ঢাকা ৮ আষাঢ় ১৪৩৩, সোমবার, ২২ জুন ২০২৬

সর্বশেষ
নিউজিল্যান্ডকে বিপক্ষে মিশরের ৩-১ গোলে জয়, ম্যাচে ব্যবহৃত হলো ‘কনকাশন সাবস্টিটিউট’ বর্ষা এলেই জলজট স্মার্টফোনের নতুন সেনসেশন ‘হেলিও ৪৬’ ইরান-যুক্তরাষ্ট্র একসঙ্গে কাজ করবে: জেডি ভ্যান্স দুপুরের মধ্যে ঝড়ের শঙ্কা, নদীবন্দরে সতর্কতা মালেশিয়ায় শ্রমবাজার খোলার আশা আছে জটিলতাও নায়ক হতে প্রস্তুত এমবাপ্পে সাতসকালে ঢাকার বায়ুমান নিয়ে দুঃসংবাদ রোনালদোকে পাস দেওয়ার জন্য খেলোয়াড়দেররা কি বাধ্য? বিশ্বকাপের মঞ্চে এমবাপ্পের ‘সেঞ্চুরি’, অনন্য এক ইতিহাসের সামনে ফরাসি মহাতারকা আজও মেসি জাদুর অপেক্ষায় বিশ্বকাপের মঞ্চে এমবাপ্পের ‘সেঞ্চুরি’, অনন্য এক ইতিহাসের সামনে ফরাসি তারকা নারী নেতৃত্বে আন্তর্জাতিক মঞ্চে রুয়েটের দিপা নির্বিচারে হত্যাযজ্ঞ চালান জিয়াউল পালানোর সময় ছাদ থেকে পড়ে আ. লীগ নেতা নিহত ৯২ শতাংশ ইসরায়েলি মনে করে ইরানই বিজয়ী ঐতিহ্যের স্থাপনা ‘গৌরীপুর লজ’ এখন ব্যাংকারদের গেস্ট হাউস নিউজিল্যান্ডের হয়ে প্রথম গোল করা কে এই ফিন সারম্যান? ২২ জুন: তুলা, বৃশ্চিক, ধনু, মকর, কুম্ভ ও মীনের আজকের রাশিফল ২২ জুন: মেষ, বৃষ, মিথুন, কর্কট, সিংহ ও কন্যার আজকের রাশিফল রূপবতী সাদা মথ গাছফড়িং ইসলামী ব্যাংক থেকে চাকরিচ্যুতদের নতুন চাকরি মিলছে না আর্জেন্টিনার সামনে এবার ইউরোপীয় পরীক্ষা, অঘটনের স্বপ্ন অস্ট্রিয়ার জয়ের খোঁজে জর্ডান-আলজেরিয়া ফিলাডেলফিয়ায় ফ্রান্স ও ইরাকের অসম লড়াই ২২ জুন  ২০২৬ তারিখের নামাজের সময়সূচি আরেকটি ঐতিহাসিক রাতের অপেক্ষায় কুরাসাও আর্জেন্টিনা-অস্ট্রিয়া ম্যাচে কার জয়ের সম্ভাবনা কত, জানাল সুপারকম্পিউটার ৩৩ ম্যাচেই ১০০ গোল! হাইড্রেশন ব্রেক নিয়ে বিয়েলসার ক্ষোভ

৩৭তম জাতীয় কবিতা উৎসবের পর্দা নামবে আজ

প্রকাশ: ০২ ফেব্রুয়ারি ২০২৫, ১০:৫০ এএম
৩৭তম জাতীয় কবিতা উৎসবের পর্দা নামবে আজ
ছবি : খবরের কাগজ

‘স্বাধীনতা সাম্য সম্প্রীতির জন্য কবিতা’ প্রতিপাদ্য নিয়ে আজ রবিবার শেষ হচ্ছে দুই দিনব্যাপী ৩৭তম জাতীয় কবিতা উৎসব।

শনিবার (১ ফেব্রুয়ারি) ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় গ্রন্থাগার চত্বরে উৎসব উদ্বোধন করেন জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের শহিদ আবু সাঈদের মা মনোয়ারা বেগম ও সংস্কৃতিবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা মোস্তফা সরয়ার ফারুকী। 

এরপর জাতীয় পতাকা ও কবিতা পরিষদের পতাকা উত্তোলনের মধ্য দিয়ে শুরু হয় এবারের আয়োজন।

মোস্তফা সরয়ার ফারুকী বলেন, ‘আজকে এই অনুষ্ঠানের উদ্বোধক শহিদ আবু সাঈদের মা। এই উদ্বোধক নির্বাচনটাই বলে দেয় আমরা কোন বাংলাদেশে আছি এবং কোন পথে হাঁটছি। আমরা দেশের জন্য কাজ করার সুযোগ পেয়েছি। এবারের আন্দোলনের গুণগত কয়েকটি পরিবর্তনের একটি হলো নারীরা এত ফ্রন্টলাইনে ছিলেন, যা অন্য আন্দোলনে ছিলেন কি না আমি জানি না। এ ছাড়া গ্রাফিতি যে আন্দোলনের প্রভাবক হতে পারে, এই আন্দোলনে তা প্রমাণ হয়েছে। এরপর কবিতা অসাধারণভাবে মানুষকে অনুপ্রেরণা জুগিয়েছে। আমরা শিল্প-সংস্কৃতির কাছে পৌঁছেছি।’
বর্তমান সরকার মানুষের মতপ্রকাশের অধিকারে বিশ্বাসী উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘বই ছাপানোর আগে সরকার পড়ে দেখবে- এমন কোনো বক্তব্য কেউ দেয়নি। অপপ্রচার ছড়ানো হয়েছে। পাঠ্যপুস্তক সেন্সর করার কোনো ইচ্ছা সরকারের নেই। এই সরকার মতপ্রকাশের অধিকারে বিশ্বাস করে।’

দুই দিনব্যাপী এই উৎসবের প্রথম দিনে দিনব্যাপী পাঁচটি পর্বে কবিতা পাঠ করেন আমন্ত্রিত দেশি-বিদেশি কবিরা। সন্ধ্যা ৭টা থেকে রাত ৯টা পর্যন্ত আবৃত্তি-পর্ব ও কবিতার গান-পর্বের মধ্য দিয়ে আজকের কবিতা উৎসব শেষ হয়। 

এদিকে আজ রবিবার সকাল ১০টায় তারুণ্যের গান-পর্বের মধ্য দিয়ে উৎসবের দ্বিতীয় ও শেষ দিনের উদ্বোধন হবে। দ্বিতীয় দিনেও সকাল থেকে বিকেল পর্যন্ত তিনটি পর্বে নিবন্ধিত কবিরা কবিতা পাঠ করবেন। দ্বিতীয় দিনে বিকেল ৪টায় বাংলা একাডেমির সভাপতি আবুল কাসেম ফজলুল হকের সভাপতিত্বে ‘স্বাধীনতা সাম্য ও সম্প্রীতি: বাংলাদেশের কবিতা’ শীর্ষক সেমিনার অনুষ্ঠিত হবে। এতে মূল আলোচক থাকবেন গবেষক ও অধ্যাপক সলিমুল্লাহ খান। 

বিকেল ৫টায় কবিতা পরিষদ পুরস্কার ঘোষণা করা হবে। বিকেল সাড়ে ৫টা থেকে সন্ধ্যা ৭টা পর্যন্ত আমন্ত্রিত কবিরা কবিতা পাঠ করবেন। আমন্ত্রিত আবৃত্তিশিল্পীদের নিয়ে রাত ৭টা থেকে ৮টা পর্যন্ত আবৃত্তি-পর্ব ও আমন্ত্রিত শিল্পীদের অংশগ্রহণে নৃত্য-পর্ব অনুষ্ঠিত হবে। রাত ৯টায় সমাপনী অনুষ্ঠানের মধ্য দিয়ে পর্দা নামবে ৩৭তম জাতীয় কবিতা উৎসব।

জন্মবার্ষিকীতে স্মরণানুষ্ঠান: সুফিয়া কামালের ব্যক্তিত্ব সবাইকে আলোকিত করে

প্রকাশ: ২২ জুন ২০২৬, ১২:২১ এএম
আপডেট: ২২ জুন ২০২৬, ১২:৩২ এএম
জন্মবার্ষিকীতে স্মরণানুষ্ঠান: সুফিয়া কামালের ব্যক্তিত্ব সবাইকে আলোকিত করে
ছবি: সংগৃহীত।

সুফিয়া কামাল তার জীবনযাপন ও ধারণের মধ্য দিয়ে নারীবাদ, মানবাধিকার, গণতন্ত্র ও বাক্স্বানতা প্রতিষ্ঠায় কাজ করে গেছেন। তার ব্যক্তিত্ব সবাইকে আলোকিত করে। বাংলাদেশকে যারা ভালোবাসেন, তারা সবাই এই কবির দ্বারা প্রভাবিত।

প্রখ্যাত কবি, নারী জাগরণের অগ্রদূত সুফিয়া কামালের জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে আয়োজিত আলোচনা সভা ও স্মরণানুষ্ঠানে এসব কথা বলেছেন অনুষ্ঠানের প্রধান আলোচক মানবাধিকারকর্মী ও উন্নয়ন সংগঠক খুশী কবির।

 রবিবার (২১ জুন) বিকেলে মানবাধিকার সংস্কৃতি ফাউন্ডেশন (এমএসএফ) ও সাঁঝের মায়া ট্রাস্টের যৌথ উদ্যোগে ধানমন্ডি ৩২ নম্বরে কবির বাড়ি ’সাঁঝের মায়া’প্রাঙ্গণে এই অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।

কবির ১১৫তম জন্মবার্ষিকী ছিল ২০ জুন শনিবার।

এমএসএফের নির্বাহী প্রধান আইনজীবী সাইদুর রহমানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে ‘তরুণ প্রজন্মের ভাবনায় কবি সুফিয়া কামাল’ শীর্ষক আলোচনা অনুষ্ঠিত হয়। অনুষ্ঠানে স্মৃতিচারণা করেন মহিলা পরিষদের কেন্দ্রীয় কমিটির শিক্ষা ও সংস্কৃতি বিষয়ক সম্পাদক খুরশীদা ইমাম, সংস্কৃতিকর্মী তৃষ্ণা সরকার, আইন ও সালিশ কেন্দ্রের সাবেক কর্মী মো. জাহেদুল আলম হিটো, কবিকন্যা সাঈদা কামাল প্রমুখ। এতে বক্তারা সুফিয়া কামালের সাহিত্যকর্ম ও জীবনের নানা দিক তুলে ধরেন। 

আলোচনা ও স্মরণানুষ্ঠান শেষে সাংস্কৃতিক পর্বে সংগীত পরিবেশন করেন ছায়ানট ও নজরুল ইনস্টিটিউটের শিক্ষক জান্নাতুল ফেরদৌস লাকী, সানবিমস স্কুলের শিক্ষক ফেরদৌস রহমান চন্দন এবং সুফিয়া কামাল সাংস্কৃতিক প্রাঙ্গণের শিক্ষক মাহবুবা সুলতানা লিমা। এ ছাড়া সুফিয়া কামালকে নিয়ে লেখা পাঠ করেন এমএসএফের কর্মী মো. মনির হোসেন। অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন একই সংগঠনের কর্মী তানিয়া খাতুন।

আবদুল্লাহ আল মামুন/এসএন

সুরের মূর্ছনায় বিশ্ব সংগীত দিবস: ঢাকার দুই প্রান্তে সুরের বিভা

প্রকাশ: ২১ জুন ২০২৬, ১০:১৮ পিএম
সুরের মূর্ছনায় বিশ্ব সংগীত দিবস: ঢাকার দুই প্রান্তে সুরের বিভা
ছবি: খবরের কাগজ

আষাঢ়ের মেঘলা আকাশ আর অঝোর ধারার বৃষ্টিও যেন হার মানল সুর-মূর্ছনার আবেশের কাছে।

 রবিাবর (২১ জুন) ছিল বিশ্ব সংগীত দিবস। আর এই দিনটিকে ঘিরে রাজধানীর সংস্কৃতি অঙ্গন সেজেছিল গানের আয়োজনে।

সংগীতের সর্বজনীন আহ্বানে এদিন রাজধানীর শিল্পকলা একাডেমি এবং কেন্দ্রীয় কচি-কাঁচার মেলা মিলনায়তনে বসেছিল সুরের মেলা। দুই প্রান্তের আয়োজনেই ছিল ঐতিহ্যবাহী বাদ্যযন্ত্রের ধ্বনি, শোভাযাত্রা আর চিরায়ত গানের সুর।

বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমির আয়োজনে দুই দিনব্যাপী উৎসবের প্রথম দিনে আষাঢ়ের বৃষ্টি উপেক্ষা করেই সংগীতপ্রেমীদের ঢল নামে সেগুনবাগিচায়। গতকাল রবিবার বিকেলে সংগীত ও নৃত্যকলা প্রাঙ্গণ থেকে বের হওয়া বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রা জাতীয় নাট্যশালায় পৌঁছালে উৎসবের আমেজ পায় পূর্ণতা।

জাতীয় নাট্যশালার লবিতে পিয়ানোর সুরের মূর্ছনায় যখন রবীন্দ্রনাথের ‘আগুনের পরশমনি’ বা নজরুলের ‘বাগিচায় বুলবুলি তুই’ ধ্বনিত হচ্ছিল, তখন এক মায়াবী পরিবেশ তৈরি হয়। সন্ধ্যায় মিলনায়তনে আয়োজিত মূল অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি সংস্কৃতিবিষয়ক মন্ত্রী নিতাই রায় চৌধুরী এমপি বলেন, ‘সংগীত সীমানা মানে না, এটি মানুষের মনের ভাষা।’

বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমির যন্ত্রশিল্পীদের অর্কেস্ট্রা পরিবেশনায় শুরু হয় মূল অনুষ্ঠান। পার্থ মজুমদারের পরিচালনায় ‘তুমি নির্মল করো’ বা ‘উই আর দ্য ওয়ার্ল্ড’-এর মতো কালজয়ী গানগুলো দর্শকদের মুগ্ধ করে। আগুন, মেহরীন, ফাহমিদা নবীসহ একঝাঁক তারকা শিল্পীর কণ্ঠ এবং বিদেশি দূতাবাসের শিল্পীদের পরিবেশনায় তৈরি হয় সংস্কৃতির মেলবন্ধন।

একই দিনে বাংলাদেশ সংগীত সংগঠন সমন্বয় পরিষদের আয়োজনে অনুষ্ঠিত হয় বর্ণাঢ্য সংগীত উৎসব। রাজধানীর সেগুনবাগিচার কেন্দ্রীয় কচি-কাঁচার মেলা মিলনায়তনে সুরের ধারার শিল্পীদের জাতীয় সংগীত পরিবেশনার মধ্য দিয়ে শুরু হয় এই আয়োজন।

অনুষ্ঠানের উদ্বোধন করেন স্বাধীনতা পুরস্কারপ্রাপ্ত বাচিক শিল্পী আশরাফুল আলম। বেলুন উড়িয়ে উৎসবের সূচনা শেষে তিনি বলেন, ‘বিশ্বের সব সংগীতের তুলনায় আমাদের লোকসংগীতই শ্রেষ্ঠ। এই সংগীতের মাধ্যমেই আমাদের শিকড় ও ঐতিহ্যকে বিশ্ব মঞ্চে তুলে ধরতে হবে।’

আলোচনা সভায় বিশিষ্ট সংগীত পরিচালক শেখ সাদী খান নতুন প্রজন্মের প্রতি শুদ্ধ সংগীত চর্চার আহ্বান জানিয়ে বলেন, ‘মানুষকে বেঁচে থাকার অনুপ্রেরণা জোগায় গান। সংগীতকে শুধু কণ্ঠে নয়, আত্মস্থ করতে হয়।’ সংগঠনের সভাপতি মাহমুদ সেলিমের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে সংগঠনের অন্তর্ভুক্ত বিভিন্ন সাংস্কৃতিক দলের শিল্পীরা দলীয় এবং একক সংগীত পরিবেশনায় মাতিয়ে রাখেন মিলনায়তন। স্পন্দন, সুরের ধারা, নিবেদন, গীতশতদল, উদীচীর মতো সংগঠনের শিল্পীদের পরিবেশনায় উঠে আসে বাংলা সংগীতের বিচিত্র ধারা।

শিল্পকলা একাডেমি এবং কচি-কাঁচার মেলা–উভয় প্রান্তের আয়োজন চলবে দুই দিন ধরে। আজ দ্বিতীয় দিন উৎসবে যুক্ত হবে আরও নতুন পরিবেশনা।

সুফিয়া কামাল ও আবু হেনা মোস্তফা কামালের স্মরণে জবিতে দুই দিনব্যাপী সেমিনার শুরু

প্রকাশ: ২১ জুন ২০২৬, ০৯:৪০ পিএম
সুফিয়া কামাল ও আবু হেনা মোস্তফা কামালের স্মরণে জবিতে দুই দিনব্যাপী সেমিনার শুরু
ছবি: খবরের কাগজ

বাংলা সাহিত্য ও সংস্কৃতির দুই উজ্জ্বল ব্যক্তিত্ব কবি সুফিয়া কামাল এবং কবি-গীতিকার আবু হেনা মোস্তফা কামালের জীবন, সাহিত্যকর্ম ও সমাজভাবনা নতুন প্রজন্মের কাছে তুলে ধরতে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ে (জবি) শুরু হয়েছে দুই দিনব্যাপী সেমিনার।

রবিবার (২১ জুন) বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় মিলনায়তনে বাংলা বিভাগ ও বাংলা একাডেমির যৌথ উদ্যোগে আয়োজিত ‘সুফিয়া কামাল: জীবন ও কর্ম’ শীর্ষক সেমিনারের মাধ্যমে এ কর্মসূচির উদ্বোধন করা হয়। দুই দিনব্যাপী এই আয়োজনে পর্যায়ক্রমে দুই সাহিত্য ব্যক্তিত্বের জীবন, কর্ম ও সাহিত্যিক অবদান নিয়ে প্রবন্ধ উপস্থাপন ও আলোচনা অনুষ্ঠিত হবে।

প্রথম দিনের সেমিনারে ‘সুফিয়া কামালের কবিতা: বিষয় ও অনুভবের বৈচিত্র্য’ শীর্ষক প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন বাংলা বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. জান্নাত আরা সোহেলী। এছাড়া ‘বিপন্ন প্রকৃতির বিষণ্ন নারী: সুফিয়া কামালের কবিতায় পরিবেশ-নারীবাদী অনুষঙ্গ’ শীর্ষক প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন বিভাগের সহকারী অধ্যাপক সানজীদা মাসুদ।

আয়োজকরা জানান, কর্মসূচির দ্বিতীয় দিনে কবি ও গীতিকার আবু হেনা মোস্তফা কামালের জীবন, সাহিত্যকর্ম, সংগীতচর্চা এবং বাংলা সংস্কৃতিতে তাঁর অবদান নিয়ে বিভিন্ন প্রবন্ধ উপস্থাপন ও আলোচনা অনুষ্ঠিত হবে। এতে দেশের বিশিষ্ট গবেষক, শিক্ষক ও সাহিত্যবোদ্ধারা অংশ নেবেন।

১ম দিনের সেমিনারে সভাপতিত্ব করেন বাংলা বিভাগের অধ্যাপক ড. এ কে এম মাহবুবুল হক। অনুষ্ঠানে শুভেচ্ছা বক্তব্য দেন বাংলা একাডেমির গবেষক মাহবুবা রহমান।

উপস্থাপিত প্রবন্ধগুলোর ওপর আলোচনা করেন প্রাবন্ধিক ও গবেষক অধ্যাপক ড. গিয়াস শামীম, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলা বিভাগের অধ্যাপক ড. হোসনে আরা এবং জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলা বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. মো. আসাদুল্লাহিল গালিব। এছাড়াও সেমিনারে বাংলা বিভাগের শিক্ষক-শিক্ষার্থীসহ বিভিন্ন পর্যায়ের অংশগ্রহণকারীরা উপস্থিত ছিলেন।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. রইছ উদ্দীন বলেন, বর্তমান প্রেক্ষাপটে সুফিয়া কামালের জীবন ও আদর্শ নতুন প্রজন্মের জন্য অত্যন্ত প্রাসঙ্গিক। তিনি কেবল নিজে শিক্ষিত হওয়ার মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকেননি; বরং অন্যদের শিক্ষিত ও সচেতন করে তুলতেও নিরলসভাবে কাজ করেছেন। নারীশিক্ষার প্রসারের পাশাপাশি নারীর অধিকার প্রতিষ্ঠার আন্দোলনেও তিনি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছেন।

তিনি বলেন, “সুফিয়া কামালের মতো দূরদর্শী ব্যক্তিত্ব সে সময়ে কাজ না করলে নারীশিক্ষার ক্ষেত্রে বাংলাদেশ আরও পিছিয়ে থাকত।”

উপাচার্য আরও বলেন, সমাজের নানা ক্ষেত্রে এখনও নারীরা তাদের প্রাপ্য অধিকার থেকে বঞ্চিত হন। বিশেষ করে সম্পদের অধিকার ও সামাজিক মর্যাদা নিশ্চিত করতে পরিবার ও সমাজের প্রতিটি স্তরে সচেতনতা বৃদ্ধির প্রয়োজন রয়েছে।

সুফিয়া কামালের মানবতাবাদী দর্শনের প্রসঙ্গ তুলে তিনি বলেন, তিনি শুধু নারী অধিকার আন্দোলনের নেত্রী ছিলেন না; মানবিকতা, মনুষ্যত্ব ও প্রগতিশীল চিন্তার এক উজ্জ্বল প্রতীক ছিলেন। তাঁর সাহিত্যকর্ম ও জীবনাদর্শ থেকে শিক্ষা নিয়ে একটি মানবিক, ন্যায়ভিত্তিক ও প্রগতিশীল সমাজ গঠনে সবাইকে ভূমিকা রাখতে হবে।

এসএন/

জাইমা রহমানকে নিয়ে অশালীন পোস্ট, আখাউড়া থানায় অভিযোগ

প্রকাশ: ২১ জুন ২০২৬, ১২:৪৫ পিএম
আপডেট: ২১ জুন ২০২৬, ০১:২০ পিএম
জাইমা রহমানকে নিয়ে অশালীন পোস্ট, আখাউড়া থানায় অভিযোগ
ছবি: খবরের কাগজ

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আখাউড়া থানায় জাইমা রহমানকে নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে আপত্তিকর মন্তব্য করার অভিযোগে একটি লিখিত অভিযোগ করা হয়েছে।

শনিবার (২১ জুন) রাতে আখাউড়া থানায় এ অভিযোগ করেন পলাশ মিয়া।

তিনি নিজেকে আখাউড়া উপজেলা ছাত্রদলের যুগ্ম সম্পাদক হিসেবে পরিচয় দিয়েছেন।

অভিযোগে বলা হয়েছে, ‘Sabidul Islam Siam’ নামের একটি ফেসবুক আইডি থেকে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের মেয়ে জাইমা রহমানকে নিয়ে অশ্লীল, আপত্তিকর ও কুরুচিপূর্ণ মন্তব্য করা হয়েছে।

বিষয়টি জানার পর পলাশ মিয়া ফেসবুকে গিয়ে পোস্টটি দেখেন এবং দলের নেতাকর্মীদের সঙ্গে আলোচনা করে থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন।

অভিযোগপত্রে আরও উল্লেখ করা হয়, ওই মন্তব্যের মাধ্যমে জাইমা রহমানের মানহানি করা হয়েছে। এ ঘটনায় সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় আইনি ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানানো হয়েছে।

আখাউড়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. জাবেদ উল ইসলাম অভিযোগ পাওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করে খবরের কাগজকে বলেন, “লিখিত অভিযোগের বিষয়টি খতিয়ে দেখা হচ্ছে। তদন্ত শেষে আইন অনুযায়ী প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”

জুটন/এএফ

আজ বিশ্ব সংগীত দিবস

প্রকাশ: ২১ জুন ২০২৬, ০৯:৩৭ এএম
আজ বিশ্ব সংগীত দিবস
ছবি: সংগৃহীত

ক্যালেন্ডারের পাতায় আজ গ্রীষ্মকালীন অয়নকাল। আজ ২১ জুন, রবিবার। প্রকৃতির এই বিশেষ দিনে বিশ্বের ১২০টিরও বেশি দেশে সুরের মূর্ছনায় মেতে উঠছেন কোটি মানুষ। পালিত হচ্ছে ‘বিশ্ব সংগীত দিবস’ বা ‘লা ফেত দে লা মিউজিক’। সংগীতের সর্বজনীন শক্তি আর সম্প্রীতির বার্তা ছড়িয়ে দিতে আজ বিশ্বজুড়ে চলছে উৎসবের আমেজ।

১৯৮২ সালে ফ্রান্সে যে উৎসবের যাত্রা শুরু হয়েছিল, তা আজ সীমানা ছাড়িয়ে পরিণত হয়েছে বিশ্বজনীন সাংস্কৃতিক আয়োজনে। বিশ্বের প্রায় ৭০০টিরও বেশি শহরে রাস্তাঘাট, পার্ক, জাদুঘরসহ বিভিন্ন উন্মুক্ত স্থানে আজ সুরের জাদুতে মাতোয়ারা সাধারণ মানুষ। শৌখিন ও পেশাদার সংগীতশিল্পীদের অংশগ্রহণে আয়োজিত এসব কনসার্ট স্মরণ করিয়ে দেয়, সংগীতের কোনো ভাষা নেই; এর একমাত্র ভাষা হলো শান্তি ও আনন্দ।

ফ্রান্সে দিবসটি পালিত হয় জাতীয় উৎসবের আমেজে। প্রতিটি শহর, প্রতিটি প্রাঙ্গণ আজ মুখরিত হয়ে উঠেছে জাতি-ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে মানুষের সম্মিলিত সুরে। বিশ্ব সংগীত দিবস উদযাপনে পিছিয়ে নেই বাংলাদেশও। দিবসটি উপলক্ষে রাজধানী ঢাকা সেজেছে সংগীতের আয়োজনে।

বাংলাদেশ সংগীত সংগঠন সমন্বয় পরিষদ দুই দিনব্যাপী বর্ণাঢ্য অনুষ্ঠানের আয়োজন করেছে। রাজধানীর সেগুনবাগিচার কেন্দ্রীয় কচি-কাঁচার মেলা মিলনায়তনে আজ বিকেল ৪টায় জাতীয় সংগীত পরিবেশনার মাধ্যমে উৎসবের সূচনা হবে। এরপর বের হবে এক বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রা। 

আয়োজকরা জানিয়েছেন, উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে থাকছেন স্বাধীনতা পুরস্কারপ্রাপ্ত বিশিষ্ট বাচিক শিল্পী ও সংস্কৃতিজন আশরাফুল আলম। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকবেন একুশে পদকপ্রাপ্ত সুরস্রষ্টা ও সংগীত পরিচালক শেখ সাদী খান। বিকেল ৫টা থেকে শুরু হবে পরিষদভুক্ত বিভিন্ন সংগঠনের শিল্পীদের দলীয় ও একক সংগীত পরিবেশনা। আগামীকাল ২২ জুন একই সময়সূচিতে উৎসবের দ্বিতীয় দিনের অনুষ্ঠানমালা অনুষ্ঠিত হবে। যেখানে প্রধান অতিথি হিসেবে থাকবেন আকরামুল ইসলাম।

বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমি তাদের সংগীত, নৃত্য ও আবৃত্তি বিভাগের ব্যবস্থাপনায় আয়োজন করেছে দুই দিনব্যাপী ‘সংগীত উৎসব’। আজ বিকেল ৫টা ৩০ মিনিটে জাতীয় নাট্যশালা মিলনায়তনে এই উৎসবের সূচনা হবে। একাডেমির আয়োজনে উদ্বোধনী দিনে ঢাক-ঢোল বাদন ও বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রার পাশাপাশি থাকছে পিয়ানো বাদন ও অর্কেস্ট্রা পরিবেশনা।

এতে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকবেন সংস্কৃতিমন্ত্রী নিতাই রায় চৌধুরী। এরপর দেশবরেণ্য শিল্পীদের অংশগ্রহণে বিশেষ সংগীত পরিবেশনা, একক গান ও ব্যান্ডের সুরের মূর্ছনায় মুখরিত হবে শিল্পকলা প্রাঙ্গণ।