মার্কিন পপ তারকা ও গীতিকার টেলর সুইফট। বিশ্বখ্যাত এই গায়িকা এখন পর্যন্ত ১১টি স্টুডিও অ্যালবাম প্রকাশ করেছেন। বছরজুড়ে কনসার্ট করে বেড়ানো এই গায়িকা গানের পাশাপাশি আয়ের দিক থেকেও অনেকের চেয়ে এগিয়ে। বিশ্বের বৃহত্তম সম্পদ ব্যবস্থাপনা কোম্পানিগুলোর একটি ব্ল্যাকরক, যেটি ১৯৮৮ সালে প্রতিষ্ঠিত হয় এবং বর্তমানে ৩০টি দেশে এদের কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে।
এই কোম্পানির সিইও ল্যারি ফিঙ্ক, যিনি ২০২৪ সালেই আয় করেছেন মোট ৩৬.৭ মিলিয়ন ডলার। এর মধ্যে ১.৫ মিলিয়ন ডলার ছিল তার মূল বেতন। বাকি অর্থ এসেছে নগদ বোনাস ও স্টক পুরস্কার থেকে।
অথচ আয়ের দিক থেকে বিশ্বখ্যাত এই কোম্পানির সিইও টেলর সুইফটের সঙ্গে যেন পেরে উঠছেন না। কেবল কনসার্ট থেকে প্রাপ্ত আয় দিয়েই ফিঙ্ককে পেছনে ফেলেছেন এই পপ তারকা। এই গায়িকা সবশেষ ‘এরাস ট্যুর’ থেকেই আয় করেছেন ৩.২ বিলিয়ন ডলারেরও বেশি, যা আমেরিকান সংগীত ইতিহাসে সর্বাধিক লাভজনক ট্যুরের রেকর্ড গড়েছে।
মার্কিন সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদনে বলা হয়, প্রতিটি শো থেকে সুইফট প্রায় ১৩.৬ মিলিয়ন ডলার আয় করেছেন। এমনকি সিঙ্গাপুরে পারফর্ম করা তার ছয়টি শোয়ের প্রতিটি থেকে প্রায় ৩ মিলিয়ন ডলার করে পেয়েছেন। সিঙ্গাপুরে শো প্রতি সুইফটের এই আয় ব্ল্যাকরকের সিইওর বার্ষিক মূল বেতনের দ্বিগুণেরও বেশি।
এর বাইরে অন্যান্য মিউজিক ট্যুর থেকেও বিশাল অঙ্কের আয় করেছেন এ মার্কিনি। ক্যারিয়ারের অভিষেক কনসার্ট ট্যুর ‘ফেয়ারলেস ট্যুর’ থেকেই এই গায়িকার আয় ছিল ৬৬.৫ মিলিয়ন ডলার। এটি ব্ল্যাকরকের সিইও ফ্লিঙ্কের মোট বার্ষিক প্যাকেজের চেয়েও প্রায় ৩০ মিলিয়ন ডলার বেশি। নেট সম্পদের দিক থেকেও ল্যারি ফিঙ্ককে পেছনে ফেলেছেন সুইফট। ৭২ বছর বয়সী ফিঙ্কের বর্তমানে ১.৩ বিলিয়ন ডলারের নেট সম্পত্তি রয়েছে।
অন্যদিকে ৩৫ বছর বয়সী সুইফট ইতোমধ্যেই ১.৬ বিলিয়ন ডলারের মালিক। এমনকি ২০২৪ সালে ফোর্বস ম্যাগাজিনের পক্ষ থেকে বিশ্বের সবচেয়ে ধনী নারী সংগীতশিল্পীর স্বীকৃতি পেয়েছিলেন টেলর সুইফট।
/এমএস