ঢাকা ৫ আষাঢ় ১৪৩৩, শুক্রবার, ১৯ জুন ২০২৬

সর্বশেষ
কেমন গেল বিশ্বকাপের প্রথম রাউন্ড ১৯ জুন ২০২৬ তারিখের নামাজের সময়সূচি স্কটিশদের হিসাব মেলানোর রাত পুলিসিচকে ঘিরে উদ্বেগ লাল কার্ডের পর বসনিয়ার জালে সুইজারল্যান্ডের গোল উৎসব অসুস্থ মেসির বাবা, গুজব ছড়ানোয় ক্ষুব্ধ পরিবার গোলশূন্য সমতায় বিরতিতে সুইজারল্যান্ড-বসনিয়া অবশেষে কাটল ভিসা জটিলতা, কানাডায় খেলতে পারবেন ওয়াহি বিশ্বকাপে সহজ ম্যাচ বলে কিছু নেই: ডগলাস সান্তোস বিশ্বকাপে সৌদি আরবের জন্য ভিন্ন নিয়ম পেনাল্টি গোলে চেক প্রজাতন্ত্রকে রুখে দিল দক্ষিণ আফ্রিকা অপ্সরার আন্তর্জাতিক অভিষেক আদালতে আত্মসমর্পণ করতে গিয়ে কারাগারে আওয়ামী লীগ নেতা বাদশা গণপিটুনির শিকার তিন ডিবি সদস্য, উদ্ধার করে হাসপাতালে ভর্তি মেনে নাও, মেসি সেরা: রোনালদো নাজারিও কেইনের প্রেরণা এমবাপ্পে-হালান্ড কুমিল্লায় ধর্ষণকাণ্ড: গ্রেপ্তার শিবির নেতার পক্ষে দাঁড়ানো দুই এপিপির নিয়োগ বাতিল টাঙ্গাইলে প্রতিমন্ত্রী টুকুর নামে প্রতারণা, গ্রেপ্তার ১ দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে প্রথমার্ধে এগিয়ে চেক প্রজাতন্ত্র টাকার অভাবে রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি অনিশ্চিত, সহায়তার আবেদন রাজবাড়ীতে ৭ বছরের শিশুকে ধর্ষণচেষ্টার অভিযোগ নেইমার ভক্তদের জন্য দুঃসংবাদ সাবেক মন্ত্রী হারুণ অর রশীদ অর নেই কুমিল্লায় মাদক মামলায় কারাবন্দি যুবদলকর্মীর মৃত্যু চুয়াডাঙ্গায় বজ্রপাতে কৃষকের মৃত্যু হাইতির বিপক্ষে নামার আগে ব্রাজিলকে সুখবর দিল ফিফা ওয়ালটন পিসিবিএ'র রপ্তানি উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রীর আইসিটি উপদেষ্টা ব্র্যাক ইউনিভার্সিটিতে অনুষ্ঠিত হলো গ্লোবাল ইয়ুথ লিডারশিপ কনফারেন্স ভয়ভীতি দেখিয়ে চাঁদা আদায়ের অভিযোগ, গণপিটুনির শিকার তিন পুলিশ বিশ্বকাপে ৩ ম্যাচ নিষিদ্ধ দক্ষিণ আফ্রিকার মিডফিল্ডার

মৃৎসংস্কৃতির সিক্ত সাধক অন্নদাশঙ্কর রায়

প্রকাশ: ২৪ অক্টোবর ২০২৫, ০৯:৩১ এএম
মৃৎসংস্কৃতির সিক্ত সাধক অন্নদাশঙ্কর রায়
অলংকরণ: নিয়াজ চৌধুরী তুলি

সাহিত্য-সংস্কৃতি ও মানুষের প্রতি অন্নদাশঙ্কর রায়ের মমত্ববোধ ছিল অপরিসীম। বাংলাদেশের প্রতি তার ছিল চিরকালের আকর্ষণ ও দুর্বলতা। এর পেছনে রয়েছে এই ভূখণ্ডে অনেক প্রিয় মানুষের সান্নিধ্য ও তার পেশাজীবনের স্মৃতি। দেশভাগ তাকে গভীর আঘাত ও দুঃখ দিয়েছিল। “তেলের শিশি ভাঙলো বলে খুকুর ’পরে রাগ করো” এই ছড়ায় তার সেই বেদনার দীর্ঘশ্বাস প্রচ্ছন্ন থাকেনি। তাই পূর্ববঙ্গের মানুষ যখন মুক্তিযুদ্ধের মাধ্যমে স্বাধীন রাষ্ট্র-রচনায় ব্রতী হয়, অন্নদাশঙ্কর তখন সক্রিয় সমর্থন, সহায়তা ও সাহস জুগিয়েছেন। লালনকে তিনি সাম্প্রদায়িক ঐক্য ও মিলনের প্রতীক এবং মানবতাবাদের এক শক্তিশালী প্রবক্তা হিসেবে বিবেচনা করতেন। তিনি আখড়াই ঘরানার শুদ্ধ সুরে লালনের গানের প্রচার চাইতেন। পশ্চিমবঙ্গেও তিনি মুক্তবুদ্ধির প্রতীক লালনকে ছড়িয়ে দিতে চেয়েছেন।

অন্নদাশঙ্কর ১৯৩৫-৩৬ সালে কুষ্টিয়ার মহকুমা প্রশাসক ছিলেন। কুষ্টিয়া তখন নদীয়া জেলার একটি অংশ। তার যৌবনের কর্মক্ষেত্র কুষ্টিয়ার প্রতি তার বিশেষ অনুরাগ ও দুর্বলতার কথা নানাভাবে নানান লেখায় প্রকাশ করেছেন। ‘কুষ্টিয়ার বাউলসাধক’-এর পরিচায়িকায় তিনি বলেছিলেন, ‘কুষ্টিয়ায় আমার যৌবনের কয়েকটি স্মরণীয় বছর কেটেছে। সেখানকার মাটি, সেখানকার মানুষ, সেখানকার মানুষের মুখের ভাষা ও অন্তরের প্রীতি আমি কি ভুলতে পারি? এককালে ভাবতুম সরকারি কাজ থেকে অকালে অবসর নিয়ে সেখানেই সাহিত্য সাধনার আসন পাতব। রবীন্দ্রনাথের শিলাইদা সেখানে, লালন ফকিরের আস্তানা সেখানে, বাউলদের মিলনকেন্দ্র সেখানে। সুতরাং আমারও কুটির হবে সেখানে। কিন্তু তা তো হওয়ার নয়।’ ১৯৪০ থেকে ১৯৪৯ সাল পর্যন্ত তিনি সরকারি কাজে নিযুক্ত থেকে ১৯৫০ সালে পশ্চিমবঙ্গের বিচার বিভাগের সেক্রেটারি হন। ১৯৫১ সালে স্বেচ্ছায় সরকারি চাকরি থেকে অবসর নেন। তখন থেকে সাহিত্য সাধনার জন্য শান্তিনিকেতনে বাস। সাহিত্য একাডেমির প্রতিষ্ঠাক্রমের সঙ্গে যুক্ত হন। ১৯৮৬ সালে কলকাতায় পশ্চিমবঙ্গ বাংলা আকাদেমি প্রতিষ্ঠিত হলে তিনি হন প্রথম সভাপতি এবং আমৃত্যু এই পদে ব্রতী ছিলেন। তার অপর সাধনা হয় দুই বাংলার সেতুবন্ধন। আজ থেকে ২৫ বছর আগে অন্নদাশঙ্কর রায় ‘জীবন যৌবন’ গ্রন্থের ভূমিকায় লিখেছেন, “গান্ধীজি বলতেন, ‘আমার জীবনই আমার বাণী।’ আমি বলি, আমার বাণীই আমার জীবন। আমার বাণীর মধ্যেই আমার জীবন নিহিত। ৪৭ বছর বয়সে এই জীবনস্মৃতির দাঁড়ি টেনেছি। গান্ধীজিও দাঁড়ি টেনেছিলেন সেই রকম বয়সে। রবীন্দ্রনাথ আরও পূর্বে।...”

ঐতিহ্য চেতনায় তিনি একদিকে যেমন বিশুদ্ধ বাঙালি, অন্যদিকে সংস্কৃতির অন্বেষণে বিশ্বপথিক। অহিংস-পন্থায় তার অটল বিশ্বাস, মানবতার তিনি একান্ত পূজারি, সৌন্দর্যপ্রেমের নিত্য-অন্বেষক, মৃৎসংস্কৃতির মমতায় সিক্ত, সম্প্রদায়-সম্প্রীতি রচনায় নিষ্ঠ সাধক। তার জীবনচেতনা ও সাহিত্য সাধনায় তলস্তয়-রবীন্দ্রনাথ যেমন, তেমনি গান্ধী-লালনও প্রেরণা হয়েছেন। সব্যসাচী বাঙালি লেখক তিনি। সৃষ্টিধর্মী ও মননশীল- উভয় ধারার রচনাতেই তার অনায়াস সিদ্ধি। তিনি গদ্য ও পদ্য উভয় ক্ষেত্রেই ভূমিকা রেখেছেন। তার সাহিত্যকর্ম বাংলাদেশে বিদ্যালয়ের পাঠ্যসূচিতে অন্তর্ভুক্ত হয়েছে। গ্রন্থের সংখ্যা শতাধিক। 

প্রখ্যাত বাঙালি রবীন্দ্র-বিশেষজ্ঞ আচার্য প্রবোধচন্দ্র সেন বলেছেন, ‘অন্নদাশঙ্করের প্রবন্ধসম্ভার বাংলা সাহিত্যের মহামূল্য সম্পদ’। অন্নদাশঙ্করের সারা জীবনের সাধনা ও আকাঙ্ক্ষা ছিল দুই বাংলার সাংস্কৃতিক মিলন। অন্নদাশঙ্করের সাহিত্য চেতনা দুই মহান সাহিত্যপ্রবাহে লালিত। একটি ভারতীয় সাহিত্যের ৩ হাজার বছরের ধারা, অন্যটি ইউরোপীয় রেনেসাঁসের ৫০০ বছরের জোয়ার, তার সাহিত্য সৃষ্টিতে এই দুই ধারার অনবদ্য সমন্বয় ঘটেছে। তার রচনায় একদিকে যেমন আছে সরলতা ও স্নিগ্ধতা, অন্যদিকে তেমনি আছে বিশুদ্ধি ও বৈজ্ঞানিকতা। প্রাচ্য ও পাশ্চাত্য, শিল্প ও জীবন, বিশ্বাস ও মনন এবং ভাবের সঙ্গে ভাবনা, বস্তুজিজ্ঞাসার সঙ্গে রোমান্টিক চেতনা, লোকজীবনের সঙ্গে পরিশীলিত জীবন- সবকিছু মিলিয়ে তিনি নিজে এবং তার সৃষ্টিও এক আশ্চর্য নান্দনিক সমীকরণ। অন্নদাশঙ্কর রায় কবি ও কথাসাহিত্যিক, ভ্রমণকাহিনিকার, প্রাবন্ধিক, ছড়াকার এবং সর্বোপরি সচেতন ও বিবেকবান চিন্তাবিদ।

অন্নদাশঙ্কর রায়ের জন্ম ১৯০৪ সালের ১৫ মার্চ ব্রিটিশ ভারতে বর্তমান ওড়িশার ঢেঙ্কানলে। বাবা নিমাইচরণ রায় এবং মা হেমনলিনী। ছোটবেলায় ঢেঙ্কানলে তার শিক্ষাজীবন শুরু হয়। এরপর সংবাদপত্রের সম্পাদনা শিখতে কলকাতা বসুমতী পত্রিকার সম্পাদক হেমেন্দ্রপ্রসাদ ঘোষের কাছে যান। তিনি শর্টহ্যান্ড, টাইপ রাইটিং এবং প্রুফরিডিংও শেখেন। কিন্তু এই কাজ তার ভালো লাগেনি।... সাহিত্যকর্মের জন্য অন্নদাশঙ্কর রায় বহু পুরস্কারে ভূষিত হয়েছেন। ১৯৭৯ সালে কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় তাকে জগত্তারিণী পদক পুরস্কারে ভূষিত করে। তাকে দেশিকোত্তম সম্মান দেয় বিশ্বভারতী বিশ্ববিদ্যালয়। বর্ধমান বিশ্ববিদ্যালয়, রবীন্দ্রভারতী বিশ্ববিদ্যালয় ও যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয় তাকে সম্মানসূচক ডক্টর অব লিটারেচার (ডিলিট) উপাধি দেয়। অন্যান্য পুরস্কারের মধ্যে সাহিত্য আকাদেমি পুরস্কার (১৯৬২), আনন্দ পুরস্কার (দুবার-১৯৮৩ ও ১৯৯৪), বিদ্যাসাগর পুরস্কার, শিরোমণি পুরস্কার (১৯৯৫), রবীন্দ্র পুরস্কার, নজরুল পুরস্কার, বাংলাদেশের জেবুন্নিসা পুরস্কার। সাহিত্যের এই মহাপুরুষ মৃত্যুবরণ করেন ২০০২ সালের ২৮ অক্টোবর।

কবিতা হেলিওস

প্রকাশ: ১২ জুন ২০২৬, ০৩:৫৩ পিএম
হেলিওস

একটা অবসরপ্রাপ্ত দুপুরকে নিয়ে

          অর্ধবৃত্তের মতো অবকাশ রচনা করেছি

 

আছে মা-পাখির ডিম ভেঙে যাবার প্রতিকল্পে

            সর্বজনীন বেদনা

বৃদ্ধ বাবার ঝাপসা দৃষ্টির ভেতর এক বুকচাপা

            দীর্ঘশ্বাসের সীমিত চতুর্ভুজ

রানা প্লাজাসদৃশ ব্যথিত পাণ্ডুলিপি

তরতাজা যুবকের গুম হওয়ার ন্যায়

                   একটা দীর্ঘ সকাল

আছে মায়ের জেগে থাকা চোখ

আছে একজোড়া

            সুসিদ্ধ ইকোলজি

আছে বোনের ব্যবহৃত কাঁকড়া ক্লিপের উদার সৌন্দর্য

আছে একটা গামছায় হাত মোছার দুটো অবিকল সবাক ছবি

 

এই তো আমার রূপকল্পের ইতিবৃত্ত

 

 এখন কোনো অবসরপ্রাপ্ত দুপুরকে নিয়ে

            আমি পূর্ণবয়স্ক অবকাশ রচনা করব

জীবনের সব হুলস্থূল এনে ভরে রেখে দেব

 

 দ্যাখো, হেলিওসের মতোনই তোমাদের কাছে যাব আমি

 

ছোট্ট এক টুকরো আত্মা

প্রকাশ: ১২ জুন ২০২৬, ০৩:৫১ পিএম
ছোট্ট এক টুকরো আত্মা

ছোট্ট এক টুকরো আত্মা

গহিন অতলের অবাধ চত্বরে বৈভবে থাকে

তাকে কি টুকরো টুকরো করা যায়

অবয়বে বেড়ে ওঠে না কস্মিনকালে

এক টুকরোই থেকে যায় আদিঅন্ত কাল

ভূমিদস্যুরা তবু ওই জলা দখলে মত্ত হয়

বেপরোয়া ছুরি-কাঁচির নির্মমতায়

ঝরনার উৎস স্তব্ধ করে

ফালি ফালি করা অবয়ব থেকে বেরোয়

অজস্র শোণিত ধারা

নদী পর্যন্ত যেতে পারে না শুকিয়ে জ্বলে

ভেসে ভেসে বেড়ায় নিশ্চিহ্ন কাঠামো

নিক্ষিপ্ত হয় মর্তের ঝড়ে

মর্গের ব্যবচ্ছেদে খুঁজে পায় না শিশু আত্মা

পায় শুধু

ছোট্ট এক টুকরো জীবনের অবিকাশ! অবিকাশ!

কবিতা অধরা ও কবি

প্রকাশ: ১২ জুন ২০২৬, ০৩:৪৫ পিএম
অধরা ও কবি

অধরা

সময়ের বেড়াজালে বন্দি খাঁচায়

দূর পানে চেয়ে থাকি তোমার আশায়

উজান সময় স্রোতে এই অবেলায়

তুমি আসবে তো? ভালোবাসবে তো?

 

কবি

কী আছে তোমার? অর্থ, বিত্ত, বৈভব?

প্রভাব, প্রতিপত্তি? বলো, চুপ থেকো না

, এসব তোমার নেই! এবার, তুমিই বলো

আমি কেমন করে তোমার কবিতা হই?

কেমন করে তোমার কাছে আসি

কেমন করে তোমায় ভালোবাসি?

কবিতা প‌রিণ‌তি

প্রকাশ: ১২ জুন ২০২৬, ০৩:৪২ পিএম
প‌রিণ‌তি

কালো চিমনিরধোঁয়ায় আকাশের বুকজুড়ে মে কালোমেঘ

মৃত পাখির বাসা সে ড়ে রক্তাক্ত নে

্যামল বাগানগুলো ড়ে আছে যুদ্ধাহত ক্ষতবিক্ষত সৈনিকের তো

জ্বলন্ত কয়লার পাহাড়,

জাগিয়ে তোলে মাটির গহ্বরে ঘুমিয়ে থাকা আগুনকে

প্লাস্টিকের সমুদ্দুর,

ক্ষুধার্ত দৈত্যের তো গিলে খাচ্ছে পৃথিবীকে

যুদ্ধের দামামা পোড়ামাটির ্যস বাড়াতে থাকে শুধু

বোমার ব্দে রে পড়ে পাখির পালক,

আকাশের নীল রং

ভাঙা কাচ য়ে আছড়ে ড়ে মিনে

পৃথিবীর কপালে আগুনের থার্মোমিটার

কামারের হাতুড়ির তো আছড়ে ড়ে উন্মত্ত রোদ

জ্বরে পোড়া পৃথিবীর গা থেকে ঝরতে থাকে বরফ অবিরাম

বৃদ্ধের শুভ্র দাড়ির তন

 

ক্ষুধার্ত সমুদ্র গিলে খায়,

মানুষের স্বপ্নে বোনাউঠোন

তৃষ্ণার কঙ্কা মিনে আঁকে ছড়ানো মানচিত্র

নদীর তীর ক্ষুধার্ত ষাঁড়ের তো গ্রামে ঢুকে ড়ে পাখির কিচিরমিচির বাজেয়াপ্ত হয় কোনো এক ভোরে,

বাড়তে থাকে ছিন্নমূল মানুষের ভেলা,

পৃথিবীর জ্বর নামানোর দাওয়াই খুঁজতে,

লি থেকে মাথাগুলো জড়ো হয় জাতিসংঘের টেবিলে

কথার খই ফোটে, বে চোখ বাঁধা থাকে কালো ফিতায়

 

কবিতা বলির আগে

প্রকাশ: ১২ জুন ২০২৬, ০৩:৩৪ পিএম
বলির আগে

আমার কথার পরে যদি কোনোদিন

ব্যথা পেয়ে থাকো

যদি এই দুর্দিনে সমূহ বিপদে মনে করো

ডাক দিও কোনো এক নির্মম সকালে

 

আমার বুকেরপরে দূর্বা যেমন থাকে

বেদনায় নীলপদপিষ্ট হলুদ সোহাগে

একবার চোখের জলে ধুয়ে নিও

সকল কলুষতাযেভাবে ধর্ম ছাগ

বলির আগে মুছে ফেলে যত ক্লেদ