ঈদুল আজহার ছুটিতে প্রিয়জনদের নিয়ে সময় কাটাতে ও প্রকৃতি কন্যা সিলেটের নৈসর্গিক সৌন্দর্য উপভোগ করতে সিলেটের প্রতিটি পর্যটনকেন্দ্রে ছিল উপচে পড়া ভিড়। বন্ধু-বান্ধব, পরিবার-পরিজন, আত্মীয়-স্বজন নিয়ে বিভিন্ন জায়গায় ঘুরে বেড়িয়েছেন ভ্রমণপ্রেমীরা।
সবুজ চা বাগান থেকে শুরু করে জাফলং, সাদা পাথর, লালাখাল, রাতারগুলসহ অন্যান সব পর্যটন কেন্দ্রে পর্যটক দর্শনার্থীদের উপচে পড়া ভিড়।
ঈদের দিন থেকে শুরু করে আজ রবিবার (৩১ মে) পর্যন্তও পর্যটন কেন্দ্রগুলোতে দর্শনার্থীদের উপস্থিতির কোনো কমতি নেই। সিলেট জেলার মধ্যে গোয়াইনঘাট উপজেলায় সবচেয়ে বেশি পর্যটনকেন্দ্র রয়েছে। গোয়াইনঘাট উপজেলার জাফলং জিরো পয়েন্ট, জাফলং চা বাগান, শ্রীপুর লেক, রাংপানি, বিছনাকান্দি, সোয়াম ফরেস্ট রাতারগুল, পানতুমাই ঝরনা, মায়াবী ঝরনা পর্যটকদের উপস্থিতি ছিল সবচেয়ে বেশি। এছাড়াও সিলেট নগরীর কাছাকাছি ও যোগাযোগের সুব্যবস্থা থাকায় সিলেটের কোম্পানীগঞ্জ উপজেলার ভোলাগঞ্জ সাদাপাথরেও সবচেয়ে বেশি পর্যটকদের পদচারণা ছিল।
সরেজমিন দেখা যায়, সিলেটের সবকটি পর্যটনকেন্দ্রেই হাজারও পর্যটকের ভিড়। সাদাপাথর, জাফলংয়ের জল পাথরের সঙ্গে আনন্দময় সময় কাটাচ্ছেন সব বয়সের মানুষ। কেউ ছবি তুলছেন, কেউ স্বচ্ছ পানিতে সাঁতার কাটছেন। কেউবা পাথরে বসে গল্প করছেন। কেউ আবার চা বাগানের সারি ধরে হাঁটাহাঁটি করছেন।
সাদা পাথর নৌকা ঘাটের ইজারাদার জানান, বেশি বেশি পর্যটক আসায় তাদের ব্যস্ততা ও রোজগার বেড়েছে। পর্যটকদের ভিড় বেশি থাকায় নৌকা সরবরাহ করতেও তারা হিমসিম খাচ্ছেন।
জাফলং বল্লাঘাট পর্যটনকেন্দ্র ব্যবসায়ী সমবায় সমিতির সভাপতি হোসেন মিয়া খবরের কাগজকে বলেন, পর্যটকরা সিলেটমুখি হয়েছেন এটাই আমাদের জন্য ভাল খবর। ঈদুল আজহার ছুটিতে প্রচুর পর্যটক জাফলংসহ আশপাশের পিকনিক স্পটে বেড়াতে এসেছেন। আমরা সর্বোচ্চ সৌজন্যতা প্রদর্শন করে ব্যবসা পরিচালনা করছি। পর্যটক আসায় সব ধরনের ব্যবসায়ীরাই ভাল ব্যবসা করেছেন।
এদিকে পর্যটকদের নিরাপত্তায় ট্যুরিস্ট পুলিশ ও বিজিবির নজরদারিও ছিল। পাশাপাশি নিরাপত্তা জনিত ব্যাপরে পর্যটন এলাকায় সার্বক্ষণিক মাইকিং, পরিদর্শ, পর্যবেক্ষন করেছেন ট্যুরিস্ট পুলিশ ও বিজিবির সদস্যরা।
রিফাত/