ঢাকা ৬ আষাঢ় ১৪৩৩, শনিবার, ২০ জুন ২০২৬

সর্বশেষ
গোলোৎসবের দিন মেসির গোল উদযাপনে বদলের পরামর্শ ২০ জুন  ২০২৬ তারিখের নামাজের সময়সূচি জার্মানির সামনে আফ্রিকান চ্যালেঞ্জ, ঘুরে দাঁড়াতে মরিয়া ইকুয়েডর বিশ্বকাপে দ্রুততম গোলের রেকর্ড গড়ে মরক্কোর জয় বিদায়ের আগে আবেগঘন এক বন্ধনের গল্প বস্টনের মন জয় করেছে টার্টান আর্মি দ্রুততম গোলে এগিয়ে বিরতিতে মরক্কো সুইডিশ সমর্থকদের ‘ইয়েলো মার্চ’ রদ্রিকে নিয়ে সমালোচনা ‘অপমানজনক’ ঘুরে দাঁড়ানোর প্রত্যয়ে স্পেন ৭২ সেকেন্ডে গোল করে বিশ্বকাপে রেকর্ড মরক্কোর জয়ের খোঁজে নেদারল্যান্ডস ফুরফুরে মেজাজে ইংলিশরা অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে ২-০ গোলে জয় পেল যুক্তরাষ্ট্র ভ্রমণে বিধিনিষেধ ফিফার কাছে অভিযোগ করবে ইরান ২-০ গোলে এগিয়ে যুক্তরাষ্ট্র শুরুতেই আত্মঘাতী গোলে এগিয়ে গেল যুক্তরাষ্ট্র ব্রাজিল-হাইতি ম্যাচে অভিষেক হবে স্প্যানিশ হার্নান্দেজের সিরিজ হারের পর বাংলাদেশ শিবিরে দুসংবাদ হোর্হে মেসির গুজব ছড়ানোয় বরখাস্ত তিস্তা মহাপরিকল্পনা শিগগিরই একনেকে পাস হবে: পানিসম্পদমন্ত্রী চাঁদপুরের সানজিদার বিশ্বজয়, যুক্তরাষ্ট্রে ৬ কোটি টাকার পূর্ণাঙ্গ বৃত্তি জাবিতে শিক্ষামন্ত্রীর আগমনে ছাত্র ইউনিয়নের প্রতিবাদ ধর্ষণের অভিযোগে বিচারের মুখোমুখি মরক্কোর অধিনায়ক হাকিমি গণপিটুনির শিকার চার ডিবি সদস্য গ্রেপ্তার, অপহরণ চেষ্টার মামলা শিশুস্বাস্থ্যে বড় উদ্যোগ, ৬ মাসে চালু ৫ বিশেষায়িত হাসপাতাল জামালপুরে প্রতিবন্ধী কিশোরীকে ধর্ষণের অভিযোগ বিশ্বকাপে মরক্কোর নতুন বিস্ময় আয়ুব বুয়াদ্দি সংবাদ প্রকাশের জেরে বগুড়ার সাংবাদিক কারাগারে চট্টগ্রাম উত্তর জেলা ছাত্রদলের ২৬১ সদস্যের পূর্ণাঙ্গ কমিটি ঘোষণা ব্রাজিল ম্যাচে থাকছে বিরল ৫০০ বছরের পুরোনো ফুটবল

গল্পবলা প্রতিযোগিতা কিশোর-তরুণদের সৃষ্টিশীল হতে উৎসাহ যোগাবে

প্রকাশ: ২২ আগস্ট ২০২৫, ০৯:২১ পিএম
আপডেট: ২২ আগস্ট ২০২৫, ০৯:২৩ পিএম
গল্পবলা প্রতিযোগিতা কিশোর-তরুণদের সৃষ্টিশীল হতে উৎসাহ যোগাবে
‘গল্পকার’ আয়োজিত ‘আনন্দ সম্মিলন ও ধারাবাহিক গল্প বলা প্রতিযোগিতা’ অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণকারীরা। ছবি: খবরের কাগজ

ইন্টারনেট ও ইলেকট্রনিক ডিভাইসে আসক্ত এই সময়ের কিশোর ও তরুণদের বই পাঠে আগ্রহী ও সৃষ্টিশীল করে গড়ে তুলতে ধারাবাহিক গল্পবলা প্রতিযোগিতা অনন্য ভূমিকা রাখতে পারে। একইসঙ্গে তরুণদের মনের সুপ্ত প্রতিভা বিকাশে এবং উদ্ভাবনী শক্তি চর্চায় ইতিবাচক ভূমিকা রাখবে।

বৃহস্পতিবার (২১ আগস্ট) স্কয়ার হাই স্কুল অ্যান্ড কলেজ মিলনায়তনে বাংলা ভাষার একমাত্র গল্পবিষয়ক মাসিক পত্রিকা ‘গল্পকার’ আয়োজিত ‘আনন্দ সম্মিলন ও ধারাবাহিক গল্প বলা প্রতিযোগিতা’ অনুষ্ঠানে আলোচকদের বক্তব্যে এসব কথা উঠে আসে।

কলেজের অধ্যক্ষ খতিব শাহনাজ সুলতানার সভাপতিত্বে এ আয়োজনে প্রধান অতিথি ছিলেন পাবনার শিক্ষাবিদ ও সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব আদু বালা শীল ও বিশেষ অতিথি হিসেবে ছিলেন অনুবাদক ও গবেষক ড. সুরাইয়া ফারজানা হাসান।

অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য রাখেন কলেজের উপাধ্যক্ষ মনিরা ফেরদৌস। উপাধ্যক্ষের বক্তব্যের পর মনোরম সংগীত পর্ব। রবীন্দ্র ও নজরুল সংগীত গেয়ে শোনায় অঙ্কিতা পাল দিয়া ও রাজদীপ চৌধুরী দিব্য। কবিতা আবৃত্তি করে সারা সাফরিন ও আফিয়া জাহিন।

চমৎকার নৃত্য পরিবেশন করে আব্দুল্লাহ আরিফ সিয়াম ও অর্মিতা তাবাসসুম। ধারাবাহিক গল্পবলা শুরু করেন কথাশিল্পী ও ‘গল্পকার’-এর সম্পাদক মুহাম্মদ মহিউদ্দিন।

অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন স্কয়ার হাই স্কুল অ্যান্ড কলেজের শিক্ষক মাকসুদা লাবনী। শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহণে এগিয়ে যাওয়া আনন্দ আয়োজনে গল্পটি উপস্থিত শিক্ষার্থী এবং সুধীজনদের কাছে বেশ উপভোগ্য হয়ে ওঠে।

ধারাবাহিক গল্পবলা প্রতিযোগিতায় অংশ নেন প্রতিষ্ঠানটির ১০ জন শিক্ষার্থী। অত:পর উপস্থিত শিক্ষার্থীদের জন্য উম্মুক্ত সাহিত্যের সাধারণজ্ঞান প্রতিযোগিতায় শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহণে প্রাণবন্ত হয়ে ওঠে মিলনায়তন। প্রতিযোগিতার শেষে বিজয়ী ও অংশগ্রহণকারী শিক্ষার্থীদের হাতে গল্পকার-এর পক্ষ থেকে পুরস্কার তুলে দেওয়া হয়।

সবশেষে সমাপনী বক্তব্য দেন অনুষ্ঠানের সভাপতি ও স্কয়ার স্কুল অ্যান্ড কলেজের অধ্যক্ষ খতিব শাহনাজ সুলতানা। অনুষ্ঠানটি আয়োজনে সহযোগিতা করেন স্কয়ার হাই স্কুল অ্যান্ড কলেজ কর্তৃপক্ষ।

সুমন/

লেখক শিবিরের ১৭তম জাতীয় সম্মেলন অনুষ্ঠিত

প্রকাশ: ১৯ জুন ২০২৬, ০৯:৪৬ পিএম
লেখক শিবিরের ১৭তম জাতীয় সম্মেলন অনুষ্ঠিত
ছবি: সংগৃহীত

বাংলাদেশ লেখক শিবিরের ১৭তম জাতীয় সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছে। 

শুক্রবার (১৯ জুন) বাংলাদেশ লেখক শিবিরের দপ্তর সম্পাদক মনোয়ারুল ইসলামের পাঠানো এক বার্তায় এ তথ্য জানানো হয়। 

লেখক শিবিরের সম্মেলন উদ্বোধন করেন গণতান্ত্রিক ও বিপ্লবী আন্দোলনের নেতা, বাংলাদেশ কৃষক ও গ্রামীণ মজুর ফেডারেশনের সভাপতি সজীব রায়।  

এ সময় সম্মেলনে কথাসাহিত্যিক পাভেল চৌধুরীকে সভাপতি, অ্যাডভোকেট ভূলন ভৌমিক ও চলচ্চিত্র পরিচালক মুহাম্মদ কাইউমকে সহসভাপতি এবং কথাসাহিত্যিক আবিদুল ইসলামকে সাধারণ সম্পাদক করে ২৪ সদস্যের কেন্দ্রীয় কমিটি গঠিত হয়েছে ও ৩৬ সদস্যদের জাতীয় পরিষদ নির্বাচন করা হয়।

এসএন/

 

শিশুদের প্রাণবন্ত অংশগ্রহণে খেলাঘর আসর বরিশাল জেলা সম্মেলন

প্রকাশ: ১৯ জুন ২০২৬, ০৫:৫৬ পিএম
শিশুদের প্রাণবন্ত অংশগ্রহণে খেলাঘর আসর বরিশাল জেলা সম্মেলন
খেলাঘর আসর বরিশাল জেলা কমিটির সম্মেলন ও শিশু সমাবেশের উদ্বোধন করেন প্রধান অতিথি বরিশাল সিাটি করপোরেশনের প্রশাসক অ্যাডভোকেট বিলকিস জাহান শিরিনসহ উপস্থিত অতিথিরা। ছবি: খবরের কাগজ

সমাজের অন্ধকার ও সহিংসতার গল্প নয়, আমরা দেখতে চাই শিশুদের সাফল্য, স্বপ্ন ও সম্ভাবনার গল্প। চাঁদের মতো সুন্দর মুখগুলোকে কালো আঁধার থেকে রক্ষা করা এবং তাদের বিকাশের পথ সুগম করা আমাদের সবার দায়িত্ব। কিন্তু নানা কারণে অনেক শিশুই ঘরে-বাইরে নির্যাতনের শিকার হচ্ছে, অকালে ঝরে যাচ্ছে তাদের সম্ভাবনা। এমন করুণ বাস্তবতা দেখতে বা শুনতে কেউ চায় না।

খেলাঘর আসর বরিশাল জেলা কমিটির দুই দিনব্যাপী সম্মেলন ও শিশু সমাবেশের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন বরিশাল সিটি করপোরেশনের প্রশাসক অ্যাডভোকেট বিলকিস আক্তার জাহান শিরিন।

শুক্রবার (১৯ জুন) সকালে নগরীর অশ্বিনী কুমার হল চত্বরে জাতীয় সংগীতের মাধ্যমে সম্মেলনের উদ্বোধন করা হয়। পরে ফেস্টুন ও পায়রা উড়িয়ে অনুষ্ঠানের আনুষ্ঠানিক সূচনা করা হয়।

অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখছেন অ্যাডভোকেট বিলকিস আক্তার জাহান শিরিন। ছবি: খবরের কাগজ

খেলাঘর বরিশাল জেলা কমিটির সভাপতি এবং সম্মেলন ও শিশু সমাবেশ প্রস্তুতি কমিটির চেয়ারম্যান পঙ্কজ রায় চৌধুরীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন খেলাঘর কেন্দ্রীয় কমিটির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারপারসন ড. শিল্পী কাজী মোজাম্মেল হোসেন, প্রেসিডিয়াম সদস্য জীবন কৃষ্ণ দে এবং সাধারণ সম্পাদক রেজাউল কবীর। 

প্রধান অতিথির বক্তব্যে বিলকিস আক্তার জাহান শিরিন বলেন, সমাজের অন্ধকার ও নেতিবাচক পরিবেশ থেকে শিশুদের রক্ষা করতে হবে। তাদের সুন্দরভাবে বেড়ে ওঠার সুযোগ নিশ্চিত করতে হবে, যাতে তারা নিজেদের প্রতিভা বিকশিত করতে পারে। শিশুদের মুখে হাসি ফোটানো এবং তাদের জন্য নিরাপদ ও মানবিক পরিবেশ গড়ে তোলা সমাজের সবার দায়িত্ব।

তিনি বলেন, বর্তমান প্রযুক্তিনির্ভর সমাজে শিশু-কিশোরদের জন্য সুস্থ বিনোদন ও সৃজনশীল কর্মকাণ্ডের গুরুত্ব অপরিসীম। শিশু-কিশোরদের সুন্দর ভবিষ্যৎ বিনির্মাণে এ ধরনের আয়োজন আরও বিস্তৃত করা প্রয়োজন। আজকের শিশুরাই আগামীর ভবিষ্যৎ। তাদের মধ্য থেকেই গড়ে উঠবে ভবিষ্যতের নেতৃত্ব।

প্রশাসক বলেন, বর্তমান সরকার শিশুদের প্রতিভা বিকাশে বিভিন্ন উদ্যোগ গ্রহণ করেছে। ‘নতুন কুঁড়ি’র মতো প্রতিযোগিতার মাধ্যমে শিশুদের সৃজনশীল বিকাশের সুযোগ তৈরি হচ্ছে। এসব কার্যক্রমের মধ্য দিয়ে আত্মবিশ্বাসী ও যোগ্য নাগরিক গড়ে উঠবে। তাদের মধ্য থেকেই কেউ ভবিষ্যতে রাষ্ট্রপতি, প্রধানমন্ত্রী, সিটি মেয়র কিংবা দেশের অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্বে নেতৃত্ব দেবে।

বরিশালকে শিশু ও নারীবান্ধব, মাদকমুক্ত নগরী হিসেবে গড়ে তোলার প্রত্যয় ব্যক্ত করে তিনি বলেন, শিশুদের সুরক্ষা ও কল্যাণ নিশ্চিত করতে সমাজের সব শ্রেণি-পেশার মানুষকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে। খেলাঘরের মতো সংগঠনই পারে শিশু-কিশোরদের বিপথগামিতা থেকে দূরে রেখে সৃজনশীল, মানবিক ও দেশপ্রেমিক নাগরিক হিসেবে গড়ে তুলতে।

বিশেষ অতিথির বক্তব্যে খেলাঘর আসরের কেন্দ্রীয় কমিটির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারপারসন ড. শিল্পী কাজী মোজাম্মেল হোসেন বলেন, মাঠপর্যায়ে খেলাঘরের কার্যক্রমের মাধ্যমে যে নতুন প্রজন্ম গড়ে উঠছে, তারা মুক্তিযুদ্ধের চেতনা, মানবিক মূল্যবোধ ও প্রগতিশীল চিন্তা ধারণ করে দেশ গঠনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

তিনি বলেন, শিশুদের সুপ্ত প্রতিভা বিকাশ এবং সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ডে অংশগ্রহণ নিশ্চিত করতে খেলাঘর দীর্ঘদিন ধরে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে আসছে। শিশুদের সৃজনশীলতা বিকাশ এবং আগামীর সুন্দর বাংলাদেশ বিনির্মাণে সংগঠনটি ৭৪ বছর ধরে কাজ করে যাচ্ছে।

অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য দেন জেলা কমিটির সাধারণ সম্পাদক ও সম্মেলন প্রস্তুতি কমিটির আহ্বায়ক তৌছিক আহমেদ রাহাত, সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য শুভংকর চক্রবর্তী, আবুল কালাম টিপু প্রমূখ। এছাড়া অনুষ্ঠানে সমাজের বিভিন্ন স্তরের প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।

এসএন/

না ফেরার দেশে কবি আল মুজাহিদী

প্রকাশ: ১৯ জুন ২০২৬, ০৫:১০ পিএম
না ফেরার দেশে কবি আল মুজাহিদী
কবি আল মুজাহিদী। ছবি: সংগৃহীত

একুশে পদকপ্রাপ্ত কবি, কথাসাহিত্যিক এবং খ্যাতিমান সাহিত্য সম্পাদক আল মুজাহিদী মারা গেছেন। মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিল ৮৩ বছর।

শুক্রবার (১৯ জুন) দুপুর ১টা ৪০ মিনিটে রাজধানীর ইউনাইটেড হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়। 

কবির কন্যা পরমা বলেন, ‘বাবার কিডনি ফাংশন বন্ধ হয়ে যাওয়ায় ইউরিন করতে পারছিলেন না। ফলে পুরো শরীরে এসিড ছড়িয়ে পড়ে। সেইসঙ্গে হার্টবিট অনেক হাই হয়ে যায়। এর মধ্যে একটা মাইনর হার্ট অ্যাটাকও হয়।

এমন অবস্থায় তাকে  বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় রাজধানীর ইউনাইটেড হাসপাতালের ইমার্জেন্সিতে ভর্তি করা হয়। পরিস্থিতি গুরুতর হওয়ায় সেখানে থেকে করোনারি কেয়ার ইউনিট (সিসিইউ)-এ নেওয়া হয়।

‎‎‎কবি আল মুজাহিদী ছাত্রজীবনে ছাত্ররাজনীতির সঙ্গে যুক্ত ছিলেন। একাত্তরে মহান মুক্তিযুদ্ধে সক্রিয়ভাবে অংশ নেন।

 কবি কবিতা, উপন্যাস, শিশু সাহিত্য অনুবাদসহ অনেক শাখায় কাজ করেছেন। তার অনেকগুলো গ্রন্থও রয়েছে। তার কাব্যগ্রন্থের মধ্যে- হেমলকের পেয়ালা, ধ্রুপদ ও টেরাকোটা, যুদ্ধ নাস্তি, মৃত্তিকা অতি-মৃত্তিকা, প্রিজন ভ্যান, দিদেলাস ও ল্যাবিরিস্থ, ঈডের হ্যামলেট, ‎প্রাচ্য পৃথিবী, পৃথিবীর ধুলো, সৌর জোনাকি, ‎ভিতা নুওভা, অ্যাকাডেমাসের বাগান, আল মুজাহিদীর শ্রেষ্ঠ কবিতা, আল মুজাহিদীর প্রেমের কবিতা, সন্ধ্যার বৃষ্টি, কালেরবন্দীতে, ‎পাখির পৃথিবী, ‎আলবাট্রাস, ‎ভঙুর গোলাপ, ‎কাঁদো হিরোশিমা কাঁদো নাগাসাকি ও ‎পালকি চলে দুলকি তালে উল্লেখযোগ্য।

উল্লেখযোগ্য উপন্যাসের মধ্যে রয়েছে- ‎প্রথম প্রেম, ‎চাঁদ ও চিরকুট, ‎মিলু এট ও স্যোন্যাটা, ‎লাল বাতির হরিণ, ‎রূপোলি রোদ্দুর, ‎আলোর পাখিটা, ‎ছুটির ছুটি, ‎খোকার আকাশ ও ‎খোকার যুদ্ধ।

ছোটগল্পগ্রন্থের মধ্যে রয়েছে- ‎প্রপঞ্চের পাখি, ‎বাতাবরণ ও ভরা কটাল মরা কটালের চাঁদ।

কালান্তরের যাত্রী নামে তার গবেষণা গ্রন্থও রয়েছে। উল্লেখযোগ্য শিশু সাহিত্যগ্রন্থের মধ্যে ‎‘হালুম হুলুম’, ‘‎তালপাতার সেপাই’, ‘‎শেকল কাটে খাঁচার পাখি’, ‘‎সোনার মাটি রূপোর মাটি’ ও ‘‎ইস্টিশানে হুইসেল’ অন্যতম। ‎

কবি আল মুজাহিদীর সমাজ ও সমাজতত্ত্ব নামে ‎প্রবন্ধগ্রন্থও রয়েছে। ‎অনুবাদগ্রন্থের মধ্যে রয়েছে ‘‎কাইফি আজমির কবিতা’, ‘‎পৃথিবীর কবিতা’, ‘‎আহমদ ফরাজের কবিতা’, ‘‎ঊর্দূ কবিতা’, ‘হিন্দি কবিতা’ ও ‘‎হাইনরীশ হাইনে’র কবিতা।

পেশাজীবনে তিন দশকের বেশি সময় দৈনিক ইত্তেফাকের সাহিত্য সম্পাদক ছিলেন আল মুজাহিদী। ২০১২ সালে সাহিত্য সম্পাদক হিসেবে যোগ দেন যায়যায় দিন পত্রিকায়। সবশেষ তার সম্পাদনায় প্রকাশিত হত ষান্মাষিক সাহিত্যপত্র ‘নতুন এক মাত্রা’।

বাংলা ভাষা ও সাহিত্যে অবদানের জন্য বাংলাদেশ সরকার ২০০৩ সালে কবিকে একুশে পদকে ভূষিত করে। এছাড়া ‘জীবনানন্দ দাশ একাডেমি পুরস্কার’, ‘‎কবি জসীমউদ্দীন একাডেমি পুরস্কার’, ‎‘মাইকেল মধুসূদন একাডেমি পুরস্কার’, ‘‎শেরে বাংলা সংসদ পুরস্কার’ ও ‘‎জয়বাংলা সাহিত্য পুরস্কার’‎ পেয়েছেন তিনি।

এসএন/

লায়লা বাউলের পাশে দাঁড়াল সংস্কৃতিবিষয়ক মন্ত্রণালয়

প্রকাশ: ১৭ জুন ২০২৬, ১০:৩৪ পিএম
আপডেট: ১৭ জুন ২০২৬, ১০:৩৪ পিএম
লায়লা বাউলের পাশে দাঁড়াল সংস্কৃতিবিষয়ক মন্ত্রণালয়
আলোচিত লায়লা বাউল। ছবি: সংগৃহীত

লোকগান গেয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপক জনপ্রিয়তা পাওয়া শিল্পী লায়লা বাউলের পাশে দাঁড়িয়েছে সংস্কৃতিবিষয়ক মন্ত্রণালয়। তার শিল্পসাধনার স্বীকৃতি হিসেবে সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয় থেকে তাকে ৩ লাখ টাকার আর্থিক সহায়তা প্রদান করা হয়েছে।

বুধবার  (১৭ জুন) সংস্কৃতিবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের কার্যালয়ে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রী নিতাই রায় চৌধুরী লায়লা বাউলের হাতে ৩ লাখ টাকার চেকটি তুলে দেন। এ সময় মন্ত্রণালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারাও উপস্থিত ছিলেন। 

চেক হস্তান্তরের পর মন্ত্রীর দপ্তরে গান পরিবেশন করেন বাউল লায়লা। তার কণ্ঠে লোকসংগীত ও বাউল গান উপভোগ করেন উপস্থিত অতিথিরা। মাটির গন্ধমাখা সুরে মুখর হয়ে ওঠে পুরো পরিবেশ।

অনুষ্ঠানে লায়লা বাউলের প্রতিভার প্রশংসা করে সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রী বলেন, প্রকৃত প্রতিভা কখনও চাপা থাকে না। শত প্রতিকূলতা ও বাধা পেরিয়েও তা একসময় মানুষের সামনে বিকশিত হয়। এ সময় তিনি উদাহরণ হিসেবে জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের কথা উল্লেখ করেন।

মন্ত্রী আরও বলেন, বাংলাদেশের লোকজ সংস্কৃতি ও বাউল গান দেশের সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যের গুরুত্বপূর্ণ অংশ। তাই তৃণমূল পর্যায়ে ছড়িয়ে থাকা প্রতিভাবান শিল্পীদের খুঁজে বের করা, তাদের মূল্যায়ন করা এবং প্রয়োজনীয় সহায়তা দেওয়া সরকারের দায়িত্ব।

অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন, সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সচিব মিজ কানিজ মওলাসহ মন্ত্রণালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা এবং বিভিন্ন গণমাধ্যমের প্রতিনিধিরা। 

নাঈম/

যাত্রা ও সার্কাসে অশ্লীলতা বরদাশত নয় : সংস্কৃতিমন্ত্রী

প্রকাশ: ১৭ জুন ২০২৬, ০৭:১১ পিএম
যাত্রা ও সার্কাসে অশ্লীলতা বরদাশত নয় : সংস্কৃতিমন্ত্রী
‘সার্কাস ও যাত্রাপালা মানোন্নয়ন কর্মশালা’ ও ‘বাংলাদেশের সার্কাস: ঐতিহ্য, শিল্পরূপ ও সংকট’ শীর্ষক সেমিনারের সমাপনী অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখছেন সংস্কৃতি মন্ত্রী নিতাই রায় চৌধুরী/ ছবি: খবরের কাগজ

যাত্রাশিল্প ও সার্কাসকে রাষ্ট্রীয় পৃষ্ঠপোষকতায় ঢেলে সাজানোর ঘোষণা দিয়েছেন সংস্কৃতি মন্ত্রী নিতাই রায় চৌধুরী। তিনি বলেছেন, এসব শিল্পকে আধুনিকায়ন করে সুস্থ ধারার বিনোদন নিশ্চিত করতে সরকার একটি ‘যুগোপযোগী নীতিমালা’ প্রণয়ন করতে যাচ্ছে।

বুধবার (১৭ জুন) রাজধানীর জাতীয় নাট্যশালায় ‘সার্কাস ও যাত্রাপালা মানোন্নয়ন কর্মশালা’ ও ‘বাংলাদেশের সার্কাস: ঐতিহ্য, শিল্পরূপ ও সংকট’ শীর্ষক সেমিনারের সমাপনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।

নিতাই রায় চৌধুরী বলেন, ‘যাত্রাশিল্প ও সার্কাস এ দেশের সবচেয়ে জনপ্রিয় ও শক্তিশালী গণমাধ্যম। তবে এসবের নামে কোনো ধরনের অশ্লীল কর্মকাণ্ড, নগ্ন নৃত্য বা জীবনবিমুখ কোনো কিছু সহ্য করা হবে না।’ তিনি জানান, শিল্পীদের হয়রানি কমাতে এখন থেকে যাত্রাদল ও সার্কাসের প্রাথমিক অনুমতি সংস্কৃতি মন্ত্রণালয় থেকেই দেওয়া হবে।

জুলাই-আগস্টের গণঅভ্যুত্থানের কথা স্মরণ করে মন্ত্রী বলেন, ‘নতুন বাংলাদেশে সুস্থ সংস্কৃতির বিকাশ অপরিহার্য। আমরা বিশ্ব দরবারে আমাদের গৌরবময় ঐতিহ্যকে তুলে ধরতে চাই।’

অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথির বক্তব্যে সংস্কৃতি প্রতিমন্ত্রী আলী নেওয়াজ মাহমুদ খৈয়ম বলেন, ‘যুগের সাথে তাল মিলিয়ে যাত্রাপালা ও সার্কাসের বাচনভঙ্গি, প্যান্ডেল ব্যবস্থাপনা ও অর্কেস্ট্রায় আধুনিকতার ছোঁয়া আনতে হবে।’

শিল্পকলা একাডেমির মহাপরিচালক শেখ রেজাউদ্দিন আহমেদের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে অন্যদের মধ্যে পলিসি ও স্ট্র্যাটেজি বিষয়ক উপদেষ্টা ড. জাহেদ উর রহমান উপস্থিত ছিলেন। মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন গবেষক ড. সাইমন জাকারিয়া। আলোচনায় অংশ নেন অধ্যাপক ড. ইউসুফ হাসান অর্ক, প্রামাণ্যচিত্র নির্মাতা ঝুমুর আসমা জুঁই এবং সার্কাস শিল্পের প্রতিনিধি শেখ আফতাব উদ্দিন ও মো. শাহিন মিয়া।

ভাইরাল শিল্পী ‘লাইলী বাউল’ পেলেন ৩ লাখ টাকার অনুদান

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে গান গেয়ে সাড়া জাগানো লোকশিল্পী লাইলী বাউলের পাশে দাঁড়িয়েছে সংস্কৃতি মন্ত্রণালয়। তার শিল্পসাধনার স্বীকৃতি ও কল্যাণে ৩ লাখ টাকা আর্থিক অনুদান দিয়েছেন সংস্কৃতি মন্ত্রী নিতাই রায় চৌধুরী।

বুধবার মন্ত্রীর দপ্তরে আয়োজিত এক অনাড়ম্বর অনুষ্ঠানে লাইলী বাউলের হাতে এই সহায়তার চেক তুলে দেওয়া হয়। অনুষ্ঠানে লাইলী বাউলের কণ্ঠে সরাসরি লোকগান ও বাউল গান উপভোগ করেন মন্ত্রী।

এ সময় গায়কীর প্রশংসা করে মন্ত্রী বলেন, ‘আমাদের লোকজ সংস্কৃতি ও বাউল গান এ দেশের প্রাণ। প্রতিভাগুলো শত বাধা উপেক্ষা করেও প্রকাশিত হয়। প্রান্তিক পর্যায়ের এমন সুপ্ত প্রতিভাদের মূল্যায়ন করা আমাদের দায়িত্ব।’ এ সময় সংস্কৃতি সচিব কানিজ মওলাসহ মন্ত্রণালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

জয়ন্ত সাহা/আমান