ঢাকা ৭ আষাঢ় ১৪৩৩, রোববার, ২১ জুন ২০২৬

সর্বশেষ
প্রথম গোলেই ইতিহাস গড়লেন ইয়ামাল সাবেক সংসদ সদস্য বীর মুক্তিযোদ্ধা মোশাররফ হোসেনের দাফন সম্পন্ন সিংগাইরে বজ্রপাতে দুই কৃষকের মৃত্যু সুরের মূর্ছনায় বিশ্ব সংগীত দিবস: ঢাকার দুই প্রান্তে সুরের বিভা কুড়িগ্রামে এক বাঘা আইড় ৮৫০০০ অজু করার সময় বজ্রপাতে প্রাণ গেল ৩ মাদরাসাছাত্রের জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের মামলায় দণ্ডিত ৫৯ জন: আইনমন্ত্রী প্রধানমন্ত্রীকে নিয়ে ‘অসত্য’ বক্তব্য, উত্তপ্ত সংসদ স্পেনের শুরুর একাদশে ইয়ামাল সুফিয়া কামাল ও আবু হেনা মোস্তফা কামালের স্মরণে জবিতে দুই দিনব্যাপী সেমিনার শুরু মানিকগঞ্জে ঝোপে মিলল স্কুলছাত্রীর ঝুলন্ত খণ্ড-বিখণ্ড মরদেহ মালয়েশিয়ায় তারেক রহমান, বাণিজ্য–বিনিয়োগে নতুন সম্ভাবনার প্রত্যাশা দিনাজপুরে কোল্ডস্টোরেজে আলু সংরক্ষণ ফি ৫ টাকা নির্ধারণের দাবিতে মানববন্ধন চট্টগ্রামে গণপিটুনিতে যুবকের মৃত্যু, তদন্তে পুলিশ শরীয়তপুরে শিশু যৌন নিপীড়নের অভিযোগে মাদরাসা শিক্ষক আটক স্থানীয় নির্বাচনে প্রার্থীর রাজনৈতিক পরিচয় মুখ্য নয়: ইসি সচিব বোয়ালমারীতে শতবর্ষী কালী মন্দিরে ভাঙচুর চাঁদাবাজির অভিযোগে সোনারগাঁওয়ের এমপি পুত্র সজীব আটক প্রথম রাষ্ট্রীয় সফরে মালয়েশিয়ায় পৌঁছেছেন তারেক রহমান মাদারগঞ্জে বজ্রপাতে এক বৃদ্ধের মৃত্যু ‘কাতারে সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত বাংলাদেশিদের মরদেহ দেশে আনার উদ্যোগ নিচ্ছেন’ আধ্যাত্মিক ধনী হওয়ার সহজ সমীকরণ যুদ্ধবিরতির পথে যুক্তরাষ্ট্র–ইরান সংলাপ শুরু জেনেভায় সিলেটে টানা বৃষ্টি, বন্যার শঙ্কা পাউবোর বাংলাদেশের বাজেট ২০২৬-২০২৭: সম্ভাবনা, চ্যালেঞ্জ ও বাস্তবতা গাজীপুরে নিষিদ্ধ আ. লীগের বিক্ষোভ মিছিল প্রযুক্তির অপচ্ছায়া সড়কে ‘এআই ক্যামেরা’ ও অভিনব ডিজিটাল ডাকাতি বাবা দিবসে সবচেয়ে বড় প্রশ্ন: আমরা কি বাবা-মাকে হারাচ্ছি, নাকি তাদের সঙ্গে সময়ের সংযোগ হারাচ্ছি! ১০ দফা দাবিতে চাকরিচ্যুত ব্যাংকারদের মানববন্ধন সোমবার মোহভঙ্গের বাংলাদেশ: যখন বুঝলাম সর্বনাশ হয়ে গেছে

কথা-গান-আবৃত্তিতে রণেশ দাশগুপ্ত ও বদিউর রহমানকে স্মরণ

প্রকাশ: ১৫ জানুয়ারি ২০২৬, ০৯:০৩ পিএম
কথা-গান-আবৃত্তিতে রণেশ দাশগুপ্ত ও বদিউর রহমানকে স্মরণ
ছবি: সংগৃহীত

গান, আবৃত্তি ও স্মৃতিচারণার মধ্য দিয়ে বাংলার প্রথিতযশা মনীষী, সাহিত্যিক, সাংবাদিক ও মার্কসবাদী তাত্ত্বিক রণেশ দাশগুপ্ত এবং বাংলাদেশ উদীচী শিল্পীগোষ্ঠীর সদ্য প্রয়াত সভাপতি অধ্যাপক বদিউর রহমানকে স্মরণ করেছে বাংলাদেশ উদীচী শিল্পীগোষ্ঠী।

বৃহস্পতিবার (১৫ জানুয়ারি) ছিল রণেশ দাশগুপ্তের ১১৪তম এবং বদিউর রহমানের ৭৯তম জন্মবার্ষিকী।

বৃহস্পতিবার সন্ধ্যা সাড়ে ৬টায় রাজধানীর পুরানা পল্টনে কমরেড মনিসিংহ–ফরহাদ স্মৃতি ট্রাস্ট ভবনের ষষ্ঠ তলায় ‘জন্মবার্ষিকীর আয়োজন’ শীর্ষক এই অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।

অনুষ্ঠানে আলোচনা পর্বে বক্তব্য রাখেন সৈয়দ আজিজুল হক মাসুম, উদীচীর সাবেক সাধারণ সম্পাদক রেজাউল করিম সিদ্দিক রানা, কেন্দ্রীয় সংসদের সহ-সভাপতি শিবানী ভট্টাচার্য, কেন্দ্রীয় সংসদের সদস্য বিমল মজুমদার, কেন্দ্রীয় সম্পাদকমণ্ডলীর সদস্য আজমীর তারেক চৌধুরী এবং অধ্যাপক বদিউর রহমানের বড় সন্তান সুপা সাদিয়া।

উদীচীর ভারপ্রাপ্ত সভাপতি মাহমুদ সেলিমের সভাপতিত্বে শুরু হওয়া আলোচনা পর্বে রণেশ দাশগুপ্তের জীবনী পাঠ করেন কেন্দ্রীয় সম্পাদকমণ্ডলীর সদস্য শেখ আনিসুর রহমান।

বদিউর রহমানের জীবনী পাঠ করেন উদীচী কেন্দ্রীয় সম্পাদকমণ্ডলীর সদস্য কঙ্কণ নাগ। রণেশ দাশগুপ্তের জীবনীতে বলা হয়, ‘তার জীবন ছিল নিরবচ্ছিন্ন সংগ্রামের প্রতিচ্ছবি। ত্যাগ ও আদর্শনিষ্ঠ জীবনের মাধ্যমে তিনি এক অনন্য দৃষ্টান্ত স্থাপন করেন, যা আজকের পৃথিবীতেও বিরল।’

বদিউর রহমানের জীবনী পাঠে বলা হয়, ‘তিনি শৈশব থেকেই মানবমুক্তির সংগ্রামে দীক্ষিত হয়ে আমৃত্যু সমাজতন্ত্র, সাম্য ও অসাম্প্রদায়িকতার পক্ষে অবিচল থেকেছেন।’ 

অনুষ্ঠানে উদীচীর শিল্পীরা ‘হে মহামানব একবার এসো ফিরে’, ‘ধিতাং ধিতাং বোলে’, ‘আমরা পূবে-পশ্চিমে’সহ একাধিক সমবেত সংগীত পরিবেশন করেন। পাশাপাশি উদীচী কেন্দ্রীয় আবৃত্তি বিভাগের বাচিক শিল্পীরা পরিবেশন করেন বৃন্দ আবৃত্তি ‘রানার চলেছে’। একক আবৃত্তি পরিবেশন করেন কেন্দ্রীয় সম্পাদকমণ্ডলীর সদস্য শিখা সেনগুপ্তা।

জয়ন্ত সাহা/এসএন

সুরের মূর্ছনায় বিশ্ব সংগীত দিবস: ঢাকার দুই প্রান্তে সুরের বিভা

প্রকাশ: ২১ জুন ২০২৬, ১০:১৮ পিএম
সুরের মূর্ছনায় বিশ্ব সংগীত দিবস: ঢাকার দুই প্রান্তে সুরের বিভা
ছবি: খবরের কাগজ

আষাঢ়ের মেঘলা আকাশ আর অঝোর ধারার বৃষ্টিও যেন হার মানল সুর-মূর্ছনার আবেশের কাছে।

 রবিাবর (২১ জুন) ছিল বিশ্ব সংগীত দিবস। আর এই দিনটিকে ঘিরে রাজধানীর সংস্কৃতি অঙ্গন সেজেছিল গানের আয়োজনে।

সংগীতের সর্বজনীন আহ্বানে এদিন রাজধানীর শিল্পকলা একাডেমি এবং কেন্দ্রীয় কচি-কাঁচার মেলা মিলনায়তনে বসেছিল সুরের মেলা। দুই প্রান্তের আয়োজনেই ছিল ঐতিহ্যবাহী বাদ্যযন্ত্রের ধ্বনি, শোভাযাত্রা আর চিরায়ত গানের সুর।

বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমির আয়োজনে দুই দিনব্যাপী উৎসবের প্রথম দিনে আষাঢ়ের বৃষ্টি উপেক্ষা করেই সংগীতপ্রেমীদের ঢল নামে সেগুনবাগিচায়। গতকাল রবিবার বিকেলে সংগীত ও নৃত্যকলা প্রাঙ্গণ থেকে বের হওয়া বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রা জাতীয় নাট্যশালায় পৌঁছালে উৎসবের আমেজ পায় পূর্ণতা।

জাতীয় নাট্যশালার লবিতে পিয়ানোর সুরের মূর্ছনায় যখন রবীন্দ্রনাথের ‘আগুনের পরশমনি’ বা নজরুলের ‘বাগিচায় বুলবুলি তুই’ ধ্বনিত হচ্ছিল, তখন এক মায়াবী পরিবেশ তৈরি হয়। সন্ধ্যায় মিলনায়তনে আয়োজিত মূল অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি সংস্কৃতিবিষয়ক মন্ত্রী নিতাই রায় চৌধুরী এমপি বলেন, ‘সংগীত সীমানা মানে না, এটি মানুষের মনের ভাষা।’

বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমির যন্ত্রশিল্পীদের অর্কেস্ট্রা পরিবেশনায় শুরু হয় মূল অনুষ্ঠান। পার্থ মজুমদারের পরিচালনায় ‘তুমি নির্মল করো’ বা ‘উই আর দ্য ওয়ার্ল্ড’-এর মতো কালজয়ী গানগুলো দর্শকদের মুগ্ধ করে। আগুন, মেহরীন, ফাহমিদা নবীসহ একঝাঁক তারকা শিল্পীর কণ্ঠ এবং বিদেশি দূতাবাসের শিল্পীদের পরিবেশনায় তৈরি হয় সংস্কৃতির মেলবন্ধন।

একই দিনে বাংলাদেশ সংগীত সংগঠন সমন্বয় পরিষদের আয়োজনে অনুষ্ঠিত হয় বর্ণাঢ্য সংগীত উৎসব। রাজধানীর সেগুনবাগিচার কেন্দ্রীয় কচি-কাঁচার মেলা মিলনায়তনে সুরের ধারার শিল্পীদের জাতীয় সংগীত পরিবেশনার মধ্য দিয়ে শুরু হয় এই আয়োজন।

অনুষ্ঠানের উদ্বোধন করেন স্বাধীনতা পুরস্কারপ্রাপ্ত বাচিক শিল্পী আশরাফুল আলম। বেলুন উড়িয়ে উৎসবের সূচনা শেষে তিনি বলেন, ‘বিশ্বের সব সংগীতের তুলনায় আমাদের লোকসংগীতই শ্রেষ্ঠ। এই সংগীতের মাধ্যমেই আমাদের শিকড় ও ঐতিহ্যকে বিশ্ব মঞ্চে তুলে ধরতে হবে।’

আলোচনা সভায় বিশিষ্ট সংগীত পরিচালক শেখ সাদী খান নতুন প্রজন্মের প্রতি শুদ্ধ সংগীত চর্চার আহ্বান জানিয়ে বলেন, ‘মানুষকে বেঁচে থাকার অনুপ্রেরণা জোগায় গান। সংগীতকে শুধু কণ্ঠে নয়, আত্মস্থ করতে হয়।’ সংগঠনের সভাপতি মাহমুদ সেলিমের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে সংগঠনের অন্তর্ভুক্ত বিভিন্ন সাংস্কৃতিক দলের শিল্পীরা দলীয় এবং একক সংগীত পরিবেশনায় মাতিয়ে রাখেন মিলনায়তন। স্পন্দন, সুরের ধারা, নিবেদন, গীতশতদল, উদীচীর মতো সংগঠনের শিল্পীদের পরিবেশনায় উঠে আসে বাংলা সংগীতের বিচিত্র ধারা।

শিল্পকলা একাডেমি এবং কচি-কাঁচার মেলা–উভয় প্রান্তের আয়োজন চলবে দুই দিন ধরে। আজ দ্বিতীয় দিন উৎসবে যুক্ত হবে আরও নতুন পরিবেশনা।

সুফিয়া কামাল ও আবু হেনা মোস্তফা কামালের স্মরণে জবিতে দুই দিনব্যাপী সেমিনার শুরু

প্রকাশ: ২১ জুন ২০২৬, ০৯:৪০ পিএম
সুফিয়া কামাল ও আবু হেনা মোস্তফা কামালের স্মরণে জবিতে দুই দিনব্যাপী সেমিনার শুরু
ছবি: খবরের কাগজ

বাংলা সাহিত্য ও সংস্কৃতির দুই উজ্জ্বল ব্যক্তিত্ব কবি সুফিয়া কামাল এবং কবি-গীতিকার আবু হেনা মোস্তফা কামালের জীবন, সাহিত্যকর্ম ও সমাজভাবনা নতুন প্রজন্মের কাছে তুলে ধরতে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ে (জবি) শুরু হয়েছে দুই দিনব্যাপী সেমিনার।

রবিবার (২১ জুন) বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় মিলনায়তনে বাংলা বিভাগ ও বাংলা একাডেমির যৌথ উদ্যোগে আয়োজিত ‘সুফিয়া কামাল: জীবন ও কর্ম’ শীর্ষক সেমিনারের মাধ্যমে এ কর্মসূচির উদ্বোধন করা হয়। দুই দিনব্যাপী এই আয়োজনে পর্যায়ক্রমে দুই সাহিত্য ব্যক্তিত্বের জীবন, কর্ম ও সাহিত্যিক অবদান নিয়ে প্রবন্ধ উপস্থাপন ও আলোচনা অনুষ্ঠিত হবে।

প্রথম দিনের সেমিনারে ‘সুফিয়া কামালের কবিতা: বিষয় ও অনুভবের বৈচিত্র্য’ শীর্ষক প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন বাংলা বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. জান্নাত আরা সোহেলী। এছাড়া ‘বিপন্ন প্রকৃতির বিষণ্ন নারী: সুফিয়া কামালের কবিতায় পরিবেশ-নারীবাদী অনুষঙ্গ’ শীর্ষক প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন বিভাগের সহকারী অধ্যাপক সানজীদা মাসুদ।

আয়োজকরা জানান, কর্মসূচির দ্বিতীয় দিনে কবি ও গীতিকার আবু হেনা মোস্তফা কামালের জীবন, সাহিত্যকর্ম, সংগীতচর্চা এবং বাংলা সংস্কৃতিতে তাঁর অবদান নিয়ে বিভিন্ন প্রবন্ধ উপস্থাপন ও আলোচনা অনুষ্ঠিত হবে। এতে দেশের বিশিষ্ট গবেষক, শিক্ষক ও সাহিত্যবোদ্ধারা অংশ নেবেন।

১ম দিনের সেমিনারে সভাপতিত্ব করেন বাংলা বিভাগের অধ্যাপক ড. এ কে এম মাহবুবুল হক। অনুষ্ঠানে শুভেচ্ছা বক্তব্য দেন বাংলা একাডেমির গবেষক মাহবুবা রহমান।

উপস্থাপিত প্রবন্ধগুলোর ওপর আলোচনা করেন প্রাবন্ধিক ও গবেষক অধ্যাপক ড. গিয়াস শামীম, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলা বিভাগের অধ্যাপক ড. হোসনে আরা এবং জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলা বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. মো. আসাদুল্লাহিল গালিব। এছাড়াও সেমিনারে বাংলা বিভাগের শিক্ষক-শিক্ষার্থীসহ বিভিন্ন পর্যায়ের অংশগ্রহণকারীরা উপস্থিত ছিলেন।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. রইছ উদ্দীন বলেন, বর্তমান প্রেক্ষাপটে সুফিয়া কামালের জীবন ও আদর্শ নতুন প্রজন্মের জন্য অত্যন্ত প্রাসঙ্গিক। তিনি কেবল নিজে শিক্ষিত হওয়ার মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকেননি; বরং অন্যদের শিক্ষিত ও সচেতন করে তুলতেও নিরলসভাবে কাজ করেছেন। নারীশিক্ষার প্রসারের পাশাপাশি নারীর অধিকার প্রতিষ্ঠার আন্দোলনেও তিনি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছেন।

তিনি বলেন, “সুফিয়া কামালের মতো দূরদর্শী ব্যক্তিত্ব সে সময়ে কাজ না করলে নারীশিক্ষার ক্ষেত্রে বাংলাদেশ আরও পিছিয়ে থাকত।”

উপাচার্য আরও বলেন, সমাজের নানা ক্ষেত্রে এখনও নারীরা তাদের প্রাপ্য অধিকার থেকে বঞ্চিত হন। বিশেষ করে সম্পদের অধিকার ও সামাজিক মর্যাদা নিশ্চিত করতে পরিবার ও সমাজের প্রতিটি স্তরে সচেতনতা বৃদ্ধির প্রয়োজন রয়েছে।

সুফিয়া কামালের মানবতাবাদী দর্শনের প্রসঙ্গ তুলে তিনি বলেন, তিনি শুধু নারী অধিকার আন্দোলনের নেত্রী ছিলেন না; মানবিকতা, মনুষ্যত্ব ও প্রগতিশীল চিন্তার এক উজ্জ্বল প্রতীক ছিলেন। তাঁর সাহিত্যকর্ম ও জীবনাদর্শ থেকে শিক্ষা নিয়ে একটি মানবিক, ন্যায়ভিত্তিক ও প্রগতিশীল সমাজ গঠনে সবাইকে ভূমিকা রাখতে হবে।

এসএন/

জাইমা রহমানকে নিয়ে অশালীন পোস্ট, আখাউড়া থানায় অভিযোগ

প্রকাশ: ২১ জুন ২০২৬, ১২:৪৫ পিএম
আপডেট: ২১ জুন ২০২৬, ০১:২০ পিএম
জাইমা রহমানকে নিয়ে অশালীন পোস্ট, আখাউড়া থানায় অভিযোগ
ছবি: খবরের কাগজ

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আখাউড়া থানায় জাইমা রহমানকে নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে আপত্তিকর মন্তব্য করার অভিযোগে একটি লিখিত অভিযোগ করা হয়েছে।

শনিবার (২১ জুন) রাতে আখাউড়া থানায় এ অভিযোগ করেন পলাশ মিয়া।

তিনি নিজেকে আখাউড়া উপজেলা ছাত্রদলের যুগ্ম সম্পাদক হিসেবে পরিচয় দিয়েছেন।

অভিযোগে বলা হয়েছে, ‘Sabidul Islam Siam’ নামের একটি ফেসবুক আইডি থেকে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের মেয়ে জাইমা রহমানকে নিয়ে অশ্লীল, আপত্তিকর ও কুরুচিপূর্ণ মন্তব্য করা হয়েছে।

বিষয়টি জানার পর পলাশ মিয়া ফেসবুকে গিয়ে পোস্টটি দেখেন এবং দলের নেতাকর্মীদের সঙ্গে আলোচনা করে থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন।

অভিযোগপত্রে আরও উল্লেখ করা হয়, ওই মন্তব্যের মাধ্যমে জাইমা রহমানের মানহানি করা হয়েছে। এ ঘটনায় সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় আইনি ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানানো হয়েছে।

আখাউড়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. জাবেদ উল ইসলাম অভিযোগ পাওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করে খবরের কাগজকে বলেন, “লিখিত অভিযোগের বিষয়টি খতিয়ে দেখা হচ্ছে। তদন্ত শেষে আইন অনুযায়ী প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”

জুটন/এএফ

আজ বিশ্ব সংগীত দিবস

প্রকাশ: ২১ জুন ২০২৬, ০৯:৩৭ এএম
আজ বিশ্ব সংগীত দিবস
ছবি: সংগৃহীত

ক্যালেন্ডারের পাতায় আজ গ্রীষ্মকালীন অয়নকাল। আজ ২১ জুন, রবিবার। প্রকৃতির এই বিশেষ দিনে বিশ্বের ১২০টিরও বেশি দেশে সুরের মূর্ছনায় মেতে উঠছেন কোটি মানুষ। পালিত হচ্ছে ‘বিশ্ব সংগীত দিবস’ বা ‘লা ফেত দে লা মিউজিক’। সংগীতের সর্বজনীন শক্তি আর সম্প্রীতির বার্তা ছড়িয়ে দিতে আজ বিশ্বজুড়ে চলছে উৎসবের আমেজ।

১৯৮২ সালে ফ্রান্সে যে উৎসবের যাত্রা শুরু হয়েছিল, তা আজ সীমানা ছাড়িয়ে পরিণত হয়েছে বিশ্বজনীন সাংস্কৃতিক আয়োজনে। বিশ্বের প্রায় ৭০০টিরও বেশি শহরে রাস্তাঘাট, পার্ক, জাদুঘরসহ বিভিন্ন উন্মুক্ত স্থানে আজ সুরের জাদুতে মাতোয়ারা সাধারণ মানুষ। শৌখিন ও পেশাদার সংগীতশিল্পীদের অংশগ্রহণে আয়োজিত এসব কনসার্ট স্মরণ করিয়ে দেয়, সংগীতের কোনো ভাষা নেই; এর একমাত্র ভাষা হলো শান্তি ও আনন্দ।

ফ্রান্সে দিবসটি পালিত হয় জাতীয় উৎসবের আমেজে। প্রতিটি শহর, প্রতিটি প্রাঙ্গণ আজ মুখরিত হয়ে উঠেছে জাতি-ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে মানুষের সম্মিলিত সুরে। বিশ্ব সংগীত দিবস উদযাপনে পিছিয়ে নেই বাংলাদেশও। দিবসটি উপলক্ষে রাজধানী ঢাকা সেজেছে সংগীতের আয়োজনে।

বাংলাদেশ সংগীত সংগঠন সমন্বয় পরিষদ দুই দিনব্যাপী বর্ণাঢ্য অনুষ্ঠানের আয়োজন করেছে। রাজধানীর সেগুনবাগিচার কেন্দ্রীয় কচি-কাঁচার মেলা মিলনায়তনে আজ বিকেল ৪টায় জাতীয় সংগীত পরিবেশনার মাধ্যমে উৎসবের সূচনা হবে। এরপর বের হবে এক বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রা। 

আয়োজকরা জানিয়েছেন, উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে থাকছেন স্বাধীনতা পুরস্কারপ্রাপ্ত বিশিষ্ট বাচিক শিল্পী ও সংস্কৃতিজন আশরাফুল আলম। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকবেন একুশে পদকপ্রাপ্ত সুরস্রষ্টা ও সংগীত পরিচালক শেখ সাদী খান। বিকেল ৫টা থেকে শুরু হবে পরিষদভুক্ত বিভিন্ন সংগঠনের শিল্পীদের দলীয় ও একক সংগীত পরিবেশনা। আগামীকাল ২২ জুন একই সময়সূচিতে উৎসবের দ্বিতীয় দিনের অনুষ্ঠানমালা অনুষ্ঠিত হবে। যেখানে প্রধান অতিথি হিসেবে থাকবেন আকরামুল ইসলাম।

বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমি তাদের সংগীত, নৃত্য ও আবৃত্তি বিভাগের ব্যবস্থাপনায় আয়োজন করেছে দুই দিনব্যাপী ‘সংগীত উৎসব’। আজ বিকেল ৫টা ৩০ মিনিটে জাতীয় নাট্যশালা মিলনায়তনে এই উৎসবের সূচনা হবে। একাডেমির আয়োজনে উদ্বোধনী দিনে ঢাক-ঢোল বাদন ও বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রার পাশাপাশি থাকছে পিয়ানো বাদন ও অর্কেস্ট্রা পরিবেশনা।

এতে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকবেন সংস্কৃতিমন্ত্রী নিতাই রায় চৌধুরী। এরপর দেশবরেণ্য শিল্পীদের অংশগ্রহণে বিশেষ সংগীত পরিবেশনা, একক গান ও ব্যান্ডের সুরের মূর্ছনায় মুখরিত হবে শিল্পকলা প্রাঙ্গণ।

বৃহত্তর কুষ্টিয়ার প্রথম পতাকা উত্তোলনকারী আব্দুল জলিলের স্মরণসভা

প্রকাশ: ২০ জুন ২০২৬, ০৫:৫০ পিএম
বৃহত্তর কুষ্টিয়ার প্রথম পতাকা উত্তোলনকারী আব্দুল জলিলের স্মরণসভা
স্মরণ সভায় বক্তব্য রাখছেন অতিথিরা। ছবি: সংগৃহীত

মহান মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম সংগঠক, বৃহত্তর কুষ্টিয়া জেলায় প্রথম পতাকা উত্তোলনকারী, জাতির শ্রেষ্ঠ সন্তান বীরমুক্তিযোদ্ধা অ্যাড. আব্দুল জলিলের ২য় স্মরণ সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

শনিবার (২০ জুন) কুষ্টিয়া জেলা আইনজীবী ভবনের সেমিনার কক্ষে অনুষ্ঠিত স্মরণ সভায় সভাপতিত্ব করেন কুষ্টিয়া জেলা আইনজীবী সমিতি সাবেক সভাপতি অ্যাড. হারুন উর রশিদ।

আলোচনায়  অংশগ্রহণ করেন অ্যাড. লালিম হক; লেখক ও গবেষক, মুক্তিযোদ্ধা রফিকুল ইসলাম টুকু; ডেপুটি কমান্ডার বাংলাদেশ মুক্তিযোদ্ধা সংসদ কুষ্টিয়া জেলা কমান্ড বীরমুক্তিযোদ্ধা নজরুল ইসলাম; সভাপতি সম্মিলিত সামাজিক আন্দোলনে কুষ্টিয়া জেলা শাখা অ্যাড. নিয়ামত উল্লাহ; সিনিয়র আইনজীবী, কুষ্টিয়া জেলা জজকোর্ট অ্যাড. লালন।

সিনিয়র আইনজীবী, কুষ্টিয়া জেলা জজকোর্ট অ্যাড. সুধির কুমার স্বর্মা সিনিয়র আইনজীবী, কুষ্টিয়া জেলা জজকোর্ট, অ্যাড.এ্যাডঃ শাতিল মাহমুদ সাধারণ সম্পাদক কুষ্টিয়া জেলা আইনজীবী সমিতি কুষ্টিয়া,কমরেড শফিউর রহমান শফি বিশিষ্ট রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব, অ্যাড. আল মুজাহিদ মিঠু,সাবেক পিপি দুর্নীতি দমন কমিশন  দুদক কুষ্টিয়া, অ্যাড. সুব্রত চক্রবর্তী সিনিয়র আইনজীবী কুষ্টিয়া জেলা জজকোর্ট, কুষ্টিয়া, লেখক ও কবি মুনশী আবু সাঈদ, কনক চৌধুরী, ডা. তাজউদ্দীন আহমদ, শাহাবুদ্দিন আহামেদ,  অ্যাড. আবুল হাসেম সিনিয়র আইনজীবী, কুষ্টিয়া জেলা জজকোর্ট, কুষ্টিয়া, অ্যাড. ওয়াদুদ সাহেব  সিনিয়র আইনজীবী কুষ্টিয়া জেলা জজকোর্ট কুষ্টিয়া, অ্যাড. শংকর দত্ত, প্রফেসর সাজেদুল ইসলাম, প্রফেসর এম এ রফিক, বীরমুক্তিযোদ্ধা মাসুদুর আলম শেলী, অ্যাড. আব্দুল জলিল এর ছেলে সুমন, সজিব আহমেদ, এস এস রুশদী। প্রারম্ভিক বক্তব্য দিয়েছেন কারশেদ আলম, সভা পরিচালনা করেন অ্যাড. জয়দেব বিশ্বাস।