র্যাবের বিশেষ অভিযানে রাজধানীর হাজারীবাগ থানা এলাকা থেকে মো. রবিউল ইসলাম (৩২) ও শরিফুল ইসলাম শান্ত (২২) নামে দুজনকে বিপুল পরিমাণ অস্ত্র ও ওয়াকিটকিসহ গ্রেপ্তার করেছে র্যাব-২।
সোমবার (২৯ সেপ্টেম্বর) রাতে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে তাদেরকে গ্রেপ্তার করা হয়।
অভিযানে উদ্ধার করা আলামতসমূহ
১। ১টি শর্টগান।
২। ২টি এয়ারগান।
৩। ২টি বিদেশি পিস্তল।
৪। ৪টি পিস্তল ম্যাগাজিন।
৫। ২০টি খালি খোসা।
৬। ১৮০টি ইয়ার বল।
৭। ২৫০টি ইয়ার প্লেট।
৮। ০১টি ক্লিনিং কীটসহ ব্যাগ।
৯। ২টি ওয়াকি-টকি সেট।
১০। ১টি চাপাতি।
১১। ১টি সামুরাই।
১২। ২টি অ্যান্ড্রয়েড মোবাইল।
গোপন সংবাদের ভিত্তিতে র্যাব-২ জানতে পারে যে, রাজধানীর হাজারীবাগ থানাধীন বারৈইখালী বাজার এলাকায় একটি বাড়িতে কতিপয় দুষ্কৃতিকারী অবৈধ মাদকদ্রব্য ও অস্ত্রসহ অবস্থান করে সন্ত্রাসী কার্যক্রমের পরিকল্পনা করছে। এই সংবাদের ভিত্তিতে র্যাব-২ হাজারীবাগ থানাধীন বারৈইখালী বাজার এলাকায়
সোমবার রাতে একটি অভিযান পরিচালনা করে। অভিযান পরিচালনাকালে উক্ত স্থান থেকে মো. রবিউল ইসলাম ও শরিফুল ইসলাম শান্তকে গ্রেপ্তার করে।
জিজ্ঞাসাবাদ করে তাদের দেখানো বাড়ির ৫ম তলার উত্তর পাশের ফ্ল্যাটের পশ্চিম পাশের রুমের তোষকের নিচ থেকে উপর্যুক্ত অস্ত্রসমুহ উদ্ধারপূর্বক জব্দ করা হয়।
প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে গ্রেপ্তার আসামিরা জানায় যে, তারা রাজধানীর বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ এলাকায় সন্ত্রাসী কার্যক্রমের পরিকল্পনা করে আসছিল এবং তারা কাজী সরোয়ার হোসেন, আন্তর্জাতিক বিষয়ক সম্পাদক, কেন্দ্রীয় যুবলীগ-এর নেতৃত্বে রাজধানীর মোহাম্মদপুর, আদাবর, হাজারীবাগ এলাকায় বিশৃঙ্খলা সৃষ্টির চেষ্টা করছিল।
উল্লেখ্য, আসামি রবিউল ইসলা্মের বিরুদ্ধে খুলনা সদর থানা ও রাজধানীর কাফরুল থানায় দুটি মাদক মামলা রয়েছে। প্রাপ্ত তথ্য যাচাই বাছাই করে আসামিদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে এবং ভবিষ্যতে র্যাব-২ এর এরকম অভিযান অব্যাহত থাকবে।
“বাংলাদেশ আমার অহংকার” এই স্লোগান নিয়ে র্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র্যাব) প্রতিষ্ঠালগ্ন থেকে বিভিন্ন অপরাধীদের গ্রেপ্তারের ক্ষেত্রে জোরালো ভূমিকা পালন করে আসছে। র্যাবের শুরু থেকে বিপুল পরিমাণ অবৈধ অস্ত্র, গোলাবারুদ উদ্ধার, চাঁদাবাজ, সন্ত্রাস, খুনি, ছিনতাইকারী, অপহরণকারী প্রতারকদের গ্রেপ্তার করে সাধারণ জনগণের মনে আস্থা অর্জন করতে সক্ষম হয়েছে। এ ছাড়াও মাদকের ভয়াল বিস্তার রোধে র্যাবের নিয়মিত আভিযানিক কার্যক্রমের মাধ্যমে মাদকের চোরাচালান, চোরাকারবারী, চোরাচালানের রুট, মাদক স্পট চিহ্নিত করে তাদের গ্রেপ্তারসহ আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।
আসিফ/নাঈম/