ঢাকা ২৬ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩, মঙ্গলবার, ০৯ জুন ২০২৬

সর্বশেষ
যেখানে ফাঁকি দেওয়ার কোনো সুযোগ নেই নিয়োগ দিচ্ছে ব্র্যাক ব্যাংক গোপালগঞ্জে ইয়াবা ও মদসহ ২ মাদককারবারি আটক গোপালগঞ্জে ইয়াবা ও ভারতীয় মদসহ দুই মাদককারবারি আটক গোপালগঞ্জে পৃথক সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত ২ ঘুমধুম সীমান্তে আবারও মাইন বিস্ফোরণ, যুবক নিহত কুমিল্লায় মহাসড়কে পুলিশের গাড়িতে হামলা, ভাঙচুর নেতানিয়াহুর প্রতি ট্রাম্পের অসন্তোষ, মধ্যপ্রাচ্যে শান্তি আলোচনা নিয়ে নতুন বার্তা রায়পুরে হাসপাতাল ও ওষুধের দোকানের বর্জ্যে দূষণ, স্বাস্থ্যঝুঁকিতে এলাকাবাসী বেটিং সিন্ডিকেটের বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ান এইচআইভি চিকিৎসায় বড় সাফল্য ছয় বিষয়ের অনার্স কোর্স কি আসলেই বাতিল হচ্ছে? যা জানালেন প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা গফরগাঁওয়ে কলেজছাত্রকে কুপিয়ে হত্যা সরকার আ.লীগের কর্মকাণ্ড নিষিদ্ধই রাখতে চায়: তথ্য উপদেষ্টা দুইজনের মৃত্যুর পর ডেঙ্গুর টিকা স্থগিত সুপ্রিম কোর্ট সচিবালয় নিয়ে হাইকোর্টের রায় স্থগিত যুক্তরাষ্ট্রের ইতিহাসে সবচেয়ে বড় নাগরিকত্ব বাতিল অভিযান ট্রাম্প প্রশাসনের লাল বাহাদুর দুধ দিয়ে গোসল করে আর্জেন্টিনা ছেড়ে ব্রাজিল শিবিরে ওজন কমানোর অনুমোদনহীন ওষুধের নতুন ক্রেজ এক লাখ কর্মী পাঠানোর পরিকল্পনায় সম্মতি রাশিয়ার পাঠকের গল্প : বিষ খেতে গিয়ে প্রতারণার শিকার চায়নিজ জামাই চাকরি দেবে রেড ক্রস ও রেড ক্রিসেন্ট প্রধানমন্ত্রীর সভাপতিত্বে চলছে একনেক সভা বাংলাদেশি ব্যবহারকারীদের জন্য ফ্রি গুগল এআই প্রো নিয়ে এল টেকনো ব্রাজিলিয়ানদের সুখবর দিলেন নেইমার রংপুরে ওয়ার্ডভিত্তিক অপরাধচক্র শনাক্তের নির্দেশ আরপিএমপির ফটিকছড়িতে আওয়ামী লীগের লিফলেট তৈরির সময় আটক ২ দেশের ১৬ জেলায় বজ্রবৃষ্টির পূর্বাভাস
Nagad desktop

নগদ প্রবাহ বিবরণী অধ্যায়ের ১১টি বহুনির্বাচনি প্রশ্ন ও উত্তর, ১১তম পর্ব, এইচএসসি পরীক্ষার হিসাববিজ্ঞান ২য় পত্র

প্রকাশ: ০৪ জানুয়ারি ২০২৬, ০৩:৩১ পিএম
নগদ প্রবাহ বিবরণী অধ্যায়ের ১১টি বহুনির্বাচনি প্রশ্ন ও উত্তর, ১১তম পর্ব, এইচএসসি পরীক্ষার হিসাববিজ্ঞান ২য় পত্র
শিক্ষার্থীরা পরীক্ষার কেন্দ্রে ঢোকার আগে রিভিশন দিচ্ছে। ছবি- সংগৃহীত

তৃতীয় অধ্যায় : নগদ প্রবাহ বিবরণী

(৩১ ডিসেম্বর প্রকাশের পর)

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন ও উত্তর

৯৬। রায় গ্রুপের প্রারম্ভিক ও সমাপনী প্রদেয় হিসাব যথাক্রমে ৩০,০০০ টাকা ও ৪০,০০০ টাকা। চলতি বছরে কেনার পরিমাণ ছিল ২,০০,০০০ টাকা। প্রদেয় হিসাবের বিপরীতে নগদ প্রদানের পরিমাণ কত?
ক) ১,৯০,০০০ টাকা    খ) ২,২০,০০০ টাকা
গ) ২,৪০,০০০ টাকা    ঘ) ২,৬০,০০০ টাকা

৯৭। প্রদেয় বিল পরিশোধ করলে নগদ প্রবাহ বিবরণীর কোন অংশ প্রভাবিত হয়?
ক) পরিচালন কার্যক্রম    খ) বিনিয়োগ কার্যক্রম
গ) আয়-ব্যয় কার্যক্রম    ঘ) আর্থিক কার্যক্রম

৯৮। কোন পদ্ধতিতে বকেয়াভিত্তিক হিসাবরক্ষণ ব্যবস্থা নগদানভিত্তিতে রূপান্তরিত হয়?
ক) মিশ্র পদ্ধতি       খ) মোট পদ্ধতি
গ) প্রত্যক্ষ পদ্ধতি    ঘ) পরোক্ষ পদ্ধতি

৯৯। কোন খরচের জন্য নগদ দেওয়া হয়?
ক) অবচয় খরচ    খ) অবলোপন খরচ
গ) বেতন              ঘ) নিঃশেষ খরচ

১০০। কীভাবে প্রতিষ্ঠানে নগদ অর্থের আগমন ঘটে?
ক) আয়কর দেওয়ার ফলে
খ) সেবার বিনিময়ে
গ) মাল কেনার কারণে
ঘ) সুদ দেওয়ার কারণে

আরো পড়ুন : নগদ প্রবাহ বিবরণী অধ্যায়ের ৯টি বহুনির্বাচনি প্রশ্ন ও উত্তর, ১০ম পর্ব, এইচএসসি পরীক্ষার হিসাববিজ্ঞান ২য় পত্র

১০১। কোথায় অবচয় সংক্রান্ত লেনদেন অন্তর্ভুক্ত করা হয়?
ক) পরিবর্তনশীল পদ্ধতিতে
খ) মিশ্র পদ্ধতিতে
গ) প্রত্যক্ষ পদ্ধতিতে
ঘ) পরোক্ষ পদ্ধতিতে

১০২। দীর্ঘমেয়াদি বন্ডকে সাধারণ শেয়ারে পরিবর্তন করলে তা কোথায় অন্তর্ভুক্ত হবে?
ক) অর্থায়ন কার্যাবলিতে
খ) বিনিয়োগ কার্যাবলিতে
গ) এটি একটি অনগদ অর্থায়ন কার্যক্রম
ঘ) পরিচালন কার্যাবলিতে

১০৩। প্রতিষ্ঠানের অফিস বিল্ডিং বন্ধক রেখে ব্যাংক থেকে ঋণ নেওয়া হলো ১,০০,০০,০০০ টাকা। এটি নগদ প্রবাহ বিবরণীর কোথায় যাবে?
ক) পরিচালন কার্যাবলিতে
খ) অর্থায়ন কার্যাবলিতে
গ) বিনিয়োগ কার্যাবলিতে
ঘ) অপরিচালন কার্যাবলিতে

১০৪। কোন পদ্ধতিতে কর্মচারীদের নগদ প্রদান লিপিবদ্ধ করা হয়?
ক) প্রত্যক্ষ পদ্ধতিতে     খ) পরোক্ষ পদ্ধতিতে 
গ) মিশ্র পদ্ধতিতে         ঘ) পরিবর্তনশীল পদ্ধতিতে 

১০৫। ২০২০ সালের ৩১ ডিসেম্বর তারিখে আসবাবপত্র বিক্রি ১২,০০০ টাকা (কেনামূল্য ০১.০১.২০২০ তারিখে ১৫,০০০ টাকা): আসবাবপত্রের অবচয় ১০% আসবাবপত্র বিক্রিজনিত লাভ/ক্ষতি কত হবে?
ক) ক্ষতি ২,৫০০ টাকা    খ) লাভ ২,৫০০ টাকা
গ) ক্ষতি ১,৫০০ টাকা     ঘ) লাভ ১,৫০০ টাকা

১০৬। প্রারম্ভিক ও সমাপনী মজুত পণ্য যথাক্রমে ১০,০০০ টাকা ও ৫,০০০ টাকা। প্রারম্ভিক ও সমাপনী প্রদেয় হিসাবের পরিমাণ যথাক্রমে ১৮,০০০ টাকা ও ২২,০০০ টাকা। বিক্রীত পণ্যের ব্যয় ৭০,০০০ টাকা। সরবরাহকারীদের নগদ দেওয়ার পরিমাণ কত?
ক) ৬১,০০০ টাকা    খ) ৬৮,০০০ টাকা
গ) ৭০,০০০ টাকা    ঘ) ৭২,০০০ টাকা

উত্তর: ৯৬. ক, ৯৭. ক, ৯৮. ঘ, ৯৯. গ, ১০০. খ, ১০১. ঘ, ১০২. গ, ১০৩. খ, ১০৪. ক, ১০৫. গ, ১০৬. ক।

লেখক : সহকারী অধ্যাপক, হিসাববিজ্ঞান বিভাগ
সিদ্ধেশ্বরী কলেজ, ঢাকা

কবীর

ছয় বিষয়ের অনার্স কোর্স কি আসলেই বাতিল হচ্ছে? যা জানালেন প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা

প্রকাশ: ০৯ জুন ২০২৬, ০১:১৩ পিএম
আপডেট: ০৯ জুন ২০২৬, ০১:৪৮ পিএম
ছয় বিষয়ের অনার্স কোর্স কি আসলেই বাতিল হচ্ছে? যা জানালেন প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা
ডা. জাহেদ উর রহমান

বাংলা, ইতিহাস দর্শনসহ ছয়টি বিষয়ে অনার্স (সম্মান) কোর্স বাতিল হতে পারে বলে গণমাধ্যমে প্রকাশিত খবরের বিষয়ে কথা বলেছেন প্রধানমন্ত্রীর তথ্য সম্প্রচার উপদেষ্টা ডা. জাহেদ উর রহমান। তিনি জানান, সরকারের পক্ষ থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে কিছু জানানোর আগ পর্যন্ত এই খবরটিকে গুরুত্ব দেওয়ার প্রয়োজন নেই।

মঙ্গলবার ( জুন) সচিবালয়ে তথ্য অধিদপ্তরের সম্মেলনকক্ষে আয়োজিত এক ব্রিফিংয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি কথা বলেন।

প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা বলেন, ‘এই বিষয়গুলোতে অনার্স থাকবে না, আমি এমনটা মনে করি না। তবে এগুলো কতগুলো জায়গায় বা কয়টি বিশ্ববিদ্যালয়ে রাখা হবে, তা নিয়ে আলোচনা হতেই পারে।’

দেশের কর্মসংস্থান দক্ষ জনগোষ্ঠীর প্রয়োজনীয়তার কথা উল্লেখ করে তিনি আরও বলেন, প্রতি বছর দেশে প্রায় ২১ থেকে ২২ লাখ মানুষ কর্মবাজারে প্রবেশ করেন। কিন্তু সরকারি বেসরকারি খাত মিলিয়ে সর্বোচ্চ সাত থেকে আট লাখের বেশি মানুষের কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি করা সম্ভব হয় না। তাই দক্ষ জনগোষ্ঠী গড়ে তোলার ওপর জোর দিচ্ছে সরকার।

আজহার/অমিয়/

পড়ে পাওয়া গল্প থেকে ৭টি বহুনির্বাচনি প্রশ্ন ও উত্তর, ১ম পর্ব, অষ্টম শ্রেণির বাংলা

প্রকাশ: ০৯ জুন ২০২৬, ১১:১৮ এএম
আপডেট: ০৯ জুন ২০২৬, ১১:১৯ এএম
পড়ে পাওয়া গল্প থেকে ৭টি বহুনির্বাচনি প্রশ্ন ও উত্তর, ১ম পর্ব, অষ্টম শ্রেণির বাংলা
‘পড়ে পাওয়া’ রচনাটির লেখক বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়। প্রতীকী ছবি- সংগৃহীত

গল্প : পড়ে পাওয়া

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন ও উত্তর

১। বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়ের পৈতৃক বাড়ি পশ্চিমবঙ্গের চব্বিশ পরগনা জেলার কোন গ্রামে? 
(ক) বারাকপুরে     (খ) নির্বিষখোলায়        
(গ) অম্বরপুরে      (ঘ) চাঁপাতলীতে

২। বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায় কত সালের কত তারিখে জন্মগ্রহণ করেন? 
(ক) ১৮৯০ সালের ১ মার্চ    
(খ) ১৮৯৩ সালের ১৫ মে
(গ) ১৮৯৪ সালের ১২ সেপ্টেম্বর    
(ঘ) ১৮৯৫ সালের ২৭ জুন

৩। ‘পড়ে পাওয়া’ রচনাটির লেখক কে? 
(ক) বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়    
(খ) মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
(গ) শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়    
(ঘ) রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর

৪। বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়ের মায়ের নাম কী? 
(ক) বামাসুন্দরী দেবী    (খ) স্বর্ণকুমারী দেবী
(গ) মৃণালিনী দেবী       (ঘ) রানী বিলাসমনি

আরো পড়ুন : অতিথির স্মৃতি গল্প থেকে ৪টি বহুনির্বাচনি প্রশ্ন ও উত্তর, ১২তম পর্ব, অষ্টম শ্রেণির বাংলা

৫। বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়ের বাবার নাম কী? 
(ক) মহারাজ বন্দ্যোপাধ্যায় 
(খ) মহানন্দ বন্দ্যোপাধ্যায়
(গ) নারায়ণ বন্দ্যোপাধ্যায়    
(ঘ) নরেন বিশ্বাস

৬। বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়ের বাবার পেশা কী ছিল? 
(ক) কবিরাজি                        (খ) শিক্ষকতা
(গ) কথকতা ও পৌরোহিত্য    (ঘ) ঠিকাদারি

৭। বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়ের শ্রেষ্ঠ কীর্তি ও বাংলা সাহিত্যের অমূল্য সম্পদ হলো-
(ক) পথের পাঁচালী উপন্যাস     
(খ) অপরাজিত উপন্যাস
(গ) দুটোই    
(ঘ) একটিও নয়

উত্তর: ১. ক, ২. গ, ৩. ক, ৪. গ, ৫. খ, ৬. গ, ৭. গ।

লেখক : সহকারী অধ্যাপক, বাংলা বিভাগ
রাজউক উত্তরা মডেল কলেজ, ঢাকা

কবীর

প্রযুক্তিনির্ভর শিক্ষায় জোর: বাতিল হতে পারে ৬ বিষয়ে অনার্স কোর্স

প্রকাশ: ০৯ জুন ২০২৬, ১০:৪৮ এএম
আপডেট: ০৯ জুন ২০২৬, ১১:১৬ এএম
প্রযুক্তিনির্ভর শিক্ষায় জোর: বাতিল হতে পারে ৬ বিষয়ে অনার্স কোর্স
ছবি: সংগৃহীত

দেশের শিক্ষাব্যবস্থাকে যুগোপযোগী কর্মমুখী করতে বড় ধরনের পরিবর্তনের পরিকল্পনা করছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়। মন্ত্রণালয়ের একটি নতুন খসড়া মডেল অনুযায়ী- বাংলা, ইতিহাস দর্শনসহ প্রায় ৬টি বিষয়ের অনার্স (সম্মান) কোর্স বাতিল করা হতে পারে। তবে এই বিষয়গুলো একেবারে বাদ না দিয়ে অন্যান্য বিষয়ের সঙ্গে সমন্বয় করা হবে।

একই সঙ্গে আইটি (তথ্যপ্রযুক্তি) কারিগরি শিক্ষার পরিধি বাড়ানো হচ্ছে। শিক্ষার সঙ্গে কর্মসংস্থানের সরাসরি সংযোগ স্থাপনের লক্ষ্যে পাঠ্যক্রমে যুক্ত হচ্ছে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই), সাইবার সিকিউরিটি, আউটসোর্সিং এবং অন্যান্য প্রযুক্তিনির্ভর দক্ষতাভিত্তিক বিষয়।

এছাড়া কলেজ পর্যায় থেকেই ফ্রিল্যান্সিং প্রশিক্ষণ চালু করা, ক্যারিয়ার সেন্টার প্রতিষ্ঠা এবং শিক্ষার্থীদের সাতটি বিদেশি ভাষা শেখানোর উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে।

শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের একাধিক শীর্ষ কর্মকর্তা সংবাদমাধ্যমকে জানিয়েছেন, বিষয়টি নিয়ে এখনো আলোচনা চলছে এবং সবার মতামত নিয়েই চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।

এর আগে প্রধানমন্ত্রী সনদনির্ভর শিক্ষার পরিবর্তে দক্ষতাভিত্তিক, প্রযুক্তিনির্ভর এবং বাস্তবমুখী শিক্ষাব্যবস্থা গড়ে তোলার জন্য শিক্ষামন্ত্রীকে নির্দেশনা দেন। পরবর্তীতে একাধিক অনুষ্ঠানে শিক্ষামন্ত্রী এহছানুল হক মিলন বলেন, সরকার এমন একটি শিক্ষাব্যবস্থা গড়ে তুলতে চায়, যেখানে শুধু ডিগ্রি অর্জন নয়, বরং দক্ষ কর্মক্ষম মানবসম্পদ তৈরি হবে। দৈনিক ইত্তেফাকের একটি প্রতিবেদনে এই তথ্যগুলো উঠে এসেছে।

শিক্ষাবিদদের মতে, দেশের প্রচলিত শিক্ষা ব্যবস্থা কর্মসংস্থানের সঙ্গে সংযোগ স্থাপন করতে পারছে না। ফলে দিন দিন শিক্ষিত তরুণ বেকারের সংখ্যা আশঙ্কাজনকভাবে বাড়ছে। বিশেষ করে উচ্চশিক্ষিতদের মধ্যে বেকারত্বের হার গত ১৩ বছরে প্রায় আট গুণ বেড়েছে অথচ দেশের ৮৫ শতাংশ কর্মসংস্থানই অপ্রাতিষ্ঠানিক খাতের।

দেশের সবচেয়ে বড় দুটি পাবলিক পরীক্ষা- এসএসসি এইচএসসির বিষয়ের সংখ্যা এবং পরীক্ষা গ্রহণের কর্মদিবস উল্লেখযোগ্য হারে কমিয়ে আনার পরিকল্পনা করা হচ্ছে। জাতীয় শিক্ষাক্রম পাঠ্যপুস্তক বোর্ড (এনসিটিবি) এরই মধ্যে সংক্রান্ত একটি প্রাথমিক ধারণাপত্র কর্মপরিকল্পনা তৈরি করে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের অনুমোদনের জন্য পাঠিয়েছে বলে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা নিশ্চিত করেছেন।

এনসিটিবি সূত্রে জানা গেছে, বর্তমানে এসএসসি পরীক্ষা শেষ করতে ২৫ থেকে ৩০ কর্মদিবস এবং এইচএসসিতে ৩০ থেকে ৩৫ কর্মদিবস বা তারও বেশি সময় লেগে যায়। দীর্ঘ সময় ধরে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলো পরীক্ষাকেন্দ্র হিসেবে ব্যবহৃত হওয়ায় হাজার হাজার স্কুলে স্বাভাবিক পাঠদান বন্ধ থাকে। এতে অন্য শ্রেণির শিক্ষার্থীদের শিখন ঘণ্টা (লার্নিং আওয়ার্স) মারাত্মকভাবে কমে যায়। পাশাপাশি দীর্ঘমেয়াদী পরীক্ষার কারণে পরীক্ষার্থীরাও অসহনীয় মানসিক চাপে ভোগে। এই জটলা শিক্ষার্থীদের মানসিক চাপ কমানোই সরকারের নতুন পরিকল্পনার মূল লক্ষ্য।

সরকার ২০২৮ সাল থেকে যে নতুন শিক্ষাক্রম চালুর পরিকল্পনা হাতে নিয়েছে, তাতে নতুন চারটি বিষয় যুক্ত করার কথা জানিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী এহছানুল হক মিলন। এর মধ্যে চতুর্থ শ্রেণি থেকে ক্রীড়া সংস্কৃতি নিয়ে দুটি বিষয় পড়তে হবে। আর ষষ্ঠ শ্রেণি থেকে যুক্ত হবেকারিগরি বৃত্তিমূলক শিক্ষাএবংলার্নিং উইথ হ্যাপিনেস’ (সুখে শিখন) এছাড়া নতুন শিক্ষাক্রমে বাংলা ইংরেজির পাশাপাশি তৃতীয় একটি ভাষা শিক্ষায় গুরুত্ব দেওয়া হবে, যা কোনো একটি বিষয়ের সঙ্গেবড় অধ্যায়হিসেবে যুক্ত হতে পারে।

সোমবার ( জুন) বিকেলে সচিবালয়ে মাধ্যমিক উচ্চ শিক্ষা বিভাগের সম্মেলন কক্ষে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে শিক্ষামন্ত্রী এহছানুল হক মিলন নতুন শিক্ষাক্রমের এসব পরিকল্পনা তুলে ধরেন।

তিনি বলেন, ‘আমরা প্রথমত বিদ্যমান শিক্ষাক্রমকে সঠিকভাবে পরিমার্জন করে, বাস্তব সম্মতভাবে এটাকে আমরা রিভাইজ করে এই ২০২৭ সালে দিচ্ছি। আর টোটাল চেইঞ্জ যেটা আশা করছেন, সেটা আমরা কাজ শুরু করেছি। ২০২৮ সালে গিয়ে আপনারা সেটা দেখতে পারবেন, এখন নয়। কারিকুলাম খুব সুন্দর হচ্ছে এবং চারটি নতুন বিষয় যুক্ত হচ্ছে।’

এর আগে প্রধানমন্ত্রীর শিক্ষা, প্রাথমিক গণশিক্ষা বিষয়ক উপদেষ্টা মাহদী আমিন নতুন শিক্ষাক্রমে এই চারটি নতুন বিষয় অন্তর্ভুক্ত হওয়ার কথা জানান।

তিনি বলেন, ১৬ বছরের সব সমস্যা হয়তো এক দিনে বা এক বছরে সমাধান করা যাবে না। তবে আমরা বিশ্বাস করি, আমাদের সর্বোচ্চ আন্তরিকতা রয়েছে। যতটা দ্রুত সম্ভব আমরা প্রয়োজনীয় পরিবর্তন আনব। এখানে কারিকুলামের ভেতরে একটি অংশ রয়েছে, যেখানে প্রয়োজনীয় সংযোজন, বিয়োজন পরিমার্জন করতে হবে। পাশাপাশি নতুন কিছু বিষয় আমরা যুক্ত করছি।‘

প্রাকৃতিক ভূগোল অধ্যায়ের ১৩টি বহুনির্বাচনি প্রশ্ন ও উত্তর, ১ম পর্ব, এইচএসসির ভূগোল ১ম পত্র

প্রকাশ: ০৮ জুন ২০২৬, ০৪:১৭ পিএম
প্রাকৃতিক ভূগোল অধ্যায়ের ১৩টি বহুনির্বাচনি প্রশ্ন ও উত্তর, ১ম পর্ব, এইচএসসির ভূগোল ১ম পত্র
পৃথিবীর প্রাকৃতিক ভৌগোলিক অবস্থা। ছবি- সংগৃহীত

প্রথম অধ্যায় : প্রাকৃতিক ভূগোল

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন ও উত্তর

১. আধুনিক ভূগোলের জনক কে?
ক) ইমানুয়েল কান্ট    
খ) রিচার্ড হার্টশোন
গ) ভন হামবোল্ট    
ঘ) হোমার

২. সমুদ্রবিদ্যার আলোচিত বিষয় হলো-
i. সমুদ্র স্রোত    
ii. জাহাজ ও স্টিমার
iii. জোয়ারভাটা
নিচের কোনটি সঠিক?
ক) i ও ii       খ) i ও iii
গ) ii ও iii     ঘ) i, ii ও iii

৩. ভূগোলের জনক কে?
ক) ইরাটোসথেনিস    খ) ডাডলি স্ট্যাম্প
গ) কার্ল রিটার           ঘ) ম্যাকনি

৪. প্রাকৃতিক ভূগোলের মূল বিষয়বস্তু কী?
ক) সমুদ্র           খ) পৃথিবী
গ) সৌরজগৎ    ঘ) ভূমিরূপ 

৫. প্রাকৃতিক ভূগোলের নবীনতম শাখা কোনটি?
ক) জীবভূগোল    খ) জলবায়ুবিদ্যা
গ) সমুদ্রবিদ্যা     ঘ) ভূমিরূপবিদ্যা

৬. প্রাকৃতিক ভূগোলের অন্তর্ভুক্ত হলো-
i. প্রাকৃতিক উপাদানগুলোর স্থানিক ও কালিক বিশ্লেষণ
ii. আঞ্চলিক তারতম্য বিশ্লেষণ
iii. মানুষ ও প্রকৃতির মিথস্ক্রিয়া
নিচের কোনটি সঠিক?
ক) i ও ii    খ) i ও iii
গ) ii ও iii    ঘ) i, ii ও iii

৭. ‘Geography’ শব্দটি প্রথম ব্যবহার করেছিলেন কে?
ক) কার্ল রিটার          খ) টলেমি
গ) ইরাটোসথেনিস    ঘ) স্ট্রারো

৮. প্রাকৃতিক ভূগোলের কোন শাখায় নদীর কার্য নিয়ে বর্ণনা রয়েছে?
ক) জলবায়ুবিদ্যায়    খ) ভূমিরূপবিদ্যায়
গ) বারিমণ্ডলে          ঘ) জীবমণ্ডলে

৯. প্রাকৃতিক ভূগোলের পরিসরের অন্তর্ভুক্ত কোনটি?
ক) জনসংখ্যা ভূগোল    খ) বসতি ভূগোল
গ) কৃষি ভূগোল             ঘ) সমুদ্র ভূগোল

১০. প্রাকৃতিক ভূগোলের গুরুত্বপূর্ণ আলোচ্য বিষয় নিচের কোনটি?
ক) মৃত্তিকা বিশ্লেষণ    
খ) মহাকাশ গবেষণা
গ) জীবের উৎপত্তি    
ঘ) বায়ুমণ্ডলীয় তাৎপর্য

১১. প্রাকৃতিক ভূগোলে আলোচিত হয়-
i. সাগর, মহাসাগরের তলদেশের ভূ-প্রকৃতি
ii. বিশ্ব যোগাযোগ ব্যবস্থা
iii. পৃথিবীর জলবায়ু অঞ্চলের বৈশিষ্ট্য
নিচের কোনটি সঠিক?
ক) i ও ii      খ) i ও iii
গ) ii ও iii     ঘ) i, ii ও iii

১২. ভূমিধসের বিষয় আলোচনা করা হয়-    
ক) বাস্তুবিদ্যায়    খ) ভূমিরূপবিদ্যায়
গ) সমুদ্রবিদ্যায়    ঘ) জলবায়ুবিদ্যায়

১৩. ভূগোলের যাত্রা শুরু হয় কোন যুগে?
ক) রোমান যুগে    খ) গ্রিক যুগে
গ) মিসরীয় যুগে    ঘ) মুসলিম যুগে

উত্তর: ১. গ, ২. খ, ৩. ক, ৪. খ, ৫. ক, ৬. ঘ, ৭.গ, ৮. খ,  ৯. ঘ, ১০. ঘ, ১১. খ, ১২. খ, ১৩. খ।

লেখক : প্রভাষক
ভিকারুননিসা নূন স্কুল অ্যান্ড কলেজ, ঢাকা

কবীর

সিরাজউদ্দৌলা নাটকের ৪টি অনুধাবনমূলক প্রশ্ন ও উত্তর, ৩য় পর্ব, এইচএসসির বাংলা ১ম পত্র

প্রকাশ: ০৮ জুন ২০২৬, ০৩:১৮ পিএম
সিরাজউদ্দৌলা নাটকের ৪টি অনুধাবনমূলক প্রশ্ন ও উত্তর, ৩য় পর্ব, এইচএসসির বাংলা ১ম পত্র
শিক্ষার্থীরা শিক্ষকের লেকচার শুনছে ও নোট করছে। ছবি- খবরের কাগজ

নাটক : সিরাজউদ্দৌলা 

অনুধাবনমূলক প্রশ্ন ও উত্তর

প্রশ্ন: ‘একটা দিন, মাত্র একটা দিনও যদি ওই মসনদে মাথা উঁচু করে আমি বসতে পারতাম।’- ব্যাখ্যা করো। 

উত্তর: ‘সিরাজউদ্দৌলা’ নাটকের দ্বিতীয় অঙ্কের দ্বিতীয় দৃশ্যে মীর জাফরের এ সংলাপে ক্ষমতার প্রতি তার লোলুপ মানসিকতার প্রকাশ ঘটেছে।
মীর জাফর সিরাজউদ্দৌলার প্রধান সেনাপতি। আলীবর্দীর আমল থেকেই তার লোভ ছিল বাংলার মসনদের প্রতি। এ কারণেই সিরাজের শাসনকে তিনি মেনে নিতে পারেননি। সিরাজের জায়গায় নিজে সিংহাসনে বসার জন্য নানা ষড়যন্ত্র করেছেন। পবিত্র কোরআনে হাত রেখে শপথ করেও তিনি বিশ্বাসঘাতকতা করেছেন। তার বাড়িতে ষড়যন্ত্র সভার একপর্যায়ে জগৎশেঠ, রাজবল্লভসহ অন্যদের সঙ্গে আলোচনার সময় ওপরের বাক্যটি বলে তার সিংহাসনে বসার তীব্র আকাঙ্ক্ষা প্রকাশ করেন এবং বাস্তবিক অর্থে স্বপ্ন-বিভোর হয়ে ওঠেন। 

প্রশ্ন: ‘ দৌলত আমার কাছে ভগবানের দাদামশায়ের চেয়ে বড়’- ব্যাখ্যা করো। 

উত্তর: ‘সিরাজউদ্দৌলা’ নাটকের প্রথম অঙ্কের তৃতীয় দৃশ্যে উমিচাঁদের এ উক্তিতে অর্থের প্রতি তার লোলুপ মানসিকতার পরিচয় পাওয়া যায়। 
‘সিরাজউদ্দৌলা’ নাটকে নবাব সিরাজউদ্দৌলার অমাত্যদের অধিকাংশই ছিল অর্থলোভী ও বিশ্বাসঘাতক। তাদের মধ্যে সবচেয়ে বেশি অর্থলোভী ও ব্যক্তিত্বহীন ছিল উমিচাঁদ। অর্থের জন্য তিনি একেক সময় একেকজনের পক্ষ নিতেন। ঘসেটি বেগমের সঙ্গে কথা বলার একপর্যায়ে উমিচাঁদ জানান যে, তিনি দৌলতের পূজারি। কারণ  দৌলত বা অর্থ তার কাছে ‘ভগবানের দাদামশায়ের চেয়েও বড়।’ এই অর্থের জন্যই তিনি নবাবকে ছেড়ে শওকতজঙ্গকে ক্ষমতায় আনতে সাহায্য করতে চান। একেকজন একেকরকম চাইলেও উমিচাঁদের চাওয়া কেবলই অর্থ। 

আরো পড়ুন : সিরাজউদ্দৌলা নাটকের ৪টি অনুধাবনমূলক প্রশ্ন ও উত্তর, ২য় পর্ব, এইচএসসির বাংলা ১ম পত্র

প্রশ্ন: ‘তোমার ক্ষমতা ধ্বংস হবে সিরাজ’- ব্যাখ্যা করো।

উত্তর: ‘সিরাজউদ্দৌলা’ নাটকের প্রথম অঙ্কের তৃতীয় দৃশ্যে হিংসাপরায়ণ হয়ে ঘসেটি বেগম সিরাজউদ্দৌলাকে লক্ষ করে ওপরের উক্তিটি করেছিলেন, কারণ নবাব তাকে মতিঝিল প্রাসাদ থেকে গৃহবন্দি করতে সেনাপতি মোহনলালকে নির্দেশ দিয়েছিলেন।
নবাব সিরাজউদ্দৌলাকে সরিয়ে যারা অর্থ ও ক্ষমতা লাভের জন্য ষড়যন্ত্র করেছিলেন, তাদের সঙ্গে যোগ দিয়েছিলেন ঘসেটি বেগম। সিরাজউদ্দৌলা নবাব হলে তা মেনে নিতে পারেননি ঘসেটি বেগম। তাই তিনি গোপনে মীর জাফর ও অন্যদের সঙ্গে ষড়যন্ত্র করেন। নবাব সিরাজউদ্দৌলা ঘসেটি বেগমের এই কর্মকাণ্ড বুঝতে পেরে তাকে মতিঝিল থেকে নবাবের মায়ের কাছে নিয়ে যেতে চাইলে ক্ষুব্ধ হন ঘসেটি বেগম। আর তখনই তিনি নবাবকে উদ্দেশ্য করে এমন অভিশাপের উক্তিটি করেন।

প্রশ্ন: ‘আমার নালিশ আজ আমার বিরুদ্ধে’- ব্যাখ্যা করো।

উত্তর: ‘সিরাজউদ্দৌলা’ নাটকের দ্বিতীয় অঙ্কের প্রথম দৃশ্যে প্রজাদের দুর্ভোগের জন্য অন্য কাউকে দোষারোপ না করে আত্মগ্লানি প্রকাশ করতে গিয়ে সিরাজউদ্দৌলা এ কথা বলেছেন, যেখানে মূলত নবাবের অসহায়ত্ব ও দুর্বলতা প্রকাশিত হয়েছে। 
বাংলার নবাব ব্রিটিশ বেনিয়া শক্তির কাছে অসহায় হয়ে পড়েন। তার সাম্রাজ্যের লবণ চাষিরা ইংরেজ কুঠিয়ালদের নির্যাতনের শিকার। নবাব এর প্রতিবিধানে কিছুই করতে পারেননি। তাই প্রকাশ্য দরবারে তিনি সব অমাত্যকে ডেকে জানান নবাব হিসেবে তার অযোগ্যতায় এসব ঘটছে। আসলে তিনি সবাইকে জানালেন বাংলার রাজনীতিতে বিদেশিরা  প্রভাব বিস্তার করেছেন এবং এর পেছনে ইন্ধন জোগাচ্ছেন নবাবের অধীন লোকেরাই, যাদের প্রধান মীর জাফর আলী খান। তার সামনেই এসব কথা বলে নবাব ক্ষোভ ও বাস্তবতাকে তুলে ধরেছেন। 

লেখক : সহকারী অধ্যাপক, বাংলা বিভাগ
আদমজী ক্যান্টনমেন্ট কলেজ, ঢাকা

কবীর