খোকা খুকির হাসি
সাঈদুর রহমান লিটন
খোকা হাসে খুকি হাসে
টুপি মাথায় দিয়ে,
খোকা খুকির হাসি দেখে
হাসে গাছে টিয়ে।
খুশির নদী বাঁধ ভেঙেছে
সবাই দিশেহারা
খুশির জোয়ার ভেসে গেছে
শহর, নগর পাড়া।
চাঁদের হাসি দেখে ওরা
আরও বেশি হাসে,
প্রভাত বেলা সূর্যি মামা
হাসে দূর্বাঘাসে।
বক কাব্য
শ্যামল বণিক অঞ্জন
কাঁঠাল গাছে বকের বাসায় তিনটি ছানা ফুটল,
হঠাৎ করেই সন্ধ্যা বেলা প্রচণ্ড ঝড় উঠল!
বাসা ভেঙে ছানাগুলো মাটিতে যে পড়ল
আঘাত তিনটি ছানাই অকালে তো মরল!
মা পাখিটা শোকে কাতর হয়ে কেঁদে চলল,
চলো যাব ঝড় ছাড়া দেশ, বক বাবাটা বলল।
মা বক কয়, আঁধার কেটে আসবে দেখো আলো,
ঝড়ঝঞ্ঝা হোক বৃষ্টি তবু এ দেশ ভালো।
এই দেশেতে আছে অনেক নদীনালা ডোবা,
আছে সেথায় ব্যাঙ মাছ আর খাদ্য মনোলোভা!
রাজকুমারীর বিয়ে
খালিদ বিন ওয়ালিদ
তাক ডুমা ডুম, তাক ডুমা ডুম
বেজায় খুশির ধুম,
তাক ডুমা ডুম, তাক ডুমা ডুম
নেই চোখে আজ ঘুম।
রাজকুমারীর বিয়ে
সোনার পালকি নিয়ে
যাবে সে আজ রূপনগরে,
ঘোমটা মাথায় দিয়ে।
হইহুল্লোড়, হইহুল্লোড়
বর এসেছে ঘরে,
বর এসেছে টোপর পরে
ঘোড়ার পিঠে চড়ে।
বানর কাণ্ড
মো. দিদারুল ইসলাম
দুষ্টু বানর নাচে মশগুল মগডালেতে উঠি,
বনের পাখি বিরক্ত সব, করে ছোটাছুটি।
হাতির পিঠে চড়ে বানর দেয় যে কানে মলা,
মনের সুখে একে একে গিলে পাকা কলা।
বানর বেটা কূট-কৌশলী, বুদ্ধি বেজায় খাসা,
বাঘ মামাকে সঙ্গে নিয়ে, ভাঙে সিংহের বাসা।
বানর মশাই এই তল্লাটের, সবার নাকি রাজা,
তার আদেশে না চলিলে, দেয় সে কঠিন সাজা।
বানর বেটার সঙ্গী শেয়াল, আরও আছে গোখরা
ভয়ে থাকে নিরীহের দল, প্রায়শই খায় তাড়া।
ফাগুনের রূপ
এম আব্দুল হালীম বাচ্চু
ফাগুন হাওয়ায় আগুন জ্বলে
শিমুল পলাশ ফুলে
কোকিলেরা কোথায় গেল
গান কি গেছে ভুলে?
কোকিলের গান শোনার আশায়
পেতে রাখি কান
তবু কোকিল কেন যেন
গায় না মধুর গান!
চৈতি হাওয়া বইছে যেন
গাছগাছালি বনে
ঝরছে পাতা দলে দলে
সুখ নেই তবু মনে!
ফাগুনের সেই গীতিময় দিন
আগের মতো নেই
ফাগুন ফাগুন লাগছে কেবল
আমের মুকুলেই।