রাজশাহীর মোহনপুর উপজেলায় কামরুল হাসান মিঠু (৪০) নামে এক কৃষক লীগ নেতাকে কুপিয়ে হত্যার ঘটনা ঘটেছে।
শনিবার (২৮ মার্চ) রাত সাড়ে ৯টার দিকে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ (রামেক) হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়।
রবিবার রাজশাহী মেডিকেল কলেজের মর্গে ময়নাতদন্ত শেষে স্বজনদের কাছে তার মরদেহ হস্তান্তর করা হয়েছে।
এদিকে, হামলার পর অভিযুক্ত ব্যক্তি উল্টো ভুক্তভোগীর বিরুদ্ধে থানায় অভিযোগ করেছেন বলে জানিয়েছে পুলিশ। অভিযোগের কয়েক ঘণ্টা পরই হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় কৃষক লীগ নেতা কামরুলের মৃত্যু হয়।
নিহত কামরুল হাসান উপজেলার জাহানাবাদ ইউনিয়ন কৃষক লীগের সাধারণ সম্পাদক। তিনি করিসা দুর্গাপুর গ্রামের বাসিন্দা। কুপিয়ে জখমের পর অভিযুক্ত মো. সাদ্দাম (২৮) আত্মগোপনে রয়েছেন।
পুলিশ জানায়, শুক্রবার বিকেলে নিজ জমিতে সেচ দেওয়ার সময় পাইপ ফেটে কিছু পানি পাশের সাদ্দামের পেঁয়াজক্ষেতে চলে যায়। এ নিয়ে দু’জনের মধ্যে বিরোধ সৃষ্টি হয়। একপর্যায়ে সাদ্দাম কৃষি কাজে ব্যবহৃত কোদাল দিয়ে কামরুলকে কুপিয়ে গুরুতর আহত করেন। পরে স্থানীয়রা তাকে রামেক হাসপাতালে ভর্তি করেন।
মোহনপুর থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) ইয়ামিন আলী বলেন, শনিবার সন্ধ্যায় সাদ্দাম থানায় গিয়ে মাথায় আঘাতের অভিযোগ তুলে কামরুলের বিরুদ্ধে একটি লিখিত অভিযোগ করেন। তবে অভিযোগের কয়েক ঘণ্টা পরই হাসপাতালে কামরুলের মৃত্যু হয়।
তিনি আরও জানান, এ ঘটনায় সাদ্দামের বিরুদ্ধে হত্যা মামলার প্রস্তুতি চলছে। তাকে গ্রেপ্তারের জন্য অভিযান অব্যাহত রয়েছে। রবিবার রাজশাহী মেডিকেল কলেজের মর্গে ময়নাতদন্ত শেষে মরদেহ স্বজনদের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।
নাঈম/