কিডনির সুস্থতা বজায় রাখতে কিছু নির্দিষ্ট ফল খুবই উপকারী। এসব ফলে থাকে অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট, ভিটামিন, মিনারেল ও কম পটাশিয়াম, যা কিডনিকে ডিটক্স করতে এবং সুস্থ রাখতে সাহায্য করে। চলুন সেই ফলগুলো দেখে নিই।
আপেল
আপেল ফাইবারসমৃদ্ধ একটি ফল, যা টক্সিন দূর করতে সাহায্য করে। এটি রক্তে চিনি ও কোলেস্টেরল নিয়ন্ত্রণে রাখে। পটাশিয়াম কম থাকার কারণে এটা কিডনির জন্য নিরাপদ হিসেবে প্রমাণিত।
ডালিম বা বেদানা
ডালিম বা বেদানায় প্রচুর অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট ও ভিটামিন সি আছে, যা কিডনিকে ডিটক্সিফাই করে। এটা রক্ত পরিশোধন করে ও কিডনির কার্যকারিতা উন্নত করে।
ব্লুবেরি
ব্লুবেরিতে অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট (অ্যান্থোসায়ানিন) থাকে, যা কিডনির কোষ রক্ষা করে। এটা প্রদাহ কমায় ও কিডনির সংক্রমণ প্রতিরোধ করে।
আঙুর
প্রাকৃতিক ডিটক্স উপাদান আছে আঙুরের মধ্যে, যা কিডনিতে টক্সিন জমতে দেয় না। আঙুর রক্তচাপ কমাতে সাহায্য করে, যা কিডনির জন্য ভালো।
তরমুজ
তরমুজে ৯০ শতাংশ পানি থাকে, যা কিডনিকে পরিষ্কার করে ও হাইড্রেটেড রাখে। এটা কিডনিতে পাথর হওয়ার ঝুঁকি কমায়।
লেবু
লেবুর রসে সাইট্রিক অ্যাসিড থাকে, যা কিডনিতে পাথর জমতে দেয় না। এটা ডিটক্সিফিকেশনে সাহায্য করে ও কিডনির কার্যকারিতা বাড়ায়।
স্ট্রবেরি
স্ট্রবেরিতে ভিটামিন সি ও অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট আছে, যা কিডনির প্রদাহ কমায়। পাশাপাশি এটা রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায় ও কিডনির টিস্যু সুরক্ষিত রাখে।
পেয়ারা
পেয়ারায় আছে কম পটাশিয়াম ও বেশি ফাইবার। এটা কিডনির জন্য ভালো। পেয়ারা রক্তের গ্লুকোজ নিয়ন্ত্রণ করে ও কিডনির ওপর চাপ কমায়।
কিডনি রোগীদের যেসব ফল এড়িয়ে চলতে হবে...
কলা: বেশি পটাশিয়াম থাকে।
কমলা: অতিরিক্ত সাইট্রিক অ্যাসিড কিডনির জন্য চাপ সৃষ্টি করতে পারে।
অ্যাভোকাডো: বেশি পটাশিয়াম থাকে।
কামরাঙা: যাদের কিডনির সমস্যা রয়েছে, তারা যদি কামরাঙা খায়, তাহলে কিডনির আরও ক্ষতি হতে পারে।
পরামর্শ
প্রতিদিন দু-এক ধরনের উপকারী ফল খাওয়া ভালো। এর পাশাপাশি প্রচুর পানি পান করতে হবে, বিশেষ করে তরমুজ বা লেবুর রস খাওয়ার পর।
