসহ দুজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। তবে অভিযুক্ত আরেকজন এখনো পলাতক। ঘটনাটি নিয়ে এলাকায় বেশ চাঞ্চল্য তৈরি হয়েছে। স্থানীয় বাসিন্দারা অভিযুক্তদের দ্রুত বিচার এবং ভুক্তভোগী পরিবারের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার দাবি জানিয়েছেন। গ্রেপ্তার ব্যক্তিরা হলেন- জামপুর ইউনিয়নের ২ নম্বর ওয়ার্ড যুবদলের সাধারণ সম্পাদক শহীদ মিয়া (৪০) এবং তার সহযোগী একই এলাকার শাহিন মিয়া (৩৮)।

পুলিশ ও ভুক্তভোগী পরিবার সূত্রে জানা গেছে, উপজেলার জামপুর ইউনিয়নের সিরাবো গ্রামে একটি ভাড়া বাসায় দুই সন্তান নিয়ে ওই দম্পতি থাকেন। গত বুধবার বিকেলে রাজমিস্ত্রি স্বামী যখন কাজে ছিলেন, তখন অভিযুক্তরা বাড়িতে ঢোকে। তারা দুই শিশুসন্তানকে ভয় দেখিয়ে অপহরণ করে। এরপর পাশের বাড়ির একটি বিল্ডিংয়ের কক্ষে নিয়ে ওই গৃহবধূকে জোরপূর্বক সংঘবদ্ধ ধর্ষণ করে।

ভুক্তভোগী পরিবারের অভিযোগ, ঘটনাটি জানাজানি হওয়ার পর স্থানীয় কয়েকজন প্রভাবশালী ব্যক্তি বিষয়টি সালিশের মাধ্যমে মীমাংসার চেষ্টা করেন। পরে শুক্রবার বিকেলে ভুক্তভোগী নারী সোনারগাঁও থানায় নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে মামলা করেন। মামলার পরপরই পুলিশ অভিযান চালিয়ে দুই আসামিকে গ্রেপ্তার করে। তবে ওই নারীর স্বামীর দাবি, থানায় মামলা করতে গেলে বিএনপির এক প্রভাবশালী নেতা বাধা দেন। সেখানেও তাদের ভয়ভীতি দেখানো হয়েছে। নিরাপত্তার কারণে তিনি ওই নেতার নাম প্রকাশ করতে রাজি হননি।

এদিকে গত শনিবার ভুক্তভোগীর স্বাস্থ্য পরীক্ষা শেষ হয়েছে। কিন্তু নিরাপত্তাহীনতার কারণে তিনি বাড়ি ফিরতে সাহস পাচ্ছেন না। তার স্বামীর দাবি, মামলা করায় এলাকায় ফিরলে তারা নানা সমস্যায় পড়বেন। এ ছাড়া নিজের পরিবারের সদস্যদেরও তারা এখনো বিষয়টি জানাননি। ফলে কোথায় আশ্রয় নেবেন, তা নিয়ে চরম দুশ্চিন্তায় আছেন।

ভুক্তভোগী নারীর স্বামী জানান, অভিযুক্তদের পরিবার ওই এলাকায় প্রভাবশালী এবং তারা সরকারদলীয় রাজনীতি করেন। ফলে তাদের বিরুদ্ধে মামলা ও গ্রেপ্তারের পর থেকে তারা আতঙ্কে আছেন। এই মামলার কারণে তাদের পরিবারের সদস্যদের প্রাণনাশের আশঙ্কাও রয়েছে।

সোনারগাঁও থানার পরিদর্শক (তদন্ত) মো. জামাল উদ্দিন বলেন, মামলা হওয়ার পর দ্রুত দুই আসামিকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। পলাতক অপর আসামিকেও ধরার চেষ্টা চলছে। ভুক্তভোগী পরিবার চাইলে তারা নিজ বাড়িতে নিরাপদে বসবাস করতে পারবেন। তাদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে স্থানীয় পুলিশ ফাঁড়িকেও প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

বগুড়ায় মলম ট্যাবলেটে সীমাবদ্ধ সেবা

প্রকাশ: ১৫ জুন ২০২৬, ০৮:৪৬ এএম
বগুড়ায় মলম ট্যাবলেটে সীমাবদ্ধ সেবা
বগুড়ার আদমদিঘী উপজেলার সান্তাহার ২০ শয্যাবিশিষ্ট হাসপাতাল। ছবি: খবরের কাগজ

বগুড়ার সান্তাহারে ৪ লাখ মানুষের দ্রুত চিকিৎসাসেবা নিশ্চিত করতে ২০০৬ সালে নির্মাণ করা হয়েছিল ২০ শয্যার একটি হাসপাতাল। প্রায় ৪ কোটি টাকা ব্যয়ে নির্মিত এই হাসপাতালটি দীর্ঘ ২০ বছর পার হলেও এলাকার মানুষ এখনো পুরোপরি চিকিৎসাসেবা পাচ্ছেন না। ১০ শয্যা করে নারী ও পুরুষের জন্য দুটি ওয়ার্ড ও অপারেশনের ব্যবস্থাসহ অন্যান্য সুবিধা থাকার কথা থাকলেও এখানে এখন শুধু বহির্বিভাগে দিনে ৪ ঘণ্টা চিকিৎসা দেওয়া হয়। আর সেখানে রোগীদের দেওয়া হয় শুধু মলম আর ব্যথানাশক ট্যাবলেট। তবে চিকিৎসার এই বেহাল পরিস্থিতির মাঝেও একটি বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থার একজন কর্মী এখানে নিয়মিত যক্ষ্মা নিয়ন্ত্রণে কাজ করে যাচ্ছেন।

আদমদিঘী উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. মো. ফজলে রাব্বি জানান, হাসপাতাটিতে ২৩টি পদ থাকলেও জনবল আছেন মাত্র ১৩ জন। এখনো ইনডোর বা ভর্তি রেখে চিকিৎসা দেওয়া শুরু হয়নি। তিনি বলেন, ‘২০ শয্যার এ হাসপাতালে চিকিৎসা নিশ্চিত করতে আরও ২০টি পদ সৃষ্টির জন্য কয়েক মাস আগে মন্ত্রণালয়ে চিঠি পাঠানো হয়েছে। একই সঙ্গে শূন্য ১০টি পদ ফাঁকা থাকার বিষয়টিও কর্তৃপক্ষকে অবহিত করা হয়েছে। এ হাসপাতালের জন্য পাঠানো যন্ত্রপাতি বগুড়ায় মোহাম্মদ আলীতে রাখা হয়েছে।’

হাসপাতালে গিয়ে দেখা গেছে, দুটি ওয়ার্ড ও অপারেশন ইউনিট তালাবদ্ধ অবস্থায় পড়ে আছে। একটি কক্ষে বসেন বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থার কর্মী মেডিকেল টেকনোলজিস্ট মোছা. ফরিদা খাতুন। তিনি গত পাঁচ বছর ধরে এখানে যক্ষ্মা প্রতিরোধে কাজ করছেন। তিনি বলেন, ‘হাসপাতাল ও বিভিন্ন স্থান থেকে আসা নমুনা পরীক্ষা করা হয়। রোগীর যক্ষ্মা হয়েছে কি না পরীক্ষার পর বিষয়টি কর্তৃপক্ষকে জানানো হয় পরবর্তী চিকিৎসার জন্য।’

স্থানীয় বাসিন্দা আব্দুল কাদের বলেন, ‘বহু বছর আগে উদ্বোধন হলেও চিকিৎসা না পাওয়ায় আদমদিঘীসহ আশপাশের উপজেলার রোগীদের সাধারণ চিকিৎসার জন্যও বগুড়া, নওগাঁ ও রাজশাহীতে যেতে হচ্ছে। এখানে চিকিৎসা বলতে রোগীরা যা পান তা হলো ২-৩টি ব্যথানাশক ট্যাবলেট আর মলম। আর সেটি পেতে হাসপাতালে আসতে হয় দুপুরের আগেই, কারণ দুপুরের পর আউটডোর বন্ধ হয়ে যায়।’ 

তবে উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডা. মো. ফজলে রাব্বি এই অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, ‘সরকারিভাবে পাওয়া সব ধরনের ওষুধ বহির্বিভাগ থেকে দেওয়া হয়।’

স্থানীয় একটি স্কুলের অবসরপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক আব্দুল জোব্বার বলেন, ‘হাসপাতালটি পুরোপুরি চালু হলে বগুড়া ও নওগাঁ জেলার প্রত্যন্ত এলাকার মানুষের চিকিৎসা খরচ কমবে। একই সঙ্গে দ্রুত চিকিৎসার সুযোগ তৈরি হবে।’ তিনি বলেন, ‘উদ্বোধনের পর স্থানীয়ভাবে আমরা বিভিন্ন ব্যক্তি ও সরকারের বিভিন্ন পর্যায়ে কথা বলেছি, কিন্তু কোনো কাজ হয়নি। আশা করছি, এবার এ হাসপাতালটি চালু হবে। কারণ এ হাসপাতালটি নির্মাণ হয়েছে বিএনপি ক্ষমতায় থাকার সময়।’

হাসপাতালটিতে গিয়ে আরও দেখা যায়, কর্মকর্তা-কর্মচারীদের জন্য তৈরি কোয়ার্টারগুলো পরিত্যক্ত অবস্থায় পড়ে আছে। হাসপাতালের বারান্দায় জমেছে বালুর পুরু স্তর। অপারেশন ইউনিটের যন্ত্রপাতি এখনো লাগানো হয়নি। পুরো হাসপাতাল চত্বর জঙ্গলে ভরে গেছে। এলাকাবাসীর অভিযোগ, ছোটখাটো অপারেশনের জন্যও তাদের জেলা সদরে যেতে হয়। জটিল কোনো রোগের চিকিৎসা বা পরামর্শ পাওয়ার কোনো সুযোগ এখানে নেই।

স্বাস্থ্য বিভাগের পরিসংখ্যান অনুযায়ী, এই হাসপাতালে ডাক্তার আছেন মাত্র তিনজন। চাহিদামতো কোনো পরিচ্ছন্নতাকর্মী নেই। রোগী না থাকায় নার্সদেরও দেখা মেলে না। ইনডোর সুবিধা না থাকায় ভেতরের দুটি ওয়ার্ডের তালা কত বছর ধরে খোলা হয় না, তা হাসপাতালসংশ্লিষ্ট কেউই জানেন না।

চট্টগ্রামে মা-মেয়েকে হত্যা, নেপথ্যে অটোরিকশার চুক্তিপত্র নিয়ে বিরোধ

প্রকাশ: ১৪ জুন ২০২৬, ১০:৫৫ পিএম
চট্টগ্রামে মা-মেয়েকে হত্যা, নেপথ্যে অটোরিকশার চুক্তিপত্র নিয়ে বিরোধ
ছবি: খবরের কাগজ

চট্টগ্রামের আনোয়ারায় অটোরিকশার চুক্তিপত্র নিয়ে বিরোধের জেরে মা ও মেয়েকে ছুরিকাঘাতে হত্যা করেছে অভিযুক্ত তেজপ্রিয় বড়ুয়া (৩৫)।

শনিবার (১৩ জুন) রাত ১১টার দিকে আনোয়ারার পারৈকোড়া ইউনিয়নের ৬ নম্বর ওয়ার্ড চেনামতি গ্রামে এ হত্যাকাণ্ডের ঘটনা ঘটে। অভিযুক্তের ভাইকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য আটক করে থানায় নিয়ে আসা হয়েছে। 

নিহত ব্যক্তিরা হলেন- ওই এলাকার সুজন বড়ুয়ার স্ত্রী এনি বড়ুয়া (৪০) ও তার মেয়ে প্রিয়ন্তী বড়ুয়া (১৬)। নিহত প্রিয়ন্তী মাহাতা পাঠনিকোটা উচ্চ বিদ্যালয়ের দশম শ্রেণির ছাত্রী। এ ঘটনায় গুরুতর আহত শিশুসন্তান পিয়াস বড়ুয়াকে (৫) উদ্ধার করে আনোয়ারা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স থেকে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়। 

জানা গেছে, বাড়িতে কোন পুরুষ মানুষ না থাকার সুযোগে অভিযুক্ত তেজপ্রিয় বড়ুয়া ধারালো ছুরি হাতে ঘরের পেছনের দরজা দিয়ে ভেতরে প্রবেশ করে। প্রথমে সে প্রিয়ন্তীর ওপর চড়াও হয় এবং তাকে এলোপাতাড়ি ছুরিকাঘাত করতে থাকে। মেয়ের চিৎকার শুনে মা এ্যানি বড়ুয়া বাঁচাতে এলে তেজপ্রিয় তাকেও কুপিয়ে রক্তাক্ত করে। এরপর মায়ের কোলে থাকা পাঁচ বছরের শিশুসন্তান প্রিয়াসকেও আছাড় দিয়ে ও শ্বাসরোধ করে হত্যার চেষ্টা চালায় সে। তাদের চিৎকার-চেঁচামেচি শুনে প্রতিবেশীরা ছুটে আসতে থাকলে অভিযুক্ত যুবক দ্রুত ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে যায়। 

নিহত এ্যানি বড়ুয়ার স্বামী সুজন বড়ুয়া জানান, অভিযুক্ত তেজপ্রিয় বড়ুয়া বিদেশ থেকে শূন্য হাতে দেশে ফিরে আসে। তার কোনো চাকরি বা আয়ের উৎস না থাকায় আত্মীয়তার খাতিরে তাকে ১ লাখ ১৭ হাজার টাকা দিয়ে একটি ব্যাটারিচালিত অটোরিকশা কিনে দেই। টাকা পরিশোধের ব্যাপারে তেজপ্রিয় মাঝেমধ্যে কিছু টাকা দিত, আবার কখনো দিত না। এ নিয়ে আমাদের মধ্যে কখনো কোনো বড় ঝগড়াবিবাদ হয়নি। তবে রিকশা কেনার সময় আমাদের মধ্যে একটি লিখিত চুক্তিপত্র বা স্ট্যাম্প করা হয়েছিল। আমার ধারণা, ওই লিখিত কাগজটি জোরপূর্বক ছিনিয়ে নিতেই সে রাতে আমাদের ঘরে ঢুকেছিল। আমার স্ত্রী-সন্তানরা বাধা দেওয়ায় তাদের এভাবে নৃশংসভাবে খুন করা হলো। আমার গোছানো সোনার সংসারটা নিমিষেই শেষ হয়ে গেল। আমি এই ঘাতকের ফাঁসি চাই।

এদিকে রবিবার (১৪ জুন) দুপুরে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন চট্টগ্রাম জেলা পুলিশ সুপার (এসপি) মাসুদ আলম। তিনি নিহতের পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে কথা বলেন, ঘটনার বিবরণ শোনেন এবং শোকসন্তপ্ত পরিবারকে সান্ত্বনা দেন।

ঘটনাস্থলে উপস্থিত সাংবাদিকদের এসপি মাসুদ আলম বলেন, নিহতের পরিবারের তথ্য ও আমাদের প্রাথমিক তদন্তে নিশ্চিত হওয়া গেছে যে, হত্যাকাণ্ডের সাথে তেজপ্রিয় বড়ুয়া নামের ওই যুবক সরাসরি জড়িত। সে ভুক্তভোগী পরিবারের খুবই কাছের পরিচিত। ধারণা করা হচ্ছে পরিকল্পনা করে এ হত্যাকাণ্ড ঘটিয়েছে। তেজপ্রিয় এর সাথে ১ লাখ ১৭ হাজার টাকার একটি লেনদেন ছিল ভুক্তভোগী পরিবারের। মাসিক কিস্তির মাধ্যমে এসব টাকা পরিশোধের কথাও রয়েছে। এসব নিয়ে প্রথমে মেয়েকে এবং পরে মাকে কুপিয়ে মারাত্মক ভাবে হত্যা করে। সে বর্তমানে পলাতক রয়েছে। তাকে গ্রেপ্তারে জেলা পুলিশের একাধিক টিম ও ডিবি ইতিমধ্যে মাঠে নেমেছে। ঘটনার পরপরই পুলিশ ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর অন্যান্য সদস্যরা ঘটনাস্থলে পৌঁছে কাজ শুরু করেছে। খুব দ্রুতই তাকে আইনের আওতায় আনা সম্ভব হবে।

তিনি আরও বলেন, নিহত মা ও মেয়ের লাশ সুরতহাল প্রতিবেদন শেষে ময়নাতদন্তের জন্য চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ (চমেক) হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। ঘটনার মূল রহস্য উদঘাটনে পুলিশ কাজ করছে এবং এই ঘটনায় আনোয়ারা থানায় একটি হত্যা মামলা দায়েরের প্রস্তুতি চলছে।

এসএন/

ধর্ষণ ও ভ্রূণ নষ্টে গ্রেপ্তারের কথা শুনে চোখ খুলছেন না শিবির নেতা জিসান

প্রকাশ: ১৪ জুন ২০২৬, ১০:৪২ পিএম
ধর্ষণ ও ভ্রূণ নষ্টে গ্রেপ্তারের কথা শুনে চোখ খুলছেন না শিবির নেতা জিসান
ছবি: সংগৃহীত

ইসলামী ছাত্রশিবিরের কেন্দ্রীয় সহকারী আন্তর্জাতিক বিষয়ক সম্পাদক জিসান মিয়া প্রধান বর্তমানে পুলিশের হেফাজতে কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে রয়েছেন। কুমিল্লার দাউদকান্দির এক বিধবা নারীকে ধর্ষণ ও তার ওই নারীর ভ্রূণ নষ্ট করার অভিযোগে করা মামলায় তাকে গ্রেপ্তার দেখানো হয়েছে।

হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ ও পুলিশের ভাষ্য, পরীক্ষা-নিরীক্ষাসহ চিকিৎসকদের পর্যবেক্ষণ বলছে যে জিসান পুরোপুরি সুস্থ। কিন্তু তিনি নিজেকে ‘অসুস্থ’ দেখিয়ে পুলিশি হেফাজতে হাসপাতালে আছেন। এ কারণে তাকে আদালতে হাজির করা সম্ভব হচ্ছে না।

পুলিশের কর্মকর্তারা বলছেন, মামলার বাদী ভুক্তভোগী নারীকে বিয়ে করা এড়াতে অপহরণের নাটক সাজিয়েছিলেন জিসান। আত্মগোপনে থাকা শুক্রবার রাতে কুমিল্লা লাকসাম থেকে পুলিশ তাকে উদ্ধার করে কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যায়। সেখানে থাকা অবস্থায় ওই নারীর করা মামলায় তাকে গ্রেপ্তার দেখানো হয়েছে। শুরুতে হাসপাতালে এসে জিসান পুলিশের সঙ্গে স্বাভাবিকভাবে কথা বলেছেন। কিন্তু যখনই শুনেছেন, তাকে ধর্ষণের মামলায় গ্রেপ্তার দেখানো হয়েছে, তখন থেকে তিনি চোখ খুলছেন না।

এদিকে ছাত্রশিবির নেতা জিসান মিয়ার শারীরিক অবস্থা সম্পর্কে জানতে চার সদস্যের মেডিকেল বোর্ড গঠন করেছে কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ।  রবিবার দুপুরে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন হাসপাতালের ভারপ্রাপ্ত পরিচালক মোহাম্মদ শাহজাহান।

তিনি বলেন, মেডিকেল বোর্ডের প্রধান করা হয়েছে হাসপাতালের মেডিসিন বিভাগের বিভাগীয় প্রধানকে। বাকি তিনজন চিকিৎসক হাসপাতালের অ্যানেসথেসিয়া বিভাগ, নিউরো মেডিসিন বিভাগ ও মনোরোগবিদ্যা বিভাগের।

এই কর্মকর্তা জানান, সোমবার বেলা ১১টার দিকে চার সদস্যের মেডিকেল বোর্ডের চিকিৎসকেরা জিসান মিয়ার অবস্থা পর্যবেক্ষণ করে তাদের মতামত জানাবেন। তিনি সুস্থ হয়েও অসুস্থতার অভিনয় করলে তাকে ছাড়পত্র দেওয়া হবে। আর অসুস্থ হলে তাকে প্রয়োজনীয় চিকিৎসা দেওয়া হবে। এখন পর্যন্ত করা সব পরীক্ষা-নিরীক্ষায় তার কোনো সমস্যা পাওয়া যায়নি। এদিকে ভুক্তভোগী নারীর স্বাস্থ্য পরীক্ষা সম্পন্ন হয়েছে বলে তিনি জানান।

এদিকে কুমিল্লার দাউদকান্দি থেকে ‘নিখোঁজ’ হওয়ার এক দিন পর শুক্রবার রাত পৌনে ১০টার দিকে লাকসাম রেলওয়ে জংশন এলাকায় ‘অচেতন’ অবস্থায় জিসানকে উদ্ধারের দাবি করে পরিবার। পরে ওই দিন রাতেই চিকিৎসার জন্য তাকে কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হয়।

পরদিন কুমিল্লা পুলিশ সুপার কার্যালয়ে এক প্রেস ব্রিফিংয়ে পুলিশ সুপার জানায়, জিসানকে কেউ অপহরণ করেনি। তিনি নিজেই আত্মগোপনে ছিলেন। তিনি ইসলামী ছাত্রশিবিরের কেন্দ্রীয় সহকারী আন্তর্জাতিক বিষয়ক সম্পাদক এবং সংগঠনটির কুমিল্লা জেলা পশ্চিম শাখার সাবেক সভাপতি।

জিসানকে উদ্ধারের খবর পাওয়ার পর শুক্রবার রাতে এক নারী বাদী হয়ে দাউদকান্দি মডেল থানায় মামলা করেন। নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনের ধারায় করা মামলাটিতে মোট আসামি করা হয়েছে চারজনকে। মামলায় ওই নারীকে একাধিকার ধর্ষণ ও ভ্রূণ নষ্টের অভিযোগ আনা হয়েছে।

জিসান ছাড়াও মামলায় গ্রেপ্তার হওয়া অপর তিন আসামি হলেন সেকান্দর আলী (২৪), গোলাম রাব্বী (২৬) ও সজীব হাসান (২১)। তাদের সবার বাড়ি দাউদকান্দিতে। তারা ছাত্রশিবিরের নেতা জিসানের ঘনিষ্ঠ হিসেবে পরিচিত। শনিবার বিকেলে তাদের কুমিল্লার আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। কিন্তু গ্রেপ্তার দেখানো হলেও জিসান নিজেকে অসুস্থ দাবি করায় তাকে এখনো আদালতে হাজির করা হয়নি। দাউদকান্দি মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আ. বারী এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

জেলা পুলিশ সুপার আনিসুজ্জামান বলেন, শুক্রবার রাতে যখন লাকসাম থেকে জিসান মিয়াকে হাসপাতালে আনা হয়, তখন তিনি স্বাভাবিকভাবে পুলিশের সঙ্গে কথা বলেছেন। কিন্তু যখনই খবর পেয়েছেন তার বিরুদ্ধে মামলা হয়েছে বা তাকে গ্রেপ্তার দেখানো হয়েছে, তখন থেকেই তিনি নিজেকে অসুস্থ দেখাচ্ছেন। বর্তমানে অবস্থাটা এমন হয়েছে যে জিসান চোখই খুলছেন না।’ ভুক্তভোগী নারীকে বিয়ে করা এড়াতে জিসান অপহরণের নাটক সাজিয়েছিলেন বলে তার দাবি।

অন্যদিকে পুলিশ সূত্র জানায়, ১১ জুন রাতে জিসান নিখোঁজ হয়েছেন জানিয়ে তার চাচাতো ভাই রাসেল আহম্মেদ দাউদকান্দি মডেল থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেন। জিডির পর জেলা পুলিশের একাধিক দল তাঁকে উদ্ধারে তৎপরতা শুরু করে। অনুসন্ধানকালে পুলিশ জানতে পারে, কয়েক মাস আগে ফেসবুকের মাধ্যমে এক বিধবা নারীর (২৫) সঙ্গে জিসানের পরিচয় হয় এবং তাঁদের মধ্যে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে। প্রেমের সম্পর্কের জেরে অন্তঃসত্ত্বা হওয়ার পর জিসান ওই নারীকে ভ্রূণ নষ্ট করার জন্য চাপ দেন এবং একপর্যায়ে ওষুধ সেবনের মাধ্যমে গর্ভপাত ঘটানো হয়। পরে ওই তরুণী জিসানকে বিয়ের জন্য চাপ দিলে তিনি ১২ জুন বিয়ে করবেন বলে সম্মতি দেন। তবে বিয়ে এড়াতে ১১ জুন রাতেই তিনি নাটক সাজিয়ে আত্মগোপনে চলে যান। নিখোঁজের অনুসন্ধান চলাকালে শুক্রবার রাতে লাকসাম এলাকা থেকে তাকে উদ্ধার করা হয়।

জহির শান্ত/এসএন 

গাংনীতে কুকুরের কামড়ে শিশুসহ আহত ১৭

প্রকাশ: ১৪ জুন ২০২৬, ০৯:৪৮ পিএম
গাংনীতে কুকুরের কামড়ে শিশুসহ আহত ১৭
গাংনী হাসপাতালে চিকিৎসা নিতে অবস্থান করছেন আহত রোগীরা। ছবি: খবরের কাগজ

মেহেরপুরের গাংনী উপজেলায় একটি বেওয়ারিশ কুকুরের হামলায় শিশুসহ অন্তত ১৭ জন আহত হয়েছেন।

রবিবার (১৪ জুন) সন্ধ্যা থেকে গাংনী বড়বাজার এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। আহতদের মধ্যে কয়েকজনের অবস্থা গুরুতর হওয়ায় হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। আহতদের মধ্যে ১০ জনকে গাংনী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে এবং বাকিদের মেহেরপুর জেনারেল হাসপাতালে নেওয়া হয়।

আহতদের মধ্যে রয়েছেন, গাংনী মহিলা কলেজপাড়ার আব্দুল হালিমের ছেলে নুহু হোসেন (৯), উত্তরপাড়ার কারী মোহাম্মদ আবু ইউসুফের ছেলে মাহাবুব হোসেন (১১), মালসাদহ গ্রামের সাদিয়া সুলতানা (১৬), চৌগাছা এলাকার আব্দুল মান্নান (৭০), বাজারপাড়ার রাশেদুল হকের মেয়ে ফারিয়া খাতুন (১২), মুকুল হোসেন (৪৫), হাবিবুর রহমান (২২), হাফিজুর রহমান (৬০), ধানখোলা গ্রামের রফিকুল ইসলাম (৫৫) এবং চুয়াডাঙ্গার আলমডাঙ্গা উপজেলার হারদি গ্রামের কাদের আলী (৫৬)। এ ছাড়া আরও সাতজন আহত ব্যক্তি মেহেরপুর জেনারেল হাসপাতালে চিকিৎসা নিচ্ছেন।

স্থানীয় সূত্র জানায়, বিকেলে গাংনী বড়বাজারের কসাইখানা এলাকায় একটি বেওয়ারিশ কুকুর প্রথমে কয়েকজন পথচারীকে কামড়ে দেয়। তাদের উদ্ধার করতে এগিয়ে আসা স্থানীয় লোকজনও কুকুরটির আক্রমণের শিকার হন। এতে মুহূর্তের মধ্যে এলাকায় আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। পরে স্থানীয়রা একত্রিত হয়ে কুকুরটিকে পিটিয়ে হত্যা করেন।

স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, গাংনী বাজার এলাকায় দীর্ঘদিন ধরে বেওয়ারিশ কুকুরের উপদ্রব বেড়ে চলেছে। বিষয়টি নিয়ে একাধিকবার সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে জানানো হলেও কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি। তারা জননিরাপত্তার স্বার্থে দ্রুত বেওয়ারিশ কুকুর নিয়ন্ত্রণে প্রশাসনের কার্যকর উদ্যোগ গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন।

গাংনী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের জরুরি বিভাগের কর্তব্যরত চিকিৎসক ডা. সামিয়া সুলতানা জানান, দুপুরের পর থেকে ধারাবাহিকভাবে কুকুরে কামড়ানো রোগীরা হাসপাতালে আসতে থাকেন। গুরুতর আহতদের ভর্তি রেখে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে। পাশাপাশি সবাইকে জলাতঙ্ক প্রতিরোধে প্রয়োজনীয় ভ্যাকসিন ও চিকিৎসা গ্রহণের পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।

তারেক/নাঈম