ঢাকা ১০ শ্রাবণ ১৪৩১, বৃহস্পতিবার, ২৫ জুলাই ২০২৪

আমাদের জীবনে প্রযুক্তি অধ্যায়ের ২টি যোগ্যতাভিত্তিক প্রশ্নোত্তর পঞ্চম শ্রেণির বিজ্ঞান

প্রকাশ: ০৭ জুলাই ২০২৪, ০৭:৪৪ পিএম
আপডেট: ০৭ জুলাই ২০২৪, ০৭:৪৪ পিএম
আমাদের জীবনে প্রযুক্তি অধ্যায়ের ২টি যোগ্যতাভিত্তিক প্রশ্নোত্তর পঞ্চম শ্রেণির বিজ্ঞান

যোগ্যতাভিত্তিক প্রশ্ন ও উত্তর

প্রশ্ন: প্রযুক্তি ব্যবহার না করে আমরা বাঁচতে পারি না- এর চারটি কারণ লেখ।
উত্তর: বর্তমান যুগকে বলা হয় বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির যুগ। প্রযুক্তি বিকাশের সঙ্গে সঙ্গে বিকশিত হচ্ছে মানবসভ্যতা। এর মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো-
১. বিদ্যুতের আবিষ্কারই মানুষের জীবনকে সবচেয়ে বেশি প্রভাবিত করেছে। বৈদ্যুতিক বাতি, বৈদ্যুতিক পাখা, এসি, ফ্রিজ, টেলিভিশন, ওয়াশিং মেশিন, ভিসিআর, ফ্যাক্স, টেলেক্স, কম্পিউটার ইত্যাদি বিদ্যুৎ দিয়ে চলে।
২. কৃষি ক্ষেত্রে ট্রাক্টরের সাহায্যে জমি চাষ করে, বিভিন্ন ধরনের সার ব্যবহার করে, পাম্পের সাহায্যে পানি সেচ দিয়ে ফসলের উৎপাদন অনেক গুণ বাড়ানো সম্ভব হয়েছে।
৩. চিকিৎসা ক্ষেত্রে বিভিন্ন রোগ নির্ণয় ও এগুলো নিরাময়ের ক্ষেত্রে প্রযুক্তির ব্যবহার করার কারণে মানুষ অচিন্তনীয় সাফল্য পেয়েছে।
৪. বর্তমানে কম্পিউটার প্রযুক্তি এবং মোবাইল ফোন পুরো বিশ্বকে এনে দিয়েছে আমাদের হাতের মুঠোয়।
তাই বলা যায়, প্রযুক্তি ব্যবহার না করে আমরা বাঁচতে পারি না।

প্রশ্ন: প্রযুক্তি আমাদের জীবনকে প্রভাবিত করে- ব্যাখ্যা করো।
উত্তর: মানবসভ্যতার অগ্রগতি এবং প্রযুক্তির বিকাশ একসঙ্গে চলছে। প্রযুক্তির ফলে নানা সামগ্রী ও সুযোগ-সুবিধা মানুষ এখন উপভোগ করতে পারছে। যে জাতি বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিকে যত ভালোভাবে আয়ত্ত করেছে, সে জাতি তত বেশি উন্নতি সাধন করেছে। খাদ্য উৎপাদন, চিকিৎসা, বাসস্থান, যাতায়াত ও তথ্য আদান-প্রদানে প্রযুক্তি অপরিহার্য। বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির কল্যাণে নতুন সব কৃত্রিম বস্তু, যেমন- প্লাস্টিক দ্রব্য, রাসায়নিক সার, নাইলনের দড়ি ও সুতা, পলিয়েস্টার কাপড় ইত্যাদি আমরা পাচ্ছি। এ ছাড়া প্রযুক্তি ও বিজ্ঞান আমাদের দিচ্ছে নানা শক্তির উৎস। কয়লা, তেল ও গ্যাস উত্তোলনে প্রযুক্তির ব্যবহার দিন দিন বাড়ছে। যোগাযোগের ক্ষেত্রে রেডিও, টেলিফোন, টেলিভিশন, ফ্যাক্স, কম্পিউটার, ই-মেইল, ইন্টারনেট ইত্যাদি বিপ্লব সাধন করেছে। যন্ত্র ও কল-কারখানা মানুষের দৈহিক শ্রম লাঘব করেছে। কম্পিউটার এখন আমাদের বুদ্ধিগত কাজে সাহায্য করছে। মানুষ তার প্রয়োজনে প্রযুক্তির বিকাশকে সমৃদ্ধ করেছে। ফলে মানুষের দৈনন্দিন চাহিদাও বৃদ্ধি পাচ্ছে। অতএব, খুব সহজে বলা যায়, প্রযুক্তি আমাদের জীবনকে প্রভাবিত করছে।

শূন্যস্থান পূরণ করো
১. অন্য প্রাণী থেকে মানুষ ভিন্ন, কারণ মানুষ--- ব্যবহার করে।
উত্তর: অন্য প্রাণী থেকে মানুষ ভিন্ন, কারণ মানুষ প্রযুক্তি ব্যবহার করে।
২. প্রযুক্তির লক্ষ্য --- নিয়ন্ত্রণ করা।
উত্তর: প্রযুক্তির লক্ষ্য পরিবেশ নিয়ন্ত্রণ করা।
৩. সময় মেনে চলতে যে প্রযুক্তি অবদান রেখেছে তা হলো ---।
উত্তর: সময় মেনে চলতে যে প্রযুক্তি অবদান রেখেছে তা হলো ঘড়ি।
৪. নতুন প্রযুক্তি উদ্ভাবনের মূল উৎস হলো ---।
উত্তর: নতুন প্রযুক্তি উদ্ভাবনের মূল উৎস হলো বিজ্ঞান।

৫. প্রযুক্তির বিকাশে --- আবিষ্কার একটি উল্লেখযোগ্য অবদান।
উত্তর: প্রযুক্তির বিকাশে চাকা আবিষ্কার একটি উল্লেখযোগ্য অবদান।
৬. প্রযুক্তির যথাযথ ব্যবহারে --- এর জ্ঞান জানা প্রয়োজন।
উত্তর: প্রযুক্তির যথাযথ ব্যবহারে পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া-এর জ্ঞান জানা প্রয়োজন।
৭. অন্য সব প্রাণী থেকে মানুষের জীবনধারা ---।
উত্তর: অন্য সব প্রাণী থেকে মানুষের জীবনধারা ভিন্ন।

পিয়ারা আক্তার, শিক্ষক
ফকিরেরপুল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, ঢাকা/আবরার জাহিন

স্থগিত হলো এইচএসসির আরও ৪ পরীক্ষা

প্রকাশ: ২৫ জুলাই ২০২৪, ০২:২৪ পিএম
আপডেট: ২৫ জুলাই ২০২৪, ০২:২৪ পিএম
স্থগিত হলো এইচএসসির আরও ৪ পরীক্ষা
ফাইল ফটো

চলমান এইচএসসি ও সমমানের আরও চারটি পরীক্ষা স্থগিত করেছে বাংলাদেশে আন্তঃশিক্ষাবোর্ড। এর মধ্যে চলতি জুলাইয়ে তিনটি এবং আগস্টে একটি পরীক্ষা হওয়ার কথা ছিল।

বৃহস্পতিবার (২৫ জুলাই) আন্তঃশিক্ষা বোর্ড সমন্বয় কমিটির সভাপতি ও ঢাকা শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান অধ্যাপক তপন কুমার সরকার এ তথ্য জানান।

তিনি বলেন, আগামী ২৮, ২৯ ও ৩১ জুলাই এবং ১ আগস্টের এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষা স্থগিত করা হয়েছে। স্থগিত হওয়া সব পরীক্ষা ১১ আগস্টের পর অনুষ্ঠিত হবে।

বিস্তারিত আসছে...

প্রাথমিক বিদ্যালয় অনির্দিষ্টকালের জন্য বন্ধ

প্রকাশ: ২৫ জুলাই ২০২৪, ১২:৫২ পিএম
আপডেট: ২৫ জুলাই ২০২৪, ১২:৫৪ পিএম
প্রাথমিক বিদ্যালয় অনির্দিষ্টকালের জন্য বন্ধ
ছবি: সংগৃহীত

দেশের চলমান পরিস্থিতিতে সব সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় অনির্দিষ্টকালের জন্য বন্ধ রাখার ঘোষণা দিয়েছে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়।

বুধবার (২৪ জুলাই) প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের জনসংযোগ কর্মকর্তা মাহবুবুর রহমান তুহিন গণমাধ্যমকে এ তথ্য জানিয়েছেন। 

তিনি জানান, শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তার কথা বিবেচনা করে প্রাথমিক বিদ্যালয় অনির্দিষ্টকালের জন্য বন্ধ ঘোষণা করা হয়েছে। পরবর্তী ঘোষণা না দেওয়া পর্যন্ত স্কুল বন্ধ থাকবে।

এদিকে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের আওতাধীন মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক পর্যায়ের সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান (স্কুল, কলেজ, মাদ্রাসা ও কারিগরি প্রতিষ্ঠান) এবং পলিটেকনিক ইনস্টিটিউটগুলোর শ্রেণি কার্যক্রম পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত বন্ধের ঘোষণা দিয়েছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়। জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের অধিভুক্ত কলেজগুলোও বন্ধ ঘোষণা করা হয়েছে। বিশ্ববিদ্যালয়ের সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের অধিভুক্ত সব কলেজ ও প্রতিষ্ঠানগুলো বন্ধ থাকবে।

স্থগিত এইচএসসি পরীক্ষা ১১ আগস্টের পর

প্রকাশ: ২৫ জুলাই ২০২৪, ১২:১৯ পিএম
আপডেট: ২৫ জুলাই ২০২৪, ০২:১৮ পিএম
স্থগিত এইচএসসি পরীক্ষা ১১ আগস্টের পর
খবরের কাগজ (ফাইল ফটো)

সারা দেশে কোটা সংস্কার আন্দোলনে সহিংস কর্মকাণ্ডের ফলে শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তা বিবেচনা করে স্থগিত করা ২০২৪ সালের এইচএসসি ও সমমানের চার দিনের পরীক্ষা আগামী ১১ আগস্টের পর অনুষ্ঠিত হবে।

বৃহস্পতিবার (২৫ জুলাই) আন্তঃশিক্ষা বোর্ড সমন্বয় কমিটির সভাপতি ও ঢাকা শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান অধ্যাপক তপন কুমার সরকার সংবাদমাধ্যমকে এ তথ্য জানান।

তপন কুমার বলেন, ‘স্থগিত হওয়া সব পরীক্ষা ১১ আগস্টের পর অনুষ্ঠিত হবে।’

আর কোনো পরীক্ষা স্থগিত হতে পারে কি না জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘এখনো নিশ্চিত করে বলা যাচ্ছে না। কোনো সিদ্ধান্ত নিলে জানানো হবে।’

চলমান এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষায় গত ১৮ জুলাই সকালে ছিল ভূগোল (তত্ত্বীয়) দ্বিতীয়পত্র এবং বিকেলে ছিল উচ্চাঙ্গ সংগীত (তত্ত্বীয়) প্রথম পত্র, আরবি প্রথম পত্র, পালি প্রথম পত্র পরীক্ষা। 

২১ জুলাই সকালে ছিল রসায়ন (তত্ত্বীয়) প্রথম পত্র, ইসলামের ইতিহাস ও সংস্কৃতি প্রথম পত্র, ইতিহাস প্রথম পত্র, গৃহ ব্যবস্থাপনা ও পারিবারিক জীবন প্রথম পত্র এবং উৎপাদন ব্যবস্থাপনা ও বিপণন প্রথম পত্র।
 
২৩ জুলাই সকালে ছিল রসায়ন (তত্ত্বীয়) দ্বিতীয় পত্র, ইসলামের ইতিহাস ও সংস্কৃতি দ্বিতীয় পত্র, ইতিহাস দ্বিতীয় পত্র, গৃহ ব্যবস্থাপনা ও পারিবারিক জীবন দ্বিতীয় পত্র এবং উৎপাদন ব্যবস্থাপনা ও বিপণন দ্বিতীয় পত্র। 

আর ২৫ জুলাই সকালে ছিল অর্থনীতি দ্বিতীয় পত্র, প্রকৌশল অঙ্কন এবং ওয়ার্কশপ প্র্যাকটিস প্রথমপত্র।

আগামী ২৮ জুলাই যথারীতি সূচি অনুযায়ী পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে।

পূর্ব নির্ধারিত সূচি অনুযায়ী আগামী ১১ আগস্ট এইচএসসির তত্ত্বীয় পরীক্ষা শেষ হওয়ার কথা ছিল।

অমিয়/

শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খোলার বিষয়ে যা জানালেন শিক্ষামন্ত্রী

প্রকাশ: ২৪ জুলাই ২০২৪, ০৯:৪৩ পিএম
আপডেট: ২৪ জুলাই ২০২৪, ০৯:৪৪ পিএম
শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খোলার বিষয়ে যা জানালেন শিক্ষামন্ত্রী
শিক্ষামন্ত্রী মহিবুল হাসান চৌধুরী

শিক্ষার্থীদের শতভাগ নিরাপত্তা নিশ্চিত করেই শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খোলার বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী মহিবুল হাসান চৌধুরী। 

বুধবার (২৪ জুলাই) সচিবালয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের উত্তরে তিনি এ কথা জানান।

মন্ত্রী আরও বলেন, ‘পুনরায় এইচএসসি পরীক্ষা শুরুর বিষয়ে চিন্তা করা হচ্ছে। আগামী সপ্তাহের নির্ধারিত পরীক্ষার বিষয়ে আমরা বসেছি। প্রথম অগ্রাধিকার হচ্ছে, রাজধানীসহ ঢাকা জেলা বা পার্শ্ববর্তী যে জেলাগুলো আছে, সেগুলোর এক রকম পরিস্থিতি। আবার অন্য যে জেলাগুলো আছে, সেখানে আরেক রকম পরিস্থিতি। এসব আলাদাভাবে বিবেচনা করা হচ্ছে।’

পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে জানিয়ে তিনি বলেন, ‘শিক্ষার্থীদের শতভাগ নিরাপত্তা নিশ্চিত করা ছাড়া শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খোলার বিষয়টি এই মুহূর্তে বিবেচনা করতে পারছি না। শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বলতে শুধু বিশ্ববিদ্যালয় ও কলেজ নয়, আমাদেরকে তো বিদ্যালয়গুলো নিয়েও কাজ করতে হয়। তবে উচ্চশিক্ষা প্রতিষ্ঠানের জন্য আলাদাভাবে ভাবতে হবে।’ 

আন্দোলনকারীদের আলটিমেটাম নিয়ে শিক্ষামন্ত্রী বলেন, ‘আন্দোলনের প্রথম থেকে দেখা গেছে, ঘোষণা হচ্ছে একটা। আর কাজ হচ্ছে আরেকটা। ঘোষণাকারীরা বলছেন, শান্তিপূর্ণভাবে এই-সেই করা হবে। তবে এটা যারা বাস্তবায়ন করছেন, তারা কিন্তু সেটা শান্তিপূর্ণ প্রক্রিয়ার মধ্যে রাখছেন না। আলটিমেটাম দিয়ে কেউ যাতে পরিস্থিতি অস্থিতিশীল করতে না পারে, আমরা সেটাই অনুরোধ করব।’ 

প্রাথমিক বিদ্যালয় অনির্দিষ্টকালের জন্য বন্ধ

সারা দেশের সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় অনির্দিষ্টকালের জন্য বন্ধ থাকবে বলে জানিয়েছেন প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়। 

বুধবার রাতে মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র তথ্য কর্মকর্তা মাহবুবুর রহমান তুহিন খবরের কাগজকে এ তথ্য জানান।

তিনি বলেন, ‘শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তার কথা বিবেচনা করে দেশের সব প্রাথমিক বিদ্যালয় আপাতত বন্ধ থাকবে। পরিস্থিতি বিবেচনা করে পরবর্তী সিদ্ধান্ত জানানো হবে।’

প্রাণহানির ঘটনায় বিচার চায় বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় সমিতি

প্রকাশ: ১৮ জুলাই ২০২৪, ০৭:২৪ পিএম
আপডেট: ১৮ জুলাই ২০২৪, ০৭:২৪ পিএম
প্রাণহানির ঘটনায় বিচার চায় বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় সমিতি
বাংলাদেশ বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় সমিতি

কোটা সংস্কার আন্দোলন ঘিরে প্রাণহানির ঘটনায় দোষীদের আইনের আওতায় আনার দাবি জানিয়েছে বাংলাদেশ বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় সমিতি। 

বৃহস্পতিবার (১৮ জুলাই) বিকেলে সমিতির সাধারণ সম্পাদক ড. কাজী আনিস আহমেদ স্বাক্ষরিত বিবৃবিতে এ দাবি জানানো হয়েছে।

এতে বলা হয়, ‘সরকারি চাকরির কোটা পদ্ধতি বিষয়ে দেশব্যাপী সৃষ্ট সংঘাতময় পরিস্থিতিতে বাংলাদেশ বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় সমিতি গভীরভাবে উদ্বিগ্ন। বিশেষত কোটাবিরোধী সাধারণ শিক্ষার্থীদের আন্দোলনকে কেন্দ্র করে দেশের বিভিন্ন স্থানে মর্মান্তিক প্রাণহানির ঘটনায় আমরা গভীরভাবে শোকাহত। সম্ভাবনাময় তরুণ প্রাণের অকালে ঝরে যাওয়া, দেশ ও জাতির জন্য এক অপূরণীয় ক্ষতি। এমন ন্যক্কারজনক ঘটনার তীব্র নিন্দা এবং দোষী ব্যক্তিদের আইনের আওতায় আনার দাবি জানাই। সেই সঙ্গে সহিংসতার ফাঁদে পা না দিয়ে, কোটা সংস্কার প্রসঙ্গে মাননীয় আদালতের সুচিন্তিত রায়ের জন্য শিক্ষার্থীদের ধৈর্যশীল ভূমিকা পালনের আহ্বান জানাই।’

আন্দোলনে স্বার্থান্বেষী মহলের প্ররোচনা থেকে সচেতন থাকার আহ্বান জানিয়ে বিবৃবিতে বলা হয়, ‘বাংলাদেশ বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় সমিতি আশা করে, সংঘাত-সহিংসতা মুক্ত বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের সুনাম রক্ষার্থে শিক্ষার্থীরা, শিক্ষার পরিবেশ ব্যাহত কিংবা ক্যাম্পাস বন্ধ রাখতে হয়, এমন সব কার্যক্রম থেকে নিজেদের বিরত রাখবে। সেসঙ্গে প্রতিযোগিতামূলক বিশ্বে নিজেদের যোগ্য করে গড়ে তোলার লক্ষ্যে লেখাপড়ায় মনোনিবেশ করবে। চলমান অবস্থা দীর্ঘায়িত তথা বিশ্ববিদ্যালয়ের কার্যক্রম বন্ধ থাকলে শিক্ষার্থীরা ক্ষতিগ্রস্ত হবে এবং জাতি হিসেবে আমরা পিছিয়ে পড়ব। বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষার পরিবেশ সমুন্নত রাখার ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট সবার সার্বিক সহযোগিতা একান্তভাবে কাম্য।’