ঢাকা ৭ আষাঢ় ১৪৩৩, রোববার, ২১ জুন ২০২৬

সর্বশেষ
প্রথম রাষ্ট্রীয় সফরে মালয়েশিয়ায় পৌঁছেছেন তারেক রহমান মাদারগঞ্জে বজ্রপাতে এক বৃদ্ধের মৃত্যু ‘কাতারে সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত বাংলাদেশিদের মরদেহ দেশে আনার উদ্যোগ নিচ্ছেন’ আধ্যাত্মিক ধনী হওয়ার সহজ সমীকরণ যুদ্ধবিরতির পথে যুক্তরাষ্ট্র–ইরান সংলাপ শুরু জেনেভায় সিলেটে টানা বৃষ্টি, বন্যার শঙ্কা পাউবোর বাংলাদেশের বাজেট ২০২৬-২০২৭: সম্ভাবনা, চ্যালেঞ্জ ও বাস্তবতা গাজীপুরে নিষিদ্ধ আ. লীগের বিক্ষোভ মিছিল প্রযুক্তির অপচ্ছায়া সড়কে ‘এআই ক্যামেরা’ ও অভিনব ডিজিটাল ডাকাতি বাবা দিবসে সবচেয়ে বড় প্রশ্ন: আমরা কি বাবা-মাকে হারাচ্ছি, নাকি তাদের সঙ্গে সময়ের সংযোগ হারাচ্ছি! ১০ দফা দাবিতে চাকরিচ্যুত ব্যাংকারদের মানববন্ধন সোমবার মোহভঙ্গের বাংলাদেশ: যখন বুঝলাম সর্বনাশ হয়ে গেছে অরণ্যের অন্ত্যজ কথা বরিশালে গ্রেপ্তার এড়াতে ছাদ থেকে পড়ে আ. লীগ নেতার মৃত্যু ইরান ম্যাচে বেলজিয়ামের মূল ফোকাস নিজেদের খেলায়: গার্সিয়া কৃষিকাজে বিজ্ঞান বিষয়ক প্রবন্ধ রচনা, ৩য় পর্ব, এইচএসসির বাংলা ২য় পত্র ২৪ ঘণ্টায় হামের উপসর্গে আরও তিনজনের মৃত্যু গোপনে দ্বিতীয়বার বিয়ের পিঁড়িতে বিপ্লব দেব প্রাকৃতিক ভূগোল অধ্যায়ের ৩টি বহুনির্বাচনি প্রশ্ন ও উত্তর, ৫ম পর্ব, এইচএসসির ভূগোল ১ম পত্র জাহাজডুবির দুঃসহ অধ্যায় শেষে দেশে ফেরা সুনামগঞ্জে বৃষ্টি ও পাহাড়ি ঢলে দুই উপজেলার নিম্নাঞ্চল প্লাবিত কাতারে সড়ক দুর্ঘটনায় ৫ বাংলাদেশি নিহত হাইড্রোলিক হর্নের অত্যাচার ও বিপন্ন জনস্বাস্থ্য ‘কমল দাদার পাঠশালায়’ আদিবাসী শিশুদের পাশে ফারুক হোসেন একটি ব্রিজের অভাবে থমকে আছে জনজীবন সামাজিক অস্থিরতায় মানবতা হত্যা: প্রতিকার কোথায়? জার্মানির জয়ের নায়ক কে এই ডেনিজ উন্দাভ? অস্ট্রেলিয়ার দাপুটে জয়ে হোয়াইটওয়াশ বাংলাদেশ বাংলাদেশে সমৃদ্ধি ও বঞ্চনার পাহাড় গ্যালাক্সি ওয়াচে যেভাবে ব্যবহার করবেন গুগল ওয়ালেট

মা হলেন ‘ওয়ান্ডার ওম্যান’ নায়িকা গ্যাল গ্যাদত

প্রকাশ: ৩১ ডিসেম্বর ২০২৪, ০১:৪৫ পিএম
মা হলেন ‘ওয়ান্ডার ওম্যান’ নায়িকা গ্যাল গ্যাদত
গ্যাল গ্যাদত। ছবি: সংগৃহীত

‘ওয়ান্ডার ওম্যান’খ্যাত জনপ্রিয় অভিনেত্রী গ্যাল গ্যাদত। চলতি বছরের মার্চে কন্যাসন্তানের মা হয়েছেন তিনি। সম্প্রতি ইনস্টাগ্রামে মেয়েকে কোলে নেওয়া একটা ছবি শেয়ার করেছেন এই তারকা। হাসপাতালের বিছানা থেকে তোলা তার মেয়ের সঙ্গে একটি ছবি শেয়ার করা ছবিতে দেখা গেছে, এক হাতে ব্ল্যাক কফির মগ হাতে চেয়ে আছেন মেয়ের মুখের দিকে। 

ইনস্টাগ্রাম পোস্টে সেই সময়ের অভিজ্ঞতা শেয়ার করে গ্যাল গ্যাদত বলেন, ‘এই বছরটি ছিল বিশাল চ্যালেঞ্জ এবং গভীর অনুভুতিগুলোর মধ্যে অন্যতম একটি বছর। আমি অনেক ভেবে, বলতে গেলে একধরনের মনের সঙ্গে যুদ্ধ করে আমার গল্পটি শেয়ার করার সিদ্ধান্ত নিয়েছি। আমি আশা করি, গল্পটি শেয়ার করার মাধ্যমে সচেতনতা বাড়াতে পারব। বিশেষ করে যারা গর্ভাবস্থায় এমন জটিল অসুখের মুখোমুখি হন।’ 

গ্যাল গ্যাদত আরও লিখেছেন, ‘ফেব্রুয়ারিতে গর্ভাবস্থার অষ্টম মাসে হঠাৎ করেই আমার মস্তিষ্কে বিশাল রক্ত জমাট বাঁধা ধরা পড়ে। কয়েক সপ্তাহ ধরে এই যন্ত্রণাদায়ক মাথাব্যথা সহ্য করেছিলাম। আমি বিছানা থেকে উঠতে পারিনি। অবশেষে একটি এমআরআই করি এবং বিষয়টি জানতে পারি। অভিজ্ঞতাটি ছিল আমার কাছে ভয়ংকর। এক মুহূর্তে পরিবার এবং আমার জীবন কতটা ভঙ্গুর হতে পারে তার মুখোমুখি হয়েছিলাম। শুধু চেয়েছিলাম, নিজেকে শক্ত রাখাব এবং বেঁচে থাকব। রিপোর্ট পাওয়ার কয়েক ঘণ্টার মধ্যে আমি জরুরি অস্ত্রোপচার করি। অনিশ্চয়তা এবং ভয়ের সেই মুহূর্তে আমার মেয়ে অরির জন্ম হয়। তার নাম রাখি অরি (আমার আলো)। সে আসলে আমার জীবনের আলো হয়ে এসেছে।’

তিনি আরও লিখেছেন, ‘এই যাত্রা আমাকে অনেক কিছু শিখিয়েছে। প্রথমত, আমাদের শরীরের কথা সবার আগে ভাবা উচিত। যেভাবে শরীর ভালো থাকে সেভাবেই আমাদের চলা উচিত। ব্যথা, অস্বস্তি বা শরীরের সূক্ষ্ম পরিবর্তনগুলো প্রায়ই জীবনের জন্য হুমকি হতে পারে। দ্বিতীয়ত, এ ক্ষেত্রে সচেতনতা জরুরি। আমার ধারণা, ৩০ বছরের বেশি বয়সের ১ লাখ গর্ভবতী নারীর মধ্যে গড়ে ৩ জন সিভিটি (মস্তিষ্কে রক্ত জমাট বাঁধা) রোগে আক্রান্ত। এটি শনাক্ত করা বেশি গুরুত্বপূর্ণ, কারণ এটি নিরাময়যোগ্য। যদিও এ ক্ষেত্রে মানসিকভাবে শক্ত থাকা এবং মনোবল ধরে রাখা আরও বেশি গুরুত্বপূর্ণ। আমি এটি শেয়ার করছি ভয় দেখানোর জন্য নয়, বরং সচেতন করার জন্য। আমার এই গল্প শুনে যদি একজন মানুষও সচেতন হন, সে ক্ষেত্রেও এটি শেয়ার করা জরুরি বলে আমি মনে করেছি।’

উল্লেখ্য, ২০০৮ সালে জারন ভারসানোকে বিয়ে করেন গ্যাল গ্যাদত। তাদের আরও তিনটি সন্তান (আলমা, মায়া, ড্যানিয়েল) রয়েছে। এই অভিনেত্রীকে শেষবার দেখা গেছে নেটফ্লিক্সের স্পাই অ্যাকশন থ্রিলার ‘হার্ট অব স্টোন’-এ রাচেল স্টোন চরিত্রে।

হাসান

মৌয়ের জন্মদিনে বাবার গানে আবেগঘন উপহার বিপ্লব সাহার

প্রকাশ: ২১ জুন ২০২৬, ০৪:৪৪ পিএম
মৌয়ের জন্মদিনে বাবার গানে আবেগঘন উপহার বিপ্লব সাহার

বাংলাদেশের নৃত্য, অভিনয় ও মডেলিং অঙ্গনের নন্দিত শিল্পী সাদিয়া ইসলাম মৌ। আজ তার জন্মদিন। একইদিনে এবার উদযাপিত হচ্ছে বাবা দিবস। দুই বিশেষ উপলক্ষে প্রয়াত বাবার গাওয়া গানকে নতুন আঙ্গিকে উপহার দিলেন খ্যাতিমান ফ্যাশন ডিজাইনার ও বিশ্বরঙের কর্ণধার বিপ্লব সাহা।

বিশ্বরঙের এই বিশেষ উদ্যোগে নির্মিত হয়েছে একটি মিউজিক ভিডিও, যেখানে নতুন সংগীতায়োজনে পুনরায় প্রাণ পেয়েছে মৌয়ের প্রয়াত বাবা, প্রখ্যাত সংগীতশিল্পী সাইফুল ইসলামের কণ্ঠে গাওয়া একটি জনপ্রিয় গান। গানটির মূল গীতিকার নঈম দোহার এবং সুরকার নওয়ার পারভেজ। নতুন সংগীতায়োজন করেছেন রাজন সাহা, যিনি আধুনিক নির্মাণশৈলীর মাধ্যমে গানটিকে দিয়েছেন ভিন্নমাত্রা।

এই প্রজেক্টের সবচেয়ে আবেগঘন দিক হলো—সাদিয়া ইসলাম মৌ প্রথমবারের মতো কোনো মিউজিক ভিডিওতে নিজের কণ্ঠে কবিতা পাঠ করেছেন। দীর্ঘ ক্যারিয়ারে নৃত্য, অভিনয় ও মডেলিংয়ে সাফল্যের পর এই নতুন সংযোজন তাঁর শিল্পীসত্তায় যুক্ত করেছে এক ভিন্ন আবেগ ও গভীরতা।

প্রজেক্টটি নিয়ে বিপ্লব সাহা বলেন, “মৌ আমাদের সাংস্কৃতিক অঙ্গনের উজ্জ্বল নাম। তাঁর জন্মদিন ও বাবা দিবস একই দিনে হওয়ায় আমরা চেয়েছি এমন কিছু করতে, যা স্মৃতি ও ভালোবাসাকে একসঙ্গে ধারণ করে। প্রয়াত সাইফুল ইসলামের প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে গানটিকে নতুনভাবে উপস্থাপন করা হয়েছে।”

তিনি আরও জানান, মৌয়ের কবিতা পাঠ এই কাজটিকে শুধু একটি মিউজিক ভিডিও নয়, বরং এক আবেগঘন শিল্পভাষ্যে রূপ দিয়েছে, যেখানে ব্যক্তিগত অনুভূতি ও শিল্প এক হয়ে গেছে।

মিউজিক ভিডিওটির চিত্রগ্রহণ করেছেন অনিক ছন্দ এবং সম্পাদনার দায়িত্বে ছিলেন তুষার। পুরো নির্মাণে চেষ্টা করা হয়েছে স্মৃতি, শ্রদ্ধা ও ভালোবাসার সূক্ষ্ম অনুভূতিগুলোকে দৃশ্য ও সুরের মাধ্যমে ফুটিয়ে তুলতে।

আজ সন্ধ্যায় মিউজিক ভিডিওটি একযোগে বিশ্বরঙের অফিসিয়াল ইউটিউব চ্যানেল এবং বিপ্লব সাহার ইউটিউব চ্যানেলে প্রকাশ করা হবে। পাশাপাশি এটি বিশ্বরঙের অফিসিয়াল ফেসবুক পেজেও উন্মুক্ত থাকবে।

/এমটি 

রোবট চরিত্রে জেনা ওর্তেগা

প্রকাশ: ২১ জুন ২০২৬, ০২:০২ পিএম
রোবট চরিত্রে জেনা ওর্তেগা
ছবি: সংগৃহীত

হলিউড তারকা জেনা ওর্তেগা। এবার রুপালি পর্দায় রোবট হয়ে দর্শকদের সামনে হাজির হচ্ছেন তিনি। এই অভিনেত্রীকে এমন চরিত্রে দেখা যাবে খ্যাতিমান নির্মাতা তাইকা ওয়াইটিটির সিনেমায়। যিনি ‘থর: র‌্যাগনারক’, ‘জোজো র‌্যাবিট’-এর মতো ব্লকবাস্টার ও কমেডি ঘরানার সিনেমার নির্মাতা হিসেবে পরিচিতি পেয়েছেন। 
কাজুও ইশিগুরোর ২০২১ সালের বিখ্যাত উপন্যাস অবলম্বনে তিনি নির্মাণ করেছেন ‘ক্লারা অ্যান্ড দ্য সান’। সম্প্রতি বিনোদন সাময়িকী ‘ভ্যানিটি ফেয়ার’ এই সিনেমার ফার্স্ট লুক প্রকাশ করেছে। সিনেমার মূল চরিত্র ‘ক্লারা’। এটি মূলত একটি সৌরশক্তিচালিত রোবট। এই ক্লারা চরিত্রেই দেখা যাবে জেনা ওর্তেগাকে। 
সিনেমার গল্পে দেখা যাবে, এক মা তার অসুস্থ মেয়ের একাকিত্ব দূর করতে সঙ্গী হিসেবে এই রোবটটিকে কিনে নেন। মানুষের আচরণ, ভালোবাসা, একাকিত্ব ও বিশ্বাসকে একটি কৃত্রিম সত্তা বা রোবট কীভাবে দেখছে, তা নিয়েই এগিয়েছে সিনেমার গল্প।
নির্মাতা তাইকা ওয়াইটিটি জানান, শুরুতে তিনি ভেবেছিলেন এটি তার ক্যারিয়ারের সবচেয়ে সহজ সিনেমা হবে এবং তিনি এটিকে তার চেনা ‘কমেডি’ স্টাইলে বানাতে চেয়েছিলেন।
এ সম্পর্কে তিনি বলেন, “শুরুতে লেখার সময় ভেবেছিলাম এটাকে একটা সাধারণ ‘তাইকা ফিল্ম’ বানাই আর ফালতু রোবট রসিকতায় ভরিয়ে দিই। কিন্তু লিখতে গিয়ে বুঝলাম, এতে চমৎকার বইটির মূল আবেদন নষ্ট হয়ে যাচ্ছে। তাই নিজের চেনা ধারা থেকে বের হয়ে এটিকে একটি সিরিয়াস ড্রামা হিসেবে তৈরি করেছি। এটিই সম্ভবত আমার ক্যারিয়ারের সবচেয়ে নাটকীয় ছবি।”
কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা এআই কীভাবে মানুষের সম্পর্কের সঙ্গে জড়িয়ে যাচ্ছে, তা-ই এখানে ফুটিয়ে তোলা হয়েছে। আগামী ২৩ অক্টোবর সিনেমাটি বিশ্বব্যাপী প্রেক্ষাগৃহে মুক্তি পাবে। 
তবে সিনেমাটি প্রেক্ষাগৃহে মুক্তির আগেই টরন্টো আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসবে এর প্রিমিয়ার হতে পারে।

আব্বা আমার জীবনের আদর্শ: ববিতা

প্রকাশ: ২১ জুন ২০২৬, ০১:৫৪ পিএম
আপডেট: ২১ জুন ২০২৬, ০৪:৩৭ পিএম
আব্বা আমার জীবনের আদর্শ: ববিতা
ছবি: সংগৃহীত

শুধু বাবা দিবস এলেই যে আব্বাকে মনে পড়ে আমার কাছে কিন্তু বিষয়টি এমন নয়। আমার জীবনজুড়ে জড়িয়ে আছেন আমার আব্বা। সবাই বলেন, আমি নাকি আমার আব্বার আদর্শে বেড়ে উঠেছি। কিন্তু আদৌ কী আমি আব্বার আদর্শে বেড়ে উঠতে পেরেছি, এটা আমার নিজের কাছে নিজেরই প্রশ্ন। আমার বিয়ের মাত্র চার মাস পরেই আমার আব্বা এএসএম নিজাম উদ্দিন আতাউব ইন্তেকাল করেন। যে কারণে মানসিকভাবে সেই সময় অনেক ভেঙে পড়েছিলাম। বাবাকে ঘিরে প্রত্যেক সন্তানেরই অনেক স্মৃতি থাকে। 
আব্বা সব সময় আমাদের ছয় ভাইবোনকে সন্ধ্যা ৬টার মধ্যে বাসায় ফেরার কথা বলতেন। আমার জীবনের সাফল্যের মূলমন্ত্র কিন্তু আব্বার কাছ থেকেই পাওয়া। এই যে আমি এত পরিপাটি থাকি, গুছিয়ে থাকার চেষ্টা করি, এটা আব্বার কাছ থেকেই পাওয়া। আব্বা যখন অফিস থেকে আসতেন তখন আমরা সবাই আব্বাকে পান বানিয়ে খাওয়াতাম। আব্বা তখন বেশ আয়েশ করে পান খেতেন। 
আব্বার পা টিপে দিতে দিতে তখন সব আবদার করতাম। আব্বা আমাদের সেই আবদার রাখতেন। আবার আব্বা অনেক সিনেমা দেখতেন। সিনেমা দেখে দেখে আমাদের মজার মজার গল্প বলতেন এবং সেসব গল্পে আব্বা আমাদের অভিনয় করতে বলতেন। সেখান থেকেই কিন্তু অভিনয়ে আমার অনুপ্রেরণা আসা। পরবর্তী সময়ে যখন আমি সিনেমার নায়িকা হিসেবে কাজ শুরু করি, তখনো আব্বা আমাকে অনেক অনুপ্রেরণা দিতেন। সত্যজিৎ রায়ের ‘অশনি সংকেত’ সিনেমায় অভিনয়ের আগে আব্বাই সত্যজিৎ রায়ের সঙ্গে চিঠি আদান-প্রদান করতেন ইংরেজিতে। শুটিংয়ের সময় সত্যজিৎ রায়ের সঙ্গে আব্বার চমৎকার একটি সম্পর্ক তৈরি হয়েছিল। 
আমার ইংরেজি শেখার খুব শখ ছিল বিধায় আব্বা আমাকে ছোটবেলায় একটি ডিকশনারি কিনে দিয়েছিলেন। আমি তখন প্রথম শ্রেণিতে পড়ি। বাগেরহাটে থাকি সবাই। সবাই আমাকে রেখে মামার বাড়ি যাবে বেড়াতে। আমি বুদ্ধি করলাম কীভাবে আব্বাকে রাজি করানো যায়। আব্বা সন্ধ্যা নাগাদ বাসায় ফেরার সময় আমিই হারিকেন নিয়ে আব্বাকে এগিয়ে আনতে গেলাম। আমাকে দেখে আব্বা ভীষণ খুশি, কারণ তখন বিদ্যুৎ ছিল না। অন্ধকারে আব্বাকে এগিয়ে আনতে গিয়েছিলাম। আব্বা তখন খুশি হয়ে বলেন, কী চাও মা? আমি বললাম আমাকেও সঙ্গে নিয়ে মামার বাড়িতে বেড়াতে যেতে হবে। আব্বা রাজি হলেন। 
আব্বা আমার জীবনের আদর্শ। তাই আমার ইচ্ছা আমার মৃত্যুর পর যেন বনানী কবরস্থানে আব্বার কবরেই যেন আমাকে দাফন করা হয়।

তৃতীয়বার মা হচ্ছেন অ্যানি হ্যাথাওয়ে

প্রকাশ: ২১ জুন ২০২৬, ০১:২৩ পিএম
তৃতীয়বার মা হচ্ছেন অ্যানি হ্যাথাওয়ে
হলিউড অভিনেত্রী অ্যান হ্যাথাওয়ে

হলিউডের জনপ্রিয় অভিনেত্রী অ্যান হ্যাথাওয়ে মা হতে যাচ্ছেন। স্বামী অ্যাডাম শুলম্যানের সঙ্গে এটি তাদের তৃতীয় সন্তান।

শুক্রবার (১৯ জুন) সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে একটি ভিডিও প্রকাশ করে তিনি গর্ভধারণের খবরটি জানান ৪৩ বছর বয়সী এই অভিনেত্রী।

ভিডিওতে দেখা যায়, সাদা পোশাকে অ্যান হ্যাথাওয়ে ক্যামেরার সামনে আসেন। প্রথমে দুই হাত দিয়ে পেট ঢেকে রাখলেও পরে তিনি হাত সরিয়ে নিজের গর্ভধারণের সুখবর প্রকাশ করেন। এরপর পেটে হাত রেখে হাসিমুখে ভালোবাসার প্রকাশ করেন তিনি।

ভিডিওর ক্যাপশনে তিনি লেখেন, ‘বেবি, আমি তোমার।’

অ্যান হ্যাথাওয়ে ও অ্যাডাম শুলম্যান ২০১২ সালে বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হন। এই দম্পতির আগে দুই ছেলে রয়েছে—বড় ছেলে জোনাথন, বয়স ১০ বছর এবং ছোট ছেলে জ্যাক, বয়স ৬ বছর।

এর আগে চলতি বছরের মে মাসে এক সাক্ষাৎকারে তিনি তার পরিবার ও মাতৃত্ব নিয়ে কথা বলেন। তখন তিনি জানান, দুই সন্তানকে নিয়ে তার সময় দারুণভাবে কাটছে এবং পরিবার ও কাজ—দুই দিকই উপভোগ করছেন।

তিনি আরও বলেন, সন্তান হওয়ার পর জীবনকে নতুনভাবে অনুভব করেছেন এবং মা হওয়ার পর নিজেকে আরও পরিপূর্ণ মনে হয়েছে।

‘দ্য ডেভিল ওয়্যারস প্রাডা’সহ একাধিক জনপ্রিয় সিনেমার মাধ্যমে পরিচিত অ্যান হ্যাথাওয়ে এখন তৃতীয় সন্তানের আগমনের অপেক্ষায় রয়েছেন।

অন্তরা/

ফেরদৌস ওয়াহিদ ও সাঈদা শম্পার ‘মন বোঝে না’

প্রকাশ: ২০ জুন ২০২৬, ০৬:৫৭ পিএম
ফেরদৌস ওয়াহিদ ও সাঈদা শম্পার ‘মন বোঝে না’
ছবি: সংগৃহীত

বাংলা পপগানের অন্যতম কিংবদন্তি ফেরদৌস ওয়াহিদের নতুন গান ‘মন বোঝে না’। গান জানালার ইউটিউব চ্যানেলে এর মিউজিক ভিডিও সম্প্রতি প্রকাশিত হয়েছে। এতে ফেরদৌস ওয়াহিদের সঙ্গে দ্বৈতভাবে কণ্ঠ দিয়েছেন প্রবাসী বাংলাদেশি শিল্পী সাঈদা শম্পা। গানের কথা লিখেছেন প্রথিতযশা গীতিকবি গোলাম মোর্শেদ এবং সুর ও সংগীত করেছেন শহীদ মাহমুদ। মিউজিক ভিডিও পরিচালনা করেছেন রুমকী রুসা ও মাশরুর হোসাইন। মডেল হয়েছেন খুশী ও রাহাত।
গানটি নিয়ে ফেরদৌস ওয়াহিদ বলেন, ‘‘প্রথমেই বলব বেশ ভালো একটি কাজ হয়েছে এটি। কারণ এর গীতিকার গোলাম মোর্শেদ অত্যন্ত গুণী একজন মানুষ। যার লেখা গান আমার খুব পছন্দের। এছাড়া আমার সহশিল্পী সাঈদা শম্পাও গানটি ভালো গেয়েছেন। সব মিলিয়ে শ্রোতাদের মনে ছুঁয়ে যাওয়ার মতো একটি গান ‘মন বোঝে না’। আশা করছি, সবার ভালো লাগবে গানটি।’’
সাঈদা শম্পা বলেন, ‘আনন্দের বিষয় হচ্ছে, গানটিতে আমার সঙ্গে কণ্ঠ দিয়েছেন বাংলাদেশের কিংবদন্তি শিল্পী ফেরদৌস ওয়াহিদ। তার সঙ্গে দ্বৈত কণ্ঠে গান গাওয়ার আনন্দই  আলাদা। এই  গানটি ওনার সঙ্গে গাওয়া আমার দ্বিতীয় গান। প্রথম গানটির মতো এই গানের বেলায়ও আমার মনে হয়েছে, আমি যেন ওনার সঙ্গে বহু বছর ধরে গান করছি। এমনই আন্তরিকতার সঙ্গে উনি নিজেকে সম্পৃক্ত রাখেন, ভয়েস নেওয়া এবং শুটিং করার সময়। আর গোলাম মোর্শেদ ভাইয়ের সুন্দর কথায় সুন্দর সুর এবং সংগীত করেছেন শহীদ মাহমুদ। গানটি করার সময় আমি যেভাবে উপভোগ করেছি, আশা করছি, শ্রোতারাও সে রকমভাবেই উপভোগ করবেন গানটি।’