ঢাকা ৪ শ্রাবণ ১৪৩১, শুক্রবার, ১৯ জুলাই ২০২৪

যত শান্তি গোসলে

প্রকাশ: ১৪ জুন ২০২৪, ১২:৫১ পিএম
আপডেট: ১৪ জুন ২০২৪, ১২:৫১ পিএম
যত শান্তি গোসলে

জুনের ১৪ তারিখ পালন করা হয় বিশ্ব গোসল দিবস। তুমি হয়তো অবাক হচ্ছ যে, গোসলেরও দিবস আছে! অবাক হওয়ার কিছু নেই। ২০১৬ সাল থেকে জাতিসংঘ দিবসটি পালনের উদ্যোগ নেয়। যাতে মানুষের মধ্যে ব্যক্তিগত স্বাস্থ্যবিধি সম্পর্কে সচেতনতা বৃদ্ধি পায়। আর গোসল মানেই হচ্ছে সারা দিনের যত ক্লান্তি, যত ব্যস্ততা- সবকিছুকে দূরে সরিয়ে নিজেকে নিজে যত্ন করা এবং গোসলকে উপভোগ করা। তো বিশ্ব গোসল দিবসে গোসল সম্পর্কে কিছু চমকপ্রদ তথ্য জানাচ্ছেন আহমেদ রিয়াজ


গোসল মানেই আরাম
এই যে এত গরম পড়েছে, তাপপ্রবাহ বয়ে গেছে, সারা দিন বাইরে কাটিয়ে, ঘেমে একাকার হয়ে ঘরে ফেরার পর গোসলের চেয়ে আরাম আর কিছু কি হতে পারে? চর্মরোগ এবং ত্বক বিশেষজ্ঞরা জানিয়েছেন, গোসলের মাধ্যমে ‘ভালো অনুভূতি’ সৃষ্টির হরমোন যাকে এন্ডোরফিনস বলা হয়, সেটা নিঃসৃত হয়। কাজেই ভালো অনুভূতি চাইলে ঝাঁপ দাও পানিতে কিংবা মাথা পেতে দাও ঝরনাতলায়।

গোসল মানেও জিম করা
গোসলকে যদিও অনেকে কাজ হিসেবে দেখতে রাজি নন, তবু গোসল করাও কিন্তু একটা কাজ। আর কাজ মানেই শরীরের ক্যালরি ক্ষয় করা। ৩৮ ডিগ্রি তাপমাত্রায় এক ঘণ্টা ধরে গোসল করলে গড়ে ১৩০ ক্যালরি ক্ষয় হয়। তার মানে গোসল মানেও জিম করা। 

আয় ঘুম আয়
অনেকের আবার ঘুম না আসার রোগ আছে। রাতে বিছানায় ছটফট করেন, এ পাশ-ও পাশ করেন। তারা যদি হালকা গরম পানিতে গোসল করতে পারেন তাহলে তাদের মাংসপেশি শিথিল হবে। শরীর শিথিল হওয়া মানেই ঘুমের জন্য শরীর উপযুক্ত হওয়া। 

শুষ্ক ত্বকের মহৌষধ
অনেকে শীতের সময় গোসল করতে চান না। গোসল করলে নাকি শীত আরও বেশি অনুভূত হয়। আসলে তা নয়। বরং যত কড়া শীতই পড়ুক, গোসল করলে শীতটা কমই অনুভূত হয়। আর যাদের ত্বক শুষ্ক, তাদের জন্য গোসল তো মহৌষধ। এমনিতেই আমাদের ত্বক শীতের সময়ে আর্দ্রতা হারায়। তার ওপর শুষ্ক ত্বক যাদের, তাদের এই আর্দ্রতা হারানোর মাত্রা তখন আরও বেড়ে যায়। ফলে একজিমা, সোরিয়াসিসসহ নানা ধরনের চর্মরোগ হয়। নিয়মিত গোসল এসব চর্মরোগ থেকে মুক্তি দিতে পারে।

গোসল মানেই সুস্থতা
গোসল যে আমাদের হৃদস্পন্দন বাড়িয়ে দেয় এটা কি আমরা জানি? হৃদয় বা হার্ট আমাদের শরীরকে ঠাণ্ডা রাখার চেষ্টা করে যায় প্রতিনিয়ত। গরম পানিতে গোসল করলে হৃদয়ের জন্য কাজটা একটু কঠিন হয়ে যায়। সে কারণে ঠাণ্ডা পানিতে গোসল করাই উত্তম। আর গোসলের কারণে হৃদযন্ত্রেরও ব্যায়াম হয়ে যায়। সে কারণে শরীরে রক্ত চলাচল স্বাভাবিক থাকে। গোসল আমাদের শারীরিক ও মানসিকভাবে এতটাই প্রশান্তি এনে দেয় যে, একটা সুন্দর গোসলের পর আমাদের মন বলে ওঠে- আহ্! কাজেই গোসল মানেই সুস্থতা।

মেজাজও ঠিক রাখে গোসল
বাবা বকা দিয়েছে? শিক্ষকের ঝারি খেয়েছ? বন্ধুদের সঙ্গে ঝগড়া হয়েছে? নানান কারণে আামদের মেজাজ খারাপ হতেই পারে। কিন্তু কোনোভাবেই যদি মেজাজ ঠিক রাখতে না পার, তবে সোজা চলে যাও গোসলে। গোসল আমাদের মেজাজমর্জির হালও ধরে রাখতে পারে।

জাহ্নবী

 

আমরা আঁকি

প্রকাশ: ০৫ জুলাই ২০২৪, ০৫:২১ পিএম
আপডেট: ০৫ জুলাই ২০২৪, ০৫:২১ পিএম
আমরা আঁকি

দেবনীল চেীধুরী
কেজি ওয়ানৎ স্কলার্সহোম প্রিপারেটরি
পাঠানটুলা, সিলেট।
/আবরার জাহিন

 

আমরা আঁকি

প্রকাশ: ০৫ জুলাই ২০২৪, ০৫:১৯ পিএম
আপডেট: ০৫ জুলাই ২০২৪, ০৫:১৯ পিএম
আমরা আঁকি

নাজিবাহ ইবনাত প্রান্তি
নবম শ্রেণি 
আটি পাঁচদোনা উচ্চ বিদ্যালয়
কেরানীগঞ্জ, ঢাকা

/আবরার জাহিন

নীল সাগরের তিমি

প্রকাশ: ০৫ জুলাই ২০২৪, ০৫:১৩ পিএম
আপডেট: ০৫ জুলাই ২০২৪, ০৫:১৩ পিএম
নীল সাগরের তিমি

ইউরোপের একটি ছবির মতো সুন্দর দেশ নরওয়ে। মানুষগুলো ছিমছাম, নির্ভেজাল ও হাসিখুশি। নরওয়ের রয়েছে বিশাল সমুদ্র উপকূল। এ দেশের অনেক মানুষ তাই মাছ ধরে। এজন্য নরওয়েকে জেলেদের দেশ বলা হয়।

নরওয়ের খোলা সাগরে ভেসে বেড়ায় ঝাঁকে ঝাঁকে তিমির দল। মাঝে মাঝে উপকূলে ঢু দিয়ে যায়। তারা সমুদ্রে খেলা করে। অবাক করার মতো হলেও এটা সত্যি যে, তারা গানও গায়। সে গান অন্য তিমিরাও শুনতে পায় বহু বহু  দূর থেকে। বিজ্ঞানীরা তো এ-কথাও বলেন যে, তিমিদের নিজস্ব ভাষাও আছে। তারা সে ভাষায় নিজেদের মধ্যে কথাও বলে। আর যখন তখন সমুদ্রের বুকে ডিগবাজি খায়। 9তিমিরা দল বেঁধে চলে। অবাক করার মতো কথা হলো, তাদের পরিবারও আছে। মা তিমি তার সন্তানকে পনেরো বছর পর্যন্ত নিজের কাছে রাখে। তার পর ছেড়ে দেয় স্বাধীনভাবে জীবনযাপন করার জন্য।

তো আমাদের এ গল্পের তিমি শিশুটির নাম অ্যাবে। তার মা সিলোনি তাকে খুব আদর করত। খুব ভালোবাসত। কিন্তু যখন অ্যাবের বয়স পনেরো হয়ে গেল, তখন তার মা সিলোনি তাকে স্বাধীন করে দিল। সত্যি সত্যিই, সিলোনি এটা চায়নি। কিন্তু সমাজের নিয়ম বলে কথা! তাই ছেলেকে না ছেড়ে তার উপায় ছিল না। অ্যাবে কয়েকদিন কান্না করতে করতে সমুদ্রে ভেসে বেড়াল। ধীরে ধীরে সমুদ্রের নানা রকম মাছ ও সামুদ্রিক প্রাণীর সঙ্গে তার পরিচয় ও বন্ধুত্ব হয়ে গেল। তাদের সঙ্গে ভেসে বেড়িয়ে, গল্প করে তার সময় ভালোই কাটতে লাগল। ভালো লাগল সমুদ্রের প্রাণীদের সঙ্গে খেলা করতে। এমনি করতে করতে একদিন একটা রে-ফিসের সঙ্গে সাঁতরাতে সাঁতরাতে সে চলে এল নরওয়ের সমুদ্র উপকূলের খুব কাছে। সেখানে নরওয়ের রাজা হ্যানসনের রাজকীয় জাহাজ এমভি মার্টিনা নোঙর করা ছিল। রাজা এই জাহাজে চড়ে তার ভীষণ অসুস্থ ছেলে হ্যানসনকে নিয়ে ইংল্যান্ডে যাবেন উন্নত চিকিৎসা করাতে।

জাহাজটি এক সপ্তাহের মধ্যেই রওনা হবে। ছোট্ট তিমি অ্যাবে আগে কখনো জাহাজ দেখেনি। সে বিস্মিত হলো। আনন্দে সে বড় করে দম নিয়ে সমুদ্রে ডুব দিল, একটু পরেই ভুস করে ভেসে উঠে আকাশের দিকে লাফ দিল পানি ছিটাতে ছিটাতে। তখন অ্যাবেকে মনে হচ্ছিল একটা উড়ন্ত পানির ফোয়ারা। রাজপুত্র হ্যানসন তখন জাহাজের খোলা ডেকে দাঁড়িয়ে ছিল। খালাসিরা ছোটাছুটি করে জাহাজে প্রয়োজনীয় মালপত্র ওঠাচ্ছিল। হ্যানসন তিমিটাকে দেখে ফেলল আর ওকে খুব ভালোবেসে ফেলল। সে তিমিটার উদ্দেশে গান গেয়ে উঠল। গানটা কিন্তু ছোট্ট তিমি অ্যাবের খুব ভালো লাগল। সে প্রতিদিন রাজপুত্র হ্যানসনের সঙ্গে দেখা করতে আসতে লাগল।

একদিন রাজার সেনাপতি রবরয় তিমিটিকে দেখে ফেলল। সে হারপুন গান দিয়ে তিমিটির দিকে গুলি ছুড়ল। ছোট্ট তিমির চারপাশে রক্তে লাল হয়ে গেল পানি। ধীরে ধীরে সে সমুদ্রে তলিয়ে গেল। রাজপুত্র হ্যানসন ডেক থেকে সবকিছু দেখে চিৎকার করে সমুদ্রে দিল ঝাঁপ। সে সাঁতার জানত না, তাই সেও সমুদ্রে তলিয়ে গেল।

সমুদ্রে স্কুবা ডাইভার পাঠিয়ে অনেক খোঁজাখুঁজি করেও রাজপুত্রকে আর পাওয়া গেল না। শোনা যায় আজও নরওয়ের জেলেরা যখন সমুদ্রে মাছ ধরতে যায়, তখন তারা কখনো কখনো রাজপুত্রের করুন কণ্ঠের গান শোনে। জেলেদের মন তখন রাজপুত্রের কথা ভেবে বিষণ্ন হয়ে ওঠে।

/আবরার জাহিন

বৃষ্টিঝরা দিনে

প্রকাশ: ০৫ জুলাই ২০২৪, ০৫:১১ পিএম
আপডেট: ০৫ জুলাই ২০২৪, ০৫:১১ পিএম
বৃষ্টিঝরা দিনে
ছবি: সংগৃহীত

মেঘ গুরগুর ডাকছে দেয়া
আকাশ কালো করে,
ঠাণ্ডা হাওয়ার ডানায় চড়ে
নামল বৃষ্টি জোরে।
তা-ধিন তা-ধিন সোনাব্যাঙে
নাচছে খালে বিলে,
ঘ্যাঙর ঘ্যাঙর ভাঙা সুরেই
ডাকছে সবাই মিলে।
শিশু-কিশোর উঠোনজুড়ে
করছে লুটোপুটি,
কেউবা বিলে বড়শি পেতে
ধরছে ট্যাংরা পুঁটি।
কদম ফুলের পাপড়ি মেলে
বর্ষা ওঠে হেসে,
নদী-নালা পায় ফিরে প্রাণ
রূপসী বাংলাদেশে।

বাদলা দিনে

প্রকাশ: ০৫ জুলাই ২০২৪, ০৫:০৯ পিএম
আপডেট: ০৫ জুলাই ২০২৪, ০৫:০৯ পিএম
বাদলা দিনে
ছবি: সংগৃহীত

ঝুপঝুপাঝুপ বৃষ্টি ঝরে 
ভরেছে ওই ঝিল,
শব্দ ঢেউয়ের ছলাৎ ছলাৎ 
নদী ও খালবিল!

জলের নাচন দেখবে খোকন 
ভাল্লাগে না ঘরে,
টইটম্বুর ডোবা পুকুর
জল থইথই করে!

বাদলা দিনে করতে মানা
এমন ছোটাছুটি,
ওই দেখো মা জলে ভাসে 
টেংরা, বেলে, পুঁটি!

শুনব না আজ কোনো বাধা 
ধরব মাগুর কই,
ধুম পড়েছে বিলের মাঝে
মাছ ধরার হইচই!