ঢাকা ২৩ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩, শনিবার, ০৬ জুন ২০২৬

সর্বশেষ
জামালপুরে জমি নিয়ে বিরোধে ভাতিজার হাতে চাচা খুন সন্তোষজনক জবাব না পেলে আদ্-দ্বীন হাসপাতালের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা: স্বাস্থ্যমন্ত্রী গাইবান্ধায় ট্রেনে কাটা পড়ে যুবকের দুই পা বিচ্ছিন্ন How to learn English বিষয়ক Writing Paragraph, ৩০তম পর্ব, এইচএসসির ইংরেজি ২য় পত্র জনস্বার্থে বিদ্যুতের মূল্যবৃদ্ধির সিদ্ধান্ত বাতিল করুন: বাংলাদেশ ন্যাপ তারার দেশে সাইকেল যাত্রা মহেশপুর সীমান্তে পুশইন রোধে বিজিবি-আনসার-গ্রামবাসীদের যৌথ টহল কুড়িগ্রামে বিজিবির অভিযানে ১৯১ বোতল ভারতীয় মদ ও ৪২ বস্তা জিরা জব্দ সরকারদলীয় এমপিদের সঙ্গে বৈঠকে প্রধানমন্ত্রী ফাইনালে যে একাদশ নিয়ে নামছে বাংলাদেশ সোনারগাঁওয়ে ডেঙ্গু প্রতিরোধে র‌্যালি ও পরিচ্ছন্নতা অভিযান নতুন সরকারের প্রথম বাজেট অধিবেশন রবিবার দারাজ ৬.৬ মিড-ইয়ার শপিং ফেস্টে থাকছে আকর্ষণীয় অফার, এক্সক্লুসিভ ব্র্যান্ড ডিসকাউন্ট ও পুরস্কার গোপালগঞ্জে ডেঙ্গু প্রতিরোধে জন সচেতনতামূলক র‌্যালি যৌক্তিক মূল্যে জ্বালানি নিশ্চিত করা রাষ্ট্রের দায়িত্ব ফরিদপুরে আমের প্রলোভন দেখিয়ে বুদ্ধিপ্রতিবন্ধী কিশোরীকে ধর্ষণ, অভিযুক্ত আটক মাদারীপুরে ডেঙ্গু প্রতিরোধে পরিচ্ছন্নতা অভিযান ও র‍্যালি অনুষ্ঠিত জাতীয় ফুটবলার রহমত মিয়ার বিরুদ্ধে স্ত্রী ও শাশুড়িকে মারধরের অভিযোগ, হাসপাতালে ভর্তি রামিসা হত্যা মামলার রায় রবিবার, হতাশ আছিয়ার মা ঢাকার পরিবেশ নিয়ে নিজের পরিকল্পনার কথা জানালেন স্থানীয় সরকার মন্ত্রী বিএনপি তিন মাসে অজনপ্রিয় সরকারে পরিণত হয়েছে: আসিফ মাহমুদ ভোলায় যুবদলের নবগঠিত কেন্দ্রীয় কমিটিকে স্বাগত জানিয়ে আনন্দ মিছিল ভারতীয় সীমান্ত দিয়ে ১১ জনকে পুশইনের চেষ্টা, দিনাজপুরে বিজিবির বাধা কী করে বুঝবেন আপনি মেন্টালি ফিট মেসির চোট নিয়ে যা বললেন স্কালোনি হিলি সীমান্তে ভারতীয় ৫ নাগরিককে পুশইনের চেষ্টা, রুখে দিলো বিজিবি যে কারণে মুভি দেখব মহাকাশে যাচ্ছেন প্রথম শারীরিক প্রতিবন্ধী নভোচারী সময়ের সঙ্গে বদলান লিডারশিপ স্টাইল পঞ্চগড়ে পুশইনের শিকার ১০ জন, নিচ্ছে না কোনো দেশ
Nagad desktop

নতুন ব্যবসায় মুনাফা অর্জনের উপায়

প্রকাশ: ১৯ এপ্রিল ২০২৬, ০২:৩৩ পিএম
আপডেট: ১৯ এপ্রিল ২০২৬, ০৫:২৯ পিএম
নতুন ব্যবসায় মুনাফা অর্জনের উপায়
ছবি: সংগৃহীত

অনেকেই ভালো একটি আইডিয়া মাথায় এলেই দ্রুত ব্যবসার প্রতিযোগিতায় নামতে আগ্রহী হয়ে ওঠেন। কিন্তু শুধু একটি ভালো আইডিয়া কি লাভজনক ব্যবসার নিশ্চয়তা দিতে পারে? বাস্তবতা হলো–কখনোই না। দীর্ঘমেয়াদে ব্যবসায় সফল হতে হলে নানা বাধা, ঝুঁকি ও অনিশ্চয়তা সামাল দেওয়ার সক্ষমতা থাকতে হয়।

অনেক উচ্চাকাঙ্ক্ষী উদ্যোক্তা শুরুতেই আইডিয়াকে কেন্দ্র করে এগোতে চান, কিন্তু সময়ের সঙ্গে টিকে থাকতে হলে শুধু আইডিয়া নয়, প্রয়োজন ধৈর্য, পরিকল্পনা ও অভিযোজনের দক্ষতা। তাই যারা ব্যবসার পরিকল্পনা থেকে সরে আসতে চান না, তারা যদি কিছু কার্যকর কৌশল অনুসরণ করেন, তাহলে সফলতার পথে অনেকটাই এগিয়ে যেতে পারেন–এমনটাই মনে করেন বিশেষজ্ঞরা।

আয়ের পরিকল্পনা করা

যারা শুধু আবেগ বা লাভের ওপর নির্ভর করেন তাদের সাফল্যের সম্ভাবনা থাকে শূন্যের কোঠায়। তাই এই দুটি বিষয়ের দিকে সমানভাবে গুরুত্ব দিতে হবে। কারণ, আবেগ ছাড়া ফোকাস বজায় রাখা যেমন কঠিন, তেমনি লাভহীন ব্যবসা পেট্রলবিহীন গাড়ির মতো নিরর্থক। নতুন প্রকল্প শুরু করার আগেই অর্থ উপার্জনের উপায় খুঁজে বের করতে হবে।

লাভ করার সহজ উপায় কী হবে? সেজন্য কতদিন সময় লাগবে? সবচেয়ে ভালো এবং খারাপ পরিস্থিতি কী হতে পারে? ধারণাটি ব্যবসায় পরিণত হওয়ার সম্ভাবনা কতটুকু? নিজেকে এই প্রশ্নগুলো জিজ্ঞেস করতে হবে। যদি আর্থিক বাস্তবায়নের দিকে না যায়, তবে কোনো আবেগই উদ্দেশ্য সফল করতে পারবে না। আবেগ অবশ্যই দুর্দান্ত ব্যবসায়িক পরিকল্পনা করে, তবে তার জন্য আগে সেটির ব্যবসায় পরিণত হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে কি না নিশ্চিত হতে হবে।

বাজার যাচাই করা

উদ্যোক্তা তার ধারণা নিয়ে উৎসাহী হলেও অন্যরা যদি অনাগ্রহী হয় তাহলে নতুন করে আবার পরিকল্পনা সাজাতে হবে। ধারণা শোনার পর অন্যরা উৎসাহ দেখালে এবং সমর্থন করলে বুঝতে হবে ঠিক পথেই আছেন। তখন ধারণাকে বাস্তবে রূপান্তরিত করতে কী লাগবে, প্রক্রিয়াটির জন্য কত খরচ হবে, সেই পথে কতটা ব্যয় করার মতো অর্থ আছে এবং পুরোদমে চলাকালীন কতটা লাভ হবে এসবের বিবরণ তৈরির পর বিশদ অনুসন্ধান করতে হবে।

ক্রেতা সম্পর্কে জানতে হবে

ব্যবসা করতে গেলে বাজার যাচাইয়ের পাশাপাশি ক্রেতা কেন এবং কীভাবে পণ্য কিনতে আগ্রহী হবে তা অনুসন্ধান করতে হবে। আবেগ নতুন ব্যবসা পরিচালনা এবং কঠোর পরিশ্রম করার পেছনে চালকের ভূমিকা পালন করে। কিন্তু ক্রেতার আকর্ষণবিন্দু না জানলে ব্যবসার সমাধান পাওয়া কষ্টকর হবে। পূর্ণাঙ্গ পরিকল্পনায় তাই এ বিষয়ে বেশি মনোযোগী হতে হবে।

আরো পড়ুন: প্ল্যান ইন্টারন্যাশনালে চাকরির সুযোগ, রয়েছে বিভিন্ন সুযোগ-সুবিধা

কার্যকর পণ্য তৈরি করা

ব্যবসার ধারণা বাস্তবায়নের জন্য আবেগ লাভজনক কি না, তা যাচাইয়ের একটি উপায় হলো ন্যূনতম কার্যকর পণ্য (এমভিপি)। এটি পণ্য বা পরিষেবার সবচেয়ে মৌলিক সংস্করণ, যা তৈরি করে গ্রাহকদের অফার করতে হয়। এটি ক্রেতার চাহিদা মেটানোর সক্ষমতা যাচাই করতে ব্যবহৃত হয়। একবার এমভিপি যাচাই করার পরে আরও বৈশিষ্ট্য এবং কার্যকারিতা যোগ করা যায়। তবে এটির চূড়ান্ত লক্ষ্য হবে এমন একটি পণ্য বা পরিষেবা তৈরি করা, যা গ্রাহকদের পছন্দ এবং লাভজনক হবে।

বিশেষজ্ঞের সহায়তা নেওয়া

ব্যবসায়িক ধারণা থেকে অর্থ উপার্জন করা যৌক্তিক হবে কি না, তা জানতে এ ব্যাপারে বিশেষজ্ঞদের সঙ্গে কথা বলতে হবে। আপনি নতুন হয়ে থাকলে দীর্ঘ অভিজ্ঞতা সম্পন্নদের আলোচনা শুনতে হবে। তারপর ধারণার সঙ্গে গ্রাহকদের প্রত্যাশার তুলনা করে পরবর্তী পদক্ষেপ নিতে হবে। এছাড়া ব্যবসা শুরু করার আগে সে বিষয়ে অন্যান্য ক্ষেত্র খুঁজে বের করতে হবে।

নতুনত্ব খুঁজে বের করা

লাভজনক ব্যবসা করার অন্যতম একটি উপায় হলো প্রতিযোগীদের থেকে আলাদা কিছু করা। প্রতিযোগিতার বাজারে সম্পূর্ণ নতুন ধারণা নিয়ে আসা খুব কঠিন। তবু একটি নতুন সংস্করণ তৈরি করা যেতে পারে, যা আইডিয়াতে নতুন বৈশিষ্ট্য যোগ করে। এতে অন্যদের থেকে শুরুতেই এক ধাপ এগিয়ে থাকা যাবে। 

যোগাযোগের সমন্বয়

উদ্যোক্তার ব্যবসা ক্রেতাকে আগ্রহী করছে কি না, তা যাচাইয়ের জন্য ক্রেতার মনস্তত্ত্বের উপাদান যাচাই করতে হবে। ক্রেতা কী চাচ্ছে, কোন সুবিধা তাকে আকৃষ্ট করছে, কীসের অনুপস্থিতি হতাশ করছে ইত্যাদি অনুসন্ধান করার জন্য ক্রেতার সঙ্গে যোগাযোগের ভারসাম্য বজায় রাখতে হবে।

পরিবর্তনকে স্বাগত জানানো

সময়ের সঙ্গে প্রবণতা, ব্যবসায়িক প্রত্যাশা এবং ব্যবসার প্রভাবও পরিবর্তিত হয়। এসব বিষয় মেনে নিয়ে সিদ্ধান্ত নিতে হবে। সব সময় পরিবর্তনকে স্বাগত জানাতে হবে। ফোর্বস অবলম্বনে

তারেক/

সময়ের সঙ্গে বদলান লিডারশিপ স্টাইল

প্রকাশ: ০৬ জুন ২০২৬, ০৪:৩৪ পিএম
সময়ের সঙ্গে বদলান লিডারশিপ স্টাইল
ছবি: সংগৃহীত

বর্তমান সময়ে বিজনেস ম্যানেজমেন্টের ধরন দ্রুত বদলে যাচ্ছে। একসময় নেতৃত্ব মানেই ছিল কেবল আদেশ দেওয়া ও কাজ আদায় করে নেওয়া। কিন্তু সময়ের পরিবর্তনের সঙ্গে সঙ্গে সেই ধারণাতেও এসেছে বড় পরিবর্তন। এখনকার নেতৃত্বে গুরুত্ব পাচ্ছে বিশ্বাস, সহযোগিতা ও দলগত সমন্বয়। আধুনিক লিডারশিপে কর্মীদের শুধু কী করতে হবে তা বলা হয় না, বরং কেন কাজটি গুরুত্বপূর্ণ এবং এর উদ্দেশ্য কী–সেটিও বুঝিয়ে দেওয়া হয়।

আগের একমুখী নির্দেশনাভিত্তিক নেতৃত্বের জায়গায় এখন এসেছে অংশগ্রহণ ও গঠনমূলক নেতৃত্বের ধারা। বর্তমান সময়ে একজন সফল নেতা তার টিমকে অনুপ্রাণিত করেন, তাদের মতামতকে গুরুত্ব দিন এবং একসঙ্গে এগিয়ে যাওয়ার পরিবেশ তৈরি করেন। তাই সময়ের সঙ্গে তাল মিলিয়ে পুরোনো ও অকার্যকর কিছু লিডারশিপ প্র্যাকটিস বদলে ফেলা জরুরি। নিচে এমন কিছু পুরোনো নেতৃত্বচর্চার বিষয় তুলে ধরা হলো, যেগুলো বর্তমান কর্মপরিবেশে আর কার্যকর নয়।

আরো পড়ুন: আকর্ষণীয় বেতনে এনসিসি ব্যাংকে চাকরির সুযোগ

-আপনি সবজান্তা, এমন ভাব পরিহার করতে হবে। আপনার কাছে সব প্রশ্নের উত্তর থাকবে না। সুতরাং সবজান্তা সাজতে যাবেন না। আপনার টিম সদস্যদের জানতে হবে এবং তাদের বিশ্বাস করতে হবে। যাদের সঠিক দক্ষতা আছে এবং যারা আপনার কাজের সংস্কৃতির সঙ্গে মানানসই, তাদের কাজের জন্য নির্বাচন করতে হবে এবং তাদের কাজ করার সুযোগ দিয়ে রাস্তা ছেড়ে দিতে হবে।

-অনেকে ভাবে, কোনো ভুল বা কোনো খারাপ কিছু সহ্য না করার নীতি কাজে আসে, তবে তা কিন্তু সব সময়ের জন্য প্রযোজ্য নয়। ভুল থেকে শিখতে হবে এবং ভুল স্বীকার করে নেওয়ার মানসিকতা থাকতে হবে।

-মাইক্রো ম্যানেজমেন্ট বা বিজনেসের সবকিছু নিয়ন্ত্রণের আওতায় রাখা বাদ দিতে হবে। কর্মচারীদের হাতে কিছু ক্ষমতা ছেড়ে দিতে হবে। তারা যদি ভুল করে, তাহলে তাদের দোষী না করে তাদের হাতেই কাজ ছেড়ে দিতে হবে।

-অফিসে ঘুরে ঘুরে কাজ পরিদর্শন করার দিন শেষ। দেখে-শুনে, আলাপের মাধ্যমে উপস্থাপিত আইডিয়া বাস্তবায়ন ও ফলাফল তদারক করতে হবে।

-ব্যালেন্সশিটই বিজনেসের সবকিছু–এমন ধারণা বাদ দিতে হবে। কর্মীরাই বিজনেসের সবকিছু; তারাই কাজ করে, গ্রাহকদের আস্থা অর্জন করে এবং আর্থিক সাফল্য নিশ্চিত করে।

-প্রযুক্তির ওপর বিনিয়োগের সঙ্গে সঙ্গে মানবসম্পদের ওপর বিনিয়োগ করতে হবে।

-পরিবর্তন চাওয়ার চেয়ে পরিবর্তনকে লালন করুন। যারা সেরা আইডিয়া নিয়ে আসবে, তাদের কৃতিত্ব দিন।

-ক্যাফেটেরিয়ায় ভালো খাবারের ব্যবস্থা করে অফিসের সবার সুস্বাস্থ্য নিশ্চিত করতে হবে।

-কর্মচারীদের বেশি টাকা দিলে তারা বেশি কাজ করবে–এ ধারণা বাদ দিতে হবে। টাকার চেয়ে কর্মচারীদের পুরস্কৃত ও স্বীকৃতি দিতে হবে।

-যা করতে বলা হয় তা-ই করতে হবে–এমন ধারণা বাদ দিতে হবে। যারা কাজের ক্ষেত্রে বেশি কিছু করতে পারবেন বা দিতে পারবেন, তাদের নিয়েই কাজ করতে হবে।

-কর্মক্ষেত্রে অফিস কর্মীদের সঙ্গে বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক গড়ে তুলুন। কেননা, আপনি যদি অধীনস্থদের সঙ্গে কঠিন আচরণ করেন, তাহলে তাদের থেকে ১০০ ভাগ কাজ আদায় করা কখনো সম্ভব নয়। তাদের কাছ থেকে তাদের পরিপূর্ণ কাজ নেওয়ার জন্য তাদের সঙ্গে সব সময় সুসম্পর্ক বজায় রাখতে হবে।

যদি কোনো কর্মী কাজে ভুলও করে থাকেন তাহলেও তাকে কড়া ভাষায় না বলে সুন্দর করে বুঝিয়ে দেওয়া উচিত। তাতে যেমন সে  কর্মীর কাজের প্রতি আগ্রহ বাড়বে, তেমনি এই আচরণের ফলে আপনার কর্মক্ষেত্রে যোগ্য কর্মী তৈরি হবে। যা আপনার জন্য অনেক বেশি সফলতা বয়ে আনবে।

-দিনের ১২ ঘণ্টার বেশির ভাগ সময় সহকর্মীদের সঙ্গে কাটানো হয় বলে কর্মক্ষেত্রকে অনেকে ‘দ্বিতীয় ঘর’ বলেন। সেই ‘দ্বিতীয় ঘর’ অফিস যদি ‘পরিবার’ হয়, তাহলে সেখানে তো মান-অভিমান থাকবেই। কর্মীদের মাঝে মান-অভিমান থাকলে তা দূর করার ব্যবস্থা করুন। কর্মীকে কাছে ডাকুন, অভিযোগ শুনুন, এরপর সঠিক ব্যবস্থা গ্রহণ করুন। কখনোই কর্মীদের সঙ্গে বাজে আচরণ করা যাবে না।

-সহকর্মীদের ভালো কাজের প্রশংসা করতে কখনো কার্পণ্য করবেন না। এর ফলে তারাও আপনার কথা ও কাজকে গুরুত্ব দেবে। প্রশংসা করার ক্ষেত্রে–কাজটি খুব ভালো হয়েছে বা চমৎকার, দারুণ, এক্সিলেন্ট ইত্যাদি বলার চেয়ে কথাগুলো কিছুটা গুছিয়ে অন্যভাবেও বলতে পারেন। যেমন–আপনি এ কাজটি খুব ভালোভাবে করায় পুরো ব্যাপারটি করা আমার জন্য অনেক সহজ হয়েছে। এভাবে বলার কারণে আপনার সহকর্মী ও অন্যদের মনে হবে আপনি তাদের প্রতি কৃতজ্ঞ।

তারেক/

চাকরি দিচ্ছে ওয়ালটন, রয়েছে বিভিন্ন সুযোগ-সুবিধা

প্রকাশ: ০৫ জুন ২০২৬, ১২:২০ পিএম
চাকরি দিচ্ছে ওয়ালটন, রয়েছে বিভিন্ন সুযোগ-সুবিধা
ছবি: সংগৃহীত

ওয়ালটন হাই-টেক ইন্ডাস্ট্রিজ পিএলসি নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করেছে। প্রতিষ্ঠানটির কাস্টমস, ভ্যাট এবং ডিইডিও কমপ্লায়েন্স বিভাগ সিনিয়র এক্সিকিউটিভ পদে জনবল নিয়োগের জন্য এ বিজ্ঞপ্তি দিয়েছে। গত ২ জুন থেকেই আবেদন নেওয়া শুরু হয়েছে। আবেদন করা যাবে আগামী ৬ জুন পর্যন্ত।

আগ্রহী প্রার্থীরা অনলাইনে আবেদন করতে পারবেন। নির্বাচিত প্রার্থীরা মাসিক বেতন ছাড়াও প্রতিষ্ঠানের নীতিমালা অনুযায়ী আরো বিভিন্ন সুযোগ-সুবিধা পাবেন।

এক নজরে ওয়ালটনে নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি ২০২৬

প্রতিষ্ঠানের নাম: ওয়ালটন হাই-টেক ইন্ডাস্ট্রিজ পিএলসি

চাকরির ধরন: বেসরকারি চাকরি

প্রকাশের তারিখ: ২ জুন ২০২৬

পদ সংখ্যা: ১টি

লোকবল নিয়োগ: নির্ধারিত নয় 

আরো পড়ুন: আকর্ষণীয় বেতনে এনসিসি ব্যাংকে চাকরির সুযোগ

আবেদন করার মাধ্যম: অনলাইন

আবেদন শুরুর তারিখ: ২ জুন ২০২৬

আবেদনের শেষ তারিখ: ৬ জুন ২০২৬

অফিশিয়াল ওয়েবসাইট: https://www.waltonhil.com

আবেদন করার লিংক: অফিশিয়াল নোটিশের নিচে

প্রতিষ্ঠানের নাম: ওয়ালটন হাই-টেক ইন্ডাস্ট্রিজ পিএলসি

পদের নাম: সিনিয়র এক্সিকিউটিভ

বিভাগ: কাস্টমস, ভ্যাট এবং ডিইডিও কমপ্লায়েন্স

পদসংখ্যা: নির্ধারিত নয়

শিক্ষাগত যোগ্যতা: অ্যাকাউন্টিংয়ে বিবিএ/এমবিএ

অন্যান্য যোগ্যতা: এনবিআর/ভ্যাট অডিট, ডিইডিও (ডিউটি ​​ড্রব্যাক) পরিচালনার অভিজ্ঞতা। এনবিআর অনুমোদিত ভ্যাট সফটওয়্যার ব্যবহারের দক্ষতা এবং এমএস এক্সেলে পারদর্শী। 

অভিজ্ঞতা: কমপক্ষে ২ থেকে ৫ বছর 

চাকরির ধরন: ফুলটাইম

কর্মক্ষেত্র: অফিসে 

প্রার্থীর ধরন: নারী-পুরুষ (উভয়) 

বয়সসীমা: উল্লেখ নেই 

কর্মস্থল: ঢাকা (বসুন্ধরা)

বেতন: আলোচনা সাপেক্ষে 

অন্যান্য সুবিধা: মোবাইল বিল, মুনাফার অংশ, প্রভিডেন্ট ফান্ড, বিমা, দুপুরের খাবার সুবিধা, প্রতি বছর ইনক্রিমেন্ট, বছরে ২টি উৎসব বোনাস। 

আবেদন যেভাবে: আগ্রহী প্রার্থীরা আবেদন করতে ও বিস্তারিত বিজ্ঞপ্তিটি দেখতে এখানে ক্লিক করুন। 

আবেদনের শেষ সময়: ৬ জুন ২০২৬

তারেক/

চাকরির পাশাপাশি যেভাবে বাড়তি আয় করবেন

প্রকাশ: ০৪ জুন ২০২৬, ১২:২০ পিএম
চাকরির পাশাপাশি যেভাবে বাড়তি আয় করবেন
ছবি: খবরের কাগজ

বর্তমান সময়ে অধিকাংশ চাকরিজীবীর আয় একটি নির্দিষ্ট সীমার মধ্যেই থাকে। মাস শেষে নির্ধারিত বেতন হাতে এলেও ব্যয়ের তালিকা কিন্তু প্রতিনিয়ত বাড়তেই থাকে। নিত্যপ্রয়োজনীয় খরচ, পরিবার পরিচালনা ও হঠাৎ আসা অতিরিক্ত ব্যয় সামলাতে গিয়ে অনেকেই আর্থিক চাপে পড়ে যান। যত হিসাব করেই চলা হোক না কেন, অনেক সময় নির্দিষ্ট আয়ে সব প্রয়োজন মেটানো কঠিন হয়ে পড়ে। তাই স্বচ্ছন্দ জীবনযাপন নিশ্চিত করতে চাকরির পাশাপাশি বাড়তি আয়ের গুরুত্ব দিন দিন বাড়ছে।

আরো পড়ুন: প্রাণখোলা হাসিতে অফিস হোক প্রাণবন্ত

এছাড়া চাকরির ক্ষেত্রে অনিশ্চয়তা এখন খুবই সাধারণ বিষয়। যেকোনো সময় কর্মক্ষেত্রে পরিবর্তন আসতে পারে, যা আর্থিক নিরাপত্তাকে ঝুঁকির মধ্যে ফেলতে পারে। এমন পরিস্থিতিতে অতিরিক্ত আয়ের একটি উৎস অনেকটাই ভরসা জোগায়। আবার সবকিছু স্বাভাবিক থাকলেও বাড়তি উপার্জন মানে নিজের ও পরিবারের জন্য আরও ভালো কিছু করার সুযোগ তৈরি হওয়া। একটু বেশি সঞ্চয়, নিজের শখ পূরণ কিংবা ভবিষ্যতের পরিকল্পনাগুলো বাস্তবায়নেও এটি সহায়ক। নিজের দক্ষতা, অভিজ্ঞতা ও অবসর সময় কাজে লাগিয়ে সহজেই বাড়তি আয়ের পথ তৈরি করা সম্ভব। ফুল টাইম চাকরির পাশাপাশি অতিরিক্ত উপার্জনের কিছু কার্যকর উপায় জেনে নিতে পারেন।

ফ্রিল্যান্সিং শুরু করুন

যদি আপনার কর্মক্ষেত্রে ফ্রিল্যান্সিং কোনো সমস্যা না হয় এবং এটি আপনাকে কোনো আইনি সমস্যায় না ফেলে, তবে আপনার অবসর সময়ে ফ্রিল্যান্সিং করতে পারেন। আপনি লিখতে পারেন, একজন গ্রাফিক্স ডিজাইনার হতে পারেন, প্রোগ্রামিং বা ডিজিটাল মার্কেটিংয়েও কাজ করতে পারেন। এতে নিজের দক্ষতা প্রমাণের পাশাপাশি আপনি দ্রুতই অর্থশালী হয়ে উঠবেন।

কোচিং করাতে পারেন

আপনি যদি কোনো নির্দিষ্ট বিষয়ে দক্ষ হন তবে অনলাইনে টিউটরিং বা কোচিং শুরু করতে পারেন। আপনি কারুশিল্প শেখাতে পারেন, কোনো অনলাইন প্ল্যাটফর্মের সঙ্গেও যুক্ত হতে পারেন যেখানে আপনি যে ক্ষেত্রে ভালো সে বিষয়ে কোর্স শেখাতে পারেন। এভাবে আপনি আরও বেশি মানুষের কাছে পৌঁছাতে এবং আয়ের পথ তৈরি করতে পারবেন।

রুম বা সম্পত্তি ভাড়া দিন

আপনার যদি একটি অতিরিক্ত রুম থাকে, তাহলে সেটি দিয়ে হতে পারে আপনার বাড়তি আয়ের সুযোগ। অতিরিক্ত রুমটি আপনি ভাড়া দিতে পারেন। এতে খালি পড়ে থাকা রুমটি দিয়ে আপনি খুব সহজেই উপার্জনের পথ তৈরি করে নিতে পারবেন। একইভাবে আপনার গাড়িটিও কাজে লাগাতে পারেন। ভাড়া দিয়ে খুব সহজেই বাড়তি উপার্জন করতে পারেন।

অপ্রয়োজনীয় জিনিস বিক্রি করুন

আমাদের প্রায় সবার বাড়িতেই অনেক অপ্রয়োজনীয় জিনিসপত্র থাকে। হয়তো বছরের পর বছর পড়ে আছে কিন্তু কোনো কাজে লাগছে না। হতে পারে, সেই জিনিসটিই অন্য কারও অনেক প্রয়োজন কিন্তু অর্থ সংকটের কারণে কিনতে পারছে না। এমন অবস্থায় আপনার সেই পড়ে থাকা জিনিসটা যদি অনলাইনে বিক্রির বিজ্ঞাপন দেন, খুব দ্রুতই বিক্রি হয়ে যাবে। এতে আপনার বাড়ি থেকে জঞ্জাল কমবে, আবার বাড়তি আয়েরও সুযোগ হবে।

অনলাইন সার্ভে অংশগ্রহণ করুন

অনলাইন সার্ভে ও মার্কেট রিসার্চ স্টাডিতে অংশগ্রহণ আপনাকে অতিরিক্ত অর্থ উপার্জনে সহায়তা করতে পারে। হ্যাঁ, পেআউটগুলো ছোট, কিন্তু এটি আপনাকে কিছুটা হলেও বাড়তি আয়ের সুযোগ করে দেবে। তাই এই কাজে নিজেকে দক্ষ করে গড়ে তুলতে পারেন। অবসর সময়ে অনলাইন সার্ভে ও মার্কেট রিসার্চের মাধ্যমে আয় করতে পারেন।

সতর্কতা

চাকরির পাশাপাশি আয় করতে গিয়ে কখনোই অর্থের দিকে ঝুঁকে পড়া যাবে না। এমনটা হলে মূল পেশায় খুবই খারাপ প্রভাব পড়বে। একপর্যায়ে চাকরিতে সমস্যা হবে আপনার। এতে আপনিই বিপদে পড়বেন। এ জন্য সততার সঙ্গে কাজ করতে হবে আপনাকে। আবার অতিরিক্ত অর্থের লোভে অনৈতিক কোনো ব্যবসায় বিনিয়োগ করা থেকেও দূরে থাকতে হবে। মনে রাখবেন, বাড়তি উপার্জনের আশায় অর্থের লোভে নিজেকে ভাসিয়ে দেওয়া যাবে না।

তারেক/

ক্লায়েন্টের সঙ্গে আলোচনা এগিয়ে নেওয়ার উপায়

প্রকাশ: ০৩ জুন ২০২৬, ০১:০৪ পিএম
ক্লায়েন্টের সঙ্গে আলোচনা এগিয়ে নেওয়ার উপায়
ছবি: খবরের কাগজ

ক্লায়েন্টের চাহিদা ও পছন্দ ভালোভাবে বুঝতে পারলে পণ্য বা সেবা বিক্রি করা অনেক সহজ হয়ে যায়। বিশেষ করে যেসব প্রতিষ্ঠানের একাধিক পণ্য বা সেবা রয়েছে, তাদের জন্য একই গ্রাহকের কাছে বিভিন্ন পণ্য উপস্থাপন করা বড় একটি চ্যালেঞ্জ। ব্যবসায়িক ভাষায় এটিকে ক্রস সেলিং বলা হয়। সফলভাবে এটি করতে হলে ক্লায়েন্টের সঙ্গে আন্তরিক ও বিশ্বাসভিত্তিক সম্পর্ক তৈরি করা জরুরি। পাশাপাশি নিয়মিত যোগাযোগ বজায় রাখাও গুরুত্বপূর্ণ। ক্লায়েন্টের সঙ্গে কার্যকরভাবে কীভাবে আলাপ চালিয়ে যাবেন, সে বিষয়ে কিছু বিষয় নিচে তুলে ধরা হলো—

দিনকাল কেমন যাচ্ছে? ব্যবসা কেমন যাচ্ছে?

প্রতিটি সাক্ষাতের শুরুতেই আমরা এই দুটি প্রশ্ন করে থাকি। মাঝে মধ্যে এই দুটি প্রশ্ন জিজ্ঞেস করার মাধ্যমে ক্লায়েন্টের চাহিদা জানা যায় এবং তা নিয়ে এক ঘণ্টারও বেশি আলাপ করা যায়।

নিজের কোম্পানি সম্পর্কে বক্তব্য দিন

প্রতিটি প্রতিষ্ঠানেরই নিজস্ব পরিচিতিমূলক বক্তব্য থাকে যেখানে কোম্পানির পরিচিতি ও কর্মপরিধি উল্লেখ থাকে। এছাড়া কখন ক্লায়েন্টদের সঙ্গে যোগাযোগ করা যাবে তাও জিজ্ঞেস করে নেওয়া হয়। পুরো বক্তব্য দুই-তিন মিনিটের বেশি হবে না, এর বেশি হলেই ক্লায়েন্ট তার মনোযোগ হারিয়ে ফেলবে।

আপনার লক্ষ্য, উদ্দেশ্য ও মূল চ্যালেঞ্জগুলো কী কী? 

এই ওপেন এন্ডেড প্রশ্ন জিজ্ঞেস করলে আপনার ক্লায়েন্ট তার কাছে যা কিছু গুরুত্বপূর্ণ তা নিয়ে কথা বলবে। এর মাধ্যমে আপনি বুঝতে পারবেন কোথায় আপনার ক্লায়েন্টকে আপনি সাহায্য করতে পারবেন বা পরবর্তী সাক্ষাতের এজেন্ডা নির্ধারণ করে দেবে যখন আপনি জানবেন ক্লায়েন্টের চাহিদা পূরণে আপনার পণ্য/সেবাই সঠিক সমাধান।

আরো পড়ুন: কর্মসংস্থান ব্যাংকে ২৮৭ জনের বড় নিয়োগ, আবেদন অনলাইনে

ক্লায়েন্টের সঙ্গে আলাপ করলে যে করেই হোক পরবর্তী সাক্ষাতের ক্ষেত্র তৈরি করে নিতে হবে। চলমান আলাপের মাধ্যমেই ক্লায়েন্টের আয় বৃদ্ধি, নতুন ক্লায়েন্ট বা বেশি করে ক্রস সেলিং করার সুযোগ আসে। আপনার কাজ হবে ক্লায়েন্টদের কাছ থেকে এবং তাদের ব্যাপারে যত বেশি তথ্য পাওয়া যায় তা নিশ্চিত করা এবং আপনার কাজ ছাড়া আপনার ব্যাপারে যত কম কথা বলা যায় সেদিকে খেয়াল রাখা। প্রতিটি আলাপের পর তাদের কাছে আপনি নির্দিষ্ট কোনো প্রস্তাবনা বা সম্ভাব্য সমাধান দিতে পারেন আর দেখবেন যে আপনার ক্লায়েন্টই আপনার সঙ্গে পরবর্তী সময়ে দেখা করার আগ্রহ প্রকাশ করবে। প্রাসঙ্গিক আলাপের মাধ্যমে বেশি বেশি ক্রস সেলিংয়ের সুযোগ তৈরি হয় যা আপনার ব্যবসাকে লাভবান করবে।

তারেক/

কর্মক্ষেত্রের জটিলতা সামলানোর কৌশল

প্রকাশ: ০২ জুন ২০২৬, ০২:৫০ পিএম
কর্মক্ষেত্রের জটিলতা সামলানোর কৌশল
ছবি: খবরের কাগজ

অফিস মানেই ব্যস্ততা আর কাজের চাপ। কর্মক্ষেত্রে চাপ থাকবে, এটাই স্বাভাবিক। তবে অনেক সময় সেই চাপ এতটাই বেড়ে যায় যে, তা সামলানো কঠিন হয়ে পড়ে। এর প্রভাব পড়ে মানসিক অবস্থার ওপরও। আর কাজের চাপের পাশাপাশি যদি অফিস পলিটিক্স যোগ হয়, তাহলে পরিস্থিতি আরও জটিল হয়ে ওঠে। সবকিছু সামলাতে গিয়ে নিজের মানসিক স্বস্তি ধরে রাখাও তখন বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়ায়।

অফিসে কাজের ফাঁকে সহকর্মীদের সঙ্গে একটু আড্ডা বা গল্প হতেই পারে। তবে সেটি যেন সীমার মধ্যেই থাকে। কারণ, আড্ডা শেষে আবার মনোযোগ ফিরিয়ে আনতে হয় কাজেই। কর্মক্ষেত্রে সব সময় যে অনুকূল পরিবেশ পাওয়া যাবে, এমনটা ভাবার সুযোগ নেই। কাজ করতে গিয়ে নানা ধরনের অপ্রত্যাশিত পরিস্থিতির মুখোমুখি হতে পারে। তাই আগে থেকেই জানা দরকার, কোন পরিস্থিতিতে কীভাবে নিজেকে সামলে নিতে হবে।

সহকর্মী কটু কথা বললে

আপনার কোনো সহকর্মী হয়তো আপনাকে কড়া ভাষায় কথা বলেছে। আপনিও মনে মনে চাচ্ছেন তার চেয়েও কড়া ভাষায় উত্তর দিতে। এমনটা যদি করেন তাহলে ভুল করবেন। সহকর্মীর কড়া ভাষার উত্তর দিতে যাবেন না। কারণ, এটি তর্ক বাড়িয়ে দেবে। অফিসে শান্তি বজায় রাখার জন্য আপনি শান্ত থাকার চেষ্টা করুন। সহকর্মী যদি আপনার প্রিয় কেউ হন তবে তাকে বুঝতে চেষ্টা করুন। হতে পারে তিনি খুব বেশি কাজের চাপে এমনটা করছেন। মনে রাখবেন–তর্কে তর্ক বাড়ে। 

বড় ধরনের সমস্যা দেখা দিলে

কোনো কাজের ক্ষেত্রে গুরুতর সমস্যা সৃষ্টি হলে মনোবল হারানো চলবে না। নিজের মনোবল শক্ত করে অন্যদের ভরসা দিন। মনে রাখবেন–সব সমস্যার সমাধান আছে। সমস্যা গুরুতর হলে শান্তভাবে বসুন এবং চিন্তা করুন এর সমাধান কীভাবে করবেন। একজন সিনিয়রের সঙ্গে কথা বলুন, যিনি সমস্যাটি গুরুত্ব দিয়ে দেখবেন।

আরো পড়ুন: কর্মসংস্থান ব্যাংকে ২৮৭ জনের বড় নিয়োগ, আবেদন অনলাইনে

সব কাজ মেইলের মাধ্যমে করুন। মৌখিক আলোচনা গুজবের জন্ম দিতে পারে। তাই কাজের প্রমাণ রাখুন।

খোলামেলা আলোচনা করুন

আপনার যুক্তিতে ‘সঠিক’, কিন্তু বসের মতে ‘বেঠিক’–অধিকাংশ সময় এরকম দোটানায় জড়িয়েই বসের সঙ্গে আপনার দ্বন্দ্ব তৈরি হতে পারে। এরকম পরিস্থিতিকে কী করবেন? এমন পরিস্থিতিতে ব্যাপারটি নিয়ে আপনার বসের সঙ্গে খোলামেলা আলোচনা করুন। দেখবেন সমাধান বের হয়ে আসছে।

কাজের ক্রেডিট অন্য কেউ নিলে

অনেক সময় দেখা যায়, আপনি খেটেখুটে একটি সফল প্রজেক্ট দাঁড় করিয়েছেন। কিন্তু সেই কাজের পুরো কৃতিত্বই বিভাগীয় প্রধান নিয়ে নিচ্ছেন। এমন পরিস্থিতিতে আপনি কী করবেন? আপনি বলবেন, ‘আমার পয়েন্ট স্পটলাইট করার জন্য ধন্যবাদ’। আপনি সংযমের সঙ্গে কথাগুলো বলুন। ভদ্রভাবে কথা বলে অনেক কিছুই সহজ করা সম্ভব। এতে আপনাদের যিনি বস, তিনিও বুঝে যাবেন যে কাজটি আপনার। আপনি যে কাজটি করে দিয়েছেন, তার বিস্তারিত প্রমাণ নিজের কাছে রাখুন। যাতে করে পরবর্তী সময়ে কোনো প্রশ্ন উঠলে সামাল দিতে পারেন।

অফিসে বেশি সময় থাকতে বললে

অনেক সময় দেখা যায়, সিনিয়ররা তার অধীনস্থ কর্মীদের বেশি সময় অফিসে থাকতে এক প্রকার বাধ্য করেন। এমন পরিস্থিতিতে রেগে গেলে চলবে না। মাথা ঠাণ্ডা রাখতে হবে। বিনয়ের সঙ্গে বলুন, আপনার অন্য জায়গায় কাজ রয়েছে। আপনি যে এই কাজে অপারগ তা সুন্দরভাবে বুঝিয়ে বের হয়ে আসুন। সেই সঙ্গে যখন আপনার সিনিয়রের মন ভালো থাকে তখন তার সঙ্গে বসে কাজের সময়ের সীমা নির্ধারণ করে ফেলুন।

সরাসরি ‘না’ বলবেন না

অফিসে কখনো কখনো এমন অনেক পরিস্থিতি তৈরি হতে পারে যখন আপনাকে না চাইলেও ‘না’ বলতে হবে। তবে এটি সরাসরি বলা যাবে না। বলতে হবে সঠিকভাবে কায়দা করে। যদি মনে করেন আপনার ওপর অতিরিক্ত কাজ বা দায়িত্ব চাপিয়ে দেওয়া হচ্ছে, তবে সুন্দরভাবে জানিয়ে দিন যে, আপনি একটি টিমের সঙ্গে কাজ করতে পারেন, আপনার পক্ষে একা এই কাজ করা সম্ভব নয়। এ ক্ষেত্রে আপনাকে কৌশলী হতে হবে, অনুরোধটি সরাসরি প্রত্যাখ্যান করবেন না। অনেক বসই ‘না’ শব্দটি সহ্য করতে পারেন না।

সমালোচনাকে এড়িয়ে চলুন

অফিসের সব সহকর্মী এক ধরনের হয় না। কিছু কিছু সহকর্মী পাবেন যারা আপনাকে সব সময় দমিয়ে রাখার চেষ্টা করবে। আপনি যা-ই করেন না কেন তারা আপনার সমালোচনা করবে। এ ধরনের বস আপনার নিজস্ব উন্নয়নের জন্য খুব বিপজ্জনক। পারলে সমালোচনাকে এড়িয়ে চলুন। এ ধরনের বসের সঙ্গে ঠাণ্ডা মাথায় কাজ করুন। যদি মানিয়ে নিতে না পারেন তাহলে এ ধরনের কর্মকর্তার অধীনে কাজ না করাই শ্রেয়।

তারেক/