ঠান্ডা ও সর্দি থেকে রক্ষায় মধু বেশ উপকারী। নিয়মিত মধু সেবন করলে অসংখ্য রোগবালাই থেকে পরিত্রাণ পাওয়া যায়। মধু সাধারণত অল্প পরিমাণে ব্যবহৃত হয়, তাই এটি বেশিরভাগ ক্ষেত্রে বাড়িতে দীর্ঘ সময় ধরে থাকে। যদি সঠিকভাবে সংরক্ষণ করা না হয়, তাহলে মধু দ্রুত নষ্ট হয়ে যেতে পারে। বিভিন্ন ধরনের মধু থাকলেও তার সংরক্ষণের উপায় একই এবং মধু সংরক্ষণ করাও খুবই সহজ।
•মধু রাখার জন্য কাঁচের পাত্র বেছে নিতে হবে। কারণ কাঁচের বয়ামে মধু রাখলে এর রঙ এবং স্বাদ উভয়ই দীর্ঘদিন ভালো থাকে। প্লাস্টিকের পাত্রে মধু রাখলে খুব দ্রুতই নষ্ট হয়ে যাওয়ার সম্ভবনা থাকে। তাই প্লাস্টিকের বয়ামে মধু না রাখাই ভালো।
•মধুর বয়াম শীতল স্থানে রাখুন। মধু এমন কোথাও না রাখাই ভালো যেখানে সরাসরি রোদ এসে পড়ে।এছাড়া মধু রাখার পাত্র চুলার আশেপাশে কিংবা গরম কোথাও রাখা যাবে না। ভালোভাবে মধু সংরক্ষণের জন্য ঘরের স্বাভাবিক তাপমাত্রায় রাখুন।
•মধু ফ্রিজে রাখার কোন প্রয়োজন নেই। মধু ফ্রিজের তাপমাত্রায় মধুর অনেক এমাইনো এসিড ও ভিটামিন নষ্ট হয়ে উপকারী গুণাগুণ কমে যায়। এছাড়া এর স্বাদ পরিবর্তন হয়ে যায়।
•মধুর পাত্রে কখনো নোংরা বা ভেজা চামচ ডুবিয়ে রাখা যাবে না। এতে মধু দ্রুত নষ্ট করতে পারে। মধু দীর্ঘদিন ভালো রাখার জন্য প্রতিবার শুকনো চামচ ব্যবহার করুন। সঠিক ব্যবহারের ফলে মধু ছয় মাস পর্যন্ত ভালো ও টাটকা থাকবে।
•অনেক সময় মধু ঘোলাটে হয়ে যায়। এক বাটি গরম পানির মধ্যে মধুর বয়াম রেখে দিন। মধু আগের মতো স্বচ্ছ হয়ে যাবে।
•মধুর পাত্রের মুখ ভালো ভাবে বন্ধ করে রাখতে হবে। পাত্র সঠিকভাবে বন্ধ না করা হলে পোকা পড়তে পারে অথবা ফাঙ্গাস জন্মাতে পারে। এতে মধু নষ্ট হয়ে যাবে। গুণ, গন্ধ বা স্বাদের মান কমে যেতে পারে।
•মধুর ভেতরে ঠিক আছে কিনা সেটা দেখার জন্য সপ্তাহে দুইবার বোতলের মুখ খুলে দেখতে হবে।
কলি