ঢাকা ৩ আষাঢ় ১৪৩৩, বুধবার, ১৭ জুন ২০২৬

সর্বশেষ
ফিফার বাপ কুমিল্লায় চাকরি মেলা, কর্মসংস্থানের সন্ধানে তরুণ-তরুণীদের ঢল পটুয়াখালীতে সেপটিক ট্যাংকে নেমে ২ শ্রমিকের মৃত্যু গফরগাঁওয়ে স্বামীকে ঘরে বেঁধে গৃহবধূকে তুলে নিয়ে দলবদ্ধ ধর্ষণ চীনের ডেইরি কারখানায় উৎপাদন বাড়াচ্ছে স্বয়ংক্রিয় প্রযুক্তি আমাদের ঘরগুলো কি রহমত শূন্য হচ্ছে? বাংলাদেশের বাজারে দীর্ঘমেয়াদে কাজ করবে দারাজ টুকটুক ও চিকু পাঠ থেকে ৪টি সংক্ষিপ্ত উত্তর প্রশ্ন, ২য় পর্ব, পঞ্চম শ্রেণির বাংলা গোল করার পর কান্নার কারণ জানালেন মেসি রংপুরে হিমাগারের ভাড়া বাড়ানোয় মহাসড়ক অবরোধ সোনামসজিদ পরিদর্শন করলেন মার্কিন রাষ্ট্রদূত সময়মতো পূর্বাভাসেই বেঁচে যাচ্ছে চীনের জুঁই বাজেটকে একটি গোষ্ঠী গণবিরোধী বলছে: প্রধানমন্ত্রী মৌলভীবাজারে নারী-তরুণদের স্বতঃস্ফূর্ত উপস্থিতিতে মুখর জনসভা শরীয়তপুরে নিষিদ্ধ সংগঠন ছাত্রলীগের বিক্ষোভ মিছিল মাঠে মদ্রিচ আমার ডান হাত: জ্লাতকো ডালিচ প্রস্তাবিত বাজেটে নবায়নযোগ্য জ্বালানি খাত পর্যাপ্ত গুরুত্ব পায়নি: সিপিডি ওয়াহিদুল হত্যার আসামিদের ফাঁসির দাবিতে উত্তাল আদালত চত্বর ভারতে ৩ বছর কারাভোগ শেষে দেশে ফিরলেন ৬ নারী শরীয়তপুরে ছোট ভাইয়ের লাঠির আঘাতে প্রাণ গেল বড় ভাইয়ের ‘আমরাই মেসির কাজটা সহজ করে দিয়েছি’, বললেন আলজেরিয়ার কোচ জয়পুরহাটে পুত্রবধুকে ধর্ষণচেষ্টার অভিযোগে শ্বশুর গ্রেপ্তার আর্জেন্টিনার জার্সির পেছনে ‘১৮৯৩’ লেখা থাকার কারণ কী? বিশ্বকাপ জয়ের এটাই সেরা সুযোগ: হ্যারি কেইন মেসি বন্দনায় ভাষা হারিয়েছেন স্কালোনি ঘুরে দাঁড়াতে মরিয়া তুরস্ক, লক্ষ্য প্যারাগুয়ে বধ নাটকীয় ম্যাচে জর্ডানকে হারাল অস্ট্রিয়া কুষ্টিয়া জেনারেল হাসপাতালে আকস্মিক পরির্দশনে স্বাস্থ্যমন্ত্রী প্রথমবার ইউএনএইচসিআর ব্যুরোর সভাপতিত্বে বাংলাদেশ ঝিনাইদহে ১১ কোটি ব্যয়ে কসাইখানা উদ্বোধন
Nagad desktop

পাটগ্রাম সীমান্তে পুশইন ঘিরে উত্তেজনা, লাঠিসোঁটা নিয়ে বিএসএফকে ধাওয়া

প্রকাশ: ০৭ জুন ২০২৬, ১০:১৭ এএম
আপডেট: ০৭ জুন ২০২৬, ১০:২৮ এএম
পাটগ্রাম সীমান্তে পুশইন ঘিরে উত্তেজনা, লাঠিসোঁটা নিয়ে বিএসএফকে ধাওয়া
ছবি: খবরের কাগজ

লালমনিরহাটের পাটগ্রাম সীমান্ত দিয়ে মানসিক ভারসাম্যহীন এক ব্যক্তিকে বাংলাদেশে পুশইনের চেষ্টার অভিযোগ উঠেছে ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনীর (বিএসএফ) বিরুদ্ধে। 

শনিবার (৬ জুন) বিকেল ৫টার দিকে উপজেলার শ্রীরামপুর ইউনিয়নের আজিজপুর সীমান্ত এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।

এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে সীমান্ত এলাকায় উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। ক্ষুব্ধ এলাকাবাসী লাঠিসোঁটা নিয়ে বিএসএফ সদস্যদের ধাওয়া করলে পরিস্থিতি আরও উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। পরে বিজিবি সদস্যরা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।

বিজিবি ও স্থানীয় সূত্র জানায়, বাংলাদেশ-ভারত সীমান্তের ৮৫৫ নম্বর প্রধান পিলারের ৫নং উপ-পিলার সংলগ্ন এলাকায় পশ্চিমবঙ্গের কোচবিহার জেলার মাথাভাঙ্গা থানার পকেটপাড়া সীমান্তের দাউয়াকামারী বিএসএফ ক্যাম্পের সদস্যরা কাঁটাতারের গেট খুলে প্রায় ৩৫ বছর বয়সী এক ব্যক্তিকে বাংলাদেশে ঠেলে পাঠায়। স্থানীয়রা বিষয়টি দেখতে পেয়ে তাৎক্ষণিক বিজিবিকে খবর দেন।

খবর পেয়ে ৬১ বিজিবি (তিস্তা-২) ব্যাটালিয়নের কালীরহাট ক্যাম্পের টহল দল ঘটনাস্থলে পৌঁছে ওই ব্যক্তিকে একইপথ দিয়ে শূন্যরেখায় ফিরিয়ে দেয়। ব্যক্তিটির কথাবার্তা ও আচরণ অসংলগ্ন হওয়ায় তিনি মানসিক ভারসাম্যহীন বলে ধারণা করা হচ্ছে।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, বিজিবি ওই ব্যক্তিকে ফেরত পাঠানোর পর বিএসএফ সদস্যরা আবারও তাকে বাংলাদেশের দিকে ঠেলে দেওয়ার চেষ্টা করে। এতে স্থানীয়দের মধ্যে ক্ষোভ ছড়িয়ে পড়ে। এক পর্যায়ে এলাকাবাসী লাঠিসোঁটা নিয়ে সীমান্ত এলাকায় জড়ো হয়ে বিএসএফ সদস্যদের ধাওয়া করেন। পরে বিজিবি সদস্যরা স্থানীয়দের শান্ত করে পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখেন।

বিজিবির সূত্র জানায়, ঘটনাটি ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে অবহিত করা হয়েছে। পাশাপাশি বিএসএফের দাউয়াকামারী ক্যাম্প কমান্ডারের কাছে আনুষ্ঠানিক প্রতিবাদ জানিয়ে ওই ব্যক্তিকে ভারতীয় অভ্যন্তরে ফিরিয়ে নেওয়ার আহ্বান জানানো হয়েছে।

ওই ব্যক্তিকে ভারতের শূন্যরেখা থেকে প্রায় ১০০ গজ অভ্যন্তরে অবস্থান করতে দেখা গেছে। এ ঘটনায় সীমান্তের উভয় পাশে বিজিবি ও বিএসএফ সদস্যরা সতর্ক অবস্থানে রয়েছেন।

বকুল/অন্তরা/

কুমিল্লায় চাকরি মেলা, কর্মসংস্থানের সন্ধানে তরুণ-তরুণীদের ঢল

প্রকাশ: ১৭ জুন ২০২৬, ০৩:৫৬ পিএম
কুমিল্লায় চাকরি মেলা, কর্মসংস্থানের সন্ধানে তরুণ-তরুণীদের ঢল
ছবি: খবরের কাগজ

কুমিল্লায় স্বল্প আয়ের পরিবারের তরুণ-তরুণীদের স্বাবলম্বী করা এবং দক্ষ শ্রমবাজারের সঙ্গে সম্পৃক্ত করার লক্ষ্যে দিনব্যাপী বর্ণাঢ্য ‘চাকরি মেলা’ অনুষ্ঠিত হয়েছে।

বুধবার (১৭ জুন) সকাল ৯টা থেকে বিকেল ৪টা পর্যন্ত কুমিল্লা টাউন হল মাঠে এ মেলার আয়োজন করা হয়।

পল্লী কর্ম-সহায়ক ফাউন্ডেশন (পিকেএসএফ)-এর আর্থিক ও কারিগরি সহযোগিতায় বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থা ‘পেইজ ডেভেলপমেন্ট সেন্টার’ এ মেলার আয়োজন করে।

আয়োজক সূত্রে জানা গেছে, রেইজ প্রকল্পের মাধ্যমে কুমিল্লা জেলার শহর ও উপশহর এলাকার প্রান্তিক তরুণ-তরুণীদের দক্ষ ও অভিজ্ঞ কারিগরের অধীনে ‘ওস্তাদ-শিষ্য’ পদ্ধতিতে কারিগরি দক্ষতা প্রদান করা হয়। এই প্রকল্পের শিক্ষানবিশ কার্যক্রমের আওতায় যারা সফলভাবে প্রশিক্ষণ সম্পন্ন করেছেন, তাদের সঙ্গে দেশের শীর্ষস্থানীয় নিয়োগকারী প্রতিষ্ঠানগুলোর একটি সুসংহত সেতুবন্ধন তৈরি করাই ছিল এই মেলার মূল লক্ষ্য।

মেলা উপলক্ষে আয়োজিত উদ্বোধনী অনুষ্ঠান ও আলোচনা সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন- কুমিল্লা জেলা সমাজসেবা কার্যালয়ের উপ-পরিচালক মো. নুরুল ইসলাম পাটওয়ারী।

পেইজ ডেভেলপমেন্ট সেন্টারের নির্বাহী পরিচালক মো. ইউনুছের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন- যুব উন্নয়ন অধিদপ্তরের উপপরিচালক মো. ইসহাক এবং পেইজ ডেভেলপমেন্ট সেন্টারের সভাপতি ডা. এ কে এম আব্দুস সেলিম।

অনুষ্ঠানে আমন্ত্রিত অতিথি হিসেবে আরও উপস্থিত ছিলেন- বিশিষ্ট কবি ও ছড়াকার জহিরুল হক দুলাল, বিশিষ্ট সাহিত্যিক অধ্যাপক শান্তি রঞ্জন ভৌমিক, কুমিল্লা প্রেসক্লাবের সাবেক সভাপতি আবুল হাসনাত বাবুল, বিশিষ্ট ক্রীড়া সংগঠক বদরুল হুদা জেনু, সুজনের কুমিল্লা জেলা সভাপতি শাহ মো. আলমগীর খান এবং বীরচন্দ্র গণপাঠাগার ও নগর মিলনায়তনের সাধারণ সম্পাদক মো. সাজ্জাদুল কবির সাজ্জাদ।

আলোচনা সভায় বক্তারা বলেন, ‘দেশের অর্থনৈতিক সমৃদ্ধি অর্জনে তরুণ সমাজকে দক্ষ জনশক্তিতে রূপান্তর করা জরুরি। প্রথাগত শিক্ষার পাশাপাশি এ ধরনের প্রায়োগিক কারিগরি প্রশিক্ষণ এবং সরাসরি চাকরি মেলার আয়োজন বেকারত্ব দূরীকরণে এক অনন্য দৃষ্টান্ত স্থাপন করবে।’

দিনব্যাপী এ মেলায় চাকরিপ্রত্যাশী তরুণ-তরুণীদের স্বতঃস্ফূর্ত উপস্থিতি ও উপচে পড়া ভিড় লক্ষ্য করা গেছে। এছাড়া মেলা প্রাঙ্গণে বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা, জেলা পর্যায়ের সরকারি কর্মকর্তা, সাংবাদিক এবং স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন।

সমগ্র অনুষ্ঠানটি যৌথভাবে সঞ্চালনা করেন পেইজ ডেভেলপমেন্ট সেন্টারের উপপরিচালক (ক্রেডিট) ও রেইজ প্রকল্পের ফোকাল পারসন চৌধুরী শওকত আহমেদ এবং উপ-পরিচালক (এমআইএস) বিকাশ চন্দ্র সাহা।

জহির শান্ত/রিফাত/

পটুয়াখালীতে সেপটিক ট্যাংকে নেমে ২ শ্রমিকের মৃত্যু

প্রকাশ: ১৭ জুন ২০২৬, ০৩:৪২ পিএম
আপডেট: ১৭ জুন ২০২৬, ০৪:০২ পিএম
পটুয়াখালীতে সেপটিক  ট্যাংকে নেমে ২ শ্রমিকের মৃত্যু
ছবি: খবরের কাগজ

পটুয়াখালী সদর উপজেলার কমলাপুর ইউনিয়নে নতুন নির্মিত একটি সেপটিক ট্যাংকে কাজ করতে গিয়ে দুই শ্রমিকের মৃত্যু হয়েছে।

বুধবার (১৭ জুন) সকালে ইউনিয়নের চৌদ্দবুড়িয়া এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।

মৃতরা হলেন- চৌদ্দবুড়িয়া এলাকার শিকদার বাড়ির আব্দুর রাজ্জাক ফকিরের ছেলে মোহাম্মদ নূহু (২৫) এবং একই এলাকার আশরাফ মোল্লা (৪৫)।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, একটি বাড়ির বাথরুমের জন্য নির্মিত সেপটিক ট্যাংকির ভেতরে কাজ করার সময় প্রথমে নূহু অসুস্থ হয়ে ভেতরে পড়ে যান। পরে তাকে উদ্ধার করতে নামেন আশরাফ মোল্লা। একপর্যায়ে তিনিও ট্যাংকির ভেতরে অচেতন হয়ে পড়েন।

পরে স্থানীয় লোকজন ট্যাংকির অংশ ভেঙে দুজনকে উদ্ধার করে বাইরে নিয়ে আসেন। তবে ততক্ষণে তারা মারা গেছেন বলে জানা যায়।

স্থানীয়দের ধারণা, ট্যাংকিতে জমে থাকা বিষাক্ত গ্যাসে তাদের মৃত্যু হয়ে থাকতে পারে। তবে মৃত্যুর প্রকৃত কারণ তদন্তের পর জানা যাবে।

পটুয়াখালী সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মনিরুজ্জামান ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন।

হাসিবুর রহমান/খাদিজা রুমি/

রংপুরে হিমাগারের ভাড়া বাড়ানোয় মহাসড়ক অবরোধ

প্রকাশ: ১৭ জুন ২০২৬, ০৩:২৮ পিএম
আপডেট: ১৭ জুন ২০২৬, ০৩:৪৭ পিএম
রংপুরে হিমাগারের ভাড়া বাড়ানোয় মহাসড়ক অবরোধ
মহাসড়কে আলু ফেলে দিয়ে বিক্ষোভ প্রদর্শন করেন আলু চাষী ও ব্যবসায়ীরা। ছবি: খবরের কাগজ

রংপুরে হিমাগারের সংরক্ষণ ভাড়া বাড়ানোর প্রতিবাদে ছয়লেনের মহাসড়ক অবরোধ করে মানববন্ধন ও বিক্ষোভ সমাবেশ করেছে আলুচাষি ও ব্যবসায়ীরা।

বুধবার (১৭ জুন) দুপুর ১২টা থেকে নগরীর মর্ডান মোড়ের তুলা গবেষণা ইনস্টিটিউটের সামনে ছয় লেনের রাস্তায় অবরোধ করেন চাষি এবং ব্যবসায়ীরা।

জেলা আলুচাষি ও ব্যবসায়ী সমিতির উদ্যোগে অবরোধ কর্মসূচিতে অংশ নেন পাঁচ শতাধিক চাষী ও ব্যবসায়ী। তারা মহাসড়কে আলু ফেলে বিক্ষোভ প্রদর্শন করেন। এর আগে সড়কের অটো-লেনে তারা মানববন্ধন করেন।

এ সময় তারা অভিযোগ করেন, হিমাগার অ্যাসোসিয়েশন মালিকরা সিন্ডিকেট করে ভাড়া বাড়িয়ে দেওয়ায় তারা বড় লোকসানে পড়েছেন।

অবরোধে একাত্মতা ঘোষণা করেন জেলা বিএনপির সদস্য লিটন পারভেজ, জেলা কৃষকদলের সভাপতি আনোয়ার সাদতের নেতৃত্বে সংগঠনের নেতারা।

অবরোধের কারণে রংপুর বিভাগের সাত জেলার সঙ্গে সারাদেশের সড়ক যোগাযোগ এক ঘণ্টা বন্ধ থাকে।

এ সময় আলু চাষী ও ব্যবসায়ী সমিতির সভাপতি তৈয়বুর রহমান অভিযোগ করেন, ’হিমাগার অ্যাসোসিয়েশন এসি রুমে বসে প্রতি ৬০ কেজি বস্তা আলুর জন্য সংরক্ষণ মূল্য ৪৩০ টাকা করেছে। এতে প্রতি কেজি আলুর সংরক্ষণ মূল্য পড়ছে প্রায় সাত টাকা। ফলে এক কেজি আলুর উৎপাদন খরচ দাড়াচ্ছে ২৪ টাকার উপরে। কিন্তু বাজারে পাওয়া যাচ্ছে ১৬ থেকে ১৭ টাকায়।’

তৌহিদ তৈয়বুর রহমানের অভিযোগ, ‘হিমাগার অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি মোস্তফা আজাদ চৌধুরী বাবুর পরামর্শই এসব করা হচ্ছে। তিনি ১০টিরও বেশি কোল্ড স্টোরেজের মালিক হওয়ায় পুরো অ্যাসোসিয়েশনকে সিন্ডিকেট করে রেখেছেন। সে কারণেই রংপুর বিভাগের কোল্ড স্টোরেজগুলোতে প্রতিবছর প্রতি বস্তায় ১০০ টাকারও বেশি বাড়ানো হচ্ছে। অথচ মুন্সীগঞ্জে একই পরিমাণ আলুর ভাড়া ২৮০ টাকা। তাহলে রংপুরে কেন ৪৩০ টাকা হবে। দূরের সিন্ডিকেটের কারণে এই পরিস্থিতি বলেও অভিযোগ করেন তিনি।’

অভিযোগের বিষয়ে বাংলাদেশ হিমাগার অ্যাসোসিয়েশন মালিক সমিতির সভাপতি মোস্তফা আজাদ চৌধুরী বলেন, ’কৃষি মন্ত্রণালয়ের বেঁধে দেওয়া প্রতি কেজি ৬ টাকা ৭৫ পয়সা বদলে আমরা ৬ টাকা ৩২ পয়সা করে সংরক্ষণমূল্য নিচ্ছি। এখানে কোনো সিন্ডিকেট নেই। আমরা সরকারের কাছে বিদ্যুতের মূল্য বৃদ্ধির বিষয়ে উপস্থাপন করে ভাড়া বাড়ানোর দাবি করেছি। যারা এসব আন্দোলন করছে, মব তৈরির চেষ্টা করছে, তাদেরকে আইনের আওতায় আনা উচিত।’

এ ছাড়াও যদি কেউ সরকার নির্ধারিত ৬ টাকা ৭৫ পয়সা কেজির বেশি নেয় সেই হিমাগার মালিকদেরকেও আইনের আওতায় আনার দাবি জানিয়েছেন তিনি।

তাজহাট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আতাউর রহমান জানান, ’আলুচাষি ও ব্যবসায়ীরা কোল্ড স্টোরেজদের মূল্য কমানোর দাবিতে অবরোধ করেছিলেন। বেলা ১টায় তারা অবরোধ স্থগিত করেন। দেড়টার মধ্যে আমরা মহাসড়কে যানবাহন চলাচল স্বাভাবিক করি।’
 
সেলিম সরকার/আজহার 

ওয়াহিদুল হত্যার আসামিদের ফাঁসির দাবিতে উত্তাল আদালত চত্বর

প্রকাশ: ১৭ জুন ২০২৬, ০২:৪৪ পিএম
আপডেট: ১৭ জুন ২০২৬, ০৩:০৯ পিএম
ওয়াহিদুল হত্যার আসামিদের ফাঁসির দাবিতে উত্তাল আদালত চত্বর
ছবি: খবরের কাগজ

পেকুয়ার মাতামুহুরী উপজেলায় সাত বছরের শিশু ওয়াহিদুল ইসলামকে বলাৎকারের পর হত্যার সঙ্গে জড়িতদের ফাঁসির দাবিতে উত্তাল হয়ে উঠেছে চকরিয়ার আদালত চত্বর। 

বুধবার (১৭ জুন) দুপুরে আসামিদের আদালতে হাজির করার খবর পেয়ে বিক্ষুব্ধ জনতা ও ওয়াহিদুল ইসলামের সহপাঠীরা আদালত প্রাঙ্গণে জড়ো হয়।
​এ সময় মানববন্ধন ও বিক্ষোভ হয়।

​মানববন্ধনে অংশ নেওয়া মোহাম্মদ মিজান খবরের কাগজকে বলেন, সাত বছরের অবুঝ শিশুকে যেভাবে বলাৎকার ও শ্বাসরোধ করে হত্যা করা হয়েছে, তা কোনো সুস্থ মানুষ করতে পারে না। আমরা এই খুনিদের সর্বোচ্চ শাস্তি ফাঁসি চাই। 

গত ১৪ জুন বিকেলে নানার বাড়ি যাওয়ার পথে নিখোঁজ হয় পূর্ব বড়ভেওলা ইউনিয়নের মাইজপাড়া গ্রামের ইজিবাইকচালক তৌহিদুল ইসলাম লিটনের ছেলে ওয়াহিদুল ইসলাম। নিখোঁজের দুই দিন পর মঙ্গলবার সকালে ফজুমিয়াজিরচর এলাকার একটি খাল থেকে তার হাত-পা বাঁধা ও রক্তাক্ত মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ।

পরিবারের অভিযোগ, শিশুটিকে বলাৎকারের পর হত্যা করে খালে ফেলে দেওয়া হয়েছে।

এ ঘটনায় স্থানীয়রা মঙ্গলবার তিনজনকে গণধোলাই দিয়ে পুলিশে সোপর্দ করে। সেখান থেকে একজন স্বীকার করে তারা ওয়াহিদকে বলাৎকার করে তারপর মেরে ফেলে। আজ আসামিদের আদালতে তোলা হয়।

জনরোষ এড়াতে এবং পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে আদালত চত্বরে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়।

​চকরিয়া থানা ও আদালত সূত্রে জানা গেছে, আদালতে আসামিদের রিমান্ডের আবেদন করা হয়েছে। 

রকিবুল হাসান/থিওটোনিয়াস

ভারতে ৩ বছর কারাভোগ শেষে দেশে ফিরলেন ৬ নারী

প্রকাশ: ১৭ জুন ২০২৬, ০২:২৯ পিএম
আপডেট: ১৭ জুন ২০২৬, ০২:৩০ পিএম
ভারতে ৩ বছর কারাভোগ শেষে দেশে ফিরলেন ৬ নারী
ছবি: খবরের কাগজ

ভারতে তিন বছর কারাভোগ শেষে বিশেষ ট্রাভেল পারমিটের মাধ্যমে দেশে ফিরেছেন ৬ বাংলাদেশি নারী। 

বুধবার (১৭ জুন) সকাল ১১টার দিকে ভারতীয় পেট্রাপোল ইমিগ্রেশন পুলিশ তাদের বেনাপোল ইমিগ্রেশন পুলিশের কাছে হস্তান্তর করে।

ফিরে আসা নারীরা হলেন- নুসরাত মণ্ডল, ফাতেমা জিন্নাত, মিম আক্তার, সাদিয়া আক্তার, রিপা খাতুন ও আরোহী মণ্ডল। তারা যশোর, ব্রাহ্মণবাড়িয়া, ঢাকা, মাদারীপুর, টাঙ্গাইল ও চাঁদপুর জেলার বাসিন্দা।

ফিরে আসা ফাতেমা জিন্নাত বলেন, ‘ভালো কাজের আশায় দালালের মাধ্যমে তারা ২০২৩ সালে সীমান্তপথে অবৈধভাবে ভারতের হায়দরাবাদে যান। সেখানে বাসাবাড়ি ও বিউটি পার্লারে কাজ করার সময় দেশটির পুলিশের হাতে আটক হন তারা। পুলিশ তাদের আটক করে আদালতে পাঠায়। অবৈধ অনুপ্রবেশের অভিযোগে আদালত তাদের তিন বছরের সাজা দিয়ে কারাগারে পাঠায়। কারাভোগ শেষে ভারতের একটি মানবাধিকার সংস্থা তাদের দায়িত্ব নিয়ে একটি শেল্টার হোমে রাখে। পরে উভয় দেশের দূতাবাসের সহযোগিতা এবং ভারত সরকারের দেওয়া বিশেষ ট্রাভেল পারমিটের মাধ্যমে তারা বুধবার সকাল ১১টায় দেশে ফেরেন।’

বেনাপোল ইমিগ্রেশন পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সৈয়দ মুর্তজা আলী জানান, ভারতফেরত ৬ নারীকে ইমিগ্রেশনের আনুষ্ঠানিকতা শেষে বেনাপোল পোর্ট থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে। সেখান থেকে ‘জাস্টিস অ্যান্ড কেয়ার’ নামের একটি মানবাধিকার সংস্থা তাদের গ্রহণ করে পরিবারের কাছে পৌঁছে দেয়।

জাস্টিস অ্যান্ড কেয়ারের সিনিয়র প্রোগ্রাম অফিসার মুহিত হোসেন বলেন, ‘ফেরত আসা নারীদের বেনাপোল পোর্ট থানা থেকে গ্রহণ করে তাদের নিজ নিজ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।’

নজরুল ইসলাম/রিফাত/