ঢাকা ২৬ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩, মঙ্গলবার, ০৯ জুন ২০২৬

সর্বশেষ
বাংলাদেশের অর্থনৈতিক সংস্কারে ৫০ বিলিয়ন ইয়েন ঋণ সহায়তা দেবে জাপান ‘স্পোর্টস ডিপ্লোম্যাসির মাধ্যমে বৈশ্বিক যোগসূত্র স্থাপন করতে চায় বাংলাদেশ’ অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে বাংলাদেশের ঐতিহাসিক জয় পদ্মা সেতুতে সৌরবিদ্যুতের ইতিবাচক প্রভাব, এক মাসেই সাড়ে ৪ লাখ টাকা সাশ্রয় বিসিএস স্বাস্থ্য ক্যাডারে বয়স বৃদ্ধি ও বেসরকারি চিকিৎসকদের বেতন কাঠামোর সুপারিশ হেডফোন লাগিয়ে হাঁটার সময় ট্রেনের ধাক্কায় কিশোরের মৃত্যু গাজীপুরে স্বেচ্ছাসেবক দলের নেতাকে গ্রেপ্তার সিলেটে স্কুলছাত্রের অস্বাভাবিক মৃত্যু, মরদেহর ময়নাতদন্ত না করতে চিরকুট! রাজস্ব বাড়ানোর চ্যালেঞ্জ: এনবিআরের লক্ষ্য কতটা বাস্তবসম্মত? ভূমিকম্পে ক্ষতির বড় কারণ শুধু কম্পন নয়, বরং খারাপ মানের ডিজাইন ও নির্মাণ পাকিস্তানে টিটিপি’র হামলায় ৬ আধাসামরিক বাহিনীর সদস্য নিহত চমেক হাসপাতালে অ্যাম্বুলেন্স সিন্ডিকেট, শৃঙ্খলা ফেরাতে ৬ নির্দেশনা জাতীয় পরিবেশ পদক পেলেন ঢাবি উপ-উপাচার্য অধ্যাপক সালাম চীনের পরিবেশবান্ধব গাড়ি রপ্তানি দ্বিগুণ বেড়েছে শেয়ারবাজার কেলেঙ্কারিতে ১৪৯৬ কোটি টাকা জরিমানা: অর্থমন্ত্রী ঝিনাইদহে ভাতিজার লাঠির আঘাতে চাচার মৃত্যু ডাক সেবায় আসছে অটোমেশন পদ্ধতি: ডাক ও তথ্যপ্রযুক্তিমন্ত্রী চীনের উসিতে চালু হলো ভার্চুয়াল রিয়েলিটি সিনেমা হল প্রশিক্ষণ মাঠেই থেমে গেল এসআই জীবন রহমানের জীবনযাত্রা তানিয়া বৃষ্টির মৃত্যুর খবরে যা জানা গেল বাড়ি নির্মাণে ঋতুপর্ণাকে অর্থ সহায়তা দিলেন প্রধানমন্ত্রী নীরবতার কণ্ঠস্বর ‘ভাসানে উজান’ মুক্তি পেল বিশ্বকাপের অফিসিয়াল ট্র্যাক ‘সির সির’ ঝিনাইদহে ছাত্রলীগের ২৪ নেতাকর্মীর নামে মামলা, আটক ৩ টেলিমেডিসিনের গুরুত্ব বর্তমানে বৈধ সিমের সংখ্যা ৩২ কোটি ৮২ লাখ: টেলিযোগাযোগ মন্ত্রী সংসদ সদস্যের পদ ছাড়ছেন কোয়েল বিচার চাইব কার কাছে পাটুরিয়া-দৌলতদিয়া নৌরুটে ফেরি ও লঞ্চ চলাচল স্বাভাবিক আরও ঝলমলে রঙিন হচ্ছে পাহাড়ি শহর ছোংছিংয়ের রাত
Nagad desktop

বাইকে কেন এবিএস ফিচার জরুরি?

প্রকাশ: ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২৪, ০৩:৪৯ পিএম
আপডেট: ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২৪, ০৩:৫১ পিএম
বাইকে কেন এবিএস ফিচার জরুরি?
এবিএস বা অ্যান্টি লক ব্রেকিং সিস্টেমের প্রতীকী ছবি

বাইক চালানোর আনন্দ অনেকের কাছেই অপরিসীম। তবে এই আনন্দকে ধরে রাখতে বাইকের নিজস্ব কিছু ফিচার খুবই গুরুত্বপূর্ণ। এই নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে বাইক নির্মাতারা নানা ধরনের আধুনিক প্রযুক্তি ব্যবহার করছে। এমন একটি প্রযুক্তি হলো এবিএস বা অ্যান্টি লক ব্রেকিং সিস্টেম। বাইক কেনার আগে এবিএস ফিচারটি আছে কি না, তা খুব ভালোভাবে খতিয়ে দেখা উচিত। এবিএস কীভাবে কাজ করে এবং কেন এটি বাইক চালানোর সময় এত গুরুত্বপূর্ণ, সে সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে আজকের আয়োজন।

এবিএস কী এবং কীভাবে কাজ করে?

এবিএস বা অ্যান্টি লক ব্রেকিং সিস্টেম হলো একটি নিরাপত্তাব্যবস্থা, যা বাইকের চাকা লক হয়ে যাওয়া রোধ করে। চাকা স্কিড করা বা পিছলে যাওয়া আটকাতে এই সিস্টেম আনা হয়েছে। এতে ব্রেক করার সময় চাকা লক হয় না, রাস্তা ও চাকার মধ্যকার সংযোগ শক্তি বজায় থাকে। ব্রেক করার সময় হঠাৎ যদি চাকা লক হয়ে যায় তাহলে বাইক পিছলে গিয়ে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে ফেলতে পারে। এবিএস এই পরিস্থিতি এড়াতে সাহায্য করে। এটি ব্রেক প্যাড ও ডিস্কের মধ্যকার ঘর্ষণকে নিয়ন্ত্রণ করে চাকাকে ঘুরতে সাহায্য করে। ফলে বাইকের ওপর নিয়ন্ত্রণ বজায় থাকে। এতে দুর্ঘটনা এড়ানো সম্ভব হয়।
একটা সময় বাইকে ড্রাম ব্রেক ব্যবহার করা হতো। তবে স্পোর্টস বা অল টেরেন বাইকে নয়, কমিউটার বাইকে। ড্রাম ব্রেকে থাকত ব্রেক শু। ব্রেক চাপলে ব্রেক শু গিয়ে লাগত ড্রামে। ফলে ড্রাম এবং ব্রেক শুর ঘর্ষণে গাড়ি দাঁড়িয়ে যেত। তবে এতে হুইল লকিং নীতি কাজ করে না, ফলে যেকোনো সময় বাইক পিছলে যাওয়ার সম্ভাবনা থাকে। পিছলে যাওয়া এড়াতেই চালু হয় অ্যান্টি লক ব্রেকিং সিস্টেম বা এবিএস।

এবিএস ব্রেকিং সিস্টেমের তিনটি অংশ রয়েছে। ইসিইউ কিট, ব্রেক এবং হুইল স্পিড সেন্সর। এটা সাধারণত পেছনের চাকায় থাকে। স্পিড সেন্সরকে এমনভাবে ম্যাপ করা হয়েছে, যা চাকার সম্ভাব্য লক আপ পর্যবেক্ষণ করতে পারে। এই সেন্সর ইলেকট্রনিক কন্ট্রোল ইউনিটের সঙ্গে যুক্ত থাকে, যা চাকাকে কিছুটা দূরত্বে রোল করতে এবং নিয়মিত সময়ের ব্যবধানে লক করে দেয়। এভাবেই এবিএস কাজ করে। সাধারণত ডিস্ক ব্রেকে এবিএস থাকে। ড্রাম ব্রেকে থাকে না।

আগে উচ্চমানের বাস ও গাড়ির মতো বড় যানবাহনে এবিএস ফিচার যোগ করা এতে। তবে এটি রাস্তায় দুর্ঘটনার সংখ্যা বেড়ে যায়। এই পরিস্থিতিতে বাইক নির্মাতারা মোটরসাইকেলে এবিএস প্রযুক্তি ব্যবহার করতে শুরু করেন। এটা ব্যয়বহুল।

এবিএসের সুবিধা

পিছলে যাওয়া রোধ: এবিএসের সবচেয়ে বড় সুবিধা হলো এটি বাইককে পিছলে যাওয়া থেকে রক্ষা করে।

নিয়ন্ত্রণ বজায় রাখা: হঠাৎ ব্রেক করলেও বাইকের ওপর নিয়ন্ত্রণ বজায় রাখতে সাহায্য করে। অনেক বাইকার স্টান্টকে পেশা হিসেবে বেছে নিয়েছেন। তারা যখন স্টপির মতো স্টান্টের খেলা দেখান তখন এবিএসের গুরুত্ব বোঝা যায়।

দুর্ঘটনা প্রতিরোধ: পিছলে যাওয়া রোধ করে দুর্ঘটনার সম্ভাবনা কমিয়ে দেয়। মটোজিপ রাইডাররা স্লিপার ক্লাচ ব্যবহার করে। তারা যখন একপাশে ঝুঁকে বাইক চালায় তখন এবিএস কার্যকর হয়। তারা ক্রমাগত ব্রেক কষতে থাকে, তবে এবিএস চাকাকে মাটির সঙ্গে ধরে রাখে। পিছলে যাওয়া থেকে বাঁচায়।

ভেজা রাস্তায় নিরাপত্তা: ভেজা রাস্তায় ব্রেক করলেও চাকা লক হওয়ার সম্ভাবনা কম থাকে।

কেন এবিএস জরুরি?

আজকের দিনে রাস্তাঘাটে যানবাহনের সংখ্যা বেড়ে যাওয়ায় দুর্ঘটনার ঝুঁকিও বেড়েছে। এমন পরিস্থিতিতে বাইক চালানোর সময় নিরাপত্তা সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ। এবিএস ফিচারটি আপনার নিরাপত্তার জন্য একটি অতিরিক্ত স্তর যোগ করে। তাই আজই একটি এবিএস সজ্জিত বাইকে আপনার সঙ্গী করে নিরাপত্তা নিশ্চিত করুন।

চীনের পরিবেশবান্ধব গাড়ি রপ্তানি দ্বিগুণ বেড়েছে

প্রকাশ: ০৯ জুন ২০২৬, ০৭:১৩ পিএম
চীনের পরিবেশবান্ধব গাড়ি রপ্তানি দ্বিগুণ বেড়েছে
চীনের অটোমোবাইল শিল্পের প্রবৃদ্ধির প্রধান চালিকাশক্তি এখন রপ্তানি।

চলতি বছরের মে মাসে পরিবেশবান্ধব জ্বালানিচালিত বা পরিবেশবান্ধব যাত্রীবাহী গাড়ি রপ্তানিতে বিশাল সাফল্য দেখছে চীন। দেশটির যাত্রীবাহী গাড়ি সংস্থার (সিপিসিএ) তথ্য অনুযায়ী, গত বছরের মে মাসের তুলনায় এবার গাড়ি রপ্তানি ১১২.৬ শতাংশ বেড়ে ৪ লাখ ২৪ হাজার ইউনিটে পৌঁছেছে।  
তথ্য অনুযায়ী, এপ্রিলের তুলনায় মে মাসে রপ্তানি বেড়েছে ৪ দশমিক ৪ শতাংশ। একই সময়ে বিদেশে পাঠানো মোট যাত্রীবাহী গাড়ির ৫৪ দশমিক ১ শতাংশই ছিল পরিবেশবান্ধব জ্বালানিচালিত যান, যা এক বছর আগের তুলনায় ৯ দশমিক ৫ শতাংশ পয়েন্ট বেশি।
রপ্তানিকৃত এনইভিগুলোর মধ্যে ব্যাটারিচালিত বৈদ্যুতিক গাড়ির অংশ ছিল ৫৯ দশমিক ৩ শতাংশ। যদিও এক বছর আগে এ হার ছিল ৬৬ দশমিক ১ শতাংশ। 
সিপিসিএ বলেছে, চীনের অটোমোবাইল শিল্পের প্রবৃদ্ধির প্রধান চালিকাশক্তি এখন রপ্তানি। অভ্যন্তরীণ বাজারে তুলনামূলক দুর্বল চাহিদার মধ্যেও চীনা গাড়ি নির্মাতারা লাতিন আমেরিকা ও ইউরোপের মতো বাজারে তাদের উপস্থিতি আরও জোরদার করেছে। এর ফলে মধ্যপ্রাচ্যের কিছু বাজারে চাহিদা কমে যাওয়ার প্রভাব অনেকটাই সামাল দেওয়া সম্ভব হয়েছে এবং রপ্তানির ঊর্ধ্বমুখী ধারা বজায় রয়েছে।
সূত্র: সিএমজি বাংলা 

ওয়েমোর চালকহীন নতুন রোবোট্যাক্সি ‘ওজাই’

প্রকাশ: ০৭ জুন ২০২৬, ০৫:৩৪ পিএম
ওয়েমোর চালকহীন নতুন রোবোট্যাক্সি ‘ওজাই’
ওয়েমোর তৈরি নতুন রোবোট্যাক্সি ‘ওজাই’। ছবি: সংগৃহীত

চালকহীন গাড়ি নির্মাতা প্রতিষ্ঠান ওয়েমো তাদের তৈরি নতুন রোবোট্যাক্সি ‘ওজাই’ উন্মুক্ত করেছে। যুক্তরাষ্ট্রের সান ফ্রান্সিসকো, লস অ্যাঞ্জেলেস ও ফিনিক্সের যাত্রীরা এখন এই স্বয়ংক্রিয় গাড়িতে যাতায়াত করতে পারবেন। প্রাথমিক অবস্থায় নির্দিষ্ট সময়ের জন্য এই সেবা বিনামূল্যে দিচ্ছে প্রতিষ্ঠানটি।

বিশেষভাবে তৈরি এই রোবোট্যাক্সি ওয়েমোর জন্য একটি বড় মাইলফলক। এর আগে প্রতিষ্ঠানটি সাধারণ বাণিজ্যিক গাড়িকে রূপান্তর করে চালকহীন হিসেবে ব্যবহার করত। ভ্যান আকৃতির এই গাড়িটি বেশ বড় ও প্রশস্ত। এটি টেসলার ছোট আকারের সাইবার ক্যাবের সম্পূর্ণ বিপরীত, যাতে মাত্র দুজন মানুষ মালামালসহ বসতে পারেন।

চীনের গাড়ি নির্মাতা প্রতিষ্ঠান ‘জিকর’ ওজাই গাড়িটি তৈরি করেছে। পরবর্তী সময়ে যুক্তরাষ্ট্রের অ্যারিজোনায় ওয়েমোর নিজস্ব কারখানায় এতে স্বয়ংক্রিয় চালনা প্রযুক্তি যুক্ত করা হয়।

গাড়িটিতে যাত্রীদের বসার জন্য পর্যাপ্ত জায়গা, তিনটি স্ক্রিন এবং চার্জিং পোর্ট রয়েছে। এতে ওয়েমোর ষষ্ঠ প্রজন্মের নতুন চালনা সফটওয়্যার ব্যবহার করা হয়েছে। এই প্রযুক্তির ফলে গাড়িটির ক্যামেরা সেন্সর ২৯টি থেকে কমিয়ে ১৩টিতে আনা সম্ভব হয়েছে। এতে লিডার ও রাডার সেন্সরের সংখ্যাও কমেছে। ফলে প্রতিটি গাড়ি তৈরিতে খরচ পড়ছে ২০ হাজার ডলারের কম।

নতুন সফটওয়্যারের জন্য বরফাবৃত ও ঠাণ্ডা শহরের রাস্তায় গাড়িটি চলতে সক্ষম। এর আগে ওয়েমো কেবল উষ্ণ অঞ্চলের শহরগুলোতে সীমাবদ্ধ ছিল। এই সুবিধার কারণে প্রতিষ্ঠানটি এখন শিকাগো শহরে তাদের সেবা চালুর প্রস্তুতি নিচ্ছে।

বর্তমানে আমেরিকার ১১টি প্রধান শহরে ওয়েমোর স্বয়ংক্রিয় গাড়ি সেবা চালু রয়েছে। ইতোমধ্যে প্রতিষ্ঠানটি ২ কোটিরও বেশি সফল ট্রিপ সম্পন্ন করেছে, যা এই খাতের যেকোনো প্রতিদ্বন্দ্বী প্রতিষ্ঠানের চেয়ে অনেক বেশি।

তবে চলতি মাসের শুরুতে বন্যার পানিতে গাড়ি চলে যাওয়ার কারণে দুটি শহরে ওয়েমো তাদের সেবা সাময়িকভাবে বন্ধ করতে বাধ্য হয়েছিল। এই ঘটনার পর প্রায় ৪ হাজার গাড়ি ফিরিয়ে নেয় প্রতিষ্ঠানটি।

টেসলার রোবোট্যাক্সি সেবায় ধীরগতি

প্রকাশ: ০৭ জুন ২০২৬, ০৫:২৫ পিএম
টেসলার রোবোট্যাক্সি সেবায় ধীরগতি
ছবি: সংগৃহীত

যুক্তরাষ্ট্রের ন্যাশনাল হাইওয়ে ট্রাফিক সেফটি অ্যাডমিনিস্ট্রেশনের (এনএইচটিএসএ) একটি নতুন প্রতিবেদনে টেসলার চালকহীন রোবোট্যাক্সি সেবার ধীরগতির চিত্র উঠে এসেছে। তথ্য অনুযায়ী, সাম্প্রতিক কিছু সড়ক দুর্ঘটনা রিমোট অপারেটরের মাধ্যমে গাড়ি চালানোর সময় ঘটেছে। এতদিন টেসলা ব্যবসায়িক গোপনীয়তার স্বার্থে এসব তথ্যের কিছু অংশ প্রকাশ না করার অনুরোধ জানিয়ে আসছিল।

রয়টার্সের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, টেসলার এই সেবা দীর্ঘ অপেক্ষার সমস্যার মুখোমুখি হচ্ছে। ডালাসে এক সাংবাদিকের মাত্র ২০ মিনিটের পথ পাড়ি দিতে প্রায় দুই ঘণ্টা সময় লেগেছে। এছাড়া অনেক ক্ষেত্রে গন্তব্যের নির্ধারিত এলাকার ভেতরে থাকার পরও গাড়িগুলো যাত্রীদের মূল গন্তব্য থেকে ১৫ মিনিট দূরে নামিয়ে দিয়েছে।

টেকক্রাঞ্চের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, গত বছরের জুলাই থেকে টেক্সাসের অস্টিনে অন্তত দুটি দুর্ঘটনা ঘটেছে যখন গাড়িগুলো দূর থেকে অন্য একজন চালক নিয়ন্ত্রণ করছিলেন। অস্টিনে টেসলা তাদের রোবোট্যাক্সি সেবা শুরু করে। দুর্ঘটনার সময় গাড়িগুলোতে যাত্রী না থাকলেও একজন করে নিরাপত্তা পরিদর্শক উপস্থিত ছিলেন।

প্রথম দুর্ঘটনাটি ঘটে গত বছরের জুলাইয়ে। তখন একজন নিরাপত্তা পরিদর্শক গাড়ির নিয়ন্ত্রণ নিতে সাহায্য চাইলে দূরবর্তী অপারেটর গাড়ির গতি বাড়িয়ে দেন। এতে গাড়িটি রাস্তার পাশে একটি ধাতব বেড়ায় আঘাত করে। দ্বিতীয় দুর্ঘটনাটি ঘটে চলতি বছরের জানুয়ারিতে। তখন একজন রিমোট অপারেটর গাড়ির নিয়ন্ত্রণ নেওয়ার পর সেটি একটি নির্মাণাধীন এলাকার অস্থায়ী ব্যারিকেডে আঘাত করে। তখন গাড়ির গতি ছিল ঘণ্টায় প্রায় ৯ মাইল।

অন্যান্য স্বয়ংক্রিয় গাড়ি নির্মাতা প্রতিষ্ঠানগুলো দূরবর্তী মনিটরিং ব্যবস্থা ব্যবহার করলেও তারা সরাসরি গাড়ি চালায় না, বরং সফটওয়্যারকে সহায়তা করে। তবে টেসলার ক্ষেত্রে অপারেটররা সরাসরি গাড়ি চালান। টেসলার সব দুর্ঘটনা অবশ্য রিমোট অপারেটরের কারণে ঘটেনি। কোনো কোনো ক্ষেত্রে রোবোট্যাক্সি অন্য গাড়ির আয়নায় আঘাত করেছে। অন্য একটি ঘটনায় রাস্তায় আচমকা চলে আসা একটি কুকুরকে গাড়িটি এড়াতে পারেনি, তবে কুকুরটি বেঁচে যায়।

স্বয়ংক্রিয় গাড়ির ক্ষেত্রে দুর্ঘটনা বা সফটওয়্যার জটিলতা নতুন কিছু নয়। টেসলার প্রতিদ্বন্দ্বী ওয়েমোকেও এমন সমস্যার মুখোমুখি হতে হয়েছে। তবে টেসলার এই ধারাবাহিক সমস্যাগুলো ইঙ্গিত দেয়, প্রতিযোগীদের সমকক্ষ হতে প্রতিষ্ঠানটিকে এখনো দীর্ঘ পথ পাড়ি দিতে হবে।

দীর্ঘ ভ্রমণের আগে গাড়ির প্রস্তুতি

প্রকাশ: ০৬ জুন ২০২৬, ০৪:২১ পিএম
আপডেট: ০৬ জুন ২০২৬, ০৪:২৫ পিএম
দীর্ঘ ভ্রমণের আগে গাড়ির প্রস্তুতি
ছবি: সংগৃহীত

পরিবার কিংবা বন্ধুদের নিয়ে দূরে কোথাও ঘুরতে যাওয়ার আনন্দ অন্যরকম হয়ে থাকে। তবে দীর্ঘ পথ পাড়ি দেওয়ার আগে গাড়ির অবস্থা পরীক্ষা করা জরুরি। মাঝপথে গাড়ি বিকল হলে পুরো আনন্দ মাটি হতে পারে। তাই যাত্রার আগে কিছু গুরুত্বপূর্ণ বিষয় যাচাই করে নিলে ভ্রমণ হতে পারে আরও নিরাপদ ও স্বস্তিদায়ক।

ভ্রমণের শুরুতে গাড়ির ইঞ্জিন অয়েল, ব্রেক ফ্লুইড, কুল্যান্ট এবং উইন্ডশিল্ড ওয়াইপার ওয়াটার পরীক্ষা করুন। ইঞ্জিন অয়েল কম থাকলে বা পরিবর্তনের সময় হলে তা বদলে নিন। দীর্ঘ যাত্রায় ইঞ্জিন অতিরিক্ত গরম হওয়া রোধ করতে কুল্যান্টের ভূমিকা অপরিসীম। রেডিয়েটরে কুল্যান্টের পরিমাণ ঠিক আছে কি না, তা দেখে নেওয়া জরুরি।

গাড়ির টায়ার যাত্রার সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ অংশ। সব টায়ারের এয়ার প্রেশার বা বাতাসের চাপ পরীক্ষা করুন। টায়ারে কোনো লিক, ফাটল বা ক্ষয় আছে কি না, তা ভালোভাবে দেখে নিন। দীর্ঘ ভ্রমণের সময় গাড়িতে অতিরিক্ত মালামাল থাকে, তাই সঠিক টায়ার প্রেশার বজায় রাখা জরুরি। একই সঙ্গে গাড়ির অতিরিক্ত চাকা বা স্পেয়ার টায়ারটি ব্যবহারের উপযোগী আছে কি না এবং চাকা পরিবর্তনের টুলসগুলো গাড়িতে আছে কি না, তা নিশ্চিত করুন।

নিরাপদ যাত্রার জন্য ব্রেকের কার্যকারিতা যাচাই করা সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ। ব্রেক চাপার সময় কোনো অস্বাভাবিক শব্দ হলে বা ব্রেক কম ধরলে দ্রুত মেকানিকের শরণাপন্ন হোন। এছাড়া গাড়ির হেডলাইট, ব্যাকলাইট, ইন্ডিকেটর এবং ফগলাইটের কার্যকারিতা পরীক্ষা করুন। রাতের বেলা বা কুয়াশায় পরিষ্কার দেখার জন্য সব লাইট ঠিক থাকা আবশ্যক।

গাড়ির ব্যাটারির সংযোগস্থলগুলো পরিষ্কার আছে কি না এবং সেখানে কোনো মরিচা পড়েছে কি না, তা খেয়াল করুন। ব্যাটারির চার্জের অবস্থা দুর্বল মনে হলে তা পরিবর্তন করে নেওয়াই বুদ্ধিমানের কাজ হবে। দীর্ঘ যাত্রায় গাড়ির এসি বা এয়ার কন্ডিশনার ঠিকমতো কাজ করছে কি না, তাও দেখে নিন।

যাত্রার আগে গাড়ির প্রয়োজনীয় সব বৈধ কাগজপত্র সঙ্গে রাখুন। এর মধ্যে ড্রাইভিং লাইসেন্স, গাড়ির রেজিস্ট্রেশন, ট্যাক্স টোকেন এবং ফিটনেস সার্টিফিকেট অন্যতম। বর্তমান সময়ে ডিজিটাল বা অনলাইন কপির পাশাপাশি মূল কাগজপত্রের প্রিন্ট কপি গাড়িতে রাখা নিরাপদ।
সবশেষে গাড়িতে একটি ফার্স্ট এইড বক্স, টর্চলাইট, ফায়ার এক্সটিঙ্গুইশার এবং কিছু জরুরি ওষুধ রাখুন। রাস্তায় ব্যবহারের জন্য বোতলজাত পানি এবং শুকনা খাবার সঙ্গে নেওয়া ভালো। এই ছোট ছোট প্রস্তুতি আপনার দীর্ঘ ভ্রমণকে নিরাপদ, আরামদায়ক ও দুশ্চিন্তামুক্ত রাখবে। সঠিক প্রস্তুতিই একটি সফল ভ্রমণের মূল চাবিকাঠি।

চীনের ইভি প্রযুক্তিতে গাড়ি বানাবে ভারতের টাটা

প্রকাশ: ০৫ জুন ২০২৬, ০৫:৩৯ পিএম
চীনের ইভি প্রযুক্তিতে গাড়ি বানাবে ভারতের টাটা
বৈদ্যুতিক গাড়ি অভিন্ন

ভারতের টাটা মোটরস চীনের জনপ্রিয় বৈদ্যুতিক গাড়ির ব্র্যান্ড চেরির প্ল্যাটফর্ম ব্যবহার করে তাদের প্রিমিয়াম ব্র্যান্ড ‘অভিন্ন’ ইলেকট্রিক গাড়ি তৈরি করতে যাচ্ছে। 
গণমাধ্যমের তথ্যমতে, চেরি ও জাগুয়ার ল্যান্ড রোভারের যৌথ উদ্যোগে তৈরি ‘ফ্রিল্যান্ডার’ প্লাটফর্মটি ব্যবহার করবে টাটা। গাড়িগুলো দক্ষিণ ভারতের তামিলনাড়ুর নতুন কারখানায় তৈরি হবে। 
২০২৭ সালে অভিন্ন’র প্রথম মডেলটি বাজারজাত করার পরিকল্পনা রয়েছে টাটার। এটি চীন থেকে সরঞ্জাম এনে ভারতে সংযোজন করা হবে। 
মূলত ২০২৫ সালের মধ্যে জেএলআর-এর নিজস্ব আর্কিটেকচার ব্যবহারের আগের পরিকল্পনাটি ভেস্তে যাওয়ার পর, টাটা চীনের এই উন্নত প্রযুক্তি ব্যবহারের সিদ্ধান্ত নেয়। এই চুক্তির ফলে টাটা অত্যন্ত দ্রুত এবং কম খরচে অত্যাধুনিক প্রযুক্তির জগতে প্রবেশ করতে যাচ্ছে টাটা। 

সূত্র: সিএমজি