ঢাকা ২৮ আষাঢ় ১৪৩১, শুক্রবার, ১২ জুলাই ২০২৪

রাজধানীতে জাল মুদ্রা তৈরি চক্রের ৪ জন গ্রেপ্তার

প্রকাশ: ০৮ জুন ২০২৪, ০৮:৪২ পিএম
আপডেট: ০৮ জুন ২০২৪, ০৮:৪২ পিএম
রাজধানীতে জাল মুদ্রা তৈরি চক্রের ৪ জন গ্রেপ্তার
ছবি : সংগৃহীত

রাজধানীতে তিন নারীসহ জাল টাকা ও রুপি তৈরি চক্রের চারজনকে গ্রেপ্তার করেছে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশের (ডিবি) লালবাগ বিভাগ।

শনিবার (৮ জুন) সকালে যাত্রাবাড়ীর কদমতলী এলাকা থেকে মূল হোতা জাকিরসহ তাদের গ্রেপ্তার করা হয়। 

ওই সময় তাদের কাছ থেকে বিপুল পরিমাণ ২০০, ৫০০, ১০০০ টাকার এবং ৫০০ রুপির ভারতীয় জাল নোট জব্দ করা হয়। এ ছাড়া জাল টাকা তৈরির বিভিন্ন সরঞ্জাম জব্দ করা হয়। গ্রেপ্তাররা হলেন লিয়াকত হোসেন জাকির (৪০), তার দ্বিতীয় স্ত্রী মমতাজ বেগম (২৫), লিমা আক্তার রিনা (৪০) ও সাজেদা আক্তার (২৮)।

শনিবার দুপুরে অভিযান শেষে সাংবাদিকদের এ তথ্য জানান ডিবির লালবাগ বিভাগের উপ-পুলিশ কমিশনার (ডিসি) (অ্যাডিশনাল ডিআইজি চলতি দায়িত্ব) মশিউর রহমান। 

ডিবি বলছে, জাকির ২২ এমএম কাগজ, সাধারণ কালার ও প্রিন্টার দিয়ে দীর্ঘদিন ধরে জাল টাকা ও ভারতীয় মুদ্রা তৈরি করে আসছিল। বাগেরহাটের কচুয়ার প্রত্যন্ত এলাকায় বসে জাল টাকা তৈরি করত জাকির। এরপর ১৫ থেকে ২০ জন এজেন্টের মাধ্যমে সে এসব মুদ্রা রাজধানীসহ দেশের বিভিন্ন এলাকায় ছড়িয়ে দিত। ঈদ সামনে রেখে চক্রটি বিপুল পরিমাণ জাল টাকা বাজারে ছাড়ার প্রস্তুতি নিচ্ছিল। 

ডিবি পুলিশের কর্মকর্তা মশিউর রহমান বলেন, গত রোজার ঈদের আগে জাকিরের তৈরি করা জাল টাকার দুই পাইকারি ক্রেতাকে গ্রেপ্তার করা হয়। তাদের কাছ থেকে পাওয়া তথ্যের সূত্র ধরে বসুন্ধরা এলাকার এক নারীকে গ্রেপ্তার করা হয়। এই নারী মাদকের একটি মামলায় কারাগারে গিয়ে এই চক্রের সঙ্গে জড়িত হয়। এরপর জামিনে এসে জাল টাকার কারবার শুরু করে। ঈদ সামনে রেখে ওই নারী বিপুল পরিমাণ জাল টাকা কেনার জন্য এসেছিল। তার সূত্র ধরে জাকিরকে গ্রেপ্তার করা হয়। ওই সময় বিপুল পরিমাণ জাল টাকা ও মুদ্রা তৈরির মেশিন জব্দ করা হয়। এই চক্রটি সাধারণত ১ হাজার ও ৫০০ টাকা তৈরি করলেও বর্তমানে তারা ২০০ টাকার জাল নোট তৈরি করছে, যা অত্যন্ত বিপজ্জনক। 

জাল টাকা প্রতিরোধে বাংলাদেশ ব্যাংককে আরও আন্তরিক হওয়ার তাগিদ দিয়ে মশিউর রহমান বলেন, সারা বছর গোয়েন্দা কার্যক্রম চালাতে হয়। নানা ধরনের কার্যক্রম পরিচালনা করা প্রয়োজন। কারণ এই চক্রগুলো সারা বছরই জাল টাকা তৈরি করে। কয়েক দিন আগে এক নারীই ৫০ লাখ টাকা নিয়েছে। ফলে বোঝাই যাচ্ছে তারা কী পরিমাণ জাল নোট বাজারে ছাড়ছে। এই চক্রের ১৫ থেকে ২০ জন এজেন্ট রয়েছে।

তিনি বলেন, জাল টাকার মামলার বিচারের জন্য ‘দ্রুত বিচার আদালত’ নেই। ফলে দীর্ঘ সময় ধরে বিচারকাজ চলায় তারা কারাগার থেকে জামিনে এসে আবারও একই কাজে জড়িয়ে যায়। জাকির ডিএমপিসহ দেশের বিভিন্ন থানায় অন্তত ছয়বার গ্রেপ্তার হয়েছে। তার পরও সে একই কাজ চালিয়ে আসছিল।

ভারতীয় সিনেমা দেখে ব্যারিস্টার সুমনকে হত্যার হুমকি

প্রকাশ: ১০ জুলাই ২০২৪, ০৯:৩১ পিএম
আপডেট: ১১ জুলাই ২০২৪, ০৯:০৭ এএম
ভারতীয় সিনেমা দেখে ব্যারিস্টার সুমনকে হত্যার হুমকি
হবিগঞ্জ-৪ আসনের সংসদ সদস্য ব্যারিস্টার সৈয়দ সায়েদুল হক সুমন

ভারতীয় সিনেমা দেখে টাকা হাতিয়ে নেওয়ার উদ্দেশ্যে ব্যারিস্টার সৈয়দ সায়েদুল হক সুমনকে হত্যার হুমকির নাটক সাজানো হয়েছিল। সোহাগ মিয়া নামে এক যুবক এমন নাটক সাজান। পুলিশের হাতে গ্রেপ্তারের পর বিষয়টি স্বীকার করেছেন তিনি। 

বুধবার (১০ জুলাই) বিকেলে হবিগঞ্জের পুলিশ সুপার আক্তার হোসেন প্রেস ব্রিফিংয়ে এ তথ্য জানান।

পুলিশ সুপার জানান, গত ২৮ জুন হবিগঞ্জ-৪ আসনের সংসদ সদস্য ব্যারিস্টার সৈয়দ সায়েদুল হক সুমনকে হত্যা করতে একটি গ্রুপ মাঠে রয়েছে বলে চুনারুঘাট থানার ওসিকে জানায় অজ্ঞাত এক যুবক। এ ঘটনায় ওই দিন রাতেই ব্যারিস্টার সুমন থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি করেন। এরপর প্রযুক্তির সহায়তা নিয়ে মাঠে নামে পুলিশ। পরে গতকাল মঙ্গলবার দুপুরে সিলেট মেট্রোপলিটন এলাকা থেকে হুমকিদাতা সোহাগ মিয়াকে (২৭) গ্রেপ্তার করে পুলিশ। তিনি মৌলভীবাজারের কুলাউড়া উপজেলার মোবারকপুর গ্রামের বাসিন্দা।

আক্তার হোসেন আরও জানান, পুলিশের কাছে ওই যুবক স্বীকারোক্তি দিয়েছেন। তিনি ভারতীয় একটি সিনেমায় দেখেছিলেন হত্যার হুমকি দিয়ে টাকা হাতিয়ে নেওয়ার ঘটনা। এরপর ব্যারিস্টার সুমনকে হুমকি দেওয়ার পরিকল্পনা করেন। কিন্তু ব্যারিস্টার সুমন বা তার পিএসের মোবাইল নম্বর না পেয়ে থানার ওসির মাধ্যমে হুমকি দিয়েছেন। তার ধারণা ছিল, এতে ব্যারিস্টার সুমন ভয় পেয়ে প্রাণ রক্ষার জন্য তাকে টাকা দেবেন। ব্যারিস্টার সুমন কয়েকটি ফেসবুক লাইভে তার জীবনের ঝুঁকি আছে বলে জানিয়েছিলেন। আর এই সুযোগটাই কাজে লাগাতে চেয়েছিলেন হুমকিদাতা।

এসপি বলেন, ‘ওই যুবক একাই এই পরিকল্পনা করেছিলেন। তার সঙ্গে আর কেউ জড়িত নন। তাকে রিমান্ডে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করা হবে।’

মামুনকে হত্যার পর জানাজায় অংশ নেয় বন্ধু শাহেদ

প্রকাশ: ১০ জুলাই ২০২৪, ০৩:৪২ পিএম
আপডেট: ১০ জুলাই ২০২৪, ০৩:৫৬ পিএম
মামুনকে হত্যার পর জানাজায় অংশ নেয় বন্ধু শাহেদ
আব্দুল্লাহ আল মামুন ও শাহেদ

কক্সবাজার সদরে কালীরছড়া এলাকায় ঈদগাঁও মাঠে নিয়ে শ্বাসরোধ করে বন্ধু আব্দুল্লাহ আল মামুনকে হত্যার পর তার জানাজায় অংশ নেয় শাহেদ।

বুধবার (১০ জুলাই) দুপুরে তাকে গ্রেপ্তারের পর এসব তথ্য জানান র্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটলিয়ন (র্যাব)-১৫এর উপ-অধিনায়ক মো. শরীফ আহসান। 

তিনি জানান, এক তরুণীর সঙ্গে প্রেমের সম্পর্ক হয় আব্দুল্লাহ আল মামুনের। বন্ধু মামুনের প্রেমিকার সঙ্গে পরিচয় হয় শাহেদের। সেই পরিচয়ের পর বন্ধু মামুনের অজান্তে তার প্রেমিকার সঙ্গে গোপনে গোপনে কথা হয় শাহেদের। এরপর মামুনকে বাদ দিয়ে শাহেদের প্রেমে পরে তরুণী। শাহেদ তরুণীর সঙ্গে অন্তরঙ্গ ছবি ও ভিডিও মামুনের মোবাইল ফোনে শেয়ার করে। এতে তরুণী ক্ষিপ্ত হয়ে শাহেদের সঙ্গেও সম্পর্ক ছিন্ন করে। এতে শাহেদ ক্ষিপ্ত হয়ে মামুনকে হত্যার পরিকল্পনা করে।

পরিকল্পনা অনুযায়ী, চকরিয়া থেকে এক লাখ টাকায় সন্ত্রাসী ভাড়া করেন শাহেদ। রবিবার রাতে সদরের খরুলিয়ার বাসা থেকে ডেকে মোটরসাইকেলে মামুনকে সঙ্গে নিয়ে ঈদগাঁও মাঠের দিকে রওনা দেয় শাহেদ। সেখানে আগে থেকে প্রস্তুত ভাড়াটিয়া সন্ত্রাসীরা মোটরসাইকেল থামিয়ে মামুনকে শ্বাসরোধ করে হত্যা করে। তারপর রামুর রশিদ নগর এলাকায় রেললাইনের পাশে লাশ ফেলে তার মোবাইলটি নিয়ে চলে যায় শাহেদ।

তিনি আরও জানান, পরে মামুনের জানাজায় অংশ নেয় শাহেদ। এ ছাড়াও প্রশাসনকে নানা তথ্য দিয়ে সহযোগিতা করে। কিন্তু মামুনের আচরণ সন্দেহজনক হলে জিজ্ঞাসাবাদের এক পর্যায়ে সে মামুনকে হত্যার বর্ণনা দেয়।

পরে সোমবার (৮ জুলাই) হাত-পা বাঁধা অবস্থায় মামুনের লাশ উদ্ধার করে পুলিশ।

মুহিববুল্লাহ মুহিব/জোবাইদা/অমিয়/

কিডনি পাচারে যুক্ত ভারতীয় চিকিৎসক গ্রেপ্তার

প্রকাশ: ১০ জুলাই ২০২৪, ০১:৩৩ পিএম
আপডেট: ১০ জুলাই ২০২৪, ০১:৩৩ পিএম
কিডনি পাচারে যুক্ত ভারতীয় চিকিৎসক গ্রেপ্তার

বাংলাদেশি রোগীদের ভারতে নিয়ে অবৈধভাবে কিডনি প্রতিস্থাপন ও পাচারের সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগে ভারতের দিল্লিতে ভারতীয় এক চিকিৎসককে গ্রেপ্তার করেছে দিল্লি পুলিশ। তিনি নয়াদিল্লির ইন্দ্রপ্রস্থ অ্যাপোলো হাসপাতালের জ্যেষ্ঠ উপদেষ্টা বিজয়া কুমারি। ভারতের বিভিন্ন গণমাধ্যমে এ তথ্য প্রকাশ পেয়েছে।

ওই তথ্য অনুসারে দিল্লি-সংলগ্ন নয়ডা শহরে ‘যথার্থ’ নামের একটি হাসপাতালে অপারেশনের নামে অন্তত ১৫ থেকে ১৬ জনের অস্ত্রপচার করে কিডনি অপসারণ করা হয়েছে। যাদের কিডনি নেওয়া হয়েছে তারা বেশির ভাগই বাংলাদেশের নাগরিক। ২০২১ থেকে ২০২৩ সালের বিভিন্ন সময়ের এ কাণ্ড ঘটেছে।

স্থানীয় পুলিশের বরাত দিয়ে ভারতীয় গণমাধ্যম জানিয়েছে, ডা. বিজয়া কুমারির চক্রের আওতায় বাংলাদেশ ও ভারতের দালালদের মাধ্যমে গরিব বাংলাদেশিদের টাকার লোভ দেখিয়ে ভারতে নিয়ে যেত।

সূত্র জানায়, বাংলাদেশ ও ভারতেও টাকার বিনিময়ে অঙ্গ-প্রত্যঙ্গ বিক্রি নিষিদ্ধ এবং শাস্তিযোগ্য অপরাধ। চক্রটি দিল্লিতে বাংলাদেশ হাইকমিশনে বিভিন্ন ভুয়া নথি প্রদান করত, যা জব্দ করেছে পুলিশ।

রাজধানীতে বিদেশি পিস্তলসহ গ্রেপ্তার ২

প্রকাশ: ০৯ জুলাই ২০২৪, ১০:৩৬ পিএম
আপডেট: ০৯ জুলাই ২০২৪, ১০:৩৬ পিএম
রাজধানীতে বিদেশি পিস্তলসহ গ্রেপ্তার ২
ছবি : সংগৃহীত

রাজধানীর কল্যাণপুর থেকে দুটি বিদেশি পিস্তলসহ দুজনকে গ্রেপ্তার করেছে ডিএমপির দারুস সালাম থানা-পুলিশ। গ্রেপ্তার ব্যক্তিরা হলেন মো. ওয়াকার পারভেজ ওরফে জীবন ও মো. হাবিবুর রহমান।

মঙ্গলবার (৯ জুলাই) দারুস সালাম থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. সিদ্দিকুর রহমান এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

তিনি জানান, গতকাল সোমবার রাত ৪টার দিকে শ্যামলী থেকে কল্যাণপুর আসার পথে কল্যাণপুর বাসস্ট্যান্ডের ফুট ওভারব্রিজসংলগ্ন হানিফ পরিবহন বাস কাউন্টারের সামনে দুজন ব্যক্তির চালচলনে সন্দেহ হলে তাদের থামার নির্দেশ দেওয়া হয়। কিন্তু তারা না থেমে পালানোর চেষ্টা করে। এ সময় তাদের আটক করা হয়।

আটকের পর ওয়াকার পারভেজ ওরফে জীবনের শরীর তল্লাশি করে তার কোমরে থাকা দুই রাউন্ড গুলিভর্তি একটি বিদেশি পিস্তল ও হাবিবুর রহমানের শরীর তল্লাশি করে পাঁচ রাউন্ড গুলিভর্তি একটি বিদেশি পিস্তল জব্দ করা হয়। এ সময় তাদের কাছ থেকে তিনটি মুঠোফোন জব্দ করা হয়।

বিদেশি এই পিস্তলের উৎস সম্পর্কে পুলিশ কর্মকর্তা বলেন, ‘গ্রেপ্তার দুজন কুষ্টিয়া থেকে এ পিস্তল দুটি ঢাকায় নিয়ে এসেছে বলে প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে স্বীকার করেছে। তাদের বিরুদ্ধে ডিএমপির দারুস সালাম থানায় অস্ত্র আইনে মামলা হয়েছে। তাদের বিস্তারিত জিজ্ঞাসাবাদের জন্য রিমান্ডের আবেদন করে আদালতে পাঠিয়েছে পুলিশ।’

খুলনায় যুবলীগ নেতাকে কুপিয়ে হত্যা

প্রকাশ: ০৯ জুলাই ২০২৪, ১০:০১ এএম
আপডেট: ০৯ জুলাই ২০২৪, ১০:২০ এএম
খুলনায় যুবলীগ নেতাকে কুপিয়ে হত্যা
নিহত যুবলীগ নেতা আল আমিন

খুলনার ডুমুরিয়ায় ইউপি চেয়ারম্যান রবিউল ইসলাম হত্যার রেশ না কাটতেই এবার মহানগরীর বানিয়াখামার এলাকায় যুবলীগ নেতা মো. আল আমিনকে (৪৫) কুপিয়ে হত্যা করেছে দুর্বৃত্তরা।

সোমবার (৮ জুলাই) রাত ১০টার দিকে পূর্ব বানিয়াখামার লোহার গেট এলাকায় তাকে কুপিয়ে জখম করা হয়।

দুর্বৃত্তরা তার ডান ও বাম পায়ের হাঁটু, বাম হাতের আঙুলসহ বিভিন্ন স্থানে কুপিয়ে রক্তাক্ত জখম করে। 

তিনি ২৭নং ওয়ার্ড যুবলীগের সাবেক যুগ্ম সম্পাদক ও ওই এলাকার বাসিন্দা মো. জাহাঙ্গীর শেখের ছেলে।

গুরুতর আহত অবস্থায় স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।

খুলনা সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. কামাল হোসেন খান বলেন, পূর্বশত্রুতার জের ধরে এই ঘটনা ঘটতে পারে। নিহত আল আমিনের বিরুদ্ধে খুলনা থানায় হত্যাসহ ১০টি মামলা রয়েছে। হত্যাকাণ্ডে জড়িতদের গ্রেপ্তারে অভিযান শুরু হয়েছে।

এর আগে শনিবার রাত ১০টার দিকে খুলনা-সাতক্ষীরা সড়কের গুটুদিয়া এলাকায় ইউপি চেয়ারম্যান রবিউল ইসলামকে গুলি করে হত্যা করা হয়।

মাকসুদ রহমান/ইসরাত চৈতী/অমিয়/