ঢাকা ১ আষাঢ় ১৪৩৩, সোমবার, ১৫ জুন ২০২৬

সর্বশেষ
মার্কিন-ইরান যুদ্ধের আবহে ফিফা বিশ্বকাপ কম আনন্দময়: ইরান অধিনায়ক আষাঢ়ের গর্জনে নবযাত্রার ডাক রবীন্দ্র সরোবরে উদীচীর বর্ষা উৎসব ঢাকা-ময়সনসিংহ রুটে ট্রেন চলাচল বন্ধ তামাক ও নিকোটিনের প্রলোভন থেকে প্রজন্মকে বাঁচাতে হবে: স্বাস্থ্যমন্ত্রী হাম উপসর্গে ময়মনসিংহ মেডিকেলে আরও ২৮ শিশু ভর্তি জুলাই গণঅভ্যুত্থানে রামপুরায় ২ জনকে হত্যা মামলার রায় ২৮ জুন নিউইয়র্ক সফরে যাচ্ছেন পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী বাস্তবসম্মত সিদ্ধান্ত নিতে হবে ইরান-যুক্তরাষ্ট্রের যুদ্ধবিরতি চুক্তিকে স্বাগত জানালেন ইসিবি প্রেসিডেন্ট ইউক্রেনে ভয়াবহ বিমান হামলা রাশিয়ার, নিহত ৯ দিল্লিতে রাষ্ট্রীয় সফর বাতিল করে দেশে ফিরলেন ডা. জাহেদ ব্রাজিলে দুই হেলিকপ্টারের মুখোমুখি সংঘর্ষ, নিহত ৬ যে ১১ প্রতিষ্ঠানে দান করলে মিলবে আয়করে ছাড় রয়্যাল বেঙ্গল টাইগার পাঠ থেকে ৩টি অনুশীলনীর প্রশ্ন ও উত্তর, ৩য় পর্ব, পঞ্চম শ্রেণির বাংলা রাউজানে মাসুদ হত্যাকাণ্ডের এখনো মামলা হয়নি কর্মী ছাঁটাইয়ের প্রস্তুতি নিচ্ছে বিবিসি ট্রাম্পের ইরান চুক্তি ২০১৫ সালের চুক্তির চেয়ে ভালো হবে না: ওবামা গ্রামীণ বিশ্ববিদ্যালয়ে ৩ পদে চাকরির সুযোগ সুইডিশদের ‘সুইট’ শুরু, সভানবার্গের কীর্তি কালুখালীতে যুবকের হাত-পা বাঁধা অগ্নিদগ্ধ মরদেহ উদ্ধার দিল্লিতে তীব্র দাবদাহ, চরম দুর্ভোগে মানুষ ইকুয়েডরের বিপক্ষে আইভরি কোস্টের কষ্টার্জিত জয় গণপরিবহনে বাধ্যতামূলক চালু হচ্ছে জিপিএস পাকিস্তানের মার্কিন-ইরান চুক্তির খরবে কমল তেলের দাম নেতানিয়াহু ‘অত্যন্ত কঠিন লোক’, বললেন ট্রাম্প রৌমারী সীমান্তে পুশইনের শিকার ৯ জন ২৮ ঘণ্টা ধরে শূন্যরেখায় ইংল্যান্ডের তুরুপের তাস বেলিংহাম: হেন্ডারসন এইচএসসি ও আলিম পরীক্ষার চূড়ান্ত কেন্দ্র তালিকা প্রকাশ ঢাকা-বরিশাল মহাসড়কে দুই ট্রাকের মুখোমুখি সংঘর্ষ, নিহত ১ সংসদে বড় দায়িত্ব পেলেন আন্দালিব রহমান পার্থ
Nagad desktop

নারীঘটিত কারণে কনটেন্ট ক্রিয়েটর রাকিবকে হত্যা, গ্রেপ্তার ৩

প্রকাশ: ১৭ মার্চ ২০২৬, ১০:৩৬ এএম
আপডেট: ১৭ মার্চ ২০২৬, ১০:৪১ এএম
নারীঘটিত কারণে কনটেন্ট ক্রিয়েটর রাকিবকে হত্যা, গ্রেপ্তার ৩
নিহত রাকিব। ছবি: সংগৃহীত

নারীঘটিত কারণে কনটেন্ট ক্রিয়েটর রাকিব ইসলামকে (২১) কুপিয়ে ও গুলি করে হত্যা করা হয়েছে বলে প্রাথমিক তথ্য পেয়েছেন তদন্তসংশ্লিষ্টরা। এ ঘটনায় জড়িত থাকার অভিযোগে তিনজনকে গ্রেপ্তার করেছে শাহবাগ থানার পুলিশ। 

তদন্তসংশ্লিষ্টরা বলেছেন, রাকিবকে হত্যার ঘটনায় হামলাকারী এক যুবককে আটক করে পুলিশে সোপর্দ করে সাধারণ জনতা। পরে ওই যুবকের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে অভিযুক্ত আরও দুজনকে গ্রেপ্তার করা হয়। এ ছাড়া হামলার সঙ্গে সরাসরি জড়িত আরও দুজনকে শনাক্তের পর গোয়েন্দা নজরদারিতে রাখা হয়েছে। যেকোনো সময় তাদের গ্রেপ্তার করা হতে পারে। 

বিরোধের বিষয়ে তদন্তসংশ্লিষ্টরা বলেছেন, একাধিক প্রেমের সম্পর্ক ও হামলাকারীদের একজনের স্ত্রীকে নিজের স্ত্রী বানানোর চ্যালেঞ্জ করার ক্ষোভ থেকে হত্যার পরিকল্পনা সাজানো হয় বলে জানা যায়। তবে নিহতের স্বজনদের দাবি, অন্য একজন কনটেন্ট ক্রিয়েটরের মাদক কারবারের কথা জেনে যাওয়ায় পরিকল্পিতভাবে রাকিবকে হত্যা করা হয়েছে। 

গতকাল সোমবার এ বিষয়ে ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) রমনা বিভাগের উপকমিশনার (ডিসি) মাসুদ আলম বলেন, পরে গ্রেপ্তার করা দুজনকে জিজ্ঞাসাবাদ চলছে। প্রাথমিকভাবে মনে হচ্ছে, এ হত্যাকাণ্ডের পেছনে নারীঘটিত কোনো বিষয় রয়েছে। জিজ্ঞাসাবাদ শেষে বিস্তারিত জানা যাবে। 

এদিকে হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় গতকাল রাকিবের বাবা তরিকুল ইসলাম খোকন বাদী হয়ে শাহবাগ থানায় একটি মামলা করেছেন।
ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতাল সূত্রে জানা যায়, রাকিবের শরীরের বিভিন্ন জায়গায় অন্তত ১০টি ধারালো অস্ত্রের আঘাতের চিহ্ন রয়েছে। এ ছাড়া দুটি গুলির চিহ্ন পাওয়া গেছে। একটি গুলি মাথার ডান পাশে কানের ওপর দিয়ে ঢুকে বাম পাশ দিয়ে বের হয়ে যায়। দ্বিতীয় গুলিটি পিঠের ডান পাশ দিয়ে শরীর ভেদ করে। 

গতকাল ঢামেক মর্গের সামনে রাবিকের স্বজনরা উপস্থিত ছিলেন। এ সময় রাকিবের স্ত্রী হাবিবা আক্তার বলেন, ‘বগুড়ায় এক কনটেন্ট ক্রিয়েটরের বিয়েতে গিয়ে জান্নাত মুন নামে অন্য এক কনটেন্ট ক্রিয়েটরের সঙ্গ আমার স্বামীর পরিচয় হয়। এরপর থেকে জান্নাত আমাদের বাসায় যাতায়াত করতেন। সে সময় রাকিব জানতে পারে ওই নারী কার সঙ্গে যেন ফোনে মাদক পরিবহনের বিষয়ে কথা বলতেন। এ বিষয়টি নিয়ে জান্নাতের বয়ফ্রেন্ড আমার স্বামীকে হত্যার হুমকি দিয়েছিল। ওই ঘটনার কিছুদিন পরে ফেসবুকে কমেন্ট করা নিয়েও মুনের বয়ফ্রেন্ড আবারও হুমকি দেয় রাকিবকে। এরপর কাজের প্রস্তাব দিয়ে খিলগাঁও ডাকলে আমাদের সন্দেহ হয়। তখন গুলি করে হত্যার হুমকি দেয়। গত রবিবার রাতে এক বড় ভাইয়ের সঙ্গে শহিদ মিনার এলাকায় দেখা করতে গেলে হুমকি দেওয়া ওই ব্যক্তি পরিকল্পিতভাবে রাকিবকে হত্যা করে থাকতে পারে।’ 

ছেলের মৃত্যুতে আহাজারি করতে করতে রাকিবের মা রাজিয়া বেগম জানান, তার বুকের মানিককে সন্ত্রাসীরা কেড়ে নিয়েছে। রাকিবের সঙ্গে কারও কোনো শত্রুতা ছিল না। কোনো ঝগড়া-বিবাদও ছিল না। কী কারণে তার ছেলেকে নির্মমভাবে হত্যা করা হলো, তিনি জানেন না। সরকারের কাছে হত্যাকারীদের সর্বোচ্চ শাস্তির দাবি জানিয়েছেন তিনি। 

এর আগে রবিবার রাত সাড়ে ৯টার দিকে কেন্দ্রীয় শহিদ মিনারের সামনে রাকিবকে গুলি করে ও কুপিয়ে গুরুতর জখম করা। ঘটনার পর কয়েকজন পথচারী তাকে ঢামেক হাসপাতালে নিলে সেখানে তার মৃত্যু হয়। 

রাকিব পুরান ঢাকার শেখ বোরহানুদ্দীন পোস্ট গ্র্যাজুয়েট কলেজের ডিগ্রি দ্বিতীয় বর্ষের শিক্ষার্থী ছিলেন। তিনি পুরান ঢাকার বংশালের নাজিমুদ্দিন রোডে একটি ভাড়া বাসায় স্ত্রী হাবিবাকে সঙ্গে নিয়ে থাকতেন। রাকিবের গ্রামের বাড়ি ভোলা সদর থানার পৌরসভার ১ নম্বর ওয়ার্ডে। রাকিবের বাবা ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কুয়েত মৈত্রী হলের অফিস সহায়ক। তার মা শেখ বোরহানুদ্দিন কলেজের পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক শাখার অফিস সহায়ক।

রাউজানে মাসুদ হত্যাকাণ্ডের এখনো মামলা হয়নি

প্রকাশ: ১৫ জুন ২০২৬, ১২:১৪ পিএম
আপডেট: ১৫ জুন ২০২৬, ১২:৩৪ পিএম
রাউজানে মাসুদ হত্যাকাণ্ডের এখনো মামলা হয়নি
ছবি: খবরের কাগজ

চট্টগ্রামের রাউজানে পাহাড়তলী চৌমুহনী বাজারে প্রকাশ্যে যুবদল নেতা মাসুদুল হক চৌধুরী মাসুদ (৫০) হত্যাকাণ্ডের দুই দিন পেরিয়ে গেলেও এখনো কোনো মামলা হয়নি।

সোমবার (১৫ জুন) দুপুরে এই প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত মামলা হওয়ার খবর পাওয়া যায়নি।

শনিবার (১৩ জুন) দুপুরে রাউজানের চৌমুহনী বাজারে মাসুদুল হক চৌধুরীকে একদল অস্ত্রধারী প্রকাশ্যে গুলি করে হত্যা করে।

মাসুদুল রাঙ্গুনিয়া উপজেলা যুবদলের সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক এবং সংসদ সদস্য বিএনপির কেন্দ্রীয় নেতা হুম্মাম কাদের চৌধুরীর অনুসারী ছিলেন।

রাউজান রাঙ্গুনিয়া দুই উপজেলার আইনশৃঙ্খলা বাহিনী এখনো পর্যন্ত কাউকে গ্রেপ্তার করতে পারেনি। চাঞ্চল্যকর এ হত্যাকাণ্ডের নেপথ্যের কারণ সম্পর্কেও এখন পর্যন্ত সুস্পষ্ট  কোনো তথ্য দিতে পারেনি প্রশাসন। 

পুলিশ জানায়, সিসিটিভি ফুটেজ বিশ্লেষণ করে ইতোমধ্যে হত্যাকাণ্ডে সরাসরি অংশ নেওয়া পাঁচজনকে শনাক্ত করা হয়েছে। এ পাঁচজনের মধ্যে তিনজনের পরিচয় নিশ্চিত হওয়া গেছে।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, কিলিংমিশনে শটগান হাতে থাকা (গোলাপি রঙের শার্ট পরিহিত) সন্ত্রাসীর নাম মোহাম্মদ ইলিয়াছ প্রকাশ ধামা ইলিয়াছ, পিস্তল হাতে থাকা (মাথায় ক্যাপ ও জলপাই রঙের টিশার্ট পরিহিত) ছিলেন মো. ইউছুপ ও দিদারুল আলম (কালো জিন্স প্যান্ট ও জলপাই রঙের টি-শার্ট পরিহিত) এবং শটগান হাতে ছিলেন কালো টিশার্ট পরা আবছার।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রের ভাষ্য, তিনটি পিস্তল ও দুটি শটগান হাতে থাকা পাঁচ অস্ত্রধারী ছাড়াও মাসুদুল হত্যার মিশনে ব্যাকআপ টিমে ছিল মো. পারভেজ ও মো. আইয়ুব নামের স্থানীয় আরও দুই ‘সন্ত্রাসী’। 

অস্ত্রধারী পাঁচজনসহ মাসুদুল হত্যার মিশনে অংশ নেওয়া সাতজনই বিদেশে পলাতক দুর্ধর্ষ সন্ত্রাসী সাজ্জাদ আলী খান ওরফে বড় সাজ্জাদের অনুসারী রায়হান বাহিনীর ক্যাডার। 
 
পুলিশ ও স্থানীয় সুত্রের ভাষ্য, ধামা ইলিয়াছ দুর্ধর্ষ প্রকৃতির সন্ত্রাসী। তার বিরুদ্ধে চট্টগ্রাম নগর ও রাউজান থানায় একাধিক হত্যা মামলা আছে। ২০২৫ সালের জুলাই মাসে উপজেলার কদলপুর ইউনিয়নের ঈশান ভট্টের হাটে স্ত্রী-কন্যার সামনে সেলিম নামের এক যুবদলকর্মীকে গুলি করে হত্যা করা হয়।

ফেসবুকে ছড়িয়ে পড়া এক ভিডিওতে দেখা গেছে, গুলিবর্ষণের মুখে মাসুদুল দৌড়ে পাহাড়তলী চৌমুহনী বাজারের একটি ওষুধের দোকানের সামনে এসে গুলিবিদ্ধ হয়ে মাটিতে লুটিয়ে পড়েন। এ সময় তিন অস্ত্রধারী পেছন থেকে এসে লুটিয়ে পড়া মাসুদুলকে আবারও গুলি করেন। ২০ সেকেন্ড পর মুখোশ পরা অস্ত্রধারী এসে আবার মাসুদুলকে গুলি করে দ্রুত চলে যান। 

ঘটনার প্রত্যক্ষদর্শীদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, বেলা দেড়টার দিকে পাঁচ কিলোমিটার দূরের রাঙ্গুনিয়ার বেতাগী এলাকা থেকে সিএনজিচালিত অটোরিকশায় করে চৌমুহনী বাজারে আসেন মাসুদুল। অপর অটোরিকশা থেকে নেমে সন্ত্রাসীরা মাসুদকে লক্ষ্য করে গুলি ছোড়েন। গুলিতে মাসুদের মাথার মগজ বেরিয়ে যায়।

ঘটনাস্থলটি রাউজান-রাঙ্গুনিয়া সার্কেলের সহকারী পুলিশ সুপারের (এএসপি) কার্যালয়ের আধা কিলোমিটারের মধ্যেই। হত্যাকাণ্ডে অংশগ্রহণকারী ব্যক্তিদের একজনের মুখে ছিল কালো মুখোশ। অন্য ব্যক্তিদের চেহারা স্পষ্ট সিসি ক্যামেরার ফুটেজে। তাদের মধ্যে তিনজনের হাতে পিস্তল এবং দুজনের হাতে শটগান দেখা যায়।

যদিও চৌমুহনী বাজারে বাজারে গুরুত্বপূর্ণ স্থানে ৩০টির বেশি সিসি ক্যামেরা বসানো আছে। তারপরও সন্ত্রাসীরা প্রকাশ্যে গুলি করে মানুষ হত্যা করতে দ্বিধা করছেন না। 

রবিবার (১৪ জুন) বিকেলে ময়নাতদন্ত শেষে তার মাসুদুলের মরদেহ গ্রামের বাড়ি রাঙ্গুনিয়ার চম্পাতলী ঈদগাহ ময়দানে নেওয়া হয়। সেখানে জানাজা শেষে সামাজিক কবরস্থানে তাকে দাফন করা হয়।

দিদারুল আলম/ খাদিজা রুমি/ 

কচুয়ায় শিশু ধর্ষণের অভিযোগে ধর্ষক গ্রেপ্তার

প্রকাশ: ১৪ জুন ২০২৬, ০৬:৪৫ পিএম
কচুয়ায় শিশু ধর্ষণের অভিযোগে ধর্ষক গ্রেপ্তার
কচুয়া থানায় গ্রেপ্তার হওয়া ধর্ষক শাহ আলম। ছবি: খবরের কাগজ

কচুয়া উপজেলার খিলা হাজী বাড়ির শাহ আলমের বিরুদ্ধে পঞ্চম শ্রেণিতে পড়ুয়া (১২) তার নাতনিকে ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় অভিযোগে তার বিরুদ্ধে কচুয়া থানায় মামলা করেছেন ভুক্তভোগী শিশুটির মা।

রবিবার (১৪ জুন) মামলার জেরে ধর্ষক শাজাহানকে চাঁদপুরের বিজ্ঞ আদালতে পাঠানো হয়েছে। 

এর আগে শনিবার (১৩ জুন) রাতে উপজেলার খিলা গ্রাম থেকে ধর্ষক শাহ আলমকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ।

থানা সূত্রে জানা গেছে, ১৯ মার্চ রাত সাড়ে বারোটার সময় মেয়েটিকে শাহ আলম তার বসত ঘরে ডেকে নিয়ে ভয়ভীতি প্রদর্শন করে। পরে তাকে জোরপূর্বক ধর্ষণ করে অভিযুক্ত শাহ আলম। শিশুটির মা গত ২৮ মে কুমিল্লায় তার মেয়েকে তার কর্মস্থলে নিয়ে গেলে শিশুটির শরীরের পিঠে, গলায় নখের চিহ্ন দেখতে পান এবং তাকে অস্বাভাবিক মনে হয়। পরে শিশুটিকে তার মা জিজ্ঞাসা করলে সে তাকে জোরপূর্বক ধর্ষণের বিষয়টি জানান।

কচুয়া থানার পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) মো.রাশেদুল হক জানান, ধর্ষকের বিরুদ্ধে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে মামলা করা হয়েছে।  মেডিকেল পরীক্ষার জন্য ভিকটিমকে চাঁদপুর জেনারেল হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।

প্রসঙ্গত : চাকুরির সুবাদে মেয়েটির মা কুমিল্লায় বসবাস করত। মেয়েটি উপজেলার রহিমানগর এলাকার একটি মাদরাসার আবাসিক ছাত্রী হিসেবে সেখানে পড়াশোনা করত। 

সঞ্জীব/নাঈম

খুলনায় মসজিদে ঢুকে ২ মুসল্লিকে গুলি

প্রকাশ: ১৪ জুন ২০২৬, ০১:০৩ পিএম
আপডেট: ১৪ জুন ২০২৬, ০১:০৫ পিএম
খুলনায় মসজিদে ঢুকে ২ মুসল্লিকে গুলি
ছবি: খবরের কাগজ

খুলনার দৌলতপুরে মসজিদে ঢুকে দুই মুসল্লিকে গুলি করেছে দুর্বৃত্তরা। এতে দুজনেই গুরুতর আহত হয়েছেন। এর মধ্যে একজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক হওয়ায় তাকে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকায় পাঠানো হয়েছে।

রবিবার (১৪ জুন) ফজরের নামাজের সময় দৌলতপুর বিএল কলেজ রোডে ওয়েস্ট জোন পাওয়ার ডিস্ট্রিবিউশন কোম্পানির বিদ্যুৎ জামে মসজিদে এ ঘটনা ঘটে।

​আহতরা হলেন- লোকমান হাকিম (৫৫) ও  আলম শেখ (৫৬)।

স্থানীয়রা জানায়, ওজোপাডিকো বিদ্যুৎ জামে মসজিদে অন্যান্য মুসল্লিদের সঙ্গে লোকমান হাকিম ও আলম শেখ ফজরের নামাজ আদায় করছিলেন। নামাজ চলাকালীন কয়েকজন মসজিদে ঢুকে তাদেরকে লক্ষ্য করে গুলি ছোড়ে। গুলিবিদ্ধ হয়ে রক্তাক্ত অবস্থায় তারা মসজিদে লুটিয়ে পড়েন।

দুজনকে উদ্ধার করে খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে লোকমান হাকিমের অবস্থার অবনতি হলে তাকে  উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকায় পাঠানো হয়। গুলিবিদ্ধ আলম শেখ খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। 

খবর পেয়ে দৌলতপুর থানা পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে। পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে আলামত সংগ্রহ করেছে। ​পূর্ব শত্রুতার জের ধরে এ ঘটনা ঘটেছে বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করছে পুলিশ।

মাকসুদ/আমান

মধুখালীতে ওষুধ কোম্পানির বিক্রয় প্রতিনিধিকে কুপিয়ে ৩ লাখ টাকা ছিনতাই

প্রকাশ: ১৪ জুন ২০২৬, ০৯:১৭ এএম
আপডেট: ১৪ জুন ২০২৬, ১০:০৩ এএম
মধুখালীতে ওষুধ কোম্পানির বিক্রয় প্রতিনিধিকে কুপিয়ে ৩ লাখ টাকা ছিনতাই
ছবি: খবরের কাগজ

ফরিদপুরের মধুখালীতে রবিউল আউয়াল আলফাদ নামে ওষুধ কোম্পানির এক বিক্রয় প্রতিনিধিকে কুপিয়ে জখম করে তিন লাখ টাকা ছিনতাইয়ের ঘটনা ঘটেছে।

শনিবার (১৩ জুন) রাত ৮টার দিকে উপজেলার নওপাড়া বাজার থেকে বাগাট বাজার আঞ্চলিক সড়কের তারাপুর খেয়াঘাট এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।

পুলিশ ও ভুক্তভোগী জানায়, একমি কোম্পানির (ভেটেরিনারি ডিভিশন) মধুখালী উপজেলার বিক্রয় প্রতিনিধি রবিউল আউয়াল আলফাদ নওপাড়া বাজারসহ বিভিন্ন বাজারে কালেকশন শেষে বাগাট বাজারের উদ্দেশে রওনা দেন। পথে নওপাড়া ইউনিয়নের তারাপুর খেয়াঘাট এলাকায় একাধিক মোটরসাইকেল নিয়ে দুর্বৃত্তরা তার ওপর হামলা চালায়। এ সময় তাকে কুপিয়ে নগদ তিন লাখ টাকা ছিনিয়ে নিয়ে যায় দুর্বৃত্তরা।

পরে স্থানীয়রা গুরুতর আহত অবস্থায় তাকে উদ্ধার করে মধুখালী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে ভর্তি করেন।
 
এ বিষয়ে রবিউল আউয়াল আলফাদ বলেন, ‘সারা দিন মধুখালী উপজেলার বিভিন্ন বাজার গিয়ে বকেয়া টাকা কালেকশন করি। সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার দিকে নওপাড়া বাজার থেকে কালেকশনের টাকাসহ বাগাট বাজারের উদ্দেশে রওনা হই। পথে তারাপুর খেয়াঘাট নির্জন এলাকায় পৌঁছালে দুটি মোটরসাইকেল নিয়ে একাধিক ব্যক্তি মোটরসাইকেলের গতিরোধ করে আমাকে কুপিয়ে জখম করে। এ সময় আমার কাছে থাকা তিন লাখ টাকা ছিনিয়ে নিয়ে দুর্বৃত্তরা পালিয়ে যায়। পরে স্থানীয়রা আমার চিৎকারে এগিয়ে এসে উদ্ধার করে মধুখালী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করেন।’
 
মধুখালী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সুকদেব রায়ের মোবাইল নাম্বারে একাধিকবার কল করেও পাওয়া যায়নি।
 
এ বিষয়টি নিয়ে ফরিদপুরের সহকারী পুলিশ সুপার (মধুখালী সার্কেল) মো. আজম খান জানান, বিষয়টি জানার পর একজন উপ-পরিদর্শকের (এসআই) নেতৃত্বে পুলিশ সদস্যরা ওই বিক্রয় প্রতিনিধিকে নিয়ে ঘটনাস্থলে যায়। এ ঘটনায় জড়িতদের দ্রুত আইনের আওতায় আনতে কাজ চলছে।

এনকেবি নয়ন/তামান্না রুপা/

সোনারগাঁয় নারীকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণের অভিযোগে যুবদল নেতাসহ দুইজন গ্রেপ্তার

প্রকাশ: ১৩ জুন ২০২৬, ০৩:৩২ পিএম
আপডেট: ১৩ জুন ২০২৬, ০৪:৩৪ পিএম
সোনারগাঁয় নারীকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণের অভিযোগে যুবদল নেতাসহ দুইজন গ্রেপ্তার
ছবি: সংগৃহীত

নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁয়ের জামপুর ইউনিয়নের সিরাব এলাকায় এক নারীকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণের অভিযোগে যুবদল নেতা মো. শহীদ মিয়াসহ দুইজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

গতকাল শুক্রবার রাতে অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেপ্তার করে পুলিশ। 

গ্রেপ্তাররা হলেন, জামপুর ইউনিয়নের ২নং ওয়ার্ড যুবদলের সাধারণ সম্পাদক মো. শহীদ মিয়া (৪০) ও একই এলাকার শাহিন মিয়া।

শনিবার (১৩ জুন) সকালে তাদের নারায়ণগঞ্জ আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।

ভুক্তভোগী নারীকে ডাক্তারি পরীক্ষার জন্য নারায়ণগঞ্জ জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। 
 
মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, ভূক্তভোগী নারী তার স্বামী ও সন্তানদের নিয়ে সিরাব এলাকায় ভাড়া বাসায় থাকেন। গত ১০ জুন বিকেল সাড়ে ৫টার দিকে তিনি রান্নাঘরে কাজ করছিলেন। এ সময় অভিযুক্ত যুবদল নেতা শহীদ মিয়াসহ কয়েকজন তার মুখ চেপে ধরেন। সন্তানদের ভয়ভীতি দেখিয়ে জোরপূর্বক পাশের একটি চারতলা ভবনের নিচতলার একটি কক্ষে নিয়ে যায়। সেখানে তার হাত ও মুখ বেঁধে পালাক্রমে ধর্ষণ করেন। পরে সন্ধ্যা সাড়ে ৬টার দিকে অভিযুক্তরা তাকে কক্ষে রেখে চলে যায়। সন্ধ্যায় তার স্বামী বাড়িতে ফিরে আসলে ভুক্তভোগী নারী ঘটনার বিস্তারিত জানান।

শুক্রবার সকালে সোনারগাঁ থানায় লিখিত অভিযোগ করেন ভুক্তভোগী। অভিযোগের ভিত্তিতে পুলিশ তাদের গ্রেপ্তার করে। 

সোনারগাঁ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. গোলাম সারোয়ার বলেন, সংঘবদ্ধ ধর্ষণের ঘটনায় দুইজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। মামলার অন্য আসামিদের গ্রেপ্তারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে। বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে তদন্ত করা হচ্ছে।

ইমরান হোসেন/খাদিজা রুমি/