সরকারি, বেসরকারি মাধ্যমিক ও নিম্ন মাধ্যমিক বিদ্যালয়গুলোর ২০২৫ সালের ছুটির তালিকা প্রকাশ করা হয়েছে। শনিবার বহালই থাকছে সাপ্তাহিক বন্ধ।
সোমবার (২৩ ডিসেম্বর) শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের উপসচিব রহিমা আক্তার স্বাক্ষরিত এক প্রজ্ঞাপনে এ তথ্য জানানো হয়।
প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী, শিক্ষাবর্ষ হবে ১ জানুয়ারি থেকে ৩১ ডিসেম্বর ২০২৫ পর্যন্ত। দীর্ঘতম ছুটি থাকবে টানা ২৮ দিন। যা শুরু হবে ২ মার্চ থেকে। রমজান, ঈদুল ফিতর, স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস, দোলযাত্রাসহ মিলিয়ে এই বন্ধ শেষ হবে ৮ এপ্রিল। এ ছাড়া গ্রীষ্মকালীন অবকাশ ও ঈদুল আজহার বন্ধ থাকবে ১৫ দিন। দুর্গাপূজার বন্ধ ৮ দিন। শীতকালীন অবকাশ ১১ দিন। সাপ্তাহিক ছুটি (শুক্রবার ও শনিবার) ব্যতীত ছুটি ৭৬ দিন।
২০২৫ সালের সরকারি, বেসরকারি মাধ্যমিক ও নিম্ন মাধ্যমিক বিদ্যালয়গুলোর ছুটির তালিকা নিচে দেওয়া হলো-

অপরদিকে ২৪ জুন থেকে ১০ জুলাই পর্যন্ত অনুষ্ঠিত হবে অর্ধ-বার্ষিক পরীক্ষা। বার্ষিক পরীক্ষা শুরু হবে ২০ নভেম্বর থেকে, চলবে ৭ ডিসেম্বর পর্যন্ত।
শীতকালীন ছুটি, অর্ধ-বার্ষিক পরীক্ষা ও বার্ষিক পরীক্ষার সময়সূচি নিচে দেওয়া হলো-

মন্ত্রণালয়ের নির্দেশনা
ছুটির প্রজ্ঞাপনে বেশ কয়েকটি নির্দেশনা দিয়েছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়।
এর মধ্যে রয়েছে- উল্লিখিত পরীক্ষার সময়সূচি অনুযায়ী অর্ধ-বার্ষিক পরীক্ষা, প্রাক নির্বাচনি পরীক্ষা, নির্বাচনি পরীক্ষা ও বার্ষিক পরীক্ষা গ্রহণ নিশ্চিত করতে হবে এবং বার্ষিক পরীক্ষার উত্তরপত্র অন্তত এক বছর সংরক্ষণ করতে হবে। প্রতি পরীক্ষার সময় ১২ কর্মদিবসের বেশি হবে না। স্ব-স্ব বিদ্যালয় পরীক্ষার প্রশ্নপত্র (পাবলিক পরীক্ষা ব্যতীত) নিজেরাই প্রণয়ন করবেন। কোনো অবস্থাতেই অন্য কোনো উৎস থেকে সংগৃহীত প্রশ্নপত্রে পরীক্ষা নেওয়া যাবে না। পরীক্ষার নির্ধারিত তারিখ পরিবর্তন করা যাবে না। তবে কোনো বিশেষ কারণে পরীক্ষার তারিখ পরিবর্তন করতে হলে মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তরের পূর্বানুমতি নিতে হবে। কোনো সরকারি কর্মকর্তার পরিদর্শন উপলক্ষে বিদ্যালয় ছুটি দেওয়া যাবে না এবং সংবর্ধনা/পরিদর্শন উপলক্ষে শিক্ষার্থীদের ক্লাস বন্ধ করা যাবে না। সংবর্ধিত/পরিদর্শনকারী ব্যক্তির প্রতি সম্মান প্রদর্শনের জন্য শিক্ষার্থীদের রাস্তায় দাঁড় করানো যাবে না। ছুটিকালীন অনুষ্ঠেয় ভর্তি কার্যক্রম সম্পাদন ও অন্যান্য পরীক্ষা অনুষ্ঠানের জন্য প্রয়োজনে বিদ্যালয় খোলা রাখতে হবে।এসএসসি পরীক্ষার সময় পরীক্ষাকেন্দ্র ব্যতীত অন্য বিদ্যালয়গুলোতে যথারীতি শ্রেণি কার্যক্রম চালু থাকবে। জাতীয়ভাবে গুরুত্বপূর্ণ দিবস ২৬ মার্চ, ২১ ফেব্রুয়ারি, বাংলা নববর্ষ ও ১৬ডিসেম্বর যথাযোগ্য মর্যাদায় বিদ্যালয়ে উদযাপন করতে হবে।
নির্দেশনাগুলো হলো-

কবির/সালমান/ লেখাপড়া ডেস্ক