ঢাকা ৩১ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩, রোববার, ১৪ জুন ২০২৬

সর্বশেষ
সমতায় বিশ্বকাপ মিশন শুরু ব্রাজিলের স্বপ্নের জাদুকর মুসিয়ালা পথপ্রদর্শক বাকুনা ভিনিসিয়ুসের গোলে সমতায় ফিরল ব্রাজিল পরাশক্তি জার্মানির সামনে পুঁচকে কুরাসাও ডার্কহর্স জাপান, সতর্ক নেদারল্যান্ডস ব্রাজিলের শুরুর একাদশে চমক অতিরিক্ত সময়ের গোলে সুইসদের রুখে দিয়ে কাতারের বাজিমাত ৯২ বছর ধরে বিশ্বকাপে প্রথম ম্যাচে হারেনি ব্রাজিল নেইমারকে ছাড়াই নামছে ব্রাজিল, ভাঙছে ৪০ বছরের ঐতিহ্য পেনাল্টিতে এমবোলোর গোল, এগিয়ে সুইজারল্যান্ড ফিটনেস প্রশ্নে রোনালদো, ‘আমাকে খেলতে দেখেননি?’ ‘জাপানি মেসি’র সঙ্গী উয়েদা এমবাপ্পের সমালোচনা ‘অতিরিক্ত ও অন্যায়’ দেড় দশকের জ্বালানিনীতি ছিল আমদানিনির্ভর: তথ্যমন্ত্রী ইরানের অনুশীলন মাঠের পাশে মরদেহ উদ্ধার ওয়ানডে সিরিজ বাংলাদেশ ইমার্জিংদের ঝিলিকের মৃত্যুর রহস্যে নতুন মোড়, গ্রেপ্তার স্বামী রক্তদান মহৎ কিন্তু নিরাপদ রক্ত আরও গুরুত্বপূর্ণ আদ্-দ্বীন হাসপাতাল কোটি কোটি টাকা নিয়ে ঘুরেছে: স্বাস্থ্যমন্ত্রী মরক্কোর বিপক্ষে ব্রাজিলের সম্ভাব্য একাদশ মার্তিনেজকে ঘিরে নতুন শঙ্কা শাহবাগে ছাত্রশিবিরের বিরুদ্ধে ছাত্রদলের বিক্ষোভ নাটোরে ৭০ দরিদ্র রোগীর বিনামূল্যে ছানি অপারেশন চাকরি মেলায় সাড়া, রাজশাহীতে ৫০ শতাংশ প্রার্থীর তাৎক্ষণিক নিয়োগ ইনজুরিতে ছিটকে গেলেন মাইকেল অলিভার ‘ফেনীর সাংবাদিকতার ইতিহাসে উজ্জ্বল অধ্যায় ওছমান হারুন মাহমুদ দুলাল’ পেকুয়া পৌরসভার ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করলেন প্রধানমন্ত্রী গ্রিন ইউনিভার্সিটির সাংবাদিকতা বিভাগে নবীনবরণ অনুষ্ঠিত মিসরকে কেন জার্সি পরিবর্তন করতে বলল ফিফা?
Nagad desktop

মোলের ধারণা ও রাসায়নিক গণনা অধ্যায়ের ১২টি জ্ঞানমূলক প্রশ্ন ও উত্তর, ৮ম পর্ব, এসএসসি পরীক্ষার রসায়ন

প্রকাশ: ১১ মার্চ ২০২৬, ০১:১৬ পিএম
মোলের ধারণা ও রাসায়নিক গণনা অধ্যায়ের ১২টি জ্ঞানমূলক প্রশ্ন ও উত্তর, ৮ম পর্ব, এসএসসি পরীক্ষার রসায়ন
শিক্ষার্থীরা গ্রুপ ডিসকাশন করছে। ছবি- সংগৃহীত

ষষ্ঠ অধ্যায় : মোলের ধারণা ও রাসায়নিক গণনা 

জ্ঞানমূলক প্রশ্ন ও উত্তর

প্রশ্ন: আণবিক সংকেত কাকে বলে?
উত্তর: যে সংকেত থেকে একটি মৌলের নির্দিষ্ট সংখ্যক পরমাণু অপর মৌলের কতটি পরমাণুর সঙ্গে যুক্ত হয় তা জানা যায়, সেই সংকেতকে আণবিক সংকেত বলে।

প্রশ্ন: গ্রাম পারমাণবিক ভর কাকে বলে?
উত্তর: কোনো মৌলের পারমাণবিক ভরকে গ্রামে প্রকাশ করলে তাকে ওই মৌলের গ্রাম পারমাণবিক ভর বলে।
যেমন—কার্বনের পারমাণবিক ভর ১২। সুতরাং, ১২ গ্রাম কার্বনে ১ গ্রাম কার্বন পরমাণু আছে।

প্রশ্ন: গ্রাম আণবিক ভর বলতে কী বোঝায়?
উত্তর: কোনো মৌল বা যৌগের আণবিক ভরকে গ্রামে প্রকাশ করলে তাকে মৌল বা যৌগের গ্রাম আণবিক ভর বলে।
যেমন—কার্বন ডাই-অক্সাইডের আণবিক ভর ৪৪। কাজেই কার্বন ডাই-অক্সাইডের গ্রাম আণবিক ভর ৪৪ গ্রাম। 

প্রশ্ন: মোলার দ্রবণ বলতে কী বোঝায়?
উত্তর: নির্দিষ্ট তাপমাত্রায় কোনো দ্রবণের প্রতি লিটার আয়তনে এক মোল দ্রব দ্রবীভূত থাকলে সে দ্রবণকে মোলার দ্রবণ বলে।

প্রশ্ন: দ্রবণ বলতে কী বোঝায়?
উত্তর: যেসব মিশ্রণে উপাদানগুলো সুষমভাবে বণ্টিত থাকে এবং একটি উপাদান থেকে আরেকটিকে সহজে আলাদা করা যায় না, তাদের দ্রবণ বলা হয়।

প্রশ্ন: দ্রব ও দ্রাবক বলতে কী বোঝায়?
উত্তর: প্রত্যেক দ্রবণের দুটি অংশ থাকে, যেমন- দ্রব এবং দ্রাবক। দ্রবণের মধ্যে যে উপাদানটি কম পরিমাণে থাকে তাকে দ্রব আর যে উপাদানটি বেশি পরিমাণে থাকে তাকে দ্রাবক বলে। যেমন—পানিতে চিনি মিশালে একটি দ্রবণ তৈরি হয়। এখানে চিনি দ্রব, পানি দ্রাবক এবং মেশানোর পর যা তৈরি হয় তা দ্রবণ।

আরো পড়ুন : মোলের ধারণা ও রাসায়নিক গণনা অধ্যায়ের ৪টি জ্ঞানমূলক প্রশ্ন ও উত্তর, ৭ম পর্ব, এসএসসি পরীক্ষার রসায়ন

প্রশ্ন: মোলারিটি কাকে বলে?
উত্তর: নির্দিষ্ট তাপমাত্রায় প্রতি লিটার দ্রবণে দ্রবীভূত দ্রবের মোলসংখ্যাকে দ্রবণের মোলারিটি বলে। একে M দিয়ে প্রকাশ করা হয়। মোলারিটি দ্রবণের ঘনমাত্রা প্রকাশের একটি রীতি।

প্রশ্ন: শতকরা সংযুতি বলতে কী বোঝায়?
উত্তর: কোনো যৌগের শতকরা সংযুতি বলতে তাতে বিদ্যমান মৌলগুলো কী অনুপাতে আছে তা বোঝায়। সাধারণত ভর হিসেবে কোনো মৌলের পরিমাণ শতকরা কত ভাগ তাই প্রকাশ করা হয় অর্থাৎ যৌগের ১০০ ভাগ ভরের মধ্যে উপাদান মৌলগুলোর আপেক্ষিক পরিমাণকে শতকরা সংযুতি বলা হয়। শতকরা সংযুতি নির্ণয়ের দুটি ধাপ আছে। প্রথমে বস্তুর আণবিক ভর নির্ণয় করতে হয়। এরপর মৌলের ভরকে যৌগের মোট আণবিক ভর দিয়ে ভাগ করে ১০০ দিয়ে গুণ করে মৌলের সংযুতি নির্ণয় করতে হয়।

প্রশ্ন: রাসায়নিক সমীকরণ বলতে কী বোঝায়?
উত্তর: বিক্রিয়ক এবং উৎপাদ পদার্থের পরমাণুগুলোর মধ্যে সমতা বজায় রেখে প্রতীক ও সংকেতের সাহায্যে কোনো রাসায়নিক বিক্রিয়াকে সংক্ষেপে প্রকাশ করার পদ্ধতিকে রাসায়নিক সমীকরণ বলে।
যেমন—জিংক কপার সালফেটের সঙ্গে বিক্রিয়া করে জিংক সালফেট ও কপার উৎপন্ন করে। এ বিক্রিয়াকে নিম্নোক্ত সমীকরণের সাহায্যে প্রকাশ করা হয়- Zn + CuSO4 = ZnSO4+ Cu

প্রশ্ন: রাসায়নিক বিক্রিয়া বলতে কী বোঝায়?
উত্তর: যে প্রক্রিয়ায় এক বা একাধিক ভিন্নধর্মী পদার্থ পরিবর্তিত হয়ে এক বা একাধিক ভিন্নধর্মী নতুন পদার্থ উৎপন্ন করে তাকে রাসায়নিক বিক্রিয়া বলে। রাসায়নিক বিক্রিয়ার ফলে পদার্থের অণুর গঠনের পরিবর্তন ঘটে কিন্তু পদার্থের মূল উপাদান এবং পরমাণুর সংখ্যার কোনো পরিবর্তন ঘটে না। 

প্রশ্ন: বিক্রিয়ক এবং উৎপাদ বলতে কী বোঝায়?
উত্তর: রাসায়নিক বিক্রিয়ায় অংশগ্রহণকারী পদার্থ বা পদার্থগুলোকে বিক্রিয়ক বলে। বিক্রিয়ার ফলে উৎপন্ন নতুন ধর্মবিশিষ্ট পদার্থগুলোকে উৎপাদ বলা হয়। যেমন—জিংক অক্সাইডের সঙ্গে হাইড্রোক্লোরিক অ্যাসিডের বিক্রিয়ায় জিংক ক্লোরাইড এবং পানি উৎপন্ন হয়।
ZnO + 2HCl = ZnCl2 + H2O    
এ বিক্রিয়ায় ZnO ও HCl হলো বিক্রিয়ক আর ZnCl2 ও H2O হলো উৎপাদ।

প্রশ্ন: লিমিটিং বিক্রিয়ক বলতে কী বোঝায়?
উত্তর: কোনো একটি রাসায়নিক বিক্রিয়া সংগঠনকালে একাধিক বিক্রিয়কের মধ্যে যে বিক্রিয়ক অবশিষ্ট থাকে না, তাকে লিমিটিং বিক্রিয়ক বলে। বিক্রিয়ক থেকে উৎপাদের পরিমাণ হিসাব করার সময় লিমিটিং বিক্রিয়কের পরিমাণ থেকে হিসাব করা হয়।

লেখক : সিনিয়র শিক্ষক
আইডিয়াল স্কুল অ্যান্ড কলেজ, মতিঝিল, ঢাকা

কবীর

বাংলাদেশের প্রাকৃতিক দুর্যোগ বিষয়ক প্রবন্ধ রচনা, ১ম পর্ব, এইচএসসির বাংলা ২য় পত্র

প্রকাশ: ১৩ জুন ২০২৬, ০৬:১১ পিএম
বাংলাদেশের প্রাকৃতিক দুর্যোগ বিষয়ক প্রবন্ধ রচনা, ১ম পর্ব, এইচএসসির বাংলা ২য় পত্র
বন্যায় বাংলাদেশের অনেক অঞ্চল ডুবে গেছে। ছবি- সংগৃহীত

প্রবন্ধ রচনা : বাংলাদেশের প্রাকৃতিক দুর্যোগ

ভূমিকা : ‘এমন দেশটি কোথাও খুঁজে পাবে নাকো তুমি
            সকল দেশের রাণী সে যে আমার জন্মভূমি।’

কবির এই অমর বাণী কখনো কখনো মিথ্যা মনে হয়। যখন নানা প্রকার প্রাকৃতিক দুর্যোগ সর্বগ্রাসী শক্তি নিয়ে আমাদের ওপর চেপে বসে, তখন নিজেদের বড় অসহায় মনে হয়। সবুজ-শ্যামলে, হরিতে-হিরণে সুন্দর একটি দেশ–বাংলাদেশ এই পৃথিবীর মানচিত্রে  স্থান করে নিয়েছে। কিন্তু দুঃখজনক হলেও সত্য, লাল-সবুজের দেশটি সম্প্রতি প্রাকৃতিক দুর্যোগের লীলভূমি হিসেবে আখ্যায়িত। প্রকৃতপক্ষে বাংলাদেশ ভৌগোলিক অবস্থানের কারণে প্রাকৃতিক দুর্যোগের ঝুঁকিপ্রবণ দেশ। বঙ্গোপসাগরের উত্তরাঞ্চলে অবস্থিত এই দেশটি ঘূর্ণিঝড়, বন্যা, নদীভাঙন, ভূমিকম্প এবং জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাবে বারবার ক্ষতিগ্রস্ত হয়। এই দুর্যোগগুলো জনজীবন, কৃষি, অবকাঠামো এবং অর্থনীতির ওপর ব্যাপক প্রভাব ফেলে। জলবায়ু পরিবর্তনের ফলে দুর্যোগের তীব্রতা বেড়েছে। তবে আধুনিক পূর্বাভাস ব্যবস্থা, আশ্রয়কেন্দ্র নির্মাণ এবং জনসচেতনতা কার্যক্রম গ্রহণ করার ফলে ক্ষয়ক্ষতি কমেছে। সরকার, বেসরকারি সংস্থা এবং স্থানীয় সম্প্রদায়ের সমন্বিত প্রচেষ্টায় দুর্যোগ মোকাবিলার ক্ষমতা বৃদ্ধি পেয়েছে। দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা এবং আন্তর্জাতিক সংস্থা ও দেশের সহযোগিতার মাধ্যমে বাংলাদেশ দুর্যোগ মোকাবিলায় আরও সক্ষম হতে পারে।

বাংলাদেশের অবস্থান এবং দুর্যোগ:  বাংলাদেশ দক্ষিণ এশিয়ার একটি সমতল ও নিম্নভূমি দেশ, যা বঙ্গোপসাগরের উত্তরে অবস্থিত। এর ভৌগোলিক অবস্থান দেশটিকে প্রাকৃতিক দুর্যোগের জন্য অত্যন্ত ঝুঁকিপ্রবণ করেছে। হিমালয়ের পাদদেশে অবস্থিত হওয়ায় ভূমিকম্পের ঝুঁকি রয়েছে এবং বঙ্গোপসাগরের কাছাকাছি থাকায় ঘূর্ণিঝড় ও জলোচ্ছ্বাসের শিকার হতে হয়। পদ্মা, মেঘনা, যমুনার মতো বড় নদীগুলো বন্যা ও নদীভাঙন সৃষ্টি করে। জলবায়ু পরিবর্তন সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা বৃদ্ধি এবং অতিরিক্ত বৃষ্টির কারণে এ দেশে দুর্যোগের তীব্রতা বেড়েছে। উপকূলীয় অঞ্চলগুলো লবণাক্ততার সমস্যায় ভুগছে। এই অবস্থানের কারণে বাংলাদেশ প্রতিনিয়ত প্রাকৃতিক দুর্যোগের মুখোমুখি হয়। তবে সরকার ও স্থানীয় সম্প্রদায়ের প্রচেষ্টায় দুর্যোগ মোকাবিলার ক্ষমতা বৃদ্ধি পাচ্ছে। জনসচেতনতা ও আধুনিক প্রযুক্তির ব্যবহার দুর্যোগের ক্ষতি কমাতে সহায়ক ভূমিকা রাখছে।

দুর্যোগ ও প্রাকৃতিক দুর্যোগ: দুর্যোগের সংজ্ঞা নির্দেশ করতে গিয়ে বিশেষজ্ঞরা জানান, Disaster is an event, natural or man made, that seriously disrupts the normal functions of the civil society, thereby causing material and human losses of such severity that the affected community has to respond by taking exceptional measures nationally and internationally. মোট কথা, প্রাকৃতিক বা মানবসৃষ্ট যেসব ঘটনা মানুষের স্বাভাবিক জীবনধারাকে ব্যাহত করে, মানুষের সম্পদ ও পরিবেশের এমনভাবে ক্ষতিসাধন করে যার ফলে আক্রান্ত জনগোষ্ঠীকে জাতীয় ও আন্তর্জাতিকভাবে ব্যতিক্রমধর্মী প্রচেষ্টার মাধ্যমে মোকাবিলা করতে হয়, তা-ই দুর্যোগ। আর প্রাকৃতিক কারণে যেসব দুর্যোগ সংঘটিত হয় সেগুলো প্রাকৃতিক দুর্যোগ। যেমন- বাংলাদেশের ঘূর্ণিঝড়, বন্যা, ভূমিকম্প, নদীভাঙন, খরা, জলোচ্ছ্বাস এবং লবণাক্ততা সাধারণ প্রাকৃতিক দুর্যোগ। এগুলো দেশের অর্থনীতি, কৃষি ও জনজীবনে ব্যাপক প্রভাব ফেলে। ঘূর্ণিঝড় ও জলোচ্ছ্বাস উপকূলীয় অঞ্চলের জন্য মারাত্মক ক্ষতিকর প্রভাব ফেলে, যখন বন্যা ও নদীভাঙন নিম্নাঞ্চলকে ধ্বংস করে। ভূমিকম্প শহরাঞ্চলে ঝুঁকি সৃষ্টি করে। জলবায়ু পরিবর্তনের ফলে এই দুর্যোগগুলোর তীব্রতা বাড়ছে। তবে আধুনিক প্রযুক্তি, পূর্বাভাস ব্যবস্থা এবং আশ্রয়কেন্দ্র তৈরির কারণে ক্ষয়ক্ষতি কমেছে। সরকার ও বেসরকারি সংস্থাগুলো দুর্যোগ মোকাবিলায় কাজ করছে। জনসচেতনতা ও প্রশিক্ষণের মাধ্যমে দুর্যোগের প্রভাব কমানো সম্ভব। বাংলাদেশের প্রাকৃতিক দুর্যোগ মোকাবিলায় টেকসই পরিকল্পনা গ্রহণ করা অপরিহার্য।

প্রাকৃতিক দুর্যোগের কারণ : পরিবেশ দূষণে জলবায়ু পরিবর্তনের ফলে পৃথিবীর বহু দেশে সৃষ্টি হচ্ছে প্রাকৃতিক দুর্যোগ। তবে শতকরা ২০ থেকে ২৫ ভাগ প্রাকৃতিক দুর্যোগ জলবায়ু পরিবর্তনের  কারণে হতে পারে। তবে বেশির ভাগ পরিবর্তন হচ্ছে মনুষ্য সৃষ্ট। বিশেষজ্ঞরা জানান, জলবায়ু পরিবর্তনের জন্য সবচেয়ে বেশি দায়ী শিল্পোন্নত দেশগুলো। এদের  ভোগবিলাসিতা ও যন্ত্রনির্ভরশীলতার জন্য পৃথিবীতে গ্রিন হাউস গ্যাসের পরিমাণ বেড়ে যাচ্ছে। এসব দেশের কলকারখানা ও গাড়ি থেকে অতিমাত্রায় কার্বন ডাই-অক্সাইড নিঃসরণের ফলে বায়ুমণ্ডলের ওজোন স্তর ক্ষয় হয়ে যাচ্ছে। সেই সঙ্গে বাড়ছে তাপমাত্রা, তাতে মেরু অঞ্চল ও বিভিন্ন পর্বতে জমে থাকা বরফ গলে সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা বাড়ছে। সমুদ্র ও নদীর পানির স্রোত ও ঢেউ বাড়ছে ফলে নদী ও সমুদ্রের উপকূলে ভাঙনের হারও বেড়ে যাচ্ছে। বাংলাদেশসহ বিশ্বের দরিদ্র দেশগুলো জলবায়ু পরিবর্তনের ফলে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। জলবায়ু পরিবর্তন ও অপরিকল্পিত উন্নয়ন কর্মকাণ্ডের কারণে দেশের বেশির ভাগ নদী শুকিয়ে যাচ্ছে। পলি জমে বেশকিছু নদী দেশের মানচিত্র থেকে হারিয়ে গেছে। দেশের প্রধান নদীগুলো বিভিন্ন স্থানে এসে ভরাট হয়ে যাচ্ছে। পদ্মা, মেঘনা, ব্রহ্মপুত্র ও যমুনার মাধ্যমে হিমালয় থেকে ভারত হয়ে বাংলাদেশের নদীগুলোতে পানি এলেও এগুলোর স্রোতধারা অনেকটা কমে গেছে। ব্রহ্মপুত্রের অবস্থা অত্যন্ত নাজুক। পদ্মার বুকেও বিভিন্ন স্থানে চর পড়ে নদী ভরাট হয়ে যাচ্ছে। ফারাক্কার প্রভাবে গত তিন দশকে বাংলাদেশের ৮০টি নদীর ওপর মারাত্মক প্রভাব পড়েছে। এক সময়ের খরস্রোতা নদী হিসেবে পরিচিত দেশের ১৭টি নদী মরা নদীতে পরিণত হয়েছে। আরও আটটি নদী মৃতপ্রায়। এসব নদী ড্রেজিং করে সচল করারও কোনো ব্যবস্থা নেওয়া হয় না। ফলে বর্ষাকালে নদীর উপচে পড়া পানি প্লাবিত করে ফসলের মাঠ, জনবসতি। প্রতি বছরই বন্যা এ দেশের নিয়তি হয়ে দাঁড়িয়েছে। বন উজাড় করাও প্রাকৃতিক দুর্যোগের আরেকটি কারণ। প্রত্যেক দেশের মোট আয়তনের ২৫ শতাংশ বনাঞ্চল যেখানে থাকা প্রয়োজন সেখানে বাংলাদেশে সরকারি হিসাবে মাত্র ১৬ ভাগ বনাঞ্চল রয়েছে।

প্রাকৃতিক দুর্যোগের নাম: বাংলাদেশে বিভিন্ন ধরনের প্রাকৃতিক দুর্যোগ ঘটে। এর মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো–ঘূর্ণিঝড়, বন্যা, ভূমিকম্প, নদীভাঙন, জলোচ্ছ্বাস, খরা, লবণাক্ততা, কালবৈশাখী, টর্নেডো, বজ্রপাত, তাপপ্রবাহ, শিলাবৃষ্টি, ঘন কুয়াশা, বায়ু দূষণ, পানি দূষণ, ভূমিধস এবং তুষারপাত। এই দুর্যোগগুলো দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে বিভিন্ন তীব্রতায় আঘাত হানে। ঘূর্ণিঝড় ও জলোচ্ছ্বাস উপকূলীয় অঞ্চলে, বন্যা ও নদীভাঙন নিম্নাঞ্চলে এবং ভূমিকম্প শহরাঞ্চলে বেশি প্রভাব ফেলে। জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে এই দুর্যোগের তীব্রতা বাড়ছে। তবে, প্রতিটি দুর্যোগের জন্য অনেক দেশের পৃথক মোকাবিলা কৌশল রয়েছে। পূর্বাভাস, প্রশিক্ষণ ও অবকাঠামো উন্নয়ন এই দুর্যোগ মোকাবিলায় সহায়ক। জনসচেতনতা ও টেকসই পরিকল্পনা গ্রহণ দুর্যোগের প্রভাব কমাতে পারে। 

(বাকি অংশ ২য় পর্বে প্রকাশ করা হবে)

লেখক : সহকারী অধ্যাপক, বাংলা বিভাগ
রাজউক উত্তরা মডেল কলেজ, ঢাকা

কবীর

সিরাজউদ্দৌলা নাটকের ৪টি অনুধাবনমূলক প্রশ্ন ও উত্তর, ৪র্থ পর্ব, এইচএসসির বাংলা ১ম পত্র

প্রকাশ: ১৩ জুন ২০২৬, ০৪:৪৪ পিএম
সিরাজউদ্দৌলা নাটকের ৪টি অনুধাবনমূলক প্রশ্ন ও উত্তর, ৪র্থ পর্ব, এইচএসসির বাংলা ১ম পত্র
শিক্ষার্থীরা শিক্ষকের লেকচার শুনছে ও নোট করছে। ছবি- খবরের কাগজ

নাটক : সিরাজউদ্‌দৌলা 

অনুধাবনমূলক প্রশ্ন ও উত্তর

প্রশ্ন: ‘উমিচাঁদ এ যুগের সেরা বিশ্বাসঘাতক’- ব্যাখ্যা করো।

উত্তর: ‘সিরাজউদ্‌দৌলা’ নাটকের দ্বিতীয় অঙ্কের তৃতীয় দৃশ্যে ক্লাইভ তাকে এ যুগের সেরা বিশ্বাসঘাতক বলেছিলেন, কারণ উমিচাঁদ অর্থের মোহে অন্ধ হয়ে যেকোনো ধরনের প্রতারণা ও বিশ্বাসভঙ্গের কাজ করতে পারেন।
উমিচাঁদ অর্থ উপার্জনের জন্য লাহোর থেকে বাংলায় এসেছিল। তার ছিল অর্থের প্রতি সীমাহীন লোভ। অর্থের মোহে পড়ে তিনি যেকোনো কাজ করে দিতে পারতেন। তার চরিত্রে নীতি-নৈতিকতার বালাই ছিল না। অর্থের লোভে তিনি নবাবকে ছেড়ে ইংরেজদের পক্ষে যোগ দিয়েছেন, আবার যদি নবাবের কাছ থেকে বেশি অর্থপ্রাপ্তির সম্ভাবনা দেখা দেয়, তবে তিনি ইংরেজদের ত্যাগ করে নবাবের পক্ষে চলে যেতে দ্বিধা করবেন না। এসব দিক বিবেচনায় ক্লাইভ উমিচাঁদকে এ যুগের সেরা বিশ্বাসঘাতক বলে অভিহিত করেছেন।

প্রশ্ন: ‘শুভ কাজে অযথা বিলম্ব করা বুদ্ধিমানের কাজ নয়’- ব্যাখ্যা করো।

উত্তর: ‘সিরাজউদ্‌দৌলা’ নাটকের দ্বিতীয় অঙ্কের তৃতীয় দৃশ্যে মীর জাফর ষড়যন্ত্রের দলিলে স্বাক্ষর করা প্রসঙ্গে এ কথা বলেছিলেন। 
নবাব সিরাজউদ্‌দৌলার বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র করার জন্য তার সিপাহসালার মীর জাফর ও কোম্পানির প্রতিনিধিরা মিরনের বাসগৃহে একত্রিত হয়েছিলেন। যুদ্ধে ক্লাইভ বিজয়ী হলে কে কতটা ভাগ পাবেন, তা নিয়ে দলিল তৈরি করেছিলেন তারা। কিন্তু দলিলে সই করতে গিয়ে চক্রান্তকারীরা তর্কে জড়িয়ে পড়েন। 
তখন বিলম্ব না করে দলিলে সই করার মাধ্যমে নিজ স্বার্থকে পাকাপোক্ত করার জন্য মীর জাফর আলোচ্য উক্তিটি করেন। ‘ক্লাইভের গর্দভ’ বলে কুখ্যাত মীর জাফর বুঝতেই পারেননি বাংলাকে তারা চিরতরে ব্রিটিশ শক্তির কাছে বিক্রি করে দিচ্ছিলেন।

আরো পড়ুন : সিরাজউদ্দৌলা নাটকের ৪টি অনুধাবনমূলক প্রশ্ন ও উত্তর, ৩য় পর্ব, এইচএসসির বাংলা ১ম পত্র

প্রশ্ন:  ‘আপনারা ইচ্ছা করলে আমাদের ক্ষতি করতে পারেন।’- ব্যাখ্যা করো।

উত্তর: ‘সিরাজউদ্‌দৌলা’ নাটকের দ্বিতীয় অঙ্কের তৃতীয় দৃশ্যে ক্লাইভের এ উক্তিতে নবাব সিরাজের অমাত্যবর্গের বিশ্বাসঘাতকতাপূর্ণ চারিত্রিক বৈশিষ্ট্যের প্রকাশ ঘটেছে।
মিরনের বাড়িতে ষড়যন্ত্র সভায় ক্লাইভ নারীর ছদ্মবেশে আসেন। জগৎশেঠ ও রাজবল্লভ ক্লাইভের দুঃসাহস দেখে অবাক হন এবং জানান নবাব যদি জানতে পারেন ক্লাইভ এখানে তবে আর উপায় থাকবে না। বিচক্ষণ ক্লাইভ স্পষ্ট জবাব দেন, নবাবের কোনো শক্তি নেই। যার চারপাশে সবাই বেইমান তিনি কী করে ক্লাইভের ক্ষতি করবেন বা শাস্তি দেবেন। বেইমান হিসেবে বরং ওরাই ক্লাইভের ক্ষতি করতে পারেন। বেইমান চিরকাল বেইমান, ক্লাইভ তা জানতেন। 

প্রশ্ন: ‘সবাই মিলে সত্যিই আমরা বাংলাকে বিক্রি করে দিচ্ছি না তো?’-ব্যাখ্যা করো।

উত্তর: ‘সিরাজউদ্‌দৌলা’ নাটকের দ্বিতীয় অঙ্কের তৃতীয় দৃশ্যে ক্লাইভের ষড়যন্ত্রের দলিলে স্বাক্ষর দিতে গিয়ে মীর জাফর নিজের মনের শঙ্কা প্রকাশ করে এ কথা বলেছিলেন, যা ক্ষণিক বিবেক জাগরণের মতো ব্যাপার ছিল।
নবাবের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্রে ইংরেজদের সঙ্গে হাত মেলান মীর জাফরসহ নবাবের পরিষদবর্গের প্রায় সবাই। ষড়যন্ত্রের জন্য নিজেদের মধ্যে সমঝোতার দলিল তৈরি করেন ক্লাইভ। ক্লাইভ এ দলিলে সই করতে বললে মীর জাফর ক্ষণিকের জন্য উদ্বিগ্ন হন। তার মনে হয়, নিজেদের স্বার্থের জন্য দেশের চূড়ান্ত ক্ষতি সাধন করছেন না তো তারা? দেশটা যেন বেনিয়াদের হাতে বিক্রি হয়ে গেল। আসলে লোভী, অদূরদর্শী মীর জাফর ক্ষণিকের জন্য বিবেক দ্বারা তাড়িত হলেও তা ছিল অর্থহীন।

লেখক : সহকারী অধ্যাপক, বাংলা বিভাগ
আদমজী ক্যান্টনমেন্ট কলেজ, ঢাকা

কবীর

জীবের বৃদ্ধি ও বংশগতি অধ্যায় থেকে ৫টি বহুনির্বাচনি প্রশ্ন ও উত্তর, ৬ষ্ঠ পর্ব, অষ্টম শ্রেণির বিজ্ঞান

প্রকাশ: ১৩ জুন ২০২৬, ১২:১১ পিএম
জীবের বৃদ্ধি ও বংশগতি অধ্যায় থেকে ৫টি বহুনির্বাচনি প্রশ্ন ও উত্তর, ৬ষ্ঠ পর্ব, অষ্টম শ্রেণির বিজ্ঞান
অ্যামাইটোসিস কোষ বিভাজন। ছবি- সংগৃহীত

দ্বিতীয় অধ্যায় : জীবের বৃদ্ধি ও বংশগতি

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন ও উত্তর

২৬। মানুষের দেহকোষে কত জোড়া ক্রোমোজোম থাকে?
ক) ২২ জোড়া     খ) ২৩ জোড়া 
গ) ২৪ জোড়া     ঘ) ৪৬ জোড়া

২৭। নিচের কোনটিতে ডিএনএ থাকে না?
ক) ভাইরাসে           খ) ই-কলিতে
গ) ব্যাকটেরিয়ায়     ঘ) ইএমভিতে

২৮। নিউক্লিক অ্যাসিড হলো-
i. DNA 
ii. CNA 
iii. RNA 
নিচের কোনটি সঠিক?
ক) i ও iii     খ) i ও ii 
গ) ii ও iii     ঘ) i, ii ও iii

আরো পড়ুন : জীবের বৃদ্ধি ও বংশগতি অধ্যায় থেকে ৫টি বহুনির্বাচনি প্রশ্ন ও উত্তর, ৫ম পর্ব, অষ্টম শ্রেণির বিজ্ঞান

২৯। মানুষের চামড়ার রং নিয়ন্ত্রণ করে নিচের কোনটি?
ক) DNA     খ) নিউক্লিয়াস 
গ) RNA     ঘ) মাইটোকন্ড্রিয়া

৩০। দুটি ক্রোমাটিডের পরস্পর যুক্ত হওয়ার স্থানকে কী বলে?
ক) ক্রোমোজোম     খ) সেন্ট্রোজোম 
গ) সেন্ট্রোমিয়ার     ঘ) ক্রোমোমিয়ার 

উত্তর: ২৬. খ, ২৭. ঘ, ২৮. ক, ২৯. ক, ৩০. গ।

লেখক : সহকারী শিক্ষক
লৌহজং বালিকা পাইলট উচ্চবিদ্যালয়, মুন্সীগঞ্জ

কবীর

প্রোগ্রামিং ভাষা অধ্যায়ের ১২টি বহুনির্বাচনি প্রশ্ন ও উত্তর, ৬ষ্ঠ পর্ব, এইচএসসির তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি

প্রকাশ: ১২ জুন ২০২৬, ০৫:৪০ পিএম
প্রোগ্রামিং ভাষা অধ্যায়ের ১২টি বহুনির্বাচনি প্রশ্ন ও উত্তর, ৬ষ্ঠ পর্ব, এইচএসসির তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি
পাইথন ভাষা আবিষ্কার করেন গিডো ভান রসাম। প্রতীকী ছবি- সংগৃহীত

পঞ্চম অধ্যায় : প্রোগ্রামিং ভাষা

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন ও উত্তর

৬৮. ANSI-এর পূর্ণরূপ কী?
ক. American National Standards Institute 
খ. American National Standards Interchange 
গ. American National Security Institute 
ঘ. American Nations Security Institute

৬৯. ভালো সংগঠনের প্রোগ্রামগুলো কোন সময়ের নিয়ম মেনে চলে?
ক. প্রচলিত     খ. আগের 
গ. ভবিষ্যৎ     ঘ. অদূর ভবিষ্যতের

৭০. ভালো সংগঠনের প্রোগ্রামগুলোর বৈশিষ্ট্য-
i. প্রচলিত নিয়ম মেনে চলে
ii. প্রোগ্রামের বিভিন্ন অংশের মধ্যে সহজ সম্পর্ক থাকে
iii. প্রোগ্রামের গতি প্রবাহ সুনির্দিষ্ট থাকে
নিচের কোনটি সঠিক?
ক. i ও ii      খ. i. ও iii 
গ. ii. ও iii     ঘ. i, ii ও iii

৭১. পাইথন ভাষা আবিষ্কার করেন কে বা কারা?
ক. জন স্ট্রাউস্ট্রপ              খ. গিডো ভান রসাম
গ. আইবিএম কোম্পানি     ঘ. মাইক্রোসফট কোম্পানি

৭২. কি-ওয়ার্ড কেন ব্যবহৃত হয়?
ক. এটা কিছু সংরক্ষিত শব্দ, যা প্রোগ্রাম করার সময় ব্যবহার করা হয় 
খ. একগুচ্ছ ক্যারেক্টার নিয়ে গঠিত 
গ. কনস্ট্যান্ট সংখ্যা নিয়ে কাজ করে 
ঘ. স্ট্রাকচার নিয়ে কাজ করে

৭৩. ফ্লোচার্টে বৃত্ত দিয়ে কী বোঝায়?
ক. শুরু          খ. দিক 
গ. সংযোগ     ঘ. ইনপুট

আরো পড়ুন : প্রোগ্রামিং ভাষা অধ্যায়ের ১৩টি বহুনির্বাচনি প্রশ্ন ও উত্তর, ৫ম পর্ব, এইচএসসির তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি

৭৪. সব টেস্ট কেসের জন্য প্রোগ্রাম রান করলে প্রোগ্রামকে কী করা হয়?
ক. পুনরায় কোডিং     খ. সিলিজ 
গ. ডিবাগ                   ঘ. ডিলিট

৭৫. কে বা কারা ফোরট্রান আবিষ্কার করেন?
ক. জন স্ট্রাউস্ট্রপ              খ. গিডো ভান রসাম 
গ. আইবিএম কোম্পানি     ঘ. মাইক্রোসফট কোম্পানি

৭৬. প্রোগ্রাম লেখার আগে- 
i. চিন্তা করতে হয়     
ii. ধাপগুলো লিখতে হয় 
iii. চিত্ররূপ দিতে হয় 
নিচের কোনটি সঠিক?
ক. i ও ii       খ. i. ও iii 
গ. ii. ও iii     ঘ. i, ii ও iii

৭৭. কোন স্টেটমেন্টের সাহায্যে ফলাফল প্রদর্শন করা হয়?
ক. আউটপুট স্টেটমেন্ট     খ. লুপিং স্টেটমেন্ট 
গ. ইনপুট স্টেটমেন্ট          ঘ. কন্ট্রোল স্টেটমেন্ট

৭৮. উচ্চ স্তরের ভাষায় প্রোগ্রাম-
i. লেখা সহজ 
ii. পড়া সহজ 
iii. সময়সাপেক্ষ 
নিচের কোনটি সঠিক?
ক. i ও ii      খ. i. ও iii 
গ. ii. ও iii     ঘ. i, ii ও iii

৭৯. একটি প্রোগ্রামের বিভিন্ন অংশের মধ্যে পারস্পরিক সম্পর্ককে কী বলে?
ক. প্রোগ্রামের সংগঠন           খ. প্রোগ্রামের ফ্লোচার্ট 
গ. প্রোগ্রামের অ্যালগরিদম     ঘ. প্রোগ্রামের সুডোকোড

উত্তর: ৬৮. ক, ৬৯. ক, ৭০. ঘ, ৭১. খ, ৭২. ক, ৭৩. গ, ৭৪. খ, ৭৫. গ, ৭৬. ঘ, ৭৭. ক, ৭৮. ক, ৭৯. ক।

লেখক : সহকারী অধ্যাপক
রাজউক উত্তরা মডেল কলেজ, ঢাকা

কবীর

রয়্যাল বেঙ্গল টাইগার পাঠ থেকে ২টি অনুশীলনীর প্রশ্ন ও উত্তর, ১ম পর্ব, পঞ্চম শ্রেণির বাংলা

প্রকাশ: ১২ জুন ২০২৬, ০৪:৫৮ পিএম
আপডেট: ১২ জুন ২০২৬, ০৫:৩২ পিএম
রয়্যাল বেঙ্গল টাইগার পাঠ থেকে ২টি অনুশীলনীর প্রশ্ন ও উত্তর, ১ম পর্ব, পঞ্চম শ্রেণির বাংলা
রয়্যাল বেঙ্গল টাইগার। প্রতীকী ছবি- সংগৃহীত

পাঠ-৮ : রয়্যাল বেঙ্গল টাইগার

অনুশীলনীর প্রশ্ন ও উত্তর

প্রশ্ন: খালি জায়গায় নিচের শব্দগুলো বসাও।

প্রখর, রাজকীয়, ভারসাম্য, বিপন্ন, নখর, ক্ষিপ্র, নির্দিষ্ট

ক. বাঘটি …. গতিতে দৌড়ে শিকার ধরল।
খ. শিকার ধরার সময়ে বাঘের থাবা থেকে বেরিয়ে আসে ….।
গ. মেয়েটির স্মরণশক্তি …..।
ঘ. বাঘটি …. ভঙ্গিমায় বসে আছে।
ঙ. সুন্দরবন ধ্বংস হতে থাকলে বাঘের জীবন …. হবে।
চ. কাজটি…. সময়ের মধ্যে শেষ করতে হবে।
ছ. পরিবেশের বিপর্যয়ের কারণে প্রকৃতির ….. নষ্ট হচ্ছে।

উত্তর: ক. বাঘটি ক্ষিপ্র গতিতে দৌড়ে শিকার ধরল।
খ. শিকার ধরার সময়ে বাঘের থাবা থেকে বেরিয়ে আসে নখর
গ. মেয়েটির স্মরণশক্তি প্রখর
ঘ. বাঘটি রাজকীয় ভঙ্গিমায় বসে আছে।
ঙ. সুন্দরবন ধ্বংস হতে থাকলে বাঘের জীবন বিপন্ন হবে।
চ. কাজটি নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে শেষ করতে হবে।
ছ. পরিবেশের বিপর্যয়ের কারণে প্রকৃতির ভারসাম্য নষ্ট হচ্ছে।

প্রশ্ন: বাংলাদেশের জাতীয় পশুর নাম কী?

উত্তর: বাংলাদেশের জাতীয় পশুর নাম হলো রয়্যাল বেঙ্গল টাইগার।

লেখক : সহকারী শিক্ষক
ভিকারুননিসা নূন স্কুল অ্যান্ড কলেজ, বসুন্ধরা, ঢাকা

কবীর