হলিউড তারকা, গায়িকা ও উদ্যোক্তা প্যারিস হিলটন। আগামী জানুয়ারিতে তিনি প্রকাশ করতে যাচ্ছেন তার নতুন তথ্যচিত্র ‘ইনফিনিট আইকন: অ্যা ভিজুয়াল মেমোয়ার’। এটি হিলটনের দ্বিতীয় প্রধান তথ্যচিত্র, যেখানে তার ব্যক্তিগত সংগ্রাম, অতীতের বেদনাদায়ক অভিজ্ঞতা এবং সংগীত কীভাবে তাকে পুনরুদ্ধারের পথে শক্তি জুগিয়েছে সেটা তুলে ধরা হবে।
তথ্যচিত্রটি মূলত হিলটনের ২০২৪ সালে প্রকাশিত একই নামের অ্যালবামের সৃষ্টি প্রক্রিয়া ও তার জীবনের তিক্ত অধ্যায়গুলোকে কেন্দ্র করে নির্মিত।
ইতোমধ্যে তথ্যচিত্রের ট্রেইলারে হিলটন জানিয়েছেন, যৌবনকালে তার শিশুসুলভ নিষ্পাপতা কীভাবে ভেঙে পড়ছিল সেটা তিনি খুব কাছ থেকে অনুভব করেছিলেন।
তথ্যচিত্রে দেখানো হবে কীভাবে তিনি বছরের পর বছর গণমাধ্যমের নারীবিদ্বেষী চিত্রায়ণের মুখোমুখি হয়েছেন, কিশোর বয়সে স্কুলে তার বেদনাদায়ক অতীত এবং কীভাবে স্কুলজীবনে তাকে নির্যাতনের শিকার হতে হয়েছিল সেসব বিষয়। এসব সম্পর্কে আগেও রয়টার্সের সঙ্গে কথা বলেছিলেন এই হলিউড তারকা। এ তথ্যচিত্রে তার সংগীতকে তুলে ধরা হয়েছে হিলটনের স্থিতিস্থাপকতার মূল শক্তি হিসেবে, যা তাকে অন্ধকার সময় পেরোতে সহায়তা করেছিল।
‘ইনফিনিট আইকন’ দর্শকদের সামনে তুলে ধরবে প্যারিস হিলটনের এক অনাবৃত, ঘনিষ্ঠ ও মানবিক দিক। এ ছাড়া এখানে আরও থাকবে কনসার্টের ফুটেজ, আর্কাইভাল উপাদান এবং আগে কখনো প্রকাশ না পাওয়া ঘরোয়া ভিডিওগুলো যা হিলটনকে দর্শকদের কাছে নতুনভাবে তুলে ধরবে। এভাবে এই তারকাকে উপস্থাপনার লক্ষ্য হিলটনের জীবনের সেই বাস্তব চিত্র তুলে ধরা, যা সাধারণত আলোচনার বাইরে থেকে যায়।
প্রসঙ্গত, ভক্ত ও সমালোচকদের জন্য এটি শুধুই একজন তারকার গল্প নয়, বরং গভীর প্রতিকূলতা অতিক্রম করে শিল্পের মাধ্যমে নিজেকে পুনর্গঠনের অনুপ্রেরণামূলক কাহিনিও বটে।
শিল্প এবং সংগীত কীভাবে প্যারিস হিলটনের জীবনের প্রতি আশা ও শক্তি ফিরিয়ে এনেছে সেটাই এই তথ্যচিত্রে দেখানো হবে। এখানে তার জীবনের নানা অজানা অভিজ্ঞতা সম্পর্কে তার ভক্ত-দর্শকরা জানতে পারবেন।
/এমএস


.jpg)