ঢাকা ৪ আষাঢ় ১৪৩৩, বৃহস্পতিবার, ১৮ জুন ২০২৬

সর্বশেষ
বিশ্বমঞ্চে নিস্তেজ রোনালদো রোনালদোর পর্তুগালকে আটকে দিয়ে বিশ্বকাপে ডিআর কঙ্গোর ইতিহাস অনুশীলনে ফিরলেন নেইমার যুক্তরাষ্ট্র-ইরান চুক্তির খসড়া ফাঁস বিশ্বকাপে প্রথম গোলে পর্তুগালের বিপক্ষে সমতায় কঙ্গো ভারত বাংলাদেশের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্রের জাল বিস্তার করেছে: জাতীয় মুক্তি কাউন্সিল মেসির পর রোনালদোর কীর্তি পর্তুগালের একাদশে রোনালদো ইরান ও লেবাননে মানবিক সহায়তা দেবে চীন লায়লা বাউলের পাশে দাঁড়াল সংস্কৃতিবিষয়ক মন্ত্রণালয় ফের উত্তপ্ত লেবানন, নতুন হামলা ইসরায়েলের চুক্তি না মানলে ইরানে ফের হামলার হুমকি ট্রাম্পের ‘নজরুল বর্ষ’ উদযাপন অনুষ্ঠান হবে জুনের শেষ সপ্তাহে ঝিনাইদহে মোটরসাইকেল চোরচক্রের ৩ সদস্য গ্রেপ্তার জোরপূর্বক মানুষকে বাংলাদেশে পাঠাচ্ছে ভারত—হিউম্যান রাইটস ওয়াচের দাবি মায়ানমার সীমান্তে কাঁটাতারের বেড়া হবে, ভারত সীমান্তেও পরিকল্পনা: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী যারা বলে ‘সরকারকে সময় দেওয়া যাবে না’ তাদের থেকে সতর্ক থাকুন: প্রধানমন্ত্রী রংপুরের ফ্যামিলি কার্ডের আওতায় ৬৬৫ নারী নাসার আর্টেমিস থ্রি মিশনের নভোচারীদের নাম চূড়ান্ত নির্মাণাধীন ভবন থেকে পড়ে দুই শ্রমিক নিহত শেষ যাত্রা জানাজায়, মাঝপথেই থেমে গেল জীবন সাজেকে বিজিবির বিনামূল্যে চিকিৎসা সেবা ও ঔষধ বিতরণ পিটারসেন অটোমোটিভ মিউজিয়াম অটোমোবাইল ডেস্ক সময় টিভির এমডি জোবায়েরসহ ছয়জনের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা ZEEHO Bangladesh ও Riding School BD-এর মধ্যে কৌশলগত সহযোগিতা চুক্তি স্বাক্ষর যুক্তরাষ্ট্রে ৫ হাজার ৮০৭ প্রবাসীর হাতে যাচ্ছে এনআইডি হেরোইনসহ মা-বাবা ও ছেলে আটক, বাড়িতে আগুন সমুদ্রের নিচে চীনের নতুন ডেটা সেন্টার সোনারগাঁয়ে স্কুল ফাঁকি দিয়ে মেঘনায় গোসল, দুই স্কুল ছাত্রের মৃত্যু বিশ্ববাজারে তেলের দাম কমল ৫ শতাংশের বেশি
Nagad desktop

রিকেট রোগের কারণ ও প্রতিকার

প্রকাশ: ১৫ ফেব্রুয়ারি ২০২৪, ১১:৫৩ এএম
আপডেট: ০৭ জুলাই ২০২৪, ১২:৩০ এএম
রিকেট রোগের কারণ ও প্রতিকার
রিকেট রোগে আক্রান্ত রোগীর প্রতিকী ছবি

ভিটামিন ডি এবং ক্যালসিয়ামের অভাবে রিকেট রোগ হয়। এটি হাড়ের স্বাস্থ্যের ওপর ভীষণ প্রভাব ফেলে। পাশাপাশি শিশুদের এবং বয়ঃসন্ধিকাল যারা অতিক্রম করছেন তাদের বৃদ্ধি থামিয়ে দেয়। এমনকি বয়সকালেও হাড়ের মারাত্মক ক্ষতি করে। রিকেট হাড়কে নরম ও দুর্বল করে দেয়। এটা হলে হাড়ের বৃদ্ধি খুব বেদনাদায়ক হয়। রোগীর অঙ্গবিকৃতিও ঘটে। এই অবস্থাকে শিশুদের মধ্যে হলে রিকেট এবং প্রাপ্তবয়স্কদের মধ্যে হলে অস্টিওমেলাসিয়া বলা হয়। মায়োক্লিনিক অবলম্বনে লিখেছেন ফখরুল ইসলাম

রোগের লক্ষণ এবং উপসর্গ
প্রাথমিক ক্লিনিক্যাল লক্ষণ এবং উপসর্গের মধ্যে আছে হাড়ে ব্যথা। পাশাপাশি দাঁতে সমস্যা, হাতের কনুই থেকে কব্জি পর্যন্ত এবং হাঁটুতে দ্রুত হাড়ের বৃদ্ধি ও বিকাশ এবং ভঙ্গুর হাড় দেখা যায়। একই সমস্যা দেখা দেয় কস্টোকোন্ড্রাল জংশনে (যেখানে পাঁজর বুকের সঙ্গে সংযুক্ত থাকে)। শিশুদের মাথার ওপরের নরম অংশ (ফন্টানেল্লে) বন্ধ হতে সময় নেয়।

এ ছাড়া সদ্যজাতদের মধ্যে কপালের হাড়ে গোলাকার ফোলা অংশ দেখা যায়। একটু বড় শিশুদের মধ্যে কাইফোসিস বা স্কোলিওসিস (মেরুদণ্ড সামনের দিকে বা পাশের দিকে বাঁকা থাকে) থাকতে পারে। কঙ্কাল সংক্রান্ত বিষয় ছাড়া অন্যান্য উপসর্গের মধ্যে রয়েছে ব্যথা, জ্বালা, অঙ্গ সঞ্চানলে বিলম্ব এবং কম বৃদ্ধি। রিকেট রোগ অনেক সময় কঙ্কাল সংক্রান্ত ডিসপ্লেসিয়াসের সঙ্গে ভুল হতে পারে, কারণ এদের ক্লিনিক্যাল বৈশিষ্ট্যগুলো একই রকম।

রিকেট রোগের কারণ
রিকেট রোগের খুব সাধারণ কারণ হলো ভিটামিন ডি এবং ক্যালসিয়ামের অভাব। পাশাপাশি পুষ্টির অভাব, ভিটামিন ডি-এর শোষণে অক্ষমতা, পর্যাপ্ত সূর্যরশ্মি গ্রহণ না করা এবং গর্ভাবস্থায় রিকেট হতে পারে। এ ছাড়া অকালজাত বা সময়ের আগে ভূমিষ্ঠ হওয়া শিশুও রিকেটে আক্রান্ত হতে পারে। স্থূলতা, কিডনি এবং লিভারে রোগ, নির্দিষ্ট কিছু অ্যান্টিকনভালস্যান্টস (খিঁচুনির জন্য) বা অ্যান্টিরেট্রোভাইরাল (এইচআইভির জন্য) ওষুধ থেকে এই রোগ হতে পারে। ক্যালসিয়াম এবং ফসফেট ঘাটতির কারণে ক্যালসিপেনিক এবং ফসফোপেনিক রিকেট হিসেবে উল্লেখ করা হয়। এই কারণে নির্দিষ্ট সময়ের পর হাড় দুর্বল হয়ে যায় এবং বেঁকে যায়।

রোগ নির্ণয়
ভিটামিন ডি-এর ঘাটতি নির্ণয়ের ক্ষেত্রে ল্যাবরেটরি পরীক্ষায় ক্যালসিয়াম, ভিটামিন ডি-এর মাত্রা, ক্ষারীয় ফসফাটেজ, ফসফরাস এবং প্যারাথাইরয়েড হরমোনের মাত্রা জানার জন্য রক্ত পরীক্ষা করলে রিকেট রোগ শনাক্ত করা যায়। এ ছাড়া হাড়ে পরিবর্তন দেখা দিলে রিকেট হতে পারে বলে অনুমান করা যায়। এ জন্য এক্স-রে পরীক্ষা করার দরকার হতে পারে। রিকেট বা অস্টিওম্যালাসিয়া নির্ণয়ের জন্য সবচেয়ে সহজ পদ্ধতি হলো হাড়ের বায়োপসি। এটা করলে শতভাগ নির্ভুলভাবে রিকেট শনাক্ত করা যায়।

চিকিৎসা
অভাবের প্রকৃতি এবং তীব্রতা নির্ধারণ করে রোগীকে ভিটামিন ডি সেবনের পরামর্শ দেওয়া হয়। এ ছাড়া যতক্ষণ না এক্স-রের ফলাফল স্বাভাবিক হয় ততক্ষণ ক্যালসিয়াম সম্পূরকও দেওয়া হয়।

প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থা
কয়েকটি সহজ ব্যবস্থা রিকেট রোগ প্রতিরোধ করতে সাহায্য করতে পরে। যেমন স্বাস্থ্যকর খাদ্য গ্রহণ। এর মধ্যে দুগ্ধজাত খাবার এবং ডিম অন্তর্ভুক্ত থাকতে হবে। সবাইকে বাইরে সময় কাটাতে হবে। বিশেষ করে সকালের রোদে।

জাহ্নবী

চীনে বছরে ১ কোটি ৫০ লাখের বেশি মানুষের রক্তদান

প্রকাশ: ১৫ জুন ২০২৬, ০৫:২৫ পিএম
চীনে বছরে ১ কোটি ৫০ লাখের বেশি মানুষের রক্তদান
রক্তদান করছেন চীনা নাগরিকরা।

চীনে স্বেচ্ছায় রক্তদানের আওতায় প্রতি বছর ১ কোটি ৫০ লাখেরও বেশি মানুষ রক্তদান করেন। দেশটির সরকারি তথ্য থেকে এ তথ্য জানা গেছে।

বিশ্ব রক্তদাতা দিবস উপলক্ষে রোববার চীনের জাতীয় স্বাস্থ্য কমিশন (এনএইচসি) এবং আরও আটটি সরকারি বিভাগ যৌথভাবে একটি বিশেষ কর্মসূচির আয়োজন করে এবং স্বেচ্ছায় রক্তদানের আহ্বান জানিয়ে জনসাধারণের উদ্দেশে একটি আবেদন প্রকাশ করে।

আবেদনে চীনের কমিউনিস্ট পার্টির (সিপিসি) সদস্য, চীনের কমিউনিস্ট যুবলীগ (সিওয়াইএলসি) সদস্য, সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারী, রাষ্ট্রায়ত্ত প্রতিষ্ঠানের কর্মী, বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক-শিক্ষার্থীসহ সমাজের সব শ্রেণি-পেশার মানুষকে সুস্থ থাকলে স্বেচ্ছায় রক্তদানে অংশ নেওয়ার আহ্বান জানানো হয়।

বর্তমানে চীনে চিকিৎসা খাতে ব্যবহৃত সব রক্তই সুস্থ নাগরিকদের স্বেচ্ছায় ও বিনামূল্যে দেওয়া রক্তদানের মাধ্যমে সংগ্রহ করা হয়। মোট রক্তদানের পরিমাণ, রক্তদাতার সংখ্যা এবং রক্তের নিরাপত্তার ক্ষেত্রে চীন বিশ্বের শীর্ষ দেশগুলোর অন্যতম।

স্বেচ্ছায় রক্তদান কার্যক্রমকে আরও এগিয়ে নিতে কেন্দ্রীয় ও স্থানীয় সরকার বিভিন্ন উৎসাহমূলক পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে। এ পর্যন্ত দেশজুড়ে ৩০ লাখেরও বেশি স্বেচ্ছাসেবী রক্তদাতাকে সম্মাননা প্রদান করা হয়েছে।

এ ছাড়া বিভিন্ন অঞ্চলে স্থানীয় বাস্তবতার সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে বিশেষ প্রণোদনা চালু করা হয়েছে। কয়েকটি প্রদেশে সম্মাননাপ্রাপ্ত রক্তদাতারা বিনামূল্যে গণপরিবহন ব্যবহার, সরকারি অর্থায়নে পরিচালিত পার্কে বিনামূল্যে প্রবেশ এবং সরকারি হাসপাতালে বহির্বিভাগের নিবন্ধন ফি মওকুফসহ নানা সুবিধা পেয়ে থাকেন।

সূত্র: সিএমজি

ফ্যাটি লিভারের চিকিৎসায় নতুন পথ বের হলো চীনা মহাকাশ স্টেশনে

প্রকাশ: ১০ জুন ২০২৬, ০৫:৪৬ পিএম
ফ্যাটি লিভারের চিকিৎসায় নতুন পথ বের হলো চীনা মহাকাশ স্টেশনে
চীনের মহাকাশ স্টেশন থিয়ানকংয়ে গবেষকরা।

চীনের মহাকাশ স্টেশন থিয়ানকংয়ে পরিচালিত একটি বৈজ্ঞানিক গবেষণায় উন্মোচিত হয়েছে ফ্যাটি লিভার রোগের চিকিৎসায় নতুন দিগন্ত। গবেষকরা আশা করছেন, এই পরীক্ষার মাধ্যমে যকৃতের কোষের (হেপাটোসাইট) চর্বি বিপাক নিয়ন্ত্রণের প্রক্রিয়া সম্পর্কে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পাওয়া যাবে।
সম্প্রতি শেষ হওয়া সাত দিনের কক্ষপথভিত্তিক পরীক্ষার লক্ষ্য ছিল অতি-স্বল্প মাধ্যাকর্ষণ (মাইক্রোগ্রাভিটি) পরিবেশে কোষের অভ্যন্তরীণ জৈবিক প্রক্রিয়া কীভাবে চর্বি বিপাককে প্রভাবিত করে, তা শনাক্ত করা।
চীনা বিজ্ঞান একাডেমির মেকানিক্স ইনস্টিটিউটের সহযোগী গবেষক লি নিং বলেন, মহাকাশের মাইক্রোগ্রাভিটি এমন বিশেষ পরিবেশ তৈরি করে, যা যকৃতের কোষের বিপাকীয় কার্যক্রমকে গভীরভাবে প্রভাবিত করে।
তিনি বলেন, যকৃত একটি জটিল যান্ত্রিক পরিবেশে কাজ করে। লিভার ফাইব্রোসিস বা ফ্যাটি লিভারের মতো রোগে এই পরিবেশে টিস্যুর দৃঢ়তা বাড়ে এবং রক্তপ্রবাহের ধরন বদলে যায়।
বিজ্ঞানীদের মতে, যকৃতে অস্বাভাবিক চর্বি জমার অন্যতম প্রধান কারণ হলো ফ্লুইড শিয়ার স্ট্রেস বা রক্তপ্রবাহের ঘর্ষণজনিত বল। স্বাভাবিক অবস্থায় রক্ত যখন যকৃতের রক্তনালির মধ্য দিয়ে প্রবাহিত হয়, তখন তা কোষগুলোর ওপর একটি নির্দিষ্ট চাপ তৈরি করে এবং বিপাকীয় ভারসাম্য বজায় রাখতে সাহায্য করে।
কিন্তু মহাকাশে অল্প মাধ্যাকর্ষণের কারণে শরীরের তরল ওপরের দিকে সরে যায়। ফলে হৃদযন্ত্রের ওপরের অংশে রক্তপ্রবাহ বেড়ে যায় এবং নিচের অংশে কমে যায়। এতে যকৃতে প্রবেশকারী রক্তের প্রবাহ উল্লেখযোগ্যভাবে কমে যায়। একই সঙ্গে বেড়ে যায় হাইড্রোস্ট্যাটিক চাপ। ফলে যকৃতের ওপর রক্তপ্রবাহের যান্ত্রিক প্রভাব দুর্বল হয়ে পড়ে। এই পরিস্থিতিতে রক্তপ্রবাহের নিয়ন্ত্রণমূলক ভূমিকা কমে যায় এবং যকৃতে চর্বি জমার হার বাড়তে শুরু করে।
এর আগে চীনের শেনচৌ-১৬ মহাকাশ মিশনের গবেষণায় দেখা গেছে, মাইক্রোগ্রাভিটি পরিবেশে এসআরইবিপি নামের একটি প্রোটিন সক্রিয় হয়ে কোষের ভেতরে চর্বির কণিকা (লিপিড ড্রপলেট) বাড়িয়ে দেয়। স্বাভাবিক রক্তপ্রবাহ এর কার্যক্রম দমন করে এবং কোষে চর্বি জমা কমাতে সহায়তা করে।
পরীক্ষায় হেপাটোসাইটকে গবেষণার বিষয় হিসেবে বেছে নেওয়া হয়। তিন ধরনের পরিবেশ তৈরি করা হয়— স্থির কোষ সংস্কৃতি, কৃত্রিম রক্তপ্রবাহ পরিবেশ এবং ওষুধ-উদ্দীপিত রক্তপ্রবাহ পরিবেশ। মোট ছয়টি কোষ নমুনা নিয়ে গবেষণা পরিচালিত হয়।
পুরো পরীক্ষাটি পৃথিবী থেকে দূরনিয়ন্ত্রিত নির্দেশনার মাধ্যমে পরিচালিত হয়েছে। গবেষকরা প্রতিদিন মাইক্রোস্কোপিক চিত্র ধারণ করে কোষের বৃদ্ধি ও পরিবর্তন পর্যবেক্ষণ করেন।
সপ্তম দিনে স্বয়ংক্রিয়ভাবে একটি সংরক্ষণকারী রাসায়নিক পদার্থ কোষে প্রয়োগ করা হয়, যাতে সেই সময়কার কোষীয় অবস্থা অক্ষুণ্ণ থাকে। এরপর নমুনাগুলো মাইনাস ৮০ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রার ফ্রিজারে সংরক্ষণ করা হয়। চলতি বছরের দ্বিতীয়ার্ধে এসব নমুনা পৃথিবীতে ফিরিয়ে আনা হবে। 

সূত্র: সিএমজি

বিশ্ব ব্রেইন টিউমার দিবস আজ, জানুন এর বিভিন্ন দিক

প্রকাশ: ০৮ জুন ২০২৬, ১২:৪৬ পিএম
আপডেট: ০৮ জুন ২০২৬, ০১:০০ পিএম
বিশ্ব ব্রেইন টিউমার দিবস আজ, জানুন এর বিভিন্ন দিক
ছবি: সংগৃহীত

আজ ৮ জুন, বিশ্ব ব্রেইন টিউমার দিবস। বৈশ্বিক চিকিৎসা মহল, রোগী, সেবাদানকারী এবং শুভাকাঙ্ক্ষীরা মিলে আধুনিক চিকিৎসার অন্যতম বড় এই চ্যালেঞ্জটি সম্পর্কে সচেতনতা বাড়াতে দিনটি পালন করেন।

প্রতি বছর ৮ জুন বিশ্ব ব্রেন টিউমার দিবস পালিত হয়। ব্রেইন টিউমার রোগীদের প্রতি সম্মান জানাতে এবং এই রোগ সম্পর্কে বিশ্বব্যাপী সচেতনতা বাড়াতে ২০০০ সালে জার্মান ব্রেন টিউমার অ্যাসোসিয়েশন প্রথম এই দিবসের প্রচলন করে।

গত দুই দশকে এই উদ্যোগ জার্মানির গণ্ডি পেরিয়ে ৩০টিরও বেশি দেশে ছড়িয়ে পড়েছে। বিভিন্ন হাসপাতাল, গবেষণাপ্রতিষ্ঠান, অলাভজনক সংস্থা এবং রোগী কল্যাণ সমিতিগুলো শিক্ষামূলক ক্যাম্পেইন, তহবিল সংগ্রহ এবং সোশ্যাল মিডিয়া প্রচারণার মাধ্যমে এই দিনে নানা কর্মসূচি পালন করে।

এই দিবসের মূল উদ্দেশ্য:

এই দিবসের মূল উদ্দেশ্য তিনটি। 

শিক্ষা: সাধারণ মানুষকে ব্রেইন টিউমারের লক্ষণ, ঝুঁকির কারণ এবং সঠিক সময়ে চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়ার গুরুত্ব সম্পর্কে জানানো।

সহযোগিতা: ব্রেইন টিউমারের কারণে যে রোগীরা শারীরিক ও মানসিকভাবে কঠিন লড়াইয়ের মধ্য দিয়ে যাচ্ছেন, তাদের ও তাদের পরিবারের পাশে দাঁড়িয়ে সংহতি প্রকাশ করা।

সচেতনতা বৃদ্ধি: ব্রেইন টিউমার গবেষণা, ক্লিনিক্যাল ট্রায়াল এবং উন্নত চিকিৎসার সুযোগ বাড়াতে আরও বেশি বিনিয়োগের দাবি তোলা।

বিশ্ব ব্রেইন টিউমার দিবসের ইতিহাস

এই দিবসের ইতিহাস শুরু হয়েছিল ১৯৯০-এর দশকের শেষের দিকে। একদল জার্মান নিউরোলজিস্ট (স্নায়ুরোগ বিশেষজ্ঞ) এবং রোগী কল্যাণকর্মী লক্ষ্য করেন যে, অন্যান্য ক্যান্সারের তুলনায় ব্রেন টিউমার নিয়ে জনমনে সচেতনতা অনেক কম, অথচ মানুষের জীবনযাত্রার ওপর এর প্রভাব ভয়াবহ।

পরবর্তীতে ২০০০ সালে জার্মান ব্রেন টিউমার অ্যাসোসিয়েশন এটিকে একটি বার্ষিক দিবস হিসেবে প্রাতিষ্ঠানিক রূপ দেয়। সময়ের সঙ্গে সঙ্গে ইন্টারন্যাশনাল ব্রেন টিউমার অ্যালায়েন্স-এর মতো আন্তর্জাতিক সংস্থাগুলো একইদিনে বিশ্বব্যাপী কার্যক্রম শুরু করে, যার ফলে বার্তাটি আরও বড় পরিসরে মানুষের কাছে পৌঁছায়। আঞ্চলিকভাবে শুরু হওয়া একটি ক্যাম্পেইন আজ ইউরোপ, এশিয়া ও আমেরিকাসহ বিশ্বজুড়ে একটি বড় স্বাস্থ্য সচেতনতা উদ্যোগে পরিণত হয়েছে।

২০২৬ সালের থিম

২০২৬ সালের বিশ্ব ব্রেইন টিউমার দিবসের মূল প্রতিপাদ্য হলো- রোগটি দ্রুত শনাক্ত করার বিষয়ে সচেতনতা বাড়ানো এবং রোগ নির্ণয়ের ক্ষেত্রে যে বৈষম্য রয়েছে তা কমিয়ে আনা। বিশেষ করে নিম্ন ও মধ্যম আয়ের দেশগুলোতে যেখানে এমআরআই সুবিধা এবং বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের অভাব রয়েছে, সেখানে এই সচেতনতা খুবই জরুরি।

ই দিনটি গুরুত্বপূর্ণ হওয়ার মূল কারণগুলো হলো-

লক্ষণগুলো বুঝতে ভুল হওয়া: মাথাব্যথা, মাথা ঘোরানো, দৃষ্টিশক্তির পরিবর্তন বা স্মৃতিশক্তি কমে যাওয়ার মতো লক্ষণগুলোকে মানুষ প্রায়ই মানসিক চাপ বা সাধারণ সমস্যা ভেবে ভুল করে। ফলে রোগ নির্ণয়ে অনেক দেরি হয়ে যায়।

সামাজিক ট্যাবু বা কুসংস্কার: মস্তিষ্কজনিত রোগ নিয়ে সমাজে এখনো নানা ভুল ধারণা রয়েছে। সঠিক শিক্ষার মাধ্যমে এই কুসংস্কার দূর করা সম্ভব, যাতে মানুষ দ্বিধাহীনভাবে ডাক্তারের কাছে যেতে পারে।

সেবাদানকারীদের ওপর মানসিক চাপ: ব্রেইন টিউমার রোগীদের প্রায় ২৪ ঘণ্টাই চোখে চোখে রাখতে হয়। সচেতনতা ক্যাম্পেইনগুলোর মাধ্যমে শুধু রোগী নয়, তাদের পরিবারের মানুষদের মানসিক ও শারীরিক প্রয়োজনের দিকেও নজর দেওয়া হয়।

গবেষণায় ফান্ডের অভাব: ব্রেন টিউমার এতটাই জটিল রোগ হওয়া সত্ত্বেও স্তন বা ফুসফুসের ক্যান্সারের তুলনায় এতে গবেষণার জন্য বরাদ্দ বা ফান্ড অনেক কম পাওয়া যায়। জনসচেতনতা বাড়লে এই ফান্ডিং পাওয়ার সম্ভাবনা বাড়ে।

ধরনভেদে বেঁচে থাকার হারের পার্থক্য: মেনিনজিওমার মতো কিছু টিউমারের চিকিৎসা তুলনামূলক সহজ হলেও, গ্লিওব্লাস্টোমার মতো টিউমারগুলো অত্যন্ত আক্রমণাত্মক এবং এর চিকিৎসা করা সবচেয়ে কঠিন। সচেতনতা বাড়লে আরও উন্নত চিকিৎসার দাবি জোরালো হয়।

ব্রেইন টিউমারের কোন লক্ষণগুলো কখনোই অবহেলা করবেন না?

বিশ্ব ব্রেইন টিউমার দিবসের অন্যতম বড় লক্ষ্য হলো মানুষকে এর লক্ষণগুলো সম্পর্কে জানানো। সাধারণ কিছু সতর্কবার্তা নিচে দেওয়া হলো-

  • ক্রমাগত বা তীব্র মাথাব্যথা, বিশেষ করে সকালের দিকে যা বেশি অনুভূত হয়।
  • আগে কখনো মৃগী বা খিঁচুনির ইতিহাস নেই, এমন প্রাপ্তবয়স্ক মানুষের হঠাৎ খিঁচুনি হওয়া।
  • কোনো কারণ ছাড়াই বমি বমি ভাব বা বমি হওয়া।
  • দৃষ্টিশক্তি, শ্রবণশক্তি বা কথা বলতে সমস্যা হওয়া।
  • স্মৃতিশক্তি কমে যাওয়া, বিভ্রান্তি বা আচরণ ও ব্যক্তিত্বে হঠাৎ পরিবর্তন।
  • হাত বা পায়ে দুর্বলতা বা অবশ ভাব অনুভব করা।

এই লক্ষণগুলো থাকা মানেই যে ব্রেইন টিউমার হয়েছে তা নয়, তবে এমন কিছু দেখা দিলে অবহেলা না করে দ্রুত ডাক্তারের পরামর্শ নেওয়া উচিত—বিশেষ করে যদি লক্ষণগুলো হঠাৎ দেখা দেয় এবং সময়ের সাথে বাড়তে থাকে। সূত্র: আর্টেমিস হসপিটাল

তামান্না রুপা/

মনোযোগ বাড়াতে চাইলে কী খেতে হবে

প্রকাশ: ০৭ জুন ২০২৬, ০৪:১৫ পিএম
আপডেট: ০৭ জুন ২০২৬, ০৪:৪৬ পিএম
মনোযোগ বাড়াতে চাইলে কী খেতে হবে
পরিমিত পরিমাণে ডার্ক চকলেট খেলে এতে থাকা ফ্ল্যাভোনয়েড ও ক্যাফেইন মস্তিষ্কে রক্তপ্রবাহ বাড়াতে সাহায্য করতে পারে।

বর্তমান ব্যস্ত জীবনে মনোযোগ ধরে রাখা অনেকের জন্যই একটি বড় চ্যালেঞ্জ। পড়াশোনা, অফিসের কাজ কিংবা দৈনন্দিন সিদ্ধান্ত গ্রহণ—সব ক্ষেত্রেই মস্তিষ্কের কার্যকারিতা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। পর্যাপ্ত ঘুম, নিয়মিত ব্যায়াম এবং মানসিক চাপ নিয়ন্ত্রণের পাশাপাশি সঠিক খাদ্যাভ্যাসও মনোযোগ ও স্মৃতিশক্তি উন্নত করতে সাহায্য করে। কিছু খাবারে থাকা পুষ্টি উপাদান মস্তিষ্কের কোষকে সুরক্ষা দেয়, স্নায়ুতন্ত্রকে সক্রিয় রাখে এবং চিন্তাশক্তি বাড়াতে সহায়তা করে।

তৈলাক্ত মাছ

স্যামন, টুনা, সারডিনের মতো তৈলাক্ত মাছে ওমেগা-৩ ফ্যাটি অ্যাসিড প্রচুর থাকে। এটি মস্তিষ্কের কোষের গঠন ও কার্যকারিতা উন্নত করতে সাহায্য করে এবং মনোযোগ বাড়াতে ভূমিকা রাখে।

 

ডিম

ডিমে রয়েছে কোলিন, ভিটামিন বি৬ ও ভিটামিন বি১২। এসব পুষ্টি উপাদান মস্তিষ্কের যোগাযোগ ব্যবস্থা কার্যকর রাখতে সাহায্য করে এবং স্মৃতিশক্তি ও মনোযোগ উন্নত করতে পারে।

আখরোট

আখরোটে রয়েছে স্বাস্থ্যকর চর্বি, অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট ও ওমেগা-৩। নিয়মিত পরিমিত পরিমাণে আখরোট খেলে মস্তিষ্কের কর্মক্ষমতা ভালো রাখতে সহায়তা পাওয়া যেতে পারে।

ব্লুবেরি ও অন্যান্য বেরি জাতীয় ফল

ব্লুবেরি, স্ট্রবেরি ও ব্ল্যাকবেরিতে থাকা অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট মস্তিষ্ককে অক্সিডেটিভ ক্ষতি থেকে রক্ষা করতে সাহায্য করে। এতে শেখার ক্ষমতা ও মনোযোগ ধরে রাখার দক্ষতা বাড়তে পারে।

 

সবুজ শাকসবজি

পালং শাক, কলমি শাক ও অন্যান্য সবুজ শাকসবজিতে রয়েছে ভিটামিন কে, ফলেট ও অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট। এসব উপাদান মস্তিষ্কের সুস্থতা বজায় রাখতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।

কুমড়ার বীজ

কুমড়ার বীজে জিঙ্ক, ম্যাগনেসিয়াম ও আয়রন পাওয়া যায়। এসব খনিজ উপাদান মস্তিষ্কের স্বাভাবিক কার্যক্রম এবং মনোযোগ ধরে রাখতে সহায়ক।

ডার্ক চকলেট

পরিমিত পরিমাণে ডার্ক চকলেট খেলে এতে থাকা ফ্ল্যাভোনয়েড ও ক্যাফেইন মস্তিষ্কে রক্তপ্রবাহ বাড়াতে সাহায্য করতে পারে। ফলে সাময়িকভাবে মনোযোগ ও সতর্কতা বৃদ্ধি পেতে পারে।

 

ওটস

ওটসে জটিল শর্করা থাকে, যা ধীরে ধীরে শক্তি সরবরাহ করে। এতে রক্তে শর্করার মাত্রা স্থিতিশীল থাকে এবং দীর্ঘ সময় মনোযোগ ধরে রাখা সহজ হয়।

দই

দইয়ে থাকা প্রোটিন ও উপকারী ব্যাকটেরিয়া অন্ত্রের স্বাস্থ্য ভালো রাখতে সাহায্য করে। গবেষণায় দেখা গেছে, অন্ত্র ও মস্তিষ্কের মধ্যে ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক রয়েছে, যা মানসিক কার্যকারিতার ওপর প্রভাব ফেলতে পারে।

কমলালেবু

কমলালেবুতে প্রচুর ভিটামিন সি থাকে। এই অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট মস্তিষ্কের কোষকে সুরক্ষা দিতে সাহায্য করে এবং বয়সজনিত মানসিক অবক্ষয়ের ঝুঁকি কমাতে ভূমিকা রাখতে পারে।

পর্যাপ্ত পানি

পানি সরাসরি খাবার না হলেও মস্তিষ্কের সঠিক কার্যকারিতার জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। শরীরে পানিশূন্যতা দেখা দিলে মনোযোগ কমে যেতে পারে এবং ক্লান্তি অনুভূত হতে পারে।

অন্য কারণে ডায়াবেটিস রোগী অসুস্থ হলে

প্রকাশ: ০৪ জুন ২০২৬, ১২:৫৯ পিএম
অন্য কারণে ডায়াবেটিস রোগী অসুস্থ হলে
ছবি এআই

ডায়াবেটিক রোগী অসুস্থ হলে (যেমন- জ্বর, সর্দি, বমি, ডায়রিয়া ইত্যাদি) রক্তে শর্করার মাত্রা হঠাৎ বেড়ে বা কমে যেতে পারে। তাই এ সময় বিশেষ যত্ন নেওয়া জরুরি।

অসুস্থতার দিনের (Sick Day) ঝুঁকিসমূহ

হাইপোগ্লাইসেমিয়া (রক্তে শর্করার মাত্রা কমে যাওয়া)
হাইপারগ্লাইসেমিয়া (রক্তে শর্করার মাত্রা বেড়ে যাওয়া)
ডায়াবেটিক কিটোএসিডোসিস
পানিশূন্যতা

অসুস্থতার দিনের করণীয়

১। ইনসুলিন ও অন্যান্য ডায়াবেটিসের ওষুধসমূহ চালিয়ে যাওয়া 
বমি বা পাতলা পায়খানা হলে ইনসুলিন এবং সালফোনাইলইউরিয়া গ্লিটিনাইড গ্রুপের ওষুধ সেবনকারী রোগীদের হাইপোগ্লাইসেমিয়া হওয়ার ঝুঁকি তৈরি হয়। তাই এসব ওষুধের মাত্রা কমিয়ে গ্রহণ করতে হবে এবং মেটফরমিন নেওয়া বন্ধ করতে হবে।

২। ঘন ঘন রক্তের গ্লুকোজের মাত্রা ও প্রস্রাবে কিটোনের উপস্থিতি পরীক্ষা
চার ঘণ্টা পরপর রক্তে গ্লুকোজের মাত্রা পরীক্ষা করা উচিত। তবে রক্তে গ্লুকোজের মাত্রা যদি <৪ মিলিমোল/লি অথবা কিটোনের উপস্থিতি থাকে, তবে ২ ঘণ্টা পরপর বা আরও ঘন ঘন রক্তে গ্লুকোজের মাত্রা পরীক্ষা করতে

৩। ডায়াবেটিস রোগীর জন্য পর্যাপ্ত সহায়তা নিশ্চিত করতে হবে
ডায়াবেটিস রোগীর পরিচর্যাকারীর অসুস্থতার দিনের ব্যবস্থাপনা সম্পর্কে সম্যক জ্ঞান থাকতে হবে এবং রোগীকে কখন চিকিৎসকের কাছে নিতে হবে সে ব্যাপারে জানতে হবে।

৪। পর্যাপ্ত পানি ও শর্করা গ্রহণ নিশ্চিত করতে হবে
পানিশূন্যতা রোধে প্রতি ঘণ্টায় ১২৫-১৫০ মিলি পানি পান করতে হবে। শর্করাজাতীয় খাবার গ্রহণ নিশ্চিত করতে হবে কারণ এটা হাইপোগ্লাইসেমিয়া প্রতিরোধ করে এবং রোগীকে শক্তি জোগায়।

৫। অসুস্থতা দিনের ব্যবস্থাপনার যথাযথ নির্দেশনা প্রদান ও প্রস্তুতি গ্রহণ করতে হবে
ডায়াবেটিস রোগীকে এবং রোগীর সহায়তাকারীকে অবশ্যই অসুস্থতার দিনের ব্যবস্থাপনা সম্পর্কে জানতে হবে এবং ব্যবস্থাপনার জন্য যথাযথ প্রস্তুতি রাখতে হবে।

৬। মূল অসুস্থতার যথাযথ চিকিৎসা নিশ্চিত করতে হবে।

৭। হাইপোগ্লাইসেমিয়া প্রতিরোধ যথাযথ নির্দেশনা প্রদান করতে হবে।

কখন চিকিৎসকের পরামর্শ নেবেন

যদি ৬ ঘণ্টার বেশি বমি বা পাতলা পায়খানা ভালো না হয়।
২ দিন ধরে অসুস্থ থাকেন এবং ভালো না হন।
রক্তে গ্লুকোজের মাত্রা ১৫ মিলি মোল/লির বেশি হয়।
চিকিৎসার পরও প্রস্রাবের সঙ্গে কিটোন যাওয়া বন্ধ না হয়।
কিটোএসিডোসিস, অতিরিক্ত দ্রুত ও গভীর শ্বাস-প্রশ্বাস (হাইপারভেন্টিলেশন), পেটে ব্যথা, তন্দ্রাচ্ছন্নতা ইত্যাদি লক্ষণ দেখা দিলে।
রোগী যদি শিশু বা বৃদ্ধ হয়
রক্তে গ্লুকোজের মাত্রা কমে যায় (হাইপোগ্লাইসেমিয়া)
ডায়াবেটিসের সঙ্গে আরও অন্য অসুখ (Co-morbidity) থাকে।
যদি অসুস্থতার কারণে রোগী খাবার ও পানি গ্রহণে অসমর্থ হন।

লেখিকা: ডায়াবেটিস, থাইরয়েড ও হরমোন বিশেষজ্ঞ, চেম্বার: আলোক হাসপাতাল লিমিটেড, মিরপুর-৬, ঢাকা