তিনি সেই কবি-
যিনি আষ্টেপৃষ্ঠে রেখেছেন- তাঁর সকল পৃষ্ঠায়,
জনগণের আর্তি ও আর্তস্বর!
নর কিংবা নারী কোনো ব্যবধান রাখেননি!
নিজের বাসগৃহ ও স্থায়ী সম্পত্তি না থাকলেও-
আশ্রয়দাতা হয়েছেন শোষণ ও বঞ্চনায় নিষ্পেষিত
আষাঢ়ের ঢলে ভেসে যাওয়া মানুষদের!
ইঁদারার মধ্যে লুকিয়ে থাকেননি-
ঢেউয়ে ঢেউয়ে ও জলোচ্ছ্বাসে সমুদ্রমন্থন করেছেন!
ব্রিটিশের দাঁড়কাক ও দাঁতালেরা
বারবার দাঁড়-কোদালের কোপের ভয় দেখালেও,
তাঁর শিরদাঁড়া কখনো ভাঙতে পারেনি!
নবান্ন আনার জন্য নবাঙ্কুর হয়েছেন-
তাঁর কোনো পুঁটলি ও গাঁটরির লোভ ছিল না বলেই,
কায়েমি স্বার্থবাদীদের সঙ্গে
তিনি কোনো গাঁটছড়া বাঁধেননি।
বিপ্লব-বিদ্রোহের ইশতেহারে-
শাপলা পুকুরের জলে,
কুমিরের উৎপাত সবসময়ে বন্ধ করতে চেয়েছেন।
ঘূর্ণিপাক ও জটাজালে পড়ার পরও-
নিজেকে ঘুরিয়ে নিয়েছেন সূর্যঘড়ির দিকে!
আরক্ষক হয়ে রক্ষা করেছেন জনগণের অধিকার,
সে-কারণে তিনি জনগণনন্দিত!
এমন উদিত উদীচীর উদাহরণ কমই দেখা যায়,
আমাদের সাহিত্য-আকাশে!
তাঁর আয়ুষ্কাল-
আগামীকালও আমাদের আয়ু বাড়ায়!