ঢাকা ৭ আষাঢ় ১৪৩৩, রোববার, ২১ জুন ২০২৬

সর্বশেষ
সিংগাইরে বজ্রপাতে দুই কৃষকের মৃত্যু সুরের মূর্ছনায় বিশ্ব সংগীত দিবস: ঢাকার দুই প্রান্তে সুরের বিভা কুড়িগ্রামে এক বাঘা আইড় ৮৫০০০ অজু করার সময় বজ্রপাতে প্রাণ গেল ৩ মাদরাসাছাত্রের জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের মামলায় দণ্ডিত ৫৯ জন: আইনমন্ত্রী প্রধানমন্ত্রীকে নিয়ে ‘অসত্য’ বক্তব্য, উত্তপ্ত সংসদ স্পেনের শুরুর একাদশে ইয়ামাল সুফিয়া কামাল ও আবু হেনা মোস্তফা কামালের স্মরণে জবিতে দুই দিনব্যাপী সেমিনার শুরু মানিকগঞ্জে ঝোপে মিলল স্কুলছাত্রীর ঝুলন্ত খণ্ড-বিখণ্ড মরদেহ মালয়েশিয়ায় তারেক রহমান, বাণিজ্য–বিনিয়োগে নতুন সম্ভাবনার প্রত্যাশা দিনাজপুরে কোল্ডস্টোরেজে আলু সংরক্ষণ ফি ৫ টাকা নির্ধারণের দাবিতে মানববন্ধন চট্টগ্রামে গণপিটুনিতে যুবকের মৃত্যু, তদন্তে পুলিশ শরীয়তপুরে শিশু যৌন নিপীড়নের অভিযোগে মাদরাসা শিক্ষক আটক স্থানীয় নির্বাচনে প্রার্থীর রাজনৈতিক পরিচয় মুখ্য নয়: ইসি সচিব বোয়ালমারীতে শতবর্ষী কালী মন্দিরে ভাঙচুর চাঁদাবাজির অভিযোগে সোনারগাঁওয়ের এমপি পুত্র সজীব আটক প্রথম রাষ্ট্রীয় সফরে মালয়েশিয়ায় পৌঁছেছেন তারেক রহমান মাদারগঞ্জে বজ্রপাতে এক বৃদ্ধের মৃত্যু ‘কাতারে সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত বাংলাদেশিদের মরদেহ দেশে আনার উদ্যোগ নিচ্ছেন’ আধ্যাত্মিক ধনী হওয়ার সহজ সমীকরণ যুদ্ধবিরতির পথে যুক্তরাষ্ট্র–ইরান সংলাপ শুরু জেনেভায় সিলেটে টানা বৃষ্টি, বন্যার শঙ্কা পাউবোর বাংলাদেশের বাজেট ২০২৬-২০২৭: সম্ভাবনা, চ্যালেঞ্জ ও বাস্তবতা গাজীপুরে নিষিদ্ধ আ. লীগের বিক্ষোভ মিছিল প্রযুক্তির অপচ্ছায়া সড়কে ‘এআই ক্যামেরা’ ও অভিনব ডিজিটাল ডাকাতি বাবা দিবসে সবচেয়ে বড় প্রশ্ন: আমরা কি বাবা-মাকে হারাচ্ছি, নাকি তাদের সঙ্গে সময়ের সংযোগ হারাচ্ছি! ১০ দফা দাবিতে চাকরিচ্যুত ব্যাংকারদের মানববন্ধন সোমবার মোহভঙ্গের বাংলাদেশ: যখন বুঝলাম সর্বনাশ হয়ে গেছে অরণ্যের অন্ত্যজ কথা বরিশালে গ্রেপ্তার এড়াতে ছাদ থেকে পড়ে আ. লীগ নেতার মৃত্যু

রঙ বাংলাদেশ এর ভালোবাসা দিবস

প্রকাশ: ০২ ফেব্রুয়ারি ২০২৫, ০৫:৩১ পিএম
আপডেট: ০২ ফেব্রুয়ারি ২০২৫, ০৫:৩২ পিএম
রঙ বাংলাদেশ এর ভালোবাসা দিবস
ছবি : রঙ বাংলাদেশ


প্রতি বছর পালিত হয় বিশ্ব ভালোবাসা দিবস বা ভ্যালেন্টাইন ডে। বেশ অনেক বছর ধরেই বিশ্ব ভালোবাসা দিবস জাঁকজমকভাবে পালিত হয় বাংলাদেশেও। দেশের সকল ফ্যাশন হাউসগুলোরও এই নিয়ে থাকে ব্যাপক প্রস্তুতি। এই ধারা থেকে দেশের শীর্ষস্থানীয় ফ্যাশন হাউস ‘রঙ বাংলাদেশ’ও ব্যতিক্রম নয়। যে কোনো উৎসবে এই প্রতিষ্ঠানটির থাকে ব্যাপক আয়োজন।

এবারও ভালোবাসা দিবসকে সামনে রেখে রঙ বাংলাদেশ নিয়ে এসেছে ছেলে মেয়ে উভয়ের জন্যেই নানান রকম পোশাক। প্রতিষ্ঠানসূত্রে জানা গেছে ভালোবাসা দিবসে এবার তারা বিশেষভাবে গুরুত্ব দিয়েছে মেয়েদের জন্য কামিজ, শাড়ি ও ছেলেদের পাঞ্জাবির দিকে। 

কটন, জ্যাকার্ট কটন আর হাফসিল্ক কাপড়ের ব্যবহার নিশ্চিত করেছে পোশাকের আরামের দিকটা। ভালোবাসা যেমন সকল ঋতুতেও তার আবেদন হারায় না ভ্যালেন্টাইন উপলক্ষ্যে ‘রঙ বাংলাদেশ’এর এবারের কালেকশন অন্য ঋতুতেও ক্রেতা সমাদৃত হয়ে উঠবে বলেই ধারণা করা যায়।

রঙ বাংলাদেশ এর পণ্য ঢাকা ও ঢাকার বাহিরের সকল আউটলেটেই পাওয়া যাচ্ছে। এছাড়া অনলাইন প্ল্যাটফর্মে বসন্ত উৎসবের পণ্য ক্রয়ে ভিজিট করুন   

 কলি

 

ক্র্যাফটস ভিলেজেস আজীবন সম্মাননায় ভূষিত প্রতিমাশিল্পী হরিপদ পাল

প্রকাশ: ২১ জুন ২০২৬, ০৩:১৯ পিএম
ক্র্যাফটস ভিলেজেস আজীবন সম্মাননায় ভূষিত প্রতিমাশিল্পী হরিপদ পাল

বাংলাদেশের প্রতিমাশিল্পের অঙ্গনে ছয় দশকেরও বেশি সময় ধরে অবদান রেখে আসা বরেণ্য শিল্পী হরিপদ পাল ‘ক্র্যাফটস ভিলেজেস আজীবন সম্মাননা ২০২৬’-এ ভূষিত হয়েছেন। শনিবার রাজধানীর ধানমন্ডির বেঙ্গল শিল্পালয় মিলনায়তনে বাংলাদেশ জাতীয় কারুশিল্প পরিষদের আয়োজনে এক অনুষ্ঠানে তাঁর হাতে এ সম্মাননা তুলে দেওয়া হয়। সম্মাননার অংশ হিসেবে তাঁকে সম্মাননাস্মারক, ফুলেল শুভেচ্ছা এবং এক লাখ টাকার চেক প্রদান করা হয়।

অনুষ্ঠানে বক্তারা বলেন, বাংলাদেশের কারুশিল্প ও প্রতিমাশিল্পের বিকাশে হরিপদ পালের অবদান অনন্য। দীর্ঘ কর্মজীবনে তিনি শুধু শিল্পচর্চাই করেননি, নতুন প্রজন্মের শিল্পীদেরও অনুপ্রাণিত করেছেন। তাঁর হাতে নির্মিত অসংখ্য প্রতিমা ও শিল্পকর্ম দেশের সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যকে সমৃদ্ধ করেছে।

স্বাগত বক্তব্যে বাংলাদেশ জাতীয় কারুশিল্প পরিষদের সাধারণ সম্পাদক ফারহানা শারমিন সূচি বলেন, নানা প্রতিকূলতার মধ্যেও কারুশিল্পের ঐতিহ্য সংরক্ষণ ও শিল্পীদের সম্মান জানাতে পরিষদ কাজ করে যাচ্ছে। তিনি জানান, দীর্ঘ বিরতির পর সংগঠনটি নতুন উদ্যমে কার্যক্রম শুরু করেছে এবং এই সম্মাননা সেই প্রচেষ্টারই অংশ।

কারুশিল্প পরিষদের সহ-সভাপতি শাহীন হোসেন শামীম বলেন, কারুশিল্পীদের কাজের স্বীকৃতি নিশ্চিত করা সংগঠনের অন্যতম লক্ষ্য। অতীতে নিয়মিত পুরস্কার প্রদান করা হলেও বিভিন্ন কারণে তা বন্ধ হয়ে যায়। তবে শিল্পীদের সম্মানিত করার উদ্যোগ সবসময়ই অব্যাহত ছিল।

অনুষ্ঠানের পৃষ্ঠপোষক প্রতিষ্ঠান ক্র্যাফটস ভিলেজেস লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক তরুণ কুমার পাল বলেন, বাংলাদেশের কারুশিল্প বিশ্ববাজারে আরও বিস্তৃত সম্ভাবনা তৈরি করতে পারে। এ জন্য গ্রামীণ শিল্পী ও উদ্যোক্তাদের আন্তর্জাতিক পর্যায়ে পরিচিত করে তুলতে সমন্বিত উদ্যোগ প্রয়োজন।

অনুষ্ঠানে ‘ঐতিহ্য কূটনীতি ও কারুশিল্পের অধিকার সুরক্ষা’ বিষয়ে বক্তব্য দেন জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রত্নতত্ত্ব বিভাগের অধ্যাপক ড. মাসউদ ইমরান মান্নু। তিনি বলেন, দেশের ঐতিহ্যবাহী কারুশিল্পের যথাযথ সুরক্ষা ও আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি নিশ্চিত করতে জিআই সনদ, নকশা সুরক্ষা এবং মেধাস্বত্ব অধিকার বিষয়ে আরও কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া জরুরি।

সাংবাদিক সুশান্ত ঘোষ প্রতিমা ও মৃৎশিল্পীদের নানা বাস্তব সমস্যার কথা তুলে ধরে বলেন, কাঁচামাল সংগ্রহ থেকে শুরু করে উৎপাদনের বিভিন্ন পর্যায়ে শিল্পীদের নানামুখী চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করতে হয়। অন্যদিকে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের ফোকলোর বিভাগের অধ্যাপক উদয় শংকর বিশ্বাস বলেন, প্রতিমাশিল্পীরা দেশের সংস্কৃতি ও ধর্মীয় ঐতিহ্যের গুরুত্বপূর্ণ বাহক হলেও তারা এখনও অর্থনৈতিক ও সামাজিকভাবে পর্যাপ্ত স্বীকৃতি পান না।

আশুলিয়ার কুড়লিয়া গ্রামের এক ঐতিহ্যবাহী শিল্পী পরিবারে জন্ম নেওয়া হরিপদ পালের শিল্পজীবনের সূচনা পারিবারিক পরিমণ্ডলেই। পরবর্তীতে তিনি ভারতের কলকাতার কুমারটুলিতে প্রতিমা নির্মাণের প্রশিক্ষণ গ্রহণ করেন। স্বাধীনতার আগে দেশে ফিরে পুরান ঢাকার শাঁখারীবাজারে নিজের কর্মশালা প্রতিষ্ঠা করেন। এরপর থেকে তিনি প্রতিমা নির্মাণ, ভাস্কর্য এবং বিভিন্ন শিল্পকর্ম সৃষ্টির মাধ্যমে নিজস্ব স্বাক্ষর রেখে চলেছেন।

সম্মাননা গ্রহণ করে আবেগঘন প্রতিক্রিয়ায় হরিপদ পাল বলেন, “যতদিন হাতে শক্তি থাকবে, ততদিন মাটির সঙ্গে থাকতে চাই। আমার শিল্পের মাধ্যমে মানুষের হৃদয়ে সৌন্দর্য ও বিশ্বাসের অনুভূতি পৌঁছে দিতে চাই।”

অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য দেন জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের চারুকলা বিভাগের ডিন অধ্যাপক বজরুল রশিদ খান এবং ২০১৬ সালের আজীবন সম্মাননাপ্রাপ্ত মৃৎশিল্পী বিশ্বেশ্বর পাল। সভাপতির বক্তব্যে বাংলাদেশ জাতীয় কারুশিল্প পরিষদের সভাপতি চন্দ্রশেখর সাহা কারুশিল্পের বিকাশে সম্মিলিত উদ্যোগের ওপর গুরুত্বারোপ করেন। অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন কারুশিল্প অধিকারকর্মী ও হাল ফ্যাশনের কনসালট্যান্ট শেখ সাইফুর রহমান।

/এমটি 

ভালোবাসা ও শ্রদ্ধায় বাবা

প্রকাশ: ২০ জুন ২০২৬, ০২:৫৭ পিএম
ভালোবাসা ও শ্রদ্ধায় বাবা

জীবনের প্রতিটি গুরুত্বপূর্ণ মুহূর্তে একজন বাবার অবদান অনেক সময় চোখে পড়ে না, কিন্তু তার উপস্থিতি অনুভূত হয় প্রতিটি পদক্ষেপে। সন্তানের নিরাপত্তা, শিক্ষা, স্বপ্নপূরণ এবং ভবিষ্যৎ গড়ে তোলার পেছনে যে মানুষটি নীরবে সবচেয়ে বড় ভূমিকা পালন করেন, তিনি বাবা। সেই ত্যাগ, ভালোবাসা ও দায়িত্ববোধকে সম্মান জানাতেই প্রতি বছর জুন মাসের তৃতীয় রবিবার বিশ্বের বিভিন্ন দেশের মতো বাংলাদেশেও পালিত হয় বাবা দিবস। লিখেছেন মুশফিরাত তাসকিন 

পরিবারের নীরব অভিভাবক
মা যেমন স্নেহ ও মমতার প্রতীক, বাবা তেমনি সাহস, দায়িত্ব ও নির্ভরতার প্রতিচ্ছবি। পরিবারের সুখ-স্বাচ্ছন্দ্য নিশ্চিত করতে একজন বাবা প্রতিনিয়ত সংগ্রাম করেন। অনেক সময় নিজের চাওয়া-পাওয়া, স্বপ্ন কিংবা ব্যক্তিগত প্রয়োজনকে পাশে সরিয়ে রেখে সন্তানের ভবিষ্যৎ গড়ার জন্য কাজ করে যান।

বাবার ভালোবাসা অনেক সময় প্রকাশ পায় না কথায়, বরং তা ফুটে ওঠে তার দায়িত্বশীল আচরণ, পরিশ্রম এবং নিঃস্বার্থ ত্যাগের মাধ্যমে। সন্তানের প্রয়োজন পূরণে নিরলস চেষ্টা, সমস্যার সময় পাশে দাঁড়ানো কিংবা জীবনের গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্তে পথনির্দেশনা সবকিছুতেই বাবার ভূমিকা অপরিসীম।

বাবা: সন্তানের প্রথম নায়ক

একটি শিশুর জীবনে বাবাই অনেক সময় প্রথম নায়ক, প্রথম শিক্ষক এবং প্রথম অনুপ্রেরণা। ছোটবেলায় বাবার হাত ধরে পৃথিবীকে চেনা, হাঁটা শেখা কিংবা নতুন কিছু জানার আগ্রহ তৈরি হওয়ার পেছনে তার ভূমিকা গুরুত্বপূর্ণ। জীবনের নানা চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা, সঠিক সিদ্ধান্ত নেওয়া এবং দায়িত্বশীল মানুষ হিসেবে গড়ে ওঠার ক্ষেত্রে বাবার শিক্ষা ও দিকনির্দেশনা সন্তানের জন্য মূল্যবান সম্পদ হয়ে থাকে।
সততা, শৃঙ্খলা, পরিশ্রম ও আত্মবিশ্বাসের মতো গুরুত্বপূর্ণ মূল্যবোধ অনেক সন্তানই বাবার কাছ থেকে শেখে। একজন দায়িত্বশীল বাবার উৎসাহ ও সমর্থন সন্তানের আত্মবিশ্বাস গড়ে তোলে এবং তাকে নিজের স্বপ্ন পূরণের পথে এগিয়ে যেতে সাহস জোগায়। শুধু আর্থিক নিরাপত্তা নয়, মানসিক শক্তি ও প্রেরণার অন্যতম উৎসও একজন বাবা।

সময়ের সঙ্গে বদলেছে বাবার ভূমিকা
একসময় বাবাদের মূল দায়িত্ব মনে করা হতো পরিবারের আর্থিক চাহিদা পূরণ করা। তবে আধুনিক সমাজে সে ধারণা অনেকটাই বদলে গেছে। এখন অনেক বাবা সন্তানের পড়াশোনা, খেলাধুলা, মানসিক বিকাশ এবং দৈনন্দিন যত্নেও সক্রিয়ভাবে অংশগ্রহণ করছেন।
সন্তানের সঙ্গে সময় কাটানো, স্কুলের কার্যক্রমে অংশ নেওয়া, গল্প করা কিংবা একসঙ্গে ভ্রমণে যাওয়া এসবের মাধ্যমে বাবা-সন্তানের সম্পর্ক আরও গভীর ও বন্ধুত্বপূর্ণ হয়ে উঠছে। ফলে বাবার ভূমিকা এখন শুধু উপার্জনকারী নয়, বরং একজন সহমর্মী বন্ধু ও পথপ্রদর্শকেরও।

বাবা দিবস উদ্যাপন তাৎপর্য 
অনেকেই মনে করেন, বাবা-মাকে ভালোবাসার জন্য আলাদা কোনো দিনের প্রয়োজন নেই। কথাটি সত্য হলেও ব্যস্ত জীবনে আমরা অনেক সময় অনুভূতি প্রকাশ করতে ভুলে যাই। বাবা দিবস সেই অনুভূতি প্রকাশের একটি সুন্দর উপলক্ষ তৈরি করে।
এদিনে বাবাকে একটি শুভেচ্ছাবার্তা পাঠানো, তার সঙ্গে সময় কাটানো, পছন্দের কোনো উপহার দেওয়া কিংবা শুধু আন্তরিকভাবে ‘ধন্যবাদ’ বলা এসব ছোট ছোট উদ্যোগও তার জন্য অনেক বড় আনন্দের কারণ হতে পারে। কারণ অধিকাংশ বাবাই সন্তানের ভালোবাসা ও সম্মানকেই জীবনের সবচেয়ে বড় অর্জন হিসেবে মনে করেন। 

বাবার প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশের সহজ উপায়
বাবা দিবস উদ্‌যাপন মানেই দামি উপহার বা বড় আয়োজন নয়। বরং আন্তরিকতা, সময় এবং ভালোবাসাই এদিনের সবচেয়ে বড় উপহার। ব্যস্ত জীবনের নানা দায়িত্বের ভিড়ে অনেক সময় বাবার সঙ্গে মনের কথা বলা বা তার প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করার সুযোগ হয়ে ওঠে না। বাবা দিবস সেই সুযোগটিই করে দেয়।

এদিনে বাবার সঙ্গে কিছুটা সময় কাটানো, তার পছন্দের কোনো খাবার একসঙ্গে খাওয়া, পুরোনো স্মৃতি নিয়ে গল্প করা কিংবা পরিবারের সবাইকে নিয়ে ছোট্ট একটি আয়োজন করা তাকে আনন্দ দিতে পারে। এমনকি একটি আন্তরিক শুভেচ্ছাবার্তা, হাতে লেখা চিঠি বা কয়েকটি কৃতজ্ঞতার বাক্যও বাবার জন্য হতে পারে অমূল্য উপহার।

হোটেল হলিডে ইনে ম্যাচডে ফিস্ট

প্রকাশ: ১৫ জুন ২০২৬, ০৫:১২ পিএম
হোটেল হলিডে ইনে ম্যাচডে ফিস্ট

ফুটবল বিশ্বকাপের উন্মাদনাকে আরও উপভোগ্য করে তুলতে বিশেষ আয়োজন নিয়ে এসেছে রাজধানীর অন্যতম আন্তর্জাতিক মানের হোটেল হলিডে ইন ঢাকা সিটি সেন্টার । ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬ উপলক্ষে হোটেলটি চালু করেছে বিশেষ লাইভ স্ক্রিনিং এবং আকর্ষণীয় খাদ্য আয়োজন ‘ ফুটবল ওয়ার্ল্ডকাপ ম্যাচডে ফিস্ট’।  

এই আয়োজনে ফুটবলপ্রেমীরা বড় পর্দায় বিশ্বকাপের রোমাঞ্চকর ম্যাচগুলো সরাসরি উপভোগ করার পাশাপাশি উপভোগ করতে পারবেন সুস্বাদু খাবারের বিশেষ কম্বো প্যাকেজ। মাত্র ১,৫০০ টাকা (নেট) প্রতি ব্যক্তি মূল্যে অতিথিদের জন্য থাকছে খেলা ও খাবারের অনন্য অভিজ্ঞতা।

বিশেষ ফুড প্যাকেজে খেলা চলাকালীন সময়জুড়ে থাকছে আনলিমিটেড পপকর্ন ও সফট ড্রিংকস। এছাড়া স্টার্টার হিসেবে অতিথিরা বেছে নিতে পারবেন চিকেন উইংস, ভেজিটেবল স্প্রিং রোল অথবা ফিশ টেম্পুরা, যার সঙ্গে পরিবেশন করা হবে ফ্রেঞ্চ ফ্রাই।

মেইন কোর্সে থাকছে পেরি পেরি চিকেন স্লাইডার, চিকেন তন্দুরি র‍্যাপ অথবা বিফ বার্গার প্রতিটি আইটেমের সঙ্গে থাকবে ফ্রেঞ্চ ফ্রাই।

হোটেল কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, বিশ্বকাপের ম্যাচগুলো উপভোগের জন্য একটি প্রাণবন্ত ও আরামদায়ক পরিবেশ নিশ্চিত করতে আগ্রহীদের অবশ্যই আগাম আসন সংরক্ষণ করতে হবে। 

বিস্তারিত তথ্য ও প্রি-রিজার্ভেশনের জন্য যোগাযোগ করা যাবে +৮৮ ০১৩২৪৭১৭০২৫-২৬ নম্বরে। 

/এমটি 

বিশ্বকাপ উন্মাদনায়ও রুটিন থাকুন নিয়ন্ত্রণে

প্রকাশ: ১৪ জুন ২০২৬, ০৪:৩০ পিএম
বিশ্বকাপ উন্মাদনায়ও রুটিন থাকুন নিয়ন্ত্রণে

ফিফা বিশ্বকাপ মানেই সারা বিশ্বের ফুটবলপ্রেমীদের জন্য মাসব্যাপী উন্মাদনা। প্রিয় দলের ম্যাচ, শেষ মুহূর্তের গোল, উত্তেজনাপূর্ণ ড্র সবকিছু মিলিয়ে রাত জেগে খেলা দেখার প্রবণতা বেড়ে যায় অনেকের মধ্যে। তবে এই আনন্দের পাশাপাশি সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়ায় ঘুম, পড়াশোনা ও কাজের স্বাভাবিক রুটিন ঠিক রাখা। তাই বিশ্বকাপ উপভোগের পাশাপাশি একটি ব্যালান্সড নাইট রুটিন অনুসরণ করা অত্যন্ত জরুরি। লিখেছেন মুশফিরাত 

সময় জেনে পরিকল্পনা করা জরুরি
বিশ্বকাপ সাধারণত বাংলাদেশের সময় অনুযায়ী গভীর রাত বা ভোরের দিকে হয়। তাই আগে থেকেই ম্যাচের সময়সূচি জেনে দিনটি পরিকল্পনা করা খুব গুরুত্বপূর্ণ। যেসব দিন গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচ আছে, সেদিন কাজের চাপ কিছুটা কমিয়ে রাখা বা আগেই কাজ শেষ করে রাখা ভালো। পড়াশোনার ক্ষেত্রেও আগের দিন কিছুটা এগিয়ে রাখা যেতে পারে, যাতে রাত জাগার চাপ কমে।

পাওয়ার ন্যাপ হলো গোপন অস্ত্র
রাত জেগে ম্যাচ দেখার আগে ৩০ মিনিট থেকে ১ ঘণ্টা ঘুম বা ন্যাপ নেওয়া খুব কার্যকর। এতে শরীর কিছুটা বিশ্রাম পায় এবং গভীর রাত পর্যন্ত জেগে থাকার শক্তি আসে। বিশেষ করে যাদের পরদিন সকালেই ক্লাস বা অফিস থাকে, তাদের জন্য এটি খুবই গুরুত্বপূর্ণ অভ্যাস হতে পারে।

হালকা খাবার বেছে নিন
রাত জেগে বিশ্বকাপের ম্যাচ দেখা যেমন আনন্দের, তেমনি সঠিক খাদ্যাভ্যাস না মানলে এটি শরীরের জন্য অস্বস্তিকর হয়ে উঠতে পারে। গভীর রাতে ভারী, তেল-চর্বিযুক্ত বা মসলাদার খাবার খেলে হজমে সমস্যা দেখা দিতে পারে, যার ফলে ঘুম ঘুম ভাব, পেট ফাঁপা বা অস্বস্তি তৈরি হয় এবং ম্যাচ উপভোগের মনোযোগও নষ্ট হয়।

তাই এই সময়ে হালকা ও সহজপাচ্য খাবার বেছে নেওয়া সবচেয়ে ভালো সিদ্ধান্ত। যেমন–তাজা ফল (আপেল, কলা, আঙুর), ভাজা বাদাম, ওটস বা হালকা স্যান্ডউইচ শরীরকে প্রয়োজনীয় শক্তি দেয় কিন্তু অতিরিক্ত ভারী অনুভূতি তৈরি করে না। বিস্কুট বা হালকা ক্র্যাকারও ভালো স্ন্যাকস হিসেবে কাজ করতে পারে। 

এছাড়া পর্যাপ্ত পানি পান করা অত্যন্ত জরুরি। রাত জাগার সময় অনেকেই পানি কম পান করেন, যা শরীরে ডিহাইড্রেশন সৃষ্টি করে। এর ফলে ক্লান্তি, মাথাব্যথা এবং মনোযোগ কমে যেতে পারে। তাই নিয়মিত বিরতিতে পানি পান করলে শরীর হাইড্রেটেড থাকে এবং দীর্ঘ সময় সতেজ থাকা সম্ভব হয়। চাইলে লেবু পানি বা হালকা ড্রিংকসও নেওয়া যেতে পারে, তবে অতিরিক্ত চিনি বা ক্যাফেইনযুক্ত পানীয় এড়িয়ে চলা ভালো।

পড়াশোনা ও কাজ আগে, খেলা পরে
বিশ্বকাপের উন্মাদনা যতই থাকুক, দৈনন্দিন দায়িত্ব ও পড়াশোনাকে অবহেলা করা উচিত নয়। একটি সুশৃঙ্খল রুটিন বজায় রাখতে হলে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো প্রাধান্য নির্ধারণ করা। যারা শিক্ষার্থী, তাদের উচিত দিনের বেলায় বা সন্ধ্যার আগেই পড়াশোনার গুরুত্বপূর্ণ অংশগুলো শেষ করে ফেলা। এতে রাতে খেলা দেখার সময় কোনো ধরনের মানসিক চাপ কাজ করবে না।

অফিস বা ফ্রিল্যান্স কাজের ক্ষেত্রেও একই নিয়ম প্রযোজ্য। ডেডলাইন অনুযায়ী কাজ ভাগ করে নেওয়া এবং অগ্রাধিকার অনুযায়ী কাজ শেষ করা উচিত। প্রয়োজনে আগের দিন কিছু কাজ এগিয়ে রাখা যেতে পারে, যাতে ম্যাচের দিন অতিরিক্ত চাপ না পড়ে। এতে কাজ ও বিনোদনের মধ্যে একটি স্বাস্থ্যকর ভারসাম্য তৈরি হয়।

ম্যাচ শেষে ঘুমের প্রস্তুতি
ম্যাচ শেষ হওয়ার পর অনেকেই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বেশি সময় কাটান, যা ঘুমকে বিলম্বিত করে। তাই ম্যাচ শেষ হলেই মোবাইল ব্যবহার কমিয়ে দ্রুত ঘুমানোর চেষ্টা করা উচিত। ঘুমানোর আগে হালকা স্ট্রেচিং বা গরম পানি পান করলে শরীর রিল্যাক্স হয় এবং ঘুম সহজে আসে।

সপ্তাহের ভারসাম্য বজায় রাখুন
সব ম্যাচ দেখা জরুরি নয়। গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচ বেছে দেখলে শরীর ও মস্তিষ্ক দুটোই ভালো থাকে। গ্রুপ পর্বের তুলনায় নকআউট পর্বের ম্যাচগুলো বেশি গুরুত্ব দিয়ে দেখা যেতে পারে। এতে ঘুম ও কাজের ওপর অতিরিক্ত চাপ পড়ে না।

স্বাস্থ্যকে অগ্রাধিকার দিন
বিশ্বকাপের উন্মাদনায় শরীরের প্রতি অবহেলা করা ঠিক নয়। নিয়মিত খাবার, পর্যাপ্ত পানি এবং কিছুটা ব্যায়াম এই তিনটি বিষয় বজায় রাখলে রাত জাগার প্রভাব অনেকটাই কমে যায়। অতিরিক্ত ক্লান্তি বা মাথাব্যথা হলে অবশ্যই বিশ্রাম নিতে হবে।

 

চিংড়ির ভিন্ন স্বাদে

প্রকাশ: ১৪ জুন ২০২৬, ০৪:২০ পিএম
চিংড়ির ভিন্ন স্বাদে

নদী-নালা আর জলাশয়ে সমৃদ্ধ বাংলাদেশের খাদ্যসংস্কৃতিতে চিংড়ির রয়েছে বিশেষ স্থান। স্বাদ, পুষ্টিগুণ এবং বহুমুখী রান্নার সম্ভাবনার কারণে চিংড়ি প্রায় সব বয়সী মানুষের কাছেই সমান জনপ্রিয়। ঘরোয়া রান্না থেকে শুরু করে উৎসবের আয়োজন–সবখানেই চিংড়ির নানা পদ এনে দেয় ভিন্ন মাত্রার স্বাদ। তাই মজাদার ও ভিন্নধর্মী কিছু চিংড়ির পদ দিয়েছেন রন্ধনশিল্পী নাজমুন নাহার লিনা

চিংড়ি সবজির মেলবন্ধন

উপকরণ
কুচো চিংড়ি ১ কাপ (সবজিগুলো দেড় ইঞ্চি করে কাটা), পটোল ৩টি, কাঁচা পেঁপে ১ কাপ, বরবটি ১ কাপ, মুলা ১/২ কাপ, গাজর ১ কাপ, মটরশুঁটি ১/২ কাপ, পেঁয়াজ ১টি (কিউব করে কাটা), রসুন কুচি ১ টেবিল চামচ, আদা কুচি ১ চা চামচ, সাদা গোলমরিচ গুঁড়া ১/২ চা চামচ। ভেজিটেবল তেল ২ টেবিল চামচ, লবণ স্বাদমতো। 

প্রস্তুতি
কুচো চিংড়ি ধুয়ে সামান্য লবণ মাখিয়ে ১০ মিনিট রাখুন। পটোল, পেঁপে, বরবটি, মুলা ও গাজর হালকা সেদ্ধ বা ব্লাঞ্চ করে নিন যাতে সবজিগুলো মচমচে থাকে। চাইনিজ স্টাইলের মতো সবজি বেশি নরম হবে না। 

প্রণালি 
কড়াই খুব গরম করে তেল দিন। প্রথমে কুচো চিংড়ি ১-২ মিনিট ভেজে তুলে রাখুন। একই কড়াইতে রসুন ও আদা দিয়ে ৩০ সেকেন্ড নেড়ে সুগন্ধ বের করুন। পেঁয়াজ, পটল, পেঁপে, মুলা, গাজর ও বরবটি দিয়ে উচ্চ আঁচে ৩-৪ মিনিট স্টির-ফ্রাই করুন। মটরশুঁটি ও ভাজা চিংড়ি যোগ করুন। গোলমরিচ গুঁড়া মিশিয়ে দিন। কাঁচা মরিচ ছড়িয়ে নামিয়ে ফেলুন। 

চিংড়ি টমেটো দো-পেঁয়াজা

উপকরণ
মাঝারি চিংড়ি ৫০০ গ্রাম, টমেটো ৩টি (কুচি), পেঁয়াজ ৪টি (২টি পাতলা কুচি, ২টি মোটা পাপড়ি করে কাটা), সরিষার তেল ৫ টেবিল চামচ, আদা বাটা ১ চা চামচ, রসুন বাটা ১ চা চামচ, হলুদ গুঁড়া ১ চা চামচ, মরিচ গুঁড়া ১ চা চামচ, জিরা গুঁড়া ১/২ চা চামচ, কাঁচা মরিচ ৪-৫টি, লবণ স্বাদমতো, ধনেপাতা কুচি ১ টেবিল চামচ।

প্রণালি 
চিংড়ি ধুয়ে লবণ ও অর্ধেক হলুদ মাখিয়ে ১০ মিনিট রেখে দিন। কড়াইয়ে সরিষার তেল ধোঁয়া ওঠা পর্যন্ত গরম করে চিংড়ি ১ মিনিট হালকা ভেজে তুলে রাখুন। চিংড়ি বেশি ভাজবেন না, নরম থাকবে। 

একই তেলে পাতলা কুচি করা পেঁয়াজ সোনালি হওয়া পর্যন্ত ভাজুন। আদা-রসুন বাটা দিয়ে নেড়ে টমেটো কুচি দিন। টমেটো নরম হলে বাকি হলুদ, মরিচ গুঁড়া, জিরা গুঁড়া ও লবণ দিন।

মসলা থেকে তেল ছাড়তে শুরু করলে সামান্য গরম পানি দিন। এবার ভাজা চিংড়ি ও মোটা পাপড়ি করা পেঁয়াজ যোগ করুন। দো-পেঁয়াজার মূল স্বাদ আসে এই দ্বিতীয়বার দেওয়া পেঁয়াজ থেকে। কাঁচা মরিচ দিয়ে ৩-৪ মিনিট ঢেকে রান্না করুন। ঝোল একটু ঘন হয়ে এলে ধনেপাতা ছড়িয়ে নামিয়ে নিন। 

দই চিংড়ি 
দই চিংড়ি একটি মজাদার বাঙালি পদ, যা গরম ভাত, পোলাও বা খিচুড়ির সঙ্গে দারুণ লাগে। টক দই ও চিংড়ির মিশ্রণে এটি ক্রিমি ও সুস্বাদু হয়। 

উপকরণ
মাঝারি বা বড় চিংড়ি ৫০০ গ্রাম, টক দই ১ কাপ (ভালো করে ফেটানো), পেঁয়াজ কুচি ১ কাপ, আদা বাটা ১ চা চামচ, রসুন বাটা ১ চা চামচ, মরিচ গুঁড়া ১/২ চা চামচ, জিরা গুঁড়া ১/২ চা চামচ, কাঁচা মরিচ ৪-৫টি, সাদা তেল ৩ টেবিল চামচ, লবণ স্বাদমতো, চিনি ১/২ চা চামচ (ঐচ্ছিক)। 

প্রণালি 
চিংড়ি পরিষ্কার করে ধুয়ে লবণ ও সামান্য লেবুর রস মাখিয়ে ১০ মিনিট রেখে দিন। এরপর কড়াইয়ে তেল গরম দিন। তেলে পেঁয়াজ কুচি দিয়ে হালকা সোনালি হওয়া পর্যন্ত ভাজুন। একটু বেরেস্তা তুলে রাখুন। গোটা গরম মসলা এবং তেজপাতা ভাজা পেঁয়াজের সঙ্গে দিন। আদা-রসুন বাটা দিয়ে কষে নিন। এরপর মরিচ, ধনে ও জিরা গুঁড়া দিন। 

ফেটানো দইয়ে সামান্য পানি মিশিয়ে কড়াইয়ে ঢালুন এবং কম আঁচে নেড়ে নিন যাতে দই না ফেটে যায়। চিংড়ি, লবণ, চিনি ও কাঁচা মরিচ যোগ করুন। এরপর ঢেকে ৫-৭ মিনিট রান্না করুন। ঝোল একটু ঘন হলে নামিয়ে নিন। বেরেস্তা ও দই ছড়িয়ে পরিবেশন করুন। 

/এমটি